নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষ কবে বন্ধ হবে ?

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩০



১. সম্প্রতি ব্লগার খুরশিদ আলম ভাইয়ের "সুন্নতের অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত সুখ" নামক একটা পোস্ট আসে। নবীপ্রেমী এই ব্লগারের সাদাসিধা একখানা লেখা। ছোট লেখা। মন্তব্য পড়িতে গিয়া ব্যথিত হইলাম। সামুর খোঁয়াড়ে কি জায়গা কম পড়িয়াছে যে মানব সমাজে বিচরণের অযোগ্য কাউকে মানব সমাজে ছাড়িয়া দিতে হইবে ?

২. ইমাম আবু হানিফা র. একবার ওই সময়কার শীর্ষস্থানীয় আলেমদের লইয়া মজলিশ করিতেছেন। কিছু দূরে বাচ্চারা বল জাতীয় কিছু দিয়া খেলিতেছিলো। হঠাৎ বল চলে আসে মজলিসের মাঝে।তখনকার সময়ে ওলামারাই সমাজের নেতৃত্বে থাকিতেন। লোকে তাহাদের সম্মান করিত , ইজ্জত করিত, সম্ভ্রমের সাথে তাহাদের সাথে আচরণ করিত, এমনকি বাচ্চারাও ! বাচ্চারা দূরে থাকিয়া মজলিসের দিকে তাকাইয়া আছে। সম্ভ্রমের কারণে কুন্ঠাবোধ করিতেছে , কাছে আসিতেছে না ! এর মধ্যে একবালক সম্ভ্রম এড়াইয়া , সকলকে ডিঙাইয়া মজলিসের মাঝখান হইতে বল নিয়া আসিল। সকলেই বিস্মিত হইলো।এই বালক কিভাবে ইহা সম্ভব করিল।ইমাম সাহেব বলিলেন , খুব সম্ভবত এই বাচ্চার জন্মে সমস্যা আছে ! লোকে খোঁজ নিয়া জানিল সত্যই সমস্যা আছে , জারজ সন্তান ! অর্থাৎ নবীর ওয়ারিশদের সাথে অসম্মান,বেয়াদবি সেই করিতে পারে যাহার জন্মে সমস্যা আছে ! তাহলে নবী স. এর সাথে যে বেয়াদবি করে , অসম্মান করে , কুৎসা রচনা করে তাহার জন্ম সম্পর্কে আপনাদের কি ধারণা ?

৩. বর্তমান সময়ে নাস্তিকতা স্বাভাবিক বিষয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ কি জানিনা , তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি ইহাকে একটা ধর্মের মতনই মনে করি। শুনিয়াছি চার্বাক দর্শনের জনক নিজেই নাস্তিক ছিলেন। আমি পশ্চিমা নাস্তিকদের সাথেও কথা বলিয়াছি , ধর্ম নিয়া বিধর্মীদের সাথেও তর্ক করিয়াছি। তবে সবই শালীনতার সাথে। আমি সত্যিকারের নাস্তিকদের ভদ্র হিসেবেই পাইয়াছি।তাহাদের কাছে নাস্তিকতার কারণ জিজ্ঞাসা করিয়াছি। তাহারা বলিয়াছেন , তাহারা সকল ধর্ম শ্রদ্ধা করেন , অন্যের বিশ্বাস কে তাহারা অশ্রদ্ধা করেন না , তাহারা স্রেফ ধর্মে বিশ্বাস করেন না , ধর্ম নিয়া তাহাদের আগ্রহ নাই ! আমি তাহাদের অবস্থানকে প্রশংসা করিয়াছি !

৪. ব্লগে যাহারা ইসলাম বিরোধিতা করেন , তাহাদের অধিকাংশই নাস্তিক নহেন , বিধর্মী নহেন ,বরং ইসলাম বিদ্বেষী। ইসলামের কোন বিষয় নিয়া প্রশ্ন চলিবে না , আমি ইহা বলিনা , একই পোস্টে ব্লগার নতুন কত চমৎকার ভাবে , যুক্তির সাথে সুন্নতকে হালকা করিতে চেষ্টা করিয়াছেন , ইহাতে আপত্তি নাই। যৌক্তিকভাবে তাহার মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য দেওয়াই উচিত হইবে। তবে অসভ্য জানোয়ারের মতন অন্যের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করিয়া , নবী স. কে অবমাননা করিয়া এই ব্লগে কেহ টিকিয়া থাকে কিভাবে ? কেন তাহার আইডি সুলেমানি ব্যান হয় না ?

৫. ব্লগে যদি ইসলাম বিদ্বেষ বন্ধ না হয় , নবী স. এর অবমাননা বন্ধ না হয় তাহলে আমি নিজেকে এই ব্লগে থাকা হারাম মনে করি। যদি মডু যথাযথ পদক্ষেপ না নেয় তাহলে এই ব্লগে টিকিয়া থাকা আমার পক্ষে সম্ভব হইবে না। ব্লগ যখন আবার চাঙ্গা হইতেছে এই সময়ে এই আত্মঘাতী প্রবণতা অবশ্যই বন্ধ রাখা উচিত। ধন্যবাদ !

মন্তব্য ১০০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (১০০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



ব্লগ হলো আধুনিক ভাবনা নিয়ে আলোচনার যায়গা

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: অবশ্যই ! তবে ধর্ম অবমাননা , নবী স. এর অসম্মান , বেয়াদবীকে আধুনিক ভাবনা মানতে পারছি না ! এটা নিয়ে আলোচনার জায়গা ব্লগ এটাও মানতে পারছি না !

২| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ ও অন্যান্য মুসলিম দেশের ব্লগে ধর্ম হিসেবে ইসলামই আলোচনার বিষয়, তেমনি ইউরোপে খৃষ্টান ধর্ম আলোচনার বিষয়।

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধর্ম নিয়ে আলোচনা হবে , প্রশ্ন হবে সমস্যা নাই , তবে অবমাননা কেন , অসম্মান কেন ? অন্যের ধর্মীয় অনুভূতি , বিশ্বাসের জায়গাতে আঘাত কেন ? দেখুন ব্লগার নতুন প্রশ্ন করিয়াছেন , আলোচনা করেছেন, তিনি তো অবমাননা করেন নি !

৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি এখানে স্ক্রীনশট দিয়েছেন......ভালো। আমি ভাবি, এই ধরনের স্ক্রীনশট কেউ যদি ফেসবুকে শেয়ার করে, তাহলে কি হবে। কে লিখলো, কে দেখলো, কে প্রতিবাদ করলো আর কে প্রশ্রয় দিল......সাধারন মানুষ এসব বিচার-বিবেচনার ধারে কাছে দিয়েও যাবে না, সামু'র বিরুদ্ধে বিষোদগারে ফেটে পড়বে।

বলা যায় না, এতে করে সরকার সামুকে আবার ব্লক করতে পারে। তৌহিদী জনতা ঢাকার সামু অফিসে হামলা করতে পারে, কিংবা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপর হামলা হওয়াও বিচিত্র কিছু না।

পাবলিক কোন ডোমেইনে এ'ধরনের মন্তব্য করার আগে আমাদের কি একটু চিন্তা করাও উচিত না! এতোটা কেয়ারলেস কোন ব্লগার হতে পারে, চিন্তা করতেও খারাপ লাগছে। কারো নিজস্ব বিচার-বোধ থাকতেই পারে.....কিন্তু আমাদের এই প্ল্যাটফর্মকে বিপদে ফেলার ক্ষেত্র তৈরী করা কি কোন সামু শুভানুধায়ীর কাজ নাকি শত্রুর কাজ!!!

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি স্ক্রিনশট দিয়েছি সত্য , তবে খোদ অসভ্য মন্তব্যগুলোই যে এখনও জ্বলজ্বল করিতেছে ! আমি সত্য বলিতেছি , এইধরণের পোস্ট দেওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছাও আমার নাই। এই অসভ্য , অবমাননাকর মন্তব্যগুলো আমাকে কতটা আঘাত করিয়াছে তাহলে বুঝিয়া দেখুন !

সামু কে অবশ্যই এক্ষেত্রে কঠোর হইতে হইবে , সুলেমানি ব্যান করিতে হইবে, সামুর অস্তিত্বের স্বার্থেই। আমি মঙ্গলকামী হিসেবেই এই পোস্ট দিয়েছি। আপনি যে আশংকার কথা বলিতেছেন ভাবিলেও আমার ভয় লাগে !

৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ব্লগে থাকা হারাম??????!!!!!!!!!!!! কোথায় পেলেন এই ফোতোয়া!

পৃথিবীতে শয়তান আছে। আছে শয়তানের অনুসারীরা। তাই বলে আল্লাহ তো পৃথিবীকে হারাম করে দেননি!

ব্লগার উদাসী তো তার ছেড়া পাবলিক। তার ছেড়া পাবলিকের কথায় কান দেন কেন! তাকে পাবলিসিটি না করে উত্তর দিন।

মনে রাখবেন, ব্লগার উদাসী কিন্তু মুসলমান লেখকদের থেকেই রেফারেন্স দিয়েছে। ইবনে হিশাম, ইসহাক, তাবারী'র কোনক্রমেই এমন বর্ণনা দেওয়া উচিৎ হয়নি।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি আমার নিজের জন্য হারাম বলিয়াছি।হারাম অর্থাৎ নিষিদ্ধ।আমি মাছালা বা ফতোয়া হিসেবে ইহা বলি নাই। আমার ধর্ম , আমার নবী স. এর অবমাননা যেখানে হইবে , প্রতিকার না হইলে আমার সেখানে থাকা একেবারেই ঠিক না ! কষ্ট আর ক্ষোভ লইয়া আমি কোথাও থাকিতে চাহি না !

৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার ৫ নং পয়েন্টের সাথে সহমত পোষণ করছি। আমাকেও হয়তো এ'ধরনের কোন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে, যদি শেষ পর্যন্ত সামু'কে ছেড়ে যেতেই হয়, তবে যাওয়ার আগে সহব্লগারগণকে আমার পদক্ষেপ বিস্তারিত জানিয়েই যাবো। মনে-প্রানে আশা করছি যেন এ'ধরনের সিদ্ধান্ত আমাকে না নিতে হয়, সেই সাথে আপনাকেও!

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। কতৃপক্ষকে ব্লগারদের অনুভূতিকে বিবেচনায় নিতে হইবে।সামুকে আবার ব্যান হওয়া হইতে রাখা করিতে হইবে।

৬| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ মন খুলে মন্তব্য করবে। মানুষ বোকা না। ভালোটা গ্রহন করবে। মন্দটা বর্জ করবে।
আর যদি মন্তব্যকারী খুব বেশি বাজে মন্তব্য করে তাহলে ব্লগ এডমিন তো আছেই।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাক স্বাধীনতা মানে ধর্মীয় অবমাননার অধিকার নহে। এডমিনের কানে পৌঁছাইবার নিয়তেই এই পোস্ট। এডমিন জোরালো পদক্ষেপ লইলে এধরণের পোস্টের প্রয়োজন হইবে না।

৭| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

মাহিরাহি বলেছেন: ঐ খবিশের মন্তব্য কয়দিন আগেও আপত্তিকর হিসাবে রিপোর্ট করেছি, কিন্তু কোন কাজ হয়নি।

এভাবে খবিশটারে ছাড় দেওয়া সা ইনের জন্য ভাল ফল বয়ে নিয়ে আসবে না।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এধরণের ব্লগার ব্লগের জন্য ক্ষতিকর। এদের খোঁয়াড়ে পার্মানেটন্টলি ভরিয়া রাখাই ভালো !

৮| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


সামু নিশ্চয় ওয়াজ মাহফিলের যায়গা নয়, ইহা পল্টন নয়, ইহা ব্লগ, আলোচনার যায়গা

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:১০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমার মগজ গালিভারিয়ান না হইলেও কোনটা আলোচনা আর কোনটা অবমাননা তাহা বোঝার সামর্থ আছে। ব্লগারদেরও আছে। আপনি কেন বুঝিতেছেন না ?

৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

রাশিয়া বলেছেন: সামু একটা ব্লগ - আলোচনার জায়গা, কিন্তু ফাতরামি বা খাছরামির জায়গা নয়। উদাসী স্বপ্ন নামে এই পাছার গর্তটাকে সামু এডমিন পরীক্ষামূলকভাবে রেখে দিয়েছে। সামুর মডুদের মধ্যে কিছুটা ইসলাম বিদ্বেষ আছে। ৫ই মে ২০১৩ এর পূর্বের সামু ব্লগের দিকে লক্ষ্য করলে এর কিছুটা প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু নিজেরা তো সেটা প্রকাশ করতে পারেনা, তাই উদাসী স্বপ্নের মত কিছু মলমূত্র আর চাদ্গাজীর মত কিছু জ্ঞানী মূর্খকে রেখে দিয়েছে। নিজেদের সুপ্ত বাসনা মাঝে মাঝে এদের ভেতর দিয়ে প্রকাশ পেতে দেখে এক ধরণের দুষ্ট আনন্দ পায়।

কিন্তু তার জন্য ব্লগে থাকা হারাম - এ ধরণের ফতোয়া দেয়া একদমই উচিত নয়। বাংলাদেশে এখন ব্লগ বলতে এই একটাই টিকে আছে। তাই ব্লগে সব ধরণের মতাদর্শের মানুষের বিচরণ থাকাটা খুব জরুরী। তারা তাদের মত খ্যাচরামি করুক - আমরা গাঁ না করলেই হয়। রাস্তায় মলমূত্র পড়ে থাকতে দেখলে যদি ঘুটতে যান, তা আরও গন্ধ ছড়াবে। রাস্তা থেকে সরে যান, রাস্তা নোংরা লোকের দখলে চলে যাবে। পিটিয়ে যেহেতু তাদেরকে সরাতে পারবেন না - এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সামু পূর্বের সময় পেছনে ফেলিয়া আসিয়াছে বলিয়াই আমার বিশ্বাস। তাই সামুর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করিতেছি !

আমি আমার নিজের জন্য হারাম বলিয়াছি।হারাম অর্থাৎ নিষিদ্ধ।আমি মাছালা বা ফতোয়া হিসেবে ইহা বলি নাই। আমার ধর্ম , আমার নবী স. এর অবমাননা যেখানে হইবে , প্রতিকার না হইলে আমার সেখানে থাকা একেবারেই ঠিক না ! কষ্ট আর ক্ষোভ লইয়া আমি কোথাও থাকিতে চাহি না !

সামু পূর্বের সময় পেছনে ফেলিয়া আসিয়াছে বলিয়াই আমার বিশ্বাস। তাই সামুর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করিতেছি !

আমি গা না করিলে এইসব ধ্যাড়ধ্যারা গু সামুর হয়তো চোখে পড়িবে না !

নবী স. এর অবমাননার প্রতিবাদ করা মুসলমানের দায়িত্ব বলিয়া মনে করিয়াছি ! তাই পোস্টের মাধ্যমে প্রতিবাদ করিলাম। আমার সামর্থ্য এটুকুই !

১০| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভাইজান, আপনি জলে বাস করে কুমিরের সাথে লড়াই করিতেছেন। যা হউক, আপনি লিখুন।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:১৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সামুর কতৃপক্ষকে আমি কুমির মনে করি না। সামু তার পূর্বের সময় ফেলিয়া আসিয়াছে। এখন সময় সামনে এগিয়ে যাবার। সামু কতৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে বলিয়াই আমার বিশ্বাস।

১১| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:১১

সোনালি কাবিন বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ব্লগার উদাসী কিন্তু মুসলমান লেখকদের থেকেই রেফারেন্স দিয়েছে। ইবনে হিশাম, ইসহাক, তাবারী'র কোনক্রমেই এমন বর্ণনা দেওয়া উচিৎ হয়নি।

সহমত

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উদাসীর কোন রেফারেঞ্চকেই আমি নির্ভরযোগ্য বলিয়া ভাবছি না ! যাহার চশমা কালো , সে সবকিছু কালই দেখিবে !

১২| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:২৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: নাস্তিক বা আস্তিক হওয়া যেকারো ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
কিন্ত ইতরের মতো কোনো ধর্ম বা ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বকে গালাগালি করা ব্যাক্তির মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃতির প্রমাণ।

ব্লগ জ্ঞানচর্চার জায়গা,যেখানে পাঠক সংখ্যা অনেক কম থাকার পরও অনেকে নিয়মিত লেখেন ও মন্তব্য করেন।
এরকম একটা জায়গাকে নষ্ট করছে তসলিমা মার্কা কিছু বিকৃত উচ্ছিষ্টভোজী।
এদেরও দেশী-বিদেশী গডফাদার আছে।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৩১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। অপিনি সঠিক বলিয়াছেন ! সামুর কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাইতেছি !

১৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইবনে ইসহাক একজন তাবেঈ তাবেঈন ছিলো। তো নীল আকাশ যখন ইবনে ইসহাক তাবারীর মতো তাবেঈ তাবেঈ তাবেঈনদের রেফারেন্স দেয় তখন সুবহানাল্লাহর লাইন পড়ে যায় অথচ আমি দিলেই সমস্যা

যাইহোক উক্ত পোস্টে আমার এসব রেফারেন্স দেবার উদ্দেশ্য সহী হাদিস অনুসারে যদি আমরা সমাজ চালাতে যাই তাহলে আমাদের বাল্যবিবাহ মেয়েদের সুন্নতে খতনা থেকে শুরু নানা অমানবিক ও বর্বর আইন মানতে হবে যেটা আমাদের সমাজকে পুরোপুরি ঘৃন্য পরিবেশে সৃস্টি করবে। আর তাই আমার উল্লেখিত প্রতিটা হাদিস গ্রেড ও রেফারেন্স সহ বর্ননা করছি। যদি ভুল বা অর্থ পরিবর্তন করি তাহলে আমার মধ্যে সততা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। তাহলে সেটাই প্রমান করছেন না কেন।

অবশ্য আপনি আমার একটি পোস্টে খুব জোর গলায় বলেছিলেন আপনি বাল্যবিবাহের সমর্থক তার মানে শিশুদের বিয়ে দেয়া এবং বুড়ো দের সাথে যৌনসংগম সমর্থন করেন যদি বলেন তো সে পোস্টের লিংক দিতে পারি। আপনাদের আসলে এমন শিশুকামসম্পন্ন সমাজ বিনীর্মানে আমরা যে সমস্যার সৃস্টি করছি সেটা বলে দিলেই পারেন

আর যদি ব্লগে ধর্ম চর্চা বা সহী হাদিস অনুযায়ী জীবন যাপন করার পোস্ট আসতে পারে আমারও অধিকার আছে এর খারাপ দিক গুলো নিয়ে কথা বলার।

এখন আমাকে যুক্তিতে হারালেই কিন্তু ল্যাঠা চুকে যায়। আমি হার মেনে আপনাদের দলে সামিল হতে পারি। কিন্তু সে টা করলেন না।

বিদ্রোহ ভৃগুর মতো লোক চেস্টা করলেন কিন্তু যখন দেখলেন তার দাবী অনেক আগেই মিটিয়েছি তারপর আর তার খবর নেই।

জোকস এপার্ট, আপনি বলুন সহী বুখারী মুসলিম ফাতলুল বারীর কোন জিনিসটা আমি ভুল করেছি? কাথীরেরও কি সমস্যা আছে নাকি তাফসীরে? কাথীরের তাফসীরের রাই উপাধী তাহলে তো কেড়ে নেয়া উচিত? তাফসীরের মধ্যে এমন সর্বশ্রেষ্ঠ উপাধি কেড়ে নেবো কেমনে কি! তাহলে কি মওদুদীর তাফসীর পড়বো নাকি ধর্ষন কেসে জেলে থাকা হারুন ইয়াহিয়ার তাফসীর পড়বো একটু বলেন

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধর্মীয় বিষয়ে যে কারও রেফারেন্স , জ্ঞান আমি গ্রহণ করিনা , ইসলাম বিদ্বেষী কারও তো নয়ই।আপনি আমার পোস্টে না আসিলেই খুশি হইব !

১৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পুরোপুরি হাদিসের অর্থ টুকে দিলাম আপনাদের তো খুশি হবার কথা কারন আপনাদের জন্য হলেও আমি প্রতিদিন হাদিস কোরান চর্চা করি। যদিও ছোটবেলা আমার হেফজ করতে হয়েছিলো পরিবারের চাপে, কিন্তু আমার মতো ইসলামোফোবিয়ায় ভোগা মানুষ তার ফোবিয়াকে নিতে গবেষনা করার জন্য ইসলাম নিয়ে পড়া লেখা করছে এটাকে সুন্দর দৃস্চিতে দেখে সহযোগিতা করতে পারেন। আপনাদের যুক্তিযুক্ত মত দিতে পারেন।

মেহেদী পরাগ মজ বাসার নামের ব্লগার ছিলেন। তারাও এটা করতো। কিন্তু তারা রিদ্দা না করেই করতো। আমি যদি রিদ্দা করেই করি তাহলে আপনাদের এমন পোস্ট তো আপনাদেরকেই পরাজিত করে, তাই না?

আপনারা নিজেরা মুসলমান হয়ে একটু ফাতলুল বারী বা ক্বাথীর জাবির সাদ রিয়াদুস সালেহীনের তাফসীর পাশে রেখে পড়ে উসুল শার্সী বা ফিকহ অনুসরন করলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়।

আপনারা মুসলমান হয়ে তা করছেন না অথচ আমি রিদ্দা হয়ে তা করছি। সমস্যাটা কোথায় বলেন তো? যেসব হাদিস উল্লেখ করলেই আপনাদের বলতি বন হয় তাহলে সেসব হাদিস ও রুলিং নিয়ে নিজের কাছে একটা স্বচ্ছ অবস্থান কেন নিতে পারছেন না??

১৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ০
লেখক বলেছেন: ধর্মীয় বিষয়ে যে কারও রেফারেন্স , জ্ঞান আমি গ্রহণ করিনা , ইসলাম বিদ্বেষী কারও তো নয়ই।আপনি আমার পোস্টে না আসিলেই খুশি হইবে

আপনে গ্রহন করেন না ঠিক আছে, তাহলে আপনি নিজেই বুখারী ঘেটে তার একটা সঠিক ব্যাখ্যা দিন। প্রানোবন্ত আলোচনা করলে বরংচ ইসলাম সম্পর্কে সবার এমনকি আমারও ভুল ভাংবে।

নিজের বিশ্বাস নিয়ে যদি এতই কনফিডেন্ট থাকেন তাহলে একটু সাহস করে আসুন কোথাও আলোচনা করি।

১৬| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আপনি আমার কমেন্টের জবাবে লিখেছেন-

আমি আমার নিজের জন্য হারাম বলিয়াছি।হারাম অর্থাৎ নিষিদ্ধ।আমি মাছালা বা ফতোয়া হিসেবে ইহা বলি নাই। আমার ধর্ম , আমার নবী স. এর অবমাননা যেখানে হইবে , প্রতিকার না হইলে আমার সেখানে থাকা একেবারেই ঠিক না ! কষ্ট আর ক্ষোভ লইয়া আমি কোথাও থাকিতে চাহি না !



আপনি বলেছেন- যেখানে নবী (সাঃ )-এর অপমান হবে সেখানে থাকতে চান না। এটা কোথায় পেলেন? অতীতের ইতিহাসে কোন জায়গাকে কি হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে কি? তাহলে তো ইয়াজিদ যখন শাসন করতো, সে সময়ে মুসলমানদের ভূমিগুলো হারাম ঘোষনা করা হতো। তা করা হয়নি। বরং, ইয়াজিদের সাথে যুদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে, যুদ্ধ করা হয়েছে।

ভুল বুঝবেন না। আল্লাহর বানানো স্থান নাপাক হতে পারে, হারাম না। তাহলে, টয়লেটে যাওয়াটাও হারাম হতো।

হ্যাঁ, উদাসী ব্লগের একটা জায়গা টয়লেট বানিয়ে রেখেছে। সেই জায়গায় প্রশ্রাব করতে যাওয়া ছাড়া অন্য কোণ কাজে যাওয়া উচিৎ কি? তার নাপাক করা কাজগুলো প্রচার করে আপনিও তো ব্লগের আরো কিছু জায়গা নাপাক করছেন। এটা বুঝতে পারছেন কি?

আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন।




১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি কেন এটাকে মাছালা বা ফতোয়া হিসেবে নিতেছেন ? আমি বলিয়াছি আমার জন্য নিষিদ্ধ। ধর্মীয় অবমাননার সাথে সহাবস্থান করা আমার তরবিয়তে নাই। যাহা আমার সাধ্যে নাই তাহা আমি কিভাবে করিব ? এধরণের প্লাটফর্মে থাকা আমার পছন্দ নহে !

আর আমি নাপাক করছি না , প্রতিবাদ করছি। প্রতিবাদ করা নাপাক করা হবে কেন ?

আমিন !

১৭| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৪

মাহিরাহি বলেছেন: [link|https://www.theguardian.com/commentisfree/belief/2012/sep/17/muhammad-aisha-truth|The truth about Muhammad and Aisha

Myriam Francois-Cerrah

First published on Mon 17 Sep 2012 14.00 BST

Those who manipulate her story to justify the abuse of young girls, and those who manipulate it in order to depict Islam as a religion that legitimises such abuse have more in common than they think. Both demonstrate a disregard for what we know about the times in which Muhammad lived, and for the affirmation of female autonomy which her story illustrates.

যারা কম বয়সী মেয়েদের অপব্যবহারকে ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য তাঁর ঘটনাবলীকে নিপূণভাবে ব্যবহার করে এবং যারা ইসলামকে এমন একটি ধর্ম হিসাবে চিত্রিত করে যাতে এ জাতীয় অপব্যবহারকে বৈধতা দেয়, তাদের মধ্য বেশ মিল রয়েছে। তারা উভয়েই নারীদের স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চিত করার বিষয়টি তার ঘটনাবলীতে যে চিত্রিত হয়েছে তা উপেক্ষা করে।

To paint Aisha as a victim is completely at odds with her persona.

আয়েশা রা:কে ভুক্তভোগী হিসাবে চিত্রিত করাটা তার ব্যক্তিত্বের সাথে সম্পূর্ণ বিরোধপূর্ণ।

A stateswoman, scholar, mufti, and judge, Aisha combined spirituality, activism and knowledge and remains a role model for many Muslim women today. The gulf between her true legacy and her depiction in Islamophobic materials is not merely historically inaccurate, it is an insult to the memory of a pioneering woman.

একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং সম্মানিত রাজনৈতিক নেত্রী, আলেম, মুফতি এবং বিচারক, আয়েশা রা: আধ্যাত্মিকতা, সক্রিয়তা এবং জ্ঞানকে একত্রিত করেছিলেন এবং আজ তিনি অনেক মুসলিম নারীর কাছে রোল মডেল।। তার সত্যিকারের লিগ্যাসি এবং ইসলামফোবিক লেখাগুলোতে যেভাবে তাকে চিত্রিত করা হয়েছে তার মধ্য সাগর সমান তফাত রয়েছে, সেগুলো শুধু ঐতিহাসিকভাবে ভুল নয়, এটি একজন অগ্রণী নারীর স্মৃতির জন্য অপমানজনক।


১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। মনটা খারাপ হইয়াছে ! মুসলামানের ঘরে জন্ম নিয়া কিভাবে মানুষ এমন অবমাননা করিতে পারে বুঝে আসে না !

১৮| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৬

মাহিরাহি বলেছেন: The Guardian - The truth about Muhammad (sa) and Aisha (ra)

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! যারে দেখতে নারি ,তার চলন বাঁকা !! ইহাদের চশমা পাল্টাইয়া গিয়াছে। ইহারা সত্য দেখিতে পায় না !

১৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: নীতিমালায় স্পষ্টভাবে লেখা আছে -
আপনি এই ব্লগে নিজে থেকেই লেখা মন্তব্য, ফটো ও ভিডিও প্রকাশ করতে পারবেন। আমরা কেবল নিচের পাঁচটি প্রধান বিষয়ে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে অনুরোধ করি। এর অর্থ আপনি নিম্নলিখিত বক্তব্য/আচরণ প্রদান/প্রদর্শন ও প্রচার বা সংগঠন করতে পারবেন না।

১. রাষ্ট্র বিরোধীতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবমাননা

২. ধর্মকে অশ্লীলভাবে আক্রমন

৩. পর্ণগ্রাফিক ছবি বা লেখা

৪. ব্যক্তির প্রতি অশ্লীল আচরণ

৫. মেধাস্বত্ব চুরি

এর পর আছে: (এখানে টীক দিন) আমি এই নিয়মাবলীর সাথে একমত।

এরপরেও উদাসী স্বপ্ন সহ আরো কিছু ইসলাম বিদ্বেশী ব্লগারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেন নেয়া হয় না, বুঝতে পারি না।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। সামু তার নিজের নীতিমালা নিজেই অনুসরণ করুক ইহাই কামনা করি।

২০| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৬

মাহিরাহি বলেছেন: ব্রিটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকার আটিক্যালটি মনযোগ দিয়ে পড়লেই সব স্পষ্ট হয়ে যায়।

Aisha had already been engaged to someone else before she married Muhammad, suggesting she had already been mature enough by the standards of her society to consider marriage for a while.

মুহাম্মদ সা: কে বিয়ে করার আগে আয়েশা রা: এর সাথে আরেকজনের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, যা প্রমাণ করে ঐ সময়কার সমাজের মানদণ্ডে তিনি বিবাের উপযুক্ত ছিলেন।


before his marriage to Aisha, Muhammad had been married to Khadija, a powerful businesswoman 15 years his senior, for 25 years. When she died, he was devastated and friends encouraged him to remarry. A female acquaintance suggested Aisha, a bright and vivacious character.

আয়েশা: এর সাথে বিয়ের আগে হযরত মুহাম্মদ সা: খাদিজা রা:কে বিয়ে করেছিলেন, যিনি বয়সে ১৫ বছর বড় ছিলেন, তাদের বিবাহিত জীবন ২৫ বছরের ছিল। তিনি মারা গেলে, হযরত মুহাম্মদ সা: তিনি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং বন্ধুরা তাকে পুনরায় বিবাহ করতে উত্সাহিত করেছিল। একজন পরিচিতি মহিলা উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত চরিত্রের আয়েশা রা: কে বিয়ের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাই , চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনী ! ইহাদের যত ব্যাখ্যাই দেন ইহারা মানিবে না। ইহারা হেদায়েত হইতে মাহরুম ! সত্য ইহারা দেখিতে পায় না , বুঝিতেও পারে না !

২১| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৫

মা.হাসান বলেছেন: মডুর কষ্ট কেহ বুঝিলো না।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কেন ভাইডি ? সুলেমানি ব্যান করিতে কি কষ্ট লাগে ?

২২| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০১

সোনালি কাবিন বলেছেন:
dynamo1940 17 Sep 2012 21:27

26
27
some modern Muslim scholars have more recently cast doubt on the veracity of the saying, or hadith, used to assert Aisha's young age

This is excellent news.

However, if you discount one hadith, why not discount them all?

If you do this, what remains as evidence that Mohammed existed at all? A mere 4 references in the Quran to "the praised one" is hardly compelling.


Carusian 17 Sep 2012 19:21

173
174
The above article, condensed:

Islam says that marriage is only valid between consenting adults.
Muhammad was a muslim.
Therefore, Muhammad's marriage must have been between consenting adults.

I know nothing about the historical, factual and cultural context of Muhammad's marriage to Aisha, but the above reasoning is circular.

MiskatonicUniversity 17 Sep 2012 19:25

21
22
I think most modern thinkers would be all for a re-appraisal of the hadith literature and of the Quran, in the way that historical and textual analysis has been applied to other ancient texts.

Abandoning the hadiths altogether would be problematic, however. Much of Islam - including fundamentals like the testimony of faith - are found only in the hadiths. The role of Abu Hurriah, the St. Paul of Islam, is very interesting here.

It's a nice idea that the Quran says that marriage is valid only between consenting adults - like many misconceptions about the Quran (like the idea that it permits stoning), it isn't borne out on reading it. There is no such provision in the Quran:

http://www.masjidtucson.org/submission/perspectives/more/family/marriage/marriageverses.html

Montgomery Watt is an interesting choice to pick for an apologist - rather dated now, he thought that Muhammed could not be judged by modern morality (and so therefore should not be a guide?):

"The discussions of these allegations, however, raises a fundamental question. How are we to judge Muhammad ? By the standards of his own time and country ? Or by those of the most enlightened opinion in the West today? When the sources are closely scrutinized, it is clear that those of Muhammad's actions which are disapproved by the modern West were not the object of the moral criticism of his contemporaries. They criticized some of his acts, but their motives were superstitious prejudice or fear of the consequences. If they criticized the events at Nakhlah, it was because they feared some punishment from the offended pagan gods or the worldly vengeance of the Meccans. If they were amazed at the mass execution of the Jews of the clan of Qurayzah, it was at the number and danger of the blood-feuds incurred."

http://www.missionislam.com/knowledge/aishamarriage.pdf


GoldKruger 17 Sep 2012 19:26

162
163
The problem with that specific quote in this article (that the Guardian has censored when others have quoted it in other articles - including even when one Muslim quoted it here in the past!) is as follows:-

It begins "The Prophet engaged me when I was a girl of six" and ends "Unexpectedly Allah's Apostle came to me in the forenoon and my mother handed me over to him, and at that time I was a girl of nine years of age."

It's not exactly ambiguous and is very hard to "misinterpret" this short of coming out and saying it is "false", "fabricated" or "compromised". The last man to do that was Salman Rushdie...

And that in turn promptly leads onto the next question - "If that is declared to be false information / been altered over time, then how much more has been altered over time given that the aura of infallibility of 'divine texts' has just been shattered?"

See the problem? Either Mohammed married a girl at 6/9 or the Islamic holy texts are partially wrong. Given that some Muslims place more credence and importance on the Bukhari texts than the Koran (just as some Jews place more credence on the Talmud over than Torah), it becomes rather difficult to arbitrarily dictate what is "Islamicly correct" simply because the author wants it to be that way due to the subject nature.

To those Muslims who do believe it to be true, those scholars who believe it isn't are "wrong". Exactly who decides the truth?

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার যদি এবিষয়ে ওলামায়ে কেরামের অভিমত কি তাহা জানার সত্যি ইচ্ছা থাকে তাহা হইলে মারকাজুদ দাওয়া আল ইসলামিয়া, হজরতপুরে যেতে পারেন বা তাদের পত্রিকা মাসিক আল কাউসারের আপনার জিজ্ঞাসা পাতায় প্রশ্ন করিতে পারেন !

ধর্মীয় বিষয়ে আমার প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নাই। তাই এবিষয়ে বিতর্ক করা আমি পছন্দ করি না !

২৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মুসলিম হয়ে নিজের ধর্ম অবমাননা আগেও ছিল , এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কিছু আছে একদম জঘণ্য ধরনের। তারা কিন্ত আবার ধর্ম ত্যাগ করে পছন্দমত ধর্মও গ্রহন করে না । তাদের মরণের পর কেন ইসলাম মেনে কবর দেয় বুঝি না ।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ওলামায়ে কেরামের কাছে শুনিয়াছি, মুসলিম হয়ে যারা ধর্ম অবমাননা করে , নবীর স. এর অবমাননা করে ইহারা মুসলিম থাকে না !

২৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৬

আশাবাদী অধম বলেছেন: সামুর কাছে এই উদাসী শুয়োরের অনেক দাম। (কেউ কিছু মনে করবেন না। উনি শুয়োরকে মুরগীর মতই কিউট ভাবেন।) তার ব্লগিংয়ের বয়স ১০ বছর। থাকে আবার জানা আপার প্রতিবেশী দেশে। তার ওপর বিঘ্যানী। আপনি আমি সেই তুলনায় বালস্য বাল। সুতরাং সামু থেকে দূরে থাকুন তাই ভালো।

তবে একটা কথা সত্য এই দুর্বৃত্ত রাসূল (সা) কে নিয়ে যে পরিমাণ কটুক্তি করে। ব্লগে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এর একশ ভাগের এক ভাগ কেউ করলে নিশ্চিত সুলেমানী ব্যান খাইতো।

এই মিথ্যাবাদী কয় দিন আগেও বলতো ও নাকি একসময় ব্লগে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ইসলামকে ডিফেন্ড করতো।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমারও একই প্রশ্ন , এই আইডির ব্যক্তির মূল্য কি ব্লগের চেয়েও বেশি ? যেকারণে ব্লগকে বারবার ঝুঁকিতে ফেলার পরেও সুলেমানি ব্যান খায় না !

২৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২৪

মাহিরাহি বলেছেন: Aisha's union would also have cemented Muhammad's longstanding friendship with her father, Abu Bakr. As was the tradition in Arabia (and still is in some parts of the world today), marriage typically served a social and political function – a way of uniting tribes, resolving feuds, caring for widows and orphans, and generally strengthening bonds in a highly unstable and changing political environment. Of the women Muhammad married, the majority were widows. To consider the marriages of the prophet outside of these calculations is profoundly ahistorical

আয়েশা: এর সাথে হযরত মুহাম্মদ সা: এর বিয়ে তার বাবা আবু বকর রা: এর সাথে হযরত মুহাম্মদ সা: এর দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ়তর করে তোলে। যেমনটি আরবের প্রথা ছিল (এবং এখনও বিশ্বের কিছু অংশে রয়েছে), বিবাহ সাধারণত একটি সামাজিক এবং রাজনৈতিক ক্রিয়া হিসাবে কাজ করে- একটি অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিবেশে উপজাতিদের ঐক্যবদ্ধ করা, কলহের সমাধান করা, বিধবা ও এতিমদের যত্ন নেওয়া এবং সাধারণত বন্ধন জোরদার করার উপায় হিসাবে কাজ করে। হযরত মুহাম্মদ সা: এর বিবাহিত নারীদের মধ্যে বেশিরভাগই বিধবা ছিলেন। এই সকল এই সকল হিসাবের বাইরে নবী সা: এর বিবাহকে বিবেচনা করাটা গভীরভাবে ইতিহাস বিরুদ্ধ হবে।


It was narrated that Nu’man bin Bashir said: “I heard ‘Umar bin Khattab say: ‘I saw the Messenger of Allah (ﷺ) writhing with hunger during the day, and he could not even find the worst of dates with which to fill his stomach.’

হজরত নুমান ইবনে বশির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমি উমর ইবনে খাত্তাবকে (রাঃ) বলতে শুনেছি: 'আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দিনের বেলা ক্ষুধায় কাতরাতে দেখেছি এবং ক্ষুধা মেটনোর জন্য সবচেয়ে খারাপ খেজুরটিও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

‘Aishah said: “We, the family of Muhammad (ﷺ), would stay for a month during which no fire would be lit (for cooking) and we had only dates and water

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত :“ আমরা, মুহাম্মাদ (ﷺ) এর পরিবারে এক মাস চুলায় কোন আগুন জ্বলেনি (রান্নার জন্য) এবং আমাদের কেবলমাত্র খেজুর ও পানি ছিল।

Narrated `Aisha:

The Prophet (ﷺ) died when we had satisfied our hunger with the two black things, i.e. dates and water.

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা গেলেন যখন আমরা দুটি কালো জিনিস খেজুর এবং পানি দিয়ে আমাদের ক্ষুধা মিটিয়েছিলাম।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৩

সোনালি কাবিন বলেছেন: Guardian এর সেই পোস্টে পাঠকের কিছু মন্তব্য


blankwar ForSparta 20 Sep 2012 15:04

4
5
I think the issue is more that Mohammed has transgressed the established morality in the West now. As such Westerners judge his acts as immoral. Islam claims him to be morally perfect, therefore Westerners reject Islam as an ideology. Muslims then try to justify their position, and this rather long debate starts. The Jewish thing came up because people were saying that the bible is just as bad. I never took that to be a moral defense though, if I kill someone I cannot simply point to another killer as evidence in my defense. And saying that his views were acceptable for the time rejects any idea of absolute morality, the foundation of the Abrahamic faiths. The "suitable for the time argument" can work in some instances, for example the British empire can be considered cruel, but not by the standards of the time. The Roman coliseum can be considered barbaric, but not by the standards of the time. But this argument only works when comparing the acts of ordinary people, not those who supposedly posses an absolute morality, from which they are physically incapable of deviating, and which stands for all time.

Sorandaro 20 Sep 2012 14:37

5
6
Well, marring under age still widely practiced and accepted in Saudi Arabia, the birth place of Mohammad, and nearly fourteen hundred after Mohammad's death. Therefore there is no need to question authenticity of Aisha's marriage to Mohammad. While a young girl like the writer working hard to find a way to question the story, Islamic Fatwa Committee in Saudi Arabia confirm's it without any hesitation. That's why women are not allowed to drive in Saudi Arabia, yet other Muslim countries never even questioned that right at all. Mohammad's society still practice dominated and ruled by men same as the time of Mohammad.

ForSparta henrypage 20 Sep 2012 4:51

0
1
"The Prophet wrote the (marriage contract) with 'Aisha while she was six years old and consummated his marriage with her while she was nine years old and she remained with him for nine years (i.e. till his death)." -- Bukhari 7.62.88

Muslims take this seriously and imitate Muhammad in this. Article 1041 of the Civil Code of the Islamic Republic of Iran states that girls can be engaged before the age of nine, and married at nine: "Marriage before puberty (nine full lunar years for girls) is prohibited. Marriage contracted before reaching puberty with the permission of the guardian is valid provided that the interests of the ward are duly observed."

The Ayatollah Khomeini himself married a ten-year-old girl when he was twenty-eight. Khomeini called marriage to a prepubescent girl "a divine blessing," and advised the faithful: "Do your best to ensure that your daughters do not see their first blood in your house."

That the example is of Iran only shows that laws concerning adulthood are transitory and not absolute. The Iranians appear to have defined puberty, and thus adulthood, in terms of a fixed timescale as opposed to a biological event which was the case during Mohammed's time according to the article. If that's the case then I would agree that the Iranians have based their rules on Mohammed's actions but that's a 'de facto' justification which doesn't appear to be supported by the rules under which Mohammed operated. Those rules related to the biological onset of puberty. Most people in the western world would find the Iranian position immoral but likewise I'm sure most Muslims would too

২৭| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ব্লগ সকল মানুষের মত প্রকাশের জায়গা। ফেসবুকে যেমন মানুষ মত প্রকাশ করে, তেমনি ব্লগে মত প্রকাশ করে। ফেসবুকে কয়েক লক্ষ ধর্ম বিশ্বাস করে না, ধর্ম বিদ্বেষী লোক আছে। আপনার আমার অভিযোগে কয়টা আইডি বন্ধ হয়েছে? কয়টা পেইজ বন্ধ হয়েছে?

এখন আপনি কি ফেসবুকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন? আপনি যদি ফেসবুককে নিজের জন্য হারাম না ঘোষনা করেন, তাহলে ভাইয়া ব্লগকে নিজের জন্য হারাম ঘোষনা করা কোন যুক্তিতে? এই কথাটি যারা বলবেন আপনি তো সেই ক্যাটাগরীর মধ্যে নন?

ব্লগে যখন কেউ ধর্ম নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে, বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করেন - সেটার দায় তাদের। তার সাথে যদি যৌক্তিক আলোচনায় যাওয়ার মত ইচ্ছে, ধৈর্য ও তথ্য থাকে, আপনি আপনার প্রেক্ষাপট থেকে তা করুন। যদি হাতে সময় না থাকে, তাহলে এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে তার মন্তব্য মুছে দিন এবং নিজে একটি মন্তব্যের মাধ্যমে জানান কেন আপনি তার মন্তব্য মুছে দিয়েছেন, মন্তব্যের কোন অংশের কারনে?

ফেসবুকে কোন পোষ্ট বা আইডিতে আমরা রিপোর্ট করি। আপনি রিপোর্ট করুন, মেইল করুন।
মডারেশন মেইল চেক করে না, প্রতি উত্তর করে না, এই ধরনের গাঁজাখুরি টাইপ তথ্যে বিভ্রান্ত হবে না। মডারেশন তাঁরা তাদের কাজ করে এবং জানে। যখন যেটা প্রয়োজন তারা সেটা করে।

আপনার লেখা আপনি লিখুন।

আর একটি বিষয় পান থেকে চুন খসলেই ব্লগে মডারেটরকে তো বলা হয়ই অপ্রয়োজনীয় ভাবে অন্যের মত প্রকাশের দায় হিসাবে জানা আপাকেও অনেকে গালমন্দ দোষারপ করেন। আমরা নিজের উপর গালমন্দে অনেক ছাড় দিয়ে মাঝে মাঝে কিছু ব্লগারকে সাহস যুগিয়ে থাকি। এইগুলো ভালো প্র্যাকটিস নয়।

২৪ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:০৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ব্লগ সকল মানুষের মত প্রকাশের জায়গা। ফেসবুকে যেমন মানুষ মত প্রকাশ করে, তেমনি ব্লগে মত প্রকাশ করে। ফেসবুকে কয়েক লক্ষ ধর্ম বিশ্বাস করে না, ধর্ম বিদ্বেষী লোক আছে। আপনার আমার অভিযোগে কয়টা আইডি বন্ধ হয়েছে? কয়টা পেইজ বন্ধ হয়েছে?

------প্রথমতঃ ফেসবুকে আলাদা কমিউনিটি আছে গ্রূপ আছে।আপনার যদি ভালোনা লাগে তাহলে আপনি গ্রূপ থেকে লিভ নিতে পারেন। আজেবাজে কমেন্ট বা কনটেন্ট যদি না দেখিতে চান তাহলে ব্লক করে দিতে পারেন। সামুতে আমি কমেন্ট ব্লক করে দিতে পারি বটে তবে হোমপেজে যে রান্ডম কমেন্ট বক্স আছে তাহা মোছার কোন উপায় নেই। ইচ্ছা না থাকিলেও আপনি হোমপেজে গেলে দেখিতেই হইবে ! তাছাড়া ভালো পোস্টেও বাজে মন্তব্য থাকিতে পারে। আমি সুন্নতের আলোচনা দেখিয়াই গিয়াছিলাম। সেগুলো বন্ধ করার বা না দেখার অপসন আছে কি ? ফেসবুকে আমি আমার নিজের ডোমেইন তৈরী করেছি সেখানে বাজে কমেন্ট , কনটেন্ট দেওয়ার কেহ নাই , আমি না চাহিলে দেখাবে এমন সাধ্য কারও নাই ! সামুতে এমন ব্যবস্থা আছে কি ?

এখন আপনি কি ফেসবুকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন? আপনি যদি ফেসবুককে নিজের জন্য হারাম না ঘোষনা করেন, তাহলে ভাইয়া ব্লগকে নিজের জন্য হারাম ঘোষনা করা কোন যুক্তিতে? এই কথাটি যারা বলবেন আপনি তো সেই ক্যাটাগরীর মধ্যে নন?

--------আমি ফেসবুকের উপর বিরক্ত হইয়া কয়েকবার ডিএক্টিভেট করিয়াছি। প্রফেশনের প্রয়োজনে আবার গেছি। সামুতে আমার প্রফেশনাল কোন প্রয়োজন নাই।আমি এখানে নিজের ইচ্ছায় আসি। আমি আগেও বলেছি , কষ্ট ও ক্ষোভ লইয়া আমি কোথাও থাকিতে চাহিনা।

আপনার বোধহয় জানা আছে , মুসলমান নবী স. কে কেমন ভালোবাসে ? নিজের বাবা-মা, স্ত্রীসন্তান, এমনকি নিজের চেয়েও ভালোবাসে।সেই নবী স. এর প্রতি অবমাননা সহ্য করিয়া এখানে থাকা আমার নিজের জন্য ক্ষতিকর মনে করি।এজন্য নিজের জন্য হারাম মনে করিয়াছি। আমি অনেক সহনশীল সন্দেহ নাই , তবে নবী স. এর অবমাননা সহ্য করার ক্ষমতা আমার নাই , কোন মুসলমানের থাকাও উচিত নয়।

ব্লগে যখন কেউ ধর্ম নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে, বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করেন - সেটার দায় তাদের। তার সাথে যদি যৌক্তিক আলোচনায় যাওয়ার মত ইচ্ছে, ধৈর্য ও তথ্য থাকে, আপনি আপনার প্রেক্ষাপট থেকে তা করুন। যদি হাতে সময় না থাকে, তাহলে এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে তার মন্তব্য মুছে দিন এবং নিজে একটি মন্তব্যের মাধ্যমে জানান কেন আপনি তার মন্তব্য মুছে দিয়েছেন, মন্তব্যের কোন অংশের কারনে?

-----------এটা যদি ধর্ম ও নবী স. এর প্রতি অবমাননা না আমার নিজের প্রতি হইতো আমি সহ্য করিতাম , নাহয় জবাব দিতাম। যদি অবমাননা না হইতো আমি যৌক্তিক আলোচনা করিতাম হয়ত। কিন্তু যে ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য করা হইয়াছে উহা যদি পড়িয়া থাকেন তাহলে বোঝার কথা কেন এই উন্মাদকে খোঁয়াড়ে রাখিতে বলিয়াছি। উহার সাথে যুক্তিতর্ক বৃথা ! আর এধরণের অবমাননাকর মন্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার চেয়ে প্রতিরোধ করাই শ্রেয় মনে করিয়াছি ,যেহেতু সামু ফেসবুক নহে। এখানকার অ্যাডমিন ফেসবুকের এডমিন নহে। আর ফেসবুক ধর্ম লইয়া যে নীতিমালা অনুসরণ করে সামু তাহার চেয়ে অগ্রগামী বলিয়াই দৃষ্টিগোচর করিতে কুন্ঠা বোধ করি নাই।

ফেসবুকে কোন পোষ্ট বা আইডিতে আমরা রিপোর্ট করি। আপনি রিপোর্ট করুন, মেইল করুন।
মডারেশন মেইল চেক করে না, প্রতি উত্তর করে না, এই ধরনের গাঁজাখুরি টাইপ তথ্যে বিভ্রান্ত হবে না। মডারেশন তাঁরা তাদের কাজ করে এবং জানে। যখন যেটা প্রয়োজন তারা সেটা করে।


---------------কোন পোস্ট বা মন্তব্য চোখে পড়িলে আমি রিপোর্ট করি আশা করি আপনার জানা আছে। আমার জানা আছে মডু ইহা দেখেনও।তবে আমি এই পোস্টের মাধ্যমে প্রশ্ন উত্থাপন করিয়াছি অভিযুক্ত আইডির বিরুদ্ধে আমিসহ অনেকেই রিপোর্ট করিয়াছেন , আমি তাহার অপকর্ম লইয়া আগেও পোস্ট দিয়াছি , তারপরও তাহার আইডি সুলেমানি ব্যান খায় না কেন ? সামুর নীতিমালায় কি এমন জঘন্য অপরাধের পরও চরম ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় নেই ?


আপনার লেখা আপনি লিখুন।

-------লিখছি , ধন্যবাদ !

আর একটি বিষয় পান থেকে চুন খসলেই ব্লগে মডারেটরকে তো বলা হয়ই অপ্রয়োজনীয় ভাবে অন্যের মত প্রকাশের দায় হিসাবে জানা আপাকেও অনেকে গালমন্দ দোষারপ করেন। আমরা নিজের উপর গালমন্দে অনেক ছাড় দিয়ে মাঝে মাঝে কিছু ব্লগারকে সাহস যুগিয়ে থাকি। এইগুলো ভালো প্র্যাকটিস নয়।

-----------------ইহা আমারও পছন্দ নহে। প্রফেশনাল মডারেটরের কাজ নিঃসন্দেহে কঠিন। আমি ইহা অকুণ্ঠচিত্তে স্বীকার করি। তবে এই উন্মাদের খোঁয়াড় হইতে বাহির করিয়া ল্যাদাইতে দেওয়ার দায় কাহার তাহাও জানিতে চাই ! কেন বাহির করা হইতেছে তাহাও জানিতে চাই। ধন্যবাদ !

২৮| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১৮

সোনালি কাবিন বলেছেন: আমি বুঝলাম্না এক বেকুব কইথেকে এক পুস্টের লিনক নিয়ে আসছে যাতে ১২৮২ মন্তব্যের বেশিরভাগই গিয়েছে সেই আংরেজি পোস্টদাতার বিরুদ্ধে? তাইলে যে এই লিনকু দিল সে ইস্লামের উপকার করল না ক্ষতি? তারে আম্রা কিল্লাই ধনে পাতা দিমু?

২৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:
যে সকল ব্লগার এখানে মডারেশনকে ধর্ম বিদ্বেষী বলার চেষ্টা করেছেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। এই মিথ্যে বা মনগড়া বক্তব্য আমরা সংরক্ষন করে রাখব। কেননা এই ধরনের মিথ্যে ও বানোয়াট বা কল্পিত বা কথার কারনে কোন বিশেষ মহল দ্বারা যদি ব্লগ টিমের কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হন, তাহলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এর তদন্তের স্বার্থে এই সকল তথ্য সরবরাহ করা হবে।



৩০| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:০০

রাজীব নুর বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: সামু নিশ্চয় ওয়াজ মাহফিলের যায়গা নয়, ইহা পল্টন নয়, ইহা ব্লগ, আলোচনার যায়গা।


আসলেই আলোচনা করলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

২৬ শে জুন, ২০২০ সকাল ৯:১২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উন্মাদের সাথে আলোচনা করিয়া লাভ কি ? আপনি চাইলে পাবনা মানসিক হাসপাতালে লইয়া যাইতে পারি, পারিবেন কাউকে বোঝাইতে ?

কোনটা আলোচনা আর কোনটা অবমাননা তাহা বোঝার সামর্থ ব্লগারদের আছে। আপনারও বোঝা উচিত।আলোচনা তাহার সাথে চলিতে পারে যাহার বিবেচনাবোধ আছে ! উন্মাদের নাই ! ধন্যবাদ !

৩১| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৪১

নতুন বলেছেন: ইসলামের কিছু অন্ধ বিশ্বাসীরা নিজেদের মতন করে ধমের ব্যক্ষা দিয়ে নিজেরা যেমন হাস্যকর হয় তেমনই সমাজের ক্ষতি করে।

পোস্ট দাতা নিজেই বলেছেন সুন্নতের অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত সুখ

এখন যারা এই কথা প্রচার করছে কিন্তু নিজে কি পুরা সুন্নত পালন করছে? যুগের সাথে কি সমাজ পরিবত`ন হচ্ছে না?

এখন চিঠির ইমেইল করছে। আয়শা রা: এর মতন বালিকাকে বিয়ে করছেনা, নারীদের খাতনা করাচ্ছেন না। এমন অনেক বিষয় আছে যেটা নিজেরাই পালন কবেন না।

উদাসী রেফারেন্স দিয়েই তার বক্তব্য দিয়েছে। তার যুক্তিগুলি খন্ডন করুন। প্রমান করুন যে সহী হাদিস গুলি ভুল বা ভুয়া হাদিস।

এই রকমের অন্ধ বিশ্বাসের কারনেই কিন্তু সমাজে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।

করোনায় সংক্রামন ছড়ানোরে পেছনে ধমে`র বড় একটা প্রভাব আছে।

হায়াত মওত আল্লার হাতে। যদি করোনায় মৃত্যু থাকে তবে হবে। মানুষ লুকিয়ে থাকলেও ( আইসোলেসনে) মৃত্যু হবেই।

এই সব ধমান্ধ ধম`বিশ্বাসীরা এই বিশ্বাস নিয়ে সংক্রামন ছড়াবে। তাই অন্ধবিশ্বাসে সমাজের অনেক ক্ষতির সম্ভবনা আছে।

যার কারনেই যারা যৌক্তিক ভাবনা করে তারা এদের বিরুদ্ধে কথা বলবে।

২৬ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইসলামের কিছু অন্ধ বিশ্বাসীরা নিজেদের মতন করে ধমের ব্যক্ষা দিয়ে নিজেরা যেমন হাস্যকর হয় তেমনই সমাজের ক্ষতি করে।

-----সত্য বটে, যে অন্ধ বিশ্বাসীরা নিজেদের মতন করিয়া ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে হাস্যকর হয় উহাও ওলামায়ে হকগণই সনাক্ত করেন , বিরোধিতা করিয়া সঠিক ব্যাখ্যা দান করেন। উনাদেরই সনাক্ত ,ব্যাখ্যা করার অধিকার।কোনকিছু খটকা লাগিলে উনাদের কাছেই জিজ্ঞাসা করিতে হইবে।ইসলাম বিদ্বেষী , ইসলাম বিরোধী , বিধর্মী বা ধর্মীয় বিষয়ে যাহার প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নাই তাহার ব্যাখ্যা বা তাহার কাহাকেও অন্ধ বিশ্বাসী বলাটাও এখতিয়ারে নাই !

পোস্ট দাতা নিজেই বলেছেন সুন্নতের অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত সুখ

এখন যারা এই কথা প্রচার করছে কিন্তু নিজে কি পুরা সুন্নত পালন করছে? যুগের সাথে কি সমাজ পরিবত`ন হচ্ছে না?


------পোস্টদাতা তো ঠিকই বলিয়াছেন।প্রতিটি মুসলমানের বিশ্বাস ইহাই হওয়া উচিৎ। আল্লাহ তায়ালা নিজেই রসূল স. কে অনুসরণ করিতে বলিয়াছেন ,ইহাতেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বলিয়াছেন ,তাহার সন্তুষ্টি বলিয়াছেন।সমাজ পরিবর্তনের সাথে ইসলামের মৌলিক বিধান পরিবর্তন হয় না , সুন্নত পরিবর্তন হয় না ! নিজেরা সুন্নত পালন না করিতে পারিলে সুন্নতের দাওয়াত দেওয়া যাবে না ইহা ঠিক নহে ! আমাদের বুদ্ধুজীবীরা, রাজনীতিজীবীরা মার্ক্স , আইনস্টাইন, নিউটন , রাসেল ,সক্রেটিস প্রমুখের কথা প্রচার করেন। তাহারা কি পুরোপুরি অনুসরণ করিতে পারেন ? তাহারা পারেন না বলিয়া কি প্রচার বন্ধ করিয়া দেন ?

এখন চিঠির ইমেইল করছে। আয়শা রা: এর মতন বালিকাকে বিয়ে করছেনা, নারীদের খাতনা করাচ্ছেন না। এমন অনেক বিষয় আছে যেটা নিজেরাই পালন কবেন না।

------ চিঠির ইমেইল করিলে সমস্যা কোথায়? শরিয়া তো নিষেধ করে নাই। আপনি বলিতে চান মুসলমান তো আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করিতেছে। তাহলে পূর্বের নিয়ম-কানুন বদলাইয়া নতুন কিছু গ্রহণ করিতে , নতুনভাবে চিন্তা করিতে সমস্যা কোথায় ?
দেখুন ইসলামের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক নহে , মানবজীবনেও ক্ষতিকর নহে এমনকিছু অবলম্বনে আমাদের ওলামায়ে হকগনতো নিষেধ করেন না। কিন্তু কোনটা শরিয়ার সীমার মধ্যে , কোনটা অবলম্বন করা জরুরি , কোনটা জায়েজ কিন্তু না করিলেও ক্ষতি নাই তাহা নির্ধারণ করিবেন শরীয়তে অভিজ্ঞ ওলামায়ে হকগন , ধর্মীয় বিষয়ে অজ্ঞ বুদ্ধুজীবীগন নহে ! আয়েশা রা. এর মতন বালিকা বিবাহ করা , নারীদের খৎনা করা জরুরি নহে , না করিলে ক্ষতি নাই। তাছাড়া আয়েশা রা. এর বিবাহের ব্যাখ্যা আছে।ইহার ব্যাখ্যা ভিন্ন কোন পোস্টে দিতে চেষ্টা করিব ইনশাল্লাহ ! সব সাহাবায়ে কেরাম রা. বালিকা বিবাহ করিয়াছেন এমন নহে। কারণ জরুরি নহে।

উদাসী রেফারেন্স দিয়েই তার বক্তব্য দিয়েছে। তার যুক্তিগুলি খন্ডন করুন। প্রমান করুন যে সহী হাদিস গুলি ভুল বা ভুয়া হাদিস।

----- উনি যদি অবমাননা না করিয়া , নবী স. , সাহাবায়ে কেরাম রা. , ওলামায়ে হকগণের এর যথাযথ সম্মান বজায় রাখিয়া যুক্তিতর্ক করিতেন , আমি জবাব দেওয়ার চেষ্টা করিতাম।অথবা কাহার কাছে যাইতে হবে রেফারেঞ্চ দিতাম। উনার সাথে যুক্তিতর্ক করার রুচি আমার নাই ! ইচ্ছাও নাই ! আর সকলের রেফারেঞ্চ আমি গ্রহণও করিনা !


এই রকমের অন্ধ বিশ্বাসের কারনেই কিন্তু সমাজে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।

করোনায় সংক্রামন ছড়ানোরে পেছনে ধমে`র বড় একটা প্রভাব আছে।

হায়াত মওত আল্লার হাতে। যদি করোনায় মৃত্যু থাকে তবে হবে। মানুষ লুকিয়ে থাকলেও ( আইসোলেসনে) মৃত্যু হবেই।

এই সব ধমান্ধ ধম`বিশ্বাসীরা এই বিশ্বাস নিয়ে সংক্রামন ছড়াবে। তাই অন্ধবিশ্বাসে সমাজের অনেক ক্ষতির সম্ভবনা আছে।

যার কারনেই যারা যৌক্তিক ভাবনা করে তারা এদের বিরুদ্ধে কথা বলবে।


----- ----- আপনার এই অভিযোগ একবারেই সঠিক নহে।ফেবু বা মিডিয়ার খবর বেশিরভাগই বিশ্বাসযোগ্য নহে ! করোনা সংক্রমণে ধর্মের কোন প্রভাব একেবারেই নেই ! ওলামায়ে হকগন করোনার বিপদ উপেক্ষা করিতে বলিয়াছেন , ইহা যে অপপ্রচার তাহা বহুভাবেই প্রমান হইয়াছে।ইলমী মারকাজ দেওবন্দ, আমাদের ওলামায়ে হকগন প্রথম থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানিতে বলিয়াছেন। দেখুন আল্লামা শফি দামাত বারাকাতুহুম প্রথম হইতেই সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মানিতে বলিয়াছেন। মাওলানা আব্দুল মালিক দামাত বারাকাতুহুমও মানিতে বলিয়াছেন। অধিকাংশ মসজিদের ইমাম /খতিব তাহাদের বয়ানে জনগণকে সতর্ক করিয়াছেন, মানিতে বলিয়াছেন । তবে তাহারা মানুষের মাঝে গলদ বিশ্বাসকে দূর করিতে চেষ্টা করিয়াছেন। মুসলমানের বিশ্বাস হইলো হায়াৎ-মউত আল্লাহ্পাকের হাতে। সতর্কতা অবলম্বনের পরেও যদি কেহ আক্রান্ত হয় তাহা হইলে উহা আল্লাহ্পাকের হুকুমেই হইবে। ভাইরাস একটা মাখলুক বা সৃষ্টি। মাখলুক লাভ বা ক্ষতি পৌঁছানোর জন্য আল্লাহ্পাকের হুকুমের মুখাপেক্ষী।গলদ একিনের কারণে মানুষ যেমন ভাইরাসকেই মৃত্যুদাতা ভাবিয়া আতংকিত হইয়া নিজের পিতামাতাকেও বাহির করিয়া দিতেছিল , কবর দিতে অনিচ্ছুক ছিল ইহার নিরসনে মানুষের একিনকে শুদ্ধ করার জন্য তাহারা বয়ান করিয়াছেন , চেষ্টা করিয়াছেন। আপনি খেয়াল করিয়া দেখিবেন করোনার আতঙ্কে যখন জানাজা ছাড়াই মানুষ প্রিয়জনকে কবর দিতে বিরত ছিল তখন সর্বপ্রথম এই হুজুর সম্প্রদায় , মাদ্রাসার ছেলেরাই কবর দিতে এগিয়ে আসে। তাহারা জানিতেন মউত আল্লাহ্পাকের হাতে। সতর্কতা অবলম্বন করিয়া শরিয়া মানিতে আগাইয়া যাইতে হইবে ! সেকুলারদের মতন বাণী প্রসব করিয়া ঘরে বসিয়া থাকা আর নিজেদের চালুনিসম নিতম্ব লইয়া ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ছিদ্র খুঁজিয়া বেড়ানো মুসলমানের কাম নহে !

৩২| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৪৭

নতুন বলেছেন: সবাইকে আরেকটা জিনিস মাথায় রাখতে অনুরোধ করবো যেটা হলো, সামু মডারেসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

আলোচনায় না পেরে যদি সামুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেস্টা করা পুরাই অবিবেচকের মতন কাজ।

দেশের মানুষের ভাবনা অনেক জটিল জিনিস তাকে মডারেসন করা অনেক বড় একটা কাজ।

আমি আমার ১৪ বছরের অভিঙ্গতায় সেই মডারেসনে তেমন কোন পক্ষপাতিত্ব দেখিনাই।

অনেকের কাছে আপত দৃস্টিতে মনে হবে মডারেসন কারুর কমেন্ট মুছেনাই তাই তারা পক্ষনিয়েছেন কিন্তু নিরোপেক্ষ দৃস্টিতে যদি সেটা সঠিক মনে হয় তবে মডারেটর সেটা তার নৈতিক স্হান থেকে মুছবেন না যদিও সেটা তার অপছন্দ হয় তবুও।

তাই আমি সবাইকে বলবো আলোচনা করুন এবং ব্লগ হারাম এইসব ছেলে মানুষি করবেন না প্লিজ।

৩৩| ১৬ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:১৩

কানিজ রিনা বলেছেন: কোরআনে আল্লাহ্ বলেছেন আমি কোরআনকে
বিশদ ভাবে ব্যাক্ষা ও বিস্তৃত বর্ননা দিয়েছি।
তা শুধু জ্ঞানীদের জন্য। অর্থাৎ জ্ঞানীরা পৃথিবী
পরিভ্রমন করবে আল্লাহ্,র সুন্দর সৃষ্টি অনুধাবন
করার জন্য।
উদাসীদের মত নাস্তিকদের জন্য নয় যাদের
জ্ঞান পরিধি ব্লক্ড।
উদাসী হোল অশ্লীল ভাষার উপরে ইঞ্জিয়ারিং
করেছে। উদাসীর বাপ দাদার পুর্ব পুরুষদের
স্ত্রীরা কয় বছর বয়সে বিবাহ হয়েছে ও তখন
কোন আইন ছিল বলতে পারবে নিশ্চয়।

এখনতো আবার বিজ্ঞানের যুগে অনলাইন
ফেচবুকে কিশোরী বিবাহ এক দশক ধরে
শুরু হয়েছে উদাসী কি ঠেকাতে পারবে
নাস্তিক ধর্মের উপমা দিয়ে?
অনলাইন ফেচবুকে বুড়োরা গুরোর সাথে
প্রেম করছে, কিশোর কিশোরী প্রেম লিলায়
অন্তসত্বা হচ্ছে যার ফলে রাস্তায় ময়লা
আবর্জনায় বনে বাদাড়ে নবজাতক পরে
থাকে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আইন করেছিল
সিক্স সেভেনের ছেলে মেয়েরা প্রেম করতে
পারবে বিবাহ করতে পারবেনা তার ফল
নবজাতক যেখানে সেখানে পরে থাকে।

কোনও বাবা মা আবার জম্মনিবন্ধনির বয়স
বাড়াইয়া বিবাহ দিয়ে পার পায়। এখন কথা
হোলও উদাসী সপ্নাদেশ হইয়া ১৫০০ বছরের
আইন নিয়ে পরে আছে কেন? এতই যদি
মানবতা এই অনলাইন পদ্ধতিতে ক্ষতির কারন
কি কি বলেনা কেন?

৩৪| ১৬ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: @উদা ভাই ১৩ নং কমেন্টে আপনার দাবীর ভিত্তি কি?

আমি যা বলেছি আপনি তা কিভাবে মিটিয়েছেন/পূর্ণ করেছেন?
সরি! বুঝিনি!

আমি বলেছিলাম আপনার সো কল্ড বৈপ্লবিক এবং সহি চেতনা, যা নিয়ে ইসলামের নবী কে নিত্য গালীগালাজ করেন,
নিজেকে গব্ব ভরে ইসলামফোব আখ্যা দেন!
সেই নৈতিকতা কি এই চেতনা দেয় না- যে চলমান স্বৈরাচারিতা এবং অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে?
বৈশ্বিক না হোক নিজদেশের জন্য এই মিনিমাম দায়টুকুতো একজন সুস্থ মানুষের থাকে। সাতান্নর ভয় ভুলে
বিদেশে বসে নিরাপদেও যদি দেশ, জনতা এবং নিজের নৈতিকতার স্বস্তির জন্য এই টুকুন দায়িত্বও পালন না করতে পারেন, তবে বিবেকের দোহাই দেন কোন যুক্তিতে?

আর কোটি কোটি মানুষের ভরসা যাঁর প্রতি তাকে নিয়ে মন্দ কথা বলা তো সেই সূত্রে নিষিদ্ধ আপনার জন্য।
যে নিজের চলমান সময়ের অন্যায়ের সাথে আপোষ করে, বা ভীরুতায় অথবা স্বার্থান্ধতায় বা দলান্ধতায় নিজেকের নিরব রাখে
তার কোন মূখ নেই পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত একটা সত্যের দোষ ক্রুটি অন্বেষনের।

নৈতিকাতর এই ছোট্ট পাঠ টুকু সবার থাকা উচিত।
নিজে করতে না পরলে নিরব থাকার মতো ভব্যতাবোধ সমাজ ডিজার্ভ করে!

যে তথ্য আর সূত্র এবং উদাহরন টানেন তারচে বড় সত্য কোরআনেই বলে গেছে -
" তুমি যদি তাদের জন্য আকাশে সিড়ি বানিয়ে দাও এবং তারা তাতে পড়তেও থাকে, তারা বলবে আমরাতো মোহাবিষ্ট!"
১ বা ২ লক্ষ নবী রাসূলের কাছে অবিশ্বাসীদের এই একই আবদার ছিল। প্রমাণ দাও ।
যখন প্রমান আসতো- তারা বলতো আরে তুমিতো বিরাট যাদুকর?
বলে তারা সরে যেত, বিশ্বাস করতো না।
আপনিতো নিরাপদে ঘরে বসে দুটো অশ্লীল কথা বলেই ইসলামফোব মনে করেন- তারা মাঠে নেমে সরাসরি
নবী রাসুলদের হত্যা করতো। যার মধ্যে বণী ইসরাইল অন্যতম। তাদেরই ধারা উপধারা আজো বিরাজমান। থাকবেও ।
তারা একের পর এক আব্দার, দাবী আর প্রমাণে তিতিবিরক্ত করে রাখতো! নবী রাসূলদের অপমানে জর্জর করে রাখতো! কুৎসা রটাতো, কিন্তু সত্যকে মানতো না।

ইসলামফোব আজকের নতুন বিষয় না। ইসলাম বিকাশের সাথে সাথে আদম আ: এর সময় থেকেই তা সক্রিয়।
ইসলাম মানে শান্তি। আদম আ: শান্তিতে বেহেশতে ছিলেন। শয়তানের তা পছন্দ হলো না। ফোবিয়া আক্রান্ত হলো!
টেনে নীচে নামিয়ে আনলো!
মোহাম্মদ সা: কে কি আপনি নতুন গালি দিচ্ছেন?
না
খোদ সেই সময়ের মক্কার মানুষেরা কত কত গালি, অত্যাচার, শক্তি প্রয়োগ সবই করেছিল। কুৎসা রটনা, বিষ প্রয়োগ, লৌভ দেখানো, যুদ্ধে পরাজিত করা সব চেষ্টাই করেছিল। পারেন নি তাঁর সাথে। সত্যের সাথে।

তাই আজকের ইসলামোফোবদের দেখে আমি হাসি! এখনো নাদান দুধের শিশু মনে হয় ধর্মবিরোধীতায় পূর্বতনদের থেকে।
শুধু গালী গালাজ আর কুৎসাই সম্বল।
আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন না, তার কপালে হেদায়েত নাই।
সো ক্যারি অন।
আপনার কর্ম নামাই আপনাকে টেনে নেবে আপনার পরিণতির দিকে- জান্নাত বা জাহান্নাম।
আপনার জন্য হেদায়েতের ভার সেই পরম স্বত্তার উপরই ছেড়ে দিলাম।যিনি সকল কিছুর মালিক।
যার হাতে আপনার নি:শ্বাস। জীবন মৃত্যু।
তিনি যদি দয়া না করেন, কারো সাধ্য নেই আপনাকে বোজায়। কারণ যে জেগে ঘুমায় তার ঘুম ভাঙ্গানো যায় না।

ভাল থাকুন।









৩৫| ১৬ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সংশোধনী :
যে তথ্য আর সূত্র এবং উদাহরন টানেন তারচে বড় সত্য কোরআনেই বলে গেছে -
" তুমি যদি তাদের জন্য আকাশে সিড়ি বানিয়ে দাও এবং তারা তাতে চড়তেও থাকে, তারা বলবে আমরাতো মোহাবিষ্ট!"

৩৬| ১৬ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:০৬

কামরুননাহার কলি বলেছেন: উদসী এই লোকটা কোন জায়গায় ধর্ম নিয়ে পোষ্ট দেখলেই গা শির শির করে। এর মনে হয় মিরকি বাই আছে।

৩৭| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: সকলের মন্তব্য পড়লাম। অনেক বড় বড় মন্তব্য এসেছে আমার “সুন্নতের অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত সুখ” সুন্নতের অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত সুখ লেখাকে কেন্দ্র করে। কিছুটা বিরক্তও হয়েছি। তবে শান্তনা এটুকু, পড়াশোনার অভ্যাস এখনো সমাজে চালু রয়েছে। কেউ জ্ঞান অর্জন করে নিজের বর্তমান-ভবিষ্যতে (দুনীয়া-আখেরাতের) কল্যানের জন্য আর কেউ কি জন্য করে নিজেও জানেনা। ফলে নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে অন্ধকারে ডুবে মরে। যারা মন্তব্য করেছেন সকলের প্রতি অনুরোধ আলী (রাঃ) এর একটি মহান বাণী আমল করার জন্য “ মূর্খের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়ো না।” তাই তর্কে না যাওয়াই ভাল। যে যেটা করবে সে অনুপাতেই তাকে মূল্য পরিশোধ করা হবে।
লেখক ভাইকে বলবো ব্লগ ছেড়ে যাওয়াটা কোন সমাধান নয়। ব্লগে লেগে থাকুন। তার আগে নিয়্যাতকে শুদ্ধ করুন, কেন ব্লগে থাকছেন সেটা স্থির করুন। এখানে লেখালেখি করেও আপনি নেকি অর্জন করতে পারেন।
ইসলাম বিদ্বেষীদের বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, দাবী, যৌক্তিকতা নতুন নয়, বহু পুরোনো। এটা নিয়ে ভাবলে চলবে না। আল্লাহর রাসুল (সঃ) এর সাথে একসাথে চলে, একসাথে খেয়ে মুনাফিকের নেতা হলেন আবদুল্লাহ ইবনে সাবা আর তার ছেলে হলেন নবীর প্রেমে পাগল। ইব্রাহিম আলাঃ এর পিতা মুর্তীপূজক আর ইব্রাহিম আঃ হলেন নবী, নবী (সঃ) এতো ভালবাসা স্বত্বেও তার চাচা ইসলামে দিক্ষিত হতে পারেনি অথচ কতো নাম জানা না জানা সাহাবিরা রাসুলের প্রেমে ধন্য হয়েছেন। সুতরাং কে কি বললো তা নিয়ে বাড়াবাড়ি কেন? যার যার বিশ্বাস নিয়ে সে সে থাকুন, নিজের মতো করে।
এটাও ঠিক নবীর নামে বাজে কথা শুনলে নবী প্রেমিকের কষ্ট হবে এবং এটাই প্রকৃত ঈমানের দাবী। কিন্তু কি করবেন এদেরকে কে বোঝাবে, বাদ দিন, জ্ঞান চর্চা করুন আর দোয় করুন। হেদায়েত কপালে থাকলে হবে না হয় হবে না। তবে একথাও ঠিক যে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেদায়েত থেকে দূরে থাকে আল্লাহ তাকে হেদায়ের দেন না।

৩৮| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



কাউকে কটাক্ষ করে কিছু বলা উচিৎ নয়। জীবিত কিংবা মৃত কাউকেই নয়। ব্লগে আলোচনার নামে ইসলাম বিদ্বেষ কোনোক্রমে কাম্য নয়। ধর্মীয় মহান ব্যক্তিত্বদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে কিছু বলা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। জোড় হাতে আবেদন রাখছি।

আশা করি, তারা সঠিক পথে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন। আল্লাহ পাক আমাদের জ্ঞাত অজ্ঞাত সকল ভুল ত্রুটি এবং অপরাধ ক্ষমা করুন।

করোনার চলমান দুর্যোগ কাটিয়ে উঠে গোটা বিশ্ববাসীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার তাওফিক দিন।

৩৯| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:০৬

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: ছাগু ভাদা ইসলাম বিদ্বেষী একইরকম দোষী।

৪০| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩০

রাােসল বলেছেন: Sorry to say that some people only say against Islam but not others. Is it modernization?

৪১| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:১৬

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমার পারসোনাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে দেখেছি, অনলাইনে মানুষের সাথে কোন কিছুনিয়েই আর্গু করার কোন মানে হয়না (যদিনা সেখানে ব্যক্তিস্বার্থ থাকে)। এই পুরো ইস্যুটা নিয়ে তাই আমার কোন স্ট্যান্স নাই, and more importantly i don't care anymore :) কিছুদিন আগে আমাকেও কয়েকজন সহ ব্লগার উল্টাপাল্টা বলেছিলেন। ব্যপারটা খুবই ট্রমাটাইজিং ছিলো। যাহোক।

@কাল্পনিক_ভালোবাসা,

আপনি সামু আর ফেসবুকের যে তুলনাটা করলেন, তাতে একটা মস্ত গলদ আছে। ফেসবুকে ব্লক বলে একটা দারুণ ব্যপার আছে। আমার কোন অফেন্সিভ পেজ বা আইডি ফেসবুক থেকে "সরাতে" হবে, ব্যপারটা সবক্ষেত্রে এমন না। আমি ব্লক করে রাখলাম। সবাই জাহান্নামে যাক। আমার চোখে না পরলেই হলো।
Lets say, আমার পরিচিত কেউ হরর বা gore কিছু দিয়ে মজা পায়। আমার খুব বিশ্রী লাগে বলে আমি ওকে ব্লক মারলাম। এখন একটা মানুষের ভায়োলেন্স ভালো লাগতে পারে, ও সেটা নিয়ে সুখে থাক, আমার চোখে না পরলেই হলো।

কিন্তু, সামুতে সেই টেকনোলজিগত সুবিধাটা নেই। আমি জানিও না, কোন পোষ্টের কমেন্টে কে কি অফেন্সিভ কিছু দিয়ে রাখছে (যেটা হয়তো আমার জন্য অফেন্সিভ, মন্তব্যকারীর জন্য নয়)। তাই দিনশেষে, আপনারা আমাকে, আমার ঐ সেফ জোনটা ইনশিউর করতে পারতেছেন না। আর তাই আমি আমার মেন্টাল হেল্থ ইস্যুগুলোর জন্য আপনাদের মডারেশনের উপর নির্ভরশীল।

আমি খুবই সাধারণ একজন ব্লগার, আমার বলা অধিকাংশ কথারই কোন মূল্য নেই। তাই ইদানিং চুপচাপ থাকি। কিন্তু তারপরও বললাম, কারণ আমার মনে হয়েছে কিছু ব্যপার আমাদের নিরপেক্ষভাবে ভেবে দেখা দরকার।
শুভকামনা, ধন্যবাদ।

৪২| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

সত্যপীরবাবা বলেছেন: @মোঃ খুরশীদ আলম
“ মূর্খের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়ো না।”
এই বক্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশের ইচ্ছা রাখি, যদি একটু পরিস্কার করেন যে মূর্খতা মাপার দাঁড়ি-পাল্লাটা কার হাতে এবং সেই হাতের নিরপেক্ষতার প্রমান কি?

@বিদ্রোহী ভৃগু
"সেই নৈতিকতা কি এই চেতনা দেয় না- যে চলমান স্বৈরাচারিতা এবং অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে?"
এই মন্তব্য কি সার্বজনীন নাকি শুধু উদাসী স্বপ্নের জন্য প্রযোজ্য? শুধুই যদি উদাসী স্বপ্নের একার দায়িত্ব হয়, তাহলে কিছু বলার নাই, আর যদি সার্বজনীন হয় আশা করব আপনি ব্লগে ধর্মীয় পোস্টদাতাদেরও উদ্বুদ্ধ করবেন চলমান স্বৈরাচারিতা এবং অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে।

৪৩| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৫২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: যে যার বিশ্বাস নিয়ে থাকুক ভাল কথা।কিন্তু ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করা ও নবী (সাঃ ) কে গালি দিতে দেখলে যে কোন মুসলিমের উচিত হবে প্রতিবাদ করা।
নাস্তিকরা কোন ধর্মে বিশ্বাস করে না ভাল কথা কিন্তু তাদের ইসলাম ধর্ম নিয়ে এত চুলকানি কেন?
ইসলাম ধর্ম ও নবীকে নিয়ে যারা কটুক্তি করে সামু থেকে তাদের আইডি ব্লক করা হোক।

৪৪| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি তো সব সময় ১৮+ পোষ্ট লিখতেন, "পাঁঠার বিচি" হলো আপনার ট্রেড-মার্ক, কখন থেকে নবীর (স; ) আশেকে দেওয়ানা হলেন?

৪৫| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধর্ম যার যার অন্তরের ব্যাপার !!
যে যার ধর্ম পালন করবে এটা
সংবিধান সিদ্ধ। পরধর্মে সহিষ্ণুতা
কাম্য। ব্লগ ওয়াজ মাহফিল না ঠিক
আছে তাই বলে ধর্মকে নাজেহাল
করার জন্যও ব্লগ না। যার যার বিশ্বাস
নিয়ে থাকুন অপরের বিশ্বাসে কুঠারআঘাত
করা থেকে বিরত থাকুন।

৪৬| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪১

সোনালি কাবিন বলেছেন: সত্যপীরবাবা বলেছেন: @মোঃ খুরশীদ আলম
“ মূর্খের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়ো না।”
এই বক্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশের ইচ্ছা রাখি, যদি একটু পরিস্কার করেন যে মূর্খতা মাপার দাঁড়ি-পাল্লাটা কার হাতে এবং সেই হাতের নিরপেক্ষতার প্রমান কি?

@বিদ্রোহী ভৃগু
"সেই নৈতিকতা কি এই চেতনা দেয় না- যে চলমান স্বৈরাচারিতা এবং অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে?"
এই মন্তব্য কি সার্বজনীন নাকি শুধু উদাসী স্বপ্নের জন্য প্রযোজ্য? শুধুই যদি উদাসী স্বপ্নের একার দায়িত্ব হয়, তাহলে কিছু বলার নাই, আর যদি সার্বজনীন হয় আশা করব আপনি ব্লগে ধর্মীয় পোস্টদাতাদেরও উদ্বুদ্ধ করবেন চলমান স্বৈরাচারিতা এবং অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে.

+++++

৪৭| ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

সোনালি কাবিন বলেছেন: @ ব্লগার প্রান্ত, সামুতেও যে কাউকে মন্তব্য করা থেকে ব্লক করা যায়।

৪৮| ১৬ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: @সোনালি কাবিন,

ধরলাম আমি আপনাকে ব্লক করলাম,
আপনি অন্য কারো কমেন্টে গিয়ে আমার ব্যপারে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলেন, তার সমাধান কি? আমি কি জানবো না বা দেখবো না ভাইয়া?
আশা করি, আমার পয়েন্টটি বুঝতে পেরেছেন।
ফেসবুকে আপনি আমাকে ব্লক করলে, আপনার এক্সিসটেন্সই আমি টের পাবো না। আমি সেই অর্থে বুঝিয়েছি।
ধন্যবাদ।

৪৯| ১৬ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

সত্যপীরবাবা বলেছেন: @ব্লগার_প্রান্ত
"পদে পদে ছোট ছোট নিষেধের ডোরে/বে্ঁধে বে্ঁধে রাখিও না ভালো ছেলে করে"
আপনি তুলনামূলকভাবে অল্প বয়সী, তাই আশা রাখি "ভাল ছেলে" না হয়ে "সাহসী ছেলে" হবেন। কোনো বিষয়ে চোখ বন্ধ করে রেখে, কারো অস্তিত্ব অস্বীকার করে, আপনার ধারনায় যা মন্দ তা আড়াল করে এই নিষেধ সেই নিষেধ মেনে অবশ্যই বাঙালীর মানসিকতায় ভালো ছেলে হবেন, কিন্তু সাহসী হবেন যদি এই সবের মুখোমুখি দা্ঁড়িয়ে যা আপনার বিবেচনায় ভালো তা গ্রহন আর যা মন্দ তা অগ্রাহ্য করতে পারেন।

ব্লক করে অগ্রাহ্য করতে শিখবেন না, "নাই নাই" মনে করে আত্মপ্রবন্চনাই হবে।

৫০| ১৬ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত। এই মুহুর্তে ধর্ম বিদ্বেষ নিয়ে কথা বলা মানে অহেতুক সময় নষ্ট। সমস্যার কোন অভাব নেই। তবে সামহোয়ারকে এসব বলে কোন লাভ নেই, তারা তাদের মত করেই চলবে।

৫১| ১৬ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সত্যপীরবাবা বলেছেন: @সোনালি কাবিন
আপনি মন্দ লোক। আপনি কি জানেন না যে The Guardian এ প্রকাশিত লেখাই "পরম সত্য"?

৫২| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৯

বিজন রয় বলেছেন: ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষ কবে বন্ধ হবে ?............ ভাল কিছুকে মানুষ একটু হিংসা করে।
আশাকরি একদিন এই ইসলাম বিদ্বেষ শেষ হয়ে যাবে।

৫৩| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:২০

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: @সত্যপীরবাবা

ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনার জন্যও শুভকামনা রইলো।
সপরিবারে ভালো থাকুন।

৫৪| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: @কাল্পনিক_ভালোবাসা, ব্লগার উদাসী স্বপ্ন ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ করে প্রতিনিয়ত ধর্মকে অশ্লীল আক্রমন করে পোস্ট ও কমেন্ট দেয়। যেহেতু তিনি নীতিমালা ভঙ্গ করেছেন, তাই তার আইডি ব্যান চাই ।

ব্লগের নীতিমালায় স্পষ্ট আছে যে ধর্মকে অশ্লীল আক্রমন করা যাবে না। কিন্ত ব্লগ কতৃপক্ষের যদি এই পয়েন্টে এখন আর কোন আপত্তি না থাকে তবে এই পয়েন্ট নীতিমালা থেকে মুছে দেয়া হোক।

৫৫| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:
ব্লগার প্রান্তঃ
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যর জন্য।

আপনি বলেছেন, আপনি সামু আর ফেসবুকের যে তুলনাটা করলেন, তাতে একটা মস্ত গলদ আছে। ফেসবুকে ব্লক বলে একটা দারুণ ব্যপার আছে। আমার কোন অফেন্সিভ পেজ বা আইডি ফেসবুক থেকে "সরাতে" হবে, ব্যপারটা সবক্ষেত্রে এমন না। আমি ব্লক করে রাখলাম। সবাই জাহান্নামে যাক। আমার চোখে না পরলেই হলো।
Lets say, আমার পরিচিত কেউ হরর বা gore কিছু দিয়ে মজা পায়। আমার খুব বিশ্রী লাগে বলে আমি ওকে ব্লক মারলাম। এখন একটা মানুষের ভায়োলেন্স ভালো লাগতে পারে, ও সেটা নিয়ে সুখে থাক, আমার চোখে না পরলেই হলো।


- যদি আপনার বিবেচনায় আমার উদহারন বা তুলনাটি ভুল বলে মনে হয়,তাহলে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আপনার যুক্তি পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলতে চাই না। শুধু আমার নিজস্ব মতামতটি জানাচ্ছি।

আপনি বলেছেন, যে পেইজগুলো আপনার ভালো লাগে না, সেই পেইজগুলো আপনি ব্লক করে রাখেন। এতে ঐ সাইট আপনি দেখতে পাচ্ছেন না। এতে কি শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছে - আপনি ঐ ধরনের পেইজ আর কখনই আপনার হোম ফিডে দেখবেন না?
বা এতে কি নিশ্চিত হয়- আপনার বন্ধু তালিকার কেউ কখনও আপনার মত বিরুদ্ধ কিছু লিখবে না?

ফেসবুক যেমন সামাজিক যোগাযোগ ও বর্তমান সময়ে মত প্রকাশের একটি মাধ্যম, তেমনি ব্লগও মত প্রকাশের একটি জায়গা। যার যার মত প্রকাশের দায়ভার তাকেই বহন করতে হয়। ফেসবুক যেমন কিছু ক্ষেত্রে নজরদারী করে, তেমনি ব্লগও নজরদারী করে। এই দুটো মাধ্যম নিজ নিজ ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুসারেই সকল মডারেশন করে। ফলে আমরাও কোন ধরনের নীতিমালা বর্হিভুত মন্তব্য বা পোষ্ট বা যে এই জাতীয় যে কোন কিছুর ব্যাপারে আমাদের নীতিমালা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহন করি।

ব্লগে সুস্পষ্টভাবে বলে দেয়া আছে, সামহোয়্যারইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্লাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকের অর্থাৎ যিনি লেখা বা মন্তব্যটি প্রকাশ করছেন তাঁর। সহজভাষায় বুঝিয়ে বললে, সামু একটা মাইকের মত। যে মাইক ব্যবহার করে আপনিও মত প্রকাশ করেন, এখন আপনিই বলুন - ব্যক্তিগত কুৎসিত মন্তব্যের দায়ভার কে বহন করবে? ব্যক্তি না মাইক?

৫৬| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৫

আমি সাজিদ বলেছেন: উদাসী ভাই মেধাবী লোক। উনি অনেক আগের ব্লগার। উনার ব্লগ পড়ে দেখলে বুঝা যায় তার জীবনে ব্লগ একটা ডায়েরি। আমি তার আইডি ব্লকের পক্ষে না। আশা করি উনি একটু পরিস্থিতি বুঝে মন্তব্য করবেন। তারে ব্লগ অথরিটি থেকে নোটিফাই করলেই হয়।

৫৭| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:০৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: @ঢাবিয়ান ও @আমি সাজিদ

আমাদের দেশে দুটো প্রবাদ আছে - যে গাভী দুধ দেয়, তার লাথিও ভালো।
আরেকটা হচ্ছে - দুর্জন বিদ্যান হলেও পরিতাজ্য

দুটো কিন্তু অনেকটাই স্ববিরোধী! এখন বলুন তো কি করা উচিত!!

৫৮| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১:৩৪

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: @কাল্পনিক_ভালোবাসা,

আপনার মতামতের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলবো, অবশ্যই দোষ ব্যক্তির।
কিন্তু, আপনি ঠিক মাইক নন। আপনি একটা অথরিটির অংশ যারা সাধারণ মানুষের হাতে মাইকটি তুলে দিচ্ছেন, তাইনা?
(কারণ, সেটা না হলে তো আপনারা সুলেমানি ব্যান দিয়ে কাউকে পারমানেন্টলি মাইক বর্জিত করতেন না)
এখন আপনার দেয়া মাইক হাতে নিয়ে কেউ যদি গালাগালি করে, আর দশজন মাইক ব্যবহারকারীকে উল্টাপাল্টা বলে, তখন আপনার কি করা উচিত?
সবাই জানে কি করা উচিত। আপনারা আরো ভালো করে জানেন কি করা উচিত।
তবে, আমি আপনার ৫৭ নং মন্তব্যটার তাৎপর্যটা উপলব্ধি করতে পারছি। After all, you know what you are doing. so, i dont have any actual headache here. and I have lost my interest in mainstream blogging too.
But I am a huge fan and a well wisher, so please do whats best.

ইংলিশ এ টাইপ করা সহজ তাই, ইংলিশ এ করলাম। আশা করি কিছু মনে করেন নাই।
শুভরাত্রি, শুভকামনা।

৫৯| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১:৫৩

মেঘলা আকাশ বিষন্ন মন বলেছেন: একটা ভালো কথা বলেছেন- আসলেই আসুন নদীর পারে বসি। সমস্ত ভুলবুঝাবুঝির অবসান হোক।

৬০| ১৭ ই জুন, ২০২০ ভোর ৫:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কা_ভা ভাই,

আপনার প্যারাডক্সিক স্টেটমেন্টটা যদিও ব্লগার ঢাবিয়ান আর আমি সাজিদকে উদ্দেশ্য করে করা। ওপেন ফোরামের সুযোগ নিয়ে আমি কিছু বলার প্রিভিলেইজ নিচ্ছি। আশাকরি কিছু মনে করবেন না।

প্রতিটা মানুষেরই নিজস্ব ধর্মচিন্তা থাকে। তাই কেউ হিন্দু, কেউ মুসলিম ইত্যাদি ইত্যাদি। সেজন্যেই কেউ কেউ নাস্তিকও বটে। তাতে কোন সমস্যা নাই। যুক্তিপূর্ণ এবং শালীন আলোচনা ব্লগে হবে। এখন কেউ যদি কুমীরের খাজকাটা খাজকাটা গল্পের মতো সব বিষয়কেই টানতে টানতে ইসলাম ধর্মের বিরোধিতায় নিয়ে যায়, সমালোচনা করে (অবশ্যই যুক্তি আর শালীনতার মধ্যে থেকে), তাতেও কোন সমস্যা নাই। সমস্যা হলো, কেউ যদি বাক-স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যথেচ্ছাচার করে, আর অশ্লীল মন্তব্য ক্রমাগত করতে থাকে, তাও মহানবী (সাঃ)কে নিয়ে; যেটা ব্লগার উদাসী স্বপ্ন করছে। এটা যেমন ব্লগের নীতিমালা বিরোধী, তেমনি রাষ্ট্রের সংবিধান বিরোধী। কতিপয় ব্লগার ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো লাফালাফি করে তাকে উৎসাহ দিয়ে এসব মন্তব্য চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণীত করছে। আমি নিশ্চিত, অন্য কোন ব্লগার এতো দীর্ঘদিন ধরে এমনতরো কার্যক্রম চালিয়ে গেলে তাকে বহু আগেই ব্লগ থেকে বের করে দেয়া হতো। এনাকে কেন করা হচ্ছে না? আপনার মন্তব্যে বুঝলাম, সে অতিশয় জ্ঞানী একজন মানুষ, সেইজন্যে। তাই আমিও আপনার মতোই একটা প্রবাদ বলি। দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো

একটা উদাহরন না দিয়ে পারছি না। চাদগাজী ভাইও একজন নাস্তিক। উনিও ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তবে নবী-রাসুলদের নাম নিতে গেলে উনি (সাঃ), (আঃ) ইত্যাদি লিখেন। আর মন্তব্যে উনাদেরকে নিয়ে অশ্লীল কথা বলে সীমা লঙ্ঘন করেন না।

আমি নিজেকে বিরাট পরহেজগার মুসলমান দাবী করি না। নামায, রোযা বা ইসলামের অন্যান্য বিধিবিধান পালনে আমার অনেক গাফিলতিও আছে। তারপরেও মা-বাবা যেমন আমার কাছে সন্মানীত ব্যক্তিত্ব, তেমনি আমাদের মহানবী (সাঃ)। এক অর্থে উনি আরো অনেক বেশী; কারন উনার প্রতি বিশ্বাস, ভালোবাসা আর নির্ভরতা না থাকলে তো ঈমানই থাকে না। আমার মতো মুসলমানই যদি এতোটা ব্যথিত হয়, তাহলে তো আমি মনে করি সব মুসলমানই ব্যথিত হবে, যদি তার প্রকৃত ঈমান থাকে, প্রকৃত মুসলমান হয়। একজন মানুষ দিনের পর দিন এতো এতো ব্লগারের মনে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে কোন ক্ষমতার বলে? চিন্তার ব্যাপার না??

আরেকটা ব্যাপার। আমাদের দেশের ক্ষমতাবানরা কিন্তু কোন সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না। ব্লগে উনাদেরকে নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হয়। কাজেই ব্লগ উনাদের একটা টার্গেট সবসময়ই। গতবারের ব্লগ ব্লকে উনাদের অভিযোগ ছিল পর্ণ, যেটা হালে পানি পায়নি। তারপরেও কিন্তু উনারা অন্যায়ভাবে ৮/৯ মাস দেশে ব্লগ বন্ধ করে রেখেছিলেন। কেউ কি কিছু করতে পেরেছিলো? আমরা কেউই সেই কষ্টকর দিনগুলোর কথা ভুলি নাই। উনাদের লোকজন কি এই ব্লগে নাই? অবশ্যই আছে। এসবের স্ক্রিণশট যদি তারা সোশ্যাল আর ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে ছেড়ে দেয়, আপনি নিশ্চিত থাকেন, উনাদের কিছু করতে হবে না। দেশের সাধারন লোকজনই ব্লগ বন্ধ করে দিবে। আমরা স্ব-ইচ্ছায় রসগোল্লার মতো সেই সুযোগটা কি উনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি না!! আপনি তো জানেন, ম্যাডিং ক্রাউড বাক-স্বাধীনতা, লজিক ইত্যাদির ধার ধারে না। দেশের গণপিটুনির কালচার এর সবচেয়ে ভালো উদাহরন।

এখন দেখার বিষয়, আমরা আমাদের বিপদের পটেনশিয়ালিটি কতোটুকু বুঝতে পারছি।

ব্লগার উদাসী স্বপ্ন বিজ্ঞান নিয়ে লিখুক, মন্তব্য করুক......সমস্যা নাই। ধর্মীয় বিষয়ের ধারে কাছে না আসলেই হলো; আসলেই সে আজ হোক কিংবা কাল.......আবার এসব শুরু করবে। ব্লগিং আমাদের কারো পেশা না। ব্লগে আমরা আসি একটু মানসিক শান্তির জন্য। সেই শান্তি নষ্ট করার অধিকার তার নাই। সামু, সামু'র অফিস আর তার লোকজনকে বিপদে ফেলার অধিকারও তার নাই।

আর ব্লগ কর্তৃপক্ষ যদি ভাবেন যে, না......ব্যাপারটার একটা গনতান্ত্রিক সমাধান দরকার, তাহলে ব্লগারদের জন্য ভোটের আয়োজন করেন। মেজরিটি কি বলে দেখেন। তবে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত নিলে অবশ্য কিছু বলার বা করার নাই, চেয়ে চেয়ে পরিনাম দেখা ছাড়া।

আমার চার বছরের ব্লগ জীবনে সবচেয়ে বড় মন্তব্য করলাম। রেকর্ড। :)


@ব্লগার_প্রান্ত; উনি বলেছেনঃ I have lost my interest in mainstream blogging too. কারনটা জানতে ইচ্ছা করছে, just out of curiosity!

৬১| ১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:০৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভুয়া মফিজ ভায়ার ৬০ নং মন্তব্যে পূর্ণ সহমত।

আর একটা জিনিষ লক্ষ করছি- একটা সিন্ডিকেট যেন এনাকোন্ডার মতো প‌্যাচায়া পুচায়া
খাড়াইতে চাইতেছে। ইনায়া বিনায়া ব্লগ ভালবাসিয়া, কাঁদিয়া কাঁদা্ইয়া ব্লগ ভাসাইয়া দেয়াদের কিন্তু ব্লগের সবচে দু:সময়ে
টিকিটিও দেখা যায় নি। আমরা অল্প ক জন যখন প্রানান্ত চেষ্টায় স্রেফ লগিন করে হলেও একটিভিটি চালু রাখার প্রাণান্তকর চেষ্টায় দিনরাত এক করেছি.. অভয় দিয়ে দিয়ে বিকল্প পথে কত কষ্ট করে করে পারলে ২৪/৭ লগিন থেকে ব্লগকে আইসিইউ হালে আশা ধরে রেখেছি তখন কিন্তু তাহাদাের কাহাকেও দেখা যায় নাই।

চর্ব. চুস্য, লেহ্য, পেয় শেষে এখন বোধকরি তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে মনে হইছে- হায় হায়
ব্লগের কি অবস্থা! ব্যাস, এই নাই, সেই নাই, আগের সেই দিন নাই... এক ত্রাহি রোদন!
আরে ভায়া বাস্তবতাতো এমনই।
আমাদের শৈশব স্মৃতি যতই রঙিন হোক তা যেমন কোনদিন ফিরবে না
প্রথম হানিমুন যতই মধুময় হোক আর কোনদিন যেমন তা মিলবে না
প্রথম স্কুল, প্রথম শিক্ষক... তারা নাই দেখে কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ?

না সবই চলে আপন গতিতে। আমরা যে যার ভূমিকায় অভিনয় করে যাই কেবল।

অবশ্য দুর্জনেরা বলে- ভিন্ন কথা। মডারেশন আর মডু হবার সুপ্ত খাহেশ নাকি এনাকোন্ডার প‌্যাচে প‌্যাঁচে ;)
আমি অধম খালি শুনি। কিছূ বলি না। কারন আমরা আমজনতা ব্লগার!
গ্যালারিতে বসিয়া সব দেখিয়া শুনিয়া যাই....

এক্ষনে- ধর্ম ইস্যু কি তেমনি কোন এজেন্ডা কিনা , সার্জেনের হাতে চাকুর মতো অতি সতর্কতায়
তা বিচার করতে হবে। প্রশয় দিলেও বিপদ, না দিলে বিপদ। শাখের করাতের মতো।
প্রশয় দিলে আম ব্লগারদের সাথে সাথে সরকার সদাশয় ক্ষিপ্ত হতে পারেন, কারণ প্রধানমন্ত্রী পরিস্কার বলেছেন-
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি বরদাশত করা হবে না।
আবার না দিলে তাদের কুম্ভীরাশ্রুর নহর বইবে- ,মত প্রকাশে বাঁধার নামে তাদের কুৎসিত চর্চাকে আড়াল করে!

তাই সাধু সাবধান।

৬২| ১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৮

সোনালি কাবিন বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:

ব্লগে যখন কেউ ধর্ম নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে, বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করেন - সেটার দায় তাদের। তার সাথে যদি যৌক্তিক আলোচনায় যাওয়ার মত ইচ্ছে, ধৈর্য ও তথ্য থাকে, আপনি আপনার প্রেক্ষাপট থেকে তা করুন। যদি হাতে সময় না থাকে, তাহলে এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে তার মন্তব্য মুছে দিন এবং নিজে একটি মন্তব্যের মাধ্যমে জানান কেন আপনি তার মন্তব্য মুছে দিয়েছেন, মন্তব্যের কোন অংশের কারনে?

++++++

৬৩| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:০৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ভুয়া মফিজ ভাইয়ের ৬০ নং কমেন্টের সাথে সহমত।

৬৪| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



ভুয়া মফিজ ভাইয়ের ৬০ নং মন্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করছি। তার ব্লগজীবনের সর্ববৃহৎ এবং সুচিন্তিত এই কমেন্টটির জন্য অশেষ দুআ থাকলো।

৬৫| ১৭ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১০

রাশিয়া বলেছেন: ২৯ নম্বর মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মডারেশনকে ধর্ম বিদ্বেষী (আমি বলেছি ইসলাম বিদ্বেষী) আমি ছাড়া আর কেউ বলেনাই। এত সাহস কারও নাই। ২০১৩ সালের পর সরকার ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবার পর তার প্রভাব সামু ব্লগে কিছুটা পড়েছে। তার আগে তো ইসলাম বিদ্বেষী পোস্ট বা কমেন্টে কোন মডারেশন করা হয়েছে বলে আমি মনে করতে পারছিনা।

কিন্তু কাল্পনিক ভালোবাসা যেই হুমকি দিয়েছেন, সেটাও আমি গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। উনি কেন মনে করছেন যে আমার একটা নির্দোষ কমেন্টের কারণে উগ্র মৌলবাদীরা ছুরি কাচি নিয়ে ব্লগ মডারেশন টিমের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। আর যদি পড়েও, তাহলে আমার কমেন্ট দেখালে পুলিশের ইন্টেলিজেন্স আমাকে খুঁজে বের করবে হত্যায় উৎসাহ দেবার জন্য? বাংলাদেশের ইন্টেলিজেন্স কি এতই বগাছগা নাকি! এরকম বুদ্ধি নিয়ে সামুর মত একটা ব্লগের মডারেশন করেন কিভাবে?

নিজেরা ভালো হোন, ব্লগ নীতি মেনে মডারেশন করুন। পক্ষপাতিত্ব বর্জন করুন। সবার প্রতি সমান আচরণ করুন। উদাসী স্বপ্ন নামক উগ্র ব্লগারকে ব্যান করুন। নইলে অন্তত তার কমেন্টগুলো মুছে দিয়ে আমাদের জন্য ব্লগবাড়িতে একটু শান্তিতে থাকার ব্যবস্থা করুন। আমরা ব্লগাররা আপনাদেরকে সম্মান করি। সুস্থ ব্লগিং এর স্বার্থে আপনারা সেই সম্মানের মর্যাদা রাখুন।

৬৬| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: @ভুয়া মফিজ ভাইঃ
দুষ্ট গরুর চাইতে শুন্য গোয়াল এই প্রবাদ যেমন আছে তেমনি নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো - এই টাইপের প্রবাদও আছে।
এখন চাইলে আমরা সারাদিন এই ধরনের কথা বা প্রবাদ চালচালি করতে পারি তাতে খুব একটা লাভ হবে না।

আমরা যারা এই প্ল্যাটফর্মটিকে পর্যবেক্ষন করি, মনিটর করি বা মডারেট করি - আমাদের জন্য সব সময় এই ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সহজ কাজ নয়। এক দিকে তথাকথিত বাকস্বাধীনতা আবার অন্য দিকে ধর্মানুভুতি। সাম্প্রতিক সময়ে এই দুটো সবচেয়ে বেশি চর্চার নামে অপচর্চা হচ্ছে।

একটা বিশেষ শ্রেনীর ব্লগার আছেন, যারা মনে করেন - নাস্তিক ব্লগার বা যারা ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করেন তাদের প্রতি সামহোয়্যারইন ব্লগের আলদা কোন সফট কর্নার আছে। এই ধরনের অভিযোগ পুরানো নয়। বরং নিজের জ্ঞান ও যুক্তির অভাবে তাঁরা এই ধরনের কথা বলেন। যেমন ধরুন ব্লগে অনেক সময় অনেকেই ধর্ম নিয়ে খুবই হাস্যকর এবং পড়াশোনা না করে বা সঠিক ব্যাখ্যা না জেনে একটা অদ্ভুত মনগড়া কথা বা হাদিস বা রেফারেন্স বলে দিলো। সাথে সাথে আমাদের ব্লগারা ক্ষেপে উঠেন এই বলে হায় হায় ধর্ম গেলো গেলো। এখন আমার প্রশ্ন - যদি স্বীকৃত হাদীস বা এই জাতীয় কোন গ্রন্থ থেকে কেউ কোন কথা তুলে দেন, তাহলে সেটা ধর্ম অবমাননা হয় কি করে? কারন এই বক্তব্যের তো সঠিক রেফারেন্স আছে।

দুই, কারো প্রকাশিত কোন মন্তব্যের রেফারেন্স যদি সঠিক না থাকে, যদি ভুলভাবে কেউ ব্যাখা করেন - তাহলে কেউ কেন সেই মিথ্যে রেফারেন্স বা সত্য রেফারেন্সের সঠিক ব্যাখ্যা করছেন না? কেউ ব্যাখ্যা করে কেন বলছেন না, মাননীয় আপনি ভুল বলছেন। আপনি অসৎ উদ্দেশ্যে বা ভুল জেনে অন্যদের বিভ্রান্ত করছেন?

কিন্তু আমরা কি দেখি? আমরা দেখি - কোন ধরনের কমেন্ট যার উত্তর হয়ত সাধারন ধার্মিক হিসেবে আমাদের জানা নেই কিংবা আমাদের জানার বাইরে - সাথে সাথে সামু নাস্তিকদের ভালোবাসে, কি দরকার ভাই এই ধরনের নাস্তিকতা চর্চা করে? কি লাভ এই ধরনের কমেন্ট করে? এই কমেন্ট মুছে ফেলা হোক ইত্যাদি।

আমরা একটু অপেক্ষা করি, এই বুঝি কেউ আসবে, এই কেউ কমেন্ট করে এর প্রতিবাদ জানাবে। একটা আলোচনা হবে, কিছু শিখতে পারবো, নিজের ভুল বুঝতে পারবে। অন্তত একটা যৌক্তিক রিপ্লাই। তারপর সাথে সাথে না হয় সেই আপত্তিজনক মন্তব্য মুছে দেয়া হবে। কিন্তু এমন কিছু হয় না শ্রেফ কমেন্ট মুছার আর ব্যান করার আবেদন ছাড়া বা মডারেটরদের দোষারপ করা ছাড়া। অথচ, কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা ছাড়া কারো কোন যৌক্তিক প্রশ্ন যার রেফারেন্স আছে , সেটা মুছে দেয়া অন্যায়।

যদি নিরপেক্ষতার কথা বলি - তাহলে এই ধরনের কমেন্ট আমি মুছতে পারি না। কিন্তু তাও আমরা মুছি। কারন - সবাই চায়। এটাই গণতন্ত্র!

তবে, যদি কেউ ধর্ম নিয়ে অযৌক্তিকভাবে ঘৃণা ছড়ায়, বিদ্বেষ ছড়ায় , গালি দেয়, কুৎসা করে সেটা আমরা দেখা মাত্র নীতিমালা অনুযায়ী মুছে দেই এবং সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। আপনার মাধ্যমে সকল ব্লগারদের জানাচ্ছি, ধর্ম নিয়ে কুৎসিত ও অযৌক্তিক মন্তব্যের মাধ্যমে যে ব্লগার ঘৃণা বাক্য ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন, তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। উনি দীর্ঘদিন নীতিমালার আওতায় ছিলেন। ফলে, নিজেকে সংশোধনের উনার এটাই শেষ সুযোগ। এরপর আমরা আমাদের নীতিমালা অনুসারে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তে যাবো।

উনার প্রতি কি আপনারা কোন পক্ষপাতিত্ব করছেন?

না করলেও, কিছুটা অবশ্য করতে বাধ্য হচ্ছি। তিনি কিছু বিষয়ে ভালো জানেন, পন্ডিত ব্যক্তি। দুই, কিছুদিন পূর্বে ব্লগের উন্নয়ন ও নির্বাচনী পাতা সংশ্লিষ্ট যে অভিযোগ পোষ্ট বা আলোচনা পোষ্ট ছিলো, যেখানে যে কয়জন ব্লগারকে সিলেক্টর হিসেবে মডারেশন প্যানেলে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট পোস্ট দাতা বা কমেন্টের মাধ্যমে ব্লগাররা মতামত জানিয়েছে - সেখানে তিনিও আছেন।

ফলে, হঠাৎ করে উনাকে ব্যান করলে - আবার আমাদের উপর প্রশ্ন আসবে - আমরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে ব্যান করেছি কি না।

যাইহোক, ভাইয়া - যে কোন প্রশ্ন করতে দ্বিধা করবেন না আমি যথাসাধ্য আছি। সামু একটা গণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে খুব হালকা চিন্তার লোক যেমন আছেন, তেমনি চিন্তার গভীরে যেতে পারা পন্ডিতও আছে। এই দুয়ের সমন্বয় করা মাঝে মাঝে নিঃসন্দেহে একটি কঠিন কাজই বটে। সকলের খারাপ অভিজ্ঞতার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

৬৭| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: @রাশিয়াঃ
আমি কোন নির্দিষ্ট ব্লগারকে অভিযুক্ত করি নি এবং কারো নাম উচ্চারন করি নি। এই ধরনের অভিযোগ অনেকেই আমাদের টিমের উপর করেন। দ্বিতীয় কমেন্টে আপনি সরাসরি মডারেশন ও ব্যক্তি হিসেবে আমার নাম নিয়েছেন এবং আপনার মন্তব্যটিও যথেষ্ট আক্রমনাত্বক।

'মডারেশন ধর্ম বিদ্বেষীদের সাহায্য করে' - আপনার এই ধরনের কল্পিত এই কথা শুনে সামহোয়্যারইন ব্লগ টিমে সদস্যদের বা আমাকে আক্রমন করার মত উগ্র ধর্মান্ধ ব্যক্তি বা গ্রুপ বাংলাদেশে যে নেই তা বলা যাবে না। প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখনও জঙ্গী ও উগ্র মানসিকতার ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এবং আমরা প্রায়ই সময় অনেক হুমকিও পেয়ে থাকি। বলা যায় না, এই ধরনের অনেক গ্রুপের অনেক সদস্য ব্লগে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকে। আপনার কথা যদি তারা অনুপ্রাণিত হয়ে কোন অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করে সেটার দায় কে বহন করবে?

ফলে একজন স্বাভাবিক বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ হিসেবে, আমার ও আমার টিমের নিরাপত্তার জন্য আমি এই বিষয়টি অবশ্যই উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে জানানো হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য যা সংরক্ষিত আছে, তা প্রয়োজনে তাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে প্রমান হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

ব্লগ নীতিমালা অনুসারে যারা উগ্রবাদ চর্চা করে তাদের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় এবং এই ক্ষেত্রেও তাঁর ব্যাতয় ঘটেনি। যে কোন উগ্র মতবাদের কারনে ব্লগের পরিবেশ নষ্ট হলে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

৬৮| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমি পুনরায় সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি - নাস্তিকতা এবং ধর্ম বিদ্বেষ ছড়ানো এক জিনিস নয়। ফলে ঘৃণা বাক্য ও অশালীন মন্তব্যের ক্ষেত্রে কাউকে কোন ছাড় দেয়ার প্রশ্নই নেই। এই ধরনের কাজ যারা করেছে, তার বা তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করেছি।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে যারা কষ্ট পেয়েছেন, তাদের সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।

৬৯| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩০

আরোগ্য বলেছেন: মাননীয় মডারেটর সাহেবের মন্তব্য পড়ার জন্যই এসেছিলাম, কোন মন্তব্য করতে না। কিন্তু এসে দেখি ভুয়া মফিজ ভাইয়ের মন্তব্য যা একেবারে যথাযথ হয়েছে । এরপর আর কোন কথা বাকি থাকে না।
যখন এসেছি মন্তব্যে এক কথা বলেই যাই, উকিল চাইলে তার বাগ্মিতায় মক্কেলকে চোর থেকে পুলিশ বানাতে পারে।

৭০| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৬

নতুন বলেছেন: একটা বিষয় অনেকের ভেতরে খেয়াল করছি সেটা হলো উনার বক্তব্যগুলি বন্ধ করা।

উনি কি কখনো বানিয়ে কোরানের কথা বলেছে? বানানো হাদিস দিয়েছে?

উনার বক্তবের পক্ষে উনি যেই হাদিস বা কোরানের আয়াত এবং তার তাফসির নিয়ে আসেন সেটা নিয়ে কেউই তেমন আলোচনা করেন না।

আর ইসলাম বিদ্বেষী পোস্টে প্রচার বাইরে করে ব্লগ বন্ধ করে দেবার মতন কথা ব্লগে শুনতে হবে এমনটা আশা করিনাই। :(

ব্লগের মডারেটরা অস্বালীন বক্তব্যের বিরুদ্ধে যথেস্ট সচেতন। আশা করি সবাই ব্লগের আসল সমস্যা গুলি নিয়ে আলোচনা করি।



ব্লগের মডারেটরা ইসলাম বিদ্বেষী পোস্ট

৭১| ১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

সোনালি কাবিন বলেছেন: নতুন বলেছেন: একটা বিষয় অনেকের ভেতরে খেয়াল করছি সেটা হলো উনার বক্তব্যগুলি বন্ধ করা।

উনি কি কখনো বানিয়ে কোরানের কথা বলেছে? বানানো হাদিস দিয়েছে?

উনার বক্তবের পক্ষে উনি যেই হাদিস বা কোরানের আয়াত এবং তার তাফসির নিয়ে আসেন সেটা নিয়ে কেউই তেমন আলোচনা করেন না।.

# আসল কিচ্ছা এখানেই

৭২| ১৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০১

সোনালি কাবিন বলেছেন: আর খারাপ ভাষা আস্তিক/নাস্তিক যেই ইউজ করুক, তাকে কিছুদিন কমেন্ট ব্যান করা হোক

৭৩| ১৮ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কা_ভা ভাই,

আপনার সাথে প্রবাদ প্রবাদ খেলতে ভালোই লাগছিল! মন চাচ্ছে আরেকটা বলি। তবে.....না থাক! ক্ষ্যান্ত দিই বরং। আপনাদের মডারেশানের কাজ সহজ মনে করার কোনই কারন নাই। এটা কতোটা চ্যালেন্জিং, আমি বুঝি। আমাদের এখানে এগারোটা দেশের মানুষ কাজ করে। সাদা-কালো-হলুদ-বাদামী, সব ধরনের মানুষ; ভিন্ন ভিন্ন রেস, ভিন্ন ভিন্ন কালচার। চরম ডাইভারসিটি। কাজেই আপনাদের কষ্ট আমি ভালোই উপলব্ধি করতে পারি।

আমি জানি, নাস্তিক-আস্তিক দু'ধরনের মানুষই বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে; কারন, দিন শেষে এরা তো মানুষই! এসব কারনেই আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন, আমি রাজনৈতিক আর ধর্মীয় পোষ্ট এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারো যুক্তি খন্ডাতে যাওয়া, বিতর্কে জড়ানো আমার পছন্দ না। এ'সব পোষ্ট আমি মাঝে-মধ্যে পড়ি, কিন্তু মন্তব্য করি না। এই পোষ্টে আমার মন্তব্যে আসা অনেকটা ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে। যুক্তি-তর্ক আমি কেন, যে কোনও সুস্থ্য মানুষই পছন্দ করবে। কিন্তু এর সাথে অশ্লীল কথা তো সহ্য করা যায় না ভাই। অশ্লীল কথা না বলে কি তর্ক-বিতর্ক করা যায় না? আর অশ্লীল কথায় মোড়ানো যৌক্তিক ব্যাখ্যা আমার কাছে সুগার কোটেড সায়ানাইড পিলের মতো। এগুলো যতো দ্রুত সম্ভব মুছে ফেলাই উচিত। তাহলে হয়তো মন্তব্যকারীর মগজে ঢুকবে যে, শুধু যৌক্তিক ব্যাখ্যা আর সঠিক রেফারেন্স হলেই হবে না, শব্দচয়নও সভ্য সমাজের উপযোগী হওয়া উচিত!

যতো জ্ঞানীই হোক, চরম বিতর্কিত একজন ব্লগারকে সিলেক্টর হিসেবে মডারেশন প্যানেলে রাখার জন্য যারা মতামত জানিয়েছেন, তারা আসলে কেন জানিয়েছেন তা উনারাই ভালো জানেন! উনি নোবেল বিজয়ী হলেই বা কি আসে যায়? আর কথা বাড়াই না বরং। বড় মন্তব্য করার অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে!:(

আপনার ৬৮ নং মন্তব্যের পরে আর কিছু বলার নাই আসলে। এর চেয়ে পরিস্কার করে আর কি বলবেন? মডারেশান প্যানেলের জন্য শুভেচ্ছা রইলো।


@নতুনঃ মূল আপত্তিটা কিন্তু উনার যুক্তিতর্ক নিয়ে না, উনার অশ্লীল শব্দ চয়ন নিয়ে। আমার মন্তব্যে সেটা খুব পরিস্কার করে বলেছি। আপনার মন্তব্যের আর ইসলাম বিদ্বেষী পোস্টে প্রচার বাইরে করে ব্লগ বন্ধ করে দেবার মতন কথা ব্লগে শুনতে হবে এমনটা আশা করিনাই। :( এই অংশটা পড়ে আমার কেন জানি মনে হচ্ছে, আপনি আমার মন্তব্য ঠিকমতো না পড়েই হতাশা ব্যক্ত করেছেন। আপনার কাছ থেকে তো এটা আশা করি নাই ভাইজান!

আমি একটা সম্ভাব্যতার কথা বলেছি। এটা কি আপনার কাছে অসম্ভব কিংবা অবাস্তব মনে হচ্ছে? আবারও বলি, মহানবী (সাঃ) এর নামে আপত্তিকর কথার কারনে ম্যাডিং ক্রাউড দেশে যে কোনও অঘটন ঘটাতে পারে। আপনি চাইলে আমি বাস্তব রেফারেন্স দিতে পারি। আপনি শুনতে চান আর না চান, এটাই বাস্তবতা আমাদের দেশে।

৭৪| ১৮ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:
@ভুয়া মফিজ ভাইঃ মহানবী (সাঃ ) শুধু ইসলাম ধর্মের শেষ নবীই নন, তিনি পৃথিবীর ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তি ও সম্মানের পাত্র। তাঁর জীবিত কালেই তাঁকে মানুষ আল আমিন বলে সম্বোধন করতেন তাঁর সত্যবাদিতার জন্য। ফলে এমন একজন ব্যক্তিকে কেউ যদি তার নিজের মানসিক অসুস্থতার জন্য গালি দিলে সেটা মেনে নেয়ার কোন কারন নেই।

মুসলিমরা নবীকে ভালোবাসেন। ফলে এই ধরনের যে কোন ঘটনা থেকে বড় ধরনের ঘটনা সৃষ্টি পারেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.