নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

তৈলাক্ত বাঁশ বাহিয়া বান্দরের ওঠা-নামা : মোটিভেশনের মায়েরে বাপ্ !!!

৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩


ছবিসূত্রঃ ক্লাব ৯৪ !

আমাদের প্রজন্ম কুটিকালে বান্দরের অংক করে নাই এমন মরদ বা মাদী কেহ আছে নাকি বলিয়া জানা নাই ! অবশ্য ইংলিশ মিডিয়ামের কথা আলাদা ! ওগুলো ভিনগ্রহের মানুষ আছিল ! এমনকি উহাদের বেশিরভাগই এখনকার ব্রয়লার প্রজন্মের মতোই খাঁচায় মানুষ হইতো ! তাই উহারা বান্দরের অংক কি জিনিস তাহা নাও জানিতে পারে ! তয় আমাগো মতন ধর্মের ষাড় , খোদার খাসি , বনমোরগ-মুরগিদের এই যন্ত্রনা পার না হইয়া উফায় ছিল না ! অংকের চাইতে অংকের নামও কম বিস্ময়কর ছিল না ! পাটিগণিতের নাম শুনিলেই আমার পাঠিগনিতের কথা মনে হইতো ! পাঁঠাগণিত আছে কিনা ইহাও মনে জাগিত ! লসাগু, কষাগু, চলিত , সাধু, ঐকিক, সুদকষা (এইখানেও কোষ্ঠকাঠিন্য !! কেমনে কি !) !

গণিতে আমি ব্যাফক দুব্বল ! এক্কেরে ভোলানাথ ! তার উপরে আবার বান্দরের তৈলাক্ত বাঁশ বাহিয়া ওঠার অংক ! আমার মাথায় কিছুতেই ইহা ঢুকিত না, বান্দর কেন তৈলাক্ত বাঁশ বাহিয়া উঠিবে, বাঁশকে তৈলাক্ত কে করিয়াছে , তৈলাক্ত না করিলে অংক কেমন হইতো, তৈলাক্ত বাঁশ বাইয়া আসলেই কি উপরে ওঠা যায় ? ৩ ফুট ওঠার পরে সত্যিই কি ২ ফুট নামিয়া বান্দর থামিতে পারিবে ? থামিতে পাড়ার তো কথা না ! আচ্ছা প্র্যাকটিক্যালি কি কেহ বান্দররে তৈলাক্ত বাঁশ বাইতে দিয়া দেখিয়াছে কি ঘটে ?

কোন উত্তর নাই ! শেষ ৩ ফুট উঠিয়া বান্দর আর নামিবে না কেন ইহা বুঝাইতে আমার শিক্ষকের ঘাম ছুটিয়া গিয়াছিল , আর আমার তেল এমনই কমিয়া গেল যে পরবর্তীতে অংকরে বাইন তালাক দিয়া মুক্ত হইব ভাবিয়াছিলাম ! কিন্তু যেখানে অংকের ভয় , সেখানেই সন্ধ্যা হয় ! তাই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও সেই অংক ! স্ট্যাটিসটিক্স, বাইনারি ! যাক বাওয়া , অল্পের উপর দিয়া বাঁইচ্যা গেছি !

তবে যেই ব্যাডা এই অংকের আবিস্কারক হেতেরে নো-বেল যে ক্যান দিলো না তাহাই ভাবিতেছি ! আমার মনে হয় , নোবেল কমিটির মেম্বাররা নিজেরা তৈলাক্ত বাঁশ বাইবার ঝুঁকি লইতে চাহেনা ! একারণেই এই অবহেলা , অবমূল্যায়ন ! নইলে গেম থিওরিও নোবেল পায় , ড্রেক ইকুয়েশন পায় , আর বান্দরের তৈলাক্ত বাঁশ বাহিয়া ওঠার এই ঐতিহাসিক অংকের প্রণেতা নোবেল পাইলো না ! আফসুস !

আজ হঠাৎ আমাগো দোস্তগো গ্রূপে বান্দরের ছবি দেখিয়া সেই কুটিকালের তৈলাক্ত বাঁশের কথা মনে হইলো ! পোলাপাইনগো Activity ডিজাইনের সময় প্রায়ই একখানা টাস্ক দেওয়া হইতো।Describe the picture ? ছবি দেখিয়া অনেকগুলান কথা মনে আইলো ! ভাবিলাম বড় বান্দরগুলার জইন্য এই দার্শনিক বচনগুলো উগড়ানো যাইতে পারে ! মোটিভেশনও হইতে পারে ! দেখেন তো , আর কি কি যোগ করন যায় ?

১. তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী !

২. প্রত্যেক সফলতার পেছনে বাঁশ আছে !

৩. সফলরা বাঁশের আগায় থাকে !

৪. সফলরা সফলতা লাভের পরে নিঃসঙ্গ হইয়া যায় ।

৫. সফল হইলে নজর উঁচু হইয়া যায় , দৃষ্টি দূরে প্রসারিত হয় !

৬.সফলতা আরামের , ভাবের মনে হইলেও বাস্তবে সফলতার চূড়ায় চেয়ার নাই , চেয়ারম্যান হইবার উপায় নাই !

৭. সফলতার রাস্তা মসৃন নহে।প্রায়ই পিছলায়া পিছায়া যাইতে হয় !

৮. পিছলায়া যাইবার কালে ঝুলিয়া থাকিবার , টিকিয়া থাকিবার চেষ্টা করিতে হয়, নইলে back to the pavelion ! পরাজয় নিশ্চিত !

৯. শুধু টিকিয়া থাকিলেই চলিবে না , সামনে আউগাইয়া যাইতে হইবে। নচেৎ মুক্তি নাই ! ঝুলিয়া থাকাও সম্ভব নহে। অর্থাৎ সামনে না আউগাইলে পশ্চদপসারণ নিশ্চিত !

১০.সফলতার রাস্তা তৈলাক্ত , সাহায্য করার কেহ নাই ! তৈলাক্তভাব কমানোর জন্য বালি, কাঠের গুঁড়ো ব্যবহারের উপায় নাই ! সুতরাং কষ্ট করিতেই হইবেক !

১১. সফলদের সফলতার নিচে কোন স্থান নাই ! একটু নামিলেই পপাত ধরণীতল ! সুতরাং নামা চলিবে না !

১২. সফলদের বাঁশে তাহারা নিজেরা তৈল লাগাইয়া পিছলা বানান না , অন্যেরা তাহার সফলতার যাত্রাকে কঠিন করিতে তৈলাক্ত বানাইয়া থাকে।সুতরাং লড়াই করার মানসিকতা থাকিতে হইবেক !

১৩. তেলা মাথায় তৈল উপকারী হইতে পারে, তবে বাঁশে নহে ! তাই ভাবিয়া লাগাইয়ো তৈল , লাগাইয়া ভাবিও না ! আবার কোথায় লাগাইলে কাম হইবে আর কোথায় আকাম হইবে তাহাও ভাবিও !

১৪. তৈলাক্ত বাঁশ বাহিয়া ওঠনকালে কেডায় তেল মাখছে কইয়া গালাগালি দিলে শক্তিক্ষয়ই হইবে ! সুতরাং মুখ বুজিয়া কাজ করিয়া যাওয়াই উত্তম , যথাসময়ে কাজে লাগানোর জন্য শক্তি সঞ্চয় রাখাই বুদ্ধিমানের !

১৫. এই পোস্ট পইড়া নিজেরে বান্দর ভাবার কোন কারণ নাই ! বান্দর যেই তরিকায় সফল হইয়াছে আপনিও সেই তরিকাতেই সফল হইবেন উহা ভাবার কারণ নাই ! মানুষ হইয়া মানুষের সফলতার রাস্তা ধরেন মিঞা ! বাঁদরামি কম করেন !


মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০১

শায়মা বলেছেন: টারজানভাইয়া। বাঁদরেরা তো তোমার বন্ধু মনে হচ্ছে। :)

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বান্দরেরা আমার বন্ধু নহে , অধীনস্ত ! কথায় আছে না ,বান্দররে লাই দিলে মাথায় ওঠে ! তাই বান্দররে বন্ধু বানাই নাই ! বানাইলে বিফদ ! বান্দরের বন্ধু হইলে তৈলাক্ত বাঁশ বাইয়া আফনেরেও উঠিতে হইবেক ! সুতরাং স্বাধী সাবধান ! :D

২| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১০

জুন বলেছেন: অংক আতংক একটু কষ্ট কইরা ঝুলতে ঝুলতে যাইয়া দেইখেন টারজান। তৈলাক্ত বাশ কাকে বলে :(

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হায় , হায় ! এতো ঝুইল্যা ঝুল্লি কইরা যাইয়া দেখি ব্যাফক পিছলা ! তাই উঠতারিনাই ! (লিংক কাজ করে না ! মনে হয় তেল নহে , গ্রিজ মাখছে !)

৩| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১১

জুন বলেছেন: মুছেন। যায় নাই লিংক :((

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি আর করা ! খালি কান্দন !! আবার দেন ভইন !

৪| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



শিরোনামের শেষ শব্দ দু'টি পরম শ্রদ্ধার পাত্র 'পিতা-মাতা'রই প্রতিরূপ, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এইভাবে একত্রে এই নির্দোষ শব্দ দু'টিকেই গালি হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায়। একটু দৃষ্টিকটুও বটে। একটু ভেবে দেখার অনুরোধ থাকলো।

পোস্টে +

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি খুঁজিয়া দেখিয়াছি , ইহার ভালো-মন্দ কোন মিনিং নাই ! তারপরও ব্যবহার না করাই ভালো !! ধন্যবাদ ! আপনার ইন্টারেষ্টিং পোস্টে মন্তব্য করিতে যাব ইনশাল্লাহ ! 8-|

৫| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১৪

কবীর হুমায়ূন বলেছেন: পড়িলাম। আমরা হক্কলেই বান্দর প্রজাতি! তেলাক্ত বাঁশ দিয়া উঠি আর নামি। যে আগায় উ্‌ইঠ্যা যায়, হেয় বেডাইত আর যে গর্তে পইরা যায় হেয় কিছুই না। হাছা কথা, সুন্দর লেখছেন। শুভ কামনা।

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এহহে !! নিজেরে বান্দর প্রজাতি কইয়া ইজ্জত মাইরা দিলেন ভাইডি ! তয় আমাগো জীবন তৈলাক্ত বাঁশ ধরিলে নিজেরে বান্দরের লাহানই মনে হইবে ! হাচা কতা হইলো , যেই ব্যাডায় আগায় উডে , হেতেও চেয়ার পায় না ! চেয়ারম্যান হৈতারেনা ! বাঁশের আগায় বইসাও শান্তি নাই !! তয় পিছলা বাশঁ আর বাইতে হইবে না ইহাই শান্তনা ! দারুন বিশ্লেষণ ! ধন্যবাদ !

৬| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: যাক গবেষণার বিষয়বস্তু পাঁঠা ছাইড়া বান্দরে শিফট করছে...

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উহু , পাঁঠা বাদ দেই নাই ! তবে পাঁঠাদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে সাময়িক বিরতি !

আবার আসিব ফিরে, পাঁঠা ভর্তি তীরে !!! হে হে হে ! =p~

৭| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৫১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি অল্প জ্ঞানে বুঝলাম যে সফলতা মানে বাঁশের আগায় বসে থাকা। যাই বলেন এভাবে বসে থাকা ঝুঁকি পূর্ণ।

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যথার্থই বলিয়াছেন ! বাঁশের আগায় চেয়ার নাই , তাই চেয়ারম্যান হইবার শান্তিও নাই ! পশ্চাৎদেশে বাঁশ লইয়া কে শান্তিতে থাকিতে পারে ! ;)

তয় পিছলা বাঁশ আর বাইতে হইব না এইডাই শান্তনা ! B:-/

৮| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

রাফিন জয় বলেছেন: মাথার উফর দিয়া গেলো! বাই দ্য ওয়ে, আমি টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম ছোট বেলায়।

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাইডি , এন্টেনা সোজা করেন ! দরকার হইলে টাওয়ারে উঠেন ! :(

পাঁঠা /পাঠি গণিত বুঝি এখন আর নাই ! তাই মাথার উফরে দিয়া যাইতেছে ! গুগল কাহুরে জিগাইতে পারেন। অথবা গাজী কাহুরেও কইতে পারেন ! আমার ঘোর সন্দেহ , বাঁশে তৈল কাহুই মারছে !! :D

৯| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

বিজন রয় বলেছেন: আপনি অংকে ভাল ছিলেন!!

৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি যে কন দাদা ! পড়াশোনা দেখিলেই জ্বর আসিত ! আর অংক দেখিলে টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া , কালাজ্বর সব একসাথে ! এইজন্যইতো জীবনের অংক মেলাইতে এতো হ্যাপা !! তারউফরে গাজী কাহু আবার তৈল মাখিয়া পিছলা কইরা দিতাছে ! এইডা কি কাম হইলো কন !! =p~

১০| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: সবথেকে ভাল উপরে উঠতে না চাওয়া।সমতলে চলুন কোন সমস্যা নাই।তেলও নাই,পিছলাইয়া পরার সমস্যাও নাই।

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হাছাই কইছেন ! :(

তয় রাস্তা তো নিজে বাছিয়া লইবার উফায় নাই , তারউফরে তৈল মাখিয়া পিছলা করার জন্য কাহুর মতন মেলা লোক আছে ! উনারাই বাঁশ খাড়া কইরা রাস্তা বানান ! আবার নীচে বেত লইয়া খাড়াইয়া থাকেন। নীচে নামিলে পশ্চাৎদেশ লাল। উফরে চেয়ার নাই। বাঁশের আগায় বসিতে হয় ! :((

এইতো জীবন ভাইজান ! নিতম্ব বাঁচাইতে দৌড়ের উফরে থাকিতে হয় !! B:-)

১১| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: মোটিভেশনে কাজ হয় সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসার উঠতি হুজুরদের। দেখবেন অতি সহজেই তারা জংি হয়ে যায়।

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জঙ্গি মারো জঙ্গি ধরো জঙ্গি ভরো জেলে,
নিজের ঘরে খুইজা দেখ জঙ্গি তোমার ছেলে !!

জঙ্গি মারো জঙ্গি ধরো জঙ্গি ভরো জেলে

এই গান আপনি এবং আপনার গোত্রীয়দের জন্যই লেখা ! শুনিবেন আশা করি !

১২| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

কল্পদ্রুম বলেছেন: নিজে থেকে আরো কিছু মোটিভেশন অর্জন করে নিলাম,

"তৈলাক্ত বাঁশে যেমন কোন ডালপালা নেই,তেমন সফলতা অর্জনের কোন শর্টকাট নেই।"
"বান্দর এত পরিশ্রম না করে মই দিয়ে উঠতে পারতো,সেরকম শুধু গায়ের জোরে কাজ না করে বুদ্ধি খাটালে সহজে সফল হওয়া যায়।"
"বান্দর এত গাছ থাকতে তৈলাক্ত বাঁশটাই বেছে নিছে ওঠার জন্য,নিজের সামর্থ্যরে সে ওভারএস্টিমেট করছে।তার মানে কাজে ঝাপানোর আগে নিজের সামর্থ্য বোঝা জরুরি।" :) সর্বনাশ! এই অঙ্কের ভিতরে যে এত দর্শন ছিলো তাতো ভেবে দেখেনি।আপনার উছিলাই জ্ঞানের একটা নতুন দিক উন্মোচিত হইলো।

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: "তৈলাক্ত বাঁশে যেমন কোন ডালপালা নেই,তেমন সফলতা অর্জনের কোন শর্টকাট নেই।"

ঠিইইইইইইইইক !! এক্কেরে হাঁচা কতা !

"বান্দর এত পরিশ্রম না করে মই দিয়ে উঠতে পারতো,সেরকম শুধু গায়ের জোরে কাজ না করে বুদ্ধি খাটালে সহজে সফল হওয়া যায়।"

রাস্তা তো নিজে বাছিয়া লইবার উফায় নাই , তারউফরে তৈল মাখিয়া পিছলা করার জন্য কাহুর মতন মেলা লোক আছে ! উনারাই বাঁশ খাড়া কইরা রাস্তা বানান ! আবার নীচে বেত লইয়া খাড়াইয়া থাকেন। নীচে নামিলে পশ্চাৎদেশ লাল। উফরে চেয়ার নাই। বাঁশের আগায় বসিতে হয় !

মই থাকিলে অংকই তো সাজে না ! পিছলায়া না নামিলে অংকের মর্যাদাই পাইবে না ! বাংলা ছিঃনেমার কাহিনী হইয়া যাইবে ! এইজন্যই বাঁশ বাইয়া ওঠা, কাহুদের তৈল মাখিয়া রাস্তা পিছলা করা !

"বান্দর এত গাছ থাকতে তৈলাক্ত বাঁশটাই বেছে নিছে ওঠার জন্য,নিজের সামর্থ্যরে সে ওভারএস্টিমেট করছে।তার মানে কাজে ঝাপানোর আগে নিজের সামর্থ্য বোঝা জরুরি।" :)

কলা যদি নাগালে না রাখিয়া বাঁশের আগায় রাখেন তাইলে বান্দরের বাঁশ না বাইয়া উফায় আছে ? কথা হইলো তৈল টা না লাগাইলেই তো পারত !! তাইলে বান্দররে এতবার পিছলায়া নীচে নামিতে হইতো না ! সোজা আগায় পৌঁছাইয়া যাইতো !

নিজের সামর্থ্য মাপিয়া আসলে গাছ বাওয়া বন্ধ করার বা বাঁশ রাখিয়া অন্য গাছ বাছিয়া লওয়ার উপায় বেশিরভাগ বান্দরেরই থাকে না ভাইডি !

সর্বনাশ! এই অঙ্কের ভিতরে যে এত দর্শন ছিলো তাতো ভেবে দেখেনি।আপনার উছিলাই জ্ঞানের একটা নতুন দিক উন্মোচিত হইলো।

আসলেই ! জীবনটাই পাঠি/পাঁঠা গণিত ! আমাদের প্রজন্মের পরে এই জ্ঞান বিলুপ্ত হইয়া যাইবে ! ব্রয়লার প্রজন্ম ক্যালকুলাস, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, ড্রেক ইকুয়েশন, গেম থিওরি দিয়া জীবন ব্যাখ্যা করিবে !! সত্যি , জীবন কে কতভাবেই না ব্যাখ্যা করা যায় !

আপনি আমাকে মুগ্ধ করিয়াছেন ! ধন্যবাদ !

১৩| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৩

রাশিয়া বলেছেন: ব্যাফুক ধইন্যা!!! এইবার চৌবাচ্চা নিয়ে একখানা পোস্ট প্রসব করুন। মানুষের জীবনে চার বাচ্চার গুরুত্ব নিয়াও আলু চনা'র দাবি থাকিল। তার বাদে কর্ম সমাপ্ত করাতে পুরুষ, নারী ও বালকদিগের শারীরিক সক্ষমতার তুলনামূলক আলোচনাও আসিতে পারে।

০৩ রা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ব্যাফুক ধইন্যা!!! এইবার চৌবাচ্চা নিয়ে একখানা পোস্ট প্রসব করুন।

ওরে বাবারে ! ঐটা তো আরেক প্যারা ! একটা নল ছোট তো আরেক নল বড় ! একটার আগা মোটা , আরেকটার গোড়া চিকন ! কোনটায় বাহির হইবে আর কোনটায় প্রবেশ করিবে ইহা লইয়া গিট্টু লাগিয়া যাইতো ! আচ্ছা কন , চৌবাচ্চায় এতোগুলান নলের দরকার আছে ? যারা এই অংক বানাইছে হেগো মাথায় খালি গিট্টু , তাই আমাগো মাথাতেও গিট্টু লাগাইয়া দিছে ! :D

মানুষের জীবনে চার বাচ্চার গুরুত্ব নিয়াও আলু চনা'র দাবি থাকিল। তার বাদে কর্ম সমাপ্ত করাতে পুরুষ, নারী ও বালকদিগের শারীরিক সক্ষমতার তুলনামূলক আলোচনাও আসিতে পারে।


মানুষের তো নল অনেকগুলান !এইডা লইয়া আলুচনার সাহস নাই ! ওই গিট্টুর মধ্যে পড়িতে চাহি না ! আপনার মাথায় যদি জিলাপির প্যাঁচ থাকে একটু চেষ্টা করিয়া দেখুন না ! আমি হাততালি দিতে রাজি আছি ! ;)

১৪| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বানর কি জানে সে তাকে নিয়ে বাংলাদেশের নর- রা এই রকম কঠিন অংক তৈরি করে ফেলেছে।
বানর কে নিয়ে এই জাতীয়অংক বানানোর পূর্বে বানরের নিকট থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া দরকার ছিল।

০৩ রা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমার মনে হয় কোন জিনিয়াস বৈজ্ঞানিক , অংকবিশারদ বান্দরই গবেষণার অংশ হিসেবে এই আকাম করিয়াছে ! Planet of the Apps দেখেন নাই , বান্দর কেমন বুদ্ধিমান ! :D

মনুষ্য প্রজাতি এতো ক্রিটিকাল, নিষ্ঠুর হইবে ইহা বিশ্বাস হইতে চাহে না ! যদি মনুষ্য প্রজাতি এই আকাম কইরা থাকে তাইলে প্রাণী অধিকার লইয়া যাহারা হেদিয়ে মরে তাহাদের ইহা লইয়া প্রতিবাদ করা উচিত ! বাঁশে তৈল মাখা নিষিদ্ধ করা উচিত ! :P

১৫| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:০২

আহমেদ জী এস বলেছেন: টারজান০০০০৭ ,




গনিতে যে আম্নে যে ব্যাফুক দুব্বল হেডা তো নিকেই বোঝা যায়! সংখ্যার বাম পাশে শূন্যের কোন দাম নাই হের পরেও চাইরডা শূন্য দিয়া ৭ লেইক্ক্যা নামের পিছনে ল্যাজ ঝুলাইছেন। ৭ই যহোন ল্যাকপেন হেলে ৭টা শূন্য দিলেও না হয় বোজতাম .. :(
তৈলের কতা লৈয়া কেডা ত্যাল দিছে হেডাই দ্যাকলেন, ত্যালডা কি সৈরষার ত্যাল নাহি নাইরকেল ত্যাল নাহি সয়াবিন না পাম ত্যাল হেডা মাতায় ঢোকে নাই ? অংক পারবেন কেম্মে ? :P

আসলেই ছেলেবেলার এই তৈলাক্ত বাঁশের অংক সহ দুধে পানি মেশানোর অংকগুলো কে বা কারা, কেনই বা আবিষ্কার করেছিলো; আপনার এই পোস্ট পড়ার পর এটা মাথায় গেড়ে বসেছে।

সুন্দর রম্যের আড়ালে জীবন দর্শনের কথা বলে গেছেন।

০৩ রা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৩৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: গনিতে যে আম্নে যে ব্যাফুক দুব্বল হেডা তো নিকেই বোঝা যায়! সংখ্যার বাম পাশে শূন্যের কোন দাম নাই হের পরেও চাইরডা শূন্য দিয়া ৭ লেইক্ক্যা নামের পিছনে ল্যাজ ঝুলাইছেন। ৭ই যহোন ল্যাকপেন হেলে ৭টা শূন্য দিলেও না হয় বোজতাম .. :(

কি আর কমু , অংকে যে ভোলানাথ আছিলাম তাহা তো অস্বীকার করার উফায় নাই ! হের্ লাইগ্যাই তো কাহু আমারে লিলিপুটিয়ান কয় ! আফনে তো দেহি বমাল ধরা খাওয়াইয়া দিলেন ! আফনে শত্রুপক্ষের কিনা বুঝতাছি না !

ডান পাশে শূন্য দিলে যে ব্যাকবেঞ্চেরও শ্যাষে চইলা যাইতে হইবেক সে খিয়াল আছে ? বোঝা যাইতাছে চিকন পিনের চার্জারের মতন চিকন বুদ্ধি আফনের নাই ! আফনেও কি আমারই মতন লিলিপুটিয়ান নাকি ?

তৈলের কতা লৈয়া কেডা ত্যাল দিছে হেডাই দ্যাকলেন, ত্যালডা কি সৈরষার ত্যাল নাহি নাইরকেল ত্যাল নাহি সয়াবিন না পাম ত্যাল হেডা মাতায় ঢোকে নাই ? অংক পারবেন কেম্মে ? :P

হইলো না ! ঐডা আছিল সান্ডার তৈল ,গুলিস্থান হইতে কেনা ! বোঝেনই তো কেন কই নাই ! পোলাপাইন আছে না ! গোপন কথা কইয়া ফেলিলাম ! মডুরে আবার কইয়েন না য্যান !!

আসলেই ছেলেবেলার এই তৈলাক্ত বাঁশের অংক সহ দুধে পানি মেশানোর অংকগুলো কে বা কারা, কেনই বা আবিষ্কার করেছিলো; আপনার এই পোস্ট পড়ার পর এটা মাথায় গেড়ে বসেছে।

সেইটা তো হইলো একটা বিষয় ! কিন্তু এপ্লাইড ম্যাথমেটিক্সে এই অংকগুলান কেমতে পরীক্ষা করিবে তাহা ভাবিলেই আমার মাথা ঘোরে ! ভাবেন তো , বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বাঁশে তৈল মাখিয়া বান্দররে উঠাইতে চেষ্টা করিতেছে ! হে হে হে !

সুন্দর রম্যের আড়ালে জীবন দর্শনের কথা বলে গেছেন।

ধন্যবাদ !

১৬| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১৯

জুন বলেছেন: টারজান উপরের মন্তব্য দুটো মুছে দিন কেমন ?
নতুন করে লিংক দিলাম এবার না হলে আর কিচ্ছু করার নাই /:)
অংক আতংক !!

০৩ রা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৪৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পড়িলাম ! ভোলানাথ মাইয়া হইলে কি নাম হইতো তাহাই খুজতাছি ! :D

১৭| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৩

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া আমি কি টারজান নাকি যে আমার বন্ধু বান্দর হবে?? তুমি টারজান কাজেই বান্দরের আশে পাশে তোমারই থাকার কথা। যাইহোক তোমাকে একটা অংকের গল্প বলি-
অঙ্ক নিয়ে হাসাহাসি:)
২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৫০
গল্পের নাম মামির বাড়ির আবদার

ছোটভাই গোবর্ধন, দাদা হর্ষবরধন ও বৌদি শহরে মামাবাড়ি যাবার পরিকল্পনা করেন ।একশো টাকার একটি নোট নিয়ে তারা নিশ্চিন্তে রওয়ানা দেন শহরের উদ্দেশ্যে। ছোটভাই সন্দিহান হন টাকার অংকটাতে। জিগাসা করে "এতে কুলোবে কিনা? "

বড়ভাই প্রীত মুখে জানায়, ঢের চলবে। একশো টাকা ও বাকী খুচরো খাচরা মিলিয়ে চাইলে এই টাকায় মামা বাড়ি নয় শুধু মামির বাড়িও ঘুরিয়ে আনতে পারবেন তিনি তাদেরকে। :)গোবরা তো শুনে অবাক! মামির বাড়ি আবার কি? মামা আর মামি কি আলাদা জায়গায় থাকেন নাকি?
বড়ভাই ধমক দিয়ে ওঠেন এই মামি সেই মামি নয় রে মুখ্যু। এই মামি হলো সেই মামি যেই মামির মামা নেই। মামা থাকেনা।
ভাইএর বোকামীতে বিরক্ত হয়ে ওঠেন হর্ষবর্ধন, বলেন "এই মামি হলো মামার মামি না মিশরের মামি। "
গোবরা তো আবারও অবাক ! মিশর আবার কেটা? এই মামার নাম তো জীবনে শুনিনি।
বড়ভাই বুঝ দেন আবারও মিশর কোনো মামা নয় । যাদুঘরে থাকে এই মিশরের মামি। সেই মামিই তিনি দেখাবেন তাদেরকে।
যাদুঘরে গিয়ে মিশরের মামি দেখে তো গোবরার বৌদি আর গোবরা হতবাক। বৌদি বলেন,"ওমা এই তোমার মামির ছিরি! ছি ছি । "
ভাই বুঝ দেয় আবারও, মরা যে ।অনেকদিন আগেই মারা গেছেন । মারা গেলে কি আর চেহারা ঠিক থাকে বলো?
মামির গায়ে একটা টিকেট লাগানো ছিলো B.C 2299 গোবরা তার পন্ডিৎ দাদাকে জিগাসা করে । এটা কিগো দাদা? কিসের নম্বর?
দাদা বিগ্গ চালে বলেন। এটাও বুঝিসেন হাঁদা? যে মোটর চাপা পড়ে মেয়েটি মরেছিলো এটা সেই মোটর গাড়ির নম্বর।
বৌদি হা হা করে ওঠে, আহা মোটর চাপা পড়ে মরেছিলো বুঝি মেয়েটা? এই জন্য কত করে বলি তোমাদেরকে দেখে শুনে পথ চলতে। তাই যদি এই দেখে তোমাদের শিক্ষা হয় একটু।
এমন সময় যাদুঘরের এক কর্মচারী এসে বলেন "মশাই সিগারেট টা নিবিয়ে ফেলুন।"
হর্ষবর্ধন ক্ষেপে ওঠেন, "কেনো বলুনতো? নিজের পয়সায় খাচ্ছি আপনার পয়সায় নয়। মামা বাড়ি আই মিন মামি বাড়ির আবদার নাকি?"
হ্যা মশাই তাই মামির ঘরে সিগারেট খাওয়া নিষেধ।
কেনো খেলে কি হয়? গোবরা জানতে চায়।
কর্মচারীর উত্তর, খেলে জরিমানা হয়। পন্চাশ টাকা।সামনেই নোটিস ঝুলছে দেখছেন না?
সত্যি ওরা তাকিয়ে দেখে দেওয়ালে নোটিস ঝুলছে। তাই বলে সবে ধরিয়েছে সিগারেট নেবানো তো যায়না। যাইহোক একশো টাকার নোটখানি ধরিয়ে দেন হর্ষবর্ধন করমচারীর হাতে। এই নিন জরিমানা। পন্চাশ টাকা ফেরৎ দিন।

কর্মচারী গরীব মানুষ, তায় অফিস ঘরেও এত টাকা জমা নেই। এখন পন্চাশ টাকা পাবেন কোথায়? তাইতো মহা চিন্তায় পড়লেন হর্ষবর্ধন । শেষ মেষ গিন্নিকে বললেন আরো একখানা সিগারেট ধরাতে। তাহলে পন্চাশে পন্চাশে একশো হয়ে যাবে । সমস্যার সমাধান।গিন্নির রাজী হলেন না বরং তার মুখ ঝামটি খেয়ে কর্মচারীকে আরেকখানা সিগারেট ধরিয়ে দিয়ে পন্চাশ দুগুনে একশো টাকা পুরন জরিমানা দিয়ে বেরিয়ে আসলেন তারা।
এদিকে শেয়ালদা ষ্টেশনে এসে পকেট উলটে পালটে তিনজনের টিকেটের পয়সা যোগাড় হয়না। যা সব টাকা তো যাদুঘরেই খুইয়ে এসেছেন। এপকেট ওপকেট হাতড়ে শেষ পর্যন্ত যোগাড় হল একটি হাফটিকেটের পয়সা। তা দেখে গোবর্ধন নিশ্চিন্তে বললেন ওতেই হবে। গিন্নী আর গোবরা কপালে চোখ তোলে। হর্ষবর্ধনকে দেখা যায় তবুও নিশ্চিৎ।

বলেন তিনি, "কোনো চিন্তা করোনা অংকের জোরে চলে যাবো।" আরো গরব করে বলেন তিনি "অংকের মাথা থাকলে এভাবেই যাওয়া যায়।" তারপর একটা খালি কামরা দেখে উঠে বসেন রেলগাড়িতে। গোবর্বধন বলেন ভাই ও বৌ এর উদ্দেশ্যে, "তোমরা বেন্চির উপরে বস নাগো। বেন্চির তলায় ঢুকে যাও। আমি কেবল একলা বসবো বেন্চির উপরে।"

গিন্নী খেকিয়ে ওঠেন । "কেনো তুমি কি লাট সাহেব?"

গোবর্ধন বিরক্ত হন, "আবার এসব কি কথা? টিকেট কই তোমাদের ?
বিনা টিকেটে যেতে দেখলে চেকার এসে জেলে ঢুকিয়ে দেবে। যাও ঢুকে পড় ঝটপট বেন্চের তলে।"

জেলের ভয় দেখিয়ে তিনি ভাই আর বৌকে বেন্চের তলায় ঠেলে দেন।
নিজে বসেন গ্যাট হয়ে বেন্চের উপরে । গাড়ি ছেড়ে দেয়। কয়েক ষ্টেশন যেতে চলতি গাড়িতেই চেকার ঢোকেন। বলেন, "টিকিট দেখি।"

হর্ষবর্ধন হাফ টিকিট দেখান।
"হাফ টিকেট ! একি! " চেকার তো অবাক!
"এত বুড়ো ধাড়ি হয়ে হাফ টিকেটে যাচ্ছেন মশাই? লজ্জা করেনা?"

কেনো যাবোনা? হর্ষবর্ধন প্রতিবাদ করেন । যাচ্ছি তো অংকের জোরেই । অংকের জোরেই যাচ্ছি।
"অংকের জোরে? সে আবার কি ? বুঝলাম না।"

"অংকের মাথা থাকলে তো বুঝবেন? বেন্চির তলায় তাকিয়ে দেখুন না বুঝবেন তাহলে। :P "


দেখছো বুদ্ধি থাকলে এমন করে অংক কষে ফেলা যায়। চাঁদগাজী ভাইয়া মনে হয় হর্ষবর্দনের বংশধর.... তাই সবখানেই তার অংকের জোর খাটিয়ে যায়.... :)

০৩ রা জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: তা যা বলেছেন ! কাহু সঞ্জীব চ্যাটার্জির ক্যারেকটার ! :D

১৮| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ভালোই বলেছেন । আমরা জাতি এমন

০৩ রা জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ঠিকই ! আমাদের বাঁশে তৈল মাখার লোকের অভাব নাই ! :(

১৯| ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১১:১৩

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা.............. সেই অংকের প্যারেশানির কথা মনে কইরে দিলেন।

মোটিভেশান ডায়ালগে +++++++

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পেরেশানি মানে পুরাই প্যারা শনি ! আমার মনে হইতো বান্দরের লেজ ধইরা টাইন্যা নামাইয়া দেই ! তাইলে অংকের সুবিধা হয় ! এতবার ওঠা-নামার দরকার কি ? এই অংক যেই ব্যাডায় লেখছে হেয় ব্যাডায় যে কি পিছলা আছিল , বাঁশে তৈল মাখা দেইখা অনুমান করা যায় ! বিটলা !

২০| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫১

রাকু হাসান বলেছেন:




হাহহাহা আমার প্রশ্ন এই ছবি কোথায় পাইলেন ? B-)) ফটোগ্রাফার কে জানতে মন চাচ্ছে। ঐতিহাসিক। :D
সফলরা বাঁশের আগায় থাকে B-)) হাহাহাহহা -কথা তো দেখছি ঠিক । তৈলাক্ত বাঁশের অংক দিয়ে এত সুন্দর লিখে ফেললেন । জিনিয়াস ম্যান । :P

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ফটোগ্রাফাররে আমিও প্রাইজ দিতে চাই ! বান্দর বাঁশের আগায় বসলো কেমতে এইডা নিয়াও রচনা হইতারে ! :D

সফলদের মনে পাইয়া হারানোর ভয় থাকে , সকলেই তাহাদের বাঁশের আগায় রাখিতে পছন্দ করে কিনা ! আইক্যাআলা বাঁশের আগায় কে ভালো থাকিতে পারে, কন? :(

কি যে কন মিঞা বাই !! জিনিয়াসরা থাকেন কাহুদের পাড়ায় ! বাংলাদেশে যাহারা থাকেন তাহারা সবাই লিলিপুটিয়ান ! আমি আবার লিলিপুটগো মধ্যেও লিলিপুটিয়ান !! :P

২১| ০১ লা জুলাই, ২০২০ রাত ১০:১৮

সত্যপীরবাবা বলেছেন: শুধু তেল ই না, গাছের গর্তে খরগোশও কাগুই রাখসিল।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কথা হইতেছিল তৈল লইয়া ! আফনে আবার খরগোশ আইন্যা গিট্টু লাগাইতেছেন কেন ভাইডি !

কাহুর নামে অপবাদ সহ্য করা হইবে না ! আগামীকাল হরতাল ! :D

২২| ০৩ রা জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫৮

শায়মা বলেছেন: শিবরামের গল্প ভাইয়া........।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ওহহো ! শিব্রামেরই ! সমগ্রে এতো গল্প , মনে থাকে না !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.