| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ও মেয়ে! তোর বন্ধু বুঝি হয়?
বেশতো ছেলে, চালতা পেরে দেয়!
এ্যাত্তো মায়া কই থেকে ওর আসে?
ওই ছেলেটা বড্ড ভালোবাসে!
তোর দুখেতে আকুল হয়ে কাঁদে,
লাল ঘুড়ি আর নীলচে চুড়ি সাঁধে।
তোর সুখেতে নিখাঁদ খুশি হয়,
ও আছে তো! তোর কীসের আর ভয়?
ও ছেলে খুব বন্ধু বুঝি তোর?
দু’জন তোরা ঠিক যে মানিকজোড়!
সেতো আমার বন্ধু নাইকো আর!
বন্ধু না থাক, শত্রু চমৎকার...
কী ছাই বলিস, সেও কখনও হয়?
বন্ধু না থাক, শুভার্থী নিশ্চয়!
শুভার্থী না, সত্যি শত্রু হয়!
আমার সকল অনিষ্ট সে চায়।
কেমন করে এমন হলো বল?
প্রাণের সখা কেমনে হয় রে খল?
‘পুরুষ’ যখন বন্ধু হতেও যায়
বন্ধু যাহোক, ‘পুরুষ’ বেশি রয়,
সে বন্ধুত্ব এমনি করেই বাড়ে
নারীর উপর ‘পুরুষ অধিকারে’।
যেটুক সময় নিজস্ব সম্পদ
সে সময়ই থাকবে মহব্বত।
একটু যদি পান থেকে চুন খসে--
কিংবা হয়তো নেই তুমি তার বসে,
সেই সময়ই দেখবে আসল রূপ,
সে কিছুতেই থাকবে না নিশ্চুপ।
এমন কাণ্ড ‘পুরুষ’ হলেই ঘটে
দেখবে কতো নিন্দা মন্দ জোটে।
‘পুরুষ’ বাবা-প্রেমিক-স্বামীর মতো
ঘেন্না করি ‘পুরুষ’ বন্ধু যতো।
[কবিতায় ব্যবহৃত পুরুষ শব্দটি আমাদের মনোজগতে বিরাজিত আধিপত্যশীল পিতৃতান্ত্রিক মননকে বোঝাতে ব্যবহৃত। বলে রাখাটা জরুরী, এমন ছেলে বন্ধু আমার আছে যারা এই মনোগঠনের বাইরে দাঁড়াতে চেষ্টা করে এবং দাঁড়ায়।
২|
২৬ শে জুন, ২০১৪ সকাল ১০:১৯
তানজিনা ফেরদৌস তাইসিন বলেছেন: ধন্যবাদ রাসেড হাসান..
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৫
রাসেড হাসান বলেছেন: ভাল,লাগল