নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলার কথা

বাংলা আমার প্রাণ

তৌহিদ তুলন

আমি বঙ্‌গালি

তৌহিদ তুলন › বিস্তারিত পোস্টঃ

খেলোয়াড়রা কি ব্যাক্তিগত ক্রিকেট খেলছেন না??

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৬

আমরা সবাই অনেক খুশি বাংলাদেশের বর্তমান পারফর্মেন্সে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অসাধারন খেলে টেস্টে সিরিজে জয়ের পর প্রথম দুটি ওয়ানডেতেও জয়ের স্বাদ নিয়েছে টাইগাররা। প্রতিপক্ষ যখন জিম্বাবুয়ে তখন ফলাফলটা টাইগারদের পক্ষে খাকবে এমনটাই কোটি দর্শকের প্রাণের আশা। কন্ডিশন যকন দেশের মাটি তখন জয়টা ভক্তদের দাবি। বলাই বাহুল্য যে সেই দাবি আমাদের কিকেটাররা পূরন করছেন।

তবে জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফরে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ব্যাটসম্যান দের খেলা দেখে মনে হলো তাঁরা অনেকটাই ভীত। এর কারন কি হতে পারে?? আমাদের টাইগার ব্যাটসম্যানরা কি তাহলে জিম্বাবুয়ের বোলিং ভয় পাচ্ছে??? নাকি তাঁদের এই বয় ইঙ্গিত দিচ্ছে অন্য কোনো বিষয়ের উপর??

আমার ব্যাক্তিগত প্রশ্ন খেলোয়াররা কি এখন ক্রিকেট খেলছেন নিজেদের জন্য? তাঁদের মাথা ব্যাথার কারন কি এখন দলে যায়গা ধরে রাখা?

আপনারা বলতে পারনে কেন এই প্রশ্ন। আমার এমন প্রশ্ন জাগার কারন কারন হলো তামিম ইকবাল সাহেব এবং এানামুল হক বিজয় সাহেবের দায়িত্বপূর্ন ব্যাটিং দেখে। খেলার কোন এক সময় মনে হচ্চিলো আইসিসি বোধয় রঙ্গিন পোশাকে টেস্ট খেলা চালু করেছে। দল যখন শক্ত অবস্থানে তখনও এনামুল হকের একের পর এক ডিফেন্সি শট অনেকটা চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলো আমায়। একই অবস্থা তামিম ইকবাল সাহেবেরও। তখন ২৭ ওভার খেলা শেখ। স্কোর বোর্ডে জমা হয়েছে ১০৭ রান। রান রেট ৩.৯৬। যখন সেট ব্যাটসম্যান এর কাছ থেকে দল আরও ভালো কিছু আশা করতে শুরু করেছে, যখন তাদের ঘাড়ে সত্যিকার অর্থেই রানের গতি বাড়িয়ে দেবার দায়িত্ব ঠিক তখনই তরা সাজঘরে ফিরছেন তাও চুল ঠিক করতে করতে যাতে আগমীকালের পত্রিকায় ভালো ছবি আসে। এমন সময় তাঁদের কি এমন দায় বধ্ধতা ছিলো যে তাঁরা বড়ো শট খেলছিলেননা? নিজের ৫০ বা ১০০ রানের মাইল ফলক শ্পর্শ করার জন্য দলীয় স্বার্থ বিসর্জন দেয়া টা কি ক্রিকেটের ধর্ম?? আমার মনে হয় না । যখন দলের জন্য ওপেনারদের বড়ো শট খেলে স্কোর বোর্ডে রান যোগ করা জরুরী তখন দেখা গেল এনামুল হক বিজয় সাহেবের অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ন ব্যাটিং। তিনি ১১০ বল খেলে শেষ পর্যন্ত ৮০ রান করেছেন। যাতে তাঁর স্ট্রাইকরেট ৭২.৭৭। বাহ বাহ এ তো অনেক ভালো। বাংলাদেশের মত দলের নিজের যায়গা পাকা করার জন্য যথেষ্ট। । আর এই হল প্রধান কারন। আঙ্গে মশাই হ্যা। দলের অবস্থা বুঝে ক্রিকেট খেলে কি লাভ ভাই? তাতে আমি কি পাবো? আমার দরকার ব্যাক্কিগত রান। যাতে আমি নিশ্চিত হতে পারি আমি দলে থাকছি। আর এমন ব্যাক্তিগত ক্রিকেট যারা খেলছেন আমাদের দেশের এই ক্রিকেটকে ধ্বংষ করতে তারাই যথেষ্ট। তবে আমাদের দলে এমন খেলোয়াড়রায় রয়েছেন যারা দেশের জন্য খেলেছেন। আর তাঁদের জন্যই আজও কিছু অবশিষ্ট রয়েছে।

আর দলে স্বজন প্রিতী উপচে পড়ছে বলে মনে হচ্ছে। মামা, চাচা, খালা, ফুফু ছাড়া যে দেশে চাকরি হয়না সে দেশে ক্রিকেটটিম হবেই বা কি করে??????? কেই জাতীয় লিগে ভালো করেও ১৫ জনের দলে নেই। আবার কেউ লাগাতার খারাপ করেও মূল একাদশে বসে রয়েছেন নিশ্চিত ভাবেই। এমন অবস্থায় জাতি কিই বা চাইতে পারে ??

আমাদের টাইগারদের যা পারফমেন্স তা হয়তো জিম্বাবুয়ের মত দলকে হারাতে যথেষ্ট তবে এই পারফমেন্স কতটুকু ফল দেবে আগামী বিশ্বকাপে তা চিন্তার বিষয়। তবুও ক্রিকেটের ভক্ত আমরা বাঙ্গালি।আমাদের আশার কোন শেষ নেই। আমি নিশ্চিত অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে এই দল মুখ থুবড়ে পরবে। তবুও আশা করি সাথে দোআ করি ভালো কিছু দেখার।

জয় হক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের। জয় হোক বাংলাদেশ ক্রিকেটের। :)

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩১

ভিটামিন সি বলেছেন: লিখেছেন ভালোই। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটু বেশি বোঝে ফেলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.