| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কি দেখার ছিলো কি দেখছি!
পরে বলবো ...
void(1);সময়ের কণ্ঠস্বর :’জামায়াতের বিরুদ্ধে সাক্ষী হননি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ২০ বুদ্ধিজীবী’ ! শিরোনামে একটি লিখায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সহ ‘তোলপাড়’ শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলোতে ।অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের এই ২০ বুদ্ধিজীবীর ‘দেশপ্রেম’ ও মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ।
শওকত খান নামের একজন ব্লগার মন্তব্য করেছেন ‘ ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার ও আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার এর ব্যাপারটা আমাকে অবাক করেছে। জাফর স্যার এর সাক্ষী না হওয়ার সুস্পষ্ট কারনটা অজানা। এটা আমাকে নাড়া দিয়েছে। আসল কাহিনী হয়তো কখনো প্রকাশ পাবে। কিন্তু তালিকার বাকিদের ব্যাপারে আমার কোনো আগ্রহ নাই। তাদের রং বদলাতেই পারে।’
নুর নবী দুলাল নামের অন্য একজন ব্লগার লিখেছে ‘কি বলব ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা। পুরাই হতবাক! ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের দোষ দিয়া আর কি লাভ? জামায়াত-রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে আমরা যাদের উপর আস্থা রাখি, তাদের এই ধরনের নৈতিক স্খলন সত্যিই আমাদেরকে হতাশ করে। তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাস ও ভালবাসা’কে যারা বৃদ্ধাঙ্গলী দেখায়, তাদেরকে শ্রদ্ধা করাটা অনেক কঠিন হয়ে যায়। বিশেষভাবে জাফর ইকবাল স্যার, আবদুল্লাহ আবু সাইয়িদ স্যারের মত তরুণদের আইকনগুলোর থেকে আমরা এই আচরণ আশা করি না।
শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত জলবায়ু তহবিল থেকে নিজের এনজিওর নামে ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান
বিষয়টি তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। এনজিওগুলোর ধান্ধাবাজি বন্ধ হওয়া উচিত।
আর ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য ও ড. কামাল হোসেনের মত আমেরিকার দালালদের থেকে আমরা এরচেয়ে বেশী আশা করা উচিত হবেনা। মতিউর রহমান গংদের কথা কি আর বলব? এদের বুদ্ধিজীবি নামের বেশ্যাবৃত্তি সম্পর্কে আমাদের কারোই অজানা নয়।
টক’শো-তে সুজনের বদিউল আলমের গনতন্ত্রের নামের ভন্ডামী এখন পাবলিক খায় না।
দেশের এই নষ্ট হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর চাওয়া না-চাওয়ায় কিছু যায় আসে না। আমরা সাধারণ মানুষ চাই ‘জামায়াত’কে নিষিদ্ধ করা হোক।’
অন্য একজন ব্লগার লিখেছেন,’ সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে যাবে
আসলেই আমাদের সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে যাচ্ছে। হুমায়ুন আজাদ স্যারের এই উক্তিটি যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন প্রযোজ্য হবে।
———————–
দেশটা চলছে মেইল ট্রেনের মত’
সময়ের কণ্ঠস্বর এর পাঠকদের জন্য নিচে সূত্র সহ আলোচিত সেই লিখাটি হুবুহু প্রকাশ করা হলো : মুল লিংক http://istishon.com/node/7927
‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জামাত ইসলাম পাকিস্তান শাসকগোষ্টির পক্ষে অবস্থান নিয়ে গণহত্যায় অংশ নেয়। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এখনো ক্রিয়াশীল। এ কারণে জামাত ইসলামকে নিষিদ্ধের বেশ জোরালো দাবি রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলে দেশের সব বুদ্ধিজীবীই বলেছেন যে, জামায়াতেরও বিচার হতে হবে। উদাহরণ হিসেবে সামনে ছিল ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে জার্মান নাৎসি পার্টিসহ চার সংগঠনের নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা। শেষ পর্যন্ত যখন জামাতের বিষয়ে মামলা টেবিলে উঠছে তখনই বেঁকে বসলেন মুখে সারাক্ষণ খই ফোটানো বুদ্ধিজীবীরা! সবাইকে অবাক করে দিয়ে ড. জাফর ইকবাল, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের মতো প্রখ্যাত মৌলবাদ বিরোধী লেখকেরাই জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষি হতে রাজী হননি।
প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ১২০ জন দেশী ও বিদেশী বুদ্ধিজীবীর তালিকা করা হয় জামায়াত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হবার জন্য। এর মধ্যে ৭০ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দেশের বাইরে ও দেশের ভেতর থাকা ৫০ জন বুদ্ধিজীবী এ মামলায় সাক্ষি হতে রাজি হয়েছেন। বাকি ২০ জন সাক্ষি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন।
সুশীল হিসেবে স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীদের এই অংশের মধ্যে যাদের নাম রয়েছে, তারা সকলেই জামাত বিরোধীতা করে কম বেশি খ্যাতি কামিয়েছেন। মৌলবাদ বিরোধী হিসেবে সমাজে তাদের সুনাম আছে। এই সুনামকে কাজে লাগিয়ে তারা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন আমলের সরকারের কাছ থেকে কমবেশি সুযোগ সুবিধাও হাসিল করেছেন।
ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল : ‘তোমরা যারা শিবির কর’ খ্যাত জামাত বিরোধী, মৌলবাদ বিরোধী বিশিষ্ট লেখক ও বিজ্ঞান আন্দোলক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল জামাতের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী হতে রাজী হননি। কোটি তরুণ-তরুণীর অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব ড. জাফর ইকবালের পিতা ১৯৭১ সালে রাজাকারদের হাতে জীবন দেন। জামাত শিবিরের নৃসংশতা বিরুদ্ধে নিরন্তর লিখে চলেছেন তিনি।
কিন্তু যখন ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ সংগঠনের দায়ে জামায়াতকে নিষিদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার সাক্ষী হওয়ার জন্য তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয় তখন তিনি জামায়াত নিষিদ্ধের মামলার সাক্ষি হতে চাননি। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের কাছ থেকে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের অধীনে বেতন পান তিনি। তার মৃত বড় ভাই হুমায়ুন আহমেদকে সরকার অর্থ সাহায্য দিতো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এই হলো চেতনাজীবী মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।
প্রসিকিউটররা তাকে বুঝিয়েছেন যে, এই মামলায় সাক্ষী হতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার কোনো ব্যাপার নেই। জামাতের বিরুদ্ধে আপনাকে অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে না। আপনি জামাতের তৎপরতা ও আদর্শিক দিক ব্যাখ্যা করে এটা প্রমাণ করবেন যে, এরকম একটা দলের, আদর্শের রাজনীতি নিষিদ্ধ করাটা দরকারি। এতকিছু বুঝানোর পরেও জাফর ইকবাল পিতার খুনীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজী হননি বলে জানিয়েছেন একজন প্রসিকিউটর।
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ : সাদা মনের মানুষ। তাকে আমাদের দেশের তরুণ ও বয়স্করা সবাই সম্মান করেন। ১৯৭১ সালে যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখনও তিনি সাদা মনের মানুষ ছিলেন। ঢাকা কলেজে পড়িয়েছেন। আমাদের সব বুদ্ধিজীবীদের মেরে সাফ করলেও তিনি ঢাকায় দিব্যি আরামেই থেকেছেন। এসব নিয়ে আবার বইও লিখেছেন। এই সাদা মনের মানুষটি ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগান তুলে বই পড়ার আন্দোলন করছেন অনেক দিন ধরে। তার মতে, মানুষ বই পড়ে আলোকিত হয়ে যাবে। মৌলবাদ থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু সেই আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগরকে জামাত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হতে অনুরোধ করা হয়েছিলো। তিনি সাদা মনে তা ফিরিয়ে দিয়েছেন।
মতিউর রহমান : প্রথম আলোর সম্পাদক। এক সময় সিপিবির নেতা ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বাম পার্টি করার সুবাদে পড়ালেখা করে আসার সুযোগ পেয়েছিলেন। ফিরে এসে পার্টির পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক একতা’র হাল ধরেন। সে সময় ৫০ সিসির একটা মোটর সাইকেলে করে প্রিয় স্ত্রী মালেকা বানুকে (বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) নিয়ে পল্টনের অফিসে যেতেন। মাইনে সাকুল্যে ৩ হাজার টাকা। সেই মতিউর রহমান এখন অগাধ টাকার মালিক।
মতিউরকে সিপিবি বহিস্কার করেছে এরকম একটা তথ্য প্রচলিত আছে। তিনি পার্টির অভ্যন্তরীণ নানা গোপন তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের হাতে তুলে দিতেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি সিপিবিকে জানালেও তারা আমলে নেয়নি। কিন্তু মতিউর যখন স্বয়ং পার্টির জনপ্রিয় নেতা ফরহাদকে উৎখাতের চেষ্টা চালান, তখন তাকে বহিষ্কার করা হয়। সিপিবির অনেক অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে যোগ থাকায় দলটি মতিউরের বহিষ্কারাদেশ প্রচার করে না, এই মর্মে মতিউরও তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো তথ্য দেয় না।
সেসব অতীত ছাপিয়ে মতিউর এখন প্রথম আলোর সম্পাদক। তার নীতিকথার শেষ নেই। তিনি মৌলবাদ বিরোধী শক্তির অগ্রপথিক। তবে তার পত্রিকায় জামাত বিরোধী লেখালেখি খুব কমই চোখে পড়ে। তাকে যখন প্রসিকিউশন জামায়াত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হতে জানিয়েছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে প্রথম আলো গ্রুপের ভূমিকা বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ। এই পত্রিকার সম্পাদককে সাক্ষী হতে ডাকাটাই বরং আশ্চর্যের!
সাক্ষী না হতে চাওয়া এই তালিকায় আরো আছেন প্রথম আলো গ্রুপেরই আরেক দেশখ্যাত পত্রিকা ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, চ…. সম্পাদক খ্যাত দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট সুশীল ও মার্কিন স্বার্থের রক্ষক সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে সুশীলতা আওড়ানো সুজনের বদিউল আলম মজুমদার, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও মার্কিন ধারার বিশিষ্ট কূটনীতিজ্ঞ ড. কামাল হোসেন, শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত জলবায়ু তহবিল থেকে নিজের এনজিওর নামে ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, এবং বিশিষ্ট গান্ধিবাদী নেতা সৈয়দ আবুল মুকসুদ।
এই বুদ্ধিজীবীরা আসলে নীতিবাগিশ। জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষী হওয়ার ক্ষেত্রে তারা ভয় যতটা না পাচ্ছেন, তার চেয়েও বেশি ভয় পাচ্ছেন আমেরিকাকে। এরা সবাই মার্কিনপন্থী বুদ্ধিজীবী। মার্কিনিরা এদেশে জামাতকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে অনেক দিন ধরে। মার্কিন ধারার বুদ্ধিজীবীরা সেই কাজটি সহজ করার জন্য ভূমিকা রেখেছেন। নীতি কেবল তাদের মুখে, বাস্তবে তারা জাতীয় স্বার্থকে যে থোড়াই কেয়ার করেন তা এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো।
জামাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। দলটি জঙ্গিবাদের পেছনে অর্থায়ন করে। বিশেষত জামাত ইসলামের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছে খোদ দেশের সব ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এ দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলাম ছাত্র শিবিরের বিরুদ্ধে হত্যা, রগ কাটাসহ অভিযোগের শেষ নেই। জামাত ইসলাম ও ছাত্র শিবিরের এসব অপকৃতির পেছনের কারণটি হলো এ দলটির আদর্শ, তথা মওদূদীবাদ। দলের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ গোলাম আলা মওদূদীর নামেই এই আদর্শের নামকরণ।
ইসলামী চিন্তাবিদদের মধ্যে ভীষণভাবে বির্তকিত এই মওদূদী ১৯৪৭ সালে যখন পাকিস্তান ভাগ হচ্ছিলো তখন তার বিরোধীতা করে বলেছিলেন, এটা হলো নাপাকস্তান বা নোংরা জায়গা। তবে পাকিস্তান কায়েম হবার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ভোল পাল্টে পাকিস্তানকেই এশিয়ার সেরা মুসলিম দেশ হিসেবে প্রচার করতে থাকেন। সেখানকার ভিন্ন ধর্মালম্বীদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে শুরু করেন। এভাবেই ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে শিখ দাঙ্গা বাধিয়ে দেন শয়তানের এই সাক্ষাৎ শিষ্য। এ দাঙ্গায় বহু নিরাপরাধ সাধারণ মানুষ নিহত হয়। এ ঘটনার দায়ে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তার মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করেন। সে যাত্রায় মওদূদী বেঁচে যান সৌদি রাজার হস্তক্ষেপে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয় টয়লেটে চাপা পড়ে।
জন্মলগ্ন থেকেই গণবিরোধী অবস্থানের কারণে জামাত ছিল পাকিস্তানে একটি গণধিকৃত পার্টি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তারা তাদের নৃশংসতার ষোলকলা প্রদর্শন করে। নিরীহ জনগণকে হত্যা, ধর্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া, বুদ্ধিজীবী নির্মূল করাসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা তখন করেনি। দেশ স্বাধীনের পরও তারা এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। আর সন্ত্রাসী এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার মামলায়ই কিনা সাক্ষী হতে রাজী হলেন না দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবীরা! তরুণ প্রজন্ম এ প্রশ্নের উত্তর কার কাছে চাইবে?’
সূত্র http://www.somoyerkonthosor.com/news/71689
২|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ২:৪৮
মুন্তাসীর আর রাহী বলেছেন: আমি যতদূর জানি জাফর ইকবাক কে ট্রাইবুনালে ডাকাই হয়নি। এর কারন হচ্ছে তারা যুদ্ধের সময় পিরোজপুরে ছিল এবং সেখাঙ্কার স্থানীও না। এতে করে খুব বেশি মানুষকে তারা সরাসরি চিনতো না। তদন্ত কর্মকরতার কাছে তার এটুকু বলেছে। এরপর ট্রাইব্যুনাল এতো ভাসা ভাসা সাক্ষীর কারনে তাকে আর ডাকেনি।
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:৫১
কি দেখার ছিলো কি দেখছি! বলেছেন: আপনি যতদুর জানলেতো আর দিন চলেনারে ভাই -সত্য সত্যই
৩|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:২৭
ভুয়া প্রেমিক বলেছেন: @মুন্তাসীর আর রাহী
জাফর ইকবাল তো এমন ভাবে কথা বলেন যেন উনি অভিযুক্ত সকল যুদ্ধাপরাধীদের অত্যাচার নিজে চোখে দেখেছেন। আপনি বলছেন ভাসা ভাসা সাক্ষী??!! আপনি নিশ্চই জামার শিবির
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:৫২
কি দেখার ছিলো কি দেখছি! বলেছেন: ভালো বলছেন অরিজিনাল প্রেমিক
৪|
০৬ ই মে, ২০১৪ রাত ১:৫৩
উপপাদ্য বলেছেন: জামায়াত-শিবির কয়েকশ মিলিয়ন ডলার হান্দাইয়াছে্ ইজরেলী 'মোসাড' ও 'সিআইএ'কে। এখন জামাতিদের প্রিয় বন্ধু মোসাড ও সিআইএ হুমকি দিয়াছে পৃথীবির শ্রেষ্ঠতম শিক্ষক জাফর ষারকে যদি সাক্ষী দেন তাহলে ফিনিশ করে দেবে।
তা না হলে স্যার ঠিকই সাক্ষী দিতে যেতেন।
আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আবার সাক্ষী কিসের। পত্রিকায় মুত্তাসি মামুন ও মুরগী কবির কইছে এরা যুদ্ধাপরাধী ব্যাস ফাঁসী ফাঁসী ফাঁসী।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ২:৪২
হরিসূধন বলেছেন: এই ২০ জন মনে হয় আম্বালীগের তামাশা বুঝিতে পারিয়াছে বাকীরা বুঝিতে পারে নাই! অথবা অন্ধ আনুগত্য কিংবা রুপির ভাতায় সব কাত হয়ে গিয়ে ছিলো
যেটা বিচারপতি নাসিম কাইপ বলিয়া ছিলেন।