নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের কণ্ঠস্বর

আমার ছবি নাই , দেশের সম্ভাবনাময় একটি ছবি প্রোফাইলে দিলাম ।

কি দেখার ছিলো কি দেখছি!

পরে বলবো ...

কি দেখার ছিলো কি দেখছি! › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইডেনে তুচ্ছ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেত্রীদের 'তাণ্ডবে' বেধরক পিটুনির শিকার এক ছাত্রী

০৩ রা মে, ২০১৪ রাত ১১:৩৮

ভাইয়ারা ভয় পাইছি - পুরুষ ছাত্রলীগ হইলেও একটা কথা আছিলো - মহিলা ছাত্রলীগের তান্ডুব !!

খবরটা শুনছেন নাকি কেও



" রাজধানীর ইডেন কলেজে খাবার পানি নেয়াকে কেন্দ্র করে লিজা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেত্রীরা। লিজা কলেজের বাংলা বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী।

শুধু মারধর তাণ্ডব করেই তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি সেই ছাত্রীকে রাতেই হল থেকে বের করে দেয়ার জন্য সহকারী হল সুপারকে হুমকিও দিয়েছে।



শনিবার রাতে কলেজের জেবুন্নেচ্ছা হলে এ ঘটনা ঘটে।



কলেজ ও হল সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেবুন্নেচ্ছা হলের সামনে খাবার পানি নিতে যান হলের ২০৫ নম্বর রুমের লিজা আক্তার। সবাই লাইন বেঁধে পানি নিলেও তা না মেনে সবার আগে পানি নিতে চান একই হলের ৪১৫ নম্বর রুমের একছাত্রী। এতে বাধা দিলে লিজার সঙ্গে তুমুল তর্ক বাঁধে তার। এসময় তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যান ওই ছাত্রী।



ওই ছাত্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নার্গিস আক্তারকে বিষয়টি জানান। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নার্গিসের নেতৃত্বে দলবলে লিজার রুমে আসে এবং তাকে ব্যাপক মারধর করে।



বিষয়টি সহকারী হল সুপার আকলিমা খাতুন জানতে পেরে লিজাকে ছাত্রলীগ নেত্রীর পা ধরে ক্ষমা চাইতে বলেন বলেও অভিযোগ করেন লিজা । জানের ভয়ে লিজা রাজি হন। কিন্তু তাতেও সাধ মেটেনি ছাত্রলীগ নেত্রীদের।



নার্গিস আবারো এসে সহকারী হল সুপারের সামনে লিজাকে ব্যাপক মারধর করে। সেখানে থাকা লিজার রুমমেটরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালালে তারাও আহত হন।



পরে নার্গিস সহকারী হল সুপারকে এই বলে হুমকি দেন, ‘তাকে রাতের মধ্যে হল থেকে বের করে না দিলে আবারো হামলা হবে এবং কলেজে সবার ঘুম হারাম হয়ে যাবে।’



এ ঘটনার পরপরই হলের সব ছাত্রীরা ভয়ে তটস্থ হয়ে আছে। তাদের কেউই এ ব্যাপারে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না। এমনকি লিজাকে তারা কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতালেও নিতে পারছেন না ছাত্রলীগ নেত্রীদের ভয়ে।



এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী নার্গিস আক্তার বলেন, ‘আমিতো হলেই ছিলাম না। তাকে কেন আমি মারবো। এসব মিথ্যে অভিযোগ। বিষয়টি তো আমাকে সহকারী হল সুপারই জানালেন।’



সহকারী হল সুপার আকলিমা খাতুন বলেন, ‘মারধরের কোনো ঘটনাই এখানে ঘটেনি। দুই ছাত্রীর মাঝে একটু তর্ক হয়েছে মাত্র।

সুত্র - http://www.somoyerkonthosor.com/news/72944

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মে, ২০১৪ রাত ১১:৫০

একজন ঘূণপোকা বলেছেন:

কয়দিন পর শোনব গুয়ের ভাগ নিয়েও ছাত্রলীগ মারামারি করছে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.