নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কথায় নয়,কর্মে হোক পরিচয়

জাফরুল মবীন

Courtesy costs nothing but buys everything

জাফরুল মবীন › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘করোনা মহামারী’র পাশাপাশি চলছে ‘মানসিক রোগ মহামারী’-আমরা কতটুকু সচেতন?

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৯:১০


এখন বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী চলছে।আর এ মহামারী ঠেকাতে মানুষজনকে গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে।আবার ঘর থেকে বের হতে না পারার কারণে আয়-রোজগার করাও সম্ভব হচ্ছে না।করোনা পরবর্তী অবশ্যম্ভাবী অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে রয়েছে এক বিরাট আতঙ্ক।সর্বোপরি এ মহামারীর হাত থেকে কবে মুক্তি মিলবে এবং মানুষ তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে তা নিয়ে রয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।এসব বিষয় প্রত্যেকের উপর মানসিক চাপ বা (Mental stress) তৈরি করছে ।আর মানসিক চাপ হলো সকল মানসিক রোগের বা মানসিক সমস্যার ‘মা’।তাছাড়া সারা বিশ্বেই বিপুল সংখ্যক মানুষ নানা মানসিক রোগে ভূগে থাকেন,তারাও এসময় ঠিকমত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না।অবাক লাগলেও সত্যি যে করোনার প্রধান উপসর্গসমূহের মধ্যে মানসিক রোগের উপসর্গও রয়েছে যদিও অনেকেই এ বিষয়ে সচেতন নন।এমনকি আপাত উপসর্গবিহীন করোনা রোগিও নানা মানসিক সমস্যায় ভূগতে পারেন এবং রোগি সুস্থ হওয়ার পরও অনেক রোগি অনির্দিষ্টকালের জন্য মানসিক নানা উপসর্গে ভূগতে পারেন।সুতরাং ‘করোনা মহামারী’র পাশাপাশি ‘মানসিক রোগ মহামারী’ এখন এক কঠিন বাস্তবতা।করোনার মত বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই ‘মানসিক রোগ মহামারী’ শুরু হয়ে গেছে। কিছু কিছু খবর মিডিয়াতে আসতেও শুরু করেছে যেমন-

যুক্তরাষ্টে মানসিক স্বাস্থ্য হটলাইনে কল বেড়েছে ৮৯১%- সিএনএন

করোনা আতঙ্কের জের-এক ধাক্কায় ২০% বেড়েছে মানসিক রোগ-সংবাদ প্রতিদিন,ভারত

ইটালিতে করোনায় নতুন বিপদ-বেড়েছে মানসিক রোগ-সময় সংবাদ

Coronavirus Pandemic Takes Toll on Mental Health –Wall Street Journal

Coronavirus- Profound & mental health impact prompts calls for urgent research- BBC

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ববহ শিরোনামটি করেছে ‘এবিসি নিউজ’।দেখুন তাদের হেডলাইন
Mental health toll of coronavirus to create ‘second wave’ of pandemic, experts warn-ABC News

অর্থাৎ বিশ্বব্যাপি ‘মানসিক রোগ মহামারী’ শুরু হয়ে গেলেও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়ে তেমন আলোচনা বা তোড়জোড় দেখছি না।আমার মনে হয় এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা করা এবং সচেতন হওয়া জরুরি।সেই সাথে রাষ্ট্রেরও ঘুম ভাঙ্গানো দরকার।মানসিক রোগের ব্যাপ্তি অনেক বড় বিধায় পোস্টের দৈর্ঘ্য পাঠকদের ধৈয্যসীমার মধ্যে রাখতে প্রধান প্রধান মানসিক রোগ বা সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।চলুন আলোচনা শুরু করা যাক-


খাপ খাওয়ানো জনিত অস্থিরতা বা Adjustment Disorder : পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে না পারাজনিত যে অস্থিরতা তৈরি হয় তাই সাদামাটাভাবে অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার।লকডাউনের অভিজ্ঞতা আমাদের ছিলো না।হঠাৎ করে দীর্ঘ ও অনিশ্চিত মেয়াদের লকডাউনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের প্রত্যেকেরই নানাবিধ মানসিক সমস্যা হচ্ছে।যাদের সমস্যটা প্রকট অর্থাৎ যারা এর কারণে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বা তাদের কারণে তাদের পরিবার বা সমাজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তাদেরটাকেই অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।অস্থিরতা লাগা, মন খারাপ থাকা, মেজাজ চড়ে যাওয়া, বিষণ্নতা অনুভব করা, কান্নাকাটি করা বা কান্না ঠেলে আসছে এমন লাগা, ঠিকমত ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুমানো, খাওয়ায় অরুচি বা অতিরিক্ত খাওয়া, খাওয়ায় ঠিকমত স্বাদ না পাওয়া, মরে যেতে ইচ্ছে করা, ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখা (পেসিমিজম) ইত্যাদি উপসর্গগুলো অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডারের। বর্তমানে বিশ্বব্যাপি পারিবারিক সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার। লকডাউন ভেঙ্গে অকারণে বাইরে বের হওয়ার বা ‘ঘরে থাকতে ভাল লাগেনা’ টাইপের অনুভূতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি।

প্রিয়জন থেকে দূরে থাকাজনিত অস্থিরতা বা Separation anxiety disorder : প্রিয়জনের কাছ থেকে দূরে থাকাজনিত যে অস্থিরতা ও বিষণ্নতা এবং ভীতি তৈরি হয় তাই হলো সেপারেসন অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার। স্কুল ছুটিতে দেশের বাড়িতে ফ্যামিলির চলে যাওয়া আবার লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকেই অনেকের প্রিয়জনের সান্নিধ্য লাভ করতে পারছেন না।আবার অনেকেই তার প্রিয়জনের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। তাই অনেকেরই ভিতরে দেখা দিতে পারে সেপারেসন অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার।এ সমস্যাটি শিশু ‍ও অল্পবয়সীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।এর কারণে আত্মহত্যা করাও বিচিত্র নয়।ভারতের উত্তর প্রদেশের এক ব্যক্তি লকডাউনে পিত্রালয়ে আটকে পড়া স্ত্রীকে কাছে না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন ।এটা বাড়াবাড়ি নয় বরং বাস্তবতা।

নোসোফোবিয়া(NOSOPHOBIA)- শরীরে কোন উপসর্গ নাই তারপরেও সুনির্দিষ্ট রোগ শরীরে আছে এই ভাবনায় অস্থিরতায় ভোগার নাম নোসোফোবিয়া।অস্থিরতা এমন পযায়ে পৌঁছে যেতে পারে যে রোগি হতাশাগ্রস্থ হয়ে আত্মহত্যাও করতে পারে।গতকাল সকাল ৮টার দিকে খিলগাঁওয়ে এসবি’র এক কনস্টেবল করোনা নিয়ে এতটাই ভয়ে ছিলেন যে টেস্ট নেগেটিভ আসার পরও টেস্ট রিপোর্ট ভুল আসছে এ ধারনায় চরম অস্থিরতা ও হতাশায় ভূগে ৫তলার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।করোনা মহামারী অাতংকে কারো কারো মাঝে নোসোফোবিয়া দেখা দেওয়া অসম্ভব নয়।

ওসিডি(OCD):একই কাজ বা চিন্তা বার বার করা এমনকি বিষয়টা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে অনুধাবন করার পরও এবং সেই কাজ বা চিন্তা বাঁধাগ্রস্থ হলে চরম অস্থিরতা অনুভব করার অসুখকেই Obsessive Compulsive Disorder বলে।অনেক ধরনের ওসিডি আছে,তবে সবচেয়ে কমন ওসিডি হলো শুঁচিবাই বা বার বার ধোয়া-মোছার ওসিডি।যেহেতু করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অপরিহায সেহেতু এ সময় শুঁচিবাই এর রোগিদের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

প্যানিক ডিসঅর্ডারঃ হঠাৎ করেই বুক ধড়ফড় করা,দ্রুত শ্বাস নেওয়া,শ্বাসকষ্ট হওয়া, বুকে ব্যাথা, ঘামানো, মাথা ঘুরানো, হাত-পা ঝিনঝিন করা, আসন্ন মৃত্যু ভয়ে কান্নকাটি করা ও প্রলাপ বকা এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এ রোগের লক্ষণ।সাধারণত প্যানিক অ্যাটাক ১মি.-৫মি. স্থায়ী হয়।যেহেতু এ রোগটির সাথে হার্ট অ্যাটাক ও করোনার উপসর্গের কিছু মিল আছে কাজেই এ রোগটি সম্পর্কে ধারনা থাকা জরুরি।বর্ধিত মানসিক চাপে যারা এ সমস্যায় ভূগছেন তাদের অ্যাটাক বেড়ে যেতে পারে এবং যারা ঝুঁকিপূর্ণ তাদের অ্যাটাক শুরু হতে পারে।

বীভৎস্য অভিজ্ঞতা পরবর্তী মানসিক রোগ (PTSD)- ভয়ংকর কোন ঘটনা দেখার পর কেউ কেউ এ সমস্যায় ভূগে থাকেন।অতিরিক্ত অস্থিরতা ,আতংক, ভয়ে চমকে চমকে উঠা এবং বীভৎস্য ঘটনাটি বার বার চোখের সামনে ভাসতে থাকা বা বার বার সেটা স্বপ্নে দেখা এ সমস্যার প্রধান উপসর্গ।POST TRAUMATIC STRESS DISORDER (PTSD) বা বীভৎস্য অভিজ্ঞতা পরবর্তী মানসিক চাপে মানুষ এতটাই অস্থিরতায় ভূগতে পারে যে সে আত্মহত্যাও করে ফেলতে পারে।করোনা রোগির শ্বাসকষ্ট যখন বেশি হয় তখন তার কষ্ট চোখের সামনে দেখা একটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা।একের পর এক মৃত্যু দেখাও একটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা।এ কারণে যারা করোনা রোগির চিকিৎসা দিচ্ছেন তারা এ সমস্যায় জড়িয়ে যেতে পারেন।গত সপ্তাহে যুক্তরাস্ট্রে লরনা ব্রিন(৪৯) নামক জরুরি বিভাগে কর্মরত একজন সাহসী লড়াকু ডাক্তার যিনি নিজেও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি সুস্থতা লাভের পর আত্মহত্যা করেছেন।

হাইপোকন্ড্রিয়াক্যাল নিউরোসিস: HYPOCHODRIACAL NEUROSIS কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কোন ভয়ংকর রোগের উপসর্গ শোনা মাত্রই সেটা তার শরীরে আছে মনে করে মারাত্মক অস্থিরতায় ভোগেন।একটু কাশি হলো ব্যস করোনা ভীতি শুরু হয়ে গেল।বার বার ডাক্তারের কাছে দৌড়ানো, বার বার টেস্ট করা, টেস্ট রিপোর্ট নরমাল আসলে সেটা নিয়ে সন্দেহ করা এরোগের লক্ষণ।

সোমাটাইজেসন-এটাও একটা অস্থিরতাজনিত রোগ যেখানে মানসিক কারণে শরীরে নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয় যা পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধরা পড়ে না।বর্তমানের উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এ রোগে যারা ভূগছেন তাদের উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।সোমাটাইজেসন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।



করোনা মহামারী ঠেকাতে গিয়ে মানুষ অর্থনৈতিক মন্দাকে ডেকে নিয়ে আসছে।আর অর্থনৈতিক মন্দা হলো বিষণ্নতা তৈরির উর্বর ক্ষেত্র। বিষণ্নতা এমন এক নীরব ঘাতক যা একজন মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে গ্রাস করতে থাকে আর তাকে এনে দেয় একাকীত্ব।আর এই একাকীত্ব তার এই অসুখকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।সে ঢুকে পড়ে বিষন্নতা-কষ্ট-একাকীত্বের এক দুষ্টু চক্রে। স্বপ্নহীন, আনন্দহীন এক দূর্বিসহ জীবন নিয়ে এগিয়ে চলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতে।অনেকক্ষেত্রে আত্মহননে দিয়ে শেষ হয় এর যাত্রা।তাই বিষণ্নতার উপসর্গগুলো সবার জানা প্রয়োজন।১ নং বা ২ নং উপসর্গসহ নিম্নোক্ত যে কোন ৫ টি উপসর্গ যদি ১৫ দিনের বেশী কারো মধ্যে থাকে (যে কোন কারণেই হোক না কেন) তাহলে সে নিশ্চিতভাবে মারাত্মক মাত্রায় বিষণ্নতায় ভুগছেন যা চিকিৎসা না করালে তার সুন্দর জীবন ধ্বংসের মুখোমুখি চলে যেতে পারে।উপসর্গগুলো হলোঃ

১) প্রায়ই মন খারাপ থাকা বা একাকী মনের কষ্টে কান্নাকাটি করা বা ভিতর থেকে কান্না ঠেলে আসছে এমন লাগা।

২) অধিকাংশ কাজে আনন্দ না পাওয়া এমনকি যেসব কাজে মানুষ যথেষ্ঠ আনন্দ পায় যেমন ঈদ, বিয়ে, জন্মদিন ও অন্যান্য পারিবারিক/সামাজিক অনুষ্ঠান বা শপিং-এ অনীহা তৈরি হওয়া বা অংশগ্রহন করে আনন্দ না পাওয়া কিংবা এ ধরনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ার জন্য অজুহাত তৈরি করা। মানুষের সাথে মেলামেশা করতে ভাল না লাগায় দিন দিন একা হয়ে যাওয়া।

৩) খাওয়ার ব্যাপারে অরুচি/অনীহা; এমনকি ক্ষুধা না লাগলেও খেতে ইচ্ছে না করা(এরা সাধারণতঃ সকালের নাস্তা দেরি করে করে)। দিন দিন শরীর শুকিয়ে যাওয়া।অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগি অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া করে এবং মোটা হতে পারে।

৪) শরীর খুব দুর্বল বা ক্লান্ত লাগা। বিশেষত: কোন কাজ আরম্ভ করার আগেই মনে হওয়া যে দূর্বলতার জন্য কাজটা করতে পারব না।

৫) ঘুম না হওয়া বা ঘুম খুব পাতলা হওয়া বা বিছানে শোয়ার পরও সহজে ঘুম না আসা বা বার বার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।বিশেষতঃ শেষ রাতে ঘুমটা আসে ফলে রোগি সকালে ঘুম থেকে দেরি করে উঠে।কিছু ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে অবশ্য কারো কারো ঘুম বেড়ে যায়।

৬) দিন দিন মেজাজ চড়ে যাওয়া বা অল্পতেই বেশি বিরক্ত বা উত্তেজিত হওয়া। এমনকি রোগিরা অন্যের দেয়া ভাল উপদেশও সহ্য করতে পারে না।

৭) নিজেকে খুব অসহায় লাগা বা সকলের জন্য নিজেকে একটা বোঝা মনে করা অথবা সকল কষ্টের জন্য নিজেকে বা ভাগ্যকে বার বার দায়ি করা। আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া।ভবিষ্যত অন্ধকার দেখা।

৮) কাজে-কর্মে মন না বসা বা কথা মনে রাখতে না পারা অর্থাৎ অমনোযোগী হওয়া।

৯) বেঁচে থাকার আগ্রহ কমে যাওয়া। রোগি অনেক সময় বলে থাকে “অনেক কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি; তার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো।” ক্ষেত্র বিশেষে রোগি আত্মহত্যার চিন্তা বা চেষ্টা করে থাকে।বিশ্বে যত আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে তার সিংহভাগেরই কারণ বিষণ্নতা।


(Ref.:Riview of General Psychiatry,4th edt,DSM-IV)


আনুষঙ্গিক লক্ষণ:-এগুলো বিষণ্নতার প্রত্যক্ষ উপসর্গ না হলেও বিষণ্ন রোগিদের মাঝে প্রায়ই দেখা যায়-

১)খুব অস্থির লাগা, বুক ধড়ফড় করা।

২)ঘাড় বা মাথার পিছনে ব্যথা হওয়া (Tension headache),মাথার মধ্যে ভোঁতা যন্ত্রণা হওয়া।

৩)জ্বর জ্বর লাগা অথচ মাপলে থার্মোমিটারে জ্বর উঠে না।

৪)শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা হওয়া ও শরীর ম্যাজম্যাজ করা।

৫)গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, হজমের অসুবিধা বা পায়খানা কষে যাওয়া।

৬)যৌন ইচ্ছা বা ক্ষমতা কমে যাওয়া;এ কারণে বিষণ্ন রোগিদের দাম্পত্য জীবন দূর্বিষহ হয়ে উঠে।

৭)ভয়/আতঙ্ক অনুভব করা,হঠাৎ চমকে উঠা।

৮)নেতিবাচক চিন্তাভাবনা বা ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখা (Pessimism)।

৯)চারপাশের মানুষকে শত্রু ভাবাপন্ন/ক্ষতিকর মনে করা বিশেষত কাছের মানুষদেরকে।ফলে পরিবারের সদস্য,বন্ধু-বান্ধব ও নিকটজনদের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।কেউ কেউ নানা অজুহাতে বাড়ি থেকে দূরে চলে যায় বা চেষ্টা বা চিন্তা করে।এ বিষয়টি রোগিকে আরও একাকীত্বের মধ্যে ঠেলে দেয় যা তার রোগকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

১০)নিজের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া এবং অন্যের মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়া। …..ইত্যাদি।


এমনিতেই বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্থানে বিষণ্নতার রোগি বেশি (বিষণ্ণতার বিশ্ব র্যাকিং এ প্রথম ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে এই ৩টি দেশ) তারপর এই করোনা উদ্ভূত মহামন্দায় সেটা যে বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে তা বলাই বাহুল্য।বিষণ্নতা বিয়য়ে আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।




সারাবিশ্বে প্রতি ২সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন এবং প্রতি ৪০সেকেন্ডে একজন সফলভাবে আত্মহত্যা করছেন।বাংলাদেশেও গড়ে প্রতি ৫০মিনিটে একজন আত্মহত্যা করছেন।বিশ্বব্যাপী মানসিক রোগ আত্মহত্যার সবচেয়ে বড় কারণ হলেও আমাদের দেশে মানসিক রোগের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক তীব্র তাড়না (Impulsivity) বা হঠকারিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসাবে প্রতিভাত হয়েছে যা আমাদের মানসিক চাপ সহ্য করার বা তা ম্যানেজ করার অক্ষমতাকে নির্দেশ করে।আত্মহত্যার সাথে অর্থনৈতিক দূর্বলতা সিংহভাগ ক্ষেত্রে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার ৭৫%ই ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।আমাদের দেশেও অভাব-অনটন তথা আর্থিক দৈন্যতা মানসিক চাপ ও মানসিক রোগ তৈরিতে এবং আত্মহত্যার অন্যতম নিয়ামক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।এখন করোনা উদ্ভূত অর্থনৈতিক মন্দায় যে আত্মহত্যার সংখ্যা বাড়বে তা এখন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।গতকাল ভারতীয় এক পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যায় সেখানে লকডাউনজনিত কারণে ৩০০জনেরও অধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছেন।
আত্মহত্যা করেছেন জার্মান অর্থমন্ত্রী হেসে ভবিষ্যত অর্থনৈতিক দূরবস্থার কথা ভেবে।পোলান্ডের এক শহরের প্রথম করোনা রোগি হওয়ায় মানুষের মুখের কথা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন গাইনি বিশেষজ্ঞ Dr.Wojciech Rokita।

উপসর্গ ছাড়া যেমন রোগ হয় না,ঠিক তেমনি সিগনাল ছাড়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে না। আত্মহত্যার সংঘটনের পূর্বে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আত্মহননে ইচ্ছুক ব্যক্তি এমন কিছু আচরণ করেন বা কথাবার্তা বলেন যা থেকে ধারণা করা যায় উক্ত ব্যক্তি আত্মহত্যা করতে যাচ্ছেন।এগুলোকে বলা হয় আত্মহত্যার ওয়ানিং সাইন।আত্মহত্যা প্রতিরোধে এ সাইনগুলো আমাদের সবার জানা উচিৎ। সাইনগুলো হলো-

১)জীবনকে অপ্রয়োজনীয় মনে করা-“বেঁচে থাকা অর্থহীন”,“বেঁচে থেকে কী লাভ”,“বেঁচে থাকার কারণ নেই”,“ইশ্ যদি আমার জন্ম না হতো”,“এ জীবন নিয়ে বেঁচে থেকে কী লাভ?”, “তোমাকে ছাড়া আমার জীবন অর্থহীন”... এ জাতীয় কথা বলা।অনেক সময় এধরনের কথা হাসির ছলে বললেও সেটাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

২)নিজেকে অন্যের জন্য বোঝা মনে করা-“আমি পরিবারের জন্য বোঝা হয়ে গেছি”,“অন্ন ধ্বংস করছি”,“আমি মরে গেলে সবাই মুক্তি পাবে”,“বেকার হয়ে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া ভাল”, “চিন্তা করো না আর ক’দিন পরই তোমাকে চিরমুক্তি দিয়ে দিব” ... এ ধরনের কথা আত্মহত্যার পূর্বাভাস হিসাবে প্রতিপাদ্য হতে পারে।

৩)সীমাহীন কষ্টের কথা প্রকাশ করা-“আর কষ্ট বা অবহেলা বা মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে পারছি না”,“এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল”,“তোমায় ভালোবেসে কী পেলাম?”,“তোমার কারণে আমার জীবন তছনছ হয়ে গেছে”,“আমাকে সবাই এত কষ্ট দেয় কেন?” এ ধরনের স্বগোক্তি আত্মহত্যার পূর্বলক্ষণ হতে পারে।

৪)পরিচিতজনদের নিকট থেকে বিদায় নেওয়া-“ভাল থাকিস,আর হয়ত কোনদিন দেখা হবে না”,“হয়ত এটাই তোমার সাথে আমার শেষ দেখা”,“চলে যাচ্ছি অনেক দূর”,“চিরবিদায়...”, “হয়ত বেশিদিন বাঁচব না,ভুল হয়ে থাকলে মাফ করে দিও”, “এত দূরে চলে যাচ্ছি,তোমরা খুঁজেও পাবে না”…. এ জাতীয় কথা বলা।

৫)হঠাৎ করেই নিজের সব জিনিস অন্যদেরকে দিয়ে দেওয়া।

৬)মৃত্যু বিষয়ে নানা চিন্তা ভাবনার কথা প্রকাশ করা।কেউ কেউ সৃষ্টিকর্তাকে বেশি বেশি করে স্মরণ করতে শুরু করে।এমনকি মারা গেলে কিভাবে ও কোথায় দাফন করতে হবে,পরকালে কী হবে সে বিষয়ে কথা বলা; এমনকি হাসির ছলে হলেও সেটাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

৭)“আমি যদি বেঁচে না থাকি”,“আমার যদি হঠাৎ করে কিছু হয়ে যায়”...এধরনের কথা বলে অন্যদের উপদেশ ও দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়া।

৮)আত্মহত্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা ইন্টারনেটের বদৌলতে যা আজ অনেক সহজ হয়ে গেছে।

৯)আত্মহত্যায় ব্যবহৃত হতে পারে এমন জিনিস যোগাড় করা।যেমন-কীটনাশক, ঘুমের ঔষধ, আগ্নেয়াস্ত্র ,দড়ি ইত্যাদি।

১০) যেসব জিনিসের খুব যত্ন নিত তা হঠাৎ করে ত্যাগ করা।যেমন-পোষা প্রাণী বা অ্যাকুরিয়ামের মাছ বা খাঁচার পাখির ছেড়ে দেওয়া বা অন্যকে দিয়ে দেওয়া বা তাদের যত্ন না নেওয়া কিংবা প্রিয় বাগানের পরিচর্যা বন্ধ করে দেওয়া।

১১)মনের বিক্ষিপ্ততা দৃশ্যমান হওয়া।যেমন-একটুতেই উত্তেজিত হওয়া, প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলা, অকারণে কেঁদে ফেলা, নিজেকে গুটিয়ে রাখা, অস্বাভাবিক শান্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

১২)খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের প্যাটার্নে দৃশ্যমান অস্বাভাবিক পরিবর্তন।

১৩)নিজ জীবনের কষ্টের কাহিনী লেখা।এটা ডায়েরি আকারে হতে পারে কিংবা চিঠি লেখার মাধ্যমেও হতে পারে।বর্তমান যুগে ফেসবুক বা টুইটারে এ ধরনের কথা ব্যক্ত করার বেশ প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

১৪)অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ সেবন করা।মাদকাসক্তরা মাদক সেবনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৫)আত্মহত্যার স্থান নিশ্চিত করা।ঘরে আত্মহত্যার প্ল্যান থাকলে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখার নতুন প্রবণতা তৈরি হওয়া।ট্রেনের নিচে বা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার প্ল্যান থাকলে সে স্থান বার বার ভিজিটে যাওয়া।ট্রেনের সিডিউল জানার চেষ্টা করা কিংবা হঠাৎ ট্রেন ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাওয়া।


বাংলাদেশের বর্তমান ও অদূর ভবিষ্যতের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় এদেশে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি আমরা।অাশা করি আপনারা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।যারা আত্মহত্যা বিষয়ে বিষদ জানতে চান তারা এখানে ক্লিক করুন।




করোনা রোগিদের মধ্যে উত্তেজিত হওয়া, অস্থির হওয়া, দ্বিধান্বিত হওয়া (Confusional state), স্থান-কাল-পাত্র বুঝতে সমস্যা হওয়া (Disorientation), অতিরিক্ত কথা বলার মত সমস্যা দেখা যাচ্ছে।তারচেয়েও বড় কথা রোগমুক্তির পরও নানারূপ মানসিক সমস্যা যেমন ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুমানো, বিষণ্নতা, আত্মহত্যার প্রবণতা, মুড পরিবর্তন ইত্যাদি সমস্যায় দীর্ঘদিন ভূগতে হতে পারে।যাদের উপসর্গবিহীন করোনা ছিলো (Asymptomatic cases) তারাও এ ধরনের সমস্যায় ভূগতে পারেন।সুতরাং করোনা রোগ নির্ণয়ে এবং রোগ পরবর্তী সময়েও স্নায়বিক উপসর্গগুলোর ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া অত্যাবশ্যকীয়।



যারা বয়োবৃদ্ধ মানুষ তাদের ব্রেনের ক্ষয়জনিত রোগ (Degeneration) এবং মানসিক চাপ সহ্য করার সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার কারণে অস্থিরতা ও উত্তেজনা (Senile Agitation), বিষণ্নতা (Senile Depression) , ভুলে যাওয়া (Senile Dementia) এবং স্থান-কাল-পাত্র চিনতে অসুবিধা হওয়া (Disorientation) এবং অতিরিক্ত কথা বলার (Senile Logorrhoea) মত সমস্যা খুব সাধারণ।যেহেতু এ বয়সের রোগিদের করোনায় মৃত্যুহার খুব বেশি কাজেই তাদের বাড়তি চাপ অনুভব করাটা স্বাভাবিক।আর এই বাড়তি চাপ তাদের উপসর্গের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।এ অবস্থায় অজ্ঞতাজনিত, অবহেলাজনিত কিংবা আত্মনিয়ন্ত্রণে সক্ষমতার অভাবে পরিবারের অন্যন্য সদস্যরা যদি তাদের সাথে বিরূপ আচরণ করে তাহলে তাদের মানসিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে।




করোনার খবর দেখা বা শোনা বন্ধ করুন- করোনা ভাইরাস যেমন কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ঠিক তেমনি করোনা আক্রান্ত ও বিভীষিকাময় মৃত্যুর খবর মানসিক রোগ মহামারীর জন্য অনেকাংশে দায়ী।প্রতিদিন কতজন রোগাক্রান্ত হলো,কতজন মারা গেলো,মৃত্যু কতটা বীভৎস্য ছিলো, রাস্তায় পড়ে অাছে লাশ, ডাক্তার-নার্স কান্নাকাটি করছে, করোনার ভয়ে ছাদ থেকে বা জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়েছে, ঘরের মানুষও করোনা রোগিকে ফেলে দিচ্ছে, পরিবারের লোকজন মরার সময় মুখে পানি দিতে পারছে না, দাফন-কাফন করতে পারছে না এসব খবর আপনার জেনে কী লাভ?এগুলো যারা মানসিকভাবে দূর্বল তাদের ভিতর প্যানিক তৈরি করে আর মানসিক অসুস্থতা তৈরি করে।আপনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন।করোনা যোদ্ধা ও জয়ীদের গল্প জানুন এবং জানান।সাহসী হোন এবং অন্যকে সাহস যোগান।এ বিষয়ে যারা অ্যাকাডেমিক তথ্য জানতে চান তারা নিচের রেফারেন্সটি দেখতে পারেন-
Pfefferbaum, B., Newman, E., Nelson, S. D., Nitiéma, P., Pfefferbaum, R. L., & Rahman, A. (2014). Disaster media coverage and psychological outcomes: descriptive findings in the extant research. Current psychiatry reports, 16(9), 464.

সমস্যা আপনার একার নয়,অন্যরাও আপনার মত সমস্যায় ভূগছে- করোনা মহামারী কিংবা করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা শুধু আপনাকে না, বিশ্বের সবাইকে সমস্যায় ফেলেছে।আর ফেলেছে বলেই বিশ্বের সবদেশের সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ নিচ্ছে।কেউ যেন জোর করে আপনার কাছ থেকে পাওনা আদায় করতে না পারে সেজন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে।ফোন করলে খাওয়া ঘরে পৌছে দেওয়া হচ্ছে।শুধু সরকার নয়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগেও নানা তৎপরতা চলছে।অর্থনীতি পূণর্গঠনের সময় অনেক কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।সে সময় অবধি ধৈয্য ধরুন।তিন বেলা পেটপুরে না খেতে পেলেও অন্তত না খেয়ে মরবেন না ইং শায়া আল্লাহ।মহাবিপদ মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের সক্ষমতা বিশেষত বাংলাদেশের মানুষের সক্ষমতা বহু পরীক্ষিত।নিজের সেই সক্ষমতাকে আরেকবারের জন্য কাজ করার সুযোগ দিন।মহামারী শুধু সমস্যা নিয়ে আসে না,সম্ভাবনা নিয়েও আসে।

মানসিক রোগের রোগিরা ঔষধ ঠিকমত খাবেন- করোনা মহামারী ও অর্থনৈতিক মন্দায় মানসিক চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।কিন্তু যারা ইতিমধ্যে মানসিক সমস্যায় ভূগছেন তাদের জন্য এই স্বাভাবিকতাটুকুই মরার উডর খাঁড়ার ঘা।সুতরাং যারা মানসিক রোগে ভূগছেন তারা যেন ঠিকমত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারে সেটা নিশ্চিত করুন।আপনি আপনার চিকিৎসকের সাথে ফোনে পরামর্শ করুন।বেশকিছু টেলিমেডিসিন সার্ভিস প্রোভাইডার সরকারের পাশাপাশি এ ব্যাপারে সাহায্য করছে।আপনি সরকারি ওয়েবসাইট করোনা ইনফো তে এরকম বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ নম্বর পেয়ে যাবেন।এরকমই একটি প্রতিষ্ঠান ‘মনের বন্ধু’ যারা মানসিক রোগ ও সমস্যার জন্য সব ধরনের সার্ভিস সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং ২৪ ঘণ্টাব্যাপি প্রদান করছে-



এছাড়াও অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্ট যদি এ ধরনের সার্ভিস প্রদান করতে চান বা করে থাকেন তাদের তথ্য মন্তব্যের ঘরে দিন।আমি পোস্টে সেটা যুক্ত করে দেব ইং শায়া আল্লাহ।

ঘরকে আনন্দময় করে তুলুন- একটানা অনির্দিষ্ট দিন ঘরে আবদ্ধ থাকাটা বেশ বিরক্তিকর।একসময় কাজের জন্য চাইলেও পরিবারের সদস্যদের যথেষ্ট সময় দিতে পারেননি এবং তারাও আপনাকে অনেকখানি মিস করেছে।লকডাউনের এ সুযোগে সারাবছরের সেই ঘাটতি কিংবা সারাজীবনের সেই ঘাটতি পূরণে নানা পরিকল্পনা করুন।ঘর সাজানো, রান্না করা, খেলাধুলা, টিফিতে নাটক সিনেমা না দেখে নিজেরাই নিজেদের দক্ষতামত গান-নাটক, কবিতা আবৃত্তি বা গল্প শোনা ও গল্প বলা এ জাতীয় নানা প্রোগ্রামে পরিবারের সবাইকে সক্রিয় রাখুন।

সৃষ্টিকর্তাকে বেশি বেশি স্মরণ করুন-বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার সব চেষ্টা যখন ব্যর্থ হয় তখন মানুষ কোন শক্তিশালী স্বত্বার কাছ থেকে সাহায্য পাওয়ায় আশায় নির্ভরশীলতার প্রশান্তি নিয়ে প্রতীক্ষায় থাকে।এটুকুও মানুষের মানসিক চাপ লাঘবে প্রভূত সাহায্য করে থাকে।

কথা বলুন-সমস্যা মনের মধ্যে চেপে না রেখে কথা বলুন।পরিবারের সদস্য, বন্ধু কিংবা পেশাজীবীর সাথে কথা বলুন।আজকাল অনলাইনে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আপনার মনের কথা প্রকাশের সুযোগ অবারিত করে দিয়েছে।এরকম একটি প্রতিষ্ঠান ‘মনের বন্ধু’র ঠিকানা পোস্টে দেওয়া হয়েছে।কথা বন্ধ করে রাখলে বা সমস্যা চেপে রাখলে তা মানসিক চাপ ও রোগ দুটোই বাড়িয়ে দিতে পারে।একবছর তো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আত্মহত্যা প্রতিরোধের স্লোগানই ছিলো ‘Let’s talk’ ‘চলুন কথা বলি’....

সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন-সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে জড়িয়ে রাখা মানসিক প্রশান্তি লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।গান শোনা সৃষ্টিশীল কাজ নয়,গান পাওয়া সৃষ্টিশীল কাজ।সুতরাং নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে নানা সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন।নতুন ডিজাইনের মাস্ক বানান, ঘরের উপাদান দিয়ে স্যানিটাইজার বানান, সমস্যাগ্রস্থ মানুষকে সাহায্য করার নানা উপায় ও উপকরণ তৈরিতে বুদ্ধি খাটান।

জ্ঞান অর্জনে পর‌্যাপ্ত সময় দিন- যারা শিক্ষার্থী তারা তাদের অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন যথারীতি।লকডাউনের সময়কে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসাবে কাজে লাগাতে দৃঢ় প্রত্যয়ী হউন।যারা শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন তারাও পছন্দমত একটা কোর্স করে ফেলুন।বিশ্বের অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন অনলাইন কোর্স আছে যার বেশিরভাগই ফ্রি।এ ব্যাপারে তথ্য পেতে এখানে ক্লিক করুন।আপনি করোনার উপরও ফ্রি কোর্স করতে পারেন এবং সার্টিফিকেট পেতে পারেন একদম ফ্রিতে। আপনি মুক্তপাঠে এরকম কোর্স পেয়ে যাবেন।আবুধাবির মোহাম্মদ বিন রশীদ ইউনিভার্সিটি অব মেডিসিন এন্ড হেলথ সায়েন্স থেকে এরকম একটা কোর্স করতে পারেন ফ্রিতে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারী লোগো সম্বলিত একটা সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন অনাসায়ে।এখানে করোনা বিষয়ক চমৎকার কিছু তথ্য অাছে।কোর্সটি করতে এখানে ক্লিক করুন।

রামাদান মাস মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।আর এ মাসে কুরআন তিলাওয়াত ও শিক্ষার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এ অবসর সময়ে সহি শুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ শেখার চেষ্টা করতে পারেন।আমি এ বিষয়ে সহসাই একটা পোস্ট দিতে পারি।

পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করেন- যারা কাছে আছে কিংবা দূরে আছে তাদের নিয়মিত খোঁজ খবর নিন।করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলুন।সাহস যোগান।আশারবাণী হতাশাকে দূর করতে সাহায্য করে।বিশেষত বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের ব্যাপারে বাড়তি যত্ন নিন।তাদেরকে সময় দিন।তাদের মন থেকে শংকা দূর করতে সচেষ্ট হউন।

নিজের মত জোর করে অন্যের উপর না চাপিয়ে অন্যের মতামতকে গুরুত্বসহকারে শুনুন।

সহমর্মী হউন- অন্যকে সাহায্য করার জন্য হ্রদয়কে প্রসারিত করুন

বড় বড় মণীষীদের জীবন কাহিনী নিত্যদিনের পাঠ্য করুন পরিবারের সদস্যদের জন্য।

প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজ রুটিন করে করতে থাকুন।

ব্যায়াম করুন নিয়মিত- ঘরের মধ্যেই অনেক ধরনের ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা যায়।ব্যায়াম করার সময় আমাদের দেহে এন্ডরফিন (Endorphins) নিউরোহরমোন নিঃসৃত হয়। এন্ডরফিনের কাজ অনেকটা মরফিনের মতই।দেহের ব্যাথা ও মনের ব্যাথা দুইই কমায়।তাছাড়া ব্যায়ামরত মাংসপেশি ইনসুলিনের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি রক্ত থেকে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে।ব্যায়াম=ইনসুলিন।সুতরাং আপনার ঘরের ডায়াবেটিক রোগিরাও সুফল পাবেন ইং শায়া আল্লাহ।তাছাড়া ব্যায়ামের দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর ধণাত্বক প্রভাব রয়েছে।

হাসিখুশি থাকুন-হাসি যে একটা শক্তিশালী ঔষধ তা হয়ত অনেকেই বিশ্বাস করবেন না। হাসি-ঠাট্টা ও জোকসের সময় ব্রেনে প্রচুর পরিমাণে এন্ডরফিন নিঃসৃত হয়।এটি মন প্রফুল্ল রাখতে এবং ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে লাফটার ক্লাব আছে।প্রচলিত চিকিৎসায় ব্যাথা কমেনি এমন রোগিরাও এসব ক্লাবে গিয়ে উপকৃত হয়েছেন।মানসিক রোগিরা হাসতে পারেন না বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।এসবক্ষেত্রে ‘হাসি থেরাপি’ সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।করোনা চিকিৎসারত ডাক্তার নার্সদের কর্তব্যরত অবস্থায় নাচ-গানের যেসব ভিডিও ভাইরাল হয় তার মূলত্বত্ত্ব এখানেই।

শিথিলায়ন ব্যায়াম-হুইসেল বাজানোর মত মুখের ছিদ্র ছোট করে সে পথে বুকের ভিতর থেকে যতটা সম্ভব বাতাস বের করে দিয়ে ধীরে ধীরে বুক ভরে শ্বাস নিতে হবে নাক দিয়ে এবং পেট ফুলিয়ে।তারপর একটু দমটা ধরে রেখে খুব ধীরে ধীরে (শ্বাস গ্রহণের চেয়েও অর্ধেক ধীরগতিতে) মুখ দিয়ে বাতাস ছাড়তে হবে।অর্থাৎ নাক দিয়ে পেট ফুলিয়ে বাতাস নিয়ে কিছুক্ষণ দম আটকে রেখে মুখ দিয়ে শিস বাজানোর মত মুখের ছিদ্র ছোট করে বাতাস ছাড়তে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি হবে ধীর গতির।বোঝার সুবিধার্তে আপনি ৫-৩-৯ ফর্মূলা ব্যবহার করতে পারেন।বুক থেকে যথাসম্ভব বাতাস বের করে দেওয়ার পর পাঁচ গণনা করা পর্যন্ত ধীরে ধীরে নাক দিয়ে পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন;তিন গণনা করা পর্যন্ত দম আটকে রাখুন;তারপর নয় গণনা করা পর্যন্ত খুব ধীরে ধীরে মুখের সংকুচিত ছিদ্রপথে তা ত্যাগ করুন।এটাকে Slow Breathing Exercise বা Voluntary Abdominal Breathing (VAB) বলে।Neuroscience Research (Volume 50, Issue 3, November 2004, Pages 307–317) থেকে জানা যায় এ ধরণের নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে ব্রেনে অতি দ্রুত অালফা ওয়েভ তৈরী হতে শুরু করে।আর ব্রেনে আলফা ওয়েভ তখনই তৈরি হয় যখন ব্রেন প্রশান্তিতে থাকে।


আলফা মিউজিক শুনুন- কিছু কিছু সুর আছে যেগুলো ব্রেনে আলফা ওয়েভ তৈরিতে সাহায্য করে বলে দাবি করা হয়।শুনে দেখতে পারেন সেগুলো আপনাকে প্রশান্তি দিচ্ছে কি না।নিচে এরকম কয়েকটি মিউজিক লিংক সংযুক্ত করলাম-







ক্ষমাশীল হউন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করুন- রাগ ও প্রতিশোধ স্পৃহা রক্তে উত্তেজক হরমোন ও নিউরোহরমোন রিলিজ করে।ক্ষমা করে দেওয়া এবং ক্ষমা প্রার্থনা ঠিক তার উল্টো।সুতরাং মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে ক্ষমাশীল হউন ও ক্ষমা প্রার্থনা করুন।

নেশাগ্রস্থদের ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নিন-যারা নেশাগ্রস্থ তারা এক ধরনের অসহায় মানুষ।তারা চাইলেও নেশা তাদেরকে ছাড়ে না।এই লকডাউনের সময় নেশাদ্রব্য না পাওয়া কিংবা সেটা কিনতে প্রয়োজনীয় অর্থ যোগাড় করতে না পারার কারণে নেশা বিরতি উপসর্গ (withdrawal symptoms) হওয়াটা একটা বাস্তবতা।তাছাড়া নেশার টাকা যোগাড়ের জন্য ঘরের ভিতর অশান্তি ও সমাজে অপরাধমূলক কাজ করতে পারে।এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।যারা মাদকাসক্তি নিয়াময় নিয়ে কাজ করেন তারা এসময় অনলাইন সার্ভিস দিয়ে করোনা যোদ্ধার ভূমিকা পালন করতে পারেন।সরকার চাইলে ‘Supervised controlled drug offer & treatment’ প্রোগ্রাম নিতে পারে।হাসপাতাল বা কমিউনিটি বেজড সেন্টারে মাদকাসক্তদের রেজিস্ট্রেসন, প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন মাত্রায় সবচেয়ে কম ক্ষতিকারক এবং ওইথড্রয়াল সিমটোম প্রতিহত করতে পারে এরকম ঔষধ বিতরণ এবং তাদেরকে নেশা ত্যাগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করতে পারে।লকডাউনের এসময় যারা অনলাইনে সেবা নিতে চান তারা এখানে ক্লিক করতে পারেন।এখানে ২৪ ঘণ্টা মাদকসেবীদের বিনামূল্যে সার্ভিস দেওয়া হয়।

করোনা যোদ্ধাদের মনোবল অটুট রাখতে নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে-ডাক্তার, নার্স, অন্যন্য স্বাস্থ্যকর্মী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সবারই অনন্য মানুষের মত মানসিক অবসন্নতার সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।রোগির কষ্ট বা মৃত্যু দেখতে দেখতে কেউ কেউ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রফেসনাল কাউন্সেলিং অত্যন্ত জরুরি।এমনকি ডিউটি শেষ হওয়ার পরও কারো পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা জরুরি।


করোনা মহামারীর পিছনে যে অর্থনৈতিক মন্দা এসে হাজির হয়েছে সে বিষয়ে এখন সবাই ওয়াকিবহাল। কিন্তু সংগোপনে যে আরেকটি মহামারী আমাদের মাঝে বিস্তার লাভ করেছে সে বিষয়ে প্রায় সবাই উদাসীন।অথচ বিশ্বব্যাপি পারিবারিক সহিংসতা, আত্মহত্যা, বিষণ্নতা, অস্থিরতা ও সামাজিক অপরাধ বাড়তে শুরু করেছে যা এই লুক্কায়িত মহামারীর ফসল।এই মহামারী রুখতে ব্যক্তি সচেতনতা ও সামাজিক উদ্যোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি।নতুবা মানসিক বিপযয় আমাদের সংকট উত্তরণের সকল প্রচেষ্টাকে পিছন থেকে টানবে।

ধন্যবাদ যারা কষ্ট করে পোস্টটি পাঠ করলেন।

বি.দ্র: এটি একটি সচেতনতামূলক তথ্য পোস্ট;কোন বিশেষজ্ঞ মতামত নয়।

উৎসর্গঃ করোনা যুদ্ধেরত অকুতোভয় ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ত্রাণ কর্মী, অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার-হেলপার, লাশ সৎকারে দায়িত্বে নিয়োজিত বীর এবং মাঠে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ পোস্টটি তাঁদের জন্য উৎসর্গ করা হলো।

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +২৪/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩৫

সোহানাজোহা বলেছেন: প্রবাসে আছি দু বোন পিএইচডি করছি। ডিপ্রেশন দুর করতে আমার বাবা প্রতিদিন ভিডিও কল দিয়ে নানার পুরোনো দিনের মজার মজার কথা বলেন। সবার তো এমন সম্ভব না, সাধারণ মানুষ এক ঘরে থেকে থেকে কয়েদি হয়ে গেছেন।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৩৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: বোন সোহানাজোহা আমার ব্লগবাড়িতে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।আপনার বাবা একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের কাজ করছেন।উনাকে আমার সালাম ও অভিনন্দন জানাবেন প্লিজ।আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের নিরাপদ জীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

২| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১০:২৯

ওমেরা বলেছেন: সুইডেনে লক ডাউন না দেওয়ার এটা একটা কারন । ঘরে বন্ধি থাকা আসলেই খুব কষ্টকর । আমি খুবই ঘরকুনো টাইপের মেয়ে শুধু স্কুলে আর বাসা এর বাহিরে খুবই কমই অন্য কোথাও যাওয়া হয়। কিন্ত এক সপ্তাহ কোন ভ্যাকেশন হলে আমি অস্থির হয়ে যাই।
ভাগ্য ভালো আমাদের কোন লক ডাউন নেই।
আপনার টিপস্ গুলো ভালো লক ডাউনে ঘর বন্ধি মানুষের উপকার হবে ।ধন্যবাদ আপনাকে।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৪১

জাফরুল মবীন বলেছেন: বোন ওমেরা স্বাগতম।পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।মানুষের জীবনের স্বাভাবিক কর্মকান্ডের অনিশ্চিত সময়ের জন্য ছন্দপতন হলে অস্থির হওয়াটাই স্বাভাবিক।কিন্তু এ বিষয়টি নজরে রেখেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য সরকার হটলাইন চালু করে।
আপনি ভালো আছেন জেনে স্বস্তি পেলাম।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৩| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩১

মা.হাসান বলেছেন: ডিপ্রেশনের লক্ষণ গুলোর মধ্যে ---নিজের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেয়া, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব না দেয়া

হে হে হে, সুন্দর বলেছেন। মনের বন্ধু চাপ সামলাতে পারলে ভালো।

সাধারণ পাবলিক, যাদের বেশি ভাগ সময় কাটে অন্ন চিন্তায়, তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবনতা কম, তবে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স সম্ভবত কিছুটা বেড়েছে।
ব্রিদিঙ এক্সারসাইজের উপরে বিবিসি একটা ভিডিও শেয়ার করেছে , জে কে রলিঙও এই ভিডিও থেকে উপকার পাবার কথা বলেছেনঃ



মানসিক দিক থেকে করোনার বেশ কিছু পজিটিভ সাইড আছে বলেও মনে করি।

আত্ম উপলব্ধি এবং আত্ম অনুসন্ধানের জন্য আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশী সময় পাচ্ছি । পরিবারকে দেওয়ার জন্য বেশি সময় পাচ্ছি । যে সমস্ত বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়েদের চেহারা ভুলে গিয়েছেন , তারা এখন আরো ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সময় কাটাতে পারবেন। বাহিরের রান্না না খেয়ে বাসার রান্না খাচ্ছি, শরীরের জন্য ক্ষতি এড়াতে পারছি। পরকিয়ার সুযোগ কমে গেছে। আগে যে কাজগুলো জন্য বাহিরে যাওয়া অপরিহার্য মনে হতো, এখন বুঝছি বাসায় বসে এই কাজগুলো করা সম্ভব । নিজের নতুন ক্ষমতা আবিস্কার করতে পারছি। করনা পরবর্তীকালেও আমরা এই কালচার চালু রাখলে লাভবান হব । আমাদের দুর্বলতা গুলো বুঝতে পারছি । (যেমন ব্যাংকিং জাতীয় খাত গুলো আরো বেশি অটোমেটেড হওয়া দরকার, তবে এটা কমার্শিয়াল দিক, মানসিক না)। যত দ্রুত নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবো ততো আমাদের জন্য ভালো।

আপনার পোস্ট গুলো পড়ে শান্তি পাই। ভালো থাকবেন।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৪৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: আপনার ভিডিওটিতে মূলত প্রোন পজিসন ভেন্টিলেসনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে যেটা আমি আমার স্টিকি পোস্টটিতে বর্ণনা করেছি।যেখানে ভেন্টিলেটরের স্বল্পতা রয়েছে সেখানে রোগির শ্বাসকষ্ট কমাতে এমনকি জীবন বাঁচাতে এটি বেশ কার‌্যকরী। পোস্টটিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যোগ করে সেটাকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৪| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ আরো বাড়বে ইনশাআল্লাহ। সব খুলে দাও সব কটা জানালা খুলে দাও না, করোনা আসবে চুপিচুপি আমরা গাইবো গাইবো করোনার গান।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৫২

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাই রাজীব নুর জানালা খোলা শুরু হয়েছে আর করোনাও চুপিচুপি এসে গেছে তা বিশ্বাস করার মত কারণ আছে।সুতরাং আপনি করোনার গান গাইতেই পারেন।আপনি অনেক পোস্ট পড়েন এবং মন্তব্য করেন যা প্রশংসাযোগ্য।অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ভাই।

৫| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১১:৪২

নতুন বলেছেন: সবাই পরিস্হিতি বুঝে সবাই সহাযোগিতা করলেই এই সময় পার করা যাবে।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৫৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাই নতুন আপনি ঠিকই বলেছেন সময় ঠিকই পার হয়ে যাবে কিন্তু এর জন্য মূল্যটা যেন খুব বেশি দিতে হয় না সেটাই আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে।পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৬| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ১২:০৯

শের শায়রী বলেছেন: করোনা পরবর্তী আমাদের দেশে সব চেয়ে বড় সমস্যা হবে চাকুরী হারানো মানুষজন দের খাদ্য সহায়তা এবং তাদের কিছু করার সহায়তা দেয়া। জানি না এটা সরকার কিভাবে সামলাবে।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:০৫

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাই আমরা যতই দম্ভোক্তি করি না কেন আমরা এখনও নিম্ন আয়ের দেশ।দীর্ঘমেয়াদে মানুষজনকে ঘরে বসিয়ে খাওয়ানোর মত আমাদের সরকারের সামর্থ্য নেই।আবার অর্থনৈতিক মন্দায় অনেক প্রতিষ্ঠানই আর আগের মত অবস্থায় ফিরে যেতে পারবে না।ফলে চাকুরিচ্যুতি একটা চরম বাস্তবতা।অনেক মানুষকে দারিদ্র সীমার নিচে নেমে যেতে হবে।এটা শুধু আমাদের দেশের সমস্যা হলে হয়ত অন্যদের সহায়তায় উৎরে যাওয়ার চেষ্টা করা যেত।কিন্তু একটা বৈশ্বিক সমস্যা।সুতরাং খুব খারাপ একটা সময়ের জন্য আমাদের মানসিক প্রস্তুতি থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।বাংলাদেশের মানুষ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার বিশেষ সক্ষমতা বার বার দেখিয়েছে।এটাই একমাত্র আশার আলো।নিরাপদে থাকুন,সুস্থ থাকুন এ শুভকামনা রইলো।

৭| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ২:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পেপারে পড়লাম লম্বা এক চিঠি লিখে মানসিক চাপে আত্মাহুতি দিয়েছে দুই সন্তানের বাবা।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১১

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাই নেওয়াজ আলি এরকম ঘটনা শুধু আমাদের দেশেই নয় সারা বিশ্বেই ঘটছে এবং ঘটাটাই স্বাভাবিক।করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে সুস্থ থাকাটা খুবই কঠিন।শংকার বিষয় সেখানেই।আর এ জন্যই আজকের এ পোস্টের অবতারণা।আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং সক্রিয় দায়িত্ব পালন করতে হবে।আপনার নিরাপদ ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।

৮| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ৩:১৪

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আমাদের জন্য এরকম একটি সুন্দর লেখা উপহারের জন্য!

আার কোর্সটা করে সার্টিফিকেট পেয়ে ভালই লাগলো!
কিন্তু এই পরিস্হিতিতেও অফিসে যেতে কল করেছে-কিচ্ছু বলার নাই।
আবারো আপনার সময়োপযোগি লেখার জন্য ধন্যবাদ।।

০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪০

জাফরুল মবীন বলেছেন: ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আর অভিনন্দন সার্টিফিকেট প্রাপ্তির জন্য।যদি আপত্তি না থাকে তাহলে সাার্টিফিকেটের ছবিটি মন্বব্যের ঘরে দিন অন্যরাও উৎসাহিত হবে আশা করি।ভাই আমার মিষ্টি কই?

৯| ০৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: পৃথিবীর সকল প্রাণীর মঙ্গল হোক, সবাইকে বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা ।

০৬ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: আমার পক্ষ থেকেও একই আহবান আপনার জন্য,সবার জন্য।

১০| ০৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩৭

সোহানাজোহা বলেছেন: আমার আব্বা আপনার সালাম পেয়ে খুবই খুশি হয়েছেন তিনি আপনার আজকের লেখা পড়েছেন। আমার আব্বা অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনাকে সালাম ও শুভ কামনা জানিয়েছেন।

আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের নিরাপদ জীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

০৬ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: উয়ালাইকুম আস সালাম উয়া রহমাতুল্লাহ।জেনে খুব খুব ভালো লাগল।কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতিও।

১১| ০৬ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:২১

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: ভাইজান, অবশ্যই মিষ্টি খাওয়াবো একদিন! আমি মোবাইল মোডে সামুতে আছি-কমেন্টের ঘরে ছবি আপলোডের অপশন দেখা যায় না, আবার মোবাইলে ডেক্সটপ মুডে সামু ওপেন হয় না বলে ছবি দিতে পারছি না?

০৬ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

জাফরুল মবীন বলেছেন: ওহ সরি ভাই,ঠিক আছে।মিষ্টি খাওয়াতে চেয়েছেন তার জন্য মিষ্টি ধন্যবাদ :-)

১২| ০৬ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাফরুল মবীন,




এ যাবত দেয়া আপনার সকল পোস্ট জুড়ে রয়েছে করোনার কমপ্লিট ব্যবচ্ছেদ , স্টেপ বাই ষ্টেপ । পাঠকদের জন্যে এ এক অনন্য প্রাপ্তি। এক "জাফরুল মবীন" এর ভেতরে করোনার সব কর্মবৃত্তান্ত!
হ্যাটস অফ..................

০৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:০১

জাফরুল মবীন বলেছেন: এ ধরনের কমেন্ট পড়লে কেন জানি ভেতর থেকে কান্না চলে আসে।আমার যোগ্যতার চেয়ে এ অনেক বেশি প্রাপ্তি! আল্লাহ তুমি আমার এ ভাইটিকে চির হেফাজত করিও।আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন এ শুভকামনা রইলো অফুরন্ত।

১৩| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
যেকারো যেকোন বিষয়ে ভ্নন্নমত থাকাই স্বাভাবিক।
কিন্ত দু:খজনক হচ্ছে লেখার ব্যাপারে কোনো কথা না বলে অপ্রাঙ্গিক বিষয় টেনে এনে ঝগড়া বাধানো।
এরকম করার উদ্দেশ্য কি হতে পারে?

০৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:০৫

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাই আমাদের প্রধান সমস্যাতো এটাই।আমরা মূল বিষয় থেকে সরে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ি।আমাদের এই মজ্জাগত দূর্বলতাটাকে যথাসম্ভব ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে নিজের জ্ঞান চর্চা চালিয়ে যাই।আলো একসময় অন্ধকারকে দূর করবে ইং শায়া আল্লাহ।

১৪| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৫০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন প্রয়োজনীয় একটি বিষয়ে সৃমদ্ধ রচনা।

সত্যিই এক বিভিষিকাময় অবস্থা। গত মাসের ২১ তারিখ থেকে বাসায়। আগামী ৩১ শে মে অফিস খুলবে।
কি যে বিশ্রি রকম অনুভব বোঝানোর ভাষা নেই।
তাই এক সপ্তাহ পরই শুরু করলাম ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।
ধ্যান, মোরাকাবাতো আগে থেকেই অভ্যস্ত। প্রতিটা সেশনের পর মনে হয় - ্ওয়াও.
যেন এক নতুন মানুষ নতুন দিন শুরু করলাম। বাচ্চাদের নিয়ে প্রতিদিনি কোরআন অনুবাদ তিলাওয়াত,
লুডু খেলার মতো ছোট্ট খেলাতেও খুঁজে পেলাম দারুন বিনোদন। ;)
নেট, ব্লগ, ফেসবুক এক সময় বোর লাগে। সিনেমা্ও সব প্রায় দেখা পর্যায়ে! কি যে অবস্থা৥

আপনার সাজেশন গুলোর নতুন গুলো প্রাকটিসের চেষ্টা করবো। :)
আর করোনাত্তর চিন্তা্ও সরিয়ে দিয়েছি অতি সাধারন -বিশ্বাসে- আল্লাহ ভরসা। তিনি যা করেন।

সকলে সুস্থ থাকুক এই সংকটে এবং সকটোত্তর দিনগুলোতে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯

জাফরুল মবীন বলেছেন: আপনার কথাগুলো পোস্টকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি অনেকের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্ট পাঠান্তে চমৎকার মন্তব্যটি করার জন্য।করোনার উপর একটা কোর্স করে ফেলুন।৫০বছর পর উত্তরসূরীরা সেটা দেখে বলতে পারবে করোনা মহামারীতে আমার দাদা সার্টিফাইড করোনা বোদ্ধা ছিলো :-)

নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন সপরিবারে এ শুভকামনা রইলো।

১৫| ০৭ ই মে, ২০২০ রাত ১:০১

সুপারডুপার বলেছেন:



সুপার !!! ব্লগ কর্তৃপক্ষও এগিয়ে এসেছেন কিছু মানসিক রোগীর চিকিৎসা দিতে। উনাদের অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪১

জাফরুল মবীন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৬| ০৭ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাই আমাদের প্রধান সমস্যাতো এটাই।আমরা মূল বিষয় থেকে সরে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ি
এটাও একটা মানসিক রোগ। সঠিক চিকিৎসা হলে
এই রোগ নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকরা দ্বায়িত্ববান হোনভ
রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ অগ্রাহ্য করবেন না।
প্রতিটি ক্রিয়ারই ভালো মন্দ উভয় দিক আছে। করোনা
আমাদের যেমন আতঙ্কিত করেছে তেমনি পরিবেশকেও
পরিশুদ্ধ করেছে। দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয় তবে
দাগও মন্দ নয়। ব্লগের পরিবেশেও এখন সুবাতাস !!!!

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই।প্রতি উত্তরে আরও কিছু বলার আছে। ইং শায়া আল্লাহ আবার ফিরে আসব।

১৭| ০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৩:২৭

রুদ্র নাহিদ বলেছেন: ধন্যবাদ। মানসিক রোগ নিয়ে আমরা এতো কম কথা বলি কেন?

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮

জাফরুল মবীন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই রুদ্র নাহিদ।মানসিক রোগ নিয়ে আমাদের নেতিবাচক ধারনা, সচেতনতার অভাব এবং যাদের এ বিষয়ে জানানোর দায়িত্ব তাদের দায়িত্বহীনতা এ পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী।

১৮| ০৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:০৯

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: এতো কিছু একসাথে লিখলে সবকিছু কেমন গুলিতে ফেলি।সবগোলই গুরুত্বপুর্ন,কিন্ত মনে রাখা মুসকিল হয়ে যায়।কষ্টকরে এতো বড় পোষ্ট লেখার জন্য ধন্যবাদ

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৫০

জাফরুল মবীন বলেছেন: পোস্ট পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

১৯| ০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৯

এম এ হানিফ বলেছেন: অনেক মুল্যবান কথা লিখেছেন। ধন্যবাদ কষ্ট করে এত কিছু লেখার জন্য।

০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

জাফরুল মবীন বলেছেন: পোস্ট পাঠ ও সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এম এ হানিফ।শুভকামনা রইলো অফুরান।

২০| ০৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৩২

জাফরুল মবীন বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ব্লগ কর্তৃপক্ষের নিকট পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য।

২১| ০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট ভাইয়া !

০৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৫৫

জাফরুল মবীন বলেছেন: পোস্ট পাঠ, উৎসাহ প্রদান এবং সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ বোন মনিরা সুলতানা।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য।

২২| ০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৭

নতুন নকিব বলেছেন:



করোনা বিষয়ক আপনার প্রতিটি পোস্ট গুরুত্ববহ। কষ্টসাধ্য সচেতনতামূলক অত্যন্ত মূল্যবান এই লেখাটির জন্য সশ্রদ্ধ সালাম আপনাকে।

ব্লগ অথরিটি এমন একটি পোস্টকে স্টিকি করেছেন বলে তাদের প্রতিও সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা।

এই পোস্ট পাঠে সকলে উপকৃত হবেন আশা করছি। +++

০৮ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:০১

জাফরুল মবীন বলেছেন: উয়ালাইকা আস সালাম ওয়া রহামাতুল্লাহ।এরূপ মন্তব্য একজন লেখকের জন্য বিরাট প্রাপ্তি এবং প্রেরণার উৎস্য।কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ভাই আপনাকে।আল্লাহ আপনার সর্বাঙ্গীন কল্যাণ করুন।

২৩| ০৮ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার আব্বা ছিলেন আড্ডাবাজ মানুষ।(আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুন)
আমরা ভাইয়েরাও সেই স্বভাব পেয়েছি। বাইরে বাইরে থাকাই আমাদের স্বভাব। সেই স্বভাবগত কারনের সাথে ব্যাবসার কাজ
মিলিয়ে রাত ১০টার আগে কখোনো ঘরে ফেরা হয়না। সেই আমি কিভাবে লকডাউনে থাকব এই চিন্তায় অস্থির ছিলাম।
আলহামদুলিল্লাহ। বই পড়া,নামাজ,ছাদ বাগান মিলিয়ে সুন্দর সময় কেটে যাচ্ছে। আরেকটা কাজও করি- যেমন একটু আগে করলাম, গিন্নির সাথে পাটশাক,লতি এইসব কুটা বাছা B-)
শুধু করোনা সময় নয় সব সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় পোস্টটি প্রিয়তে রাখলাম।

০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:১৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: আল্লাহ আপনার বাবাকে জান্নাত নসিব করুন।
আলহামদুলিল্লাহ আপনি সুন্দর ভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছেন।মাঝে মাঝে নিজেই হাঁপিয়ে উঠি।
অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যটির জন্য। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি পোস্ট প্রিয়তে নেওয়ার জন্য।
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

২৪| ০৮ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:০১

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষ দুটো কোর্স শেষ করলাম, স্যার আপনার মেসেন্জারে পিক দিয়েছি; অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্বা জানবেন।

০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:২৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ!অভিনন্দন আপনাকে।নিচে ২৭ নং কমেন্ট লক্ষ্য করুন প্লিজ।

২৫| ০৮ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:১৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: প্রতিদিনের গবেষনামূলক তথ্য আমাদের আরও চিন্তিত করছে ......
........................................................................................................
বলা হচ্ছে যে, শ্বাসকষ্টের চেয়ে রক্তে জমাট বাঁধার কারনে মৃত্যু বেশী ঘটছে ।
আবার করনা আক্রান্ত পুরুষের শুক্রানুতে পাওয়া গেছে ।

০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৩৮

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যই হলো সারা দেহে ছড়িয়ে পড়া যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় ভাইরেমিয়া বলে।ভাইরাসগুলো দেহের যেসব কোষে নিজেকে আটকানোর রিসেপ্টর খুঁজে পায় সেখানেই সংযুক্ত হয় এবং সেই কোষে প্রবেশ করে।অধিকাংশ ভাইরাস দেহের সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় প্রবেশ করে অধিক ক্ষতি করে থাকে।যেমন হেপাটাইটিসের ভাইরাস মূলত লিভারকে আক্রমণ করে। এইডসের ভাইরাস বডির ইমিউন সিস্টেমকে আক্রমণ করে, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। আলোচিত করোনা ভাইরাস এমন কিছু রিসেপ্টরের সাথে সংযুক্ত হয় যারা দেহের প্রায় সব স্থানের কোষেই মাঝেই বিদ্যমান।সে কারেণে এটি মাথা থেকে পায়ের আঙ্গুল পর‌্যন্ত সর্বত্রই এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখাতে পারে।যেহেতু চিকিৎসকরা এটিকে প্রথমে শ্বাসতন্ত্র আক্রমণকারী ভাইরাস হিসাবে প্রচার করেছেন তাই সাধারণ মানুষও করোনার উপসর্গ জ্বর-সর্দি-কাশি-শ্বাসকষ্ট এর মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে মনে করেছেন।যেহেতু এখন এ ভাইরাসের অন্য অন্যন্য স্থানের আক্রমণের বিষয়টি উপলব্ধ হচ্ছে,তাই উদ্ভূত উপসর্গগুলোকে নতুন নতুন মনে হচ্ছে।আমি এ বিষয়ে আমার প্রথম পোস্ট ‘করোনা মোকাবেলায় যা জানা জরুরি’ পোস্টে বিস্তারিত উল্লেখ করেছি।ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যের জন্য।

২৬| ০৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: মানসিক রোগ নিয়ে হালকা কিছু পড়লাম কয়েকদিন। মনে হয়েছিল ব্লগে লিখব। দেখলাম অলরেডি লিখা হয়ে গেছে। খুব সুন্দরভাবে উপ্সথাপন করেছেন। ভালো লাগলো পোস্টটা পড়ে।

০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৪৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: একই বিষয় উপস্থাপনে একেকজনের দক্ষতা একেক রকমের।আপনির লেখনির স্টাইল অনেক সাবলীল।আপনি এ বিষয়ে লিখলে সেটি আরও বেশি সুখপাঠ্য হতে পারে।আর অবহেলিত অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে রিইনফোর্সমেন্ট খুবই জরুরি।সুতরাং আপনিও লিখুন প্লিজ।

পোস্ট পাঠ ও সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

২৭| ০৯ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:২১

জাফরুল মবীন বলেছেন: অভিনন্দন কাজী আবু ইউসুফ(রিফাত)।আপনার অর্জিত সার্টিফিকেটদ্বয় এখানে আপলোড করে দিলাম।আশা করি অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবেন।



২৮| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:১২

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: অসাধারণ। Hats off brother..

০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

জাফরুল মবীন বলেছেন: প্রেরণাদায়ী মন্তব্যের জন্য সকৃতজ্ঞ ধন্যবাদ ভাই প্রজ্জলিত মেশকাত।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

২৯| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

তারেক ফাহিম বলেছেন: অনেক অনেক তথ্য এবং অনুকরন মুলক পোষ্ট।
প্রিয়তে রাখলাম, সময় করে আমার দেখে নিব।

নিরব থাকা, কিংবা প্রয়োজনের অধিক কথা না বলা; এটা কি মানসিক রোগীর লক্ষন?


০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: পাঠ ও সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই তারেক ফাহিম।

নীরব হয়ে যাওয়া বিষণ্নতার লক্ষণ।অতিরিক্ত কথা বলা ম্যানিয়া, ডিমেনসিয়া, করোনার লক্ষণ হতে পারে। তবে কম কথা বলা বা বেশি কথা বলা যদি স্বভাবগত হয় সেটি রোগের উপসর্গ নয়।

অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৩০| ০৯ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: মানসিক অসুস্থতা একটা ট্যাবু বিষয় আমাদের কাছে, এই নিয়ে কেউ আলাপ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এই পোস্টে আপনি এত বিস্তারিত ভাবে অনেকগুলো মানসিক রোগ আর তার সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করেছেন তা থেকে আমরা অনেক কিছু জানতে পারলাম। আত্মহত্যার যে বিষয়গুলো তুলে এনেছেন তা পড়ে মনে পড়ল, কিছুদিন আগে এক অতি মেধাবী ছেলের আত্মহত্যার কথা শুনেছিলাম, তার পাবার আর কিছু ছিল না বলে আত্মহত্যা করেছিল!! সে ঢাবিতে তার বিভাগে সবসময় প্রথম স্থানে থাকত, খেলাধুলায় প্রথম, তুখোর ড্রামবাদক, ভালো সামাজিক অবস্থান- একসময় তার মনে হল জীবনে আর কিছু পাবার নেই, আত্মীয় বন্ধুদের সবসময় বলতো তার মরে যেতে ইচ্ছা করে, কিন্তু কেউ তার কথায় গুরুত্ব দেয়নি।

দোয়া করি এই পোস্ট পড়ার পর আমরা আত্মহত্যার যে পূর্বাভাস পেলাম, তা যেন কাউকে জীবনের পথে ফিরিয়ে আনতে কাজে লাগাতে পারি।

ইদানিং আমি ডেঙ্গু নিয়ে টেনশনে আছি। করোনার কালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে, তার প্রতিরোধ আর প্রতিকার কী হবে? আশাকরি সময় করে এটা নিয়ে লিখবেন।

অতি দরকারি পোস্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন মানসিক রোগ ও মানসিক সমস্যার ব্যাপারে আমাদের নেতিবাচক মনোভাব ও অসচেতনতা রয়েছে।

উন্নত অনেক দেশই আত্মহত্যা বৃদ্ধির ব্যাপারে সতর্ক বার্তা দিয়েছে।আর ভারত-বাংলাদেশে আত্মহত্যা আগে থেকেই একটা বড় সমস্যা।

ডেঙ্গুর বিষয়ে আমার ১ম পোস্টে আলোকপাত করা হয়েছে।চেষ্টা করব ভাই ডেঙ্গুর উপর কিছু লিখতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজকে করোনা রোগিদের করোনা টেস্টের সাথে সাথে ডেঙ্গু টেস্ট করার নির্দেশনা দিয়েছে।

পোস্ট পাঠ এবং খুব প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় মন্তব্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করার জন্য সকৃতজ্ঞ ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৩১| ০৯ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: শুকরিয়া স্যার, জাজাকাল্লাহ খাইরান।

০৯ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৫

জাফরুল মবীন বলেছেন: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।

*** স্যার না ডেকে ভাই ডাকলে খুব খুশি হবো।***

অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাই কাজী আবু ইউসুফ( রিফাত) এর জন্য।

৩২| ১০ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৫

সোহানী বলেছেন: দেশের বাইরে আসার পরই প্রথম টের পেলাম মেন্টাল হেল্খ নামে একটি গুড়ুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যা স্কুলের প্রথম গ্রেড থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্লাসে পড়ানো হয়, কাউন্সেলিং হয়, ডিসকারশান হয়। এ বিষয় যে এতোটা গুড়ুত্বপূর্ণ তা দেশে থাকতে আমরা কোনভাবেই বুঝি না। অথচ আমাদের দেশেই দরকার সবচেয়ে বেশী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা। কারন চারপাশের ঘটনা সহ প্রতিদিন পেপারে খুন ধর্ষন মারামারি কাটাকাটি দেখতে দেখতে কখন যে মানসিক রোগীতে পরিনত হই তা নিজেরাই জানি না।

আর এবারতো আরো ভয়াবহ অবস্থা হচ্ছে এবং হবে। কিন্তু বরাবরের মতো এ নিয়ে আমাদের কোন মাথা ব্যাথা থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। আসলে পেটের ভাতই যেখানে জোগাড়ের কষ্ট সেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কে চিন্তা করেন, বলুন!

তারপরও দরকার সচেতনতা। চমৎকার এ বিষয়ে লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:৫৭

জাফরুল মবীন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন বোন সোহানী।উন্নত জাতি গঠনে নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষিক সুস্থতাও অত্যন্ত জরুরি। আপনার মন্তব্যটি পোস্টটিকে নিঃসন্দেহে সমৃদ্ধ করল।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানবেন বোন।অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৩৩| ১১ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:১৬

কল্পদ্রুম বলেছেন: আমার মতে এই দেশের জন্সাধারণের সবথেকে মারাত্মক সমস্যা হলো ভয়।জাফর ইকবাল স্যারের একটা লেখা মনে পড়লো-"ভয় থেকে বাঁচার জন্য জানার থেকে ভালো উপায় আর নাই।"বাঁচার জন্য ভয়ের দরকার আছে।কিন্তু জানলে পরে বোঝা যায় বেশির ভাগ ভয়ই আসলে ভিত্তিহীন।

আপনাকে ধন্যবাদ।খুবই সময়োপযোগী লেখা।

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০০

জাফরুল মবীন বলেছেন: পোস্ট পাঠ ও চমৎকার মন্তব্যটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ কল্পদ্রুম।আপনার জন্যও রইলো অনেক অনেক শুভকামনা।

৩৪| ১৪ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:২৯

Subdeb ghosh বলেছেন: আমার বাবা ব্রেন স্ট্রোক করে ভর্তি আছেন হাসপাতালে,
অনেক মানষিক ভাবে চিন্তিত ছিলেন বিশ্বব্যাপি করোনা
ভাইরাসের আতঙ্ক নিয়ে,যা আমরা বুঝতে পারিনি।

১৪ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২২

জাফরুল মবীন বলেছেন: আপনার বাবার অসুস্থতার খবর শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল।বাবার এরূপ অসুস্থতায় সন্তানের কেমন লাগে সে অভিজ্ঞতা আমার আছে।দুয়া করি উনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন।দুঃশ্চিন্তা খুব বড় মাপের নিরব ঘাতক।প্রসঙ্গক্রমে একটা কথা জানিয়ে রাখি শুধুমাত্র স্ট্রোক করোনার উপসর্গ হতে পারে।এ বিষয়ে আমার লেখা একটা আর্টিকেল রয়েছে।

আপনার ও আপনার বাবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.