নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

০১৬২৩২৩১৪৬৬

Zohirulbellal

আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ, মুসলিম ব্যক্তিত্ব,আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সবার উপকারে আসুক এই প্রত্যাশাই সর্বক্ষন।আরো আছে যে,একজন সাধারণ মানুষ, এ ছাড়া আর কছিুই না , সবার ভালবাসা চাই।আমি দোয়া প্রার্থী।

Zohirulbellal › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের গোপাল ভাঁড় মন্ত্রী সফদার ডাক্তার এর চেয়েও বড় হাতুড়ে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১৫

শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। রেভিনিউ কালেকশনের খাত হিসেবে শিক্ষাকে কেন বেছে নিল সরকার? টিউশন ফীর এর উপর অযৌক্তিক ভ্যাট আরোপ এর এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যায় না কোন যুক্তিতেই। অবৈধ কোটিপতি সংসদ সদস্যরা বিনাশুল্কে গাড়ি পায় আর দ্রব্যমূল্যের চরম উর্ধ্বগতিতে নাজেহাল মধ্যবিত্তের সন্তানদের হতে নির্লজ্জ্বভাবে ভ্যাট আদায় করা হয়। এ কেমন বৈষম্য!
কুইক রেন্টাল এর নামে কুইক দুর্নীতি হচ্ছে দেশে। হলমার্ক, শেয়ারবাজার, পদ্মাসেতু, সোনালী ব্যাংক, ডেসটিনি, রেলওয়ে হতে লুটপাটকৃত লক্ষ কোটি টাকা কোথায় তা জানার অধিকার আমাদের আছে। এই দেশকে দুর্নীতিবাজ লুটেরাদের স্বর্গরাজ্য হতে দেয়া যায় না।
দুর্নীতি ও অর্থপাচার বন্ধ কর,
‪#‎ভ্যাট‬ প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের ভারমুক্ত কর।
একজন আয়কর আইনজীবি হিসেবে বলছি, এনবিআর ও অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য আইনবিরোধী ও শুভঙ্করের ফাঁকি। তারা বলছে, ছাত্রদের নয়, ভ্যাট দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। ১৯৯১ সালের ভ্যাট আইন ও বিধি এর ভাষ্যমতে, ভ্যাট পরিশোধ করবে পণ্য ও সেবার গ্রহীতা তথা ভোক্তা। আইনমতে, ছাত্ররা এখানে ভোক্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের কাছ হতে ভ্যাট সংগ্রহ করে সরকারী কোষাগারে জমা দিবে।
ভ্যাট সম্পর্কে বেশিরভাগ লোকের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে এনবিআর ও আবুল মাল ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলন দমানোর কৌশল হিসেবে তাই কথার মারপ্যাচ বেছে নিয়েছে। এনবিআরকে ভ্যাট সংগ্রহ ও জমাদানের হিসাব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে, প্রতিটি ছাত্রকে নয়। কিন্তু নিশ্চিতরূপেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেটা আদায় করবে ছাত্রদের কাছ হতে এবং সেটা আইনগত ক্ষমতাবলেই। কোন বিশ্ববিদ্যালয় যদি বলে থাকে তারা ছাত্রদের কাছ হতে ভ্যাট নিবে না, তাহলে সেটাও শুভঙ্করের ফাঁকি। তারা এক্ষেত্রে ছাত্রদেরকে প্রদত্ত বিভিন্ন স্কলারশীপ ও রিবেট সুবিধা হ্রাস করবে এবং সেই বাবত যে বাড়তি টাকা ছাত্রদের কাছ হতে নিবে তা ভ্যাট কালেকশান হিসেবে দেখিয়ে সরকারী ফান্ডে জমা দিবে।
“তাদের (প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের) দৈনিক খরচ এক হাজার টাকা। মাসে প্রত্যেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করেন। আমি কত চাচ্ছি, মাত্র ৭৫ টাকা (হাজারে)। এটা নিয়ে আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা দেখি না আমি।” - আবুল মাল, ১১/০৯/২০১৫ ইং।
একই তারিখে আবুল মাল আরো বলেন- “এবার ছাড় পেলেও ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদে ভ্যাট দিতে হতে পারে। ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট থাকবে। এটা তো ন্যূনতম। যেখানে অন্য খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা হয়, সেখানে মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।’
কিছু বুঝলেন???
আচ্ছা এবার বাস্তবতাটা বলি। ১৯৯১ সালের ভ্যাট আইন ও বিধিমতে, ভ্যাট তথা মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর যা পরিশোধ করবে পণ্য বা সেবার ভোক্তা বা গ্রহীতা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখানে ভোক্তা বা গ্রহীতা নয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাহলে টাকাটা কোন উৎস হতে দিবে? নিশ্চয়ই তারা ছাত্রদের কাছ হতে সংগ্রহ করবে প্রত্যক্ষভাবে না পারলে পরোক্ষভাবে। পরোক্ষভাবে কিভাবে? টিউশন ফী বাড়িয়ে, ছাত্রদের প্রদত্ত স্কলারশিপ সুবিধা, রিবেট সুবিধা হ্রাস করে। আরো নানা কায়দা আছে।
আবুল মাল কি অর্থনীতির কিছু আদৌ বুঝে? তার কথা শুনেতো গোপাল ভাঁড়ের চেয়েও বড় জোকার মনে হয় তাকে। ডাইরেক্ট ট্যাক্স ও ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স এর পার্থক্য সে বুঝে না। ইনকাম ট্যাক্স আর ভ্যাট এর পার্থক্যও বুঝে না।
ভ্যাট এর সাথে ছাত্রদের দৈনিক খরচের সম্পর্ক কী? ছাত্ররা কি তবে টিউশন ফী নয়, দৈনিক কত টাকা খরচ করে তার ওপর ভ্যাট দিবে। যে বলতে পারে প্রাইভেট ভার্সিটির সকল ছাত্রই দৈনিক ১,০০০ টাকা খরচ করে তারতো দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে কোন বাস্তব ধারণা আছে বলে মনে হয় না। ঘুষ দুর্নীতি সে অবৈধ মনে করে না, সেতো আসলে ঘুষ দুর্নীতিকে উত্‍সাহিত করছে। ছোটবেলায় প্রাইমারীতে এক হাতুড়ে ডাক্তার নিয়ে ছড়া পড়েছিলাম-
সফদার ডাক্তার
মাথাভরা টাক তার
খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে।
চেয়ারেতে রাত দিন
বসে গুনে দুই তিন
পড়ে বই আলোটারে নিভিয়ে।
..._ _ ।
আমাদের গোপাল ভাঁড় মন্ত্রী সফদার ডাক্তার এর চেয়েও বড় হাতুড়ে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.