| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
Zohirulbellal
আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ, মুসলিম ব্যক্তিত্ব,আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সবার উপকারে আসুক এই প্রত্যাশাই সর্বক্ষন।আরো আছে যে,একজন সাধারণ মানুষ, এ ছাড়া আর কছিুই না , সবার ভালবাসা চাই।আমি দোয়া প্রার্থী।
মার্কিন জরিপের মলাটে ভরে প্রথম আলো-নিটল
গ্রুপের যৌথ উপহারজাতিসংঘ সহ অারো অনেক
বিশ্ববিখ্যাত অান্তর্জাতিক মানবাধিকার ও অন্যান্য সংস্থা
নিকট অতীতে বাংলাদেশের ব্যাপারে অনেক
গুরুত্বপৃুর্ণ মন্তব্য করেছে,উদ্বেগ প্রকাশ
করেছে। সে সবের সংবাদ মূল্য অনেক বেশি
হলেও সেগুলি নিয়ে প্রথম আলোর মত
পত্রিকাগুলি কোন সংবাদ প্রকাশ করে নি। কিন্তু আজ
অজ্ঞাত,অখ্যাত কিংবা বিশ্ব পরিসরে অতি স্বল্প পরিচিত
একটি প্রতিষ্ঠানের একটি জরিপকে অত্যন্ত গুরুত্ব
দিয়ে প্রকাশ করেছে । অবস্থা দৃষ্টে মনে
হচ্ছে, উক্ত জরিপটি ৫ই জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের
সকল লজ্জা ও কদর্যতাকে মুছে দিয়েছে । একই
গোছের মিডিয়া ও পত্রিকা গুলির ভাবখানা এমন যে
এখন থেকে এদেশে নির্বাচনের কোন দরকার
নেই। অজ্ঞাত,অখ্যাত মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
পক্ষ থেকে এরূপ একখানা জরিপ হলেই চলবে ।
গত রাতে অনলাইনে প্রথম শিরোনাম করা হয়েছিল,
সরকারের চেয়ে অধিক জনপ্রিয় শেখ হাসিনা।
শিরোনামটি একটু বেশি তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ায় তা পরে
সংশোধন করে লেখা হয়েছে - সরকারের
জনপ্রিয়তা বেড়েছে /দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ/
মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপ। পাঠকদের
বিভ্রান্ত করতে রিপোর্টটিকে আরেকটু ভারিক্কি
দেখাতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মুখপাত্রের
মন্তব্য জুড়ে দেয়া হয়েছে। বিএনপির মুখপাত্র
এখান থেকে তাদের দলের জন্যে কোন
দরকারি তথ্য কিভাবে পাওয়া যায় সেই কোশেশটিও
করেছেন। খোদ জরিপটি নিয়ে কোন প্রশ্ন
তোলার সাহস তিনি করেন নি।যাই হোক, কৌতুহল বশত
মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান
ইনস্টিটিউটের (আই আর আই) ওয়েবসাইটটি ঘুরে
দেখলাম। কারণ, মার্কিন মুল্লুকে এই কিছিমের
গবেষণা প্রতিষ্ঠান যে কেউ করতে পারে।
কোন মুক্ত গবেষক এই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে
আরেকটু আলোকপাত করলে এদেশের জনগণ
খানেকটা উপকৃত হবে।আইআরআই নামক প্রতিষ্ঠানটি
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় তাদের পার্টনারদের নাম
তুলে ধরেছে। বাংলাদেশে তাদের পার্টনার বা
সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে দিয়েছে
Bangladrsh Women Chamber of Commerce and
Industry (BWCCI) এর নাম। সামাজিক সংগঠনের
অবয়বে অনেকটা ব্যক্তিগত এই প্রতিষ্ঠানটির
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসাবে রয়েছেন নিটল-নিলয়
গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের
বর্তমান চেয়ারম্যান মাতলুব আহমেদের সহ ধর্মীনি
জনাবা সেলিমা আহমেদ। উক্ত দম্পতির বর্তমান
রাজনৈতিক অানুগত্য নিয়ে কারো কোন সন্দেহ বা
কনফিউশন থাকার কথা নয় । কাজেই সব আলামত
দেখে মনে হয় যে এই জরিপটি মার্কিন মলাট
লাগিয়ে সরকারের জন্যে নিটল-প্রথম আলো
গ্রুপেরই একটি যৌথ উপহার।দৈনিক প্রথম আলো এবং
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের দিনকাল ইদানিং খুব
ভালো যাচ্ছিল না। তাদেরকে নাকি ভাতে মারার,
পানিতে মারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বহুজাতিক ও
দেশীয় বৃহৎ সংস্থাগুলোর বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে
গেছে পত্রিকা দুটিতে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা
গেছে, সরকারের একটি বিশেষ মহলের চাপে
প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সব ধরনের বিজ্ঞাপন এ দুটি
পত্রিকা থেকে প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হচ্ছে।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এ কর্মরত এক
হাজারেরও বেশি সাংবাদিক-কর্মচারি এ ঘটনায় অনিশ্চয়তা
আর আতংকে ভুগছেন।কাজেই এই জরিপটি প্রকাশ
করে (আগে করে ফেলা ) কিছু সত্য প্রকাশের
জন্যে কাফফারা দেয়া হচ্ছে! কর্পোরেট ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানগুলিরহাতে দেশের গণমাধ্যম চলে যাওয়ার
বিপদটি এখানেই স্পষ্ট হয়ে পড়েছে।কারণ
কর্পোরেট হাউজগুলির অন্ডকোষে সুতা লাগিয়ে
রাখে সরকার। সরকারের চরিত্রটি ফ্যাসিবাদি হলে
দরকার মত এই সুতা ধরে যখন তখন টান দেয়। তখন
কর্পোরেট হাউজের অধীনস্ত মিডিয়াগুলি আজব
ইশারায় কাজ করতে থাকে।অন্য একটি ব্যবসায়ী
গ্রুপের পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিন।পত্রিকাটি গত
কয়েকদিন যাবত একজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে
লেগেছে। এই ব্যবসায়ীর শরীরে বিএনপির
গন্ধ পেয়েছে পত্রিকাটি। কাজেই বিএনপি ও
জামায়াত পন্থী ব্যবসায়ীদেরকে সমূলে উৎপাটন
করতে এরা সরকারের বুদ্ধিবৃত্তিক লাঠিয়াল হিসাবে
কাজ শুরু করে দিয়েছে।বিএনপি গন্ধযুক্ত যে
কোন বিজনেসম্যানকে সরকার ইতোমধ্যে
মিসেস প্যাকেলটাইড'স টাইগার বানিয়ে ফেলেছে।
আমরা কলেজে থাকাকালিন এই ধরনের একটি গল্প
পড়েছি। মিসেস প্যাকেলটাইড নামক এক ইংরেজ
ভদ্রমহিলা তার অন্য এক সামাজিক কম্পিটিটরকে পরাজিত
করার নিমিত্তে বাঘ শিকারের পরিকল্পনা করে। শিকার
কর্মটিকে সহজ ও আরামদায়ক করারনিমিত্তে বয়স্ক
ও মরা গোছের একটি বাঘ খুঁজে বের করে। এ
থেকেই নাম হয়েছে মিসেস প্যাকেলটাইড'স
টাইগার।দেশের সচেতন ব্যক্তিমাত্রই জানেন যে
অর্থনীতিতে কী মহালুটপাট শুরু হয়েছে। এই
লুটপাটের অর্থের জোগান দিতে বিশ্বে জালানি
তেলের দাম কমলেও আমাদের দেশে বিদ্যুৎ ও
গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ছয় বছরে
দেশের ব্যাংকগুলিতে পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা
খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুমান করতে
একটুও কষ্ট হয় না যে এই সব লুটপাটের সাথে
সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট ও সম্পৃক্ত ব্যবসায়ী এবং
লুটেরারাই রয়েছে।
©somewhere in net ltd.