| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অমর একুশ : একটি প্রস্তাব
ইট-পাথর-সিমেন্ট-বালু আর টাইলস্ এর শহীদ মিনার ফুল মালা দিয়ে কী লাভ....
এর চেয়ে ভাল কিছু কি আমরা করতে পারি না?
শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাভাষার রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে। কিন্তু সেই শহীদ রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত শফিউর দের মত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আমরা একটি দিবসে জাস্ট ফুল দিয়ে কথিত শ্রদ্ধা জানাচ্ছি....
কিন্তু বাস্তবতা বড়ই কঠিন....
আমরা কী ভাষা শহীদদের পরিবারের খোঁজ-খবর রাখি। তারা কিভাবে দিনাতিপাত করে...তাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়া হয়েছে কিনা? আমরা সেই জাতি ...যারা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে পৃথিবীতে এর নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।
আচ্ছা একটা কাজ করলে কেমন হয়....
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়/সমাজকলাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা যে প্রতিষ্ঠানের নাম হবে
“ভাষা শহীদ পরিবার কল্যাণ ট্রাস্ট”
এই ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকার ভাষা শহীদ পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।
অর্থের উৎস : ফুল দিতে গেলে পাঁচ টাকার নিচে গোলাপ ফুল হয় না....শহীদ মিনার নির্মাণের প্রকল্প পাঁচ লাখ টাকার নিচে হয় না। কিন্তু পাঁচ পয়সাও উপকার হয় না....ভাষা শহীদদের ও শহীদ পরিবারগুলোর।আচ্ছা ঐ ট্রাস্টকে প্রতি একুশে ফেব্রুয়ারিতে ষোল কোটি জনগন যদি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালবাসার স্বরূপ হিসেবে 1 (এক) টাকা ডোনেট করি তাহলে তা বার্ষিক ষোল কোটিতে দাঁড়াবে।
কিভাবে সংগ্রহ কর যাবে : এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটর রা ভূমিকা রাখতে পারে যে প্রতি গ্রাহকের কাছে 1 (এক)টাকা ব্যালেন্স থেকে কেটে ট্রাস্টে জমা দিতে পারে।এছাড়া অফিস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পৃষ্টপোষকতায় অফিসার-অন্যান্যদের নিকট থেকে অর্থের যোগান আসবে।
একুশ অজুহাতে কত শ্রেণির লোক নিজেদের স্বার্থে অনেক কাজ করে, লেখক বই লেখে, প্রকাশক বই প্রকাশ করে, সরকারি আমলা আর রাজনীতিবিদরা নিজেদের সুবিধা নিয়ে নেয়....শহীদ মিনার প্রকল্পে প্রকৌশলী/ ঠিকাদাররা নিজেদের সুবিধা বুঝে নেন। কিন্তু ভাষা শহীদ পরিবারের কী উপকার হয়....শুধু মরণোত্তর একুশে পদক দিয়ে দায়িত্ব খালাস....ছি আমাদের নেতৃত্ব আর নীতি নির্ধারকরা এতটা অকৃতজ্ঞ। 
©somewhere in net ltd.