| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(১)
মানব মস্তিষ্ক এখন জ্বীনের আছড়ে। সেই আদিম বোতলজাত জ্বীন এখন মস্তিষ্কজাত হয়ে উঠেছে। কোনো জ্বীন উত্তরের, কোনো জ্বীন দক্ষিণের, কোনো কোনোটা আবার উপরের, কোনোটা লাল, কোনোটা সবুজ বিবিধ রকমের। আঁকার প্রকার ভিন্ন হলেও লক্ষ্য একটাই। সেটা হচ্ছে মানব প্রজাতির উপরে জ্বীনগিরি ফলানো অর্থাৎ জ্বীনের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। বিশ্বজুড়েই মানবতা শব্দটি এখন কলঙ্কিত ও ভূলুণ্ঠিত। আর কিছুদিন পরে হয়তো এ শব্দটি হয়তো অভিধানেও থাকবেনা। না থাকারই কথা কারণ মানবতা শব্দের কোনো অর্থই তখন খুঁজে পাওয়া যাবেনা। মানব মস্তিষ্ক যেহেতু জ্বীনের আছড়ে তাই মস্তিষ্কের নিউরনগুলো মানবতার বদলে তৈরি করছে জ্বীনতা। এই জ্বীনতাই কাজ করছে মনবতা টার্মটির আদল নিয়ে জ্বীনতাকে সবখানে ছড়িয়ে দিতে। কিন্তু জ্বীনতা মনবতা নয় তাই অচিড়েই ধরা খাচ্ছে, ধরা খাচ্ছে মনুষ্য প্রজাতিও। এবার মনুষ্য প্রসঙ্গ। কিছু উর্বর(!!) মানব মস্তিষ্ক জ্বীনকে বা জ্বীন ধারনার উৎপত্তি ঘটিয়েছিলো। উৎপত্তি ঘটিয়েই তারা ক্ষান্ত হননি বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বীনতত্ত্বের প্রসার ঘটিয়েছেন এবং এই জ্বীনকে বোতলবন্দীও করেছেন। তাদের কর্ম খালাশ। কিন্তু শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ। আবার কিছু অতি উর্বর(!!) মানব মস্তিষ্ক বোতলজাত ঐ জ্বীনকে বোতল থেকে বের করে স্থাপন করেছে অন্যান্য মনুষ্যসকল প্রজাতির মস্তিষ্কে। স্থাপন করেছে মানবতার বদলে জ্বীনতা। মানব মস্তিষ্কের নিয়ন্তা মানব মস্তিষ্কই। কিন্তু কতিপয় মানব মস্তিষ্ক বিশাল মানব প্রজাতির বেশিরভাগ মানব মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করবে তাও আবার জ্বীনতার প্রশ্রয়ে, এটাতো ঠিক নয় বা ঠিক হতে দেয়া উচিৎও নয়। মানবতা তাই বলেনা যদিও মানবতা নিজেই বিলুপ্ত প্রায়। জ্বীনেরা মস্তিষ্কে স্থান নিয়ে মস্তিষ্ককে করে ফেলেছে কলুষিত, করেছে অনুর্বর। তাই অনুর্বর এইসব মানব মস্তিষ্ক বুঝতে চেষ্টা করেও বুঝতে পারবেনা সে কার কোন অঙ্গুলি নির্দেশে কোন দিকে চলছে। ফলাফল মানুষ পরিণত হচ্ছে যন্ত্রে। আর পশু প্রজাতির কিছু মানুষ খেয়াল খুশি মতো অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা স্বাধীনতাকে পরিণত করেছে উন্মাদনায় আর বিশ্বাসকে পরিণত করেছে মুনাফায়।
(২)
একটি মানবশিশু জন্মানোর পরেই তার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সকল মানুষের সাথে। যখন সে পৃথিবীর কোনো জায়গায় প্রথম পা ফেলে, সেখান দিয়েই হয়তো হাজার বছর আগে কোনো মানুষ হেঁটে গিয়েছিলো। বর্তমানের সেই শিশুটি যেনো অনুভব করতে পারে সেই পদস্পর্শ। ভবিষ্যতের আগত মানুষটিও পারবে। মানুষের সাথে মানুষের এই সম্পর্কের সংজ্ঞা কি? পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তের কোনো মানুষের যদি কিছু ঘটে, সেই ঘটে যাওয়াটা অনুভব করে পৃথিবীর পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের মানুষ। এসম্পর্কটা যেনো সম্পূর্ণই আত্মিক, হয়তোবা সংজ্ঞাহীন। কিন্তু বিভিন্ন প্রভাব বলয়ের ভেতরে থেকে মানুষের সাথে মানুষের বিচ্ছিন্নতা বেড়ে যাচ্ছে। এসব প্রভাব বলয় মানুষের আত্মিক সম্পর্কের এই জায়গাটা দুর্বল করে দিচ্ছে। যা সম্পূর্ণতই মানব ধর্মের বিপরীত। প্রভাব বলয় মুক্ত মানুষ কখনোই অগ্রাহ্য করতে পারবেনা তার আত্মিক এই সম্পর্ককে।
২|
২১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৪২
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: আর শুধু জ্বীনের আসর মনে হইল ক্যা ? যাদু টোনা - বান মারাও তো হইতে পারে ! আবার নজরও তো লাগতে পারে । না জাইনা বলা ঠিক না! ভাল কবিরাজ দেহান । উনি ঠিক ঠাক কইতে পারবে । দরকার হইলে তুলা রাশি ডাকবে।
আর যাদু টোনারে জীনের আসর মনে কইরা আসর ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন - তো রোগীও মইরা যাইতে পারে । যাই হোক তিন ক্কুল পড়েন, আর কোন কামেল পীর থাকলে দোয়া নেন। কামে দিব ।
৩|
২২ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:১৭
পিনিকেন্দ্র বলেছেন: পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তের কোনো মানুষের যদি কিছু ঘটে, সেই ঘটে যাওয়াটা অনুভব করে পৃথিবীর পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের মানুষ। এসম্পর্কটা যেনো সম্পূর্ণই আত্মিক, হয়তোবা সংজ্ঞাহীন। কিন্তু বিভিন্ন প্রভাব বলয়ের ভেতরে থেকে মানুষের সাথে মানুষের বিচ্ছিন্নতা বেড়ে যাচ্ছে। এসব প্রভাব বলয় মানুষের আত্মিক সম্পর্কের এই জায়গাটা দুর্বল করে দিচ্ছে। যা সম্পূর্ণতই মানব ধর্মের বিপরীত।
৪|
২২ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:১৯
পিনিকেন্দ্র বলেছেন: পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তের কোনো মানুষের যদি কিছু ঘটে, সেই ঘটে যাওয়াটা অনুভব করে পৃথিবীর পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের মানুষ। এসম্পর্কটা যেনো সম্পূর্ণই আত্মিক, হয়তোবা সংজ্ঞাহীন। কিন্তু বিভিন্ন প্রভাব বলয়ের ভেতরে থেকে মানুষের সাথে মানুষের বিচ্ছিন্নতা বেড়ে যাচ্ছে। এসব প্রভাব বলয় মানুষের আত্মিক সম্পর্কের এই জায়গাটা দুর্বল করে দিচ্ছে। যা সম্পূর্ণতই মানব ধর্মের বিপরীত।
*---> এটা জ্বীনদের ধর্মের পক্ষে।
৫|
২২ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:৪০
নাজিম-উদ-দৌলা বলেছেন: এই সমস্যা নিয়ে একটা গল্প লিখছি। আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পোস্টটা আমার কাজে আসবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৩৪
সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: তিন ক্কুল পড়ে গা বন্ধ করেন।