নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এ.এইচ. সুজন এর ব্লগ

এ.এইচ.সুজন

প্রথম, শেষ ও একমাত্র পছন্দ ঘোরাঘুরি এবং শুধুই ঘোরাঘুরি।

এ.এইচ.সুজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হবিগঞ্জের বনে জঙ্গলে

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৯

যারা বনে জঙ্গলে ‍ঘুরতে ভালোবাসেন সবুজের বিস্তৃর্নতায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান তারা আশা করি কিছুটা উপকৃত হবে। আমি এই লেখার মাধ্যমে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার দুইটি সংরক্ষিত বনে ভ্রমনের ব্যাপারে বলব। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য কেন্দ্র।



সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানঃ রঘুনন্দন হিল ফরেস্টের অংশবিশেষ নিয়ে বনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত সাতটা ছড়ার সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে “ সাতছড়ি ন্যাশনাল পার্ক।১৯১৪ সালে রঘুনন্দন হিল ফরেস্টকে রিজার্ভ ফরেস্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ, ১৯৭৩ বলে ২০০৫ সালে প্রায় ৬০০ একর জায়গা নিয়ে ন্যাশনাল পার্ক গঠিত হয়। জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ এই পার্কে রয়েছে ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৬ প্রজাতির উভচর প্রাণী। পার্কটি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় অবস্হিত। ঢাকা থেকে উত্তর-পূর্বে ১৩০ কি.মি দূরত্বে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্হিত। পার্কের পশ্চিমে সাতছড়ি টি এস্টেট, পূর্বে চাকলাপুঞ্জি টি এস্টেট এবং উত্তর-দক্ষিণে রয়েছে রঘুনন্দন হিল ফরেস্টের বনায়ন।





রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য কেন্দ্রঃ



--- --- ---

খুব সকালে ঢাকা থেকে সিলেট/মৌলবীবাজার/হবিগঞ্জগামী বাসে উঠে নামতে হবে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ বা নেমে যেতে পারেন মাধবপুর থানার সায়হাম চত্বরে, ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২৭০-৩৫০ টাকা।বাস থেকে নেমে সিএনজি রিজার্ব নিতে হবে সাতছড়ির জন্য, ভাড়া নিবে ২৫০-৩০০ টাকা।

আগেইে একজন গাইড ঠিক করা থাকলে ভালে হয়, আমাদের গাইড এর নাম ও নাম্বর দিলাম, “মোঃ আব্দুর রহিম - ০১৭৪১১৪৪১৭৪ বা ০১১৯০৭৮৯১৭৬” (ট্রেইল অনুযায়ী ফি দিতে হয়)

আধা ঘন্টার ট্রেইল: ১ কি.মি দৈর্ঘ্যের এই ট্রেইল ধরে বনের মধ্যে অবস্হিত একমাত্র গ্রাম টিপরা পাড়াতে যাওয়া যায়।

এক ঘন্টার ট্রেইল: বৈচিত্রময় বনের বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী/উদ্ভিদ দেখতে চাইলে এই ট্রেইল ধরে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

তিন ঘন্টার ট্রেইল: ৬ কি.মি দৈর্ঘ্যের এই ট্রেইল ধরে এগুলে পেয়ে যাবেন আগরের বন। পাখি প্রেমীদের জন্য এই ট্রেইল আদর্শ।

বনে প্রবেশের জনপ্রতি টিকেট ২০ টাকা। সময় বুঝে যেকোন একটা ট্রেইল ধরে ঘুরে ফেলুন বনের ভিতর। দেখা মিলবে শত রকমের পাখি, বানর, হনুমান, শাপ, উল্লুক, কাঠবিড়ালি সহ আরও অনেক কিছু।



ঘুরা শেষ করে গাইডকে সাথে করে চলে যান চুনারুঘাটে, এখানেই লাঞ্চ সেরে ফেলুন। তারপর চলেযান রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য কেন্দ্রে , ‍নিতে হবে সিএনজি আর গাইডকে আগে থেকে বলে রাখলে ও ই গাড়ী ঠিক করে রাখবে। ঐ বনটা আরও সুন্দর ও গহীন।



এখানেও প্রবেশ ফি জনপ্রতি ২০ টাকা। এখানেও দেখবেন সবুজ আর সবুজ, দেখবেন অনেক অনেক বিশালাকার গাছপালা ও অনেক অনেক বন্য প্রানীর দেখা মিলবে পথে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সন্ধ্যার আগেই বন খেকে বেরোতে হবে। আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখবেন সেটা হল গাইডের সাথে সকল কিছু আগে থেকেই বিস্তারিত কথা বলে নিবেন।



বিঃদ্রঃ যাদের হাটতে অনিহা আছে তাদের জন্য এই ট্রিপ নয় কারন এই ট্রিপে মোটা মোটি ১২-১৫ কিমি পথ আপনাকে হাটতেই হবে।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.