| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাগ্রন্থ আল কোরানের দুই নম্বর সুরা, সুরা আল বাকারাহ'র ২৮৬ নম্বর,তথা শেষ আয়াতে যা রয়েছে, তা যদি সারা বিশ্বের সব মোল্লারা ভালোভাবে পড়তো এবং হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতো, তাহলে বর্তমান পৃথিবী জুড়ে শান্তি আর শান্তি বিরাজ করতো ।
বর্তমানে মানুষ একেবারেই দুর্বল এবং বলতে গেলে সব মানুষই অনেক অসুস্থ । এমতাবস্থায় শীতকালে অযু করে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত কঠিন কাজ । আমি দেখেছি অনেক মানুষ অযুর ভয়ে শীতকালে নামাজ ছেড়ে দেয়, আবার যারা বর্তমান সময়ে অযু করে, তারা লোকের ভয়ে বা লোকদেখানো অযু করে নামাজ আদায় করে । এটা শীতকালে । পৃথিবীর অনেক দেশে প্রায় সারা বছর শীত সেখানেও এমন ঘটনা ঘটে । আর ফলাফল হলো লোকদেখানো ইবাদতের জন্য সবাই মুশরিক হয়ে যায় । হেযবুত তাওহীদ নামে একটি দল আছে, এরা সবকাজ লোকদেখানো বা সন্ত্রাসীদের হাতে মৃত্যুভয়ে করে থাকে । এদের কোনো ভালো পরকাল নেই । প্রমাণ হলো - তুমি যদি বর্তমান পৃথিবীর একমাত্র সিদ্দিকের সোহবত গ্রহণ করো , তাহলে কয়েক বছর পর এগুলো দেখতে পাবে, তুমি সব মানুষকে মুশরিক দেখতে পাবে । বাংলাদেশের জাতীয় ইমামের সব বুজুর্গি লোকদেখানো দেখতে পাবে । কত ভয়ংকর অবস্থা ।
যাইহোক, আমি সবাইকে অনুরোধ করবো সবাই শীতকালে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করুন, তবে গোসল ফরজ হলে এবং গুরুতর অসুস্থ না হলে বা গুরুতর কারণ না থাকলে, আপনাকে গোসল করে নামাজ আদায় করতে হবে । নারী পুরুষ, বিশেষ নারীরা বিয়ে বা অন্য যেকোনো সময় সাজগোজের পর অবশ্যই তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করবেন। এক কথায় কোরান অনুযায়ী নিজের উপর জুলুম করা যাবে না । এখন কথা হলো, তায়াম্মুম করলে নামাজে তৃপ্তি পাওয়া যায় না । এর উত্তর হলো, অনেক বছরের অভ্যাস বদল করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে এবং সাথে সত্যবাদীদের সোহবত লাগবে । এই সত্যবাদী তো এখন প্রকাশ্যে নেই , তাহলে করণীয় হলো - সত্যবাদীদের তথা হক সুফিদের বই পড়ে সময়ের সাথে এডজাস্ট করে আমল করতে হবে । এটাও যদি কঠিন মনে হয় , তবে হক সুফিদেরকে নিজের জীবনের চাইতে বেশি ভালবাসতে হবে এবং তাদের অছিলা দিয়ে আল্লাহর নিকট হেদায়েত চাইতে হবে । যদি মনে সততা ও ন্যায়ের এবং অহংকার হীনতার কিছু অংশ তথা কিছু কল্যাণ থাকে , তাহলে ইনশাআল্লাহ হেদায়েত পাবে । আল কোরানের নির্যাস হলো - হক সুফিদের সোহবত ছাড়া হেদায়েত পাবে না অথবা হক সুফিদের দোয়া ছাড়া হেদায়েত পাবে না । সকল সাহাবী রাসুল সাঃ এর সোহবতে থেকে হেদায়েত পেয়েছেন এবং ওয়ায়েস কারনী রাসুল সাঃ এর বিশেষ দোয়ার বরকতে হেদায়েত পেয়েছেন । এই দুই পদ্ধতির বাইরে কোনো হেদায়েত নাই ।
নিজের উপর জুলুম করে অযু করে মুশরিক হওয়ার দরকার নেই , একটু তৃপ্তি কম হলেও তায়াম্মুম করে শীতের সময় নামাজ আদায় করুন । হক সুফিদের অছিলা দিয়ে আল্লাহর নিকট হেদায়েত চাইতে থাকুন, ইনশাআল্লাহ হেদায়েত পাবেন । যদি কিছু হেদায়েত পেয়ে যান, তখন আপনি দেখবেন জাতীয় ইমামও সব লোকদেখানো আমল করছে, কিন্তু সে এটা তোয়াক্কা করছে না । এখন সুফিবাদের নামে সব ভণ্ডামি হয়। লা মাযহাবীরা তো আরো ভয়ংকর । তারা বুঝে, হক সুফিগণই একমাত্র সত্য । কিন্তু জিদ হিংসা এবং অহংকারের জন্য হক সুফিদের আনুগত্য করে না । কোনো মুক্তি নেই । তোমরা তো বলো শিয়া খারেজি এবং অমুসলিমরা পরকাল মুক্তি পাবে না , এই তোমাদের যুক্তিতেই তোমরা পরকাল পাবে না । কারণ তোমাদের আলেমরা ভালো করে জানে হক সুফিদের ছাড়া সবাই মিথ্যা ।
( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৫৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তাহলে বর্তমান পৃথিবী জুড়ে শান্তি আর শান্তি বিরাজ করতো ।
................................................................................................
মোল্লাদের কথা বাদ দেন
আরবের লোকেরা কি পড়ে নাই,
সেখানে শান্তি আর শান্তি দেখছিনা ?