| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২০ বছর পূর্বে মানুষ আল্লাহ সম্বন্ধে সন্দিহান ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ এখন সন্দেহ প্রায় দূরীভূত। এভাবে এখন পর্যন্ত হক সুফিবাদ ইসলাম অধিকাংশ মানুষের নিকট গ্রহণীয় নয় । ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে হক সুফিবাদ ইসলাম অধিকাংশ মানুষের নিকট গ্রহণীয় হবে। ওহাবি সালাফি আহলে হাদিসরা আর মানুষকে বোকা বানাতে পারবে না। পীরের নিকট যাওয়া শিরক বা পীরকে মুশরিক বলে ( নাউজুবিল্লাহ ) মানুষকে ধোকা দিতে পারবে না। আহলে হাদিস ওহাবি সালাফিরা কতো বড়ো পাপী, এরা আঃ কাদের জিলানী রঃ নিজামুদ্দিন আউলিয়া রঃ খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি রঃ মুজাদ্দিদে আলফে সানী রঃ এর মতো পীরদের, কাফের মুশরিক বলে, নাউজুবিল্লাহ। বেশি না পাঁচ বছর পর তোমাদের উপলব্ধি হবে ইনশাআল্লাহ, তোমরা মহাভুলের মধ্যে নিমজ্জিত।
কোরান হাদিসে অনেক জায়গায় আধ্যাত্মিকতার কথা বর্ণিত হয়েছে তদুপরিও তারা আধ্যাত্মিকতাকে অস্বীকার করে। ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছর পর আর অস্বীকার করতে পারবে না। আমি মারা গেলে বা নিহত হলেও পারবে না। কারণ মহান আল্লাহ আধ্যাত্মিকতার নূর পৃথিবীতে নাজিল শুরু করে দিয়েছেন। তাছাড়া মানুষ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কোরান হাদিসে আধ্যাত্মিকতার কথা অত্যন্ত ভালোভাবে জেনে যাবে।
প্রিয় বিশ্ববাসী, আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রধান সময় হলো রমজান। রমজানকে স্পর্শ করা মাত্রই আধ্যাত্মিক লোকগণ রমজানের গুরুত্ব অনুধাবন করেন। যে কেউ এটা অনুধাবন করতে চাইলে, বর্তমান সময়ের সংস্কারক এবং সিদ্দিকের সোহবত গ্রহণ করতে হবে, খোঁজে না পেলে তার অছিলা দিয়ে মহান আল্লাহর নিকট আধ্যাত্মিক জ্ঞান চাইতে হবে, যদি তাকে চিনে থাকো, তাহলে তার চেহেরা সর্বদা নিজের পাশে কল্পনা করো এবং মহান আল্লাহর নিকট সবকিছু তার অছিলায় চাইতে থাকো, যদি তিনি তোমার প্রতি অনুমতি দেন তবে তুমি দুনিয়া এবং পরকালে পরম সৌভাগ্যবান বলে বিবেচিত হবে ইনশাআল্লাহ। তুমি মহা পেরেশানিতে আছো তার অছিলায় চাইতে থাকো এবং তার চেহারা তোমার পাশে কল্পনা করো , ইনশাআল্লাহ পেরেশানি চলে যাবে। মহান আল্লাহ যেকোনো ভালো করতে চাইলে হক সুফির অছিলায় তা করে থাকেন। আর হক সুফিদের কোনো অহংকার থাকে না, তাদের আচরণ অত্যন্ত মধুর এবং তারা মিথ্যা বলে না।
এক সালাফি, পীর মুরিদিকে শিরকি বলতো, এখন দেখি সে আধ্যাত্মিক শব্দ উচ্চারণ করে এবং আলেমদের সোহবত গ্রহণ করতে বলে। হে সালাফি সম্ভবত তুমি ধ্বংসপ্রাপ্ত। মহান আল্লাহ সাদেকীণদের সোহবত গ্রহণ করতে বলেছেন। তুমি সাধারণ আলেমদের জীবনী পড়ো এবং হক সুফিদের জীবনী পড়ো, তাহলে বুঝতে পারবে কারা সাদেকীণ। প্রিয় বিশ্ববাসী ট্রিলিয়ন সাধারণ আলেম ট্রিলিয়ন বছর আমল করে যে সওয়াব অর্জন করবে, একজন হক সুফির এক মুহুর্তের আমল তার চাইতে বেশি ওজনদার হবে। অতএব প্রিয় বিশ্ববাসী, বর্তমানের প্রকাশ্যে একমাত্র হক সুফির খোঁজ করো এবং তার সাহচর্য লাভ করো অথবা তার অছিলায় হেদায়েত চাও, তবেই পরকাল মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। নচেৎ ধ্বংসই তোমার পরিণাম।
বর্তমান জামানায় আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রধান বাঁধা হলো নারী পুরুষের একসাথে পথচলা। তারপরও হতাশ হওয়া যাবে না। যদিও সবক্ষেত্রে নারী পুরুষ একসাথে লেখাপড়া কাজ বাজ করছে, তবুও তোমাকে ঐভাবেই নামাজ রোজা করতে হবে এবং ভালো কাজ করতে হবে ইনশাআল্লাহ। মানুষসহ কোনো সৃষ্টিকেই কষ্ট দেওয়া যাবে না, সৃষ্টিকে কষ্ট দিলে সিদ্দিকের সোহবতও কোনো কাজে আসবে না। নারী পুরুষের চিন্তা যদি তোমার নামাজ রোজা ও জিকির ফিকিরেও আসে তবুও হতাশ হয়ো না, ঐভাবেই ইবাদত এবং ভালো কাজ চালিয়ে যাও। কোনো সৃষ্টিকেই কষ্ট দিয়ো না এবং কোনো সৃষ্টিকেই ঠকিয়ো না। কারণ ঠকালে, কষ্ট দিলে হক সুফির শরীর ধোয়া পানি সেবনেও হেদায়েত মিলবে না। তাছাড়া অহংকার গর্ব করলে শতভাগ এবং নিশ্চিত জাহান্নাম। রাসুল সাঃ এর সময়েও কাফের মুশরিক মুনাফিক ছিলো। অতএব অহংকার, গর্ব, সৃষ্টিকে কষ্ট দেওয়া, অপরকে ঠকানো থেকে সাবধান। মহান আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন।
( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।
©somewhere in net ltd.