| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গোটা বিশেক মেয়ে একটি রুমে। এক জায়গায়
দলা মোচড়া পাকিয়ে আছে। কারো কারো জ্ঞান
নেই। কেউ ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। ঠোঁটের
কোন দিয়ে ফেনা বেরুচ্ছে। শরীরের নীচের অংশ
জমাট বাঁধা কালচে রক্ত। হাত দুটো বাঁধা। অনাবৃত
বুকের ফাঁক দিয়ে কালশিটে নীলকালো দাগ স্পষ্ট।
তীব্র জরে থর থর করে কাঁপছে। ওরা কোন শব্দ
করেনা। বিস্ফারিত চোখে দরজার
দিকে তাকিয়ে থাকে। দরজার পাশে বুটের শব্দ
কিনা পড়ার চেষ্টা করে। দরজার শেকল ঝনাত
করে উঠলেই হঠাত কান্নার রোল ওঠে। কিছুক্ষণের
জন্য। তারপর গলা দিয়ে আর শব্দ বেরোয় না।
উর্দি পরা বাঙালি দুজন রাজাকার ঢোকে।
মেঝেতে নির্জীব
হয়ে পড়ে থাকা দুজনকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায়।
অন্যরা একে অপরকে জড়িয়ে থর থর কাঁপতে থাকে।
মেয়েটিকে খাটিয়ায় শোয়ানো হয়। দুহাত
দুদিকে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়। সিমেন্টের
দেওয়ালে ধাক্কা লাগতে থাকে তার মাথার তালু।
কতজন? কতক্ষণ? নখের আঁচড়, দাঁতের
কামড়ে ক্ষত বিক্ষত হতে থাকে শরীরের বহিরাঙ্গ।
হাত বদলাতে থাকে। ভেতরে পুরুষাঙ্গ
বদলাতে থাকে কিছুক্ষন পর পর। ছিন্ন ভিন্ন
হয়ে যায় নিম্নাঙ্গ। গল গল করে রক্ত
বেরুতে থাকে। সৈন্যটি মেয়েটির
মাথা খামচে ধরে সজোরে ঠুকতে থাকে দেওয়ালে।
মেয়েটির জ্ঞানহীন। ইতরপ্রাণীর মত
পড়ে থাকে রক্তস্রোতের ভেতর।
দেওয়ালে ধাক্কা লাগতে লাগতে থেঁতলে যাওয়া মাথা।
মেয়েটি বেঁচে আছে কিনা বুঝতে পারা যায়না। একজন
সৈনিক দাঁড়িয়ে মেয়েটির মুখে পেশাব করে সজোরে।
মেয়েটি কোন শব্দ করেনা।'
-(দিবাকর সরকার)
এই রাজাকারদের বাঁচানোর জন্য
নাকি সারাদেশে হরতাল ডাকা হয়েছে। আর এই
হরতালে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে বিএনপি।
আর কতটা নিচে নামতে হবে আমাদের?
২|
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৭
তামজিদা সুলতানা বলেছেন: এদের কঠিন শাস্তি দেয়া উচিত
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৮
লেজহারা টিকটিকি বলেছেন: এই না হলে বাংলার রাজনীতি।। ধিক্কার জানানোর ও ভাষা নেই।।