নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

গবেষক ও গবেষণার ক্রান্তিকালঃ ‘আচ্ছা, স্বপ্ন কি বেচা যায়’

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪


একজন গবেষক ও একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মৃত্যু

একটি জাতি কিংবা দেশ বিশ্ব কাতারে এমনি এমনিই কী প্রভাব বিস্তার অথবা উন্নতির শিখরে উঠতে পারে? নাকি কিছু ক্রাইটেরিয়া রয়েছে যার দ্বারা সেই জাতি বা দেশকে তা আদায় করে নিতে হয়। আমরা বাঙালীরাই মনে হয়ে একমাত্র জাতি যারা তাদের জ্ঞান ও বিশ্বাস, কৃষ্টি ও কালচার, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অধোমুখী গতি কি নিদারুণ অবহেলায় অবলোকন করে যাচ্ছি। কারো মধ্যে কোনো ভাবলেশ নেই। ব্যাপারটা এমন যেন ‘এমনই তো হওয়ার কথা ছিল!’

অথচ এদেশেই জগদীশের মতো তুখোড়েরা রেডিও সিগনালের দিশা দিতে পারেন; শেখ আজিজুরের মতো ধীমানেরা ফিঙারপ্রিন্ট প্রযুক্তির আবিষ্কার করতে পারেন; বসুর মতো প্রতিভাবানেরা ঈশ্বরকণা খোঁজার পথটা মসৃন করতে পারেন। এরকম শত শত মেধাবী বাঙালী সন্তানেরা এদেশের আলো বাতাসের জীবনীসুধা পান করেই এইসব যুগান্তকারী উদ্ভাবনী চিন্তার যোগান দিয়েছেন। ...এরপরই জাতি পথ হারাতে হারাতে এখন অতল গহব্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। যেন পতনেই মোদের সুখ!!

উপরের লিংকের লেখাটি পড়ার পর (সত্য ধরে নিয়ে) কিছুক্ষণ ঝিম মেরে ছিলাম। কীভাবে একটি বিরাট স্বপ্নকে সমূলে উৎপাটন করতে হয় তা আমাদের মতো মনে হয় কোনো জাতি জানে না? জাতি আরো জানে না যে এইসব স্বপ্নগুলো দেখার লোকগুলো হারিয়ে গেলে আমাদের প্রত্যেকের সুখের স্বপ্নই একদিন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। এবং সেই দুঃস্বপ্নের বোঝা আপনার-আমার সন্তানেরাই ফেরি করে ফিরবে অদূর ভবিষ্যতে।

ড. ফেরদৌসী বেগমের লেখা থেকেই উদ্ধৃতি দিচ্ছি:

বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি নেয়ার পর দেশে ফিরে এলাম। যোগ দিলাম অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার হিসেবে। সেখানে গবেষণার কাজে হতাশ হয়ে, ১৯৯৬ সালে আর্কষণীয় চাকরিটা ছেড়েই দিলাম।... আমি ১৯৯৭ সালে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে দেই। নিজের এসএসসি থেকে পিএইচডি র্পযন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ জমা রেখে ১০ মাসিক সুদে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেই। কম্পিউটার কেনার টাকাও ঋণ নেই। বিয়ের সমস্ত গহনা বিক্রি করি। বাসা রেফ্রিজারেটর বিক্রি করে একটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র ভাড়া করি। র্ফামগেইটের মণিপুরি পাড়ায় ছোট্ট একটা বাসা ভাড়া নিয়ে খুলে বসি দেশের প্রথম প্রাইভেট বায়োটেকলজি গবেষণাগার। গবেষণার কেমিক্যাল নিয়ে আসি বোস ইনস্টিটিউট থেকে।

আমি ১৯৯৮ সালে জুনে জাতীয় বৃক্ষ মেলায় যোগ দেই। সেখানে আলু, অর্কিডের ও কলার টিস্যু কালচার করা বোতল উপস্থাপন করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন এই মেলাটি উদ্বোধন করেন। তখন পরিবেশ সচিব আমার স্টলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাচের ফ্লাস্কের ভিতরে অর্কিডের চারা, কলার চারা, আলুর চারা এবং ঝুলিয়ে রাখা অর্কিড ফুল দেখে অবাক হন ও আনন্দিত হন।
আমার সাথে স্টলে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ কথাও বলেন এবং পিআইডি এর ক্যামেরায় ছবিও তোলেন। একটি কলার চারার টিস্যু কালচারের বোতল হাতে তুলে বলেন- ‘এটা আমি নিলাম’; এরপর তিনি স্টল ত্যাগ করেন।
এবার দুপুরে খেতে এসে গবেষণাগারে কাজ করছি। বেলা তখন ৩টা। আমার গবেষণাগারে একজন সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসে তার পরিচয় দেন। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ডেকেছেন, বিকাল ৫টায় প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে যেতে হবে।’

ওইদিন আমি বিকাল ৫টায় গণভবন যাই। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ কক্ষে ঢুকে অবাক হই। দেখি টিস্যু কালচারকৃত কলার চারার ফ্লাস্কটি টেবিলের উপর। একটি সাধারণ তাঁতের শাড়ি পরে হাস্যোজ্জ্বলমুখে তিনি কক্ষে আসেন। আমি খুশিতে দাঁড়িয়ে সালাম দেই। তিনি আমাকে টেবিলের কাছে ডেকে নিয়ে বোতলটি দেখিয়ে বলে, ‘এটি কীভাবে বানিয়েছেন?’ আমি ওভাবে দাঁড়িয়ে যতটা সহজ করে সম্ভব উনাকে বলি। তখন তিনি বলেন, ‘এটাতো দেশের অনেক উপকারে আসবে।’

আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘কী কী করলে এটি ভারত বা অন্যান্য দেশের মতো হতে পারে।’
আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বললাম, ‘প্রথমে একটি স্থায়ী জায়গায় একটি উন্নত গবেষণাগার তৈরি করতে হবে, যাতে বড় অংকের টাকার অনুদান প্রয়োজন।’
তিনি আমাকে একটি দরখাস্ত নিয়ে ভূমিমন্ত্রীর কাছে চলে যেতে বললেন এবং আর গণভবনের একটা জায়গায় অর্কিড লাগিয়ে দেয়ার অনুরোধ করলেন। বললেন, ‘আমি অর্কিড ভীষণ ভালবাসি।’
পরদিন সকালেই আমি গণভবনে অর্কিড লাগিয়ে দিয়ে আসি। পরবর্তীতে দরখাস্ত নিয়ে তৎকালীন ভূমিমন্ত্রী রাশেদ মোশারফের কাছে যাই। তিনি গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে দরখাস্তের উপর লিখে দেন- ‘জরুরি ভিত্তিতে দেশের প্রয়োজনে জমি ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য প্রেরিত হলো।’
২০০১ সালে রাজনৈতিক পট পরির্বতন হয়। নতুন সরকার, নতুন জেলা প্রশাসক, নতুন মন্ত্রী। আমার কাগজ দেখে তারা বললেন, ‘আমি আওয়ামী লীগার।’


দেখুন, হাওয়া কেন্দ্রিক গংরা কীভাবে একজন বিজ্ঞানীকে রাজনৈতিক ট্যাগিং করে স্বপ্নকে হত্যা করেছে? কী আজব আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি? কী কুৎসিত আমাদের মানসিকতা?

একজন বিজ্ঞানী বা উদ্যোগতাকে এভাবে রাজনৈতিক ট্যাগিং করে একটি চারাগাছকে পায়ের তলায় পিষ্ট করার মানুষগুলো কী অমানুষ ছিল না? মত পথের পার্থক্য থাকুক বা নাই থাকুক বিজ্ঞানীকে তাঁর কর্মের দ্বারাই সবসময় বিবেচনা করা উচিত। আমাদের অসৎ রাজনীতিবিদ ও আমলারা তা বুঝে উঠতে পারেন নাই। কী নিদারুণ নীতিহীন পরিবেশ?

আবার দেখুন এখনকার পরিবেশটাঃ

২০১৫ সালেই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই গবেষণাগারটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা কেন্দ্র করার জন্য আবেদন জানাই। তিনি আমাকে সহযোগিতার জন্য আবারও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ে পত্র দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারও কোন সুরাহা হয়নি। ব্যাংকের দায়দেনা নিয়ে আমার উপর গত তিন বছর ধরে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। আমি ধারদেনা ও দেশের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে, ফ্ল্যাট ও গাড়ি বিক্রি করে কিছু কিছু টাকা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে দিল্লি যাওয়ার প্রাক্কালে, তিনি বিমানে আমার সাথে ২-৩ মিনিট গবেষনাগারটি নিয়ে আলোচনা করেন। আমি তাঁর সাক্ষাৎ প্রার্থী হলে তিনি সম্মতি জানান। আজ ১৫ মাস হয়ে গেল আমি এখন পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে পারিনি।


২০০০ সাল আর ২০১৮ সালের পরিবেশের কতই না পার্থক্য। এখন কোহিনূর সিংহাসন রক্ষা করা ছাড়া কোনো কিছুতেই আর মনোযোগ নেই মাননীয়া ও তাঁর সাগরেদদের। কী অপরূপ ও অবিশ্বাস্য পরিবর্তন?

জ্ঞান কোনো সস্তা জিনিস নয়। আর মৌলিক জ্ঞান মানে গবেষণালব্ধ জ্ঞান অর্জন করা আরো হাজারগুণে কঠিন । আজকের পশ্চিমাবিশ্ব জ্ঞান সরবরাহের কারিগর হয়েছে। এটা এমনি এমনি হয় নি। এর আগে আরবেরা সরবরাহ করেছিল। পথ হারিয়ে ফেলেছে নিজেদের অবিমৃষ্যকারীতা ও অপরিণামদর্শীতার জন্য। এরও আগে ভারতীয়রা-চীনারা ছিল সেই পথে। আবার তারা পুরনো ঐতিহ্য ফিরে আনছে। আর আমরা চলেছি উদ্ভট ঘোড়ার পিঠে চড়ে অজানার পথে...।

সেই লেখাতে উনার একজনকে করা প্রতিমন্তব্য থেকে উদ্ধৃতিঃ

বিজ্ঞানী জগদীশ বসু তার প্রতি জন্মদিনে সারা ভারতবর্ষের কাছে টাকা চাইতেন উপহার হিসেবে এবং এইভাবেই চলতো বোস ইন্সিটিউটের গবেষণা।
আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। ৫৬ বছর বয়স আমার। গত ৪-৫ বছর ঈদে চাঁদে একটি শাড়িও কিনিনি। দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত,তারা আমাকে সব সময় বলে মা এগুলো সব বিক্রি করে ব্যাংকের লোন দিয়ে তুমি দুশ্চিন্তা মুক্ত হও।
আচ্ছা ভাই স্বপ্ন কি বেচা যায়!



এই নিষ্ঠাবান বিজ্ঞানী ও উদ্যোগতার স্বপ্নকে কিংবা জাতির ছোট্ট একটি স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার কী কোনো উপায় নেই?

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
@অাখেনাটেন/সামু-২০১৮

মন্তব্য ৮৭ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৮৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৩

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: আমরা ব্লগাররা কিছুই করতে পারবনা মনে হয়, শুধুমাত্র প্রচার প্রচারণা ছাড়া। রাষ্ট্রীয় ভাবে এগিয়ে না আসলে এসব গবেষণা কাজে ভাল কোন সাহায্য প্রত্যাশা সম্ভব ও নয়।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: আমরা ব্লগাররা কিছুই করতে পারবনা মনে হয়, শুধুমাত্র প্রচার প্রচারণা ছাড়া। --এইটুকু করলেও যথেষ্ট করা হবে। অন্তত এটাতো নিশ্চিত হওয়া যাবে যে মানুষ এখনও শিক্ষা, জ্ঞান, মনুষত্ব ইত্যাদি বিষয়গুলোর ব্যাপারে একেবারে উদাসীন হয়ে যায় নি।

ধন্যবাদ ব্লগার ইব্‌রাহীম আই কে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

ভালো থাকুন।

২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:০০

রাজীব নুর বলেছেন: প্রথম মন্তব্যকারীর সাথে একমত।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: ঐক্যমত পোষণ করেছেন। এটা এ দেশের ঐতিহ্যে বিরল। আপনি সেই বিরল ব্যক্তিদের মধ্যে গণ্য হলেন। :D

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৯

বিজন রয় বলেছেন: আমরাতো স্বপ্ন হত্যাকারী, আমরা স্বপ্ন বাঁচাবো কি করে!!!

ভাল পোস্ট।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: বিজন রয় বলেছেন: আমরাতো স্বপ্ন হত্যাকারী, আমরা স্বপ্ন বাঁচাবো কি করে!!! -- আর কতদিন এভাবে স্বপ্নগুলোকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে দেখবে জাতি। এক সময় তো স্বপ্ন দেখার লোকগুলোও চাপা পড়ে যাবে পাহাড়সম চাটুকারীদের দ্বারা।

আর স্বপ্নহীন, মেধাহীন জাতি কি নিমজ্জিত হবে না পঙ্কিলতার তলাবিহীন গহব্বরে?

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯

সাাজ্জাাদ বলেছেন: ভালো পোস্ট। কিছু করতে মন চায়।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: সাাজ্জাাদ বলেছেন: ভালো পোস্ট। কিছু করতে মন চায়। -- অন্তত এখানে অামাদের অাকুতিটুকু জাতির সামনে তুলে ধরতে পারছি এটিই বা কম কিসে? এ বিষয়গুলো জাতির জানার দরকার। গবেষণার গুরুত্ব বোঝা দরকার নিজেদের ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য।

আর অন্য কোনো উপায়েও যদি সাহায্য করা যায় সেটাও ভেবে দেখা যায়। মূললেখায় দেখলাম একজন মন্তব্য করেছে অল্পটাকা (সেটা যতই অল্প হোক) বিকাশ করে হলেও উনাকে সাহায্য করা যায় কিনা। এটা প্রতিকী করা হলেও সরকার বাহাদুরের মুখে একটা চপেটাঘাত করা হবে। বেঁহুশ নেতাদের অন্তত হুঁশে অানা যাবে যে জনগণ বিজ্ঞান-গবেষণা ইত্যাদিকে এখনও জাতির উন্নতির প্রধান সোপান মনে করে।

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপনার গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি এক নিশ্বাসে পড়লাম; পড়ে কেমন অনুভূতি হয়েছে তা লেখার ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না X(; এ দেশে কোথায় নেই রাজনীতি? ক্লাস ফাইভে পড়া ছেলেটিও রাজনৈতিক দলের নামে স্লোগান দেয়; চাকরি পেতেও রাজনীতির পরিচয় থাকতে হয়; শিক্ষক হতে গেলে রাজনৈতিক দলের কর্মী হতে হয়ে; বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হতে হলে মেরুদন্ড ভেঙ্গে সরকারদলীয় নেতা/নেত্রীর পদলেহন করতে হয়। বুদ্ধিজীবি, শিক্ষাবিদ হিসাবে নাম ফোঁটাতে সরকারের অনুগত হতে হয়।

এ দেশ, এ দেশের মানুষজন কখনো গুণীজনের কদর করেনি; অদূর ভবিষ্যতে করবে সে সম্ভাবনাও দেখছি না; একজন বিজ্ঞানী/গবেষককে চিনতে হলে বিজ্ঞানমনস্ক মাথার মেধবী নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়; যাদের এ বোধশক্তি নেই তাদের কাছে কাগজ দিয়ে নৌকা বানানোর কারিগর আর জেনেটিক গবেষকের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

এ দেশে সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা পেতে লাগে দলীয় ট্যাগ, চাটুকারিতায় পারদর্শীতা আর আনুগত্য; এর ব্যত্যয় ঘটলে আপনি দালাল, স্বাধীনতা বিরোধী, চেতনার পরিপন্থী। অন্য সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শী না হলেও এমন আচরণের শিকার হতে হয়। এক কথায় সুবিধা পেতে হলে হতে হবে "মুনাফিক টাইপের চাটুকার"।

একজন প্রকৃত বিজ্ঞানীর এমন চরিত্র থাকে না বলেই এই লাঞ্চনা, এই অপমান। এ জাতির মাথায় পঁচন ধরা শুরু হয়েছে দেশের জন্মলগ্ন থেকেই। এজন্য এতো দিনে আমাদের মগজ পঁচে গেছে; ট্যাংয়ে পঁচন ধরলে তা কেঁটে ফেলা যায়; কিন্তু মাথায় পঁচন ধরলে মৃত্যু অনিবার্য।

দারুন একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: এ দেশ, এ দেশের মানুষজন কখনো গুণীজনের কদর করেনি; অদূর ভবিষ্যতে করবে সে সম্ভাবনাও দেখছি না; একজন বিজ্ঞানী/গবেষককে চিনতে হলে বিজ্ঞানমনস্ক মাথার মেধবী নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়; যাদের এ বোধশক্তি নেই তাদের কাছে কাগজ দিয়ে নৌকা বানানোর কারিগর আর জেনেটিক গবেষকের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। ---কখনও করে নি বললে ভুল হবে; একটা সময় গুণীদের ডেকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছিল। ফলেই ঢাকা ইউনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ট্যাগ পেয়েছিল। সেই ঐতিহ্যগুলোকে আমরা ধরে রাখতে পারি নি। এখন সে ট্যাগ উঠে গিয়ে ইত্তেফাকের ভাষায় 'ভাগাড়' নাম যোগাড় করেছে। কারণ যেদিন থেকে এগুলোতে ছাগল দিয়ে হালচাষের ব্যবস্থা করা হয়েছে নির্বিচারভাবে, সেদিন থেকেই...। ফলেই এই নৈরাজ্য চারিদিকে। তাই ঐ অতীত স্মৃতি রোমন্থন করেই আমাদের দিন গুজরান করতে হবে।

মাথায় পঁচন ধরলে মৃত্যু অনিবার্য। -- জাতির মাথারা এখন সে ব্যথা বুঝলেই হয়। নাকি বুঝেও...। শুভবোধের উদয় হোক এ জাতির মাথাদের।


৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬

কাইকর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ++++

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

আখেনাটেন বলেছেন:


ভায়া কাইকর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ++++ --খুশিতে বগল বাজালুম। তা কি কি বিষয়ে '++++' সেটা যদি অপ্সরার প্রেমিক জাতিকে একটু জানাত তাহলে বিষয়টা কতই না অানন্দদায়ক হত। কী বল 'বুনো অাদর' প্যাটেন্টধারী অপ্সরার প্রেমিক কাইকর। =p~

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঐক্যমত পোষণ করেছেন। এটা এ দেশের ঐতিহ্যে বিরল। আপনি সেই বিরল ব্যক্তিদের মধ্যে গণ্য হলেন।



ধন্যবাদ।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: :-B

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: এদেশে রাজনীতি পরিচয় বড় পরিচয়।এটা থেকে বের হতে না পারলে দেশ আরও পিছিয়ে পড়বে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: ঠিক তাই। রাজনৈতিক শুদ্ধিকরণ ছাড়া এ দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। ধুঁকে ধুঁকেই এগুতে হবে। অন্যরা দশধাপ এগুলে আমরা এগুব এক ধাপ।

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার পোষ্ট ও লিংকে দেয়া মুল লেখাটা পড়লাম। মনে হচ্ছে, আপনি কোন না কোনভাবে গবেষণা কি ও উহার প্রয়োজনীয়তা বুঝেছেন। বাংলাদেশের শিক্ষিত লোকজনও 'গবেষণা' শব্দটা বুঝে না, তারা প্রতিদিন যা ব্যবহার করছে, সেই দ্রব্যগুলো কিভাবে উদ্ভব হয়েছে, ও ক্রমাগতভাবে কিভাবে উন্নত হচ্ছে, তারা তা জানে না।

ড: ফেরদৌসী বেগমকে সাহায্য করার দরকার; এজন্য উদ্যোগ নেয়ার দরকার।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: একটি জাতি গবেষণার গুরুত্ব না বুঝলে সে জাতি আর যাই হোক মেরুদণ্ড খাড়া করে দাঁড়াতে পারে না। মৌলিক জ্ঞান ছাড়া নিজস্বতা কি থাকে। আমাদের নেতারা এ জিনিসের গুরুত্ব বুঝে উঠতে পারছে না।

কয়েক দশক আগের সম্পদহীন দক্ষিণ কোরিয়া আর আজকের দক্ষিণ কোরিয়া অাসমান ও জমিনের মতো ফারাক তৈরি করেছে শুধু ঐ মৌলিক গবেষণার দ্বারা।

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

বিষক্ষয় বলেছেন: She is an imposter and swindler. Somehow she had always managed to get on the gravy train (of government money) regardless of which party, awami league or BNP is in power. Twenty years ago, she had free access to old men in power such as secretaries, university professors. People like her made life for real, honest hardworking scientist's life miserable.
No, she is not the first bangladeshi who did a phd/doctorate in genetic engineering and came back to bangladesh. By 1996 DU and other universities had well established genetic engineering lab and there were probably hundreds of Bangladeshi living in bangladesh and overseas who has done a phd/doctorate in genetic engineering.
No, her shady/dodgy lab is not the first private biotech lab in Bangladesh. There were quite a few private biotech labs in Bangladesh by that time. In 1997 the first private biotech lab would have been more than 10 year old. Dr. Ferdusi's lab was not even a fully functional proper lab either. It's main purpose was to show it off to important people.
I guess the old men in power to whom she had free access has now faded away. And young people who felt deprived at that time due to her access to old people with power 20 years ago, now has moved to position of power and as a result she has fallen out of favor.
Shame on her trying to swindle out a land from the Bangladeshi government. People who are doing real good work can not even get access to a secretary let alone the PM. Imposters like her makes me feel like vomiting.

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: এতবড় ইম্পস্টার ও সুইন্ডলার হয়েও বাংলাদেশী বহুল প্রচারিত প্রধান অনলাইন পত্রিকাতে মতামত দিতে পারল। ওখানে কিন্তু কেউ উনার বিপক্ষে কিছু লিখে নি।

যদিও বাংলাদেশের কোনো কিছুতেই আর বিশ্বাস স্থাপন করা সহজ নয়। তাই আমার লেখাতেও উল্লেখ করেছি 'সত্য ধরে নিয়ে'। একেবারে শতভাগ সত্য তা এ দেশে বিশ্বাস করা বোকামীই শুধু নয় একধরণের গাধামীও।

কিন্তু আপনার উত্থাপন করা অভিযোগ সঠিক হলে উনার মন্তব্যে অাক্ষেপ ও মোবাইলঃ ০১৭১৩০১৭৭০৫ কীভাবে সেখানে দেন।
আর আপনিই বা কীভাবে জানলেন যে উনি একজন প্রতারক। আপনি কি উনাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। নাকি উল্টো আপনি প্রতিপক্ষের কেউ...।

By 1996 DU and other universities had well established genetic engineering lab -- ঢাকা ভার্সিটিতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ প্রতিষ্ঠাই হয়েছে ২০০০ সালে। সেক্ষেত্রে ১৯৯৬ সালে well established genetic engineering lab। ক্যামনে কি? এটা হতে পারে বায়োকেমেস্ট্রি বিভাগের শাখা হিসেবে ছোটখাট ল্যাব থাকতে পারে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর। আরও দুঃখের কথা ঢাকা ভার্সিটিতে আজ ২০১৮ সালেও আপনার ভাষায় genetic engineering lab আছে কিন্তু well established genetic engineering lab নেই। একটা ভালো পিসিআর নেই। এইচপিএলসি, রিয়াল টাইম পিসিআর, বায়োরেড মেশিনসহ যেগুলো একটি ল্যাবকে আপনার ভাষায় well established করবে...এগুলো এখনো দূর কি বাত। ইভেন একটি ভালো মানের মাইক্রোপিপেট পর্যন্ত নেই। এক টিপ'স Sterilized করে বারবার ব্যবহার করতে হয় এই ২০১৮ সালেও সেখানে আপনি তিন দশক আগে well established genetic engineering lab কীভাবে পেলেন আমার বুঝে আসছে না।

আর উনি কীভাবে পিএম অফিসে গিয়েছেন তা কিন্তু সুন্দরভাবে লিখেছেন। এরপরও কিন্তু থেকে যায়...

আর আপনি উনাকে ল্যান্ড গ্রাবার হিসেবে দেখাতে চাচ্ছেন এ বিষয়ে আপনার বিস্তারিত মতামত আশা করি। কারণ এরকম একটি অভিযোগ যখন করেছেন তখন তা আপনার আরো পরিষ্কার করা উচিত। তা না হলে আপনাকেও কিন্তু উল্টো উনার যে পাল্টা অভিযোগ ভূমি দস্যুদের নিয়ে...।

আমরা চাই না ভূমি দস্যুরা ব্লগেও এসে দস্যুতা করুক।

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৫

বিষক্ষয় বলেছেন: People like her get access to prime minister and minsters while bangladeshi scientist who has worked with the inventor of golden rice and in the top biotech research institutes in the wohle world can not even get access to a secretary let alone the prime minister
All she ever did is that she is going to this and that . But never did anything. Some people have no shame.

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার অভিযোগ আরো সুনির্দিষ্টভাবে করার দরকার। মনে হচ্ছে আপনার সাথে উনার ব্যক্তিগত কোনো রেষারেষি রয়েছে। ঝেড়ে কাশি দিলে আমরা ব্লগাররাও বুঝতে পারতুম হু ইজ দ্যা রিয়াল কালপ্রিট? এখন পর্যন্ত সন্দেহের তীরটা আপনার দিকেই হেলে আছে...। অপেক্ষাই রইলুম। বিডিনিউজ২৪.কমকেও জানাতে পারেন। কেন এমন রিপোর্ট তারা ছাপাল? ওখানেও ক্লেইম করতে পারতেন।

আপনার উদ্দেশ্য সৎ হলে আশা করি তা বিবেচনা করবেন।

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

বোকামানুষ বলেছেন: খুব খারাপ লাগছে লিখাটা পড়ে
গবেষণা ছাড়া একটা দেশের উন্নতি আসলে সম্ভব না

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

আখেনাটেন বলেছেন: সহমত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এ দেশে প্রকৃত গবেষক হাতে গোণা যাবে। বাকিরা ধান্ধাবাজ। সামান্য কিছু টাকার লোভে একে অপরের পেছনে লেগে যায়।

আমাদের এখন জিনের মধ্যেই প্রবলেম ক্রিয়েট করেছে। গবেষণা হবে কোথা থেকে।

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

বিষক্ষয় বলেছেন: I am just surprised that she is still at it after all these years and almost managed to get allocation of govt land for her so called lab and is whinging in a news paper article that the land allocation got stuck at the last moment.
উনি বড় বিজ্ঞানী? তা বড় বিজ্ঞানী যেহেতু নিশ্চয় ভালো ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল যেমন Nature, Science, PNAS ইত্যাদিতে এ উনার অনেক রিসার্চ পাবলিকশন আছে? উনার রিসার্চ পাবলিকশনের তালিকা দেখেছেন?
রতনে রতন চেনে আর ইয়ে চিনে কচু। বাংলদেশ সরকারও ভূয়া, পদলেহনকারি বিজ্ঞানীদের চিনে....আর ভালোদের চিনে ইউরোপ-আমেরিকা-কানাডা-জাপান-অস্ট্রেলিয়া। তাই বাংলাদেশে না পেলেও সে সব দেশে বাংলদেশি ভালো বিজ্ঞানীরা ঠিকই স্বীকৃতি পায়।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: I am just surprised that she is still at it after all these years and almost managed to get allocation of govt land for her so called lab and is whinging in a news paper article that the land allocation got stuck at the last moment. -- উনি বিডিনিউজে কিন্তু অন্যকিছু লিখেছেন।
৭ হাজার স্কয়ারফিটের ১০তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ১ বছরে গবেষণাগারের ভবনটি দাঁড় করালাম, তাতে সমস্ত টাকা খরচ হয়ে যায়। গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি কেনা হয় না। সে সময় ব্যাংকের অফিসারদের ঘুষ দিলে ২০ কোটি টাকা নিতে পারতাম।

অন্য অনেকেই যা করেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ফান্ডের টাকা দিয়ে মানুষ জমি কিনেছে, বাড়ি করেছে, বিদেশে চলে গিয়েছে বলে শুনেছি। আমি সমস্ত টাকা এখানে ব্যয় করলাম। মুন্সিগঞ্জে আমার রোগমুক্ত আলুবীজের পরীক্ষার মাঠ দেখে কৃষকেরা আমার কাছে আলুবীজ, কলার চারা চাইতে থাকে, আমি বাণিজ্যিকভাবে কিছুই করতে পারছিলাম না।


রতনে রতন চেনে আর ইয়ে চিনে কচু। বাংলদেশ সরকারও ভূয়া, পদলেহনকারি বিজ্ঞানীদের চিনে. -- এটা খারাপ বলেন নি। কিন্তু উনি সরকারের রতন হলে জমিটুকু বরাদ্দ দেওয়ার কথা। সেখানে উনি বলছেন উনার এগেইনিস্টে মামলা করেছে ভূমি দস্যু এক গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ঐ জমি নিয়ে। এটা কীভাবে দেখছেন।

একজন মন্তব্য করেছেন ''আপনি যতটা না গবেষক, তার থেকে বেশি একজন উদ্যোক্তা। সেই পরিচয়টা কেন গবেষক এর আড়ালে হারাতে চাচ্ছেন? আপনার কোন মৌলিক গবেষণার কথা আমাদের জানাবেন? কোন নামী জার্নালে আপনার লেখা পেলাম না। আমার অজ্ঞতায় একটু আলো ফেলুন।'' --- গবেষক ও উদ্যোক্তা। মাঠ পর্যায়ে প্রায়োগিক গবেষণা করে কৃষকের হাতে ভালো ফসল তুলে দিতে পারাটাও কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার।

সেক্ষেত্রে নেচারে পাবলিকেশন না হলেও এদেশের নেচারে বাস করা মানুষগুলো অন্তত সুখে থাকতে পারে। এটাকে খাটো করে দেখা যাবে কী?


১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

বিষক্ষয় বলেছেন: Land grabber and getting the govt to allocate land is not the same thing.

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: দেখুন এই লেখায় বাংলাদেশে গবেষণার দুরবস্থার কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে। আমি এর আগেও বিভিন্ন লেখায় এ বিষয়ে লিখেছি।

আপনার মন্তব্য দেখে মনে হচ্চে আপনি উনাকে ভালোভাবেই চিনেন। আমি বা ব্লগের বেশির ভাগ ব্লগাররাই যেহেতু উনাকে চেনে না। তাই উনার ঐ লেখাকেই সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ায় স্বাভাবিক। এখন আপনি যদি সত্য কিছু জানেন সেটা খোলাখুলিভাবে উপস্থাপন করা কি একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে উচিত না।

দেশে গবেষণার নামে কি হচ্ছে সেটা আমি ভালোভাবেই জানি। ইমপস্টার গবেষকের অভাব নেই এদেশে। মানুষের মুখোশে নেকড়েদের আনাগোনার ফলেই শিক্ষকতা-গবেষণা পেশা একটি অমর্যাদাকর পেশা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এদেশে। অথচ উন্নত বিশ্বে এ দুটোই অন্যতম অগ্রগামী পেশা। একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এর কোনো অল্টারনেটিভ নেই। তারপরও এখাত সবচেয়ে অবহেলিত।

এটা নিশ্চয় একজন ভদ্রলোক হিসেবে জানা আছে যে একজন মানুষের বিপক্ষে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করলে তা যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণসহ করাই সভ্য সমাজে প্রচলিত। যেখানে উনি নিজের মোবাইল নং পর্যন্ত দিয়েছেন। যে কেউ উনাকে ফোন করে আরো ডিটেইলসে জেনে নিতে পারে এ ব্যাপারে।

সেক্ষেত্রে আপনার এই খন্ডিত অভিযোগ কি ভালো কিছু বহন করে? আপনি সেটা নিশ্চয় ভালো বুঝবেন। আপনি কিছু প্রমাণস্বরুপ কিছু তথ্য যোগ করলে আমার এ ধরণের পোস্ট সামুতে ঝোলানোর কোনো মানেই হয় না। নিশ্চয় ব্যাপারটা বুঝছেন।

১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

বিষক্ষয় বলেছেন: আমি কখনো বাংলাদেশে ভালো মেশিনের অভাব দেখিনি। বরং উন্নতবিশ্বের অনেকনামি ল্যাব থেকে ভালো মেশিন বাংলাদেশের বিভিন্ন ল্যাবে দেখেছি, যা কেনার জন্য দাতা সংস্থা সহজেই টাকা দেয় ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রোজে্টের আন্ডারে । কিন্তু যা পাওয়া যায়না তা হলো ক্যামিকেল আর কনসুমএবলস, স্পেসালি সেসব ক্যামিকেল যা ঠান্ডা রাখতে হয় সব সময় যেমন এনজাইম।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: আমি কখনো বাংলাদেশে ভালো মেশিনের অভাব দেখিনি। --আপনি এটা জেনারেলাইযড মন্তব্য করলেন। হয়ত কোনো ল্যাবে ঠিকই অভাব নেই, যেমন আইসিসিডিআর'বি। কিন্তু আমার দেখা অনেক ল্যাবেই এখনো ঝুলছে মান্ধাত্মার অামলের টেকনোলজির মেশিন। আবার সিগমা, বায়োরেড, এবি, এপেনডর্ফ এদের কথা বলে টাকা নিয়ে আনে অন্যগুলো কিংবা এদের সেকেন্ডহ্যান্ডগুলো।

আর এনজাইম, কেমিক্যালসের কথা যা বলেছেন তা শতভাগ ঠিক আছে। দুই নাম্বার প্রোডাক্টে মার্কেট সয়লাভ। তাহলে এত এত অভাব সত্ত্বেও কীভাবে একটি ল্যাব ওয়েল এস্টাব্লিশ্টড হয়।

১৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

চঞ্চল হরিণী বলেছেন: মন্তব্য আর প্রতিমন্তব্যগুলো পড়তে পড়তে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় নিয়ে নিউসটা পড়লাম। সংশয়ের কারণে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে। আরও কিছু পরে হয়তো সঠিক উপলব্ধি আসবে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০২

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা; আমাকেও বিষক্ষয় সাহেব ধাঁধায় ফেলে দিয়েছেন। উনি মনে হয় ব্যক্তিগতভাবে চিনেন উনাকে। একাডেমিক কোনো ক্ল্যাশ থাকতে পারে। কিংবা অন্যথা। উনি সেটা খোলাখুলি বলছেন না। এটা শিক্ষিত মানুষের লক্ষণ নয়।

আশা করি উনি খোলাসা করবেন নিজেকে।

১৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

বিষক্ষয় বলেছেন: It is what it is. Just ask for the list of research publications that she has authored in the last 30 years or so that she has been doing research.
You believed what she has said in her opinion piece, Her story is always very convincing. and she has convinced lot of important people in the past that she is next big thing in science in bangldesh.

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২০

আখেনাটেন বলেছেন: বিডিনিউজ২৪'র মতো বহুল পঠিত মিডিয়াতে অথেনটিসিটি ছাড়াই এরকম একটি মতামত ছেপে দিল। যদিও হলুদ সাংবাদিকতায় অনেক কিছুই হালাল হয়ে গেছে এখন এ দেশে, তথাপিও উনার ডিটেইলস লেখায় সন্দেহ করাও...।

এদিকে বারবার রিকোয়েস্ট করার পরও আপনি খোলাসা করছেন না। কীভাবে আপনি উনাকে চিনেন বা জানেন?

নানারকম ভণ্ডামীতে ভরে গেছে এ দেশের আকাশ-বাতাস। কে যে ভণ্ড আর কে যে সাধু চিনতে গেলে নিজেকে মহামানব হওয়া ছাড়া আর গতি নেই রে গেদু? X(

১৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:১৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আলোচনা কোথা থেকে কোথায় চলে গেল? বিষক্ষয়ের মন্তব্যকেও ফেলে দেয়া যায় না...

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২২

আখেনাটেন বলেছেন:

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আলোচনা কোথা থেকে কোথায় চলে গেল? বিষক্ষয়ের মন্তব্যকেও ফেলে দেয়া যায় না... ---হুম; সে জন্য উনাকে বলছি উনি ঝেড়ে কাশি দিলে আমরাও সঠিক অাওয়াজটা পেতুম। কিন্তু দিচ্ছেন না। X(

১৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২০

স্রাঞ্জি সে বলেছেন: প্রথমত আসি রাজনীতি নিয়ে, বাংলাদেশের রাজনীতি হলো একটা আবর্জনাভূমি। এর চাইতে আর কি বলার আছে।

দ্বিতীয়ত গবেষণা নিয়ে, আমি আমরা সবাই উৎসাহ দিতে পারি আর প্রচারণা করতে পারি। কিন্তু সেই সব বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য কিছু কি করি?

সব জায়গায় স্বার্থবাদীরা নিজ স্বার্থ হাসিল করার জন্য শিকারে বসে থাকে।

তাহলে দেশ কিভাবে গবেষণায় এগিয়ে যাবে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন:

স্রাঞ্জি সে বলেছেন: প্রথমত আসি রাজনীতি নিয়ে, বাংলাদেশের রাজনীতি হলো একটা আবর্জনাভূমি। এর চাইতে আর কি বলার আছে। -- হককথা;

নীতিহীন রাজনীতিকরা নীতির কথা বলে অপনীতির রাজনীতিতে মশগুল। এখানে আর কি আশা করা যায়? তবুও আশা করতে হয় আম আদমীদের।

দ্বিতীয়ত গবেষণা নিয়ে, আমি আমরা সবাই উৎসাহ দিতে পারি আর প্রচারণা করতে পারি। কিন্তু সেই সব বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য কিছু কি করি? -- মন্দ বলেন নি; গবেষণা ও উন্নয়ন (অার অ্যান্ড ডি) হচ্ছে একটি দেশের মেরুদন্ড। আজকের বিশ্বে যে দেশগুলো এখন সাফল্যের শিখরে বিচরণ করছে তারা এই জিনিসটির গুরুত্ব বেশ ভালোভাবে বুঝেছেন।

আর ভালো গবেষণা হলে এর আউটপুট এমনিতেই কাজে লাগবে বা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আর গবেষণার অনেক ধরণও রয়েছে।

২০| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন ,




এই গরীব দেশটিতে সঠিক ও মানসম্পন্ন গবেষনা নিয়ে আপনার আন্তরিকতা এই পোস্টে প্রাঞ্জল ।
কিন্তু সহ ব্লগার চঞ্চল হরিণী র মতোই বলতে হয়, সংশয়ের কারণে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে।

ব্লগার বিষক্ষয় এর উচিত হবে তার সকল বক্তব্যের একটি বা একাধিক প্রমান দাখিল করা । নইলে তার বিরূদ্ধেও তো কোনও প্রমান ছাড়াই যে কোনও পাঠক " বিষক্ষয়" এর মতো বলতেই পারেন - "জমি ও টাকাপয়সার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বনিবনা হয়নি বলেই ডঃ ফেরদৌসির বিরূদ্ধে লেগেছেন বিষক্ষয় ।"
পাঠকেরা তা পারেন তো নাকি পারেন না ?

আপনার বারংবার বলার পরেও "বিষক্ষয়" কিন্তু তথ্য-প্রমান হাজির করছেন না । খালি অভিযোগ করেই যাচ্ছেন । দাল মে কুঁছ কালা হ্যাঁয় ???????????

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: সহ ব্লগার চঞ্চল হরিণী র মতোই বলতে হয়, সংশয়ের কারণে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে। -- হুম ব্লগার বিষক্ষয় কথাতে ধোঁয়াসা রেখে আমাকেও কুয়াশার ভিতরে রেখেছেন। হা হা হা।

আপনার বারংবার বলার পরেও "বিষক্ষয়" কিন্তু তথ্য-প্রমান হাজির করছেন না । খালি অভিযোগ করেই যাচ্ছেন । দাল মে কুঁছ কালা হ্যাঁয় ??? -- আমিও সেটাই ভাবছি। আশা করি উনি টুকাটুকি না খেলে হাটেই হাঁড়ি ভাঙবেন। :D

২১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:০৮

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





যে দেশ জ্ঞানের মূল্য বুঝে না সে দেশ পিছিয়ে পড়ে তাই স্বাভাবিক। তাই আমরা পেছনের দিকে দৌড়াচ্ছি। স্বপ্ন দেখা অনেক মানুষ বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে স্বপ্ন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং সফলও হচ্ছে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: স্বপ্ন দেখা অনেক মানুষ বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে স্বপ্ন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং সফলও হচ্ছে। -- সেটাই। আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে মানুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের লেভেল নিম্নস্তরের।

যুগ যুগ ধরে অবক্ষয়যুক্ত সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থায় বাস করার ফলে এ দেশগুলোর বেশিরভাগ মানুষের মূল্যবোধের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন হয় নি। তাই একটুতেই নীতি বহির্ভূত কাজ করতে আমাদের বাধে না। অনেকে আবার জানেই না বা মানতেই চায় না যে সে যে কাজটা করছে সেটা অন্যায়। মানে অন্যায়টারও এখানে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয়েছে।

২২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১৭

থার্মোমিটার বলেছেন: ভাল একটা বিষয় নিয়ে লিরেখছেন, আমি উনার লেখাটা বিডি নিউজ এ পড়েছি।উনার লেখাতে আবেগ বেশি বলেই মনে হয়েছে আমার। উনি কোথাও স্পষ্ট করেননি উনার ল্যাবটা সরকারি হবে নাকি ব্যক্তিগত (বাণিজ্যিক) হবে। উনি সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন কিন্তু কোন নীতিমালার আলোকে সরকার সহযোগিতা করবে, যদি ল্যাব সাকসেস হয় তাহলে এটা কার দায়িত্বে থাকবে, সরকার নাকি উনার । উনি বলেছেন এই ল্যাব থেকে হাইব্রিড বীজ অথবা চারা দিয়ে খরচ ও চলবে আবার গবেষণাও চলবে, তাহলে এর বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য আছে । এগুলো দেখাশোনা কে করবে , অডিট কে করবে ? উনি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ চান কিন্তু কিসের উপর ব্যাংক ঋণ দেবে, এটা যদি সফল না হয় তাহলে? আর বিষক্ষয় ব্লগার অনেকগুলো কথাই বলেছেন, যা সবাইকে ধাধার ভিতর ফেলে দিয়েছে। উনার বিজ্ঞানী হিসেবে ক্রেডিবিলিটি কেমন, ভালো প্রোফাইল থাকলে তো বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সাহায্য পাওয়া যেতো, আর উনার রিসার্চ পেপার কেমন ,অভিজ্ঞতা কেমন, রিসার্চ টিমটা কেমন হবে কিংবা কেমন ছিলো তা তো কিছুই বলেননি । আর উনি কিভাবে সাহায্যের কথা শুনলেই ব্লগে মোবাইল নাম্বার দেন (ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার কিনা জানি না)। আমাদের সবার ভেতরেই বিশ্বাসের অভাব, কারণ সরকারি টাকা দিয়ে ভালো কোন রিসার্চ হয়েছে এমন উদাহরণ খুব কম আর উনি যদি সত্যিকার অর্থেই টাকার জন্য এগিয়ে যেতে পারছেন না তাহলে আমি আমার এই কমেন্টের জন্য লজ্জিত।আর একটা ব্যাপার বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মহল থেকে উনার জন্য দাবী উঠছে না কেনো?

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০২

আখেনাটেন বলেছেন: উনার লেখাতে আবেগ বেশি বলেই মনে হয়েছে আমার। --ভালো পর্যবেক্ষণ। একমত। কিছুক্ষেত্রে অতিরঞ্জিত হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তারপরেও উনার এই জ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগকে একাই পাড়ি দেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা না করে পারা যায় না।

উনি কোথাও স্পষ্ট করেননি উনার ল্যাবটা সরকারি হবে নাকি ব্যক্তিগত (বাণিজ্যিক) হবে। --উনি লেখাতে বলেছেন ঋণ করে জমি কিনে তিনি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেক্ষেত্রে এটি ব্যক্তিগত ল্যাব। আর এখানে বাণিজ্যিকভাবে কোনো কিছু রান হলে তা তো ব্যক্তিরই হওয়ার কথা। আর উনি মন্তব্যে লিখেছেন উনার গবেষণা বিশেষ করে প্রায়োগিক। মানে মাঠপর্যায়ে সফল হওয়ার পেছনে উনার পরিশ্রম। মানে গবেষক কাম উদ্যোগতা। এটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। একটা কিছু ল্যাব থেকে মাঠে ইপ্লিমেন্ট করা গবেষণার সবচাইতে বড় গুণ। উনার তথ্য সঠিক হলে উনাকে শ্রদ্ধা করা যেতেই পারে।

পেপার পাবলিকেশনের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। উনি যদি প্রায়োগিক দিকটাতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে হয়ত পাবলিকেশনের দিকে মনোযোগী ছিলেন না। সবই অনুমান।

তবে মোদ্দা কথা হচ্ছে একজন মানুষ নিজ উদ্যোগে দেশের জন্য কিছু একটা করতে চাচ্ছে কিন্তু নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হয়ে এখন নিঃস্ব প্রায়। স্বপ্নেরও সলিল সমাধি। এই দিকটিই ভাবায়।

উনি যদি সত্যিকার অর্থেই টাকার জন্য এগিয়ে যেতে পারছেন না তাহলে আমি আমার এই কমেন্টের জন্য লজ্জিত। --শুধু আপনি না, আমাদের সকলেরই লজ্জিত হওয়া উচিত সেক্ষেত্রে।

২৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৩২

অন্তরন্তর বলেছেন: যদি উনার কথা ঠিক হয় তবে এটা খুব লজ্জাজনক। আবার যদি বিষক্ষয়ের কথা ঠিক হয় তবে তা খুবই দুঃখজনক। আপনার পোস্ট ভাল হয়েছে।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

আখেনাটেন বলেছেন:

অন্তরন্তর বলেছেন: যদি উনার কথা ঠিক হয় তবে এটা খুব লজ্জাজনক। আবার যদি বিষক্ষয়ের কথা ঠিক হয় তবে তা খুবই দুঃখজনক। -- বিষক্ষয় এখনো খোলাসা করেন নি কিছু। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে উনার ল্যাব এখন তালাবদ্ধ উনার ভাষ্যমতে।

২৪| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:১৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: যে কোন বিষয় রাজনৈতিক ভাবে ভাগ করে ফেলা খুব সাধারন বাংলাদেশে। রির্সাচের কোন সুযোগ নেই। পড়া লেখা গতবাঁধা শিক্ষা। নতুন কিছু করতে দেওয়ার উৎসাহ এখন পর্যন্ত জনগনের এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে গড়ে উঠে নাই।
শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে এসব কাজে অনেক উৎসাহী। কিন্তু তিনি একা কতটা করতে পারবেন।
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে কয়েকটা ঘটনা জানি। প্রধানমন্ত্রীর বলে দেওয়ার পরও নানা ভাবে লালফিতার দৌড়ত্বে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি।
ধূয়ে মুছে যতদিন না সাফ করা হচ্ছে পুরানো মানসিকতা। সহজ ভাবে সহজ কাজ করার সুযোগ কারো জন্যে আসবে না। যদি না ক্ষমতা এবং অর্থ না থাকে।
অনেককে দেখেছি বিদেশ থেকে দেশে চলে গেছেন, দেশের উপকার করার জন্য। কিন্তু টিকতে পারেননি। সুযোগ না দিয়ে নানা ভাবে অপদস্ত করা হয়েছে।
গতানুগতিক মানসিকতায় যন্ত্রনা পেয়ে ফিরে গেছেন বিদেশে । ভুলে থাকতে চেয়েছেন দেশকে অভিমানে।
জনগন হারাচ্ছে সুন্দর সুযোগ কিছু গাড়ল মানুষের মূর্খ আচরণের জন্য।


২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন:


রোকসানা লেইস বলেছেন: যে কোন বিষয় রাজনৈতিক ভাবে ভাগ করে ফেলা খুব সাধারন বাংলাদেশে। --এই কালচারাল অ্যাবারেশনটা আমাদের পিছিয়ে পড়ে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ।

রির্সাচের কোন সুযোগ নেই। পড়া লেখা গতবাঁধা শিক্ষা। নতুন কিছু করতে দেওয়ার উৎসাহ এখন পর্যন্ত জনগনের এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে গড়ে উঠে নাই। -- জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে না উঠলে যা হয়। এখানে জ্ঞানের কোনো মূল্য নেই, আছে চাটুকারীতার।

শিক্ষা হয়েছে সার্টিফিকেট সর্বস্ব। সবচেয়ে অবাক হতে হয় দেশের সবচেয়ে বৃহৎ দুটি লাইব্রেরীতে পড়ুয়ারা একাডেমিক বা রেফারেন্সমূলক বই না পড়ে জবগাইড নিয়ে জাবর কাটছে। এতবড় একটি ধ্বংসাত্মক কাজ চোখের সামনে ঘটছে অথচ এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করে তার প্রতিকারের কোনো উদ্যোগ নেই।

গতানুগতিক মানসিকতায় যন্ত্রনা পেয়ে ফিরে গেছেন বিদেশে । ভুলে থাকতে চেয়েছেন দেশকে অভিমানে।
জনগন হারাচ্ছে সুন্দর সুযোগ কিছু গাড়ল মানুষের মূর্খ আচরণের জন্য।
-- ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকেই এখনও মাটি কামড়ে পড়ে আছেন। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে অভিমান তাদেরকেও ভর করতে কতক্ষণ।

২৫| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৩৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: বাংলাদেশের শিক্ষিত লোকজনও 'গবেষণা' শব্দটা বুঝে না, তারা প্রতিদিন যা ব্যবহার করছে, সেই দ্রব্যগুলো কিভাবে উদ্ভব হয়েছে, ও ক্রমাগতভাবে কিভাবে উন্নত হচ্ছে, তারা তা জানে না। ড: ফেরদৌসী বেগমকে সাহায্য করার দরকার; এজন্য উদ্যোগ নেয়ার দরকার।

সহমত|

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: বাংলাদেশের শিক্ষিত লোকজনও 'গবেষণা' শব্দটা বুঝে না, তারা প্রতিদিন যা ব্যবহার করছে, সেই দ্রব্যগুলো কিভাবে উদ্ভব হয়েছে, ও ক্রমাগতভাবে কিভাবে উন্নত হচ্ছে, তারা তা জানে না। -- গাইডবই পড়ুয়ারা এসব জানলে তো ঐসব ছাইপাশ পড়া ছেড়ে প্রডাক্টিভ কিছু পড়ার চেষ্টা করত। এই না বুঝনেওয়ালারাই আবার পলিসিমেকিং করতে বসে। এদের দ্বারা আর যাই হোক জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

শুধু দু-চারটা খাস্তাখেজুর টাইপের রোমান্টিক কবিতা লেখাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে জাতি। এই ভ্যালুলেস কাজগুলোই এখন গুবরে পোকার মতো চারপাশে গিজগিজ করছে।

২৬| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪১

সোহানী বলেছেন: দেশের সব গবেষক বা সৎ লোকজন পালাচ্ছে............. কেন ড:মাকসুদের কথা কি ভুলে গেছেন? উনার সে দু:খের সাক্ষাৎকার!! যে বিজ্ঞানীকে আলু পটলের দামের হিসেব নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় সে গবেষনায় মনোযোগ দিবে কিভাবে????

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

আখেনাটেন বলেছেন:


সোহানী বলেছেন: দেশের সব গবেষক বা সৎ লোকজন পালাচ্ছে... --- শিক্ষার যে বেহাল অবস্থা করেছে। ছাগলেরা মাঠে নেমেছে বিস্তির্ণ মাঠের জমি চাষ করতে। যে জাতি ছাগল দিয়ে হালচাষ করাতে চায়, সে জাতির গুণীরাতো পালাই স্বভাবেরই হবে নাকি।

শকুনেরা লাল-সবুজের জমিনে মরা গরু খুঁজে ফিরছে। বিজ্ঞান-বিজ্ঞানী-গবেষক-উদ্ভাবক-উদ্যোগতা এই শব্দগুলো এ দেশে বোঝা সহজ নয়।

২৭| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৬

ইমরান আশফাক বলেছেন: জাতীয় পিতা পরিষধের কর্নধার (?) ও গবেষক, এইরকম গবেষক হলে উনি প্রচুর পরিমানে সাহায্য পেতেন। আমি মাষ্টার্স ডিগ্রি পাস করে সনদ পেয়েছি, সব মুখস্হ ঝেড়ে। এই ধরনের সনদের পরিবর্তে আমি যদি কারিগরি লাইনে ইন্টার ও পাশ করতাম, ঢের বেশী উপকার করতে পারতাম দেশের। এখন তো এমন কোন ব্যবসা ধরতেই ভয় লাগে যেটায় কিছুটা কারিগরী জ্ঞান লাগে। প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিকরা যদি কিছুটা কারিগরী লাইনে পড়াশুনা বা প্রশিক্ষন নিয়ে যেত, ঢের বেশী আয় করতে পারতো। এখানে আমাদের প্রচলিত সনদের চার পয়সা দামও নেই।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হা আমূল পরিবর্তন করে মুখস্হ বিদ্যার পাছায় লাথি মেরে বাদ দেয়া উচিৎ। অন্তত: ৬০-৭০ ভাগ বিদ্যার্থীদের কারিগরী লাইনে পাঠানো উচিৎ। উচ্চশিক্ষাস্তরে গবেষনা বাধ্যতামূলক হইয়া উচিৎ। প্রকৃত গবেষকদের পছনে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে এবং তারা যেন সংসার চালানোর জন্য অন্য কিছু করার কথা চিন্তা না করতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষাখাতে জাতীয় আয়ের অন্ততপক্ষে সাঁড়ে ছয় ভাগ ব্যয় করতে হবে যেটা এখন মোটে দুই ভাগের মতো। গবেষনা খাতে জাতীয় আয়ের কমপক্ষে এক ভাগ অর্থ বরাদ্দ করতে হবে ক্রমান্বয়ে। এইভাবে সুচিন্তিতভাবে এগুলে আগামী পনেরো বিশ বৎসরের মধ্যে বাংলাদেশ জ্ঞানবিজ্ঞান ও দক্ষ জনশক্তিতে পৃথিবীতে অগ্রসরমান জাতী হিসাবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হবে। এবং সর্বাধিক প্রভাবসম্পন্ন দেশগুলির কাতারে নিজেদের উত্তরন আমরা নিজ চোখেই দেখতে পারবো আশা রাখি।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন:



আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হা আমূল পরিবর্তন করে মুখস্হ বিদ্যার পাছায় লাথি মেরে বাদ দেয়া উচিৎ। --রূঢ় শুনালেও খাঁটি কথাই বলেছেন। অ্যাপ্লিকেশন লেভেলের পড়াশুনা না হওয়াতে এখানে পড়াশুনা শেষ করে ছাত্রদের হা করে থাকা লাগে। পড়াশুনার যে একটা প্রায়োগিক দিক রয়েছে এটা আমরা ভুলে যেতে বসেছি।

এতেই দেখা যায় মেডিকেল থেকে পাশ করে ব্যাংকের টাকা গণনার জব করছে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে পাশ করে ফেমিলি প্লানিং অফিসার। অার্কিটেকচারে পাশ করে ট্যাক্স কর্মকর্তা। কী হাস্যকর সব অবস্থা!

শিক্ষাখাতে জাতীয় আয়ের অন্ততপক্ষে সাঁড়ে ছয় ভাগ ব্যয় করতে হবে যেটা এখন মোটে দুই ভাগের মতো। গবেষনা খাতে জাতীয় আয়ের কমপক্ষে এক ভাগ অর্থ বরাদ্দ করতে হবে ক্রমান্বয়ে। -- এই বিষয়টা নিয়ে আমি একটি দীর্ঘ লেখাও লিখেছি। কীভাবে জিডিপির একটি সামান্য অংশ দেশের সামগ্রিক খোলনোলচে পাল্টে ফেলতে পারে।

এগুলো কেন যে মহান দেশপ্রেমিকেরা বোঝে না তা আমার মতো ছোট্ট মস্তিষ্কে ঢোকে না। হয়ত একদিন বুঝবে সেই অাশায়...।

২৮| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

বিষক্ষয় বলেছেন: Lets analyze her claims and debunk them one by one:
বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি নেয়ার পর দেশে ফিরে এলাম। Her PhD is on plant tissue culture. You do not do a thesis on tissue culture and get a PhD in genetic engineering. A phd thesis on tissue culture broadly falls in the category of plant biotechnology but no way it can be categorized as a PhD in genetic engineering. So she can not claim to have done a PhD in genetic engineering, let alone be the first bangladeshi to do a Phd in Genetic engineering.
https://www.changemakers.com/globalgoals2015/entries/ferdous-biotech (do a crtl+F ferdousi after going to this link).

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: Her PhD is on plant tissue culture.You do not do a thesis on tissue culture and get a PhD in genetic engineering. -- হুম; বুজলুম। কিছুটা অতিরঞ্জন অবশ্যই যেটা আমার এক প্রতিমন্তব্যে বলেছি।

কিন্তু এটা উনার সেই প্লান্ট টিস্যু কালচার করা এবং সেটা মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগকে কোয়ালিফাইড (qualified) করে না। এবং এর ফলে উনার এই একক প্রচেষ্টাকেও আপনি প্রভেনশল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারেন না।

২৯| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২১

যবড়জং বলেছেন: কোহিনূর সিংহাসন টিকিয়ে রাখা আর চেতনার ব্যাবসা কি ভাবে বাড়ানো যায় সেই ব্যাপারে গবেষণা হতে পারে দেশও জাতির এক মাত্র মিশন ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা; মন্দ বলেন নি।

৩০| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যখন কেরানি পোস্টে পিএইসডি ওলারাও আবেদন করিতে শুরু করিল, এবং খবর বাহির হইল তাহাদের প্রতি এক হাজার আর্টিকেলে মাত্র ২/৩ টি অথেন্টিক , তখন সরকারের টনক নড়িল ! তাহারা পিএইসডি চেক করা শুরু করিলেন ! শোনা যায় , ইহাতে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিও ধরা খাইয়া চাকুরী খুইয়াছেন ! আমাদের দেশের আর্টিকেল ও পিএইচডিধারীদের অবস্থা কেমন কে জানে !

আমার এক পরিচিত বিদেশে থাকিয়াই এখানকার পোলাপাইন দিয়া ল্যাব চালাইতেছেন, গবেষণা করিতেছেন ! বিদেশে প্রতিষ্ঠিত গবেষকদের অনেকেরই ইচ্ছা আছে দেশের জন্য কিছু করার ! সরকারের উচিত তাহাদের দেশে ফিরাইয়া আনার পরিবেশ তৈরী করা ! চীন , ইরান , মালেশিয়া ইহা করিয়া বিপুল লাভবান হইয়াছে !

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতও আগাইয়া আসিতে পারে ! সিএসআর ফান্ডের টাকা নয় ছয় না করিয়া, ফালতু স্কুল, কলেজে দান না করিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় দান করিতে পারে ! সরকারি বিশ্ববিদ্যালগুলো না পারিলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগাইয়া আসিতে পারে !

গবেষণা ক্ষেত্রে যেইরকম মারিং কাটিং চলিতেছে তাহাতে অচিরেই পিএইসডির মান জিপিএ ৫ হইয়া যায় কিনা ইহা ভাবিয়া শংকিত !

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যখন কেরানি পোস্টে পিএইসডি ওলারাও আবেদন করিতে শুরু করিল, এবং খবর বাহির হইল তাহাদের প্রতি এক হাজার আর্টিকেলে মাত্র ২/৩ টি অথেন্টিক -- =p~ আমাদের এখানেও দেশী পিএইচডিওয়ালারাদের মনে কয় আরো অবস্থা খারাপ।

সরকারের উচিত তাহাদের দেশে ফিরাইয়া আনার পরিবেশ তৈরী করা ! -- সরকার যদি সত্যিকারের জনবান্ধব হত তাহলে এটা অনেক আগেই করত। কিন্তু দুর্ভাগ্য এ জাতির।

গবেষণা ক্ষেত্রে যেইরকম মারিং কাটিং চলিতেছে তাহাতে অচিরেই পিএইসডির মান জিপিএ ৫ হইয়া যায় কিনা ইহা ভাবিয়া শংকিত ! -- যাকে নিয়ে লিখেছি এখন তো মনে হচ্ছে এখানেও ভিতরে ভিতরে গবেষণার সাথে টবেষণাও জড়িত। বিষক্ষয় সাহেবের বিষতো মনে হয় গবেষক মেমকে ছোবল দিয়ে ফেলেছে। হা হা হা।

আজব এক সমাজের নাগরিক আমরা।

৩১| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৪

বিষক্ষয় বলেছেন: আমি ১৯৯৭ সালে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে দেই। নিজের এসএসসি থেকে পিএইচডি র্পযন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ জমা রেখে ১০ মাসিক সুদে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেই। কম্পিউটার কেনার টাকাও ঋণ নেই। বিয়ের সমস্ত গহনা বিক্রি করি। বাসা রেফ্রিজারেটর বিক্রি করে একটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র ভাড়া করি। র্ফামগেইটের মণিপুরি পাড়ায় ছোট্ট একটা বাসা ভাড়া নিয়ে খুলে বসি দেশের প্রথম প্রাইভেট বায়োটেকলজি গবেষণাগার। গবেষণার কেমিক্যাল নিয়ে আসি বোস ইনস্টিটিউট থেকে।
This is not true. The first private biotech lab was established by the owners of Crescent lighting (http://crescentlightingbd.com/) and then there was another plant biotech lab called "Flora" (i might be wrong about the name) located in Mogbazar area of Dhaka.
The other thing is that even though she owned the lab, from the very beginning she has received a steady stream of projects and funding from the govt of BD as well as many foreign donors. You can find a list of projects funded by BD Govt and other foreign donors. Her organization and lab would be best categorized as a NGO but not as a private organization.

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২২

আখেনাটেন বলেছেন: Her organization and lab would be best categorized as a NGO but not as a private organization. -- Nice shot…

৩২| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫

বিষক্ষয় বলেছেন: Also lets make it very clear, I am only objecting to her using the banner of Scientists and research. I do not have anything personal against her. Everyone is looting whatever they can in Bangladesh and why should I care if she wants get few hundred millions of public's money.

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: good gesture...

৩৩| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

গড়ল বলেছেন: পাঁচ হাজার কোটি টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট না পাঠিয়ে যদি সে টাকা এরকম একশটা গবেষণায় অনুদান হিসাবে দিত সরকার আর এর মধ্যে দশটাও সাফল্য লাভ করত তাহলে দেশের চেহারা পাল্টে যেত।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: গড়ল বলেছেন: পাঁচ হাজার কোটি টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট না পাঠিয়ে যদি সে টাকা এরকম একশটা গবেষণায় অনুদান হিসাবে দিত সরকার আর এর মধ্যে দশটাও সাফল্য লাভ করত তাহলে দেশের চেহারা পাল্টে যেত। --- এগুলো কে বুঝাবে মাননীয়াকে। অথবা বুঝলেও...।

৩৪| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

বিষক্ষয় বলেছেন: Now look at the money numbers mentioned in her article: in 1997, She started with 1 lac money borrowed on interest and lets say got another 1 lac taka by selling her gold jewelry and fridge. By 2001-2010 she has managed to "buy" 4.5 bihga Govt land in gazipur and managed to get more than five কোটি taka in loan. but she states that she spent all her money to build the building with 10 story foundation. She was doing tissue culture of orchids and potato 20 years ago and she still doing tissue orchids and potato now. And to do tissue culture of orchids and potato you do not need to build a ten story mansion. This works can be done in very basic conditions. Also you need very few equipment and chemicals to set up and run a tissue culture lab and these days they relatively cheap too.
In several developed countries, I have seen potato tissue culture labs with two rooms in a tin shed that were successfully supplying seed potato to region similar to the size of Bangladesh.
Here in the streets I see boys and girls collecting coins in tin cans for charities such as oxfam, world vision, and save the children and people running these NGOs in Bangladesh live in comfort and luxury on the money collected in this manner. So off course, she went and build a big building as soon as she got the loan, instead of focusing on getting the lab up and running.

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: She was doing tissue culture of orchids and potato 20 years ago and she still doing tissue orchids and potato now. And to do tissue culture of orchids and potato you do not need to build a ten story mansion. This works can be done in very basic conditions. Also you need very few equipment and chemicals to set up and run a tissue culture lab and these days they relatively cheap too.--Your monochromatic depiction/staining is now being colorful. This is what we’re shouting…keep writing…

৩৫| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

বিষক্ষয় বলেছেন: In the article, she is complaining about financial hardship meanwhile , in 2007 her family has set up a different company called "Oggro" of which her son is the chairman and she is the founding MD. These companies has a market value of about 40 koti taka. And yes to make sure that they can access the honey pot of foreign donations this "Oggro" is a socially responsible business.
http://oggro.org/ventures/
http://oggro.org/about/

২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২২

আখেনাটেন বলেছেন: It might have happened... she was running a lab and selling the product to his son’s company. As stated in her article a huge chunk of crops had damaged and I guess they invested lot…means she can’t recuperate from that loss. As a result, she wants gov to help her son’s company out from the trouble.
Now it is clearly seen she’s hiding something. But the truth is she’s a scientist who is working in an independent lab and obviously trying to establish an agro-based company. She's a women entrepreneur, and definitely, we should appreciate her work, grit, willpower, and dedication. Here bdnews24.com is also playing a card with its reader……
Still, I don’t know whether I messed it up…
It ’s really a horrible country. You can’t believe anybody anyhow….Drop this matter….

৩৬| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

নীলপরি বলেছেন: প্রয়াস যখন আছে তখন ভালো কিছুরই আশা রাখা যায় ।

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: তাই হোক...... শুভ হোক সকলের যাত্রা.......

৩৭| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০০

সুমন কর বলেছেন: কাল পোস্টে ঘুরে গিয়েছিলাম। আজ পড়লাম। কি আর বলব !! এ ধরনের লেখাগুলো পড়লে মেজাজ এবং মন দু'টাই খারাপ হয়। আর এভাবেই আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি এবং যাবো.........শুধু দুর্নীতিবাজ এবং নেতারা টিকে থাকবে।

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: শিক্ষাখাতের আমূল পরিবর্তন ছাড়া কোনো জাতিই মাথাতুলে দাঁড়াতে পারবে না। পাশের দেশ ভারতও তাদের শিক্ষার খোলনোলচে পাল্টে ফেলছে ধীরে ধীরে। এর ফলও পাচ্ছে হাতে নাতে। আজকের বিশ্বের নামকরা কোম্পানীগুলোতে ভারতীয় সিইও'রা জেঁকে বসেছে। এগুলো এমনি এমনি হয় নি। তাদেরকে দেখেও কিছু শিখছি না।

৩৮| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

সিগন্যাস বলেছেন: প্রিয় ফারাও ভাই,
যদি ডঃ ফেরদৌসী আমেরিকা থেকে যেতেন তাহলে বিশ্ববাসীর আরো বেশি উপকার হতো ।

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: মনে হচ্ছে পচা মাছের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে সিগন্যাস ভাই। উনার এ দেশে থাকায় মনে হয় বেটার।

৩৯| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

বিষক্ষয় বলেছেন: She definitely do not need us, powerless bloggers, help. I have known and worked with many scientist in Bangladesh but has never seen anyone who had so much access to people in power and has done very little actual research.
As I said before that she always had free access people in power. Here are some photos of her with agriculture minister, USA ambassador and EU ambassador. And in her own story she has mentioned that the secretary brought PM Sk hasnia to her stall and with a PM and her security I am pretty sure this was pre-planed and was done by the secretary as a favor to her. Also met Bangldesh bank Govonor Fokkruddin who probably helped her to get a loan of few Koti takas.
She has also met PM Sk Hasina not only once but several times. So what she wants now is that BD govt give her more money and also forfeit her loan.
This is a private company and is owned by Dr Ferdousi. At present there are several private biotech/seed companies that are successfully doing business without any Govt handouts. And giving her more govt money will only make life difficult for those companies and she will be back for more handout in couple of years. That is her modus operandi.

২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: হুম; জানা হল অনেক কিছু। পাঠকেরা এখন বিচার করুক।

৪০| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১

বিষক্ষয় বলেছেন:

৪১| ২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যেই দেশে গুনীদের কোন কদর করা হয় না, সেই দেশে গুনী জন্মায় না। যাওবা গুটিকয় জন্মায়, তারা হয় অবহেলা অনাদরে ঝরে যায়, অথবা বিদেশে পাড়ি জমায়। আমাদের এমনই কপাল যে আমরা তেমনই একটা দেশের সন্তান!! :((

এটাই আমাদের নিয়তি, একে খন্ডাবে কে? তেমন নেতা কি আমরা কোনদিন পাবো?

২৭ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:২০

আখেনাটেন বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: যেই দেশে গুনীদের কোন কদর করা হয় না, সেই দেশে গুনী জন্মায় না। যাওবা গুটিকয় জন্মায়, তারা হয় অবহেলা অনাদরে ঝরে যায়, অথবা বিদেশে পাড়ি জমায়। আমাদের এমনই কপাল যে আমরা তেমনই একটা দেশের সন্তান!! -- এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের রাস্তাগুলোও ব্লক হয়ে গেছে। এখন এগুলোই আমাদের নিয়তি।

দেশ নিয়ে একটা নেতারও সঠিক ভাবনা চিন্তা নেই। থাকলে শিক্ষাখাতকে খাদের কিনারে টেনে আনত না।

৪২| ২৮ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:১৮

সোহানী বলেছেন: বিষক্ষয় মন্তব্যগুলো পড়লাম। আমারও কিছু প্রশ্ন উনার সাথে, যেখানে গবেষনা বা দেশ সেবা জড়িত সেখানে কেন ১০ তলা কমপ্লেক্স তৈরী হলো তাও আবার লোন নিয়ে। এবং এ দীর্ঘ সময়ে আর কোন গবেষনা বা এ ধরনের কাজ কেন তিনি দেখাতে পারেননি। ফ্রিজ টিভি গয়না বিক্রির ইমোশোনের সাথে কাজের ইমোশনের এতো গ্যাপ কেন?

তারপরও বলবো দেশে গুনীদের কোন কদর করা হয় না, তাইতো তারা অবহেলা অনাদরে ঝরে যায়, অথবা বিদেশে পাড়ি জমায়।

৩০ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: সোহানী বলেছেন: বিষক্ষয় মন্তব্যগুলো পড়লাম। আমারও কিছু প্রশ্ন উনার সাথে, যেখানে গবেষনা বা দেশ সেবা জড়িত সেখানে কেন ১০ তলা কমপ্লেক্স তৈরী হলো তাও আবার লোন নিয়ে। এবং এ দীর্ঘ সময়ে আর কোন গবেষনা বা এ ধরনের কাজ কেন তিনি দেখাতে পারেননি। ফ্রিজ টিভি গয়না বিক্রির ইমোশোনের সাথে কাজের ইমোশনের এতো গ্যাপ কেন? -- এখানে ড. ফেরদৌসী মনে হচ্ছে কিছু লুকাচ্ছেন। উনাকে এখন যতটানা গবেষক তার চেয়ে উদ্যোগতা মনে হচ্ছে। কিন্তু উনি গবেষকের ভেক ধরে সরকার থেকে কিছু ফায়দা করতে চাচ্ছেন হয়ত। সেটা যদি সঠিক পন্থায় হয় তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা না। দেশে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগতা দরকার। বিদেশী সিড কোম্পানীগুলো সিন্ডিকেট করে দেশের বাজার দখল করে ফেলছে।

তারপরও বলবো দেশে গুনীদের কোন কদর করা হয় না, তাইতো তারা অবহেলা অনাদরে ঝরে যায়, অথবা বিদেশে পাড়ি জমায়। -- তা আর বলতে। আমাদের চিন্তার দৈনতা অামাদের শুধু পেছনেই টানছে।

৪৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: গবেষণা নিয়ে আপনার উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আগ্রহের কথা আপনার বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে আমরা, এই ব্লগবাসীরা বিভিন্ন সময়ে জানতে পেরেছি। সেরকম একটা সফট কর্ণার থেকেই বোধহয় এ লেখাটা লিখেছিলেন। কিন্তু কালক্রমে বিষক্ষয় তার যুক্তিপূর্ণ মন্তব্য দিয়ে অনেক বিষয় খোলাসা করেছেন। তবে ওনার মন্তব্যগুলো পড়ে এটাও মনে হয়েছে যে ওনাদের মধ্যে হয়তো কোন ব্যক্তিগত ইস্যু থাকতে পারে।
বিডি নিউজ২৪ডটকম এ প্রকাশিত ফেরদৌসী বেগমের মূল লেখায় শোভন নামের একজন মন্তব্যকারী ওনাকে ওনার গবেষণা সম্বন্ধে যে প্রশ্নটি করেছেন, যা আপনিও ১৩ নং প্রতিমন্তব্যে উদ্ধৃত করেছেন, উনি কিন্তু সেই মন্তব্যকারীর আগে পরে অনেক মন্তব্যের জবাব দিলেও সেই মন্তব্যটার জবাব দেন নাই। ফলে একজন গবেষক হিসেবে ওনার সাফল্যগাঁথা প্রশ্নাধীন থেকেই যায়।
মন্তব্য আর প্রতিমন্তব্যগুলো পড়তে পড়তে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় নিয়ে নিউসটা পড়লাম। সংশয়ের কারণে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে। আরও কিছু পরে হয়তো সঠিক উপলব্ধি আসবে। শুরু থেকে এই ১৬ নং মন্তব্যে আসা পর্যন্ত আমারও একই রকম মনে হয়েছে।
একটি সুবিবেচিত, সুচিন্তিত এবং সুলিখিত মন্তব্য (২২ নং) এখানে পোস্ট করার জন্য ব্লগার থার্মোমিটার কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সোহানী, ইমরান আশফাক, গড়ল, প্রমুখের মন্তব্যগুলোও (২৬,২৭,৩৩ ও ৪২ নং) ভাল লেগেছে। +
আপনার অনেকগুলো প্রতিমন্তব্য ভাল লেগেছে, সেগুলোতে 'লাইক' দিয়ে গেলাম। +
পোস্টে ১৭তম ভাল লাগা + +

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: এতদিন পরে পোস্টটি পড়ে চমৎকার মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। যদিও আপনি এ ব্যাপারে ইউনিক। :D


আর ঠিকই বলেছেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে পোস্টটি করা তা মনে হচ্ছে কিছুটা ঘোলাটে হয়ে গেছে। যে দেশে গবেষণার বরাদ্দ আপ্যায়ন বিলের চেয়ে কম হয় সেখানে এগুলো নিয়ে অরাজকতা হবে এটাই নিয়তি।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে একটি নন-সাসটেইনেবল ভবিষ্যৎ গড়ছি আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

আবারো ধন্যবাদ রইল। শুভকামনা। ভালো থাকুন।

৪৪| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪২

কালীদাস বলেছেন: ড. বেগমের বক্তব্য কিছুটা অতিরন্জিত মনে হয়েছে দুয়েক জায়গায়। বিষক্ষয় অনেক পয়েন্ট এনেছেন, কিন্তু পারসোনাল কনফ্লিক্টের আশংকা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিতে পারলাম না।

পারসোনালি গভর্নেমন্ট ফান্ড নিয়া সরাসরি কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার নেই লাকিলি (শুকর আলহামদুলিল্লাহ)। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এতটাই বেশি যে এরচেয়ে বাইরের ফান্ড খোঁজা সময়ের দিক থেকে অনেক লাভজনক। সম্ভবত হেকেপ নামে একটা স্কোপ ছিল, কিছু পাবলিক ইউনিভার্সিটির টিচাররা ব্যাপক চেষ্টা করে ঐটার ফান্ড পেতে। ঐটা সম্ভবত কিছুটা কম কমপ্লেক্স আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দিক থেকে। এই ভদ্রমহিলার মত কেউ পারসোনালি সরকারের কাছ থেকে ফান্ড পেতে চেষ্টা করলে বেহুদা সময় নষ্ট হবেই। তাছাড়া জেনেটিক্স বা বায়োকেমিস্ট্রি রিলেটেড সাবজেক্টগুলো খুবই ফাস্ট, এরকম দশ বছরে একটা রেজাল্ট জেনারেট করলে সেটা মিউজিয়ামে স্হান পাওয়ার মত হবে।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: ড. বেগমের বক্তব্য কিছুটা অতিরন্জিত মনে হয়েছে দুয়েক জায়গায়। -- ঠিক ধরেছেন। বিষক্ষয়ের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিজেও একটু পাত্তা লাগিয়েছিলাম। ড. বেগমের কথার সাথে কাজের অনেক ঘাপলা আছে। আর বিষক্ষয় সাহেবদের সাথেও উনার একাডেমিকভাবে কিংবা গবেষণা রিলেটেড কিছু কনফ্লিক্ট হয়েছে পলিসি লেভেলে।

গবেষণার জন্য সরকারের আলাদা কোনো ভিশন নেই। দেশের সায়েন্স ল্যাবগুলোও বরাদ্দের অভাবে ধুঁকছে। আবার যে প্রজেক্টে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে সেখানেও কিছু অসৎ লোক সেগুলোকে নিজেদের পকেটে ঢুকার ধান্ধায় ব্যস্ত। সুস্থ মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় সবই হযরলব।

নলেজ বেইজড সোসাইটির ভাবনাটা এ দেশে নিদারুন অবহেলিত। ভাবতে ভিশন খারাপ লাগে যে সরকার এই বিষয়ে এতটা উদাসীন কেন? একটাও কি ভিশনারি মানুষ নেই সরকারে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.