নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

চামড়ার কু-বাণিজ্য ও কর্তৃপক্ষের অবহেলা-অব্যবস্থাপনা!!!

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১০



জাতীয় সম্পদের বেফাজিল অপচয় এ দেশে হ্যালির ধুমকেতু নয়। বরং বলা চলে K-POP’র মতো নয়া নয়া খাসলতে চক্ষুগোচর হয় আর কি! আর এই গ্যাংনাম স্টাইলের মূল ভুক্তভোগী সেই চির নবিন ভুখানাঙ্গারা? আর এসব ‘কু-স্টাইল’ দেখে গলার রোগ ফুলাইনন্যা হাউকাউ পার্টি তথাকথিত আমরা। যদিও ফলাফল। বিরাট অশ্বডিম্ব। দশকের পর দশক সেই ‘ঘুরালে লাঠি ফিরালে কোঁতকা’। কর্তৃপক্ষ নাকে ‘সুরেশ সরিষার তেল’ মেখে আশিয়ান সিটির স্বপ্নে বিভোর ও বেহুঁশ!

অপরিকল্পিত নীতি, অনিয়ম, অদূরদর্শিতা ও সর্বোপরি অব্যবস্থাপনার ক্রমপুঞ্জিভূত রূপ হচ্ছে এই রাস্তায় চামড়ার গড়াগড়ি। অথচ পরিকল্পিত নীতি ও দূরদর্শী ব্যবস্থাপনায় চামড়াখাত হতে পারত সোনার ডিম পাড়া হাঁস। কিন্তু কে হায় চামড়া ছিলে নীতির কথা পাড়তে আসে এ রূপসী বিবিধ বঙ্গে? ঐ অনিয়মেই যে মোদের অনির্বাণ সুখ! আচ্ছা, ছাড়ুন, এসব রং ঢং।

বরং চলুন একটি হিসেব মিলাই। ধরুন, ব্লগার রাজীব নুরের ৯০ হাজার টাকার কালো গরুর দানকৃত চামড়াটা ছিলছিলা ইয়াতিম খানার হুজুর বিক্রি করল ৪০০ টাকায়। সেটা চামড়া ব্যবসায়ীর মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হয়ে ২০ বর্গফুট ক্রাস্ট চামড়া পাওয়া গেল। যা চীনে রপ্তানী হল (২০*১৫০) = ৩০০০ টাকায়। চীন সেই চামড়া দিয়ে চমৎকার ৩টি হ্যান্ডব্যাগ ও ৫ জোড়া জুতা তৈরি করল ‘Louis Vuitton’ ব্রাণ্ডের নামে। সেই হ্যান্ডব্যাগ প্রতি পিস ৭,০০০ টাকা ও জুতাগুলো প্রতি জোড়া ৪,০০০ টাকায় ঢাকার অভিজাত একটি রিটেইল আমদানী করে আনল।

মাস দশেক পরে ব্লগার রাজীব নুর মাগুর মাছের মতো হাসি দিয়ে সুরভী ভাবীকে নিয়ে রোজার ঈদের বাজার করতে গেল সেই অভিজাত রিটেইলে। এবং ‘ওয়াও’, ‘অসাম’, ‘দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে’ বলে একটি হ্যান্ডব্যাগ ১০,০০০ টাকায় ভাবীকে কিনে দিল। সুরভী ভাবীও এই খুশিতে ডেলা সেজে রাজীব ভাইকে নজরানা হিসেবে এক জোড়া সেই জুতা কিনে দিল ৬,৫০০ টাকায়। এরপর মনের আনন্দে দুজনে ৯০ হাজারী মিঃ ব্লাক কাউ'র চামড়ার ব্যাগ ও জুতা নিয়ে বাসায় ফিরল।

আচ্ছা, এবার হিসেব করুন তো, একটি হ্যান্ডব্যাগ ও এক জোড়া জুতার দাম যদি...তাহলে রাজীব ভাইয়ের এক কালো গরুর চামড়া দিয়ে কত টাকার ব্যবসা হল। এখানে কে কে লুজার আর কে কে...?



আমাদের সরকারগুলোর পোশাকশিল্প নিয়ে এক ধরণের ঘোর কাজ করে। ফলে উনারা এই শিল্প বাদে আর কোনো দিকে মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ অনুভব করেন না। ফলে দেশের মোট রপ্তানী আয়ের সিংহভাগ(প্রায় ৮৪ শতাংশ) এখনো ঐ একমাত্র তৈরি পোশাক। এই একমুখী রপ্তানী যে কোনো দেশের অর্থনীতির জন্য বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ তা মির্জা আজিজুল, আকবর আলী খান, জাহিদ সাহেবরা বলে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত । কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এখান থেকে রপ্তানীকে বহুমুখী করার কোনো প্রকার উদ্যোগ যথাযথভাবে পালন করা হয় না। কেন হয় না সে বিরাট রহস্য? এখানেই তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতি, রাজনীতিক ও আমলাদের গোপন প্যানডোরার বক্স যা অলওয়েজ হিডেন।

আমরা জানি, গার্মেন্টেসের র-ম্যাটেরিয়াল প্রায় সম্পূর্ণ আমদানীকৃত। অথচ এই চামড়াশিল্পের জন্য র-ম্যাটেরিয়াল প্রায় পুরোটাই দেশি। গার্মেন্টসকে যেভাবে প্রণোদনা দেওয়া হয় সেভাবে চামড়া শিল্পের প্রতি সরকারগুলো লক্ষ্য দিলে আজ ১ বিলিয়নের(বিশ্ব চামড়া বাণিজ্যের ০.৬ শতাংশ) জায়গায় ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী আয় করা সম্ভব হত চামড়াজাত পণ্য রপ্তানীর মাধ্যমে। যেখানে চীন বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়া আমদানী করে তা অন্য দেশে নানা ধরণের পণ্য তৈরি করে রপ্তানীর মাধ্যমে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। আমাদের পাচারকৃত চামড়া দিয়ে ভারতের ট্যানারীগুলো জমজমাট। আর আমাদের ট্যানারী নাকি ব্যবসা করতে না পেরে নিজেদের ব্যবসা থেকে গুটিয়ে নিচ্ছে।

কতটা অব্যবসায়ী-বান্ধব পরিবেশ হলে এই অবস্থা হতে পারে? এক হাজারীবাগ থেকে ট্যানারী সরাতে দুই যুগ লাগে। এক সেন্ট্রাল ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) তৈরিতে এক যুগ লাগে? সেটাও ভেজালে পরিপূর্ণ, অপরিকল্পিত। এগুলো দেখার কেউ কোথাও নেই। আর এই কোথাও কেউ নেই অবস্থার শিকার হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ নানাভাবে, নানাউপায়ে। আমরা সবাই জানি এই চামড়া বিক্রির টাকাটা প্রায় পুরোটাই যায় এতিমখানা কিংবা গরীব দুঃখী মানুষের কল্যাণে। সেখানে তারা নিদারূণভাবে বঞ্চিত।

এই ধান, চামড়া, শাকসবজী ইত্যাদি ইত্যাদির জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত সেই সাধারণ বাংলাদেশীরাই যারা জীবনের বড় একটি অংশ কায়িক শ্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে। আমাদের সরকার বাহাদুরদের তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত দেওয়ার সময় কোথায়? তারা আমলাদের সাথে নিয়ে দশকের পর দশক ব্যস্ত ঢাকার কোন জায়গায় নন-সাসটেইনেবল ও অদ্ভুতুড়ে উড়ালসড়ক হলে দেশের উন্নতি ত্বরান্বিত হবে ও সাথে হবে নিজেদের পকেট স্ফিত...।

আসলে আমাদের উন্নতির অন্তরায় অর্থনৈতিক নয়, এটি পুরোটাই রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা। অনেক আগে ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন কেইনস লিখেছেন---
অভাব ও দারিদ্রের সমস্যা এবং শ্রেণি ও জাতিসমূহের মধ্যে ইকোনোমিক স্ট্রাগল একটি ভয়ঙ্কর বিভ্রান্তি মাত্র, একটি অস্থায়ী ও অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি মাত্র। আমরা যদি সঠিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারি তবে আজকের পাশ্চাত্য বিশ্বে যে সম্পদ ও কারিগরী জ্ঞান রয়েছে তা আজকের অর্থনৈতিক সমস্যাকে...গৌণ সমস্যাতে পরিণত করতে সক্ষম...বরং বলা চলে আমাদের প্রধান সমস্যা হল ভালোভাবে বেঁচে থাকার সমস্যা, মানবিক সম্পর্কের সমস্যা, উৎপত্তির সমস্যা এবং সর্বোপরি আচরণ ও চিরাচরিত ধর্মের সমস্যা।’
(পরার্থপরতার অর্থনীতি, আকবর আলি খান)

সময়ের সাথে সাথে সভ্য পরিমণ্ডলে মানুষের, সমাজের, জাতির উত্তরোত্তর উন্নতি হয়। আমাদের কী হচ্ছে তা যদি বিজ্ঞ ব্লগারেরা বলতেন? নাকি আমাদের পরিমণ্ডলটাই ...সভ্য!!
******************************************************************************************
আখেনাটেন/আগস্ট-২০১৯
@হুমকির-মুখে-চামড়াশিল্প--ইত্তেফাক
@চামড়ার-দামে-ধস-কার-লাভ-কার-ক্ষতি-প্রথম আলো
@ন্যায্য-দাম-না-পেয়ে-৯০০-চামড়া-মাটি-চাপা-প্রথম আলো
@বিক্রি-করতে-না-পেরে-রাস্তায়-ফেলে-দিলেন-চামড়া-প্রথম আলো
@-চট্টগ্রামে-৩০০-টাকার-চামড়া-৫০-টাকাও-বলছে-না-প্রথম আলো

মন্তব্য ৯৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৯৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার রাজিব নুর ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন; আজকে ব্লগিং ফেলে, ঢাকার রাস্তা থেকে চামড়া তুলে, ট্রাকে করে কোন গো-ডাউনে নিয়ে সারাদিন লবন লাগালে, ব্যবসা শুরু হতে যেতো।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা;

দুর্দান্ত ব্যবসায়িক আইডিয়া। বিনা পুঁজিতে ব্যবসা।

ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আগে মনে আছে কোরবানির চামরা বেচা কেনা নিয়ে রীতিমত মারামারি লাগতো পাড়ায় বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে । এতটাই রমররমা ছিল চামড়া ব্যবসা। আর এখন চামড়া কেনার জন্য কেউ নাই!!! কারন সবার জানা কিন্ত কিছুই করার নাই এইটাই সবচেেয়ে হতাশার ব্যপার।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: এখন বিশ্ব বাজারে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার দাম তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। ফলে চামড়া রপ্তানী করে খুব একটা লাভবান হওয়া যাবে না। বরং নানামুখি ব্যাকআপ শিল্পের মাধ্যমে এন্ড প্রডাক্ট হিসেবে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানীই হতে পারত কার্যকরী ঠিক পোশাক শিল্পের মতো।

কিন্তু অদূরদুর্শীতা ও অবহেলা এই খাতটিতে কাজ করা মানুষদের ডিমোটিভেইট করে দিচ্ছে। আবার কেউ কেউ এই সুযোগে চরম অনৈতিকতার আশ্রায় নিচ্ছে।
এখন দেখবেন সরকারপক্ষ ও ব্যবসায়ীপক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করবে এই নিদারুন অব্যবস্থাপনা নিয়ে।

৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



আসলে ১ দিনে, ১ কোটী ৫ লাখ চামড়া হ্যান্ডলিং করার মতো ক্ষমতা "সিজনাল ব্যবসায়ীদের নেই"; অসৎ টেনারী ব্যবসায়ী ও অসৎ সিজনাল ব্যবসায়ীরা মিলে সরকারের বিশৃংখলার সুযোগ নিচ্ছে; এমন কি ২০/৩০ লাখ চামড়া নষ্ট হয়ে গেলেও অনেক ব্যবসায়ী লাভবান হবে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: ঠিক তাই।

তবে এখানে কিন্তু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। চামড়া পুঁতে ফেললেই কি আর ফেলে দিলেই কি? বরং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ গরীব দুঃখীরা যারা এই চামড়ার অর্থ ভোগ করত।

চামড়া ফেলে দেওয়া কিংবা দাম কম হওয়ায় তাদের প্রাপ্যটুকু তারা পাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা ঠিকই তাদের মুনাফা করবে। বরং বলা চলে এই সরকারী অব্যবস্থাপনার সুযোগে তারা অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে অধিক হারে মুনাফার ধান্ধা করবে।

৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: অ্যাপেক্সের এমডি হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতা একেএম রহমতউল্লাহ। বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতিও তিনি। ব্যবসায়ী পক্ষই বলেন আর সরকার পক্ষ সবাই একই দলের।পুরো ব্যপারটাই একটা পরিকল্পিত কারসাজি ।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: একটি সিন্ডিকেট চরমভাবে সক্রিয় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এক হাজারীবাগের ট্যানারী সরাতে হাইকোর্টকে যেভাবে রুল জারি করতে করতে চরম অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই চক্রটা এখানেও থাকবে। সার্বিক উন্নতির চিন্তা নেই। চামড়া নষ্ট হলে কার কি এসে যায়।

৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



এখন গরীবেরা চামড়া থেকে পয়সা পায় না; চামড়া নিয়ে যায় "মাংস কাটার" লোকেরা; এবার ৬০ ভাগ চামড়া নিয়ে গেছে ওরা; "মাংস কাটার" লোকেরা গড়ে ৫০০০ টাকা ক্যাশ পেয়ে গেছে; চামড়া বিক্রয় করতে পারলে ভালো, না পারলে সমস্যা নেই। মাদ্রাসাও বিনে পয়সায় পেয়েছে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: এখন গরীবেরা চামড়া থেকে পয়সা পায় না; -- এটা সঠিক তথ্য নয়। এখনও এই কুরবানীর চামড়ার টাকা কুরবানী দাতা গ্রহণ করে না। এটা মনে হয় কুরবানীর মূল উদ্দেশ্যের সাথে যায়ও না। আর মাংস কাটার লোকেরা চামড়া নিয়ে যায় এটা আমার জানামতে খুব বেশি হবে না। কারণ এতিম খানা, লিল্লাহ বোর্ডিং, গরীব লোকজন আগেই কুরবানি দাতার কাছে ধর্না দিয়ে রাখে চামড়ার ব্যাপারে। আর কিছু যদি নিয়েও যায় সেখানে টেকনিক্যালি 'মাংস কাটা' লোকজনও ঐ খেটে খাওয়া গরীব শ্রেণিরই।

৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

সোহানী বলেছেন: অসাধারণ লেখা। কিন্তু রাজিব ভাই বা তার চেলারা গুচির ব্যগ তৈরীর পিছনে এক বিন্দু  ও এ্যানার্জি নষ্ট করতে রাজি না। কেন এতো কষ্ট করবে ভাইজান.... চাইলেই তো মিস্টার আম্বারের মতো মিলিয়ন ডলারের ব্যাগ কেনার ক্ষমতা রাখে B-) B-) B-)

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীব ভাই পরিশ্রমী মানুষ। বিনিয়োগের যোগান পেলে ঠিকই উদ্যোগতা হতে পারত। উনি সেটাই অনেক পোস্টে লিখেছেন। :D

অনেক দিন পর মনে হয় আপনাকে আমার পোস্টে ঢুঁ দিতে দেখলুম সোহানীপা। B-)

৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

ওমেরা বলেছেন: আমি যখন দেশে ছিলাম অবশ্য ছোট তাও মনে আছে কোরবানী ঈদের দিন গরীব মানুষেরা আসত গোস্ত নিতে আর পরের দিন আসত চামরার পয়সা নিতে । এবার চামরাও বিক্রি হয়নি ওরা তাহলে কি পাবে !! গরীবের পেটে সবাই লাথি মারে ।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০১

আখেনাটেন বলেছেন: গরীবের পেটে সবাই লাথি মারে। -- ঠিক তাই।

প্রতিবছর একই চিত্রনাট্য, একই পরিবেশনা। অথচ হ্যান কারেঙ্গা, ত্যান কারেঙ্গা হম্বিতম্বির শ্যাষ নাই নেতাদের মুখে। ফলাফল। ঘোড়ার ডিম।

৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন?? আমি জানি ভালো আছেন।
পোষ্ট পড়তে পড়তে দেখি, রাজীব আর সুরভির কথাও এসেছে।
লেখার প্রয়োজনে অনেকেই আসতে পারে। এটা স্বাভাবিক।


যাই হোক, চামড়া নিয়ে শেখ হাসিনা কি বলেন, সেটা শোনার অপেক্ষায় আছি।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন?? আমি জানি ভালো আছেন।
--- ওয়ালাইকুম আসসালাম রাজীব নুর ভাই। তবে ঢাকা শহরে থেকে বুক ফুলিয়ে 'আমি ভালো আছি' বলার মতো কয়জন লোকের বুকের পাটা আছে। ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগিদার বাদে।

যাই হোক, চামড়া নিয়ে শেখ হাসিনা কি বলেন, সেটা শোনার অপেক্ষায় আছি। -- হুম; অপেক্ষায় থাকা ভালো। পরের বছরও একই বাণী শুনার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। :(

৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: ১নং মন্তব্যকারী শ্রদ্ধেয় চাদগাজী কি আমাকে নিয়ে উপহাস করলেন??
আজ আমি দরিদ্র বলে!!!

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

আখেনাটেন বলেছেন: উনি চমৎকার একটি আইডিয়ার কথা পেড়েছেন। এভাবে চিন্তা করুন।


আজ আমি দরিদ্র বলে!!! -- :|

১০| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: যাদের কারনে গরীবের হক, মাদ্রাসার সারা বছরের খরচের যোগান নষ্ট করছে, আল্লাহ তাদের উচিৎ বিচার করবে। দুনিয়া ও আখেরাতে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

আখেনাটেন বলেছেন: আমিন।

১১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: চামড়ার দাম আগেও ছিলো এখনও আছে। এটা একটা প্রতারণা । যেইদিন থেকে মানুষ কোরবানীর চামড়া মাদ্রাসা দেওয়া শুরু করলো আর ঠিক তখন থেকেই কোরবানীর চামড়ার দাম কমতে শুরু করেছে। আর এবার তো একেবারেই যাচ্ছে তাই অবস্থা। বুঝি বুঝি আমরা সবই বুঝি ।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: চামড়ার দাম আগেও ছিলো এখনও আছে। এটা একটা প্রতারণা । -- ঠিক তাই।

১২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





সারা বিশ্বে চামড়ার দাম গগণ ছোয়ে যাচ্ছে আর আমাদের দেশে চামড়ার দাম ধুলা মাটির সাথে মিশে আছে ব্যাবসায়ী সমিতি আর সরকারের যোগসাজসে - কি কি হতে পারে তার সবচেয়ে ছোট্ট উদাহরণ - সবচেয়ে ছোট্ট উদাহরণ “চামড়া”

আর একদিনে দেড় কোটি গরু মহিষ ছাগল হত্যায় এই সুযোগে চামড়ার ব্যাবসীয়ারা মার্কেট সিন্ডিকেট করবে এটি সামান্য ব্যাপার মাত্র।


১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: সারা বিশ্বে চামড়ার দাম গগণ ছোয়ে যাচ্ছে --- বিশ্ব বাজারেও কাঁচা বা প্রক্রিয়াজাত চামড়ার দাম কয়েকবছর ধরে মন্দা। উল্টো চামড়াজাত পন্যের দাম গগনচুম্বী।

আর একদিনে দেড় কোটি গরু মহিষ ছাগল হত্যায় এই সুযোগে চামড়ার ব্যাবসীয়ারা মার্কেট সিন্ডিকেট করবে এটি সামান্য ব্যাপার মাত্র। -- এগুলো যেন না ঘটে সেটা লক্ষ রাখায় রাষ্ট্রের কর্তব্য। আর সেখানেই যত গণ্ডগোল। শুধু বাণী আর বাণী।

১৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



চামড়া নিয়ে দেশে এবার যা ঘটে গেল, নিতান্ত কষ্টের বিষয়। এমন লাভজনক একটি শিল্পকে ধ্বংস করে দিতে যারা উঠেপড়ে লেগেছেন, যারা সুকৌশলে মনোপলি বাণিজ্যের হীনস্বার্থে এসব করে চলেছেন তাদের পুরষ্কৃত করা উচিত বৈকি! কিন্তু কে কার? কার খবর কে নিবে? চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়ার পর এখন তো অনেক পক্ষের আবির্ভাব ঘটতে থাকবে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে বেড়াবে। জাস্ট কাদা ছোড়াছুড়ি কিছুদিন। কাজের কাজ হয়তো কিছুই হবে না। ব্যস, এরপরে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে সব। এভাবেই চলতে থাকবে। একই নিয়মে একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তিতে পরের বছর আবার হয়তো এরকম লেখালেখি করে মনের কিছু ক্ষোভ মেটানোর বৃথা চেষ্টার সুযোগ পাব আমরা সাধারণ জনগন। মাঝখান থেকে চতুর কিছু লোক তাদের ব্যবসা ঠিকই করে নিচ্ছে এবং নিতেও থাকবে। বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে শুধুই গরিব, অনাথ আর অসহায়ের দল। আহ, কি মহা হরিলুটের কারবার! কি মজা! ধন্য, ধন্য আমরা।

তথ্যসমৃদ্ধ সুন্দর পোস্টটির জন্য শুভকামনাসহ +++

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: একই নিয়মে একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তিতে পরের বছর আবার হয়তো এরকম লেখালেখি করে মনের কিছু ক্ষোভ মেটানোর বৃথা চেষ্টার সুযোগ পাব আমরা সাধারণ জনগন। মাঝখান থেকে চতুর কিছু লোক তাদের ব্যবসা ঠিকই করে নিচ্ছে --- ঠিক তাই। প্রতিবছর একই রকম ঘটনার প্রতিকার কেন হয় না সে বিরাট রহস্য। অথচ অবস্থা আগে এতটা নাজুক ছিল না।

এখন আমরা কিছু বাণী শুনব। আবার যে লাউ সেই কদু।

১৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: পুরো ব্যাপারটি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়।
দেশে কোন জিনিসের দাম কমে না।
বছর বছর বাড়ে।
তাহলে চামড়ার দাম কমার কোন উপায় থাকার কথা না।
তাহলে ?

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০১

আখেনাটেন বলেছেন: মাহের ইসলাম বলেছেন: পুরো ব্যাপারটি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। --- একদিনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয় নি। অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক অসাধুতার ফলেই এই রূপ।

আর সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে সরকার বাহাদুরেরও কোনো এক অজানা কারণে এ থেকে উত্তরণের কোনো প্রকার তাগিদ দেখা যাচ্ছে না।

১৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যারা চামড়া নষ্ট করছে, তাদের কে বলছি।

চামড়ার দাম গত ৩ বছর ধরেই কমে যাচ্ছিল।
চাহিদার চেয়ে প্রডাক্ট বেশী থাকলে দাম কমবে সেটা পেয়াজ হোক আলু হোক। ৮০ টাকার পেয়াজ ৬ টাকা দেখেন নি?

চামড়া নষ্ট করা অপরাধ। ক্যামেরা সো অফ করে চামড়া নষ্ট করা আরো বড় অপরাধ
এই চামড়ার হক মিসকিনদের। মাদ্রাসায় দান করা চামড়াও ছবি ভিডিও করে নষ্ট করা হচ্ছে।
এই চামড়ার দাম নিয়ে সিন্ডিকেট করার অধিকার যেমন কারো নাই। তেমনি এই চামড়া নষ্ট করার অধিকারও আমাদের নাই।
যে জিনিসের উপর আপনাদের অধিকারই নাই তা নষ্ট করতে বিবেকে বাধে না ?
১০০, ৩০, ৫০, ১০ যে দামেই হোক এই টাকা আপনার না, যদি আল্লার নামে কোরবানি দিয়ে থাকেন।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২০

আখেনাটেন বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যারা চামড়া নষ্ট করছে, তাদের কে বলছি।
-- সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হলে বলা উচিত ছিল, 'যারা চামড়াখাতকে এ অবস্থায় এনেছে, তাদের কে বলছি'। কিন্তু বলবেন না, সেটাও সরকার বাহাদুরের মতো বিরাট রহস্য।

চাহিদার চেয়ে প্রডাক্ট বেশী থাকলে দাম কমবে সেটা পেয়াজ হোক আলু হোক। -- তাহলে প্রথম আলো ইহা কি লিখিল,'দাম না পেয়ে দেশের মানুষ চামড়া ফেলে দিচ্ছে। বিপরীতে দেশে ২০১৮–১৯ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে প্রায় ৯৪৫ কোটি টাকার বিদেশি চামড়া। '

দেশীয় গোয়েবলসরা বিদেশে বসেও এরকম প্রপাগণ্ডা চালালে এরকম রাস্তায় চামড়ার গড়াগড়ি আগামীতেও দেখতে হবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যায়।

যে জিনিসের উপর আপনাদের অধিকারই নাই তা নষ্ট করতে বিবেকে বাধে না ? -- এবার এটা পড়ুন, 'গতকাল সোমবার গ্রামে ঘুরে ঘুরে ১০০টি চামড়া সংগ্রহ করেছেন। প্রতিটি চামড়ার দাম পড়েছে ৩০০ টাকা করে। এসব চামড়া আড়তে আনতে খরচ হয়েছে আরও তিন হাজার টাকা। কিন্তু ১০ টাকা দরেও চামড়াগুলো নিচ্ছেন না আড়তদারেরা। যদি বিক্রি করতে না পারেন রাস্তায় ফেলে চলে যাবেন।'-প্রথম আলো।

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা গেলেও তাজিন ডং পাহাড় ঢাকতে গেলে গড়িয়ে পড়ে হাত-পা ভাঙার সম্ভাবনা থাকে বৈকি!
সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলতে পারাটাও একটি বিশেষ গুণ।

১৬| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর গুলো দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২১

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ। সুখী হোক পরীর বাবা।

১৭| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৩০

বলেছেন: আফসোস করা ছাড়া কিছু জনরার নাই।।।

উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ।।।।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২২

আখেনাটেন বলেছেন: :(

১৮| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,




একটি বাৎসরিক হাহাকার! লেখায় " কি চমৎকার দেখা গেল...." চামড়ার কু-বাণিজ্য ও কর্তৃপক্ষের অবহেলা-অব্যবস্থাপনা!!! তবে বলতে হয়, কু- নয় সু-বানিজ্য নিজের দেশের জন্যে নয়; অপর দেশের জুতো (স্যু) চেটে চেটে তাদের
সুবিধার জন্যে। মনে হয় ঐসব কর্তৃপক্ষের জন্ম হয়েছে বিদেশী প্রভুদের দ্বারা। নইলে দেশের স্বার্থ না দেখে এরা পারেন কি করে ?????????

সহব্লগার রাজীব নুরের যে গরুর চামড়া আর তা দিয়ে ফিনিসড প্রোডাক্টের কথা বললেন, তা হবেনা কেন?
চামড়ার বিশ্ববাজার সম্ভবত ভারতের পুরোপুরি দখলে। তারপরে ভিয়েতনাম, বার্মা। ইদানীং চায়না চামড়াজাত পণ্যের জন্যে এগিয়ে। গরুর মতো মগজ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আর সরকার ভারতেই শুধু চামড়া রফতানী কিম্বা চোরাচালানী করেই বগল বাজায়। কারন বিশ্ববাজারে ঢোকার মতো বিদ্যাবুদ্ধি বাঙালীদের নেই কিম্বা বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত থাকে বলে একপো্র্ট প্রমোশনে একটুও শ্রম ব্যয় করেনা।
ভারতে প্রচুর চামড়া উৎপাদিত হলেও ভারতীয় ব্যবসায়ীরা প্রায় বিনে পয়সায় এই চামড়া কেনে বাংলাদেশী বেআক্কল অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে , পা চাটা বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বানিয়ে (যাদের কথা বললেন)। আর আহাম্মক ও চোখ বুজে থাকা সরকার তাতে মদদ জোগায় চামড়ার দাম পানির দামের স্তরে নামিয়ে এনে। ভারত এই চামড়ার বেশীর ভাগই রপ্তানী করে ইউরোপের অনেক দেশে বিশেষ করে ইটালীতে, ভারতীয় চামড়া হিসেবে। বাংলাদেরশের চামড়া হলেও সেখানে বাংলাদেশের নাম নেই কোথাও । যতোদূর জানি বাংলাদেশের চামড়ার মান উন্নত বলে ইটালীতে এর কদর বেশী। দেড় টাকা দামের সেই চামড়া থেকে উৎপাদিত "ইতালীয়ান স্যু" আমরা কিনি ১২/১৪ হাযার টাকা দিয়ে। আমাদের চামড়ায় বানানো চায়নার জুতো-ব্যাগ কিনি রাজীর নুর যে দামে কিনতেন বলে উল্লেখ করেছেন সেই দামে।

ধিক সরকারের পলিসি মেকারদের আর গরুর মতো জাবর কাটা তার প্রশাসনকে।

আমরা যতোদিন গরু-ছাগল হয়ে থাকবো ততোদিনই আমাদের চামড়া খুলে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী রাস্তায়ই ফেলে রাখবেন।
আমরা জনগন ঐ সব কর্তৃপক্ষ আর ব্যবসায়ীদের কবে ষাড় গরুর মতো গুঁতোতে পারবো ???????????????

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: চামড়াশিল্প হতে পারত একটি অপার সম্ভাবনার খাত। ঝুঁকিও থাকত কম কারণ এর কাঁচামাল এ দেশেই সহজলভ্য। অথচ কোনো সরকারই এই খাতটির প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয় নি। আর এখন তো এটি হয়েছে বিষফোঁড়া। অসাধু ব্যবসায়ী, অদক্ষ আমলা ও অসৎ রাজনীতিবিদেরা মিলে এ খাতকে শ্বশানের কাছে টেনে এনেছে।

অথচ বিশ্বে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর সামান্য অংশও যদি আমরা ধরতে পারতাম তাহলে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পোশাকের সাথে চামড়াও হতে দেশের রপ্তানীর লাইফলাইন।

আমরা যতোদিন গরু-ছাগল হয়ে থাকবো ততোদিনই আমাদের চামড়া খুলে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী রাস্তায়ই ফেলে রাখবেন।
আমরা জনগন ঐ সব কর্তৃপক্ষ আর ব্যবসায়ীদের কবে ষাড় গরুর মতো গুঁতোতে পারবো ???
--- পিরামিডের উপরে ভণ্ড দেশ প্রেমিকেরা আস্তানা গাড়লে এগুলোই দেখে যেতে হবে। কি আর করা? আমরা নিজের নিজের জায়গায় খেটে মরব আর আশায় থাকব যে আমাদের দেশটাও একদিন..।

১৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ফ্যারাও ভাই,

এবার ঈদে চামড়া নিয়ে চূড়ান্ত অরাজকতার চিত্র ব্লগে বিভিন্ন পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পেরে স্তম্ভিত হলাম। চামড়ার মত একটা মহার্ঘ বস্তু! অথচ এভাবে অনাদরে অবহেলায় উপেক্ষিত হওয়া নিঃসন্দেহে একটা গোটা শিল্পের জন্য অশনি সংকেত। সাফল্য-ব্যর্থতা, দোষ-ত্রুটি এসব হিসেবে না গিয়ে বরং কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আশু সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবে এই আশা রাখি।
ছোট ভাই রাজীব নুরকে ধন্যবাদ। কালো গরুর মহাত্ম এভাবে সামনে আসার জন্য।

শুভকামনা জানবেন।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: এবারে চামড়া নিয়ে নৈরাজ্য ইতিহাসের সব ঘটনাকে পেছনে ফেলেছে। লক্ষ লক্ষ চামড়া যদি নষ্ট হয়, এগুলো দেখে বিবেকবান মানুষ চুপ থাকতে পারে।

অথচ এগুলো যেন কোনো ঘটনায় নয় কর্তৃপক্ষের ভাবখানা এমন।

২০| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: একটা সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: কালো বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে?

২১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যারা চামড়া নষ্ট করছে, তাদের কে বলছি।

চামড়ার দাম গত ৩ বছর ধরেই কমে যাচ্ছিল।
চাহিদার চেয়ে প্রডাক্ট বেশী থাকলে দাম কমবে সেটা পেয়াজ হোক আলু হোক। ৮০ টাকার পেয়াজ ৬ টাকা দেখেন নি?

চামড়া নষ্ট করা অপরাধ। ক্যামেরা সো অফ করে চামড়া নষ্ট করা আরো বড় অপরাধ
এই চামড়ার হক মিসকিনদের। মাদ্রাসায় দান করা চামড়াও ছবি ভিডিও করে নষ্ট করা হচ্ছে।
এই চামড়ার দাম নিয়ে সিন্ডিকেট করার অধিকার যেমন কারো নাই। তেমনি এই চামড়া নষ্ট করার অধিকারও আমাদের নাই।
যে জিনিসের উপর আপনাদের অধিকারই নাই তা নষ্ট করতে বিবেকে বাধে না ?
১০০, ৩০, ৫০, ১০ যে দামেই হোক এই টাকা আপনার না, যদি আল্লার নামে কোরবানি দিয়ে থাকেন।

- চাহিদার চেয়ে বেশি প্রডাক্টস থাকলে দাম কমাটা স্বাভাবিক। আমাদের দেশে চামড়া চাহিদা থেকে বেশি নয়। ট্যানারি এসোসিয়েশন ম্যাওপ্যাও শুরু করেছে- বলছে, দেশের চামড়া দিয়ে মাত্র ৩-৪ চলে। বাকিসময় ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকে।
বাইরে রপ্তানির ফলে, দেশের চামড়া শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সুতরাং, এই যুক্তিতে পার পাওয়া যাবেনা।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: উনি কড়া ডিফেন্সিফ মিডফিল্ডারের ভূমিকা অবতীর্ণ হয়েছেন। সরকারী দিকে কোনোভাবেই গোল হতে দিবেন না। অথচ গোটা গোল পোস্টই উদোম হয়ে আছে। যদিও পেছনের কুশিলবদের এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই।

২২| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৬

সুপারডুপার বলেছেন: Louis Vuitton ব্রান্ডের একটি ছোট ব্যাগ/ মেয়েদের হ্যান্ডবাগের এর দাম কমপক্ষে ১০০০ ইউরো (৯৫,০০০ টাকা ) ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: হুম; তা সত্যি। কিন্তু ভাইজান ঐ টা চাইনিজ ভুটন। :P

এ দেশে আপনি ক্যামনে আশা করেন জেনুইন লুই ভুটনের ব্যাগ পাবেন। আর সেটা আবার গরুর চামড়ার।
তখনই পাবেন যখন সেটা হবে চাইনিজ। :-P

২৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

সোহানী বলেছেন: ঠিক না। আপনার সব পোস্ট ই পড়া শুধু  মন্তব্য করা সম্ভব হয় না। কারন আর কিছু  না.. ট্রেনে ঝুলতে ঝুলতে ব্লগ পড়ি।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: :(

আপনার প্রানবন্ত উপস্থিতি কিন্তু মিস করি। ডাইনোসরেরা না থাকল আমরা তেলাপোকারা এভাবে আর কতদিন টিকে থাকি। :P

২৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার লেখাটা সেদিনই পড়েছি, বুঝেছেন নিশ্চয়ই!! ;)
মন্তব্য করার সময় পাচ্ছিলাম না।

আমাদের সরকারগুলো হাতে ধরে ধরে আমাদের সম্ভাবনার দ্বারগুলো বন্ধ করেছে। এখানের অভিজাত সুপার শপগুলোতে শ্রীলংকার চা পাওয়া যায়, আসামের চা পাওয়া যায়.....কিন্তু আমাদেরটা পাওয়া যায় না। বর্তমান যুগে মানুষ পরিবেশ-বান্ধব শপিং ব্যাগ চায়....আমরা হাতে ধরে পাটশিল্প ধ্বংস করেছি। আরো আছে...কয়টা বলবো? সম্ভাবনাময় চামড়াশিল্পও সেদিকেই যাচ্ছে। এদিকে সব ফোকাস গার্মেন্টস শিল্পের দিকে।

নেতাদেরকে স্টক মার্কেটে পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট কিভাবে করে, রিস্ক মিনিমাইজেশান কিভাবে করে শেখানো দরকার। একজন ভালো ইনভেস্টর যেমন শুধুমাত্র একটা কোম্পানীতেই ইনভেস্ট করে না; তেমনি সরকারেরও একদিকে চোখ না রেখে বিভিন্ন দিকে রাখা উচিত, যাতে করে একটা সেক্টর কোন কারনে বিপদে পরলে, লস হলে অন্য সেক্টরগুলো দিয়ে সেটাকে পুষিয়ে নেয়া যায়। কে করবে? ভিশনারী নেতার বড়ই অভাব!!

আসলে নিজের পকেট ভরার ধান্ধায় থাকলে দেশ নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায়?

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: বর্তমান যুগে মানুষ পরিবেশ-বান্ধব শপিং ব্যাগ চায়....আমরা হাতে ধরে পাটশিল্প ধ্বংস করেছি। আরো আছে...কয়টা বলবো? সম্ভাবনাময় চামড়াশিল্পও সেদিকেই যাচ্ছে। এদিকে সব ফোকাস গার্মেন্টস শিল্পের দিকে। -- ডুইং বিজনিস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান তলানির দিকে এমনিতে হয় নি। এখানে একটি অসাধু, অসৎ শ্রেণী গেড়ে বসেছে। এরা কিছুতেই দেশীয় শিল্পকে উঠতে দিবে না মনে হচ্ছে।

অথচ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের একটি বিরাট সম্ভাবনা ছিল। ছিল পাটশিল্পের। ছিল চামড়াশিল্পের। সবগুলোই মুখ থুবড়ে রয়েছে। না আছে কোনো নীতিমালা না আছে কোনো দূরদর্শীভাবনা। অথচ আমাদের নেতা ও আমলাদের বহর কিন্তু অভিজ্ঞতা লাভের উদ্দেশ্যে ঠিকই কাড়ি কাড়ি খরচ করছে আসছে বিদেশে। মূল্যবোধহীন একটি সমাজে আমাদের বসবাস।

২৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া চামড়া নিয়ে এই অবহেলা আসলেই মেনে নেবার মত না।
এখুনি সময় মনোযোগী হবার। যদিও এসব নিয়ে আমার জ্ঞান অনেক অনেক কম বা কখনও মাথাও খাঁটাইনা। তবুও তোমার পোস্টটা দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো।:(

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: শায়মা বলেছেন: ভাইয়া চামড়া নিয়ে এই অবহেলা আসলেই মেনে নেবার মত না। -- কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষই এটি মেনে নেবে না। নিতে পারে না। জাতীয় সম্পদের এরকম নিদারুন অপচয় মেনে নেওয়া মুশকিল।

আমি গ্রামে ছোট থেকেই দেখে আসছি, সবগুলো গরুর চামড়া একত্র করে বিক্রির মাধ্যমে বেশ মোটা অংকের একটি টাকা পায় মসজিদ কমিটি। সেই টাকা গ্রামের কেউ অসুস্থ থাকলে কিংবা গরিব কোনো মেয়ের বিয়ে হলে বা গরীব ছেলেমেয়ে পড়াশুনা করলে টাকার একটি বড় অংশ তাদের দিয়ে দেয়। বাকিটা অন্য গরিবদুখি ও এতিমখানা, মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং ইত্যাদিকে ভাগ করে দেয়। এটি বহুবছরের রীতি। আর কয়বছর ধরে এই চামড়ার দাম এতটাই কম যে ঐ সামাজিক কাজগুলোও আর সঠিকভাবে হচ্ছে না।

২৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

নতুন বলেছেন: ট্যানারী গুলি কে চাপে রেখে এখন কাচা চামড়া রপ্তানী শুরু করার অনুমুতি দেওয়া মনে হচ্ছে ট্যানারী ব্যবসাকে ধ্বংস করার জন্যই করা হচ্ছে।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: নীতিহীন একটি পরিবেশে এর থেকে আর কি আশা করতে পারেন? এমন না যে এরকম ঘটনা এ বছরই প্রথম। কিন্তু সরকার বাহাদুরের টনক নড়লে তো।

অসৎ রাজনীতিক ও অদক্ষ আমলাদের নিয়ে এরকম হঠকারী সিদ্ধান্তই তো আসবে?

২৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

সেতুর বন্ধন বলেছেন: চামড়া কি এতোই তিতা
তাই কি মাটির নিচে পুঁতা!

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: :|

২৮| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: চামড়া নিয়ে এই বছর যে অকল্পনীয় নৈরাজ্য তৈরী হয়েছে সেটার সুষ্ট তদন্ত অবশ্যই হওয়া প্রয়োজন। যিনি সরকারের এই বিভাগের দায়িত্বে আছেন আমি উনার যোগ্যতা বিবেচনা করার শক্ত দাবি জানাই। হাজারীবাগ ট্যানারী থেকে সাভারে ট্যানারীর স্থানান্তর প্রক্রিয়াটাও সঠিক ছিলো না। অনেক ট্যানারী বজ্য ব্যবস্থাপনার কোন অনুমোদিত ব্যবস্থা নেই। ফলে দুষিত হচ্ছে নদী এবং স্থানীয় পরিবেশ। সরকার যে পরিমান টাকা ট্যানারীগুলোকে দিয়েছে স্থানান্তরের জন্য, সেই সব টাকা দিয়ে অনেকেই ব্যক্তিগত সম্পত্তি, চামড়ার কেনায় লগ্নি করেছেন। অনেক ট্যানারী বহু পূর্ব থেকেই ব্যাংকের ঋণ খেলাপী ছিলো, তাদেরক যে প্রক্রিয়ায় পূর্নবাসন করা হয়েছে, সেটাও স্বচ্ছ নয়। ফলে এই শিল্পে যে দুর্নীতি হবেই তাতে কোণ সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশ আসলে যেভাবে চলছে তাতে এই দেশে কোন ঈশ্বর অবিশ্বাসী মানুষ থাকতে পারে না। কারন সর্বশক্তিমান কারো অস্তিত্ব এবং তাঁর অনুগ্রহ ছাড়া এই জাতি চলতে পারার কথা না।

এর পর আমাদের মানুষদের লোভ। এই লোভ আপনি সামলাতে পারবেন না। জেনে হোক বুঝে হোক তাঁরা মৌসুমি ব্যবসায়ী হিসেবে এখানে আসছেন। আমি একলোককে চিনি যিনি এক বছর শুধু চামড়া ব্যবসা করে প্রায় ৫ লাখ টাকা আয় করেছিলেন। আর পরের তিন বছর লস আর লস! উনাকে কেউ থামাতে পারে না। এটা হয়ে গেছে একটা জুয়ার মত।

আমার প্রস্তাব, সরকারের একটা নির্দিষ্ট বিভাগ স্থানীয় পর্যায় থেকে চামড়া সংগ্রহ করবে। আর বেসরকারীভাবে যারা চামড়া সংগ্রহ করবে বা এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকবে, তাদেরকে অবশ্যই কোন ট্যানারী বা চামড়া সংরক্ষন নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান থেকে নিবন্ধন বা ছবি সহ আইডি সংগ্রহ করতে হবে।

যে প্রক্রিয়াতে আমাদের দেশে চামড়া একটি শিল্পে পরিনত হয়েছে সেটা কু নীতি বা মানুষকে ঠকানোর নীতি। তাই আমাদের মুজুরী কম। চামড়া পিস হিসেবে বিক্রি না করে, স্কয়ার ফুট হিসেবে ক্রয় বিক্রয় করা হোক। এতে আশা করি সকলেই উপকৃত হবে। দেশীয় চামড়ায় তৈরী পন্যের সরকারের উচিত ব্যবসায়ী, নতুন উদ্যোগতাদের সহজ শর্তে সুবিধা প্রদান করা। তাহলে আগামী ৫ বছররেই এই খাতটি একটি লাভজনক খাতে পরিনত হবে।

আপনার পোস্টটি সময় উপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ন বিধায় - এই পোস্টটি সামনে রাখা হলো।

শুভেচ্ছা রইল। শুভ ব্লগিং!

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই কাভা ভাই আপনাকে। লেখাটিকে সামনে আনার জন্য।

চামড়া নিয়ে যে নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা একদিনে ঘটে নি। নানামুখি অসাধুতার আচ্ছাদনে আজকের এই ফলাফল। অদূরদর্শী ও অপরিকল্পিত নীতি যে একটি সম্ভাবনাময় খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিতে পারে পাটশিল্পের পরে এই চামড়াশিল্পও এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

অন্য জাতি পরিকল্পনা করে শত বছর মাথায় রেখে। আর আমাদের দেশের অদক্ষ আমলারা পরিকল্পনা করে মাসিক। প্রথম আলোতে দেখলাম সাভারে যে সিইটিপি বানানো হচ্ছে এর বর্জ্য পরিশোধন ক্ষমতা নাকি শুরুতেই অতিক্রম করে যাচ্ছে। চিন্তা করেন এখন।

কতটা বেকুব শ্রেণির লোকেরা এগুলোর সাথে জড়িত থাকলে এরকম পরিকল্পনা হতে পারে?

আমি গ্রামে ছোট থেকেই দেখে আসছি, সবগুলো গরুর চামড়া একত্র করে বিক্রির মাধ্যমে বেশ মোটা অংকের একটি টাকা পায় মসজিদ কমিটি। সেই টাকা গ্রামের কেউ অসুস্থ থাকলে কিংবা গরিব কোনো মেয়ের বিয়ে হলে বা গরীব ছেলেমেয়ে পড়াশুনা করলে টাকার একটি বড় অংশ তাদের দিয়ে দেয়। বাকিটা অন্য গরিবদুখি ও এতিমখানা, মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং ইত্যাদিকে ভাগ করে দেয়। এটি বহুবছরের রীতি। আর কয়বছর ধরে এই চামড়ার দাম এতটাই কম যে ঐ সামাজিক কাজগুলোও আর সঠিকভাবে হচ্ছে না।

দল-মত নির্বিশেষে মানুষ কটূ কথা বলতেও ছাড়ছে না। এবং ধরেই নিয়েছে এখন এগুলো আমাদের নিয়তি।

২৯| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, আপনার লেখাটি একটি আস্ত পোষ্ট হিসেবে কামনা করছি আরো কিছু লিখুন যেটা প্রশাসনের দৃষ্টিতে আসবে। আমরা সবাই আছি যারা আপনার পোষ্টে প্রয়োজনিয় মন্তব্য করবো যাতে বিষয়টি নিয়ে সত্যি সত্যি অনুসন্ধান হয়।

বছরে একটি কোরবানির ঈদে কারা সমগ্র দেশকে সমগ্র দেশবাসীকে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করছে? এই নৈরাজ্য দেখে মনে হচ্ছে টাকা আয়ের সকল উৎস এখন কালো হাতের মুঠিতে আবদ্ধ। কারা এই যোগসাজসে কাজ করছে তাদের নাম পরিচয় তাদের সম্পত্তি ও দেশে বিদেশে টাকা গচ্ছিত রাখা ব্যাংকের - অনুসন্ধান হোক। নয় তো এই দেশ একদিন সত্যি সত্যি গহীন কর্দমাক্ত গর্তে ডুবে যাবে।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: বছরে একটি কোরবানির ঈদে কারা সমগ্র দেশকে সমগ্র দেশবাসীকে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করছে? এই নৈরাজ্য দেখে মনে হচ্ছে টাকা আয়ের সকল উৎস এখন কালো হাতের মুঠিতে আবদ্ধ। কারা এই যোগসাজসে কাজ করছে তাদের নাম পরিচয় তাদের সম্পত্তি ও দেশে বিদেশে টাকা গচ্ছিত রাখা ব্যাংকের - অনুসন্ধান হোক। নয় তো এই দেশ একদিন সত্যি সত্যি গহীন কর্দমাক্ত গর্তে ডুবে যাবে। -- ঠিক তাই। কিন্তু সর্ষের ভিতরে ভূত থাকলে...।

৩০| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: চামড়ার দাম নেই, ধানের দাম নেই, শেয়ারবাজারে ধ্বস, ঝুঁকিপূর্ণ গার্মেন্টস শিল্প এই সব সমস্যাই একদিন সমাধান হয়ে যাবে, ঠিক যেভাবে আপনার আমার মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। যারা দেশ চালায়, তারা বেকুব ও লোভী হলে এটাই একমাত্র সমাধান।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: আমরা জনগণেরাই হয়ত বেকুব শ্রেণির। তাই এগুলোই আমাদের ভবিতব্য।

৩১| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কইলেইতো কইবেন সাধূর মূখ বালা না ;)

এই চামড়া ব্যবসাই কত রমরমা গেছে । ঐ সময়ের আড়াই তিন হাজার টাকায় লেনদেন হতো চামড়ায়!
আর ব্যার্থ প্রশাসক এবং সরকারের পরিপূর্ণ ব্যার্থতায় আজ চামড়া কথন কেবলই এক বিষাদ ময় ইতিহাস!
আমাদের কুতুবেরা যখন চামড়ায় শুধু লস আর হতাশার ধোঁয়া দেখে তখন ঐপারে দাদাদের দেখেন কি বিশাল যজ্ঞ!
চামড়ার পেছনে কি বিশাল বিনিয়োগ!
‌আজকালের প্রতিবেদন: বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে সূত্রপাত!‌ যার কার্যত ‘‌মধুরেণ সমাপয়েৎ’‌ ঘটল বৃহস্পতিবার কলকাতার চর্মনগরীতে। এশিয়ার বৃহত্তম চর্মশিল্পের আঙিনায় নতুন নামকরণও করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আর সেইসঙ্গে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্সে ‘‌কর্মদিগন্ত’‌ নামে নতুন পালক গুঁজল রাজ্যে শিল্পায়নের মুকুটে।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বৃহস্পতিবার রাজ্যের নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কাছে বার্তা দিয়েছেন, ‘‌যাঁরা চাকরির কথা ভাবছেন, বিশ্বাস রাখবেন। ভরসা রাখবেন। এখানে ৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। চর্মশিল্পে বিনিয়োগ হবে ৮০ হাজার কোটি টাকা।’‌

দূর্জনেরা বলে স্বাধীনতার পর আত্মঘাতি বাঙালী পাটশিল্প নিয়েও নাকি এমন জঘন্য খেলা খেলেছিল।
দেশে পাটের দাম কম! পাট গুদামে আগুন! পাট কারখানা গুলো লস দিতো! আর ওপারে শৈনে শৈনে পাটকলের বিকাশ হয়েছিল!

চামড়া নিয়ে তেমনি আত্মঘাতে নেইতো তেমন কিছু বেঈমান, টাকা লোভী আত্মঘাতি বাঙালী!!!!!!

দিৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক এই সো কলড সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এবং চামড়া নিয়ে পশ্চিম বঙ্গ যদি ৮০ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিতে পারে- আমরা কেন ১০০ কোটি টাকার পরিকল্পনা নেব না????

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: দিৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক এই সো কলড সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এবং চামড়া নিয়ে পশ্চিম বঙ্গ যদি ৮০ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিতে পারে- আমরা কেন ১০০ কোটি টাকার পরিকল্পনা নেব না? -- সহমত। প্রশাসনে একটি তাঁবেদার শ্রেণির মজুদ হয়েছে এরা দেশের উন্নতির চেয়ে নিজের উন্নতির প্রতি অধিক সজাক। এগুলোর কুফল এখন মনে হয় পিক অবস্থায় আছে।

এদিকে দেখছি শিল্পমন্ত্রী আগডুম-বাগডুম শুরু করেছে। কীভাবে পারে ইনারা...?

৩২| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

ইসিয়াক বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: চামড়ার দাম আগেও ছিলো এখনও আছে। এটা একটা প্রতারণা ।
সহমত
ধন্যবাদ

৩৩| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই, আমি চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ!

৩৪| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

জুন বলেছেন: আমাদের প্রধান রফতানি আয়ের খাত ছিল পাট, চা, চামড়া। পাট গেছে, চা ও শেষ এখন চামড়া ধ্বংসের পথে ঠাকুর মাহমুদ। কার স্বার্থে ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক কুশীলব জড়িত এগুলোর পেছনে। বহুদিনের অরাজকতার রূপ হচ্ছে চামড়ার গড়াগড়ি। প্রশাসন ও ব্যবসায়ী সবাই এগুলো আগে থেকেই জানে যে চামড়া নিয়ে তেলেসমাতি হবে। এবং আরো ভালো করে জানে যে যত নৈরাজ্য তত ঐ পক্ষদের লাভ। ১৫০০ টাকার চামড়া ৫০ টাকায় পেলে লাভের গুড় কার কার ঘরে উঠছে...। গরীব মরে ভূত হলেই বা কী এ দেশে?

অদ্ভুত উঠের পিঠে চলছে প্রিয় স্বদেশ।

৩৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কুরবানীর চামড়া নিয়ে দেশে ঘটে যাওয়া তেলেসমাতি কান্ডকারখানা তুলে ধরে মুল্যবান পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ ।
কুরবানীর তথা চামড়া সংক্রান্ত বিষযয়াবলী সম্পর্কে করনীয় কিছু বিষয় নিয়ে আমার একটি পোষ্ট রচনা চলছে ।
আশা করি দুএক দিনের মধ্যেই তা সামুতে তুলে ধরতে পারব ।

শুভেচ্ছা রইল

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: লিখুন প্রিয় ব্লগার।

এগুলো নিয়ে মানুষের সচেতনতা দরকার। কথা বলা দরকার। নোংরা লোভের বলী হচ্ছে সাধারণ মানুষ এগুলো দেখার কেউ নেই। আপসোস।

৩৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: কিছুই বলতে পারছি না,হা করে পোস্ট ও মন্তব্যগুলো পড়ে গেলাম!

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

রাকু হাসান বলেছেন:



আমাদের উন্নতির অন্তরায় অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি পুরোটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা একমত আপনার সাথে ।
শিল্প সচিব আবদুল হালিম বলেন, ব্যবসা বাকিতে হয়, নগদে হয় আবার অগ্রিম টাকা দিয়েও করতে হয়। এটা ব্যবসায়িক মডেল। দীর্ঘদিন ধরে ট্যানারি মালিক ও আড়ৎদাররা সমন্বয় করে চামড়া ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। হটাৎ তাদের মধ্যে লেনদেনের জটিলতার কারণে চামড়া শিল্পে উদ্ভট পরিস্থিতি হয়েছে। তবে ট্যানারি মালিকদের ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে তাদের চামড়া ক্রয় করতে হবে। তাই উভয়পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে।
সূত্র-যুগান্তর ।
সমস্যাটা যেহেতু অনেক দিনের তাই সমস্যা সমাধান করাটা ওদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। দেশ অন্য সব শিল্পের উন্নতি হলেও চামড়া শিল্প দিন কে দিন মুখ থুড়বে পড়ছে।সরকারের আমোদী প্রাণীগুলো কিছু করছে না কেন ? অযোগ্যদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত। X((
পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশ ১৭-১৮ অর্থ বছরে চামড়া রপ্তানি আয় করেছে মাত্র ১.০৮ মিলিয়ন ডলার মাত্র। আপনিও বলছেন পোস্টে। অবশ্যই সেখানে ১০ বিলিয়ন ডলারের শিল্প গড়ে তুলা সম্ভব । ১০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে খুব একটা বেগ পেতে যে মনে হয় না । যদি ট্রেনারি সরাতেই এক যুগ লাগে ,সেই সুপারসনিক গতিতে এগিয়ে গেলে হবে না। বাংলাদেশ মূলত চামড়া
রপ্তানি করে । চামড়াজাত পণ্য কম রপ্তানি করে । ১৭-১৮ বছরে ভারতের চামড়া শিল্প থেকে আয়ের নমুনাপাই চার্টে


বছরে রপ্তানি আয়

আমরা ৮৫ % চামড়া বিক্রি করে দিই । ওরা কেন ভাবছে না কাঁচা চামড়া রপ্তানি কমিয়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করার জন্য । বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ শিল্প ভাবা হয় চামড়া শিল্প কে । অথচ এই বেহাল দশা দেখে আমি শুধু বিস্মিতই নয় মোটামুটি বাকরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। সরকারের এই সম্ভবনা খ্যাত কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জোর উদ্যোগ চাই । ভারত ঠিক আমরা যে সসস্যাগুলো মোকাবেলা করছি সেগুলো সেখানে অনুপস্থিত বলেই বিপুল রপ্তানি করতে পারছে।
বাঙালি কি শুধু ভারতের পায়খান-টিভি সিরিয়াল নিয়েই লুটোপুটি খাবে ? ভাই আপনার কাছ থেকে একটি প্রশ্নের উত্তর চাইবো । অবশ্যই দিবেন -বাংলাদেশের এমন একটি খ্যাত দেখান যেখানে সিন্ডিকেট নেই । এখন আর সহ্য হয় না । :(
আপনার লেখার ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার নেই । লিখতে থাকুন ,পড়ি ,পড়বো । ধন্যবাদ এমন পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য ।


১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: চামড়াখাত বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল সম্ভাবনার সেক্টর। কারণ এর কাঁচামাল আমাদের নিজেদের। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে আমাদের নীতিনির্ধারকেরা পাটশিল্পের মতো এটিকেও কোমাতে পাঠানোর বন্দোবস্ত করছে।

৩৮| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সময়ের সাথে সাথে সভ্য পরিমণ্ডলে মানুষের, সমাজের, জাতির উত্তরোত্তর উন্নতি হয়।
আমাদের কী হচ্ছে তা যদি বিজ্ঞ ব্লগারেরা বলতেন? নাকি আমাদের পরিমণ্ডলটাই ...সভ্য!!

............................................................................................................................
সভ্যতার সাথে সাথে কিছু অসভ্যতাও ঢুকে পড়ে, এটা ঐতিহাসিক সত্য, উর্ধতন কর্মকর্তা পর্যায়ে
লোভ লালসা না কমলে বা নীতিবান লোক সঠিক স্হানে মূল্যায়িত না হলে এমনটা ঘটতে থাকবে ।
প্রশাসনে বড় ধরনের সুনামি প্রয়োজন ।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: প্রশাসনে বড় ধরনের সুনামি প্রয়োজন । ---- অবশ্যই। কিন্তু কথা হচ্ছে সুনামিটা তুলবে কে? সর্ষের ভিতরের ভূত আগে তাড়াতে হবে তবেই...।

৩৯| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:০৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: লেখক বলেছেন: উনি কড়া ডিফেন্সিফ মিডফিল্ডারের ভূমিকা অবতীর্ণ হয়েছেন। সরকারী দিকে কোনোভাবেই গোল হতে দিবেন না। অথচ গোটা গোল পোস্টই উদোম হয়ে আছে। যদিও পেছনের কুশিলবদের এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই।

- ঠিক বলেছেন, 'পেছনের কুশিলবদের এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই'। তিনারা আছে বিম্পি জামাতের ঘাড়ে দোষ চাপানোর থিওরি নিয়ে। সাধারণ মানুষ এইসব গাঁজাখুরি থিওরি শুনতে শুনতে যে ক্লান্ত সেটা বুঝতেছেন না।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেছে ইনারা। মানুষের কঠোর পরিশ্রমের কোনো মূল্যই নেই তাদের কাছে।

৪০| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: গরুর চামড়ার কাবাব নয়, ওই হারামখোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের চামড়ার কাবাব বানানো উচিত !

পুরো ঘটনাতেই প্রশাসন থেকে শুরু করে হোমরা-চোমরা ব্যবসায়ী ও নেতাদের একটি সিন্ডিকেট জড়িত তা একটি পাগলও বুঝতে পারবে | আমাদের মরালিটি বা নৈতিকতা, ধর্মীয় বিশ্বাস বা ঈমান যে কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে তার প্রমান হচ্ছে চামড়া নিয়ে দুই নম্বরির এই ঘৃণ্য কারসাজি | কোরবানির মতো একটি ধর্মীয় ও চরম আত্মত্যাগপূর্ণ উদযাপনের মধ্যেও ইতর ব্যবসায়ী, আমলা ও নেতৃত্বের সিন্ডিকেট এর মধ্যে নিজেদের আখের ( ! ) ঘোচানোর পথ খুঁজে পেয়ে গেছে !!!!!

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: গরুর চামড়ার কাবাব নয়, ওই হারামখোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের চামড়ার কাবাব বানানো উচিত ! -- :( ভয় পাইছি। তবে মন্দ বলেন নি।

কোরবানির মতো একটি ধর্মীয় ও চরম আত্মত্যাগপূর্ণ উদযাপনের মধ্যেও ইতর ব্যবসায়ী, আমলা ও নেতৃত্বের সিন্ডিকেট এর মধ্যে নিজেদের আখের ( ! ) ঘোচানোর পথ খুঁজে পেয়ে গেছে !! --- এই শ্রেণিটার বাড়বাড়ন্তে এখন সমাজ পচে গলে যাওয়ার মতো অবস্থা। মানুষও অজানা ভয়ে চুপটি মেরে গেছে। নিজের গলায় কোপ না পড়া পর্যন্ত কেউ রা করছে না।

৪১| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: চামড়াখোরদের কাহিনি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল।

৪২| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

ইসিয়াক বলেছেন: চমৎকার।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৩| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমরা সম্পদ ও জনবল কাজে লাগতে পারিনা বলেই স্বাধীনতার এত বছর পরও উন্নত দেশ গড়তে পারিনি।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমরা সম্পদ ও জনবল কাজে লাগতে পারিনা বলেই স্বাধীনতার এত বছর পরও উন্নত দেশ গড়তে পারিনি।
-- সহমত।

৪৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৪২

অভি চৌধুরী বলেছেন: এর জন্য দায়ী মৌসুমী ব্যসায়ীরা।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০২

আখেনাটেন বলেছেন: ট্যানারী মালিক ও সরকারী কর্তৃপক্ষকে ক্লিনচিট দিয়ে দিলেন। :D

৪৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:২৮

প্রয়াস মাসুম বলেছেন: আমাদের মাথা মোটারা যদি একবার ভাবতে পারতো! শুধু মালদ্বীপের জনসংখ্যার সমান বিসিএস এক্সাম দিলেই দেশ এগোবে না ।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা।

খারাপ বলেন নাই।

৪৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:৩৫

মীর সজিব বলেছেন: ৯৭ হাজার টাকার গরু আর তা কোরবানির পর চামড়ার দাম বলে ১০০ টাকা । অনেক ঠেলা ধাক্কার পর দাম মোলায় ৩০০ টাকা। কোথায় হারিয়ে গেলো চামরার সেই ৩০০০/- থেকে ৫০০০/- টাকা চামরার দাম। পাটের মতই কি চামরার বিক্রি বিলুপ্তির পথে। হায়রে দেশ /

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: শুভবুদ্ধির উদয় হোক কর্তৃপক্ষের।

৪৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:২০

রোকসানা লেইস বলেছেন: চামড়ার দাম এত কম করার সিষ্ডিকেট কারা? এদের তদন্ত হওয়া জরুরী।
রাজীর নূরের ব্যবসায়র ধারনা থেকে একটা ধারনা মনে এলো। ব্লগাররা মিলে একটা সুস্থ সমবায় ব্যবসা কেন্দ্র বা কারখানা গড়ে তুলতে পারেন। চামড়া শিল্পকে কেন্দ্র করে।
মুনাফা নয় শুধু সঠিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে দেশি বানিজ্য কেন্দ্র হতে পারে করে আগামী কোরবানী ইদ মাথায় রেখে।
মূল্যবান পোষ্ট কিন্তু মূল্য, কারা দেবে কারা পাবে?
যারা মন্তব্য দিচ্ছেন এবং পড়ছেন তারা সবাই জানেন বুঝেন এবং অসহায় ব্যবস্থাপনার কাছে

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীর নূরের ব্যবসায়র ধারনা থেকে একটা ধারনা মনে এলো। ব্লগাররা মিলে একটা সুস্থ সমবায় ব্যবসা কেন্দ্র বা কারখানা গড়ে তুলতে পারেন। চামড়া শিল্পকে কেন্দ্র করে। -- এটি একটি ভালো প্রস্তাবনা দিয়েছেন রোকসানা লেইস'পা।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এদেশে সৎভাবে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে বিরাট ব্যাপার। কিছুদিন আগে প্রথম আলোতে পড়েছিলাম এক সিলেটি এনআরবি দেশে একটি প্লাস্টিক কারখানা গড়ে তোলার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শুরুতেই কমিশন ও শেয়ার পার্টনার হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় তাকে ব্যবসায় পরিচালনার জন্য। এই অনৈতিক ক্রিয়াকলাম দেখে উনি কিছু আর্থিক গচ্ছা দিয়ে দেশে বিনিয়গের চিন্তা বাদ দিয়ে বিদায় নেন।

চারিদিকে অনাচারের মচ্ছব দেখে উদ্দ্যমী মানুষেরাও হতাশ হয়ে পড়ছে।

৪৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমতঃ এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সমৃদ্ধ এ পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য মডারেটরগণকে ধন্যবাদ।
অনেক মন্তব্যের ঘরে দেখলাম ২/৩/৪টা কিংবা তারও বেশী 'লাইক' পড়েছে, অর্থাৎ পাঠকগণ শুধু এ পোস্টটিকেই নয়, পোস্টের মন্তব্যগুলোও মন দিয়ে পড়েছেন এবং যেখানে প্রযোজ্য, 'লাইক' দিয়েছেন। অনেক প্রতিমন্তব্যেও 'লাইক' পড়েছে, যা সাধারণভাবে ব্লগের অন্য পোস্টের চেয়ে বেশী।
চমৎকার আলোচনা! তবে এসব দেখে, শুনে এবং পড়ে শুধু মনের আক্ষেপই বাড়ে।
দেশের স্বার্থের পরিপন্থী এইসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চরম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সরকার, জনগণ, জনপ্রতিনিধি- সবাইকে এ ব্যাপারে একযোগে কাজ করতে হবে। তবে জনগণ বাদে বাকী দুটো গ্রুপকে তো এসব সিন্ডিকেটেরই আজ্ঞাবহ বলে মনে হচ্ছে!
সব শেষে এসে রোকসানা লেইস এর ৪৭ নং মন্তব্যটা পড়ে মনে একটা আশার আলো জ্বলে উঠেছিল- ব্লগারদের সমবায় সমিতি, কিন্তু আপনার প্রতিমন্তব্যটি পড়ে সেটা নিমেষেই নিভে গেল!

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার আলোচনা! তবে এসব দেখে, শুনে এবং পড়ে শুধু মনের আক্ষেপই বাড়ে। --- সে জন্যই লিখেছি আমাদের হাউকাউ তাহাদের কর্ণগুহরে প্রবেশ্য নয়। আপসোস। অথচ উনারাই মহাদেশপ্রেমিক।

সরকার, জনগণ, জনপ্রতিনিধি- সবাইকে এ ব্যাপারে একযোগে কাজ করতে হবে। তবে জনগণ বাদে বাকী দুটো গ্রুপকে তো এসব সিন্ডিকেটেরই আজ্ঞাবহ বলে মনে হচ্ছে! --- যেখানে শ্বশুড়-জামাই মিলেমিশে কোরমা-পোলাও খাচ্ছে, সেখানে বাড়ির কাজের লোকের তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কি-ই-বা করার আছে। :(

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে প্রিয় ব্লগার।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.