নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি সফর, কিছু চুক্তি, একটি স্টেটাস ও একটি আত্মার চিরতরে প্রস্থান!!!

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩



গ্রামের বাড়ির ঠিক পাশেই ভারত। বাবা এ দেশি হলেও মায়ের জন্ম ভারতেই। অনেক আত্মীয়-স্বজনও রয়েছে সেখানে। তাই ভারতের প্রতি আলাদা একটি টান সব সময় অনুভূত হয়। ছোটকালে বহুবার গিয়েছি যাত্রাপালা কিংবা কালীপূজা-দূর্গাপূজার মেলাতে। কারণ তখনও কাটাঁতারের বেড়া ছিল না।

এরপর গ্রামবাসী দেখল বড় বড় কালো পাথর। খনন যন্ত্র। আরো সব নির্মান সামগ্রী। চোখের সামনেই তারা দেখল পাশাপাশি দুটি গ্রামীণ হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় করে মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া কাঁটাতার। ছোট্ট আমি বাবাকে জীজ্ঞেস করলে বলেছিল আমরা গরীব; ওরা ধনী। ওদের রাস্তা পাকা; আমাদের কাচাঁ। ওদের ঘরে ঘরে এডিসনের চমক বাতি; আমাদের হারিকেনের কিংবা কুপির সলতে পোড়া আগুন। তাই গরীবের পায়ের পাড়া যেন ধনীর বাড়িতে না পড়ে সেজন্য এই ব্যারিকেড। (তখন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামগুলোর এরকমই পার্থক্য ছিল, কিন্তু এখন চিত্রটা ভিন্ন।)।

কিন্তু যে সম্পর্ক আত্মার; যে আদান-প্রদান শতাব্দীব্যাপী; যে চাওয়া-পাওয়ায় অটল বিশ্বাস; যে ভাষার নৈকট্য অছেদ্দ; তা কীভাবে এত সহজে বেড়া তুলে আলাদা করা যায়। না, যায় নি। এরপরও বহুবছর মানুষ সামান্য দুরত্বে থাকা গেইটগুলো দিয়ে বিনা বাধায় যাতায়াত করেছে। তারা এসেছে; আমরা গিয়েছি। তাদের সুখে আমরা হেসেছি; আমাদের দুঃখে তারা কেঁদেছে। এরপর এল লাইনম্যানের যুগ। সামান্য বিশ-তিরিশ টাকার বিনিময়ে যাতায়াত ও পণ্য আদান-প্রদান।

এরপর বেশ কিছু পূর্ণিমা ও অমাবস্যার পর এল সেই দিন। গরু পাচারকারী (ফেন্সিডিল বহনকারী নয়; কোনো এক অজানা কারণে তারা এই মৃত্যুর মিছিলে কখনই সামিল হয় না ) সন্দেহে এক অভাগার লাশ। তারপর...। সন্দেহ। অবিশ্বাস এবং বিভক্তি। ফিরে এল শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মের নামে অধর্ম। এবং এর চুড়ান্ত বিভক্তিরেখা টেনে দিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসামাজিক ও কদর্য আচরণ এবং কথার নোংরামী। তা সত্ত্বেও নিখাদ মানুষে মানুষে ভালোবাসার চিত্রটা টের পাওয়া যায় এখনও কিছু ঘটনায়; যেখানে ধর্ম-বর্ণ গৌণ, ভালোবাসা বা পারস্পরিক সৌহার্দ্যটাই মুখ্য(এ নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে রয়েছে)।

আমরা যারা একাত্তরের বহু পরের প্রজন্ম তারা জেনেছি সে সময়কার তথাকথিত ভাতৃপ্রতিম বড়ভাই পাকি ও তাদের এ দেশীয় কেউটে সাপ সদৃশ দোসরদের অমানবিক নিপীড়নের কথা। জেনে, পড়ে, বুঝে ঘৃণায় বিবমিষা এসেছে। একজন প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে এ ঘৃণা চিরকালীন। আমরা আরো জেনেছি প্রতিবেশি বড়ভাইয়ের উদারতার কথা। একজন প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে এ উদারতার জন্য কৃতজ্ঞতা চিরকালীন।

কিন্তু আমার এই ঘৃণা কিংবা কৃতজ্ঞতাকে পুঁজি করে কেউ যদি ফায়দা হাসিল করতে চায় সেখানেই প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে চ্যালেঞ্জগুলো লুকায়িত। আর এখানেই আমাদের তথাকথিত মহান দেশপ্রেমিক নেতা-নেত্রীদের লেজেগোবরে অবস্থা কিংবা বলা চলে গদির মোহে আত্নবিসর্জনের হোলিখেলা।



একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের যদি অর্থনীতি একটি মোটামুটি কাঠামোর উপরে দাঁড়িয়ে থাকে তাহলে তার মেরুদন্ডটাও সোজা থাকা দরকার। নিজ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে দরকষাকষিতে এক কানাকড়িও ছাড় দেওয়া উচিত না। দেশদরদী হিসেবে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এতে এক কাতারে দাঁড়ানো দরকার। যা কালো তাকে কালো বলতে পারা সহজ না হলেও চেষ্টা করতে হবে জাতির ভবিষ্যতের জন্য।

একটি উদাহরণ দেই। মাহাথির মোহাম্মদ শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচক নানা ইস্যুতে। উনার প্রথম টার্মের একটানা ২২ বছরের ক্ষমতায় থাকাকালীন বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে লেগে গিয়েছিল। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল ১৯৯৭ সালের দিকে যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। আর এর জন্য দায়ী করা হয় তৎকালীন অর্থ লগ্নিকারী বিনিয়োগ গুরু জর্জ সরোসকে।

তখন থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র পরামর্শ শুনে অর্থনৈতিক সংস্কার করে। কিন্তু একমাত্র মাহাথিরের মালয়েশিয়া তা শুনতে ইচ্ছুক না হওয়ায় পশ্চিমারা নাখোস হয়। মাহাথির উনাদের পরামর্শ গ্রাহ্য না করে নিজের মুদ্রা নিয়ন্ত্রন করে, অর্থনীতির রিফর্ম করে নিজেদের মতো করে। আর পূর্বের তিনটি দেশ পশ্চিমা কথায় চলে যে প্যাঁকে পড়ে সেখান থেকে আজও মাজা খাড়া করে উঠতে পারছে না।

কালক্রমে দেখা যায় মাহাথিরের সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। এতে পশ্চিমা এক সাংবাদিক তাকে জীজ্ঞেস করে, ‘আপনি পশ্চিমাদের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সাহস কীভাবে পান?”। উনি প্রতিউত্তরে বলেছিলেন,"মেরুদন্ডটা সোজা থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব"। এখানে উনি ‘মেরুদন্ড’ বলতে আমাদের নেতা-নেত্রীদের মতো ‘বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথা’র কথা বলেন নি। বলেছেন দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী ভিত্তির কথা।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এত এত বচসা সত্ত্বেও মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক বাণিজ্যে কিন্তু এর বিন্দু পরিমাণ প্রভাব পড়ত না। হাজারো মার্কিন কোম্পানীর মালয়েশিয়াতে বিনিয়োগে কিন্তু সমস্যা হয় নি। ধীরে ধীরে কৃষিপ্রধান দেশ থেকে বলতে গেলে মার্কিনীদের সহায়তায় আজকে শিল্পপ্রধান দেশের কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে। এবং মাহাথিরও ধোয়া তুলসী পাতা ছিল না। বিরোধীমত দমনে উনিও সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তবে সেটা কখনই দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নয়।



এত কিছু বলার অর্থ হচ্ছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধুরাষ্ট্র-শত্রুরাষ্ট্র বলে কিছু নেই। আমাদের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে সেটা স্পষ্ট করে বলা আছে। নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষায় একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে, থাকা উচিত।

এখন যদি আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আলোচনা করি। এই সফরের চুক্তিগুলোতে কতটা আমাদের স্বার্থ রক্ষা হয়েছে। এখানে প্রথম আলোর কলামে সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের বক্তব্যটি তুলে ধরছি, “আপাতদৃষ্টিতে তিনটি বিষয়ের (তিনটি চুক্তি) কোনোটাই খুব বড় কিছু নয়। তবে সমস্যাটা অন্যখানে। পরিমাণ যা–ই হোক, তিনটি বিষয়েই ভারতের স্বার্থ জড়িত। মানুষের যা চোখে পড়ছে তা হলো, যেসব বিষয়ে ভারতের স্বার্থ আছে অগ্রগতি হচ্ছে শুধু সেগুলোতেই, বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে (রোহিঙ্গা ইস্যু, তিস্তার পানি, ভারতীয় নাগরিকপঞ্জী, বাণিজ্যে আসাম্য ও অশুল্ক বাধা ইত্যাদি) কোনো অগ্রগতি নেই। সবচেয়ে দৃষ্টিকটু লেগেছে ফেনী নদী থেকে পানি প্রত্যাহারের বিষয়টি। তিস্তা তো বাদ পড়ে গেছে সেই কবেই, সফরের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন ছোট ছোট কয়েকটি নদীর বিষয়ে একটি রূপরেখা চুক্তি, তারও কোনো লক্ষণ দেখা গেল না। মাঝখানে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো এই ফেনী চুক্তি। ঠিক এ সময়ে এ রকম একটা চুক্তি কেন করতে হবে, তা আমার কাছে এক বিস্ময়।”
শেষে উনি লিখেছেন, “এ সফরটার কী প্রয়োজন ছিল তাহলে—গতকাল থেকে এ প্রশ্ন অনেকবার শুনতে হয়েছে আমাকে। আমি বলেছি, এর উত্তর আমি জানি না।” দেশের মুষ্টিমেয় জনতায় তা জানে না।

এটা ঠিক যে এই চুক্তি বা এমওইউ’গুলির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশাল কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। অন্য কোনো সময় বা পরিস্থিতিতে এগুলো নিয়ে কোনো হৈচৈ হত না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অর্ধ-শতাব্দী আগের উদার এই বড়ভাইটির এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক চুক্তি বা আদান-প্রদানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে একদিকে হেলে থাকা।

এটা স্বাভাবিক যে ভারত তার স্বার্থ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করবে বা করেছে। এতে তারা সফল কূটনীতিতে। এতে আমরা বাংলাদেশীরা ভারত সরকারকে বা তাদের জনগণকে বা তাদের ডিপ্লোমেসিকে দোষ দিতে পারি না। গালি দেওয়া তো কোনোমতেই উচিত নয়। অন্তত এই ইস্যুতে। কারণ প্রতিটা দেশের তাই করা উচিত যা তাদের জনমতের পক্ষে যাবে। এই ‘জনমত’ পররাষ্ট্রনীতির একটি অন্যতম শর্ত। এখন এই চুক্তিগুলোর ব্যাপারে বাংলাদেশের ‘জনমত’ কী? পজিটিভ নাকি নেগেটিভ।

আমাদের নেতা-নেত্রীরা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে জানান দেয় তাদের চেয়ে সাচ্চা দেশপ্রেমিক কেউ নেই এ দেশে। আমাদের অনেক ব্লগার বন্ধুরাও শিয়ালের মতো হুক্কা হুয়া করে দেশ-বিদেশ থেকে জানান দেয়, ‘ঠিক! ঠিক! অমুক-তমুক নেতা-নেত্রী বাদে দেশে আর একটাও দেশপ্রেমিক নেই, ভালো মানুষ নেই। সব চোর’।

সত্যিই কি তাই!

তাহলে যে বর্গাচাষী রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ক্ষতির শঙ্কায় থেকেও ফসল ফলিয়ে দেশে খাদ্যপণ্যে স্বয়ংসম্পর্ণ হওয়াতে অবদান রাখছে শুধুমাত্র দু-মুঠো অন্ন ও ছেলেমেয়েগুলোর সুশিক্ষার জন্য, তাদের চেয়েও কি এই তথাকথিত নেতা-নেত্রীরা বড় দেশপ্রেমিক?

যে শিক্ষক বছরের পর বছর নিঃস্বার্থভাবে সামান্য কিংবা সরকারী কোনো আনুকূল্য ছাড়ায় জ্ঞান বিতরণ করে চলেছে, তাদের চেয়েও কি এই আরাম কেদারায় বসে বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথার নেতা-নেত্রীরা দেশপ্রেমিক?

যে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৪০ বছর ধরে নিঃস্বার্থভাবে সরকারী প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করে দেশের জন্য বহু মৌলিক উদ্ভাবনের অংশীজন এবং রিটারমেন্টের পর নিজের এককালীন প্রাপ্ত টাকার উপর নির্ভর করে ঢাকায় ছোট্ট একটি অ্যাপার্টমেন্টের স্বপ্ন দেখছেন (যেখানে তিনি চাইলেই কোটি-কোটি টাকার মালিক হতে পারতেন), উনার চাইতেও কি এই তথাকথিত রাজনীতিবিদরা দেশপ্রেমিক?

এভাবে অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করা সরকারী কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ নানা পেশার মানুষদের নিয়ে।

তাহলে দেশপ্রেমের তাড়নায় কেউ যদি যেখানে উইন-উইন অবস্থা নেই সেখানের সেসব চুক্তির ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করে, তাদেরকে সাধুবাদ না দিয়ে কিংবা তাদেরকে লেখার মাধ্যমে প্রতিউত্তর না দিয়ে এভাবে নির্মমভাবে মেরে ফেলা বা এই ভিন্নমতকে সহ্য করতে না পারার লোকগুলি কি দেশপ্রেমিক? অথবা এসব ঘটনাকে যারা ইনিয়ে-বিনিয়ে জায়েজ করার পাঁয়তারা করছে তারা কি এ দেশের আদৌ শুভাকাঙ্খী?

কোনো একটি মুভিতে শুনেছিলাম, ‘ভগবান ক্ষমা করলেও আমি তোকে ক্ষমা করব না, শয়তান’। অর্থাৎ কথা হচ্ছে ভগবানও ক্ষমা করে ভুল করতে পারে। তাই বলে আমি আমার নীতি-আদর্শকে বিসর্জন দিতে পারি না। আর এ কথা দেশের তরে বলার মাঝেই রয়েছে সত্যিকারের দেশপ্রেম, তবে অবশ্যই সেটা কোনো ভেদবুদ্ধিজাত রাজনৈতিক প্রপাগণ্ডার অংশ হিসেবে নয়। তাহলে অন্যায্যভাবে ক্ষমাপ্রদানকারী মানবিকতার ভগবানকে মৌণ কিংবা প্রকাশ্য সমর্থনকারীরা তাহলে কি দেশপ্রেমিক? স্বর্গীয় জল প্রদানকারী স্বয়ং মানবিকতার ভগবানই কতটা…?

পুনশ্চঃ কে যেন পেছন থেকে গুঁতো দিয়ে বলল ‘রুখ যা মেরা ভাই’। ফিসফিসিয়ে আরো জানালো আমার ঘাড়ের উপর কয়টা মাথা। আমি তড়িঘড়ি করে মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম একটা। মনে মনে ভাবলাম ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় প্রাপ্ত এই মূল্যবান মাথাটা আমি আরো কিছুদিন ঘাড়ের উপর বহন করে বেড়াতে চাই। দেশপ্রেমের বাড়াবাড়িতে মাথা খোয়া গেলে নাকি বেঁচে থাকা দুরুহ! আমার যে আরো কিছু দিন ফুসফুস অকেজো করা পানিসমৃদ্ধ বুড়িগঙ্গার পাড় ধরে হাঁটতে মঞ্চায় গেদু!!!!

****************************************************************************************************
আখেনাটেন/অক্টোবর-২০১৯

ছবি: লেখক। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপর কুয়াশাচ্ছন্ন সকালের প্রলেপ।

মন্তব্য ৬৯ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

মা.হাসান বলেছেন: ছবিটি দুর্দান্ত। আমারো অনেক কিছু করিতে মুঞ্চায়, কাজেই পোস্টের বিষয়ে কথা কম বলিবো- শুধু দুই খানা কথা বাদে।

১) বেশ কয়েক বছর পূর্বে রাস্তায় চিকা মারা দেখিয়াছিলাম- আড়াই কোটি লোকের দেশ মালয়েশিয়ার উন্নয়নের জন্য মহাথির কার্যকর, পনেরো কোটি লোকের বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য দরকার ... ... । (প্রয়োজন মতো শূন্য স্থান পূরণ করিয়া লইয়েন। ঐ সময়ে মালয়েশিয়ার লোক সংখ্যা আড়াই কোটির কাছাকাছি ছিল। )
২) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন বুর‌্যোকে অনুরোধ করিবো দেশের রপ্তানি পন্যের তালিকায় নতুন পন্য হিসেবে "মানবিকতা" অন্তর্ভুক্ত করার জন্যা। যাহারা রপ্তানি করিতেছেন তাহাদিগকে ট্যাক্স ক্রেডিট, ট্যাক্স হলিডে ইত্যাদি সুবিধা দেয়া হউক।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: ছবিটি আমারও ভালো লাগে।

আমাদের মুখের কথা ও কাজে বিস্তর ফারাক। নিজে অন্যায় করে অন্যকে সৎ থাকার উপদেশ দেওয়া এখন আমাদের কালচারের অংশ হয়ে যাচ্ছে। স্বয়ং ভগবানই তা চালু করেছেন। আমরা কোন...!

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ব্লগার মা. হাসান।

২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আর আমাদের দেশপ্রেম! আমরা তো অনেক সভ্য! আমাদের উপর দিয়ে ট্রাক চলে গেলে আন্তর্জাতিক টোল চাওয়াটা হবে অসভ্যতা - বয়ানে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। আমাদের মিডিয়ার চামচামিটাও কিন্তু অনেকের ফোকাস থেকে দূরে সরে যায়। এই মিডিয়ার সাংঘাতিকগুলোর কোন মেরুদন্ড নাই। তা না হলে, সাধারণ রাষ্ট্রদূতদের জন্য তারা যেভাবে মাইক নিয়ে ভিখারীর মত দাঁড়িয়ে থাকে তাতে মনে হয় আমাদের দেশের নেতা লাগবে না, এই রাষ্ট্রদূতরাই দেশ চালিয়ে নিয়ে যাবে...

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: চাটুকারীতা ও অসাধুতা আমাদের ডিএনএ'র সাথে গেঁথে গেছে মনে হয়। কালোকে কালো বলার লোকের সংখ্যা নিদারুনভাবে কমে গেছে। এটা একটি বিকাশমান জাতির জন্য কোনভাবেই ভালো লক্ষণ নয়। এর কুফল সদূরপ্রসারী। আজ হোক কাল হোক এর জন্য আমাদের একদিন ভুগতে হবেই।

৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সময়টা এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপয় আছে বলে জানা নেই।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সময়টা এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপয় আছে বলে জানা নেই। --- এই অপেক্ষার পরে কি ভালো কিছুর আশা করেন? কিংবা ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কি রয়েছে?

শুভেচ্ছা।

৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

সোহানী বলেছেন: প্লিজ চুপ করে থাকুন, আমি আর কোন মায়ের কষ্ট দেখতে চাই না। এরকম একটি লিখা লিখেছে বলে আবরারের এই পরিনীতি।

আর মেরুদন্ড এর কথা বলছেন? সেটি কি জিনিস?

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: এমন একটি সময় চিরায়িত সত্য কথা লিখতেও ভয় লাগে। ভাবা যায়। সবাইকে একূল-ওকূল দুকূল বজায় রেখে কিংবা রাখঢাক গুড়গুড় করে কিছু রেখে ঢেকে মনের কথা প্রকাশ করতে হয়। :(


সোহানী বলেছেন:আর মেরুদন্ড এর কথা বলছেন? সেটি কি জিনিস? -- জাতি যে দিন এই মেরুদন্ডের দেখা পাবে সেদিন এইসব অনাচার দূর হবে, নইলে আরেক আবরার ফাহাদের অপেক্ষায় দিন গুণতে হবে? অভাগা জাতি।

শুভেচ্ছা।

৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


উন্নয়নের উদাহরণ দিতে বাংগালীরা মাহাথিরের ও মালয়েশিয়ার উদাহরণ দেন, কিন্তু ২ দেশের ইতিহাস, ভৌগোলিক, প্রাকৃতিক সম্পদ, রাজনৈতিক ইতিহাসের মাঝে কোন মিল নেই।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: এই কারণে উদাহরণ দ্যান যে আশির দশকে মাহাথিরের ক্ষমতা গ্রহণের সময় সেদেশের অসংখ্য ছাত্র বাংলাদেশের মতো উন্নত(!) দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করত(ফ্যাক্ট)। এ দেশের লব্ধ জ্ঞান নিয়ে তারা তাদের দেশকে সাজিয়েছে সরকারী আমলা, রাজনীতিবিদ হয়ে। অথচ আশ্চর্য বিষয় এই যে আমরা যখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছি ওরা তখন জঙ্গল থেকে বের হয়ে সূর্য দেখে অবাক হয়েছে। এর পর এখন এসব কিছুই ইতিহাস। তাই এখন আর কোনো কিছুতেই মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এটা ঠিক বলেছেন।

আর যে গুলোর সাথে মিল আছে বা ছিল সেগুলোর উদাহরণ দিলে তো এ দেশের অনেকেই অক্কা পাবে। যেমন, দক্ষিণ কোরিয়া। ১৯৭১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মাথাপিছু আয় ছিল ৩১৩ ডলার। আর বাংলাদেশের ১৭১ ডলার। এখান তাদের ৩৩ হাজারের কাছাকাছি, আর আমাদের ২ হাজারি ক্লাবে উঠেই বুড়িগঙ্গাকে টেমসের স্বপ্ন দেখাচ্ছে আমাদের নেতারা।

শুভেচ্ছা।

৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

করুণাধারা বলেছেন: সেরা দেশপ্রেমিক তারাই, যারা রোদ-বৃষ্টিতে ঘাম ঝরিয়ে মাঠে ফসল ফলায়, যারা পরবাসে গিয়ে চরম কষ্ট করে এ দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা পাঠায়, সেই পোশাক বালিকারা যারা ১৫/১৬ ঘন্টা একটানা কাজ করে স্বল্প আয় করে, অথচ দেশের জন্য অনেকখানি বৈদেশিক মুদ্রা এনে দেয়! এদের কেউ স্বীকৃতি দেয় না, স্বীকৃতি দেয় বাণী কপচানো দেশপ্রেমিকদের!

আমাদের অনেক ব্লগার বন্ধুরাও শিয়ালের মতো হুক্কা হুয়া করে দেশ-বিদেশ থেকে জানান দেয়, ‘ঠিক! ঠিক! অমুক-তমুক নেতা-নেত্রী বাদে দেশে আর একটাও দেশপ্রেমিক নেই, ভালো মানুষ নেই। সব চোর’। ঠিকই বলেছেন। কিন্তু গত ২/৩ দিন যাবত তাদের ব্লগে দেখা যাচ্ছে না তেমন। রোগে ধরল কিনা কে জানে।

যেখানে থেমেছেন একদম ঠিক আছে। ঘাড়ের উপরে মাথাটা ঠিকঠাকমতো থাকা চাই তো!!

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: এদের কেউ স্বীকৃতি দেয় না, স্বীকৃতি দেয় বাণী কপচানো দেশপ্রেমিকদের! -- হুম; আর এদের চামচামি করার জন্য কুশিক্ষিত লোকও দেশ-বিদেশে নিতান্তই কম নয়। এতটাই অধ:পতন ঘটেছে আমাদের মূল্যবোধের।

কিন্তু গত ২/৩ দিন যাবত তাদের ব্লগে দেখা যাচ্ছে না তেমন। রোগে ধরল কিনা কে জানে। --- উনারা 'শর্ট টাইম শক সিনড্রোম'এ ভুগছেন। এই অপাচ্য ঘটনা হজমে সমস্যা হচ্ছে। হজম হলেই স্বরূপে আবির্ভূত হবেন।

যেখানে থেমেছেন একদম ঠিক আছে। ঘাড়ের উপরে মাথাটা ঠিকঠাকমতো থাকা চাই তো!! --- :| চুপ থাকায় ভাল।

শুভেচ্ছা।

৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:


হ্যা, আমরা একাত্তর পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মনে হয় একাত্তরের রক্ত ও ইজ্জত বিকিয়ে আমরা এদেশকে স্বাধীন করেছি শুধু ভারতের কাছে বিক্রি করার জন্য। আমাদের এই ধারণাকে বিশ্বাসে রূপ দিচ্ছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের চামচামী।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: ভারত বড় দেশ। আমাদের তিনদিকেই তাদের উপস্থিতি। আমরা না চাইলেও তাদের উপস্থিতি অস্বীকার করতে পারি না।

তবে সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হচ্ছে আমরা না চাইলেও কিছু বিষয় আমাদের গলাধ:করণ করতেই হবে। যেমন, পানি। কারণ তারা আমাদের উজানে। তবে আমাদেরও দরকষাকষির কিছু সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দু্র্ভাগ্য এই যে সেই সুযোগগুলো গদির মোহে বিসর্জন দিয়েছি। অবশ্য কোনো উপায়ও নেই হয়তবা ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে। এতে জনগণ বাটে পড়লে কার কি? সাচ্চা দেশপ্রেমিকেরা টিকে থাকলেই হল।

শুভেচ্ছা।

৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পোষ্ট চোখে পড়লো।
কেমন আছেন??

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২০

আখেনাটেন বলেছেন: হুম; অনেকদিন পর।

ভালো আছি। পরীর বাবার কী খবর? :D

শুভেচ্ছা।

৯| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরাও কি কাশ্মীর হবার পথে রওনা দিয়েছি? ফেসবুকে ভয়ঙ্কর সব সংবাদ ঘুরে বেড়াচ্ছে।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরাও কি কাশ্মীর হবার পথে রওনা দিয়েছি? ফেসবুকে ভয়ঙ্কর সব সংবাদ ঘুরে বেড়াচ্ছে। -- ফেসবুকে কি উড়ে বেড়াচ্ছে জানি না? তবে আমরা কাশ্মীরের ভাগ্য বরণ করছি এগুলো এক ধরণের নিকৃষ্ঠ প্রপাগণ্ডা। এই শ্রেণিটাও দেশের জন্য হানিকারক। আবরারের হত্যাকারী সংগঠনের মতো এরাও এ দেশের ক্যান্সার। রেডিওথেরাপী দরকার এদের সকলের।

শুভেচ্ছা।

১০| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০২

বক বলেছেন:
আমরা কি ৩৭ নম্বরে এসে গেছি? ৩৯ নম্বরের জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত?

https://www.somewhereinblog.net/blog/salman2/30246316

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: লিংকে গিয়ে দেখলাম। বড় অদ্ভুত।

তবে এত দূর আমাদের চিন্তা করে মাথা নষ্ট করার কোনো কারণ নেই।

শুভেচ্ছা।

১১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৬

আরোগ্য বলেছেন: আমার এ ঘর বাধিয়েছে যে, আমি বাধি তার ঘর,
নিজের ঘরের চাল দিয়া করি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: ঘৃণার গ্রাফও উর্ধ্বমুখী; কৃতজ্ঞতার গ্রাফও উর্ধ্বমুখী। দুটোই একসাথে বাড়িয়ে চলতে থাকায় সিস্টেমের এনট্রপিও বাড়ছে। এতেই যত গন্ডগোল। সিস্টেম অকেজো হওয়ার পথে। একটি ব্যালান্স দরকার ছিল।

শুভেচ্ছা।

১২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৬

বলেছেন: সত্যি কি তাই --

সবাই দেশপ্রেমিক হলে এ জনপদে এত অনাচার, অবিচার আর লেন্দুপ দর্জিদের দৌরাত্ম দেখতে হয় কেন কেন এবং কেন ???

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: সবাই দেশপ্রেমিক না; সেটা হলে তো দেশ ধন্য হয়ে যেত। কেউ কেউ সাচ্চা দেশপ্রেমিক হওয়াতেই যত গণ্ডগোল।

এই 'সাচ্চা' শব্দেই যত সমস্যা লুকায়িত। এই 'সাচ্চা' দেশপ্রেমিকরা বিদেশে বসে থেকেও সদ্য পুত্রহারানো শোকে শোকাভূত পিতাকে বলতে পারে 'বেয়াদব'। এতটাই উনাদের দেশপ্রেম।

শুভেচ্ছা।

১৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সাচ্চা দেশ প্রেমিক কুত্তার গু... X((

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের গালি দিবেন না বাছা। গজব নেমে আসবে কয়ে দিলুম। X((

১৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: view this link

শক্তিধর প্রতিবেশীর আধিপত্যের চাপ এতোই তীব্র যে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বজায় থাকবে কিনা আশংকা হয়। কারণ ভারতের চাপিয়ে দেওয়া সব সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে মেনে নিতে হচ্ছে - বলেছেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. শেখ বাহারুল আলম

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: শক্তিধর প্রতিবেশীর আধিপত্যের চাপ এতোই তীব্র -- সেটা ঠিক; তবে সত্যটা এই যে আমরা সেটা নিজের থেকেই ঘাড়ে নিয়েছি নিজেদের মসনদটা টিকে রাখার জন্য।

তবে সব সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও এখনও অতটা হতাশ হওয়ার কারণ দেখি না যে এ দেশ কাশ্মির হবে। এগুলো রাবিশ টক।

মোদ্দা কথা, ভারত চায় বাংলাদেশের বাজার; মানুষ বা মাটি নয়। এবং তাদের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নিশ্চয়তা। যা বিএনপি সরকারের সময় কিছুটা আলগা হয়ে গিয়েছিল পাকি আইএসের কর্মকাণ্ডে। ভৌগোলিক অবস্থানের জন্যই বাংলাদেশ কিছুটা বাফার জোন হয়ে গেছে বৃহৎ কিছু দেশের জন্য। ভারত চাচ্ছে ক্ষমতার নিশ্চয়তা দিয়ে সেই সুযোগগুলো নিশ্চিত করতে। বাংলাদেশ সরকারও তা ইচ্ছা-অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও মেনে নিচ্ছে। এ ছাড়া উপায়ও নেই। বিএনপি যে ভুল করেছে আওয়ামী লীগ সে ভুল করতে চায় না। এতে জনগণ জাহান্নামে গেলেই কি আর জান্নাতে গেলেই কি?

একমাত্র একজন দেশপ্রেমিক (সাচ্চা দেশপ্রেমিক নয়!) নেতাই পারে এ থেকে বের হতে। সে নেতাও নেই, তাই এখন তাকিয়ে তাকিয়ে জপ করা ছাড়া আর কি-ই-বা করার আছে?

১৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৮

বক বলেছেন: মোদির মানসিকতা আর ভারতে মুসলমানদের কতল করার জোশ আনতে মিউজিক ভিডিও বানানো ( জো নেহি বলেগা জয় স্রি ... ওসে কবরসে পাঠাও ) এবং ফ্রি স্টাইলে প্রচার করা দেখে স্পস্ট বুঝা যায় বর্তমান বিজেপি কতটা উগ্র। ওরা খুব আশা নিয়ে বর্তমানে কাস্মির দখল করেছে। যদি আশার বিপরীত কিছু হয়ে যায় (ভারত কাস্মির হারায়, যেটা কাসিদাতে ভবিষ্যত বানী করা হয়েছে) তখন তারা হিংস্র হয়ে আরেক সহজলভ্য মুসলমান দেশ দখল করতেও পারে। (যেটার ভবিষ্যতবানীও করা হয়েছে কাসিদাতে)

আমি কাসিদাটা ৩/৪ বছর আগে পড়েছি । বিশ্বাসও করিনি অবিশ্বাসও করিনি। কিন্তু এত দ্রুত ঘটনা গুলো ঘটছে এবং মিলে যাওয়ার মতও লাগছে, তাই ভয়ও লাগছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: হুম বুঝলুম; বিশ্বে অনেক অবাক করা বিষয়ই ঘটে চলেছে। আর আমরা তো সবাক থেকেও অবাকের সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি প্রতিনিয়ত সোনার বাংলাদেশে।

১৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: হুম; অনেকদিন পর।
ভালো আছি। পরীর বাবার কী খবর?

আমি ভালো আছি।
পরী একমাসের জন্য অস্ট্রেলিয়া গেছে।
প্রতিদিন পরীর সাথে মোবাইলে কথা হচ্ছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: সুখী হোক পরী ও পরীর বাবা।

১৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫১

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: উপর উপর পড়ে, সহমত জানাইয়া গেলাম।

[মেজাজ আজ ভালো নাই]

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: শুভেচ্ছা পাপ্র।

১৮| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১৮

রাফা বলেছেন: চমৎকার আদ্যোপান্ত বর্ণনার সজিব লেখা। স্বাধীনতার ৫০ বছর হোতে চললেও আমাদের কুটনীতি ও রাজনীতি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে শুণ্যের কোঠায় । এই সফরটার কি প্রয়োজনিয়তা ছিলো সেটাই বুঝতে পারছিনা। চুক্তি,কুটনীতি,দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেের টানাপোড়নে কৃতঁজ্ঞতা দেখানোটাই কি মূল হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের পররাষ্ট্রনিতীতে ! ভারতিয়রা নিজেদের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। ভারতিয়রা জাপানি বা কানাডিয়ান জাতি‘তো নয় যে তারা উপলব্দি করে লজ্জিত হবে। নির্লজ্জের মত নিতেই থাকবে ।দেবার বেলায়.....লবডংকা।পোষ্টের প্রতিটি লাইনের সাথে সহমত ।

ধন্যবাদ,:আখেনাটেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লিখেছেন ব্লগার রাফা।

ভারত বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ এটা বাংলাদেশের জন্য শুভ হতে পারত। কিন্তু...

যদি তুলনা করি তাহলে দেখুন, বড় প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ছোট মেক্সিকোর বাণিজ্য। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করে মেক্সিকোর অর্থনীতিকে চাঙা করছে, সেখানে আমাদের বড় ভাই ক্রেডিটের মূলা ঝুলায়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মত আচরণ করছে। অথচ বাংলাদেশ এফডিআই পাওয়ার ক্ষেত্রে ভারত এক নাম্বারে থাকতে পারত। সেখানে তাদের অবস্থান অনেক পেছনে। এগুলো শিক্ষিত মানুষেরা অবলোকন করছে। তাদের আইটি সেক্টর বিশ্বসেরা। বাংলাদেশকেও তারা সাথে নিতে পারত। বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক প্রশাসন কী কখনও সেটা চেষ্টা করেছে। এগুলো ভাবায়...

শুভেচ্ছা।

১৯| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:৪১

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: কি আর বলবো ভাই, তিন চারদিন ধরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এককথাই বলতে হচ্ছে।

আমাদের দেশের দেশপ্রেমিকদের দেশ বাঁচাতে ক্ষমতায় থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। দেশ দিয়ে হলেও ক্ষমতায় থাকা চাই।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের দেশের দেশপ্রেমিকদের দেশ বাঁচাতে ক্ষমতায় থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। দেশ দিয়ে হলেও ক্ষমতায় থাকা চাই।
---- এটা এখন অভিশাপের মত।

শুভেচ্ছা।

২০| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:১৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আবরা হত্যাকান্ডের দায় ছাত্রলীগের হলেও প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা দের ফেক নিউজ কম দায়ী নয়।
সব জানার পরও ইচ্ছাকৃত ভাবে পাঠক টানার জন্য ফেক নিউজ তথা গুজব তৈরি করে।
আবরাব একজন শিক্ষিত বুয়েটিয়ান হয়েও কিউবিক ফুট/সেকেন্ড মাপ না বুঝে ফেক নিউজে গা ভাসাইছিল।

বিবিসি হাসিনার ছবি দিয়ে লিখেছে - গ্যাস রফতানির সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস যাবে ভারতে।(পরে তীব্র আপত্তির পর শিরনাম চেইঞ্জ করেছে)

টিভি মিডিয়া প্রথম আলো সহ পত্রিকাগুলো লিখেছে - ফেনি নদীর পানি প্রত্যাহার চুক্তি, ফেনি নদির পানি ভারতের সাবরুমে যাবে।

বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে কোন প্রাকৃতিক গ্যাস ভারতে যাচ্ছে না। যাচ্ছে এলপি সিলিন্ডারে।
বাংলাদেশ সরকারও কোন গ্যাস পাঠাচ্ছে না।
গ্যাস সিলিন্ডারে পাঠাবে/বিক্রি করবে বাংলাদেশের বেসরকারি দুটি এলপি গ্যাস ইমপোর্টার ডিষ্ট্রিবিউটার (ওমেরা বেক্সিমকো ইত্যাদি) ইম্পোর্টেড এলপিজি বোতলজাত বা সিলিন্ডারে ভরে রফতানি করতে পারবে।
করতেই হবে এমন না। করবে কর্পোরেট ব্যাবসায়ীরা। ব্যাবসায়ীরা লাভ হলে বেচবে। না হলে নাই।
আফটার অল বাংলাদেশের লাভ। ডলারে লেনদেন হবে, কর্মসংস্থান হবে, সবটাই বাংলাদেশের লাভ।
ভারতেরও লাভ, ভারত এই সিলিন্ডার শিলিগুড়ি মেঘালয় আসাম হয়ে দুর্গম পাহিড়ি রাস্তায় ৬ দিন লাগে সিলিন্ডার পাঠাতে। বাংলাদেশের কম্পানী একদিনেই কমখরচে পারবে।

আর ফেনি নদির পানির ব্যাপারটা কোন মিডিয়াই কেউই সঠিক ভাবে তুলে ধরতে পারেনি। হাসিনাও সঠিক ব্যাক্ষা বুঝিয়ে বলতে পারে নি। আর হাসিনার মুখপত্র হাসান মাহামুদ একটা বেয়াদব। কথা যানে না, বডি ল্যাংগুয়েজটাই বেয়াদব। খালি বলে ফেনি নদীতে ভারতের পুর্ন অধিকার আছে, বলার পর পাবলিকের গালি খেয়েছে।

বাস্তব জিনিষটা হচ্ছে ফেনী নদি উজান অংশটা সমগ্র নদীটাই বর্ডার, নাফ নদির মত নদী মাঝে সীমান্ত রেখা। নদীর এপারে বাংলাদেশ ওপারে ভারত। কাঁটা তার নেই। উভয় দেশের কৃষকরা নদীর পানি ব্যাবহার করছে।
এটা সত্য যে নদীর পানি উভয় দেশের সমান অধিকার।
বাংলাদেশে রামগড় শহর আগে থেকেই নদীর পানি ব্যাবহার করছে।
'সাবরুম বাজার' পোরসভা ইচ্ছা করলে বিনা অনুমতিতেই নদীতে পানির পাইপ লাগাতে পারতো। ভদ্রতার খাতিরে অনুমতি নিয়ে করেছে। যেহেতু সরু একটি যৌথ নদী, নোম্যানস ল্যান্ডের কাছে সরকারি ভাবে পাইপ লাগাতে গেলে ভিয়েনা কনভেনশন লংঘন হয়। বিজিবি গুলি করতে পারে।
সাবরুম- রামগড় এলাকার ম্যাপটা দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।





১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি সেই চিরচেনা তেনা পেচাচ্ছেন। এবং এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার নিকৃষ্ট কৌশলটি প্রয়োগ করছেন। যদিও আপনার থেকে আমি এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করি না।

মানলাম আবরার ফিটের জায়গায় মিটার লিখেছে। তাতেই কি তাঁকে হত্যার করা যায়? কী জঘন্য ডিফেন্ড?

অথচ দেখুন আপনি নিজেও এই মন্তব্যে অনেক নির্লজ্জভাবে অসত্য তথ্য দিয়েছেন। এর জন্য কি আপনাকে বিরোধীপক্ষরা...। লিখেছেন, ''সাবরুম বাজার' পোরসভা ইচ্ছা করলে বিনা অনুমতিতেই নদীতে পানির পাইপ লাগাতে পারতো। ভদ্রতার খাতিরে অনুমতি নিয়ে করেছে। যেহেতু সরু একটি যৌথ নদী, নোম্যানস ল্যান্ডের কাছে সরকারি ভাবে পাইপ লাগাতে গেলে ভিয়েনা কনভেনশন লংঘন হয়। বিজিবি গুলি করতে পারে"। -- অথচ বহু আগে থেকেই আপনার ভদ্র দাদারা সেখান থেকে পানি তুলে নিচ্ছে। সেচকাজে ব্যবহার করছে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে এই সামান্য পানির প্রত্যাহার বড় কোনো ইস্যু নয়। মানবিকতার খাতিরে যে কোনো বাংলাদেশীই তা মেনে নেবে। কিন্তু আপনার ভদ্র দাদারা কিন্তু নানা টালবাহানায় তিস্তা আটকে রেখেছে। পদ্মাকে মরা নদী বানিয়েছে।

বাস্তবতা হচ্ছে তাঁর লেখার ভুল তাঁকে লেখার মাধ্যমেই প্রতিবাদ করা যেত। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আবরারের সে লেখায় পানি-গ্যাসের চেয়ে বড় বিষয় ছিল এর মূল বক্তব্য। নিশ্চয় সে লেখার একটি গূ্‌ঢ় অর্থ ছিল। সেটার জন্যই একমাত্র দলকানা ছাড়া সবারই হতাশা।

সরকার দেশ শাসন করবে এবং আইনের শাসন বজায় থাকবে, কৃষক-শ্রমিকেরা ন্যায্য মূল্য পাবে, প্রান্তিক মানুষদের ন্যুনতম মৌলিক চাহিদা পুরুন হবে, শিক্ষা-স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন হবে এই চাওয়া। এগুলোর বাস্তবায়ন সঠিক থাকলে কার কি বলার আছে। কিন্তু এগুলো কি সঠিকভাবে হচ্ছে? অতীতের চৌদ্দ বছর আগের কোন সরকার কি করেছিল হেন তেন বলে এগুলো সাধারণ মানুষের আর কতদিন গেলানো যায়। দলকানা বাদেও এদেশে মানুষ বাস করে।

আপনাদের ভার্চুয়াল আচরণ দেখে অবাক ও একইসাথে হতাশ হতে হয়। দলকানা(সে যে দলেরই হোক) না হয়ে মানুষ হতে দোষ কোথায়। আবরার নিশ্চয় 'অমানুষ' ছিল না। তাহলে 'অমানুষ' কারা?

শুভেচ্ছা।

২১| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: @ হাসান কালবৈশাখী, আপনার বক্তব্যে যদি বিন্দুমাত্র সত্যতা থাকতো তবে আবরারকে মারার কোন প্রয়োজন হত না কিলারদের। এই প্রজন্মের তরুনেরা আমাদের প্রজন্মের চাইতেও অনেক বেশী অগ্রগামী উন্মুক্ত ইন্টারনেটের কল্যানে। তারা আমাদের চাইতেও অনেক বেশি জানে কি হচ্ছে না হচ্ছে। হলে হলে টর্চার রুম এমনি এমনি বসানো হয় নাই।

২২| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৫০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
@ ঢাবিয়ান - আমার বক্তব্যের কোন অংশটা মিথ্যা, একটু দাগায় দিলে বুঝতাম, নাকি সবটাই মিথ্যা?
আবরারকে হত্যার প্ল্যান কি ছিল? আপনার কি ধারনা?

২৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: @ হাসান কালবৈশাখী, এটা অন্য আরেকজনের ব্লগ। আপনি দয়া করে আপনার কমেন্টটি পোস্ট আকারে দিন এবং যৌক্তিক যুক্তি তর্কে নামুন। এর প্রয়োজনীয়তা আছে।

২৪| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

কালো যাদুকর বলেছেন: নদ নদী নিয়ে অনেকদিন কাজ করছি। ভারত বাংলাদেশের তিন দিক থেকে পানি নিয়ে যা করছে, তা ,ঐ যে বললেন "বড় ভাই "(পাড়ার মাস্তান ) -রাই এমনটা করে। অনেক বছর ধরে ভারতীয় লোকের সাথে কাজও করেছি। আমেরিকার সাধারন আই টি প্রফেশনালের থেকে একজন ভারতীয় প্রফেশনালের চাহিদা বেশী এখানে। কারন, খুবই সিম্পল। এরা অল্প বেতনে কাজ করে, এভাবেই এরা আমেরিকার আই টি সেক্টর দখল করেছে। আর আমরা বাংলাদেশের পাবলিকরা এখোনো ভারতীয়দের পরোপকারি ভাবেন। বাংলাদেশের পররাস্ট্রনীতি দেখলে এমনটাই মনে হয়। আমাদের নদি শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গেল, অথচ....

আমারো একটাই মাথা। বেশী লিখলে ঠিকলে , আমার মাথা হয়ত ঠিকই থাকবে, পরিবারের কাউকে হয়ত পাওয়া যাবে না...

শেরে বাংলা হলটায় অনেক বছর থেকেছি। এমনটা ছিল না, সব কিছু অনেক ভাল ছিল। ঢাকা শহরেরে সবচে নিরাপদ হলগুলো ছিল বুয়েটের হলগুল। গত ৮/১০ বছরে সবই শেষ। ফাহাদের মত আর কত জীবন যাবে ঠিক নেই। ফাহাদ হয়ত আর ইলেকট্রিক্যাল ইন্জিনিয়ার হতে পারবে না। আামার আশা একটাই, জনগন যদি একটু ওর মত মেরুদন্ডী হত, তাহলে বাংলাদেশ বেচে যেত। সে আশা আর দেখছিনা, এই অন্ধকারের যুগে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।

আামার আশা একটাই, জনগন যদি একটু ওর মত মেরুদন্ডী হত, তাহলে বাংলাদেশ বেচে যেত। সে আশা আর দেখছিনা। -- ভয়ের সংস্কৃতি আমাদের আষ্ট্রেপৃষ্ট্রে বেঁধে ফেলেছে। এর থেকে সহজে মুক্তিও নেই মনে হচ্ছে।

শুভেচ্ছা।

২৫| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অসাধারণ সুন্দর একটি লেখা উপহার দিয়েছেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: শুভেচ্ছা ব্লগার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

২৬| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



চমৎকার লিখেছেন । কি করে দু'টি আলাদা ভুখন্ডের শতাব্দীব্যাপী আত্মার সম্পর্কের মাঝে; ভাষার অছেদ্দ নৈকট্যের সবুজ প্রান্তরের মাঝে ধীরে ধীরে গজিয়ে ওঠা একটুকরো কাঁটা তারের বেড়া একসময় সকল বিশ্বাস ভেঙে, আত্মার সম্পর্ক ভেঙে নিরেট পাথরের দেয়ালে পরিনত হয়; তার বয়ান।
কিন্তু পাথরেও ফুটে থাকে যে কিছু ফুল তাও তুলে ধরেছেন এভাবে - "নিখাদ মানুষে মানুষে ভালোবাসার চিত্রটা টের পাওয়া যায় এখনও কিছু ঘটনায়; যেখানে ধর্ম-বর্ণ গৌণ, ভালোবাসা বা পারস্পরিক সৌহার্দ্যটাই মুখ্য ..........."
কিন্তু রাবনদের রাজনীতিতে ছলনা-ই যে বেশী। তাই ধর্মকে স্বার্থের বর্ম বানিয়ে বিভেদের দূর্গ গড়ে তোলা হয়েছে। সে দূর্গে মানবতা, সহমর্মিতা, আস্থা, বিশ্বাস, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বন্দী হয়ে আছে।

যুগে যুগে মানুষ ক্ষমতার জন্যে লড়াই করে গেছে গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে। সময়ের ক্রমবিকাশে গোষ্ঠী এখন রাষ্ট্রে পরিনত । রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে এখন ক্ষমতার লড়াই সীমিত। তাই রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে ক্ষমতার যাতাকলে এখন সাধারণ মানুষেরাই। এই সাধারণ মানুষদের দেশপ্রেম থাকতে নেই, দেশপ্রেমের সকল তকমা ক্ষমতাবানদেরই কুক্ষিগত। এতে করে সাধারণ মানুষের মনে যে ঘৃণা আর ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয় তা একসময় আগ্নেয়গিরি হয়ে ফুটন্ত লাভা ছড়াবেই।

পোস্টের ছবি দারুন অর্থবোধক- কুয়াশাচ্ছাদিত স্মৃতিসৌধ

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: কিন্তু রাবনদের রাজনীতিতে ছলনা-ই যে বেশী। তাই ধর্মকে স্বার্থের বর্ম বানিয়ে বিভেদের দূর্গ গড়ে তোলা হয়েছে। সে দূর্গে মানবতা, সহমর্মিতা, আস্থা, বিশ্বাস, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বন্দী হয়ে আছে। --- আমি এখানে 'রাবন' বলার চাইতে 'চাণক্য' বলাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করব। কারণ 'রাবন' কিন্তু সুদূর লঙ্কাবাসী। :D

রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে ক্ষমতার যাতাকলে এখন সাধারণ মানুষেরাই। এই সাধারণ মানুষদের দেশপ্রেম থাকতে নেই, দেশপ্রেমের সকল তকমা ক্ষমতাবানদেরই কুক্ষিগত। --- সহমত। সাধারণেরা এখন দাবার গুটি।

পোস্টের ছবি দারুন অর্থবোধক- কুয়াশাচ্ছাদিত স্মৃতিসৌধ । --- আপনি ব্যাপারটি ধরতে পেরেছেন দেখে আপ্লুত হলুম। :D

শুভেচ্ছা।

২৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

বিজন রয় বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

বাংলাদেশ আগামী ২০০ বছরেও আর ভাল হবে না।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: শুভেচ্ছা বিজন দা। অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম মনে হচ্ছে।

বাংলাদেশ আগামী ২০০ বছরেও আর ভাল হবে না। -- এভাবে চলতে থাকলে মূল্যবোধের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা ভেবে শঙ্কিত না হয়ে পারা যায় না।

শুভেচ্ছা নিবেন।

২৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

বিজন রয় বলেছেন: কিছু মনে করবেন না, বাংলাদেশের এই অবস্থা দেখে আমি মোটেও বিস্মিত নই।

কিছু মানুষ, কিছু জাতি, কিছু সমষ্টি, কিছু সংস্কৃতি কখনো ভাল হবার নয়।

হাজারটা উদাহরণ দিতে পারবো আমার এই কথার বিপরীতে।

কিন্তু দরকার নেই।

ভাল থাকবেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: বিজন রয় বলেছেন: কিছু মনে করবেন না, বাংলাদেশের এই অবস্থা দেখে আমি মোটেও বিস্মিত নই। -- রাজনৈতিক দলগুলোর নৈতিকতার ক্রমাবনতি ও একজন সৎ ও বিচক্ষণ নেতার/প্রশাসকের অভাবের ধারাবাহিক চিত্র দেখে বিস্মিত না হওয়ায় স্বাভাবিক। এর থেকে সহজে উত্তরণও ঘটছে না এটাও নিশ্চিত জেনে মানুষের হতাশা আরো বাড়বে সামনের দিনগুলোতে এটাও বলে দেওয়া যায়।

আবারো শুভেচ্ছা।

২৯| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
আপনার লেখা এবং কিছু বাংডিয়ানদের মন্তব্য পড়ে মনে পড়ে গেলঃ

ভূপেণ জিগাইলো- কর্তা, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে আমরা কি পাইলাম?

কর্তা আরাম করে হুকো টানছিলেন। ভূপেণের প্রশ্ন শুনে গলায় ধোয়া টোয়া আটকে বিশ্রী কান্ড হয়ে গেল। কোনরকমে কাশি চেপে ক্রোধান্বিত গলায় বললেন, এ কেমন প্রশ্নের ধারা ভূপেণ, তুইও দেখি দিন দিন রাজাকার হয়ে উঠছিস! মুক্তিযুদ্ধে আমরা একটা পতাকা পেয়েছি, মানচিত্রে জায়গা পেয়েছি, একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি।

ভূপেণ মিনমিনে গলায় পূনরায় জিগাইলো- আর ভারত যে এত কিছু করলো তারা কি পেয়েছে কর্তা?

প্রশ্ন শুনে কর্তা উদাস হয়ে গেলেন। ভূপেণ জবাবের জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেও জবাব না পেয়ে নিজেই স্বগতোক্তির মত করে বললো, ভারত একটা ললিপপ পেয়েছো গো কর্তা! সেই স্বাধীনতার পর থেকেই চুষে যাচ্ছে।

এই ললিপপ চুষার কাজে যারাই হস্তক্ষেপ করেছে তাদেরকেই শায়েস্তা করাই এই দেশে বাকশালী এবং এর সমর্থকদের কাজ। যদি দরকার পরে পিটিয়ে আবরারের মতো হত্যা করতেও এরা পিছপা হয় না। ইতিহাস সাক্ষী দেয় এই সব নির্মম হত্যাকান্ড ১৯৭২ তেকেই এইদেশে শুরু হয়েছে।

এই দেশে দেশপ্রেমিক ও দেশের স্বার্থের ব্যাপারে আপোষহীন ব্যাক্তিদের নির্মূল করাতে কে বা কারা বেনিফিটেড হচ্ছে? কেন বার বার আওয়ামী সরকার ও সরকারের তাবেদার সরকারী চাকুরীজীবী আমলা, পুলিশ, আর্মি, মিডিয়া ও র‍্যাবের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা ভারতের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ রাখতে চাপ দেয়?

বাংলার জনতা একবার জাগবেই। এর এই পাচাটা দালালদের বাংলার মাটিতেই বিচার করা হবে।
"ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়"। যারা নিজেরদের স্বার্থের জন্য দেশকে জঞ্জাজলি দেয় এরা কখনই দেশকে ভালোবাসেনি, আর কোনদিনও বাসবেও না।
ধন্যবাদ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: উদাহরণটা বেশি একপেশে হয়ে গেছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের চাওয়া-পাওয়ার সাথে বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে তুলনা করা বেমানান ঠেকছে। মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একটি বিশাল ক্যানভাস। এত ক্ষুদ্র পরিসরে মুক্তিযুদ্ধকে বিবেচনা করা থেকে আমাদের মনে হয় বিরত থাকা উচিত।

সেই স্বাধীনতার পর থেকেই চুষে যাচ্ছে। --- বাংলাদেশ জন্মের এই প্রায় অর্ধ-শতাব্দীকালের মধ্যে বিএনপি-জামাত কিন্তু বড় একটি সময় শাসন করেছে। তাহলে সেসময় কীভাবে বাংলাদেশকে ভারত চুষে খেল আর সেটা বিএনপি-জামাত কীভাবে খেতে সহায়তা করল? তাহলে তো সকলেই...? :(


বাংলার জনতা একবার জাগবেই। এর এই পাচাটা দালালদের বাংলার মাটিতেই বিচার করা হবে।
"ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়"। যারা নিজেরদের স্বার্থের জন্য দেশকে জঞ্জাজলি দেয় এরা কখনই দেশকে ভালোবাসেনি, আর কোনদিনও বাসবেও না।
--- ঠিক তাই। ভালো লিখেছেন। তবে সত্যি বলতে কি এই বিচার চলমান। যেমন, একদল রাজাকারী চেতনায় ঝুপবদ্ধ হয়ে পড়ছে; অন্যদল এসে এর কঠোর বিচার করে শুলে চড়াচ্ছে। আরেকদল দালালী চেতনায় খোপবদ্ধ হয়ে পড়েছে; ভবিষ্যতে অন্যদল এসে এদেরও শায়েস্তা করবে। মাঝখানে আমজনতার লেগেছে ঈদ। ঈদের আনন্দের ঠেলায় অনেকেই পদপিষ্ট হয়ে মাঠেঘাটে বেঘোরে মরে পড়ে থাকছে তা দেখার কারো সময় নেই। এই তো সোনার বাংলাদেশ!

শুভেচ্ছা।

৩০| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিশ্বের প্রতিটা দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সাথে আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি। সমস্যা হলো, আমরা যে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগুচ্ছি সেখানে কোন স্পীড লিমিট নাই। তাই আমরা এগুচ্ছি উছৃংখলভাবে। যে কোনও একটা দুর্ঘটনা যে কোনও সময়েই ঘটতে পারে। আচ্ছা, ফ্যান্টাসী বাদ।

এবার বরং আসি বাস্তবতায়। সেটা হলো, যে দেশগুলো একসময় আমাদের কাছাকাছি মানের ছিল, তারা এগিয়ে গিয়েছে বহুদুরে, আমাদের ধরাছোয়ার বাইরে। তুলনায় আমরা এগিয়েছি অল্প আর তাতেই আমাদের নেতারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন। তিক্ত সত্য হলো এই যে, অনেক মানে আমরা বরং পিছিয়েছি। বিস্তারিত বলার দরকার নাই, আপনিও জানেন। যারা জানার তারা সবাই জানে। জানেনা শুধু দলকানারা।

তাদের সম্ভবত এটাও জানা নেই যে, অন্ধ হলেও প্রলয় বন্ধ হয় না।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: আমরা এগুচ্ছি উছৃংখলভাবে। যে কোনও একটা দুর্ঘটনা যে কোনও সময়েই ঘটতে পারে। -- ঠিক। এই নন-সাসটেইনেবল উন্নয়নের বিরূপ প্রতিক্রিয়া জাতিকে একদিন ভোগ করতে হবে এটা নিশ্চিত। শিক্ষা-স্বাস্থ্য-অর্থ খাতগুলোর দৈন্যদশা খুব একটা আশা যোগাচ্ছে না জাতিকে। স্রেফ মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি যুদ্ধ ও কিছু প্রবাসীদের দেশফেরত ও তেলের দাম ১০০ ডলারের উপর উঠে গেলেই দেশে অর্থনীতির কংকালটা বের হয়ে পড়বে।

ক্রেডিট নিয়ে ঘি খাওয়া ভালো যদি শরীরের ব্যবস্থাপনা ভালো থাকে। তবে সেটা অতিরিক্ত হয়ে গেলে এবং অব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হানিকারক। সেটা এখন পাকিরা টের পাচ্ছে। এগুলো নিয়ে সরকারের ভাবা দরকার। জাতির ভবিষ্যতের জন্য। যদিও পরিস্থিতি দেখে মনে হয় না জাতির ভবিষ্যত নিয়ে ভাবার সময় আছে 'সাচ্চা দেশপ্রেমিক'দের।

শুভেচ্ছা।

৩১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
আমি সব কয়টা দলের লোকজনের কথাই বলেছি। আমি কখনই অন্ধভক্ত নই কারও। আর দে আমার কাছে সব চেয়ে বড়। স্বাধীনতার পর থেকে ভারত এই দেশ কে লুটপাট করে খেয়ে যাচ্ছে।

আমার গল্পে আপনার মন্তব্যের এখনও উত্তর দেই নি। সবাইকে ধন্যবাদ বলে প্রতি মন্তব্য দেয়া যায় না। আপনি কি বলতে চেয়েছেন সেটা ভালো করে বুঝেই প্রতি উত্তর করব।

শুভ কামনা রইল।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ ব্লগার নীল আকাশ।

তবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু লেখাতে আমাদের আরো সতর্ক হওয়া দরকার বলে মনে করি। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার। এটা ঠিক যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনেক কিছুই ব্যতিক্রম ঘটছে, সেটার জন্য রাজাকারী চেতনা ও দালালী চেতনা দুটোই সমানভাবে দায়ী।

আর ভারত চুষে খাচ্ছে এটাও জেনারালাইযড হয়ে গেছে। এটা বলা যেতে পারে যে ভারতের কাছ থেকে আমরা যথাযথ প্রতিবেশীর সন্মান পাচ্ছি না(যদিও শতভাগ সন্মান আশা করা বোকামী। কারণ তারা বৃহৎ আমরা ক্ষুদ্র; তারা উজানে আমরা ভাটিতে; তারা শক্তিশালী আমরা দুর্বল)। আবার শুধু ভারতকে দোষ দিই কি করে। এটা কি সত্য নয় যে আমরা নিজেরাই নিজেদের মসনদের জন্য তাদেরকে সুযোগ করে দিচ্ছি আমাদের শোষণ করার জন্য। যেমনটা ব্রিটিশদের দিয়েছিলাম।

আবারো শুভেচ্ছা রইল।

৩২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

শেহজাদী১৯ বলেছেন: আপনার ঘাড়ের উপর তবুও একটা মাথা রয়েছে। মাঝে মাঝে আমার তো মনে হয় মাথাই নেই। কবেই খোয়া গেছে। মাথাহীন চলছে মানুষ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০০

আখেনাটেন বলেছেন: শেহজাদী১৯ বলেছেন: মাঝে মাঝে আমার তো মনে হয় মাথাই নেই। কবেই খোয়া গেছে। মাথাহীন চলছে মানুষ। -- মন্দ কন নাই। মুন্ডুবিহীন জাতির কাণ্ডারী মোরা চলেছি দিকশুন্য পথে।

বিদ্র: আপনারে এই পহেলাবার আমার ব্লগে দেখলুম মনে হচ্ছে। তয় লেখা দেখে ব্লগের পুরান এক রাজকন্যার কথা মনে পড়ে গেল। মুন্ডুবিহীন নাগরিক আমার ভুলও হতে পারে। (পারডন)

৩৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

শেহজাদী১৯ বলেছেন: আমার লেখা কোথায় দেখলেন ভাই সাহেব? আমি তো প্রথম পাতাতেও নেই। স্মৃতি, অভিজ্ঞতা, আমাদের নিত্যদিনের কানেকশন।
মুন্ডুবিহীন মুন্ডুতেও তাই কত চিন্তাই আসে। ভাবনাও আসে। পাচ্ছি নাতো জবাব তার।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০২

আখেনাটেন বলেছেন: মুন্ডুবিহীন মুন্ডুতেও তাই কত চিন্তাই আসে। ভাবনাও আসে। পাচ্ছি নাতো জবাব তার। -- ঠিক আছে। সুখী জীবন-যাপনে খুব বেশি জবাবেরও দরকার নেই। যত জবাব তত ঝামেলা। :D

ভালো থাকুন।

৩৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বিজন রয় বলেছেন: বাংলাদেশ আগামী ২০০ বছরেও আর ভাল হবে না। - সহমত।
টেবিল থাবড়া্য়া ভেঙ্গে বলা উচিত - “বাংলাদেশ আগামী ২০০ বছরেও আর ভালো হবে না” - সমস্যা হচ্ছে নিজের কষ্টে কেনা টেবিল, সরকারী সংসদের না।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: :#) :D

৩৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:২২

জুন বলেছেন: বড় ভয়ে ভয়ে প্লাস দিয়ে গেলাম আখেনাটেন
+

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: :(( :((

ভয় করিলে জনগণের জয় হইবে কীভাবে? :(

শুভেচ্ছা জুনাপা। ভালো থাকুন।

৩৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আখেনাটেনভাই,

এমন বিশ্লেষণধর্মী লেখা পড়তে ব্লগে আসা সার্থক। প্রত্যেক মানুষের একটা নিজস্ব আবেগ-অনুভূতি, মূল্যবোধ থেকে। আপনার মূল্যবোধকে জানাই অন্তরের শ্রদ্ধা। পোস্টে ভালোলাগা ++
শুভকামনা জানবেন।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিক দা।

মূল্যবোধ এই অতি মূল্যবান শব্দে এখন ঘুণ ধরেছে। আমরা শিক্ষা লাভ করে বড় বড় সার্টিফিকেট বাগাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু যে জিনিস পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে সবচেয়ে আগে পাওয়ার দরকার ছিল সেটাই পাচ্ছি না। ফলে মিঃ হাইড চরিত্রের বিকাশ ঘটছে দ্রতগতিতে।

শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.