নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

গবেষণা ও উন্নয়ন: আর কত নিচে নামলে তাকে নিচে নামা বলে???

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৬


আমরা বেশির ভাগ বাংলাদেশীরা কঠোর প্রেমিক। তাই প্রেমের চেতনা কিংবা যাতনায় প্রেমিকার ‘কাপড় উথড়ানো’র জন্য আমাদের হাত নিশপিশ করে। কীভাবে বাংলাদেশ নামক প্রেমিকাকে ছিড়ে-ফুঁড়ে সর্বোচ্চ লুটে নিব এই ধান্ধায় আমাদের জবমালা চলে। কেউ নিঠুর প্রকাশ্যে, কেউবা নিলাজ সহাস্যে; কেউ আর্থিক প্রণোদনায়, কেউবা সুশীল চেতনায়; কেউ ক্ষমতার কারসাজিতে, কেউবা প্রেমিকার গররাজীতে; কেউ ধর্মান্ধতার লেবাসে, কেউবা ভণ্ডামীর খোলসে।

এমনই একজন উগ্র প্রেমিক যিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় নামক প্রেমিকার কাপড় উথড়ায়ে দিয়েছেন। আর এই জঘন্য আচরণের জন্য সাধারণ বাংলাদেশী হিসেবে (প্রেমিক বাংলাদেশী নয়) লজ্জায় মাথা নিচু হয়েছে; রাগে-ক্ষোভে হড়হড় করে বিবমিষা করতে ইচ্ছে করেছে। আমার একটু বেশিই জ্বলছে তার অনেক কারণের মধ্যে এই যে আমি নিজে যেহেতু সাধারণ হাবা-গোবা দেশী হয়েও প্রেমিকার কাপড় যেন ঠিকঠাক জায়গায় থাকে সে জন্য পরিশ্রম করছি, সেখানে কোনো কুলাঙ্গার যদি...মাথা ঠিক থাকার কথা না।

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারীর মাঝামাঝি এই সময়টা সাধারণত এবড়ো-থেবড়োভাবে ঘুরাঘুরির জন্য বরাদ্দ রাখি তাই ব্লগে আসা হয় নি। আজকে প্রথম আলোতে শিক্ষক নামক সেই মহান প্রেমিকের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হল কিছু একটা লেখা দরকার। আমি আর তেমন কিছু লিখছি না; তবে সেখানে কিছু পাঠকের মন্তব্য ও তার যৎসামান্য বিশ্লেষণ তুলে ধরলাম--

S A M Rafiquzzaman নামে একজন পাঠক লিখেছেন-- “ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮% নকল - প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে কথা । এই পচন পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় - রাজনীতির পঙ্কিলতায় সবাই নিমজ্জিত”।

---সামান্য কথায় উনি ঢাবির এই করুণ দশার জন্য কটাক্ষ, শিক্ষা-ব্যবস্থার বেহাল দশা ও অপরাজনীতি কীভাবে দেশের ‘মূল’টুকু খেয়ে ফেলছে তার কঠিন বাস্তবতার ইঙ্গিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নামে একজন লিখেছেন-- "If you dig further, this will open a Pandora box. In this case, none (the student and supervisors) can escape responsibility. In Bangladesh, we live in an atmosphere where science can't thrive. These thieves/plagiarists are everywhere and have become the majority. The honest researchers are cornered and their voice is unheard of due to the cacophony created by these thieves. As a student of Dhaka University, I am ashamed but I know that when you are heading downhill it does not take much time and effort. It is a long battle if DU wants to raise its standard again and with the current leadership, it is almost impossible.”

এই অনিচ্ছুক ভদ্রলোকের বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য; তিনি দেশের বর্তমান উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার কুৎসিত দিকটির দিকে ইশারা করেছেন যেখানে সৎ ও পরিশ্রমী গবেষকরা কোনঠাসা--অসৎ ও নির্লজ্জদের দৌরাত্ম্যে। এবং উনার ভাষ্যে ঢাবির এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান নেতৃত্বের দ্বারা অসম্ভব। কিন্তু উনি একথা বলেন নি যে ঢাবি বা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব আর দেশের নেতৃত্ব একই বৃন্তে গাঁথা। যেখানে পা থেকে মাথা পর্যন্ত চোরদের নিবাস সেখানে অনেক কিছুই অসম্ভব।

Moslehuddin নামে একজন পাঠক লিখেছেন--”যে জাতি ভাল হওয়ার চেষ্টা করেনা, সে জাতির উপর আল্লাহ্‌ তায়ালা দুঃশাসন চাপিয়ে দেন। দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ চরম লুট-তরাজ আর দুঃশাসন-কুশাসন জগদ্বল পাথরের ন্যায় চেপে বসেছে। না পারছি বলতে, না সইতে। দেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত মানুষগুলোর চেয়ে উচ্চশিক্ষিতরাই বড্ড culprit, স্বার্থপর, বিবেকহীন, জ্ঞানপাপী”।

---এখানে উনি দেশের উচ্চশিক্ষিতদের চরম অনৈতিকতাকে হাইলাইট করে যা বলেছেন তা শতভাগ সত্য। আমাদের মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চরম পরীক্ষা চলছে।

Asis M A Hasem নামে এক পাঠক লিখেছেন--”এটাই একসময়ের গর্বের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড! এখানে এখন শিক্ষা নয়, আরও অনেক কিছু হচ্ছে দিনদুপুরে; এসব করেই আমরা Best University in the world' ranking এ ঢুকতে চাই”।

---এই র‍্যাঙ্কিং নিয়ে আমাদের নীতিনির্ধারকদের মাথাব্যথা নেই। আমাদের অনেক ব্লগার বন্ধুও মনে করেন এসব র‍্যাঙ্কিং-ফ্যাঙ্কিং দিয়ে কী ঘোড়ার ডিম হবে?

Md. Obaidul Kabir নামে একজন পাঠক লিখেছেন--”১৯৯০ এর পর থেকে সব থিসিসের কপি পুনরায় পরীক্ষা করা উচিত, তবেই বোঝা যাবে কালো বিড়াল কতগুলো”!!!

--- সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কালো বিড়াল খোঁজা হলে ঐ অবস্থা হয় না যেন ‘ঠক বাছতে গাঁ উজাড়’।

Animesh Das নামে একজন পাঠক লিখেছেন---”বিষয়টির সাথে ৯৮% ভোট প্রাপ্তির মিল আছে, ওনাকে ভিসি করার জোর দাবি জানাচ্ছি”।

---দাস বাবুর আবেদন অদূর ভবিষ্যতে মঞ্জুর হওয়ার সমূহ সম্ভবনা আছে, কী বলেন?

Ahmed লিখেছেন ---”সত্যিকারে কেউ কি বলবেন "শিক্ষক" হয় কিভাবে”!!!!!!!!

---মিলিয়ন ডলার কোশ্চেন। এর উত্তর আমরা না জানলেও ভগবান নিশ্চয় জানেন।

ABDULHANNAN MIAH লিখেছেন---”সব সেক্টরই শেষ পর্যন্ত অধঃপতনের অতল তলে ডুবে গেল----- আমরা শুধু উন্নয়নের জিকির শুনতে শুনতে ক্লান্ত-শ্রান্ত”।

---বেচারা মনে হয় জানেন না যে অধঃপতনটা আত্নীক আর উন্নয়নটা ভৌতিক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নামে একজন পাঠক লিখেছেন---”রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক হতে পারলে রাজনৈতিক বিবেচনায় অরিজিনাল থিসিস ছাড়াই কেন পিএইচডি ডিগ্রী দেয়া যাবে না জাতির কাছে সেই প্রশ্ন রেখে গেলাম”।

---জাতির কাণ্ডারীরা এর উত্তর দিবেন নিশ্চয় একদিন।

খালিদ হাসান জীবন নামে একজন লিখেছেন--"ওনাকে ফিজিওলজি এবং মেডিসিনে নোবেল দেওয়ার জোরালো দাবী জানাই। না দেওয়া হলে আমরণ অনশনে যাবো”।

---যান, তবে শান্তির জন্যও আরেকটা অনশনে থাকলে পুলিশ ভায়াদের হাত থেকে নিরাপদে থাকবেন। এ এক সাধারণ বাঙালীর অনুরোধ।

jagannath das একজন লিখেছেন --”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র সবাই এখন .....নিয়ে ব্যস্ত, তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কে বিশ্ববিদ্যালয় না বলে ..... প্রশিক্ষণ ...বলা উচিৎ”।

---জগন্নাথ বাবু কি লিখতে চেয়েছেন ফাঁকা জায়গায় তা মনে মনে লিখে ফেলুন কিংবা মন্তব্যের ঘরেও লিখতে পারেন।

Anwar Hossain Mallick লিখেছেন---”২% আসল এই শিক্ষক লইয়া জাতি কি করিবে”??

---ইনারাই জাতির কাণ্ডারী যুগে যুগে। উনি পরবর্তী কোনো একসময় ভিসি পদপ্রার্থী হলেও অবাক হবেন না যেন!!!!

mohammad rahman নামে একজন পাঠক লিখেছেন-- “আসল ভুয়া এমপি , নকল ভুয়া এমপি , নকল পিএইচডি ! দেশে কোনটা আসল খুঁইজা পাওয়াই মুসকিল”।

---মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

***********************************************************************************************
©আখেনাটেন/জানুয়ারি-২০২০

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বেহাল দশা বিষয়ে আমার আরো কিছু লেখা---

*বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা: কিউএস র‍্যাঙ্কিং-এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হালহকিকত ও কিছু বাঁকা কথা!!
*বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার লেজেগোবরে অবস্থাঃ অচিরেই কি আমরা একটি মেধাহীন জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছি????
*বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কী অভ্যন্তরীণ র‍্যাঙ্কিং জরুরী হয়ে পড়েছে?
*বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কতটা উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে আমাদের গড়ে তুলছে?
*বাংলাদেশের শিক্ষার মান কী এতটাই খারাপ!

মন্তব্য ৫৯ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৫৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দিতে এখন লজ্জা পাই। গত বছরও একই ধরনের অভিযোগ এসেছিলো সাংবাদিকতা বিভাগের এক প্রথিতযশা সাংবাদিক-শিক্ষক এবং বাণিজ্যবিভাগের এক শিক্ষকের বিষয়ে; বলাবাহুল্য তার কোনো প্রতিকার হয়নি। এই না হওয়ার ধারা যদ্দিন জারি থাকবে, তদ্দিন চুরিচামারি চলতেই থাকবে।

অনেকদিন পরে লিখলেন, ব্যস্ত নাকি?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ভাবতেও খারাপ লাগে। একটি জাতির শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তাকালেই ঐ জাতির ভবিষ্যত নিরূপণ করা যায়। দুর্ভাগ্য এই যে আমাদের নীতিনির্ধারকদের এ নিয়ে মাথাব্যথা। গবেষণা ও উন্নয়নে আমাদের ব্যয় জিডিপি'র ০.০১% যা দরিদ্র দেশ নেপাল, ইথিওপিয়ার চেয়েও অনেক অনেক কম।

অথচ দ্যাখেন এইসব কুলাঙ্গার দিয়ে বছরের পর বছর বিদ্যাপীঠগুলো ভরে ফেলা হয়েছে, হচ্ছে। ইনারা কী শেখাবেন শিক্ষার্থীদের?

* অনেকদিন পরে লিখলেন, ব্যস্ত নাকি? -- হুম; আপনাকে মন্তব্যের ঘরে দেখে ভালো লাগল।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

একাল-সেকাল বলেছেন:
প্রথম প্যারায় ই সকল মন্তব্য হারিয়ে ফেলেছি।
DU এর প্রতিষ্ঠালগ্নে রবীন্দ্রনাথ যথার্থই বলেছিলেন, "মূর্খের আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়"

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: কুশিক্ষা আমাদের আষ্ট্রেপৃষ্ট্রে বেঁধে ফেলেছে। এর থেকে সহজে পরিত্রাণও নেই মনে হচ্ছে।


শুভেচ্ছা মন্তব্যের জন্য।

৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন: যারা ১০ টাকায় সমুচা, সিংগারা আর চা খাইয়ে Ranking- এ উঠতে চায় তারা আর কিইবা গবেষনা করবে?

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: স্যারেদের গবেষণার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে শিষ্যদের কি অবস্থা হবে?


তাহলে কী সমুচা, সিংগারার জায়গায় বার্গার, পিজ্জা সরবরাহ করলে অবস্থার উন্নতি হবে?


শুভেচ্ছা স্যারজি।

৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০০

রাজীব নুর বলেছেন: এই গান টা শুনেছেন- ‘শোন ছেরি কই তোরে/ শ্যাম, পিরিতি করিছ না,/ হায় পিরিত তোরে ছারব না।’

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১১

আখেনাটেন বলেছেন: নুর সাহেব কয় কি?

তাইলে কী আমাদের সকলকে পিরিতি ভূতে ধরেছে? তা এই ভূত নামানোর ওঝা কই পাওয়া যাবে?

শুভেচ্ছা পরীর বাপজানরে।

৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কিছু বলার নেই। একটা সার্টিফিকেট দিলেই যখন বেতন, ভাতা বেড়ে যায় তখন ভাল মানুষটিও সুযোগ পেয়ে অসৎ হতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করে না। আসলেই সঠিক টার্ম ব্যবহার করেছেন, কঠোর প্রেমিক। ঘুষ, মিথ্যা, দুর্নীতিকে যারা শৈল্পিক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে যে জাতি, তাদের নিয়ে এর চেয়ে ভাল কী আশা করা যায়...

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কিছু বলার নেই। একটা সার্টিফিকেট দিলেই যখন বেতন, ভাতা বেড়ে যায় তখন ভাল মানুষটিও সুযোগ পেয়ে অসৎ হতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করে না। -- বাংলাদেশের সরকারী চাকরীগুলোকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করার কুফল সম্পর্কে এখনই জাতি সজাগ না হলে এ জাতির কপালে অদূর ভবিষ্যতে যে আরও শনি অপেক্ষা করছে তা বলাই বাহুল্য।

জবাবদিহিতার বালাই যখন উঠে যায় তখন সেখানে অসাধুতা ঘাঁটি গেড়ে বসে। এটা এখন বাংলাদেশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত গেড়ে বসেছে।

শুভেচ্ছা ব্লগার বিচার মানি তালগাছ আমার।

৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:১৩

হাবিব স্যার বলেছেন: ১০ টাকার পিজ্জা পেলে সবার ভুড়ি বেড়ে যাবে। বর্তমানের চাইতে দ্বিগুন কাপড় লাগবে শার্ট বানাতে। দ্বিগুণ শার্টের জন্য বেশি বেশি কাপড় উৎপাদন হবে টেক্সটাইল মিলগুলোতে। বস্ত্রশিল্পের উন্নতি হবে। সেখান থেকে দেশীয় খাতে জিডিপিতে অবদান রাখার সুযোগ তৈরী হবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২১

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার আইডিয়া স্যারজী। এবার তাহলে খাঁটি উপায়ে পিজ্জা বানানোর রেসিপিটাও দিয়ে দিন। ওদিকে গার্মেন্টসওয়ালারাও নয়া কলকারখানা বানানোর উদ্যোগ নিক। :D

৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আমি যখন কোন ট্রেনের টিকেট কাটতে যাই বা কোন ঘুষখোর পুলিশ বা সরকারী অফিসারকে ঘুষের জন্য হাসতে দেখি তখন আমি তাদের হাসিটা দেখতে পাই না। দেখতে পাই কোন মুখোশ বিকৃত ভাবে হাসছে (ঠিক পটুয়া কামরুল হাসানের ইয়াহিয়ার হাসির মত)...

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: কয়দিন আগে এক সেমিনারে পরিকল্পনা মন্ত্রী দেশের প্রকল্প পরিচালকদের একহাত নিলেন। উনি নিজেও একজন আমলা ছিলেন। আমলা নামের এই শ্রেণিটার সেচ্ছাচারিতা স্বচক্ষে দেখছেন। আর বড়রা যে দিকে যায় ছোটরা সে চেনা পথকেই আসল পথ বানিয়ে ফেলেছে।

এগুলোর অবসান হওয়া জরুরী জাতির মঙ্গলের জন্য।

৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এসব নিয়ে ভেবে ভেবে রাতের ঘুম হারাম করার কোন মানে নাই। দেশ এভাবেই চলবে.....মাঝে-মধ্যে মনের দুঃখে আমি-আপনি একটা দু'টা পোষ্ট দিব, ব্যস। এন্ড অফ দ্য ডে, নাথিং উইল বি চেইন্জড!!! এটা হলো আমাদের অভাগা দেশের পোড়া কপাল!! :D

ভাবছিলাম....একটা হারানো বিজ্ঞপ্তি দিব; চিন্তা করতেই বান্দা হাজির!! :P

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: এটা হলো আমাদের অভাগা দেশের পোড়া কপাল!! ---- খালি পোড়া কপাল হলে তো কথাই ছিল না। কপাল ছড়িয়ে বুক, পেট, হাত-পা, নিতম্ব পুড়লে কী করবেন? এ যে অক্কা পাওয়ার দশা!!

অবশ্য নেত্রী বড় বড় বার্ন ইউনিট বানাচ্ছেন। আলু পোড়া হলেও সমস্যা নেই। দেশীয় ভাবেই সেরে তোলা হবে। সো নো চিন্তা।

*হারানো বিজ্ঞপ্তি দিতে গিয়ে যেন 'মুই কার খালু রে' অবস্থা না হয়। :P

৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

একাল-সেকাল বলেছেন:
কুশিক্ষা আমাদের আষ্ট্রেপৃষ্ট্রে বেঁধে ফেলেছে।


সুত্রঃ Bangla Tribune
১ মিনিট আগের আপডেট ; বিকাল ০৫:৩২ ; বুধবার ; জানুয়ারি ২২, ২০২০

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: অশনি সংকেত। হতাশ হওয়া ছাড়া কী-ই-বা করার আছে?


জাতির মেরুদন্ড নিয়ে কেউ ভাবছে না, এটা ভেবেই হতাশা আরো বাড়ছে।

১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অক্কা পাবে না, নিশ্চিন্তে থাকেন। দেশটাকে চালানোর দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন মনে হয়..... নয়তো বহু আগেই অক্কা পেতো।

আলু পুড়ুক, মাঝে-মধ্যে দেশে এসে খেয়ে যাবানে!! ;)

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: ভুয়ারা তো আলু পোড়া খেয়েই রাজ্য শাসন করছে বাহে! কিন্তু আসলদের (কৃষকসহ অন্যান্য) যে জান-প্রাণ ওষ্ঠাগত তাদের কী হপে, কন দেহি চি!! :(


১১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও ছাত্রদের যাঁরা কাছের থেকে দেখেছেন, কেহই ইহাকে ইউনোভার্সিটি বলবেন না, ইহা অপশিক্ষা-কেন্দ্র। ঢাকা ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে আমার খারাপ ধারণা ব্লগের অনেকেই জানেন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও ছাত্রদের যাঁরা কাছের থেকে দেখেছেন, কেহই ইহাকে ইউনোভার্সিটি বলবেন না, ইহা অপশিক্ষা-কেন্দ্র। --- আপনি হয়ত নকল পিএইডিওয়ালা কিংবা নেতা গোছের কারো সাথেই মোলাকাত করেছেন ফলে এই ধারণা জন্মেছে। এটা সত্য যে ঢাবি'র মান অনেক নিচে নেমে গেছে। কোয়ালিটি শিক্ষার্থী হাতে গোনা। এগুলোরও অনেক কারণ আছে যা আমি আগের লেখাগুলোতে বিস্তারিত লিখেছি। এরপরও এটা অস্বীকার করা যাবে না যে কিছু সত্যিই ভালো কাজও এখানে হচ্ছে। কিন্তু লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি ভালো শিক্ষকদের কোনঠাসা করে ফেলেছে। বহুদিন আগে থেকেই চাটুকার ও অসৎ লোকদের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
মামা-চাচা খালু-শালা-শালী-দুলাভাই ইত্যাদি ইত্যাদি মিলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন ফেমিলি ট্রি বানিয়ে ফেলেছেন মহানরা। অদ্ভুত এক অবস্থা!!

১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

একাল-সেকাল বলেছেন:
Rabindranath rightly says, "What kind of university is the fool again"

4 DU students beaten up by BCL men

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: এরা এখনও এত এত ইতরপনা করার সুযোগ পাচ্ছে কীভাবে? এদের কি কোনো অভিভাবক নেই থামানোর। বেওয়ারিশ কুকুরের মতো যাকে ইচ্ছা তাকে কামড়ে চলেছে অথচ থামানোর কেউ নেই।

১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,





নীচে নামার দ্যাখলেন কি ? দিন আরও যাউক, মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চাইয়াও নীচে নাইম্মা যামু ইনশা.......... :(

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: উচ্চশিক্ষা নিয়ে সরকারের মনে হয় কোনো প্রকার লং টার্ম পরিকল্পনা নেই। পণ করেই নেমেছে যেন এটাকে ভাগাড়ে পরিণত করতে হবে। অথচ এখন না আছে কোনো বিরোধীদল না আছে কোনো প্রতিপক্ষ। সরকার চাইলেই দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা তথা দেশের আমূল পরিবর্তনে মনোযোগ দিতে পারে। এদের কে বোঝাবে এসব?

চার-পাঁচটা নন-সাসটেইনবল ফ্লাইওভার আর ব্রিজ নির্মাণ করে দেশের উন্নতি টেকসই কখনই সম্ভব নয় একদিন মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য, যত্ক্ষণ না দেশের শিক্ষাব্যবস্থা তথা নৈতিকতার উন্নতি ঘটে। এগুলো ইনাদের কে বোঝাবে?

৯০'র দশকে পাকিস্তানও ঋণ করে বিরাট বিরাট মোটরওয়ে, ফ্লাইওভার ইত্যাদি ইত্যাদি বানিয়ে জাতিকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও লুটপাটে কোষাগার শুন্য করে ফেলেছিল। এখন পাকিরা টের পাচ্ছে এর জ্বালা। আমাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কিন্তু ইতোমধ্যেই রেড সিগনাল দেওয়া শুরু করেছে। এগুলো থেকে বাংলাদেশ কবে শিক্ষা নেবে।

শুভেচ্ছা মন্তব্যের জন্য।

১৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নামোনের দেখছো কি?
হপায় (মাত্র) তো শুরু!
স্বৈরাচাররে স্বৈরাচার কইবা না!
চেতনা নামে ইয়াহিয়ার শাসন চালাইবা
মুক্তিযুদ্ধের নামে দলবাজি আর গণতন্ত্র হত্যা করবা!
প্রধাণ বিচারপতিরে রাইতের আন্ধারে বিমানে উঠায়া দিবা!
ইসি, বিচি, ভিসি সব চামচা চামুন্ডা পুষবা, দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ দিবা!

তো এইখানে কি সোনা ফলবো? যত্তসব!

অই ! কল্কিটা সাজা, ইট্টু তামুক টাইনা লই!
হুদাই মাতায় ক্যারা উডায় দিলো! দুই ছিলিম না খাইলে আর ঠান্ডা অইতায় না!
;)

একটা পূর্ণ বিপ্লব ছাড়া যারা বদলের স্বপ্ন দেখে
যারা স্বৈরাচারিতাতেই উন্নয়ন আর মুক্তি দেখে- দুগ্রুপই সারগামের তৃতীয় সুরে আর ৬ষ্ঠ সুরে বাঁধা!



২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: :( :| :|


দেখা যাক, আমাদের সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের কবে হুঁশ ফিরে আসে?

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভৃগুদা।

১৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪৮

ইমরান আশফাক বলেছেন: বুয়েট নিয়ে একটু আশাবাদী যা ও ছিলাম সাম্প্রতিক ঘটনাপূন্জের কারনে সেটা ও চলে গেছে। আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হচ্ছে সনদপত্র বেঁচার প্রতিষ্ঠান, অথচ হওয়া উচিৎ ছিল গবেষক তৈরীর কারখানা ও প্রতিষ্ঠান। সকলকে উচ্চশিক্ষার দেয়ার প্রয়োজন নেই, অষ্টম শ্রেনী অথবা এইচএসসি পাস করেই যেন মানুষ কর্মক্ষেত্রে ঢুকে পড়তে পারে সেভাবেই কারিকুলামগুলি তৈরী করা উচিৎ। কারিগরি ও অন্যান্য আনুসাংগিক কর্মমূখী শিক্ষার উপর জোর দেয়া উচিৎ ছিল। কোচিং সেন্টারগুলিকে আইন করে নিষিদ্ধ করে দেয়া উচিৎ। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিয়োগ দিতে মেরুদন্ডসম্পন্ন উপাচার্যদের, পা চাটা শামুখদেরকে নয়। ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি আর কোনমতেই গ্রহনযোগ্য নয়। যারা রাজনীতি করতে চায় তাদেরকে শিক্ষাকেন্দ্রগুলি পরিত্যাগ করতে হবে। বছরের পর বছর পড়ে থাকা আদুভাইদেরকেও বের করে দিতে হবে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: সকলকে উচ্চশিক্ষার দেয়ার প্রয়োজন নেই, অষ্টম শ্রেনী অথবা এইচএসসি পাস করেই যেন মানুষ কর্মক্ষেত্রে ঢুকে পড়তে পারে সেভাবেই কারিকুলামগুলি তৈরী করা উচিৎ। কারিগরি ও অন্যান্য আনুসাংগিক কর্মমূখী শিক্ষার উপর জোর দেয়া উচিৎ ছিল। কোচিং সেন্টারগুলিকে আইন করে নিষিদ্ধ করে দেয়া উচিৎ। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিয়োগ দিতে মেরুদন্ডসম্পন্ন উপাচার্যদের, পা চাটা শামুখদেরকে নয়। ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি আর কোনমতেই গ্রহনযোগ্য নয়। যারা রাজনীতি করতে চায় তাদেরকে শিক্ষাকেন্দ্রগুলি পরিত্যাগ করতে হবে। বছরের পর বছর পড়ে থাকা আদুভাইদেরকেও বের করে দিতে হবে। ---- সুন্দর কিছু বাক্য লিখেছেন। এগুলো এইসব অসৎ লোকগুলোও বেশ ভালোই জানে। কিন্তু মূল্যবোধের এতটাই ইনাদের অধ:পতন ঘটেছে যে তা প্রয়োগ করার মতো দৃঢ়তা কিংবা সৎ সাহস কোনটাই আর অবশিষ্ট নেই।

তা নাহলে কবেই ঐসব কুলাঙ্গারদের লাথি মেরে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় করে দিত। বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা-গবেষণার জায়গা। আর বাংলাদেশেরগুলোর দিকে তাকালে কষ্ট হয়। এখনও এনারা ফ্রেশ মাস্টার্স পাশ করা ছেলেকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে দূর্নীতি ও ভোটের রাজনীতি জিয়ে রাখতে। অথচ পাশের ভারত-পাকিস্তানেও এখন সরাসরি সহকারী অধ্যাপক ছাড়া নিয়োগ নেই, যেখানে ডক্টরেট সাথে পোস্ট-ডকও বাধ্যতামূলক। কবে ইনাদের মূল্যবোধ জাগ্রত হবে?

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার ইমরান আশফাক। ভালো থাকুন।

১৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পোস্ট নিয়ে আপনার ভাবাবেগকে সম্মান জানাই। এবার বলুন এতদিন কোথায় ছিলেন? আমরা একজন নিয়মিত ফ্যারাওকে দেখতে চাই।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: আর ভাবাবেগের সন্মান পদাতিক দা। এসব কাহিনি দেখলে মেজাজ ঠিক রাখা দায়। দেশের বৃহৎ একটা শ্রেণি খেটে মরছে, আর ছোট্ট একটা শ্রেণি অসততার চূড়ান্ত করে দেশের বারোটা বাজিয়ে যাচ্ছে। এগুলোর জন্য কোনো প্রকার জবাবদিহিতা নেই, বিচার নেই, আইন নেই। এ এক হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

*এই সময়টা একটু এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করি। আপনাদের ওখানে যাওয়ার প্লানও ছিল। কিন্তু আপনারা মাঝখানে দিলেন ক্যাচাল লাগায়ে। জেএনইউ'তে এবিভিপি'র দৌরাত্ম্য দেখে ভীষণ খারাপ লেগেছে।

১৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৪৫

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: @একাল-সেকাল: আপনার কথাটা দুইবার লিখার কারণ কি? কবি মশাই কি এখনকার অবস্হা বিবেচনা করে কথাটা বলেছিলেন? ওমন আপত্তিকর কথাটা কেন আপনি promote করছেন? এমন সরলীকরণ করছেন যেন DU কখনও কোন কিছুই ছিলো না। স্বাধীনতার জন্য প্রতিবাদের দানাটা যেন কোথায় হয়েছিল?

১৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৪০

শের শায়রী বলেছেন: আমি লজ্জিত আমি এক সময়ে সেই নব্বইর একদম প্রথম দিকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। এখনো দেখা হলে স্যারদের পায়ে হাত দিয়ে সন্মান করা রেওয়াজের মাঝে আমাদের শিক্ষা। আর এখন..... ছাত্ররা যতটা না কলঙ্কিত তার থেকে অনেক বেশী এই সব শিক্ষক নামধারী কুলাঙ্গার রা।

আমি লজ্জিত।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা সাধারণেরা লজ্জা, ঘৃণায় রি রি করলেও আমাদের নীতিনির্ধারকেরা এগুলো নিয়ে থোড়াই কেয়ার করেন। ফলে সমস্যাগুলো সমাধান হওয়ার পরিবর্তে ক্রমপুঞ্জিভূতভাবে বেড়েই চলেছে। এগুলো একটি বিকাশমান জাতির জন্য কোনভাবেই ভালো লক্ষণ নয়। উন্নয়ন টেকসই না হলে সেটির প্রকৃত সুফল জাতি কখনই পাবে না।

এগুলো নিয়ে সরকারের আরো অধিক কাজ করা দরকার।

আপনার লেখা অফলাইনে দেখলাম। অসাধারণ লিখেন আপনি। আসব আপনার পোস্টে। আমার মতো নাদান পারিন্দার লেখা আপনার মতো গুণীজন পড়ে মন্তব্য করেছেন জেনে আপ্লুত হলুম। :D

ভালো থাকুন ব্লগার শের শায়রী।

১৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:০১

সুপারডুপার বলেছেন: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমি-তো দেখি এটা খুবই স্বাভাবিক। গবেষণার সহতত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক তো বলেছেন ," কনিষ্ঠ সহকর্মী হওয়ায় মানবিক বিবেচনা বা সহানুভূতির জায়গা থেকে আমি তাতে স্বাক্ষর করি"।

মানবিক বিবেচনায় চেক না করে ভুল গবেষনাপত্রে স্বাক্ষর করা বিষয়টা এইরকম যে , চেক না করে মানবিক বিবেচনা বা সহানুভূতির জায়গা থেকে একটা নতুন ভেজাল ঔষুধ বাজারে আসার জন্য অনুমোদন দেওয়া, যা গ্রহণ করলে রোগের প্রকোপ আরও বাড়বে। ফলে হাজার হাজার মানুষ ব্যাধি ও মৃত্যুঝুঁকিতে ভুগবে ।

সামু ব্লগের অনেক বড় মানের খান্দানি মানুষ- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর-বি সি এস ক্যাডার কাজী সায়েমুজ্জামানও আবেগ দিয়ে অংক মিলান। তাই, আবেগ দিয়ে ভুল গবেষণা হবে, মানবিক বিবেচনায় তা স্বাক্ষর করা হবে। টেক ইট ইজি

বি সি এস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) ও এই রকম অনেক আগেই নিচে নেমে এসেছে। আর এই জন্য দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশে মাস্টার্স পি এইচ ডি , বি সি এস / ফি সি এস টার্গেট বাদ দিয়ে উন্নত দেশের ভালো ভার্সিটি থেকে মাস্টার্স, পি এইচ ডি করে ঐ দেশেই কর্ম করেন ও থেকে যান । ( যেমনঃ বুয়েটের ৫০-৬০% ছাত্রদের টার্গেটই দেশের বাহিরে ভালো ভার্সিটি থেকে মাস্টার্স, পি এইচ ডি করে ঐ দেশেই কর্ম করা , তারা এইসব ফালতু বি সি এস/ফি সি এস, দেশের পি এইচ ডি টার্গেট করে না )

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: সবকিছুই 'টেক ইট ইজি' ভাবে বিবেচনা করলে তো অসুরের রাজ্যে সুরের বীণা ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তাই অনেক জিনিসকেই আমাদের 'টেক ইট সিরিয়াসলি' ভাবে দেখতেই হবে, জাতির ভবিষতের জন্য, সুরকে টেকসই করতে।

বি সি এস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) ও এই রকম অনেক আগেই নিচে নেমে এসেছে।-- এটা ঠিক ক্যাডারদের কোয়ালিটি নিয়ে শুরু থেকেই সমস্যা রয়েছে, বরং কোয়ান্টিটি নিয়েই উৎসাহ বেশি। এজন্য নিয়োগ সিস্টেমটাই বিশেষ করে দায়ী। এই পদ্ধতিতে প্রবলেম সলভার প্রশাসক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গুটিকয়েক বাদে বেশিরভাগই অথর্ব।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ব্লগার সুপারডুপার।



২০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন্তব্য গুলো পড়তে এবং আপনি কি উত্তর দেন তা জানতে আবার এলাম।
মন্তব্য এবং উত্তর ভালো লাগলো।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ নুর সাহেব।

২১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৮

নীল আকাশ বলেছেন: এতদিন কোথায় ছিলেন আর ধুমকেতুর মতো মাঝে মাঝে উদয় হন কেন?

ঢাকা ভার্সিটির এই করুন অবস্থা কী হঠাত হলো নাকি? সবাই কেন যেন আকাশ থেকে পরছে?
যেখানে ভর্তি পরীক্ষার নকল করে কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনায় ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়, সেখানে আপনি কী আশা করেন?
এইসব ছাত্র ছাত্রী তো নৈতিকতাই নেই? এরা অবৈধ পথে ভর্তি হয়, হলে সিট নেয়, রেজাল্টে ২ নাম্বারি করে, নকল থীসিস জন্মা দেয় এবং অবশেষে এত কষ্ট করে ভার্সিটকে এত কিছু দেয়ার জন্য অসামান্য পুরষ্কার স্বরূপ শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায়। আবার সাইকেল ঘুরতে থাকে এবং চলতে থাকে। উপরের একজনের মতো আমিও জানতে চাই-
"রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক হতে পারলে রাজনৈতিক বিবেচনায় অরিজিনাল থিসিস ছাড়াই কেন পিএইচডি ডিগ্রী দেয়া যাবে না জাতির কাছে সেই প্রশ্ন রেখে গেলাম?"

আজকেই পত্রিকাতে এসেছেঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে চার শিক্ষার্থীর ওপর রাতভর নির্যাতন চালিয়েছেন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মারধরের একপর্যায়ে ভোররাতে আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে
তুলে দেয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে হলটির অভ্যন্তরে এক আবাসিক শিক্ষকের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর ওই শিক্ষার্থীদের হল প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। শিবির করার অভিযোগে তাদের আটক করে পুলিশে দেয়া হয় বলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বলা হলেও ওই শিক্ষার্থীদের শিবির সংশ্লিষ্টতার কোন প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। সুত রাং আরেকজন যা বলেছেন সেটাও ঠিক-
”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র সবাই এখন .....নিয়ে ব্যস্ত, তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়'কে বিশ্ববিদ্যালয় না বলে ..... প্রশিক্ষণ ...বলা উচিৎ”।
বুয়েট আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এখানে পার্থক্য খুজে পাবেন। এই নিউজ আর কালকেই কেউ জানবে না।
ধন্যবাদ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে আমূল পরিবর্তন আনা দরকার। মুখস্তবিদ্যা বাদ দিয়ে উদ্ভাবনী শিক্ষার দিকে মনোযোগী না হলে জাতির ভবিষ্যত অন্ধকার।

আশা করি সরকার এগুলো নিয়ে ভাববে।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:১৭

রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশে গবেষণা হয় না কি ??? !!!!

এক খানা শৈল্পিক বাঁকা হাসি উপহার দিলাম ৯৮% নকল করা শিক্ষক কে।

এক খানা রাম থাবড়া উপহার দিলাম যারা তার গু গবেষনা পত্র খানা কে যথেষ্ট মনে করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটির মতো একটি স্বনাম ক্ষ্যাত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে।

এক খানা রাম গুতা উপহার দিলাম যারা এই ইসু নিয়ে হে হে হে হি হি হি করছেন বা করবেন , নিজেই যদি নিজের কান কাটি অন্যরা কি করবে এই নছীহত দিয়ে।

রাজনীতি ভিত্তিক নিয়োগ যতদিনে বন্ধ না হবে ততদিন এই ধরনের গু টাইপ শিক্ষকদের কাছে আমরা জ্ঞ্যান লাভ করতে বাধ্য।

আপনার এই পোস্ট দেখে হারু পার্টি না বিরোধী দল উঠে পরে লাগবে কি কি অন্যায় এই সরকার করছে, তাদের উদ্দ্যশ্যে বলি পত্রিকার আর্কাইভ পাবলিক লাইব্রিতে পাওয়া যায়। ওই খানে গিয়ে নিজেদের পেছনের যে গর্ত গুলা আছে তার মাপ নিয়ে এসে একটু গবেষণা করবেন। নাকি এটাও কপি মেরে চালাতে চান।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশে গবেষণা হয় না কি ??? ! -- একেবারেই যে হয় না তা নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে বেশ ভালো কিছু কাজ হয়েছে/হচ্ছে। তার মধ্যে পাটের জীনোম আবিষ্কার অন্যতম। এছাড়া আইসিডিডিআর'বি'তেও ভালো কাজ হয়। নেচার ইনডেক্সে যে কয়টা গবেষণার কথা আসে তা ঐ দুটি জায়গা থেকেই প্রায়। কিন্তু সরকার চাইলে আরো অনেকভাবেই দেশের এই গবেষণার চিত্র পাল্টে ফেলতে পারে। শুধু সদিচ্ছা ও প্রকৃত দেশপ্রেম লাগবে। চেতনার বস্তাপচা দেশপ্রেম নয়।

আর আমি মনে করি যে দলই ক্ষমতাই থাকুক অন্তত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই দুটিকে রাজনীতির বলয় থেকে মুক্ত রাখা দরকার। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে অপরাজনীতির বিষ প্রবেশ করলে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। যা আমরা বাংলাদেশীরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ব্লগার রানার ব্লগ।

২৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩০

আসোয়াদ লোদি বলেছেন: শিক্ষক নিয়োগে ভেজাল, শিক্ষকের ডিগ্রী ভেজাল। ভেজালে ভেজালে ভার্সিটি এখন জঞ্জাল।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: এগুলো নিয়ে ক্ষমতাসীনদের ভাবা দরকার জাতির ভালোভাবে টিকে থাকার জন্য।

ধন্যবাদ ব্লগার আসোয়াদ লোদি।

২৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪২

করুণাধারা বলেছেন: ছবিতে যে শব্দগুলো দিয়েছেন, সেগুলো দেখে মনে হল, এসবের অস্তিত্ব কি কোথাও আছে? কোথাও না থাক, অন্তত মানুষ গড়ার কারিগরদের মাঝে থাকা উচিত ছিল। নেই... ফলে সমাজের এই মাৎস্যনায় অবস্থা! এর থেকে উত্তরণের কোন পথ দেখছেন?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা বলেছেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব আরো বেশি। কিছুদিন আগে আপনি কি পোস্ট দিয়েছিলেন, এক বিশ্ববিদ্যালয়ে যিনি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, তিনিই সেই বিভাগের মাস্টার্সের একমাত্র ছাত্র!! কতকিছু আরও দেখতে হবে!

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: করুণাধারা বলেছেন: ছবিতে যে শব্দগুলো দিয়েছেন, সেগুলো দেখে মনে হল, এসবের অস্তিত্ব কি কোথাও আছে? কোথাও না থাক, অন্তত মানুষ গড়ার কারিগরদের মাঝে থাকা উচিত ছিল। নেই... ফলে সমাজের এই মাৎস্যনায় অবস্থা! এর থেকে উত্তরণের কোন পথ দেখছেন? --- ঠিকই বলেছেন। বাস্তবতা হচ্ছে এর থেকে উত্তরণের পথটা আমরা যেমন জানি উনারাও তেমনি জানেন, কিন্তু নিজেদের বুর্জোয়া স্বার্থের কাছে পিষ্ট করছেন জাতিকে। ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকলে এটা কোনোভাবেই হতে দিতেন না। নিজেকে সাচ্চা দেশপ্রেমিক ঘোষণা করা আর কাজে প্রমাণ করার মাঝে আকাশ-পাতাল ফারাক।

না আপা, আমি সেই পোস্ট দেই নি। তবে সেটি মনে হয় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো এক শিক্ষকের কর্মকাণ্ড। এই টিউমারগুলো এখন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। টিউমারগুলো ক্যান্সারে রূপান্তর হওয়ার আগেই তা অপসারণ না করলে মৃত্যু অনিবার্য।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন ব্লগার করুণাধারা'পা।

২৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০০

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: ভালো পোষ্ট।
লাইক দিলাম।
তাও ঢাবি সম্পর্কে একটা দূর্বলতা কাজ করে। আমি এই এপ্রিলে এইচ এস সি দিবো। আমি ঢাবিতে পদার্থবিজ্ঞান পড়তে চাই।
দোয়া রাখবেন ভাইয়া।
আপনার পোষ্টগুলো বেশ ভালো হয়, এখন কিছু লিখছেন নাকি?

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: এখনো ঢাবিতেই তবুও কিছুটা হলেও গবেষণা-টবেষণা হয়, বাকিগুলো তো...। ঢাবির পদার্থ বিজ্ঞান ভালো। তবে এ যুগে কেউ তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম চয়েস হিসেবে রাখছে সেটা একটু বিরল। তবে আমার পছন্দ হয়েছে এই চিন্তাধারা। অন্তত কেউ একজন তো বিজ্ঞানের মূল নিয়ে ভাবছে। পদার্থ-রসায়নের মূল বিষয়ে পড়ে এখন উন্নত বিশ্বে বেশিই ভালো করা সম্ভব।

আমি একজনকে জানি। কলেজে পড়াকালীন পাশাপাশি রূমে থাকতাম। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। এইচএসসিতে দুর্দান্ত রেজাল্ট করে। তারপক্ষে বাংলাদেশের যে কোনো ইউনি'র যে কোনো বিষয়েই পড়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তার জেদ সে ঢাবিতে পদার্থবিজ্ঞানেই পড়বে। বাড়ি থেকে বুয়েটে পড়ার জন্য ভীষণ চাপ ছিল। বুয়েটে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি পরীক্ষাতে ৩৫তম হয়েও ভর্তি না হয়ে ঢাবিতে পদার্থ বিজ্ঞানেই পড়েছিল। এখন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিসার্চ সেন্টারে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে। তাই প্যাশন নিয়ে পড়াশুনা করলে সেখানে অনেক ভালো করা সম্ভব। বেস্ট অব লাক।

পোস্ট ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল। লিখছি, তবে তা ব্লগের জন্য নয়।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ব্লগার_প্রান্ত।


২৬| ১৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখার সূচনাটা দারুণ হয়েছে! আর পোস্ট যেমনই হোক, পোস্টে পাঠকের মন্তব্যের উত্তরে দেয়া প্রতিমন্তব্যগুলো ততোধিক চমৎকার হয়েছে।
৬৯, ৭১ এর বীর্যবান বাঙালি জাতি মাত্র অর্ধ শতাব্দীর কালক্রমে কেন এমন নিবীর্য হয়ে গেল, কোন ধারণা করতে পারেন কি? কোন বাঁশিওয়ালার বাঁশি শুনে জাতি আজ এমন ঘুমে ঘুমিয়ে পড়লো? শিক্ষিত লোকদের মেরুদন্ডে কে এমন ভাইরাস ঢুকিয়ে দিল, যার ফলে তারা দিনে দিনে নতজানু হয়ে যাচ্ছে, নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য ভুলে?
যাক, এ নিয়ে আপনার মত মেধাবীরা দেশে থেকে ভাবছেন, কিছু লিখছেন, এতেই আমি সন্তুষ্ট।
পোস্টে প্লাস +।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: ৬৯, ৭১ এর বীর্যবান বাঙালি জাতি মাত্র অর্ধ শতাব্দীর কালক্রমে কেন এমন নিবীর্য হয়ে গেল, কোন ধারণা করতে পারেন কি? কোন বাঁশিওয়ালার বাঁশি শুনে জাতি আজ এমন ঘুমে ঘুমিয়ে পড়লো? শিক্ষিত লোকদের মেরুদন্ডে কে এমন ভাইরাস ঢুকিয়ে দিল, যার ফলে তারা দিনে দিনে নতজানু হয়ে যাচ্ছে, নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য ভুলে? -- নিষ্ঠুর কিছু সত্য কথা বলেছেন। যে বিষ ঢুকানো হয়েছে করোনা ভাইরাস আর বেশি কিছুদিন দেশে বিরাজ করলে এর ফলাফল আমরা দেখব।

যে জাতি গবেষণা-শিক্ষা-স্বাস্থ্যকে অবহেলার চোখে দেখে, লুটপাটের জন্য বড় বড় নন-সাসটেইনেবল উন্নয়নের জন্য মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোকে অবহেলা করে, কৃষককে গণনায় ধরে না যারা দেশের খুঁটি হিসেবে বিবেচিত, সে জাতির জন্য একদিন অমানিশা দেখা দিবে তা যতই নিষ্ঠুর হোক একদিন গলাধ:করণ করতেই হবে আমাদেরকে।

*দেরীতে প্রতিউত্তরের জন্য দু:খিত।

ভালো থাকুন নিরন্তর প্রিয় ব্লগার।

২৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৭

সোনালী ঈগল২৭৪ বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন ভাইয়া , বাংলাদেশের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধমিক শিক্ষাব্যাবস্থা ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গেছে , এখন সর্বনাশের বাকি আছে শুধু উচ্চশক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কতৃক এই নকলের প্রবণতা নতুন নয় , হয়তো উনার ঘটনা প্রকাশ হয়ে গেছে , কিন্তু আপনি যদি ভালোভাবে খেয়াল করেন তাহলে জট পিএইচডি গবেষণা হয়েছে তার শতকরা ৭০ ভাগ এই গোজামিল আর নকল করা , অনেক হোমরাচোমরা ব্যাক্তির থিসিস এই ধরণের , বেশি সমস্যা কলা আর ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের পিএইচডি থিসিস গুলোতে , আর এম এস সি পর্যায়ের থিসিস বাদ দিয়ে দিলাম , এম এস সি লেভেলের থিসিস নকল করাকে শিক্ষার্থীরা কোনো অপরাধ মনে করে না !!!

এই যদি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা , তাহলে চিন্তা করা যায় বাংলাদেশের আর সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কি পরিস্থিতি চলছে !!! প্রাথমিক পর্যায়ে থেকে শুরু করে একদম সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত এই নীতি নৈতিকতাবিহীন শিক্ষা ব্যবস্থা একটি অনৈতিক, অথর্ব আর মাথাভারী প্রজন্ম ছাড়া আর কিছুই দিতে পারে না , শিক্ষা যদি জাতির মেরুদন্ড হয় তাহলে সেটা আঘাত প্রাপ্ত হতে হতে ধীরে ধীরে অনিরাময়যোগ্য পঙ্গুত্বের দিকে চলে যাচ্ছে







২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: যত পিএইচডি গবেষণা হয়েছে তার শতকরা ৭০ ভাগ এই গোজামিল আর নকল করা , অনেক হোমরাচোমরা ব্যাক্তির থিসিস এই ধরণের , বেশি সমস্যা কলা আর ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের পিএইচডি থিসিস গুলোতে , আর এম এস সি পর্যায়ের থিসিস বাদ দিয়ে দিলাম , এম এস সি লেভেলের থিসিস নকল করাকে শিক্ষার্থীরা কোনো অপরাধ মনে করে না !!! --- ঠিক। এগুলো সকলই জানার পরেও এর থেকে পরিত্রাণের জন্য কোনো প্রকার চিন্তাভাবনা নেই কারো, সেটাই সবচাইতে দু:খজনক।

অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যে শিক্ষাখাতের এই দুষ্টুক্ষতটি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য, ভাবার জন্য। এগুলো নিয়ে ভাবার লোকও কমে গেছে। সবাই আছে হালুয়া রুটির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে। চোখের সামনে এগুলো দেখে ত্যক্তবিরক্ত।

ভালো থাকুন। করোনামুক্ত থাকুন।

২৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩১

রাফা বলেছেন: এটা'তো ধারাবাহিকভাবে চলছে ব্রাদার। মাছের পচন শুরু হয় মাথা থেকে।আমাদেরও ঠিক তাই।শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড আর আমাদের শিক্ষা হলো জাতি ধ্বংসের হাতিয়ার। প্রাইমারি থেকে পি,এইচ,ডি।

ধন্যবাদ,আখেনাটেন।

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: রাফা বলেছেন: এটা'তো ধারাবাহিকভাবে চলছে ব্রাদার। -- হুম; কিন্তু এগুলো সকলই জানার পরেও এর থেকে পরিত্রাণের জন্য কোনো প্রকার চিন্তাভাবনা নেই কারো, সেটাই সবচাইতে দু:খজনক ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। এবং এগুলো দিনে দিনে বাড়ছে....

ভালো থাকুন। সাবধানে থাকুন।

২৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

পলাতক মুর্গ বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয়ের পঁচন সামগ্রিক ভাবে জাতি হিসাবে আমাদের পঁচনকে ইনডিকেট করে। এই সমস্যার সমাধান আপনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করতে পারবেন না। বড় ধরণের বিপ্লব ছাড়া এই সংক্রামন দূর করা সম্ভব না।

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয়ের পঁচন সামগ্রিক ভাবে জাতি হিসাবে আমাদের পঁচনকে ইনডিকেট করে। -- হুম; কোনো দেশ কতটা মানবিক, কতটা আধুনিক, কতটা সহনশীল, কতটা জনগণ বান্ধব তা তাদের শিক্ষাব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমেই জানা সম্ভব।

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদে করোনাভাইরাস ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায় না। হতাশাজনক

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২০

জুন বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স সহ মাস্টার্স করেছি এ আমার অহংকার আখেনাতেন। পচে যাওয়া কিছু রাজনীতিবিদদের জন্য আমার বিশ্ববিদ্যালয়কে ছুড়ে ফেলতে পারবো না। মাস কয়েক আগে এলুমুনাই এর রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আমাদের ডিপার্টমেন্টে গিয়েছিলাম। ছেলেপুলেদের পোশাকআশাকে আমি স্তম্ভিত। আমরাও সবাই কেউ লাট সাহেবদের সন্তান ছিলাম না কিন্ত কাপড় ধুয়ে ইস্ত্রি করে পরে যেতাম, তিন চারটি কাপড়েই হয়তো বছর পার করেছি কিন্ত এলোমেলো নোংরা কখনই না, কেউই না ।
আমি করিডোরের রেলিং এ হাত বুলিয়ে সেই দিনের কথা ভেবেছি যখন দুই ক্লাশের ফাকে সেই রেলিং এ ঠেস দিয়ে গল্প করার কথা। পাশ দিয়ে হেটে গেছেন শ্রদ্ধেয় সব শিক্ষক যাদের আমি টিভিতে মাঝে মাঝে দেখি । তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে হেসে গেছেন আমাদের সালামের উত্তরে। এখন এসব কি শুনি কি দেখি। অত্যন্ত মর্মাহত। ব্লগার চাদগাজীর মন্তব্যে দুঃখ পেলাম। কিছু আগাছার জন্য আমাদের মহান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বদনাম ঠিক না।

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: উদ্ভাবনী ও জ্ঞানমূলক শিক্ষার অভাব জাতি টের পাবে ধীরে ধীরে। বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথা দ্বারা জাতির টেকসই উন্নয়ন যে সম্ভব নয় সেটা এই করোনা জানায়ে দিচ্ছে নানারকম অরাজকতায়। সামনের দিনগুলোতে অপরাজনীতিবিদ এবং অসৎ ও মাথামোটা আমলাদের অদূরদর্শীতা ও চাটুকারীতার জন্য আমাদের হয়ত আরো মারাত্মক কিছু দেখতে হতে পারে।
আর চাঁদগাজী এক্সট্রিম লেভেলের চিন্তাভাবনা করে ফেলেছেন। পচে গেলেও পুরোটাই যে পচে নি তা স্বীকার করতেই হবে।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জুনাপা। ভালো থাকুন। সাবধানে থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.