নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেয়াক্কলের হানিমুন ও কীট-পতঙ্গের হাসপাতাল গমন!!!

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:১৯


নজিরবিহীন করোনাকাল। নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্তের আকাল। আর দেখলাম, দেখছি, দেখব অদূরদর্শিতা, অস্বচ্ছতা, অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা, অসততা, অনিয়ম, সমন্বয়হীনতা, বাগাড়ম্বরতা, চাটুকারীতার যজ্ঞ ও ঐসব যজ্ঞ পালনকারী বেয়াক্কল। নন-সাসটেইনেবল উন্নয়নের এসব দুষ্টুক্ষত দেখে-টেখে, বুঝে-টুঝে বিববিষার উদ্রেগ ঘটলেও উটপাখির মতো কল্লার পুরোটায় বালুর মধ্যে গুঁজে দিয়েই আরামবোধ করছি। কী শখ বিপি বাড়িয়ে?

তার চেয়ে করোনাকালের একঘেয়েমীতে চিমসে মুখটাকে ভেটকি মাছের মতো করার জন্য একটি বেয়াক্কলীয় কৌতুক হয়ে যাক--

দেশে যেহেতু বেয়াক্কলের ছড়াছড়ি, এরকমই এক আক্কেলহীন প্রেমিকজুটি করোনার মাঝেও বিশাল লোকসমাগম করে শাদী মোবারকের পর হানিমুনে গেছে করোনার আতুঁরঘর স্পেনে। সেখানে হোটেলে উঠেই রূপবতী স্ত্রী পাগলপান ইয়েরে জিগায়--
-জানু, ...শুনেছিলাম হোটেলের রূমে নাকি গোপন ক্যামেরা থাকে?
বেয়াক্কল মিঞা আতঁকে উঠে সোৎসাহে, 'তাই তো'। বলেই রূমের সবখানেই চিরুনি অভিযান শুরু করে গোপন সেই ২০ নাইট্রো টলুইনের মারণাস্ত্রকে খুঁজে পেতে। কিন্তু না, পেল না। শেষে হাঁফ ছেড়ে যখন রূপবতীরে নিয়ে...তখনই চোখ পড়ল ঘরের মাঝখানে মেঝেতে ডিম্বাকার একটি আলাদা কার্পেট। তৎক্ষণিকভাবে স্বর্গ থেকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অবতরণ করে কার্পেট উঠে দেখে স্ক্রুর মতো কিছু একটা জিনিস। তো সাথে সাথে সিদ্ধান্তে উপনীত হল নিশ্চয় এটা গোপন কিছু যা...। সেই ভেবে অনেক কষ্টে সেটাকে খুলে রেখে গাধা মর্ত থেকে স্বর্গারোহণ করল।

পরেরদিন হোটেলের একজন অফিসার এল তাদের খোঁজ নেওয়ার জন্য।
-সিনোরিতা, কেমন কাটছে হোটেলে আপনাদের...।
-অতি মিষ্টি ও মোলায়েম।
-কোনো প্রকার ঝামেলা হয় নি তো?
-না না। অসাধারণ সময় কেটেছে সারারাত...। মেডিটেরিয়ান হাওয়ায়...ওয়াও...। আচ্ছা, কেন বলুন তো?
-না মানে, আপনাদের ঠিক নিচের রুমটা একটি হলরুম, গতকাল রাতে মিটিং চলাকালে আচম্বিতে ঝাড়বাতি খুলে পড়ে বেশ কিছু লোক এখন হাসপাতালে…!!!

***

এভাবেই এখন দেশে এসি রূমে বসে হানিমুনরত বেয়াক্কলেরা (নাকি চতুর!) করোনাকালের নব নব স্ক্রু খুলে অন্যের মাথায় ঝাড়বাতি-করোনাজাতি-লোহার পাতি-মরা হাতি ফেলে কতজনরে ও কাকে কাকে যে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে তা খোদা মালুম!!!

**************************************************************************
আখেনাটেন/মে-২০২০

মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:২৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা প্রশ্ন

দেশে যদি কয়েক কোটি লোক কোরোনা ও তার পরবর্তী এফেক্টে মারা যায়.... তাতে দেশের কি কোনো ক্ষতি হবে?

যদিও আপনার কাছে এটা নিষ্ঠুর মনে হবে, বাটি বি কোয়ান্টেটিভ

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: দেশে যদি কয়েক কোটি লোক কোরোনা ও তার পরবর্তী এফেক্টে মারা যায়.... তাতে দেশের কি কোনো ক্ষতি হবে? -- সত্যি বলতে কী, অমানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে (যা আপনি নিষ্ঠুরতা লিখেছেন) ক্ষতি হবে না বরং উপকারই হবে। এত এত জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত একটি দেশের নন-প্রডাকটিভ বৃদ্ধরা পটল তুললে দেশের জন্য তো পোয়া বারো। সেটা শুধু বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই প্রযোজ্য। বরং পশ্চিমাদের জন্য আরো বেশি। কারণ পিরামিডের উপরের দিকে স্ফিত এই গোষ্ঠীর জন্য তাদের বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় করতে হয় যার কোনো আউটপুট নেই। এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের সীমা-পরিসীমা নেই। সেই দিক থেকে দেখলে বিশ্বের সব দেশেই এই করোনাভাইরাস আশির্বাদ হয়ে এসেছে বিশেষ করে ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের জন্য যমদূত হয়ে এসে। কিন্তু...।

মানবিকতার কথা বিবেচনা করলে, সামাজিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করলে উপরের ঐ ভাবনা একটি নিষ্ঠুর ও হিংস্র ভাবনা যা
মানুষ হিসেবে না ভাবাই বেটার। তাই এ থেকে কীভাবে কম-সংখ্যক ক্ষতির মাধ্যমে পরিত্রাণ পাওয়া যায় প্রতিটা দেশের তাই করা উচিত দক্ষতার সাথে...।

২| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৪৩

আমি সাজিদ বলেছেন: আমাদের দেশে করোনায় ছয় বছরের শিশুও মারা গেছে, বিশ বছরের যুবকও। কাজেই বাংলাদেশী স্ট্রেইনের করোনা যে শুধু বয়স্কদের জন্য ভয়ের তা কিন্তু নয়। এমনেই দূষন আর ভেজালে আমাদের ইম্যুনিটির যা অবস্থা !

পৃথিবীতে পথ দেখায় অভিজ্ঞরা। তাদের অতিক্রান্ত পথের উপর ভর করেই বেড়ে উঠি আমরা। কাজেই প্রোডাক্টিভ নাকি নন- প্রোডাক্টিভ এমন বিশেষন দেওয়াও পাপ। কেমন হবে ২০৫০ সালের পৃথিবীতে আবার একটা মহামারি হলে, এবং আপনাকে বয়স্ক বিবেচনায় চিকিৎসা না দিলে ?

উদাসী স্বপ্নের কমেন্ট আর লেখকের প্রতিউত্তরের প্রথম অংশটুকু পরে কষ্ট পেলাম।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি প্রতিউত্তরের মূল-ভাবটুকু ধরতে পারেন নি সে জন্য আমি দুঃখিত।

মূল কনটেক্সট থেকে বাইরে গিয়ে চিন্তা করছেন বলে কষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আপনার আমার ভাবনায় কিছু যায় আসে না। ওখানে শুধু ফ্যাক্টটুকু বলে দেওয়া হয়েছে। আবার মন্তব্যে বলেই দেওয়া হয়েছে এ ধরণের কাজ হবে চরম নিষ্ঠুরতা।

৩| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: এই করোনাতে কেউ না খেয়ে আছে টিভিতে এরকম নিউজ একটাও চোখে পড়েনি। বরং দেখায় বাজারে অনেক লোক তারা পাগলের মতো কেনা কাটা করছে।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: এই করোনাতে কেউ না খেয়ে আছে টিভিতে এরকম নিউজ একটাও চোখে পড়েনি। --- আপনি সুখি মানুষ। আপনার চোখে না পড়ায় স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের চোখেই তা পড়েছে। কয়দিন আগে খাবারের জন্য এক মা তার বাচ্চাকে বিক্রির চেষ্টা করছিল। আরো বেশি করে টিভি দেখতে হবে, খবর পড়তে হবে। খালি বাজারের ইলিশ মাছ কেনা দেখলে হবে না।

৪| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন এই প্রশ্নটা যদি সরকার করে তাহলে বলেন তো আখেরে কার লাভ??

ইতালী স্পেন আমেরিকার ওল্ডহোম ফাঁকা। সরকারের পেনশন নিয়ে আগামী কয়েকবছরে ভাবতে হবে না। তার ওপর জনসংখ্যা কমলো, পরিবেশ ভালো হলো। ওজনের ফুটে পুরোপুরি সেরে গেছে।

আর বাংলাদেশে এসব বিশৃংখলা আছে বলেই চীন ভারত সহ নানা পরাশক্তি থেকে শুরু করে স্থানীয় শক্তি জঙ্গি মাফিয়া সবাই বেঁচে বর্তে থাকতে পারে।

এদিকে হার্ড কম্যুনিটি হচ্ছে।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন এই প্রশ্নটা যদি সরকার করে তাহলে বলেন তো আখেরে কার লাভ?? -- সরকার এ ধরনের ভাবনা ভাবতে পারে না। আর পারে না বলেই পশ্চিমা দেশগুলোও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে ডেথ টোল কমানোর জন্য স্বাস্থ্যসেবার চুড়ান্ত ব্যবহারের মাধ্যমে।

বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। তবে এখনে আমরা নিজেদের ব্যর্থতাকে, অদক্ষতাকে জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে হানিমুনকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছি। এতে দেশের বা জাতির ক্ষতি ছাড়া লাভের সম্ভাবনা যথেষ্ট কমই হবে। কারণ অব্যবস্থাপনার দরুন সব শ্রেণির মানুষকেই এই ভাইরাস নিয়ে সমভাবে ভুগতে হবে।

তবে চিকিৎসা ব্যবস্থার উত্তরোত্তর উন্নতির মাধ্যমে (যদি ড্রাগ, ভ্যাকসিন আসতে দেরি হয়), দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে হার্ড ইমিউনিটি বাড়ালে সমস্যা হওয়ার কথা না (অনেক ভাষ্যমতে বিশ্বের ৬০-৭০ শতাংশ মানুষ এই ভাইরাসে একসময় আক্রান্ত হবে সেটি বিবেচনায় নিয়ে)।

৫| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আর আপনে যে ভাবনার কথা বললেন সেটা হলো কোয়ালিটেটিভ। আপনারে কোয়ান্টেটিভটাই জিগাইছি।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক সরকারের লোকজনই হয়ত নিরাপদ স্থানে থেকে গোপনে গোপনে কোয়ান্টিটেটিভ ভাবনা ভেবে থাকতে পারে। যা অন্যয্য।

৬| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বলেছেন, " বরং পশ্চিমাদের জন্য আরো বেশি। কারণ পিরামিডের উপরের দিকে স্ফিত এই গোষ্ঠীর জন্য তাদের বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় করতে হয় যার কোনো আউটপুট নেই। এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের সীমা-পরিসীমা নেই। সেই দিক থেকে দেখলে বিশ্বের সব দেশেই এই করোনাভাইরাস আশির্বাদ হয়ে এসেছে বিশেষ করে ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের জন্য যমদূত হয়ে এসে। কিন্তু...। "

-আমেরিকার লোক সংখ্যা ৩৩ কোটী, প্রান হারিয়েছেন ৭০ হাজারের কাছাকাছি; হয়তো, আরো ৭০ হাজারের প্রান যাবে। ৩ কোটী বেকার ভাতা পাচ্ছে; ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের 'রেসকিউ প্যাকেজ'; এরপর আসবে মৃতদের 'লাইফ ইনষয়ুরেন্চের' টাকা; আপনার ভাষায় "আশীর্বাদটা" কোথায়? ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে ৫ কোটী বয়স্ককে ৫০ বছর খাওয়ানো যেতো!

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: আমি শুধু তাদের ভাবনাটুকু শেয়ার করলাম। এ নিয়ে পশ্চিমা নিউজে, জার্নালে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে কীভাবে বয়স্ক লোকেরা স্যোসাল সেফটি নেটের আওতায় সরকারের উন্নয়ন বাজেটে চাপ ফেলছে। জন্মহার কম, পিরামিডের স্ফিতির কুফল নিয়ে হাজার হাজার পাতা তারা ভরে ফেলেছিল। এবং ভবিষ্যতে এই উর্ধবমুখি গোষ্ঠিদের তারা কীভাবে মোকাবেলা করবে এ নিয়ে হতাশার অন্ত ছিল না। সেটি বিবেচনায় নিয়ে ঐটি লেখা। সেই দিক থেকে বলতে গেলে তাদের জন্য এখন করোনা অভিশাপ হলেও আখেরে তো আশির্বাদই।

তাই বলে এই নিষ্ঠুরতায় কোনো সরকার সায় দিবে তা কখনই ঘটবে না।

৭| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৪

আমি সাজিদ বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন ভাই, এই প্রশ্নটাতে সরকারের লাভ। তবে ভাই বাংলাদেশে বিশৃংখলার জন্য তো আর বয়স্করা দায়ী নন তাই না? রাষ্ট্রব্যবস্থা দায়ী।

হার্ড ইম্যুনিটি হলে তো ভালোই। হচ্ছেও। কিন্তু যে মানুষটা ইম্যুনুকম্প্রোমাইজড সে মানুষটা কোভিডে আক্রান্ত হলে রিস্ক আমি তা বলতে চেয়েছি।আমাদের অনেক মানুষ ইম্যুনুকম্প্রোমাইজড। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন আজকাল ঢাকায় থাকা একটা ইয়াং ছেলেও সিজনাল শ্বাসকষ্টে পালমনোলজিস্টের কাছে ছুটে। কেন ? ধুলা-বালির জন্য। দূষনের জন্য।

৮| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলেছেন, " বরং পশ্চিমাদের জন্য আরো বেশি। কারণ পিরামিডের উপরের দিকে স্ফিত এই গোষ্ঠীর জন্য তাদের বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় করতে হয় যার কোনো আউটপুট নেই। এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের সীমা-পরিসীমা নেই। সেই দিক থেকে দেখলে বিশ্বের সব দেশেই এই করোনাভাইরাস আশির্বাদ হয়ে এসেছে বিশেষ করে ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের জন্য যমদূত হয়ে এসে। কিন্তু...। "

-পশ্চিমের সিনিয়রেরা তাদের ভাতা কিসের থেকে পায়? তাঁদের বেতনের ইনভেষ্টমেন্ট থেকে, নাকি বাজেট থাকে?

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: বেতনের ইনভেস্টমেন্টটা কোথা থেকে আসে। আর কতজন তাদের সেই ইনভেস্ট থেকে তাদের অবসর পরবর্তী জীবন-যাপন পুরোদমে পরিচালনা করার সামর্থ রাখে। পশ্চিমা প্রতিটা দেশই বাজেটের বড় একটি অংশ স্যোসাল ওয়েলফেয়ারের মাধ্যমে ঐ খাতে ব্যয় হয়। উদাহরণসরূপ, সুইজারল্যান্ডের কথা বলা যায়, আশির দশকে যেখানে বাজেটের মাত্র ৭ থেকে ১০ শতাংশ স্যোসাল ওয়েলফেয়ার খাতে ব্যয় হত, এখন তা বেড়ে বাজেটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ হয়ে গেছে। এগুলো নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে, হচ্ছে।

বয়োজষ্ঠোদের মেরে ফেলে দেশের উন্নতির মতো নিষ্ঠুর চিন্তা কোনো সরকারই কথা না। অবশ্য ট্রাম্পের মতো জাত-ব্যবসায়ী হলে ভিন্ন কথা। যাহোক, আমার এই লেখা ঐ সব বিষয়ে নয়। মূল লেখায় থাকবেন আশা করি।

৯| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দুর্জনেরা চাইলে সব কিছুতেই ছিদ্র অন্বেষণ করতে পারে। এমনকি মহামারীতে লক্ষ লক্ষ আদম সন্তানের তিরোধানের মধ্যেও তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে দ্বিধাবোধ করে না। এই হিপোক্র্যাটরাই আবার তাদের বর্ষীয়ান মাতা-পিতা বা আপনজনদের মৃত্যুতে সমাজের, সরকারের অব্যবস্থাপনার সবচেয়ে বড় সমালোচক বনে যায় রাতারাতি।

আপনার রম্য অংশটুকুতেও উঠে এসেছে কিছু মানুষের বে-আক্কেলপনার একটা চিত্র। এরা কি শুধুই বে-আক্কেল? নাকি নিজের সুবিধার জন্য অন্যকিছু চিন্তা না করা স্বার্থপর, সেটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় বটে!

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: এরা কি শুধুই বে-আক্কেল? নাকি নিজের সুবিধার জন্য অন্যকিছু চিন্তা না করা স্বার্থপর --- নিষ্ঠুর স্বার্থপর। নিজে নিরাপদ দুরূত্বে থেকে মাথার বিনিময়ে সমাজে অরাজকতার মাধ্যমে হার্ড ইমিউনিটির ধান্ধা করছে হয়ত।

অথচ পরিকল্পিত উপায়ে, সমন্বয়ের মাধ্যমে, সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের দ্বারা মৃত্যুহার কমিয়েও তা ধীরে ধীরে করা যেতে পারে শৃঙ্খলার মাধ্যমে, যদি ড্রাগ ও ভ্যাকসিনের আসতে দেরি হয় ।

১০| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:১৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি সাজিদ

আসলে আমার পয়েন্ট এটা ছিলো না। তারপরও আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলি বাংলাদেশে এই সমস্যা প্রধান কারন কি তা নিয়ে খুব সম্ভবত আইসিডিআরবি আর ব্রাক মিলে একটা গবেষনা করে যেখানে দেখা যায় যে যেসব জীবানু বাতাসে নাচে তাদের এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স অনেক হাই। পরে ঢাকা ইউনির মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টম্যান্টের কিছু ছাত্রও সেটা নিয়ে পরীক্ষা করে। এটা হবার প্রধান কারন হলো এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যাবহার। এটাও ঠিক যে খাদ্যে প্রচুর পরিমান ভ্যাজাল আছে কিন্তু সেটা আগেও ছিলো। এখন ল্যাব মিডিয়া জনসচেতনতা বাড়ায় এগুলো নিয়ে কথা হয়।

মনে পড়ে ফরিদপুরে যখন আমার শৈশব কেটেছিলো তখন পানি ফুটালে সেই পাতিলে আয়রনের গাদ (আসলে এটা আয়রন না, খনিজ লবন টাইপ যার মধ্যে সালফারও আছে) পড়ে যেতো। মাথায় একটা স্তর নিয়ে বড় হয়েছি। ২০০৮ সালে পেশাগত কারনে ফরিদপুর শরিয়তপুর গেলে সেখানকার পানি আমি নোনতা পাই। আমার মা সেই ৯০ এর দশকে ফুটিয়ে পান করাইতো। কিন্তু ২০০৮ সালে ফুটানোর জন্য যে গ্যাস সেটার ভয়ে সরাসরি পান করতো। যে স্বাদ আমি খুলনা বিআইটিতে পেয়েছিলাম ১৯৯৮ সালে।

তার মানে ভ্যাজাল আগেও ছিলো এখনো আছে।

কিন্তু ইম্যুনাইজেশনের ক্ষতিটা হয়েছে এন্টিবায়োটিকের সেল্ফ মেডিকেশন

১১| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:১৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি সাজিদ

আমার পয়েন্ট ছিলো মহামারীর আক্রমণে কিছু মানুষ মারা যাবে এটা সব সরকার তার ধর্তব্যের মধ্যেই রেখেছে। আজকে প্রথম আলোতে মনে হয় পড়েছিলাম জান বড় না অর্থনীতি। এখন অর্থনীতি সামাল দেবার জন্য খোদ ট্রাম্পও কোনো ঝুঁকি মানছে না। সুইডেনের মতো দেশ যেখানে এখন সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের কাছাকাছি তারা নির্দয়ভাবে এটা করছে।

সেখানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আপনি কি আশা করতে পারেন? আমি সেটাই বোঝাতে চেস্টা করেছি। যদিও আমি এখন তীব্র বিরোধী

১২| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমার ধারণা যত লোক করোনায় মারা যাবে
তার চার গুন বেশী মারা যাবে না খেতে পেরে।
সময় আছে এখনো সাবধান হবার।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমার ধারণা যত লোক করোনায় মারা যাবে
তার চার গুন বেশী মারা যাবে না খেতে পেরে।
সময় আছে এখনো সাবধান হবার।
-- সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে। কৃষকেরা ১ টাকা দরে সবজি বিক্রি করছে, দুধ কেনার কেউ নেই, এগুলো থেকে পরিত্রাণে সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারকে কি ভাবতে দেখা যাচ্ছে বা কখনও গেছে।

১৩| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " আমি শুধু তাদের ভাবনাটুকু শেয়ার করলাম। এ নিয়ে পশ্চিমা নিউজে, জার্নালে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে কীভাবে বয়স্ক লোকেরা স্যোসাল সেফটি নেটের আওতায় সরকারের উন্নয়ন বাজেটে চাপ ফেলছে। জন্মহার কম, পিরামিডের স্ফিতির কুফল নিয়ে হাজার হাজার পাতা তারা ভরে ফেলেছিল। এবং ভবিষ্যতে এই উর্ধবমুখি গোষ্ঠিদের তারা কীভাবে মোকাবেলা করবে এ নিয়ে হতাশার অন্ত ছিল না। "

-কে লিখেছে, কি লিখেছে, এবং আসল তথ্য কি, সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। আমেরিকানদের বেতনের ১ম চেক থেকে শুরু করে "সোস্যাল সিকিউরিটির" ট্যাক্স কেটে নেয়া হয়, সেটাকে ইনভেষ্ট করা হয়; সেখান থেকে "সোস্যাল সিকিউরিটি" ফাইন্যান্স করা হয়; আপনি কি শুনছেন, কি বলছেন, আর সিষ্টেম কিভাবে কাজ করে, সেগুলো সঠিক থাকার দরকার আছে।

০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার কি মনে হয় দেশে জগাখিচুড়ির মাধ্যমে কিছু সংখ্যাক মানুষের স্যাক্রিফাইসের দ্বারা হার্ড ইমিউনিটির এই কৌশল ঠিক আছে?

নাকি পরিকল্পিত উপায়ে, কম ক্যাজুয়ালিটির মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা করা উচিত।

১৪| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: চাদগাজী সমস্যা তো আমেরিকা নিয়া না। সমস্যা হলো বাংলাদেশী নিয়া

১৫| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " বেতনের ইনভেস্টমেন্টটা কোথা থেকে আসে। আর কতজন তাদের সেই ইনভেস্ট থেকে তাদের অবসর পরবর্তী জীবন-যাপন পুরোদমে পরিচালনা করার সামর্থ রাখে। পশ্চিমা প্রতিটা দেশই বাজেটের বড় একটি অংশ স্যোসাল ওয়েলফেয়ারের মাধ্যমে ঐ খাতে ব্যয় হয়। "

- সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সিষ্টেম ও "সোস্যাল সিকিউরিটি" সিষ্টেম আলাদা।

০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:১০

আখেনাটেন বলেছেন: হুম; আলাদা। ওখানে সিকিউরিটি কথাটাও জুড়ে দেওয়া উচিত ছিল।

১৬| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


উদাসী স্বপ্ন বলেছেন, " চাদগাজী সমস্যা তো আমেরিকা নিয়া না। সমস্যা হলো বাংলাদেশী নিয়া "

-লেখক নিজের কমেন্টে পশ্চিম সম্পর্কে বেশ ভুল ভাবনা তুলে ধরেছেন।

০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: আমার কথা ছিল পশ্চিমারা বাজেটের বড় একটি অংশ অবসরকালীন বয়স্কদের জন্য ব্যয় করছে (সোস্যাল সিকিউরিটি আওতায়) এবং সেটা উত্তরোত্তর বাড়ছে ফলে সরকারগুলো চাপে আছে এ নিয়ে সেখানে ভুল কোথায়।

আগামী ২০২১ ইউএস'র ৪.৮ ট্রিলিয়ন ডলার বাজেট ব্যয়ের প্রায় ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার স্যোসাল সিকিউরিটি ইনক্লুডিং স্যোসাল ওয়েলফেয়ার, মেডিকেয়ার ইত্যাদি খাতে ব্যয় ধরেছে যা মোট বাজেটের ৬০ শতাংশ। এখন এই টাকা পেরোল ট্যাংক্স কিংবা সুদ থেকে আসুক সেটা নিয়ে কথা হচ্ছে না। বাজেটের ঐ ব্যয়টা বছরে বছরে বৃদ্ধি কি একটি দেশের সরকারের জন্য মাথাব্যথার কারণ নয়। ফলে দেশের ইনফ্রাস্ট্রাকচারের উন্নয়নে ব্যয় করতে পারছে না, অন্যন্য উন্নয়নমূলক খাতে ব্যয় করতে পারছে না। এখানে ভুল কি বলা হয়েছে।

জাপান, ইতালী ইত্যাদি দেশে মাথাপিছু আরো বেশি ব্যয় করতে হয়। এগুলো নিয়ে বিস্তর লেখা হচ্ছে। সেই ফ্যাক্টটুকুই বলা হয়েছে মন্তব্যে। এর মানে এই নয় যে আমি ওল্ডম্যানদের কবরস্থানের পাশে চল্লিশার আয়োজন করব তাদের বিদায় হওয়ার আনন্দে। :((

*এখন একটি প্রশ্ন: অবসরকালীন ঐ অশীতিপরেরা যদি হঠাৎ করে দেশ থেকে হাওয়া হয়ে যায় সেক্ষেত্রে কি পশ্চিমা দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে নাকি উপকৃত হবে? আর ট্রাম্প নিরাপদ দুরুত্বে থেকে এ ধরনের আবাল ভাবনা ভাবলে তাকে বাহবা দিবেন নাকি গালমনদ করবেন?

১৭| ০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:০০

আমি সাজিদ বলেছেন: এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স তো আছেই। সেই সাথে সিজারিয়ান সেকশন, খাদ্যে ভেজাল, দূষণ, ফুড হ্যাবিট সবই আছে কম বেশী দায়ী @ উদাসী স্বপ্ন ভাই।

১৮| ০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:০৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এখন যারা দেশ চালাচ্ছে তাদের জন্য চুরি ডাকাতির সিজন । তারা খুশি মানুষ মরলে তাদের কি। যার যায় সে বুঝে ব্যথা।

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: খুব বেশি হয়ত মানুষ মারা যাবে না, কিন্তু মারা যাওয়ার ধরনটা, অব্যবস্থাপনাটা আমাদের চরম দৈনতাকে দেখিয়ে দিচ্ছে। সরকারের ভিতর থেকেও প্রশাসন থেকে শুরু করে ডাক্তার-টেকনোলজিস্ট অনেকেই প্রাণান্তর চেষ্টা করলেও, সমন্বয়হীনতা-অদূরদর্শিতা ব্যাপারটাকে জটিল থেকে জটিলতর করে তুলছে।

১৯| ০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:১৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এই ভাইরাসটা অনেক স্মার্ট বলেই মনে হচ্ছে - সে সমাজের রোগাক্রান্ত দুর্বল রোগ-প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন ও বার্ধক্যে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে মুছে ফেলতে চাচ্ছে | আপনাদের মন্তব্য প্রতিমন্তব্য পড়ে আমার একটি সম্ভাবনার কথা মনে হলো | ভাইরাসটি মনুষ্যসৃষ্ট নয়তো ? কিছু পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের বোঝা ( ? ) লাঘব করার জন্য ওই ভাইরাসটি সৃষ্টি করা হয় নিতো ?

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:০১

আখেনাটেন বলেছেন: ভাইরাসটি মনুষ্যসৃষ্ট নয়তো ? কিছু পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের বোঝা ( ? ) লাঘব করার জন্য ওই ভাইরাসটি সৃষ্টি করা হয় নিতো ? -- মনে হয় না। ন্যাচারালীই এটি এরকম আচরণ করছে মনে হয়।

তবে ঠিকই বলেছেন, গত একশ বছরে এটিই সম্ভবত স্মার্ট ভাইরাস। এবং এর সর্বনাশা স্মার্টনেসের মূল্য মানবজাতিকে কতটা চুকাতে হয় সেটাই দেখার বিষয়!

২০| ০৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪৩

মা.হাসান বলেছেন: নেতাদের উপর তালার রুম খানা ভাড়া করিতে পারিলে আমিও ঝাড়বাতির ইসকুরু খুলিয়া দেবার ভাবনা করিতাম।

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: মা.হাসান বলেছেন: নেতাদের উপর তালার রুম খানা ভাড়া করিতে পারিলে আমিও ঝাড়বাতির ইসকুরু খুলিয়া দেবার ভাবনা করিতাম। --- হা হা হা;

আপনার কি মনে হয় নেতারা ঝাড়বাতির নিচে থাকার লোক?

২১| ০৫ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৪৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কারো পৌষমাস কারো সর্বনাশ!!!

কীটপতঙ্গ আমজনতা কোনকালেই বেয়াক্কেলদের কাছৈ মানুষ ছিল না!
ছিল স্বার্থ উদ্ধারের উপকরণ!
আর এখনতো কেবল কিছু সংখ্যার বৃদ্ধি! যতক্ষন না নিজে সংখ্যায় নাম লেখায়!

কি আত্মঘাতি পথে বাংলাদেশ! এমন পিক পিরিয়ডে, যেদিন আক্রান্ত দশ হাজার পৌছালো
সেদিনই সারাদিন দোকান, শপিং মল খোলার ঘোষনা এলো!!!

ছোটদের বড়দের সকলের
গরিবের নি:স্বের ফকিরের
হায় এই করোনায় ভয়, সব মানুষের!
সব মানুষের।।

তাই সবার জন্য ঈদ উপহার- দিল?!?! বাজার খুলে?

তবে মসজিদ বন্ধ রেখে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে সরকার??
দুনিয়ার একবারের ঈদের লাভ যদি ফসকাতে না দেয়া অজুহাত হয়
তো রমজানের তারাবিহর ফজিলত ফসকানো কেন? সামাজিক সুরক্ষা বা ৩ ফুট দূরত্বেই দাড়াক মুসল্লিরা!
বাকী যা -তাতে বাজারে, মসজিদেতো সমানই ঝূঁকি!
বরং মসজিদের মরলে দিলে শান্তি পাবে! নামাজে মরলে হৃদয়ে প্রশান্তি থাকবে!!!

বেয়াক্কেলদের কে বুঝাবে???? X(


০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: কীটপতঙ্গ আমজনতা কোনকালেই বেয়াক্কেলদের কাছৈ মানুষ ছিল না!
ছিল স্বার্থ উদ্ধারের উপকরণ!
--- তাই তো বলিদানের নানারকম ফন্দিফিকির! দেশ তো উদ্ধার হল! অথচ এই কাজগুলোও স্মার্টভাবে ব্যবস্থাপনা করা যেত সমন্বয়ের মাধ্যমে। লকডাউন যে দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয় তা আমরা সবাই জানি, কিন্তু সেই বিষয়টা নিয়েই যে চরম নৈরাজ্য আর কীট-পতঙ্গের দুর্ভোগ তা নিয়ে হানিমুনওয়ালাদের যথেষ্ট ভাবনা আছে বলে মনে হয় না।

ভৃগুদা, মসজিদে জামাতের ব্যাপারটাতে আপনার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না। এতে আমি সরকারের সাথে একমত। কাঁচাবাজার কিংবা সীমিত পরিসরে যথেষ্ট সতর্কতায় অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটায় লকডাউন কিছুটা শিথিল আর মসজিদের জামাতে নামাজ কিন্তু এক নয়। বিশেষ করে, মানুষ কেনাকাটা করছে প্রয়োজনের তাগিদে। জীবনের মায়া সেখানে কিছুটা হলেও প্রাধান্য পাবে। অপরদিকে মানুষ মজসিদে যাবেই সওয়াবের আশায়, তাদের মতে মৃত্যু এখানে জান্নাতের ইশারা, এবং সেখানে জামাতের বেশির ভাগ লোকের বয়স একটি বড় ফ্যাক্টর। খোদা না করুন, একটি নির্দিষ্ট জায়গায় অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার সময় অ্যাসিম্পটমেটিক অ্যাফেক্টেড কেউ যদি তা ছড়িয়ে দিয়ে আসে তা হবে ঐ সময়ে জামাতে অংশগ্রহনরত মুরুব্বিদের জন্য ডিজেস্টার। যা আমরা মালয়েশিয়া, ভারত-পাকিস্তানে দেখলাম।
আমাদের এখানে বাজারের মতো মসজিদও যদি খোলা রাখা হত তারাবীর জন্য, তাহলে আমি নিশ্চিত করোনা-পজিটিভের সংখ্যাটা ফোর-ফোল্ড হত এতদিনে (যদিও বাস্তবিকই দেশে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেশি যা টেস্টের অভাবে জানা যাচ্ছে না কিংবা কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কারণে জানারও উপায় নেই। অনেকেই হয়ত গোপন রাখছে নিজেদের নিরাপত্তা, সোস্যাল আইসোলেশন থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে কিংবা সরকার বাহাদুর নিজেদের স্বার্থে চেপে যাচ্ছে অনেক কিছু)।

তবে সবকিছু মিলে দেশে যে একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থা চলছে সেই ফেব্রুয়ারি থেকে তা আরও কতদিন চলে সেটাই দেখার বিষয়! নন-সাসটেইনেবল উন্নয়নের তৃপ্তির ঢেকুরে এখন ভীষণ অম্ল ও বিস্বাদে পরিপুর্ণ!


২২| ০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩২

সাইন বোর্ড বলেছেন: আসলে এ অবস্থায় কিছু বলার নেই, যখন বেশি করে সবকিছু লকডাউন করে দেওয়ার কথা ছিল তখন হচ্ছে এর উল্টটা । এ থেকে মনে হয়, সরকার জনগনের উপর একটা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে, কারন জনগন কেন বার বার তাদের উপেক্ষা করে আসছে ? আরেকটি বিষয় এখানে লক্ষ্য করুণ, আপনি যখন পজিটিভ এঙ্গেল থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়কে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, সেখানেও পথভ্রষ্ট কিছু আবাল বিষয়টাকে অন্য দিকে নিয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, একবার না বার বার । এটাও ভাবনায় নিতে হবে ।

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: জোসেফ হেলারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস আছে, 'ক্যাচ-২২'। যার মানে সোজা বাংলায় তরজমা করলে দাঁড়ায়, 'উভয় সংকট'। এই স্মার্ট করোনাভাইরাস এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে যা নজিরবিহীন। লকডাউনে দীর্ঘদিন থাকলে মানুষ না খেয়ে মরার সম্ভাবনা, আবার লকডাউন খুলে অবাধ বিচরণে ভাইরাসের থাবায় জীবন ওষ্ঠ্রাগত হওয়ার সমূহ বিপদ। তাই এ থেকে পরিত্রাণের জন্য দরকার ছিল স্মার্ট প্লান যা শুরু থেকে করোনার থেকে শক্তিশালী ম্যানেরা কেঁচে গুন্ডুস করে ফেলেছে। তার কুফল আমাদের কত ক্ষতির মাধ্যমে দিতে হয় সেটাই দেখার বিষয়।

আরেকটি বিষয় এখানে লক্ষ্য করুণ, আপনি যখন পজিটিভ এঙ্গেল থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়কে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, সেখানেও পথভ্রষ্ট কিছু আবাল বিষয়টাকে অন্য দিকে নিয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, একবার না বার বার । এটাও ভাবনায় নিতে হবে । ---- :((

২৩| ০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৪৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ফ্যারাও,
হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাবে মনে করেই পোস্টের খিল খুললাম । কিন্তু পড়া শেষ করে হাসি বাসি হয়ে মন কেমন করছে যেন বিদ্রোহী ভৃগুর মন্তব্য দেখে । এই চরম অপ্রস্তুত অবস্থায় আনুষ্ঠানিক ভাবে লক ডাউন তুলে আমাদের বেয়াক্কল মিঞারা যে কোন স্ক্রু খুলে দিলো বিপর্যয়ের সেটা আল্লাহই জানেন । একটা কোল্ড ব্লাডেড গণহত্যারই নাকি শুরু এটা সেটা ভেবেই ভয় লাগছে । যাক এতো এতো হতাশার মধ্যে ফ্যারাওয়ের অগমেন খুশি যারপর নেই সেটা জানালাম কিন্তু । ভালো থাকুন ।

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: সবকিছুতে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকলে মানুষ নিরাপদ বোধ করে। শুরু থেকে কোথাও পরিকল্পনার লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এখন দেখছি নেতা-আমলারা আবার আইইসিডিআর থেকে নিজেদের অধিকারে নিয়েছে সবকিছু। পাশের আইসিডিডিআর'বি'র মতো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত একটি প্রতিষ্ঠানকে এই বিপদে কোনো অজানা কারণে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। এরকম আরো বিষয় আছে। এগুলো জাতির জন্য হতাশার।

২৪| ০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে টিভি চ্যানেল গুলো আমাদের যা দেখায় আমরা তাই ই দেখি। জানি না টিভি চ্যানেল গুলো নিজেরদের ইচ্ছায় দেখায় না সরকার তাদের যা দেখাতে বলে তারা তাইই দেখায়। সত্য খবর কোণটা জানি না।

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: জানি না টিভি চ্যানেল গুলো নিজেরদের ইচ্ছায় দেখায় না সরকার তাদের যা দেখাতে বলে তারা তাইই দেখায়। -- আপনি সাংবাদিক ছিলেন। আপনার তো আমাদের থেকে বেশি ভালো জানার কথা। তাই নয় কি?

২৫| ০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:২৬

মেটালক্সাইড বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু ও সাইনবোর্ড এর মন্তব্য লেখাটির যথার্থতা ফুটিয়ে তুলেছে। বাকিরা সব আদার ব্যাপারীর জাহাজে ঊঠে গেছে।

এসি রুমের হানিমুনরত বেয়াক্কেলাদের বড় একটি অংশ কিন্তু এলিট শ্রেণী যারা বর্তমানে সরকার, সংসদ, এডমিনিস্ট্রেশন নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের অনেকেই হয়ত সামু ব্লগে ঘাপটি মেরে আছে। আপনি যেমন স্বল্প লেখায় বড় ভাবনা প্রকাশ করেছেন তেমনি করে যদি বলতে চাই তাহলে নেপোলিয়নের সেই কথাটি ভেসে উঠে -
তোমরা আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব।
ধন্যবাদ আপনাকে, খুব ভাল হয়েছে লেখাটি।

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি একটি ভালো মন্তব্য করেছেন। অনেকেই লেখার মূল বিষয় থেকে বাইরে গিয়ে আলোচনা শুরু করায় লেখাটির মূল উদ্দেশ্য নিয়েই আমি সন্দিহান হয়ে পড়েছিলাম। একসময় মনেও হয়েছিল ডিলিট করে দেই। :(

এসি রুমের হানিমুনরত বেয়াক্কেলাদের -- খুব একটা বিপদের সম্ভাবনা না থাকায় উনারা এইরকম অপরিকল্পনাময় পরিকল্পনা অদূরভবিষ্যতে আরো নিবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন। তার অর্থ, ঝাড়বাতির আঘাতে আচম্বিতে আরো অধিক সংখ্যাক কীট-পতঙ্গের কোঁ কোঁ। এভাবেই আমরা হয়ত একসময় আমাদের কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাব। যার গালভরা নাম, 'হার্ড ইমিউনিটি'।

২৬| ০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: লকডাউন কতদিন থাকা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: লকডাউন কী জিনিস? দেশ কী এখন লকডাউনে কিংবা সরকার কবে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করল? যার জন্য প্রশ্ন আসছে 'কতদিন' এটি থাকবে? আপনাকে আরো একটু পাত্তা লাগাতে হবে লকডাউনের শানে নুযুল উদ্ধারে।

২৭| ০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

অপু তানভীর বলেছেন: ভালা পুস্ট । :)

আমজনতার উপরে সারাজীবন ঝড়বাতি ইট পাটকেল বিল্ডিং এসে পরে অন্য দিকে বেয়াক্কেলরা এসি রুমে বসে হানিমুন উপভোগ করে !!

কি আর করা এইভাবেই আমজনতার জীবন কেটে যাবে !!

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: আমজনতার উপরে সারাজীবন ঝড়বাতি ইট পাটকেল বিল্ডিং এসে পরে অন্য দিকে বেয়াক্কেলরা এসি রুমে বসে হানিমুন উপভোগ করে !! -- ঠিক তাই!

ঈদের যাত্রা নিয়েও খেল দেখাল মহাশয়েরা!

এখন গরীবের অবস্থা 'রাখে আল্লাহ মারে কে?" এই করোনা দেশের অর্থনীতি ও মানুষদের কোথায় যে নিয়ে যায়..। :((

২৮| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৮:০২

জুন বলেছেন: প্রথম প্যারাটা মারাত্মক আখেনাটেন আর জোকসটা দারুণ :`>
+

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: দেরীতে উত্তর দেওয়ায় দুঃখিত আপা। অনেকদিন পর ব্লগে আসলাম।

ভালো লাগায় অশেষ কৃতজ্ঞতা।

২৯| ০৫ ই মে, ২০২০ রাত ৮:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ব্যাপক রম্য হয়েছে। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বেয়াক্কেল মিয়ার সুবুদ্ধিতে একের পর এক নাটবল্টু খোলাতে মৃত্যু মিছিল বেশ দীর্ঘ হয়েছে। অথচ এমন ভাব ছিল যে মাসাধিক কালের লকডাউনের যাদুতে করোনাকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে ছাড়বে।এখন যা ফল। ক্রমশ মারণ ভাইরাস এরাজ্যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে । জানিনা এর শেষ কোথায়।
শুভেচ্ছা প্রিয় ফ্যারাও ভাইকে।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বেয়াক্কেল মিয়ার সুবুদ্ধিতে একের পর এক নাটবল্টু খোলাতে মৃত্যু মিছিল বেশ দীর্ঘ হয়েছে। --হুম; সাথে আমপান তো আপনাদের জীবন আরো কঠিন করে তুলল। বিপদ যখন আসে সব একসাথেই আসে।

সাবধানে থাকুন পদাতিক দা।

৩০| ০৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আখেনাটেন বলেছেন: এবার 'কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলিতে বিড়াল সেজে বসবাস' শিরোনামে একখান জবরদস্ট পোস্ট চাই। :P আমার পোষ্টে এই মন্তব্য করার পরে তিন তিন খানা পোষ্ট দিয়াছি, আপনে হাওয়া! X(

অভিযোগ আরো আছে, দেখতে আজ্ঞা হয়........
জুন বলেছেন: ভুয়া আমি টুটকে বাসায় আনলে কি হবে! পরজন্ম গ্রহনকারী টুট কেন জানি আমার ব্লগ বাড়ির উঠানেও যায় না :| আমি ব্যাপারটা নিয়া চিন্তিত। আপনি তাকে একটু গুপনে জিজ্ঞেস কৈরেন যে মহামান্য ফারাও টুটেনখামুন ওরফে আখুন কি আমার উপর মাইন্ড করছে :(

ব্লগীয় আদালতে আপনার কহিবার মতো কি কিছু আছে??? 8-|

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: :(( :(( |-) |-) :((


আগামী কয়দিন ব্লগে আছি। আপনাদের ওপাড়াতে বেশ কিছুক্ষণ আড্ডারত থাকুম কথা দিলুম। :D

৩১| ০৬ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভৃগুদা, মসজিদে জামাতের ব্যাপারটাতে আপনার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না।

আমার টোনটা ধরতে পারলেন না, ভায়া! বালিতে যদি মূখই গুজেছো পুরাই গুজে দাও।
আত্মঘাতের মহা উৎসবই যদি শুরু করেছো, সবই যদি শিথিল হয় তো মসজিদইবা বাদ কেন?
মৃত্যু যখন উৎসবই বানিয়েছ তবে তার ষোলকলায় পূর্ন হোক। সবাই মিলেই মরি!!

মসজিদ কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারতো করোনাকালে, পোষ্টটা মনে হয় আপনার চোখে পড়েনি।
সেখানে মসজিদের ভূমিকা নিয়ে আমার ভাবনার প্রতিপলন পাবেন।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: মসজিদ কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারতো করোনাকালে, পোষ্টটা মনে হয় আপনার চোখে পড়েনি।
সেখানে মসজিদের ভূমিকা নিয়ে আমার ভাবনার প্রতিপলন পাবেন।
-- পড়ি নি ভৃগু দা। আমারই বুঝার ভুল হয়েছে।

কথা হবে সেসব পোস্টে।

৩২| ১০ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সোহানী বলেছেন: জ্বী বিপি বাড়ানো ছাইড়া দিসি কারন যেভাবে মাইষের মাথার উপ্রে ঝাঁড়বাতি পড়তাছে দিনের পর দিন তা চিন্তা করার কোনই ফায়দা নাই।

লিখা ও মন্তব্যে সুপার প্লাস।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: সোহানী বলেছেন: জ্বী বিপি বাড়ানো ছাইড়া দিসি কারন যেভাবে মাইষের মাথার উপ্রে ঝাঁড়বাতি পড়তাছে দিনের পর দিন তা চিন্তা করার কোনই ফায়দা নাই। -- ভালো করেছেন সোহানীপা। আমি নিজেও আর করোনা নিয়ে হাবিজাবি নিউজ পড়ছি না। টেনশন বাড়ে। মাথা গরম হয়।

৩৩| ২০ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৪১

করুণাধারা বলেছেন: পোস্ট পড়ার অনেক পরে মন্তব্য করতে আসার সময় পেলাম। রমজান মাস, তারপর মারফি সাহেব আমার বাসায় আসন পেতে বসেছেন...

রম্য পড়ে মনটাই বরং খারাপ হল। হানিমুনার দুজন বেয়াক্কেলে সন্দেহ নাই, তারা ভুল করে হয়ত কিছু মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, কিন্তু আমাদের আক্কেলওয়ালা বাতিঘরওয়ালা, তারা কেন মানুষকে এভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন? এসব ভাবার চাইতে বরং আপনার ছবির উটপাখির মতো মাথা গুঁজে থাকাই ভালো...

দীর্ঘ দিন পরপর এমন দশমিনিট পোস্ট আর কত দেবেন!! আপনার পোস্টের নিয়মিত পাঠককুলের কথাও তো বিবেচনা করা উচিত। :(

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আমরা এক অসম্ভব সময়ের মধ্যে জীবন পার করছি। এই সময়ের সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত জাতির জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করতে মনে হয় কেউ পারছে না।

এর কুফল আমাদের ভোগ করতে হবে। গত পরশু আমার একজন প্রিয় মানুষ মাত্র ৫২ বছর বয়সে একদিনের জ্বরে মারা গেছেন। হার্টের সমস্যা ছিল। হাসপাতাল পর্যন্ত নেওয়া যায় নি। স্ত্রীও করোনাক্রান্ত।

ভালো থাকুন।

৩৪| ০২ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:১৪

মিরোরডডল বলেছেন: রম্য ছোটগল্পের সাথে বাস্তবতার তুলনাটা ভালোই হয়েছে ।
গল্পটা খুবই ফানি :) কিন্তু দেশের অবস্থাতো খারাপের দিকেই যাচ্ছে ।
অনেকই টেনশন :|

০৪ ঠা জুন, ২০২০ রাত ১০:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: কিন্তু দেশের অবস্থাতো খারাপের দিকেই যাচ্ছে । --- হুম;

টিকে থাকার জন্য এখন মানুষ ঝুঁকি নিতেও দ্বিধা করছে না। সামনের দিনগুলি আরো কঠিন হতে যাচ্ছে দেশে...। :(

ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.