নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সফট পাওয়ারের খেলঃ দিরিলিস এর্তুগ্রুল থেকে পদুমাবৎ-তানহাজি!!!

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:২৩



নজীরবিহীন এই সময়ে টিভি সিরিজ ও মুভি দেখার ধুম পড়েছে। গত দুইমাসে আমিও রানীক্ষেতে আক্রান্ত মুরগীর মতো নতুন অনেক কিছু শেখার ফাঁকে ফাঁকে ঝিঁমাতে ঝিঁমাতে নেটফ্লিক্সে চারটি টিভি সিরিজ দেখেছি। চারটি সিরিজই কাছের কিছু মানুষ দেখতে উৎসাহ যুগিয়েছিল। এরপর রিভিউ পড়ে মনে হয়েছে দেখি দেকি! একটি স্প্যানিশ থ্রিলার ‘Money Heist’, একটি আমেরিকান ক্রাইম-ড্রামা, ‘Ozark’, একটি টার্কিশ হিস্ট্রিক্যাল ফিকশন, ‘The Protector’, আর শেষেরটি ভারতের কন্সপিরেসি থ্রিলার, ‘Sacred Games’। আরও দু একটা দেখার চেষ্টা করেছি কিন্তু...!

ঘরে বসেই ‘বোকাবক্স’-এ তাবৎ দুনিয়ার বৈচিত্র উপভোগ করা একটি চমৎকার অভিজ্ঞতায় বটে! বিভিন্ন সংস্কৃতি, সভ্যতা, কৃষ্টি, জীবনাচারণ সম্পর্কে জানার জন্য এই টিভি সিরিজগুলো বড় ভূমিকা রাখছে। তাই জানা ও নিছক আনন্দ-বিনোদনের মাধ্যমে সময় কাটানোর জন্য এগুলো দেখা যেতেই পারে। কিন্তু কেউ যদি নানামুখি সেই বৈচিত্রতাকে ভিন্ন-আঙ্গিকে উপস্থাপণ করে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে গোটা মানব সমাজের জন্য একটু হুমকীর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে সেটা কোনোভাবেই একজন মানবিক মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভবপর নয়।

নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন তাঁর ‘আইডেন্টিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্সঃ দ্যা ইলুশন অব ডেস্টিনি’ বইয়ে লিখেছেন, ‘একই ব্যক্তি, কোনও দ্বন্দ্ব ছাড়াই, ইউএস-আমেরিকান নাগরিক, ক্যারিবিয়ান বংশোদ্ভূত, আফ্রিকান বংশধর, খ্রিস্টান, উদারবাদী, একজন মহিলা, নিরামিষাশী, একটি দূরপাল্লার দৌড়বিদ, ইতিহাসবিদ, একজন স্কুলশিক্ষক, উপন্যাসিক , একজন নারীবাদী, হেটেরোসেক্সুয়াল, সমকামী অধিকারে বিশ্বাসী, একজন থিয়েটার প্রেমী, পরিবেশবাদী কর্মী, টেনিস ফ্যান, একজন জাজ সংগীতজ্ঞ এবং বাইরের মহাকাশের জীবনের বুদ্ধিমান জীবে বিশ্বাসী ইত্যাদি’।

তার মানে কী দাঁড়াচ্ছে? একজন একটি সভ্যতা বা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত হলেই সেখানেই তার ডেস্টিনি বা নিয়তি বা পরিচয় সীমাবদ্ধ নাও হতে পারে। অর্থাৎ একজন মানুষ একই সঙ্গে অনেক পরিচয়ে পরিচিত হতে পারেন। সময়ে সময়ে এর রূপভেদ হতে পারে বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতায়, ভালো-মন্দ মিশিয়ে। আর এই বৈচিত্রময় পরিচয়কে সমাজের সবাই মেনে নেওয়ায় সৌন্দর্য। কিন্তু…?

...এই সৌন্দর্যকে পদদলিত করে, ...এই আইডেন্টিটিগুলোকে ঝুঁকিতে রেখে, ...এই অধিকারকে অবদমিত করে, ...এই বৈচিত্রতাকে জাতির উন্নতির অন্তরায় বিবেচনা করে-- যখন একক ও অদ্বিতীয় বা ব্যষ্টিক চিন্তার উদ্ভব ঘটে তখনই তা সামষ্টিক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপে রূপ নিতে পারে।

এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ধরুন, পাকিস্তানীরা যদি বাংলা ভাষাকে, বাঙালীসত্বাকে, বাঙালী মুসলিম বা হিন্দু বা আদিবাসী বৈচিত্রতাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারত, তাহলে কি আমাদের ঐ রক্তস্নাত কালোরাত দেখতে হত? কিংবা ইতিহাসের চাকাটাকে আরেকটু পেছনে টেনে নিলে--কী দেখতে পাই? বৈচিত্রতাকে পায়ে দলার ফলে লক্ষ লক্ষ প্রাণের সংহার ও ঘৃণার বিষবাষ্প যা এখনও উদগীরণ করে চলেছে বেশির ভাগ হৃদয়ে--সেটি কি কোনো জাতি বা সম্প্রদায়ের জন্য শুভ?

অতীতকে চেষ্টা করলেও আমরা সহজে ভুলতে পারি না। তবে অতীতের ভালোটা রেখে মন্দটাকে ভুলে যাওয়ায় উচিত। তা না হলে ঐ হন্টিং মেমোরি দোদল্যমান আত্নাকে ধাওয়া করে স্বর্গ নাকি নরক পর্যন্ত টেনে নিবে তা তো সহজেই অনুমেয়!

আর ঠিক এই সমস্যায় পতিত হয়েছে গোটা বিশ্ব, বিশেষ করে বড় বড় শক্তিগুলোর ক্ষেত্রে। আমেরিকায় ট্রাম্প চায় হোয়াইট সুপ্রামেসিস্ট ও আমেরিকার পুরনো গৌরব ফিরে আনতে অভিবাসী বিতাড়নের মাধ্যমে। বৃটেনে বরিস জনসনও ব্রেক্সিটের মাধ্যমে তাই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য দেশেও বাড়ছে রক্ষণশীলদের দাপট। শুদ্ধ ইউরোপ। অভিবাসীহীন ইউরোপ। চীন চায় তার প্রাচীন ও মধ্যযুগের ঝেং হি’র সেই নৌ আধিপত্য ও সিল্করুটের পাওয়ার সাথে হানদের বিস্তার। তুরস্ক চায় মধ্যযুগের সেই গৌরবময় আফ্রিকা থেকে অস্ট্রিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত অটোমান সুলতানের যুগ। ভারত চায় চন্দ্রগুপ্ত যুগের সেই বাংলা-আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত তথাকথিত সোনালী যুগের অধ্যায়।



এরই ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি, নব্য অটোমান সুলতান সোলাইমান হওয়ার স্বপ্নে বিভোর সুলতান এরদোগান কিংবা নব্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত হওয়ার ঘোরলাগা স্বপ্নে বিভোর সম্রাট মোদি। এখন তো আর টেরিটরি দখলের মাধ্যেম সেটা অনেকাংশেই সম্ভব নয় কিন্তু অন্য উপায় তো রয়েছে। হ্যাঁ, মোক্ষম অস্ত্র ‘সফট পাওয়ার’। হারানো গৌরব ফিরে পাওয়ার দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর অব্যর্থ কৌশল। আর এতে দুই দেশই সফল।

সফট পাওয়ারের সাংস্কৃতিক টুলটিকে চাবুক হিসেবে নিয়ে এরদোগান ইতোমধ্যে রীতিমত অবিশ্বাস্য বাজিমাত করেছেন। এরদোগানের স্বপ্নটা অবশ্য আরও বৃহৎ ফ্রেমে বাঁধা। একাধারে বলকান অঞ্চলে আগের সেই অটোমান গৌরবের কিছুটা ফিরে আনা এবং গড়ানো তেলে পিছলে পড়া ক্ষীয়মান মোল্লাতন্ত্রের সৌদীদের মুসলিম বিশ্বে আধিপত্যের ফাঁক গলে ঢুকে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা পাচ্ছি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অংশ হিসেবে ‘ম্যাগনিফিসেন্ট সেঞ্চুরী’ কিংবা ‘দিরিলিস এর্তুগ্রুল’, যেখানে ইতিহাসকে ম্যানুপুলেইট করে দেখানো হচ্ছে কীভাবে এক সাধারণ মুসলিম উপজাতি যোদ্ধা একে একে ক্রিশ্চিয়ান ক্রসেডার, বাইজেন্টাইন যোদ্ধা কিংবা দুর্ধর্ষ মোঙ্গলদের পরাজিত করে বীর বিক্রমে এগিয়ে যাচ্ছে মুসলিম সালতানাত গঠনে।

আর মোদি ঠিক একই কাজ করতে গিয়ে একধাপ এগিয়ে টার্গেট করেছে তারই স্বদেশী ২০ কোটি মুসলিমকে। মোদির পলিসিকে সাধুবাদ জানিয়ে একের পর এক তৈরি হচ্ছে ইতিহাস বিকৃতির যজ্ঞ। পদুমাবত থেকে তানহাজি; কেজারি থেকে পানিপথ। অনেক মুসলিমই যাদের বীর হিসেবে গন্য করে সেই আলাউদ্দিন খলজি, আওরঙ্গজেব, আহমেদ শাহ আবদালীদের কুখ্যাত বানিয়ে হিন্দু জাগরণের এই কৌশল নতুন না হলেও এর স্বরূপ এখন ব্যাপকতা পেয়েছে। ফলে একই দেশে মুসলিমদের কাছে আওরঙ্গজেব বীর হলেও শিবাজী মারাঠা বর্গী দস্যু বা ভিলেন। অপরদিকে, হিন্দুদের কাছে শিবাজী বীর পূজিত হলেও খলজিরা ভীনদেশী লুটেরা কিংবা ধর্ম-বিনাশকারী।

অতীতে রবীন্দ্রনাথ কিংবা বঙ্কিমের শিবাজী’র প্রশংসা অনেক মুসলিমই শ্লেষ মিশ্রিত দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখলেও সেটার আপিল ততটা ব্যাপকতা পায় নি। আধুনিক যুগের কালচারাল ডাইমেনশন সেই ন্যারেটিভকে এখন নতুন মাত্রা দিয়েছে। একই অডিয়েন্সকে বারবার একই দৃশ্য গেলানো গেলে এক সময় ঠিকই তাদের অন্তরীন ধারনাকে মডিফাই করা সম্ভব হবে যা আমরা নাৎসি মন্ত্রী গোয়েবলস থেকে জানি। এই ন্যারেটিভগুলোই পশ্চিমারা নানা জাতি-গোষ্ঠীর বিপক্ষে অতি উত্তমভাবে ব্যবহার করে আসলেও তাদের রেশ অরিয়েন্টাল রিজিয়নে এতটা তীব্রতা পেয়েছিল না। এখন এরদোগান কিংবা মোদি সেই ন্যারেটিভ জাদুকাঠি বিবেচনায় নিয়ে দোর্দন্ড প্রতাপে নিজ নিজ দেশে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলাফল। শতভাগ সাফল্য।

এখানে মোদি ও এরদোগানের মধ্যে মিল থাকলেও অমিলটুকুও প্রণিধানযোগ্য। মোদি যেখানে নিজ দেশেরই একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে তার পলিটিক্যাল অভিলাষ কায়েম করছে এবং চন্দ্রগুপ্তের আসনে আসীন হতে চাচ্ছে, সেখানে এরদোগান তার হারানো অটোমান সাম্রাজ্যের প্রভাব-প্রতিপত্তি ফিরে পেতে তাঁর চিন্তাভাবনা পশ্চিম থেকে পুবের দিকে সরে এনেছে অর্থাৎ তার প্রতিপক্ষও বলতে গেলে অদৃশ্য মুসলিমই। অর্থাৎ মুসলিম বিশ্বের একাধিপতি হতে হলে একজন হিরো বানাও। সেই হিরো এখন এর্তুগ্রুল, হয়ত পরে অন্য কেউ। মোদি যদি নিজের মধ্যে চন্দ্রগুপ্ত কিংবা শিবাজীর ছায়া দেখে এরদোগানও নিজের মধ্যে এরটুগ্রুল কিংবা সোলাইমানের ছায়া দেখছেন। আর সেই ছায়ারা প্রাচ্যের দিকে হেলে সৌদীদের মুসলিম বিশ্বে ডমিনেশনকে খর্ব করার এক অনন্য উপায় হিসেবে ইতোমধ্যে ভূমিধ্বস বিজয় ত্বরান্বিত করেছে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সকল দিক দিয়ে এরদোগানের বাজীর ঘোড়া এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বলকান; মধ্যপ্রাচ্য থেকে আফ্রিকা; সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে সাউথ এশিয়া।



এখন প্রশ্ন হলো আমাদের মতো গরীবদের কী হবে তাহলে? আমরা কী সারাজীবন বৃহৎ এই শক্তিবর্গের বগলের নিচে বসে মিউঁ মিউঁ করেই যাব। নাকি নিজেদের কোনো বীরকে সামনে এনে সেয়ানে সেয়ানে টক্করে যাব। আমরা এ নিয়ে চিন্তা না করলেও পাকিস্তানের সাবেক প্লেবয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিন্তু বসে থাকেন নি। তিনি জানেন তার দেশ পদুমাতের রতন সিংহের মতো ইতিহাসের রুগ্ন মহারাজাকে থান্ডারাস বীরবিক্রম রতনসিংহ মহারাজায় রূপালী পর্দায় তুলে ধরার মতো সামাজিক কিংবা আর্থিক অবস্থায় নেই। তো খলজির কিংবা আওরঙ্গজেবের বলিউডের পর্দায় ভিলেইনাস উপস্থিতির কাউন্টার হিসেবে একজন সুপ্রিম হিরো দরকার; যা একই দর্শকের মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত ইচ্ছেটার বিস্ফোরণ ঘটাবে। সেই চিন্তা থেকেই তুর্কি খলজি’র বর্তমান রূপালী পর্দার তুর্কি সাগরেদ এর্তুগ্রুলকে হিরোর আসনে বসিয়ে দিয়েছেন টুইট করে। আর যায় কোথায়? ঝাঁকে ঝাঁকে পাকিস্তানি-ভারতীয় (বাংলাদেশও মনে হয় বাদ নেই) জনতা এখন অজু করে এর্তুগ্রুল দেখতে বসে গেছেন টিভি সেটের সামনে কিংবা ইউটিউবসহ অন্য স্যোসাল মিডিয়াতে। এই ঝাঁকের কইয়ের লম্ফঝম্ফ আবার পরাক্রমশালী ভারতীয় মিডিয়া বেশ রাখ ঢাক গুড়গুড় করে চেপে রেখেছে। কেউ এই নিয়ে টুঁ শব্দ করছে না। পাছে নব্য চন্দ্রগুপ্ত যদি রাগ করে।

ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া যে এভাবে আসতে পারে তা মনে হয় চন্দ্রগুপ্তের শিষ্যরাও ভাবতে পারে নি। চিন্তা করুন ভারতের একটি জনগোষ্ঠী যখন ‘রামায়ণ’র জনপ্রিয়তা ‘গেম অব থ্রোনস’কেও ছাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঐ একই চেতনায়। তার পাশের লাগোয়া বাড়ির হয়ত আরেক জনতা তানহাজি-পদুমাবত, ‘রামায়ণ’কে ছেঃ বলে সুদূরের ‘এর্তুগ্রুল’ দেখছে আরেক চেতনায়। একই পরিবেশে, একই সমাজে বাস করে এই বৈপিরত্য নিজেদের অস্তিত্বের জন্য শুভ নাকি অশুভ তা কি নব্য চন্দ্রগুপ্তেরা টের পাচ্ছেন?

আর এখানেই নব্য সুলতান এরদোগানের কিস্তিমাত। নিজ দেশে সেকুলার জনগণের বাটে পড়ে কিছুটা কোনঠাসা হয়ে থাকলেও তাঁর বাজির ঘোড়া যেভাবে এক দেশ থেকে আরেক দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন---কে মনে করবে এই ঘোড়ার সওয়ারী একজন অভিজ্ঞ চালক হলেও অতিরিক্ত দাপাদাপিতে ঘোড়া নিজেই কাহিল? নানামুখী টানাপোড়েনে নাভিশ্বাস অবস্থা।

আবার প্রশ্ন আসতে পারে সুদূর তুরস্কের এর্তুগ্রুল টিভি সিরিজ উপমহাদেশে এত জনপ্রিয় হওয়ার কারন কী হতে পারে? এখানেও সেই সুবিখ্যাত নিউটনের থার্ড ল কাজ করেছে চরমভাবে। এতদিন ভারতে ঐতিহাসিক কাহিনি নিয়ে সিনেমা হলেও এতটা কদর্যভাবে মুসলিম শাসকদের তুলে ধরা হয় নি। ফলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মাঝে অতীতের সে সব সিনেমার একটি সর্বজনীন আপিল ছিল। যদিও ইতিহাস সাক্ষী দেয় মুসলিম-হিন্দু কোনো শাসকই ধোয়া তুলসীপাতা ছিল না। কিন্তু বর্তমান আরএসএস নিয়ন্ত্রিত মোদি জমানায় সেই কালচারাল ডাইভারসিটির সর্বজনিন আপিলকে ইচ্ছে করেই ভেঙে ঘৃন্য বিকৃতির মাধ্যমে একমুখি করে পরিচালিত করায় এর প্রতিক্রিয়া যে অচিরেই প্রকাশ পাবে তা সহজেই অনুমেয় ছিল। ২০ কোটির পক্ষে তো ১০০ কোটির চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। আবার পার্শ্ববর্তী দেশের নড়বড়ে হাভাতে অর্থনীতির পাকিস্তান কিংবা অনেকাংশে উদারপন্থী বাঙ্গালী মুসলিমেরা দিবে সেটাও সম্ভব নয় নানা কারনে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতিটাই এখানে মুখ্য। আর এ জায়গাতেই এরদোগানের বাজিমাত। এরদোগান ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে পাকিস্তানের হালহকিকত। পাকিস্তানও জানে তার দুর্বলতা। যার ফলশ্রুতিতে দেখতে পাই, উপমহাদেশীয় রতনসিংহ-সদাশিব ভাউ বা তানাজিদের বিপক্ষে সুদূর এশিয়া মাইনরের এর্তুগ্রুল কিংবা সুলতান সুলেমান। যদি এ ট্রেন্ড চলতেই থাকে, তাহলে এরকম তানাজি কিংবা এর্তুগ্রুলদের আমরা দেখতে পাব রূপালীর পর্দায় নিয়মিতই। সবই নব্য রাজা-মহারাজার মহড়া তাদের ভুখা-নাঙ্গা প্রজাদের অতীতের মতো প্রটেকশনের ভয় দেখিয়ে, ক্ষমতার অভিলাষে।

আর এভাবে সত্যিই চলতে থাকলে-- এই টিভিসেটের সামনে বসে থাকা বর্তমানের মগজহীন তানাজি কিংবা রতনসিংহ কিংবা এর্তুগ্রুলেরা শুধু ঘরে বসেই ভার্চুয়াল তলোয়ার দেখে আস্ফলন করবে না, এরা সময়ে সময়ে রাস্তায় তাদের জং ধরা হাসুয়া-খুন্তি-বটি নিয়ে মহড়াও দিবে এবং বাস্তবে জোসে হুঁশ হারিয়ে ক্ষণে ক্ষণে দিল্লি-কলকাতা-করাচি-ঢাকার পাড়া-মহল্লা লাল ছোপ ছোপ রক্তে রঞ্জিত করলেও অবাক হব না? যার মহড়া ইতোমধ্যে দিল্লি থেকে শুরু হয়েছে।



এবার সেই অমর্ত্য সেনের কথায় ফিরে যাই। আমরা যখন সামষ্টিক পরিচয়কে লাথি মেরে নিজেদের শুধুমাত্র হিন্দু বা শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয় তুলে ধরতে যাব বিকৃত হিরোইজমের মাধ্যমে কিংবা বৈচিত্রতাকে দুমড়ে-মুচড়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় রত হব অসুস্থ নেশায়--তখনই সমাজে বিশৃঙ্খলাগুলো গুবরে পোকার মতো কিলবিল করতে শুরু করবে আমাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক দৈনতার জন্য; যা আমরা এখন নব্য চন্দ্রগুপ্তের রাজ্যে হরহামেশায় দেখছি। যার প্রতিক্রিয়া অপরাপর প্রতিবেশিদের মাঝেও যে অচিরেই ছড়িয়ে পড়বে না কিংবা ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে কিনা তা নিশ্চয় নব্য রাজা-রানীরা হিসেব রাখছেন ভালোভাবেই!

ছবি-সিরিজ দেখুন-- তবে হরে রাম বুলিতে বা অজু করে নয়; নিছক মনের আনন্দে দেখুন; সময় কাটানোর হাতিয়ার হিসেবে দেখুন; জানার জন্য দেখুন; তা নাহলে সেই ভার্চুয়াল তলোয়ার কার যে কখন গর্দান নেওয়ার জন্য রূপালী পর্দা ফেঁড়ে ধরাধমে আবির্ভুত হবে তা বলা মুশকিল হলেও সত্যাসত্য নিরুপণে বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই, শুধু অতীতের লাল ছোপ ছোপ দাগগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করলেই হবে। যারা ভুক্তভোগী তারাই শুধু জানে এর ভয়ঙ্কর বাস্তবতা। ফিরে না আসুক সেই কালোরাতগুলো জিঘাংসার বলি হয়ে...রুপালী পর্দার আড়াল থেকে...!!!

*******************************************************************************
@আখেনাটেন/মে-২০২০

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:২৮

শায়মা বলেছেন: সবাই এত সিনেমা দেখছে। আর কদিন লকডাউন থাকলে তো সব সিনেমারাই শেষ হয়ে যাবে পৃথিবীর মনে হচ্ছে।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: অল্পকিছু মানুষ বাদে সকলের হাতেই মনে হয় এই মুহূর্তে অফুরন্ত সময়। ডিপ্রেশন কিংবা মানসিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে এটা একটি ভালো উপায় হতে পারে।

আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম ব্লগে মনে হচ্ছে। মনে করছিলাম, ভিলেন করোনা আবার 'কারিনা'রে বন্দি করে ফেলল নাকি! B:-/

২| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৩২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: নেটফ্লিক্সে দেখার কিছু খুঁজে পায় না । অরুচি এসে গেছে ।
fauda , the spy ., mossad101 / the angel

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: নেটফ্লিক্সের বেশির ভাগ অরজিনাল সিরিজগুলো একটি ট্রেন্ড বজায় রেখে মনে হয় নির্মিত হচ্ছে। ফলে দর্শকেরা দু-চারটা দেখে বাকিগুলো দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। তবে পুরোনো কিছু সিরিজ আসলেই ভালো। উপরে উল্লিখিত সিরিজগুলো দেখতে পারেন। খারাপ লাগার কথা না।

৩| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪০

শায়মা বলেছেন: কোনো ভিলেন কারিনা বা করোনার সাধ্য নেই আমাকে বন্দি করার হে হে হি হি হো হো :P


আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি তোদের আছে?

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: বেশ! বেশ!

তবে করোনাকালে এত আলগা লম্ফঝম্ফ কিন্তু খুব খারাপ, খুব খারাপ। বন্দিদশাতেই মুক্তি এখন। তাই রবিবাবুর সেই গানটা এখন গাইতে পারেন, 'আমারে ছাড়বি তোরা সেই ছাড়ন কি তোদের আছে?' এভাবে। :P

৪| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: Turkish (Mucize১,২) দেখলাম। সিরিজ দেখা হয়নি কোনো Money heist ছাড়া। Breaking Bad নামিয়েছি, দেখা শুরু করবো

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: বাকিগুলো দেখতে পারেন। সময় খারাপ কাটবে না। একজন ব্রিটিশ সিরিজ 'Peaky Blinders' রেকামেন্ড করেছে। সময়ের অভাবে দেখতে পারছি না। রিভিউ দেখলাম ভালো।

৫| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৮

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: উভয়েই বিকৃত ইতিহাস ও সংস্কৃতি পর্দায় উপস্হাপনের মাধ্যমে মনন ও মগজ ধোলাই করছে- একটা সময় এটাই সত্য বলে গৃহিত হবে; আর এগিয়ে যাব ধ্বংসের দিকে।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: উভয়েই বিকৃত ইতিহাস ও সংস্কৃতি পর্দায় উপস্হাপনের মাধ্যমে মনন ও মগজ ধোলাই করছে- একটা সময় এটাই সত্য বলে গৃহিত হবে; আর এগিয়ে যাব ধ্বংসের দিকে। -- ঠিক তাই। এক্সট্রিম চিন্তাভাবনা কখনও ভালো ফল দেয় না। শুধুমাত্র খারাপভাবে মানুষের মগজ ধোলাই ছাড়া।

৬| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪৯

উম্মে সায়মা বলেছেন: আমিও sacred games শুরু করেছি। তবে মুভি দেখা হয় বেশি। আপনি তো সিরিজ দেখে গ্রেট ফিলোসোফার হয়ে গেছেন!

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: সায়মাজীকে ব্লগে বহুদিন পর দেখে ভালো লাগল। :)

মেয়েরা সাধারণত রোমান্টিক সিরিজ দেখতেই মনে হয় বেশি পছন্দ করে। ব্যতিক্রমও আছে। আর উপরের ঐ সিরিজগুলো সাধারনত চুরি, ডাকতি, আধ্যাত্মিকতা, ক্রাইম ইত্যাদি নিয়ে। সেক্ষেত্রে কোরিয়ান, টার্কিশ, মেক্সিকান সিরিজ দেখতে পারেন।

আপনি তো সিরিজ দেখে গ্রেট ফিলোসোফার হয়ে গেছেন! --- :(( । না না, এগুলো নিয়ে ইদানিং হৈ হৈ রৈ রৈ হচ্ছে দেখেই আমার মতামতটুকু তুলে ধরলাম।

৭| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: আমেরিকায় ট্রাম্প চায় হোয়াইট সুপ্রীমেসি ও আমেরিকার পুরনো গৌরব ফিরে আনতে অভিবাসী বিতাড়নের মাধ্যমে[/sb দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে শুরু হওয়া সন্ত্রাসী এ্যামেরিকার গৌরব পুরানো হলো কবে ? করোনা সম্পূর্ণ ধ্বংস না করলে সেটা হবেও না।
মোদী নিজেকে চন্দ্রগুপ্রে চেয়ে রাম বা অর্জন বেশী ভাবে।কারণ চন্দ্রগুপ্ত হিন্দুধর্ম ছেড়ে জৈন হয়েছিলো। আর মোদী পারলে ভারতের সব ধর্মের লোকদের হিন্দু বানিয়ে দেয়।
এরা সময়ে সময়ে রাস্তায় তাদের জং ধরা হাসুয়া-খুন্তি-বটি নিয়ে মহড়াও দিবে এবং বাস্তবে জোসে হুঁশ হারিয়ে ক্ষণে ক্ষণে দিল্লি-কলকাতা-করাচি-ঢাকার পাড়া-মহল্লা লাল ছোপ ছোপ রক্তে রঞ্জিত করলেও অবাক হব না? যার মহড়া ইতোমধ্যে দিল্লি থেকে শুরু হয়েছে- কাশ্মীর-গুজরা-উত্তরপ্রদেশ আর দিল্লী রাস্তায় দিনে দুপুরে মুসলমান হত্যা আর নারী ধর্ষণের পর এসবরে বাকী আছে কি?
এখন প্রশ্ন হলো আমাদের মতো গরীবদের কী হবে তাহলে? আমরা কী সারাজীবন বৃহৎ এই শক্তিবর্গের বগলের নিচে বসে মিউঁ মিউঁ করেই যাব। নাকি নিজেদের কোনো বীরকে সামনে এনে সেয়ানে সেয়ানে টক্করে যাব- ১৯৭৪ এ ভারতের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার পর ভূট্টো ঘাস খেয়ে হলেও সেই বোমা বানাোরে ঘোষণা দিয়েচিলো এবং তারা সেটা বানিয়েছে।
তাদের আছে মোহাম্মদ ঘোরী,সুলতান মাহমুদ, নাদের শাহ-যারা পাকি না হলেও বারবার ভারত আক্রমণকারী।

ভারতের ইন্দ্র,দূর্গা,রাম, লক্ষণ,,পঞ্চপান্ডব আর অগণিত আদিবসী হত্যাকারী আর্য বীর।
কিন্ত বাংলাদেশের ১৯৭১ এর আগে সুলতানদের গোলামী করা বিরাট বাঙ্গালী সেনাদল থাকলেও কোনো একক বীর নাই,যিনি বাংলাকে স্বাধীন করতে পেরেছিলেন।তিতুমীর সূর্যসেন এদের বিরুদ্ধে ততটা কার্যকর না।
এবং বাংলাদেশের অবশ্যই পারমাণবিক বোমা নাই,যা খুবই দরকার ছিলো।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: স্নায়ুযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্টের নেতৃত্বে বিশ্বে ইউনিপোলার অবস্থার সৃষ্টি হয় যা এখন আবার চীনের অবিশ্বাস্য উল্লফনে বাইপোলারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। যার কারণে ট্রাম্প মরিয়া হয়ে পুনরায় সেই পরাক্রমশালী ইউনিপোলার ব্যবস্থার দিকে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে নানামুখী পদক্ষেপে চীনকে রুখে।

রাম মিথিক্যাল। চন্দ্রগুপ্তের শাসন ও চানক্যনীতি দ্বারা ভারত প্রভাবিত। তাই সেই চানক্যের যুগেই যে মোদিরা যেতে চাইবে তা নানামুখী কথাবার্তাতে স্পষ্ট করেছে। আর হিন্দু ও জৈন ধর্মে পার্থক্যটাও সামান্য।

কাশ্মীর-গুজরা-উত্তরপ্রদেশ আর দিল্লী রাস্তায় দিনে দুপুরে মুসলমান হত্যা আর নারী ধর্ষণের পর এসবরে বাকী আছে কি? -- এখনো ভারতে ভালো মানুষের সংখ্যার হার মোদী গং এর সংখ্যার চেয়ে বেশি। কিন্তু এই ধারা চলতে থাকলে.....

ছোটা হিরোদের গ্লোরিফাই করে মহীরুহ বানানো যেতে পারে যদি অর্থ-বিত্ত ও এজেন্ডা থাকে।

৮| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:০৮

শায়মা বলেছেন: কি যে বলো এই গান কি যথেষ্ঠ নহে?

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: তারচেয়ে এটা শুনুন। কিছু সময়ের জন্য বিনুদুন পাবেন। না ছাড়ার জন্য কত আকুতি...। :`>

৯| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:১২

আমি সাজিদ বলেছেন: এরতুগ্রুল সিরিজে একটু বাড়াবাড়ি করসে। ওইটা সবাই করে। কিন্তু অটোম্যান সম্রাজ্য তো মিথ্যা না। তার উপর, আসলেই উপজাতি যোদ্ধাই প্রথন ওসমানের বাবা ছিল। সিরিজ দেইখা আবেগে সমালোচনা করার চাইতে হিস্ট্রি বই পড়া ভালো।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: আমি মনে হয় লেখাতে কিছুই বোঝাতে পারি নি। :(


আপনি যদি দয়া করে শেষের প্যারাটি কয়েকবার পড়েন তাহলে কৃতার্থ হবো।

১০| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:২০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: গুপ্তচরদের দিয়ে বানানো যেকোন জিনিস আমার প্রিয় । তবে নেটফ্লিক্সে কিছু ক্ষেত্রে সত্য আড়াল করা হয়

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: ডার্ক ম্যান বলেছেন: গুপ্তচরদের দিয়ে বানানো যেকোন জিনিস আমার প্রিয় । -- এ ধরনের বিষয়ে বেশির ভাগ দর্শকেরই আকর্ষন থাকে।

তবে নেটফ্লিক্সে কিছু ক্ষেত্রে সত্য আড়াল করা হয় -- নেটফ্লিক্সে আড়াল করলেও সেটা তাদের শুধুই ব্যবসায়ীক পলিসি...। কিন্তু অন্যরা যেভাবে ব্যবসার সাথে পলিটিক্যাল এজেন্ডা বাস্তবায়নে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে সেটাই ভয়ঙ্কর....।

১১| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংগালীরা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন, সেটা চিনিয়েও এনেছেন; কিন্তু ভুল নেতৃত্বের অধীনে ঘটেছে: শেখ সাহেব পাকী কারাগারে থেকে ধরে নিয়েছিলেন যে, উনার নামেই স্বাধীনতা এসে গেছে; আরেকজন কলিকাতায় নিজের রুমে ৯ মাস বসে থেকে বুঝতে পারেনি যে, কিভাবে পাকীরা কাবু হলো; এরা ২ জনেই মানুষের বিশাল অবদান, ভয়ংকর কষ্ট, অসীম সাহসিকতা ও ভালো থাকার স্বপ্নকে অনুধাবন করতে সক্ষম হয়নি; ফলে, আমরা প্রাণ দিয়েও ঠিক আগের অবস্হানে, যাযাবর।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: কিছুটা সত্য হলেও এই পোস্টের বক্তব্য অন্য ছিল কিন্তু...। :(

১২| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৩:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: অমর্ত্য সেনের কথাটা মনে ধরেছে।

আমি নিজেই তো মুভি দেখছি। হাতের কাছে যেটা পাই সেটাই। অবশ্য প্রচুর বইও পড়ছি।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: দেখুন.......মনের আনন্দে দেখুন......টুপি পরে দেখতে না বসলেই হলো......টুপি পরে দেখার অনেক কিছুই আছে মিডিয়াতে সেগুলোতে আপত্তি নেই......কিন্তু এজেন্ডাভিত্তিক কোনো কিছু দেখলে ওগুলো ছাড়াই দেখুন.....ঘৃনার বীজ বোনা থেকে বিরত থাকুন।

১৩| ২৪ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:৫০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আর কত দেখবো ছবি । বইও পড়তে মন চায় না এখন।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি না পড়েই মন্তব্য করেছেন মনে হয় মহামতি ব্লগার নেওয়াজ আলি। দয়া করে যদি...

১৪| ২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩৪

পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: আপনার অবজারভেশন আর লেখার ধরনী ভাল লাগল, শ্যালো পোস্টের ভিড়ে চিন্তার খোরাক দেয়া পোস্টের এত আকাল ব্লগোস্ফিয়ারে। (যদিও কিছু কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে পাঠক শ্রেনীর অনেকে পোস্ট না পড়ে স্ক্রিনিং করে কি-ওয়ার্ড এর বেজিজে পোস্ট জাজ করেন)

সামস্টিক পরিচয়কে লাথি মারার পর্ব আরো বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু, চা-ওয়ালার ১ম টার্ম (২০১৪) থেকেই, তবে এন্টারটেইনমেন্ট দুনিয়া এত তাড়াতাড়ি টার্ন নেবে এইটা অনেকেই হজম করতে পারে নাই, ভারতের বাজারি এন্টারটেইনমেন্ট দুনিয়া এতদিন ব্যাবসা কেন্দ্রিক ই ছিল, সেকুলার লিবারেল পরিচয় নীয়ে বেশি আপত্তি ছিল না, ২০১৪ এর পরপর এই টার্ন্টা মারাত্বক। নিজেদের ব্রেইনলেস প্রোডাকশন বানানোতেই এদের কাজ থেমে নেই, লিবারেল সেকুলার যেকোন প্রোডাকশনকে ঠেঙ্গিয়ে থামানোতেও এরা সমান উতসাহী (যেমন নেটফ্লিক্স এর লায়লা এর উপর গেরুয়াধারীদের তীব্র ক্ষোভ, আইএমডিবিতে রেটিং আক্রমন)।
সময় থাকলে লায়লা দেখার ট্রাই করতে পারেন, প্রোডাকশন হিসেবে তেমন ভাল না, তবে যে ডিস্টোপিয়ান গেরুয়া ভারতের ছবি লায়লাতে দেখানো হচ্ছে, ২০২০ এর ভারত তার থেকে বেশি দূরে না ।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: সামস্টিক পরিচয়কে লাথি মারার পর্ব আরো বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু, চা-ওয়ালার ১ম টার্ম (২০১৪) থেকেই, তবে এন্টারটেইনমেন্ট দুনিয়া এত তাড়াতাড়ি টার্ন নেবে এইটা অনেকেই হজম করতে পারে নাই, ভারতের বাজারি এন্টারটেইনমেন্ট দুনিয়া এতদিন ব্যাবসা কেন্দ্রিক ই ছিল, সেকুলার লিবারেল পরিচয় নীয়ে বেশি আপত্তি ছিল না, ২০১৪ এর পরপর এই টার্ন্টা মারাত্বক। -- ঠিক ধরেছেন। সাধারণত মিডিয়ার প্রভাবশালী লোকজন সেকুলার প্রকৃতির হয়। এবং বলিউড এই ধারা সব সরকারের আমলেই সেভাবেই বয়ে নিয়ে আসছিল। কিন্তু এখন অবস্থা ভিন্ন...। নানামুখি কার্যকলাপে সেই বহুত্ববাদীতা এখন মার খেয়েছে ভীষণভাবে। এই টার্ন যে দেশের জন্য আশু সুফল বয়ে আনবে না তা অচিরেই এর কুশিলবরা টের পাবেন হয়ত। এক্সট্রিম চিন্তা-ভাবনা কোনো দেশ ও জাতির জন্যই শুভ নয়। আশির দশকের সেই পাকিস্তানের প্রগতিশীলতা থেকে রক্ষনশীলতার দিকে ইউটার্ন এখন হাড়ে হাড়ে তাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে কি ভুলটাই না তারা করেছে। নিজেরাই নিজেদের শত্রু হয়ে গেছে। ভারতও সেদিকেই এগুচ্ছে।

১৫| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৪৬

নিমো বলেছেন: propaganda "begins where critical thinking ends.

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: উপমহাদেশে যেভাবে এর বিস্তার হচ্ছে সামনে হয়ত আরো অনেক কিছুই দেখতে হবে। এমনিতে ভুখা-নাঙ্গা জাতির খাদ্যের যোগান নিয়ে ত্রাহি অবস্থা সরকারগুলোর, সেখানে করোনা এখন মরার উপর খাড়ার ঘা। এখন সাথে যদি ধর্মান্ধদের উল্লফ্ন শুরু হয়, তাহলে খবর আছে এ জাতির।

১৬| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১২:৪৩

নিমো বলেছেন: এরদোগানের বাজীর ঘোড়া এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য
এই জায়গায় আমি আপনার সাথে কিছুটা বিনয়ের সাথে দ্বিমত করতে চাই। এরদোগানকে আমি বাংলার নোবল ম্যানের চেয়ে খুব উঁচু পর্যায়ের কিছু মনে করি না।
https://www.nytimes.com/2019/06/02/world/middleeast/crown-prince-mohammed-bin-zayed.html

Yousef Al Otaiba is the most charming man in Washington

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:২১

আখেনাটেন বলেছেন: নিউইয়র্ক টাইমসের লেখাটি আমি আগেও পড়েছিলাম। ঐ লেখার প্রেক্ষাপট ছিল একটি তখন।

নিমো বলেছেন: এরদোগানের বাজীর ঘোড়া এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য
এই জায়গায় আমি আপনার সাথে কিছুটা বিনয়ের সাথে দ্বিমত করতে চাই। এরদোগানকে আমি বাংলার নোবল ম্যানের চেয়ে খুব উঁচু পর্যায়ের কিছু মনে করি না।
---- আপনি যদি সৌদি কিংবা আমিরাতের সাথে এরদোগানের প্রভাব তুলনা করেন সেক্ষেত্রে ঠিক আছে। পূর্বের দুইটার মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব অবিসংবাদিত।

কিন্তু অটোমানরা সেই বিংশ শতাব্দির শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে হালে পানি পাচ্ছিল না। একবিংশ শতাব্দিতে এসে এরদোগানই আবার সেই তারছেড়া গিটারে সুর তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেটা ভালোভাবেই। যার কারণে সৌদির সাথে তুরস্কের সম্পর্ক এখন আদায় কাঁচকলায়। নানা ইস্যুতে দুই দেশ লেগে যাচ্ছে। কারণ সৌদিরা মুসলিম বিশ্বের একাধিপতির স্থানচ্যুত হওয়ার ভয়ে সন্ত্রস্ত। মধ্যপ্রাচ্যের তুরস্কের প্রভাব কমানোর জন্য কাতারে সাথে সম্পর্কচ্যুত, লিবিয়াতে ঠোকাঠুকি, মিশরের সাথে গন্ডগোল, আমিরাতের গোয়েন্দা আটক, সৌদিতে মালামাল ঢুকতে না দেওয়া, টিভি চ্যানেলে তার্কিশ সিরিজ দেখা বাতিল, কন্স্ট্রাকশন ফার্মের চুক্তি বাতিল, সুদানে মিলিটারি কু'তে টক্কর ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবই এরদোগানের নীতির কাউন্টার...।

যাহোক, এ নিয়ে বিস্তারিত একটি পোস্টই লেখা যায়।


১৭| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১২:৫৪

নিমো বলেছেন: পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: আপনার অবজারভেশন আর লেখার ধরনী ভাল লাগল, শ্যালো পোস্টের ভিড়ে চিন্তার খোরাক দেয়া পোস্টের এত আকাল ব্লগোস্ফিয়ারে। (যদিও কিছু কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে পাঠক শ্রেনীর অনেকে পোস্ট না পড়ে স্ক্রিনিং করে কি-ওয়ার্ড এর বেজিজে পোস্ট জাজ করেন)
Bullseye

পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: সময় থাকলে লায়লা দেখার ট্রাই করতে পারেন, প্রোডাকশন হিসেবে তেমন ভাল না, তবে যে ডিস্টোপিয়ান গেরুয়া ভারতের ছবি লায়লাতে দেখানো হচ্ছে, ২০২০ এর ভারত তার থেকে বেশি দূরে না ।
সঠিক। তবে আমার কাছে এটাকে মার্গারিট অ্যাটউডের The Handmaid's Taleকে ভেঙ্গেচূড়ে ভারতীয় ছাঁচে ফেলে দেখার চেষ্টা বলে মনে হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদী তার এই নূতন ধর্মযুদ্ধে অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে গেছে বলে মালুম হচ্ছে অন্তত কানহাইয়া কুমারের নূতন করে আদালত দর্শন সেই ইঙ্গিতই দেয়।

১৮| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:২১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঘৃনার বীজ বোনা থেকে বিরত থাকুন।


আমি ভালো মানূষদের ভালোবাসি। সম্মান করি। শ্রদ্ধা করি।

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: শুনে খুশি হলুম।

পরীকে ও পরীর বাবাকে ঈদ মোবারক।

১৯| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


খুবই মুল্যবান তথ্য সমৃদ্ধ দুরদর্শী মুলক বিশ্লেষনী মুভি রিভিউ ।
মুভি গুলির অন্তরনিহীত লক্ষ্য ও তাদের লক্ষ্য হাছিলের প্রভাবের
বিষয়গুলি সুন্দরভাবে উঠে এসেছে লেখাটিতে । লেখাটি
প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।

সপরিবারে করোনা আক্রান্তের কারণে মাসাধিককাল প্রিয় সামুতে
বিচরণ করতে পারিনি বলে অনেকের মুল্যবান লেখা দেখা হয়ে
উঠেনি । এখনো শারিরিক দুর্বলতার কারণে সামুতে বিচরণ
অনেকটাই কম । আশা করি খুব শীঘ্রই সামুতে নিয়মিত
লিখতে পারব। আমার জন্য দোয়া করবেন ।

ঈদ শুভেচ্ছা রইল

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ২:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: আপনাকে অনেকদিন পর ব্লগে দেখলাম প্রিয় ব্লগার। আপনাদের মতো গুণীজনেরা ব্লগে থাকলে সমৃদ্ধ মনে হয়।

আপনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে পূর্ণোদ্যমে ফিরে আসুন এই কামনা রইল।

ঈদের শুভেচ্ছা রইল। সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন।

২০| ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৪৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এবারের ঈদ কেমন কাটালে???

০৪ ঠা জুন, ২০২০ রাত ১০:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: :( :( :(( :((

২১| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:২৪

জুন বলেছেন: আমি অনেকদিন টিভি থেকে দুরে ছিলাম আখেনাটেন। কিন্ত এই করোনাকালে দেখা ম্যুভিগুলোই আবার দেখছি যেমন এঞ্জেলিনা জোলির ম্যাল্ফিসেন্ট, মিশেল ফিফারের স্টারডাস্ট, মাম্মি, রিটার্ন অভ মামি ( এইগুলা দেখি পিরামিডের কারিকুরি দেখার জন্য) জার্নি টু দ্যা সেন্টার অভ দ্যা আর্থ, আরও এই টাইপের হ্যাপি এন্ডিং সিনেমা। দুক্কের সিনেমা দেইখা মনটারে আরও খারাপ করতে চাই না :(
আপনে যেগুলোর নাম দিছেন সেগুলা কি দুক্ষের না সুখের জানাইয়েন একটু ফারাও সাহেব :>

১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা; এগুলো বেশির ভাগই খটমট সিরিজ। এগুলো আপনার না দেখায় ভালো। মজা পাবেন না মনে কয়। এই বেনজীর সময়ে ট্রাজেডি টাইপ সিরিজ দেখে হার্টের অবস্থা আরও কাহিল করার মানেই হয় না। :((

আপনি যে গুলো দেখছেন ওগুলো সকলেরই ফেভারিট। :D

তবে এখন নেটফ্লিক্স চালু হওয়ায় মানুষ ওয়েব সিরিজের প্রতি ঝুঁকছে। আর এতে নানামুখি এজেন্ডা সুচারুভাবে বাস্তবায়নের সুযোগও বেশ ভালোভাবেই তৈরি হয়েছে।

শুভেচ্ছা নিবেন জুনাপা।

২২| ১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:১৭

শায়মা বলেছেন: অট: একটা গোপন কথা কই কাভা ভাই। আলেকজান্দ্রিয়া ভ্রমণের উপর ঐ লেখাটা যখন গার্বেজ হিসেবে গণ্য হল, তখন রাগে-শোকে একটি মারাত্মক স্যাটায়ার লিখলাম মডুর চন্ডি-পিন্ডি উদ্ধার করে। অবশ্যই ব্লগে পোস্টের জন্য নয়। শুধুই নিজের পড়ার জন্য। হা হা হা হা। আমি নিশ্চিত আপনি তা পড়লে কচু গাছের সাথে লটকে যেতেন। কারণ লেখাটা এতই বিধ্বংসী ছিল যে আমি নিজেই টমকে ফাঁদে ফেলে জেরি যেমন মজা লুটত সেরকম উল্টাপাল্টা গড়াগড়ি খেতাম। হা হা হা। :P :-P =p~


হাহাহাহাহহাহাহাহা ভাইয়া তুমি মনে হয় ছোট বেলায় আমার চাইতেও শয়তান বাচ্চা ছিলে...

ঐ গুরু গম্ভীর পোস্টে হাসাহাসি করে মার খাবার ভয়ে এইখানে এসে বললাম!!! :P

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: তুমি মনে হয় ছোট বেলায় আমার চাইতেও শয়তান বাচ্চা ছিলে... --- আপনি তো দেখছি বাচ্চা ভয়ঙ্কর ছিলেন মনে হচ্ছে। :(( X(

বিড়ি খাওয়ার পর রামধোলাই খাওয়ার সেই ইতিহাস শুনিয়েছিলুম মনে হচ্ছে। শয়তানির চেষ্টা করতে গিয়ে কার্পেটধোলাইয়ে যার সমাপ্তি ঘটেছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। :P








২৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া মাঝে মাঝেই আমার মনে হয় আমার বাচ্চাবেলার কাহিনী লিখি........সে সব কাহিনী আবার মুখে মুখে প্রচলিত ছিলো আমার নানু দাদু বাড়ীতে। ........ :P

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: লিখে ফেলুন তাড়াতাড়ি। পাঠকেরা এ ধরনের লেখা নি:সন্দেহে কোঁৎ করে গিলে খাবে। কারো ছোটবেলার বাঁদরামীর গল্প শুনতে মানুষ বিরক্ত হবে নিশ্চয়। :D

আমিও চিন্তা করছি মজার মজার কিছু ঘটনা শেয়ারের। এট লিস্ট দলিল হিসেবে থেকে গেল। বুড়ো হলে পরের প্রজন্ম জানবে সেগুলো। :P

২৪| ২৪ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩০

জেন রসি বলেছেন: গেম অব থ্রোনস দেখার পর আর কোন টিভি সিরিজ সেভাবে টানছে না। এই যে পুরো পোস্ট জুরে যা বললেন তার সবকিছুই মনে হয় সে টিভি সিরিজে পেয়ে গেছি। "sacred games" দেখেছি। বাকিগুলো দেখব দেখব করেও দেখা হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.