| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আকরাম
সাইকোথেরাপী অন লাইন *****www.psychobd.com
জননন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের কত সম্পদ তা নিয়ে চারদিকে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি কে কত ভাগ পাবেন তা নিয়েই মূলত এত গুঞ্জন। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হচ্ছেন মা অয়েশা ফয়েজ, স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, তার দুই পুত্র নিষাদ ও নিনিত, প্রথমপক্ষের চার সন্তান নোভা, শীলা, বিপাশা ও নুহাশ।
সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে হুমায়ূন আহমেদ সম্পদ হিসেবে রেখে গেছেন অনেক কিছুই। এরমধ্যে রয়েছে ৩৬২টি বই, স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে গাজীপুরের পিরুজালিতে নুহাশ পল্লী, সেন্ট মার্টিনসে বাড়ি সমুদ্র বিলাস, ধানমন্ডির ৩/এ সড়কে দখিন হাওয়ায় ফ্ল্যাট, মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৫ কাঠার প্লট, উত্তরায় পাঁচ কাঠার আরও একটি প্লট, গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় ফসলি জমি। এছাড়াও ধানমন্ডির ১০/এ সড়কের পাঁচতলা একটি বাড়ি তার হলেও সেটি তিনি দিয়ে গেছেন তার সাবেক স্ত্রী গুলতেকিনকে। ধানমন্ডিতে আরও একটি বাড়িও গুলতেকিনকেও দেওয়া হয়েছে। ২০০৩ সালে গুলতেকিন ও হুমায়ূন আহমেদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর পর ২০০৫ সালে বিয়ে করেন মেহের আফরোজ শাওনকে। হুমায়ূন আহমেদ ব্যাংকে কত টাকা, এফডিআর, কোনো বীমা রেখে গেছেন কিনা কিংবা অন্য কারও কাছে কোনো টাকা রেখে গেছেন কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি। তিনি কারও কাছে কোনো টাকা পাওনা রয়েছেন কিনা তাও জানা যায়নি।
তবে জানা গেছে, নুহাশ পল্লী হুমায়ূন আহমেদ কাউকে দিয়ে যাননি। সেন্ট মার্টিনসের সমুদ্র বিলাস বাড়িটি তার স্ত্রী শাওনের নামে দলিল করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নেত্রকোনার সম্পত্তির একটি অংশে হুমায়ূন আহমেদ গড়ে তুলেছিলেন শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ।
হুমায়ূন আহমেদ মারা যাওয়ার পর তার সম্পত্তি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তার সম্পত্তিতে কে কি পরিমাণ অংশীদার হবেনÑ এ নিয়ে হিসাব মেলাতে চেষ্টা করছেন অনেকেই।
মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬২ এবং মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তারা উত্তরাধিকারী সূত্রে সম্পদের মালিক হবেন। এর মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের মা সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ ও স্ত্রী শাওন আট ভাগের এক ভাগের মালিক হবেন। বাকি সম্পদ একপুত্র সমান দুকন্যা হিসেবে ভাগ হবে নয় ভাগে। নয় ভাগের তিন ভাগ পাবেন তিন মেয়ে। বাকি ছয় ভাগ পাবেন তিন ছেলে। গুলতেকিনের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটার কারণে তিনি হুমায়ূন আহমেদের উত্তরাধিকার নন।
শাওন ও তার দুই ছেলে মিলে হুমায়ূন আহমেদের ষোলোআনা সম্পত্তির ৪৪ শতাংশ মালিকানা পাবেন। নিষাদ ও নিনিত নাবালক হওয়ায় ওই সম্পত্তির দেখা শোনার দায়িত্ব পাবেন মা। তবে এজন্য তাকে তার সন্তানদের অভিভাবকত্ব সনদ নিতে হবে আদালত থেকে।
হূমায়ূন আহমেদের ৩৬২টি বই, সাতটি চলচ্চিত্র, শতাধিক নাটক, কয়েকটি টেলিফিল্মও রয়েছে। এছাড়াও প্রযোজনা সংস্থা নুহাশ চলচ্চিত্র, লীলাবতী কথাচিত্র নামেও দুটি প্রতিষ্ঠান রেখে গেছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো কেমন করে সুরাহা হবে তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
লেখকের বইয়ের মধ্যে অনেক বইয়ের স্বত্ব লেখকের নিজের নামে। ১৯৭৬ থেকে ২০০২ পর্যন্ত প্রকাশিত সব বইয়ের স্বত্ব গুলতেকিনের নামে, ১৯৭২-১৯৭৬ ও ২০০২-২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত বইগুলো লেখকের নিজের নামে এবং ২০০৫ থেকে প্রকাশিত সব বইয়ের স্বত্ব মেহের আফরোজ শাওনের নামে।
এক হিসাবে জানা গেছে, প্রায় ২০০ বইয়ের স্বত্ব গুলতেকিনের নামে, শতাধিক বই শাওনের নামে, বাকিগুলোর স্বত্ব লেখকের নিজ নামে রয়েছে। বইয়ের বিষয়টি কেমন করে ভাগ হবে এ ব্যাপারে এক আইনজীবীর মতে, লেখক যেসব বইয়ের স্বত্ব যার নামে বা যাকে দিয়ে গেছেন এটা তারাই পাবেন। যেগুলো তিনি কাউকে দিয়ে যাননি ও তার নিজ নামে রয়েছে ওইসব বইয়ের স্বত্ব তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ হবে। কপিরাইট আইন অনুযায়ীÑ লেখকের মৃত্যুর পর ৬০ বছর পর্যন্ত তার উত্তরাধিকারীরা বই থেকে রয়্যালটি পাবেন। বইয়ের মতো তার চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিফিল্মেও তারা রয়্যালটি পাবেন। এগুলোর কোনটি তিনি কোন সংস্থার কাছে বিক্রি করে না গেলে তা উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ হবে। আর যেগুলো তিনি বিক্রি করে গেছেন তা ভাগ হবে না। লেখকের নুহাশ চলচ্চিত্র নিজ নামে থাকায় তা উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ হবে। তবে লীলাবতী কথাচিত্রে তিনি ছাড়া তার স্ত্রী শাওন অংশীদার রয়েছেন। শাওনের অংশ তার থাকবে। সব ক্ষেত্রেই শুধু হুমায়ূনের নিজ নামে থাকা অংশ ভাগ হবে।
এসব সম্পত্তির বাইরে তার কোন স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি থাকলে, ওই সম্পত্তি তিনি কাউকে দিয়ে গিয়ে থাকলে তারাই মালিক। আর না দিয়ে গেলে উত্তরাধিকারীরা মালিক। অন্য কোন অংশীদার থাকলে হুমায়ূনের নামে যে অংশ থাকবে এর মালিক হবেন তার উত্তরাধিকারীরা।
আমাদের সময়
২|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৩২
শামীম আরা সনি বলেছেন: গুলশানেও প্লট আছে শুনেছিলাম বোধহয়...
৩|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৩৯
ক্যাকটাস বলেছেন: Jotla pakano
৪|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৫৭
আর.হক বলেছেন: কত সম্পদ কিন্তু কিছুই নিতে পারলো না
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:০১
আকরাম বলেছেন: মারা গেলে, কিছুই সাথে নেওয়া যায় না। তারপর ও তো আমরা লড়াই করি!
৫|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:০৮
প্রল্ল্যেখ বলেছেন: মানুষের খাইয়া দাইয়া আর কাজ কর্ম নাই ??? হুমায়ুন আহমেদের পিছনে লাগসে ??? >
>![]()
৬|
১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৪
আমি তুমি আমরা বলেছেন: অনেক জটিল হিসাব।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৮
জটিল বলেছেন: অনেক কিছু দেখা যাচ্ছে