নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উন্মাদ পথিক

উন্মাদ পথিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা না হয় মেনে নিলাম, কিন্তু আপনারা মানবেন তো?

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:১৩

সংস্কৃতি বলতে আমরা একটি সমাজের সার্বিক জীবনাচরণ বুঝি। যেখানে খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে ধর্ম, পোশাক, অর্থনীতি, রাজনীতি সমস্ত বিষয়গুলো থাকে। আর প্রতিটি সংস্কৃতির একটি নিজস্বতা থাকে।

জাতিগত ভাবে আমরা বাঙালী হওয়ায় আমাদের সংস্কৃতিকে বলা হয় বাঙালী সংস্কৃতি। আমাদের সংস্কৃতিরও নিজস্বতা আছে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে যেয়ে কোন সংস্কৃতিই তার নিজস্বতা ধরে রাখতে পারছেনা। আমাদের ক্ষেত্রেও তাই। আমাদের সংস্কৃতিও এখন বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।

আমাদের বাঙালীদের বর্ষবরণই এখন আমাদের একমাত্র বর্ষবরণ নয়। আমরা এখন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করি। যা আমাদের সংস্কৃতিতে নেই। এছাড়াও আরও অনেক বিষয় আছে। কিন্তু আমার আলোচনার বিষয় এটা না, আলোচনার বিষয় হলো, আমাদের সংস্কৃতি ও আমাদের বুদ্ধিজীবীগণ। যারা আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন! চিন্তিত! তারা দেখছে আমাদের সংস্কৃতি খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তন হচ্ছে। এবং তা ক্রমশ ধর্মকে কেন্দ্র করেই বাড়ছে।

তারা এই ভেবে শঙ্কিত যে “হিজাব আমাদের সংস্কৃতি না, এভাবে চলতে থাকলে শেখ হাসিনাকেও একদিন বোরকা পরতে হবে”। তারা
এটা ভেবেও শঙ্কিত যে, দেশে ধর্ম শিক্ষা বেড়ে যাচ্ছে (তাদের ইঙ্গিত শুধু ইসলাম ধর্ম, অন্যান্য কোন ধর্ম না)।

আচ্ছা আমি না হয় সম্মানিত ব্যক্তিদের কথা মেনে নিলাম যে, হিজাব আমাদের সংস্কৃতি না। কিন্তু সম্মানিত বুদ্ধিজীবীগণদের কাছে জানতে চাচ্ছি, আপনারা কি মেনে নিবেন আমরা যা বলবো?

আমাদের সংস্কৃতিতে কিন্তু থার্টি ফার্স্ট নাইট ছিল না, আমাদের সংস্কৃতিতে কিন্তু মিনিস্কার্ট ছিল না। ছিল না জিন্স, ছিল না টপস। আরও ছিল না ববকাট। টি-শার্টের কথা বললেও চলে আসবে যে সেটাও ছিল না। ছিল না ম্যাকডোনাল্ড, ৩এক্স রাম, ভোদকা, রয়েল স্টেজ, নাম না জানা আরও অনেক বড় বড় বোতলও কিন্তু ছিল না।

এগুলোকে নিষিদ্ধের আবেদন কি আপনারা একবারও জানাবেন? এগুলোর প্রতি কি একবারও আপনারা আপত্তি প্রকাশ করবেন?
আমি জানি আপনারা করবেন না। কারন হিসেবে বলবেন, উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে গেলে এগুলো দরকার। কিন্তু হিজাব কি তাল মেলাতে কখনো বাঁধা দিয়েছে? কখনো শুনেছেন কোন মেয়ে হিজাব পরে অস্বস্তিতে ভুগছে?
এর দুইটার উত্তর কিন্তু বারবার 'না' এসেছে।
তারপরও আপনারা হিজাবের এলারজিতে ভুগবেন। কিন্তু ঐ অপসংস্কৃতির প্রতি একবারও আপত্তি জানাবেন না।
আর হ্যাঁ যা বলছিলাম, "আপনাদের কথা মেনে নিলাম, হিজাব আমাদের না, ওটা আমরা রাখবো না। কিন্তু আমাদের কথা মেনে নিয়ে কি আপনারা থার্টি ফার্স্ট, ভ্যালেন্টাইন, মিনিস্কার্ট, জিন্স, টপস, টিশার্ট, বড় বড় বোতল গুলোকে নিষিদ্ধ হিসেবে মেনে নিতে পারবেন? সম্মানিত বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের সবাইকেই বলছি একটু ভাবুন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৪৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: Click This Link

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:১২

উন্মাদ পথিক বলেছেন: আপনার লেখাটা অনেক ভালো। মানসম্মত লেখা।

২| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৭

জাহিদ অনিক বলেছেন: শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)

এই লেখাটা দেখি নি আগে, পড়ে নিলাম । বেশ ভাল বলেছেন ।

সত্যের ছায়া'র ফিরে আসা এবং বাংলাদেশ থেকে সাংস্কৃতিমনাদের কালো ছাগল তাড়ানোর ঝাড়ফুক দেয়া!!

ঠিকই বলেছিলেন, শিক্ষিত হতে হবে ।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:১৩

উন্মাদ পথিক বলেছেন: শুধু শিক্ষিত না ভাই, বিশাল হৃদয়ের অধিকারী হওয়া উচিৎ।

৩| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:০২

কানিজ রিনা বলেছেন: আমাদের দেশে ৯০ ভাগ মুসলিমের বসবাস
আর মুসলিম ধর্মে নারীর পর্দা ফরজ্
আমি মুসলিম নারী হিসাবে বলব পর্দা
আমার ব্যক্তিগত অধিকার। অথচ পাশ্চাত্য
সাধীনতা ঝড়ের গতিতে বয়ে যাচ্ছে কি
নারী কি পুরুষ। শহর থেকে মফস্যলে।
আমাদের দেশে পাশ্চত্য আধুনিকতায়
পরিবার সমাজ রাষ্ট্রে পচন ধরেছে। শুধু
পোশাকে নয় জীবন যাত্রায় প্রতিটা ক্ষেত্রেই
পচন। শিক্ষার সাথে মানসীকতা পরিবর্তন
না আসলে, পরিবারের বাবা মা সচেতন
না হলে। সরকারের একার পক্ষে এপচন
ঠেকান সম্ভব না। শিক্ষক অভিবাবকদের
দায় দায়ীত্ব্য আছে বৈকি।
আমরা বেশী ক্ষতি গ্রস্ত নানান জাতীয় নেশা
দ্রব্যের অঢেল ব্যবসা,টেলিফোন ইন্টারনেট
পর্নগ্রাফী,স্যাটেলাইট টেলিভিষনে নগ্ন ছবি।
প্রতিটা পরিবারের সন্তানেরা মানষীক
বির্পয বাবা মা ট্যাকেল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
ধন্যবাদ

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:১৪

উন্মাদ পথিক বলেছেন: ৯০% তারপরও যেন আমরা অসহায়! ভাবতেই অবাক লাগে!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.