| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মি. আলম
আমি সব সময় স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখতে আমার ভালো লাগে ।
![]()
বৈদ্যুতিক বাতি থেকে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরির দ্বারপ্রান্তে চীনা গবেষকেরা। এ পদ্ধতিটিকে গবেষকেরা বলছেন ‘লাই-ফাই’।
গবেষকেদের দাবি, লাই-ফাই পদ্ধতিতে প্রচলিত ওয়াই-ফাই পদ্ধতির চেয়ে ১০ গুণ দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তর করা সম্ভব। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লাইট এমিটিং ডায়োড বা এলইডি বাতি ব্যবহার করে তথ্য স্থানান্তরের পদ্ধতিটি গত দুই বছর ধরে আলোচনায় রয়েছে। এর আগে জার্মান গবেষকেরা দাবি করেছিলেন যে, লাইট এমিটিং ডায়োড বা এলইডি ব্যবহার করে তাঁরা প্রতি সেকেন্ডে ৮০০ মেগাবিট গতিতে তথ্য স্থানান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এ পদ্ধতিতে এলইডি ব্যবহার করে ডিজিটাল তথ্যের সংকেত পাঠানো হয়। একটি লাইট সেন্সর এলইডি থেকে পাঠানো তথ্য শনাক্ত করতে পারে, যা পরে কম্পিউটারে প্রসেসিং করা সম্ভব হয়। গবেষকেরা এ পদ্ধতিটির নাম দিয়েছেন ‘লাই-ফাই’।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, লাই-ফাই ব্যবহার করে হাই-ডেফিনেশন মানের চলচ্চিত্রও এক মিনিটেই ডাউনলোড করা সম্ভব। আর বাড়ির প্রতিটি বৈদ্যুতিক বাতিকে লাই-ফাই প্রযুক্তির রাউটার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটে তারবিহীন প্রযুক্তির ইন্টারনেট হিসেবে কাজ করতে পারে।
এবারে চীনের ফুডান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট গতিতে তথ্য স্থানান্তরের ক্ষেত্রে মাইক্রোচিপযুক্ত এলইডি বাতি কাজে লাগানো সম্ভব। এক ওয়াটের একটি বাতি কাজে লাগিয়ে চারটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ চালু রাখা সম্ভব বলেও গবেষকেরা মনে করছেন।
লাই-ফাই প্রযুক্তি ভিজিবল লাইট কমিউনিকেশনস বা ভিএলসি নামেও পরিচিত। এ পদ্ধতিতে প্রচলিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তে লাইট ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়। গবেষকেদের দাবি, এ পদ্ধতির নেটওয়ার্ক হবে নিরাপদ ও অর্থ সাশ্রয়ী।
গবেষকেরা বলছেন, লাই-ফাই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোচিপ উন্নয়ন ও নকশার ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করতে হবে। তাই শিগগিরই এ প্রযুক্তি হাতের নাগালে আসছে না। তবে নভেম্বর মাস নাগাদ চীনের শিল্প মেলায় ‘লাই-ফাই’ যন্ত্র পরীক্ষামূলক প্রদর্শন করতে পারে চীনা গবেষকেরা।
©somewhere in net ltd.