নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ,মৃত্যুই সেখানে শেষ কথা নয়

মোগল সম্রাট

মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা...ও বন্ধু...

মোগল সম্রাট › বিস্তারিত পোস্টঃ

রমযান ও রোযা বিষয়ক কিছু প্রশ্ন-উত্তর (পর্ব-৩)

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৮

প্রশ্নঃ তারাবীর নামায ২০ রাকাআত আদায় করতে হয়। কেউ যদি বিশেষ কারনে ১২ রাকাআত বা ১৬ রাকাআত আদায় করে এটা যায়েজ কি না?
উত্তরঃ আপনি সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন। কিছু কমবেশি হলে কোনো সমস্যা নেই। এটা সুন্নাত নামায। জামাআতে না পারেলে ঘরে পড়বেন। পূর্ন না পারলে কিছু পড়বেন, আল্লাহ কবুল করুন। আমীন।

প্রশ্নঃ আমি যদি বাসায় আমার মা, ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে তারাবীহ নামায পড়ি তাহলে কি আমার তারাবীহ নামায হবে?
উত্তরঃ পুরুষদের জন্য ইশার সালাত জামাআতে আদায় করা এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ওয়াজিব বা অনেকের মতে ফরজ দায়িত্ব। কাজেই আপনি এবং সকল পুরুষ অত্যন্ত কঠিন অসুস্থ্য না হলে অবশ্যই ইশার সালাত মসজিদে জামাআতে আদায় করবেন। এরপরে বাড়িতে এসে যদি একা অথবা পরিবারের লোকদের নিয়ে জামাআতে তারাবীহ আদায় করেন, এটা ভালো। তবে সেক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কাতার অবশ্যই ভিন্ন হতে হবে। একজন হলেও। আপনি সামনে দাড়াবেন। আপনার স্ত্রী পেছনে। যদি স্ত্রী, মেয়ে, মা থাকে-তারা এক কাতারে দাড়াবেন। যদি ছেলে ও অন্যান্য পুরুষেরো থাকে তারা- এক কাতারে দাড়াবে। কাতার পৃথক করে এভাবে আপনারা তারাবীহ জামাআতে পড়তে পারেন। এমনকি রাতের তাহাজ্জুদ এভাবে পরিবারের সবাইকে নিয়ে জামাআতে পড়া যায়।

প্রশ্নঃ আমরা অনেক সময় মসজিদে গিয়ে দেখি তারাবীর নামায ছয় রাকাআত বা আট রাকাত চলছে। এই অবস্থায় কি করনীয়? একা একা ইশার নামায পড়লে জামাতের ছওয়াব পাবো কি না?
উত্তরঃ প্রথমেই আপনি ফরজ সালাত আদায় করবেন। এরপর দুর রাকআত সুন্নাত আদায় করবেন। তারপর তারাবীহতে শরিক কবেন। স্বভাবতই আপনি জামাআতের ছওয়াব পাবোনা। আর এটা যেন অভ্যাসে পরিনত না হয়।ইশার সালাত জামায়াতে আদায় করা ওয়াজিব পর্যায়ের ইবাদত। জামাআত নষ্ট করলে গোনাহ হবে। তারাবীহর নামায জামাআতে আদায় করা নফল সুন্নাত। ঘরে আদায় করলে গোনাহ হবে না। তাই যদি আপনার তারাবীহর জামাআত ধরার আগ্রহ হয় আর ইশার জামাআত ছুটে যায়-এটা খুবই দুঃখজনক।

(সুত্রঃ জিজ্ঞাসা ও জবাব(প্রথম খন্ড)-ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর)

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: আমাদের উচিত পবিত্র রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করা।

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: আমীন....

২| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:০১

অনুতপ্ত হৃদয় বলেছেন: রমাদান করিম

৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: মাহে রমজানে তারাবি নামাজ পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা বা জরুরি সুন্নত।
কিন্তু তারাবীর বিষয়টি নিয়ে মানুষ এখনও ফিতনায় পতিত আছে। এক পক্ষ বলে ৮ রাকআত তারাবী পড়তে হবে অপর পক্ষ বলে ২০ রাকআত পড়তে হবে। নবী করিম (সাঃ) বেশির ভাগ সময় রাতের শেষাংশে তারাবি আদায় করতেন এবং প্রথমাংশে বিশ্রাম নিতেন। তিনি কখনো আট রাকাত, কখনো ১৬ রাকাত, আবার কখনো ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু বিশেষ কারণবশত নিয়মিত ২০ রাকাত পড়তেন না। কেননা, তিনি কোনো কাজ নিয়মিত করলে তা উম্মতের জন্য ওয়াজিব তথা অত্যাবশ্যকীয় হয়ে যায়। এ করুণা দৃষ্টির কারণে তিনি তাঁর আমলে প্রতিনিয়ত ২০ রাকাত পূর্ণ তারাবি জামাত হতে দেননি। যার দরুন সালাতুত তারাবিহ সুন্নত, ওয়াজিব নয়; তবে সুন্নতে মুয়াক্কাদা বা জরুরি সুন্নত। ২০ রাকাত তারাবি নামাজ হওয়ার সপক্ষে দলিল সহিহ হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, ‘নবী করিম (সাঃ) রমজান মাসে বিনা জামাতে (একাকী) ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করতেন, অতঃপর বিতর নামাজ পড়তেন।’ (বায়হাকি)। তাই তারাবীর সলাতকে ৮ বা ২০ রাকআতে সীমাবদ্ধ করা যাবে না। কেউ চাইলে জামাতের পর আরও অধিক রাকআত পরতে পারেন। তবে দৈহিক বা মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে ২০ রাকাত অথবা কমপক্ষে আট রাকাত তারাবির সুন্নত নামাজ পড়ার সুযোগ আছে।

১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৮

মোগল সম্রাট বলেছেন: সহমত

৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৩

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ মোগল সম্রাট - জনাব,
1. শিয়া মুসলিমরা রোযা রাখলেও তারাবীহ নামাজ পড়ে না বরং উমরী বিদয়াত হিসাবে গণ্য করে।
2. ইসমাইলিয়া আগাখানী-রা নামাজ পড়ে না, রোযা-ও রাখে না,তারাবীহ তো দূরের।
3. আহলে হাদিস/ সালাফী- রা তারাবীহ নামাজ পড়ে তবে আট রাকাত, বিশ রাকাত নয়। হাদিসের reffarence দিয়েই অবশ্য ।

১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪০

মোগল সম্রাট বলেছেন: ''রোযা রমযান মাসের একটা ফরজ ইবাদত। তারাবীহ রমযান মাসের একটা সুন্নাত ইবাদত। দুটো সম্পূর্ণ পৃথক ইবাদত। কেউ যদি তারাবীহ পড়তে না পারেন বা কম পড়েন অথবা একা পড়েন বা মোটেও না পড়েনএর জন্য রোযার কোন ক্ষতি হবে না। তবে রমযান মাসের একটা অত্যন্ত নেক আমল থেকে তিনি বঞ্চিত হবে''

৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১৯

সামছুল মালয়েশিয়া প্রবাসী বলেছেন: ভালো লাগলো ধন্যবাদ।

৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
সব ভুলে গিয়েছিলাম। আপনি মনে করিয়ে দিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.