নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ,মৃত্যুই সেখানে শেষ কথা নয়

মোগল সম্রাট

মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা...ও বন্ধু...

মোগল সম্রাট › বিস্তারিত পোস্টঃ

রমযান ও রোযা বিষয়ক কিছু প্রশ্ন-উত্তর (পর্ব-৪)

২১ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:২৯

প্রশ্নঃ রোযা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহার করার বিধান কি?
উত্তরঃ রোযা অবস্থায় চোখের ড্রপ, কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে। এগুলোর কারনে সিয়াম ভঙ্গ হবে না। এমনকি কানের ওষুধ, চোখের ওষুধের স্বাধ যদি গলায় অনুভুত হয়, তবুও রোযা ভঙ্গ হবে না। কারন, এগুলো পানাহারের বিষয় না। কান এবং চোখ পানাহারের পথ ও নয়। এ জন্য চোখ বা কানে ওষুধ ব্যবহার করলে সিয়াম ভঙ্গ হবে না।

প্রশ্নঃ রোযা রেখে ইনহিলার ব্যবহার করা যাবে কি না?
উত্তরঃ আসলে ইনহিলারের বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে। যেসব ইনহিলারের মাধ্যমে তরল পানীয় পাকস্থলিতে যায়, সেগুলো দ্বারা সিয়াম ভেঙ্গে যাবে বলে অধিকাংশ ফকীহ মত প্রকাশ করেছেন। আর যে ইনহিলারে শুধুমাত্র বাতাস ফুসফুসে যায় এগুলোর মাধ্যমে সিয়াম ভঙ্গ হয় না। মূলত ইনহিলারের প্রকৃতি, এটার ব্যবহার পদ্ধতির উপর নির্ভর করে ‍সিয়াম ভঙ্গ হওয়া অথবা না হওয়া। এই ব্যপারে আমাদের সতর্ক থাকার চেষ্টা করতে হবে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ইনহিলার ব্যবহার করে থাকেন তারা যদি সাহরির সময় এক ডোজ ব্যবহার করেন, সাধারনত ইফতার পর্যন্ত চলতে পারেন। এরপরেও যারা ইনহিলার ব্যবহার করতে বাধ্য হন, তাদের ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিবেন। সর্বোপরি কারো যদি এমন হয়, সিয়ামরত আছেন, ইনহিলার ব্যবহার না করলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন, তিনি অবশ্যই ব্যবহার করবেন। এক্ষেত্রে তার রোযা কাযা করা লাগবে কিনা এ ব্যপারে ফকীহগনের মতভেদ রয়েছে। অনেক ফকীহ বলেছেন ইনহিলার যেহেতু পানাহারের বিধানে নয় এটাতে সিয়াম ভাঙ্গবে না। অন্যরা বলেছেন যদি ইনহিলারের তরল ওষুধ পাকস্থলিতে যায় তাহলে রোযা ভাঙ্গবে নইলে ভাঙ্গবে না।

প্রশ্নঃ রমযান মাসে জামাআতে বিতর নামায আদায় করার পর তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কি না?
উত্তরঃ জি, অবশ্যই পারবেন। অনেক সাহাবি বিতর পড়ে ঘুমিয়ে পড়তেন যদি শেষে ঘুম না ভাঙ্গে সে জন্য। এরপর আবার উঠে তাহাজ্জুদ পড়তেন। এতে কোন সমস্যা নেই।

(সুত্রঃ জিজ্ঞাসা ও জবাব(প্রথম খন্ড)-ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর)

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

কাইকর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। অনেক কিছু জানতে পাড়লাম। ধন্যবাদ আপনাকে

২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:০০

মোগল সম্রাট বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য

২| ২১ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১:৪০

জোকস বলেছেন: ভাইজান, এই দিকে ঘুট ঘুটে অন্ধকার থাকতেই সেহরি খাওয়ার টাইম শেষ। আর ইফতারের সময় প্রায় দিন থাকতে ইফতার করা হয়। এমন কেন হয়?

৩| ২১ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১:৪৬

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: ব্রাশ করা যাবে ?

২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: আপনি মেছওয়াক করতে পারেন

৪| ২১ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: চালিয়ে যান............

২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

মোগল সম্রাট বলেছেন: ইনশাল্লাহ চেষ্টা করবো

৫| ২১ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম। জানলাম।

২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৮

মোগল সম্রাট বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য

৬| ২১ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: @শাহরিয়ার ইমন - রোজা রেখে ব্রাশ করাকে অনেকে মাকরুহ বলেছেন...

২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৮

মোগল সম্রাট বলেছেন: যাযাকাল্লাহ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.