| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোগল সম্রাট
মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা...ও বন্ধু...
সরকার তিনদিন অনলাইন, তিনদিন অফলাইনে ক্লাস চালুর কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস, ইন্টারনেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এসব কি সবার নাগালে আছে? নাকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ধরে নেওয়া হয়েছে, দেশের প্রতিটি পরিবারে একাধিক স্মার্ট ডিভাইস অলস পড়ে আছে?
একজন বাবা, যার তিনটা সন্তান তাকে যদি একসাথে তিনটা ডিভাইস জোগাড় করতে বলা হয়, সেটা কি কোনো বাস্তবসম্মত দাবি? একটা স্মার্টফোন/ ল্যাপটপ/পিসি কিনতেই যেখানে মাসের বাজেট কেঁপে ওঠে, সেখানে তিনটা ডিভাইস কেনা তো অনেকের জন্য কল্পনারও বাইরে। উপরন্তু, ইন্টারনেট খরচ, ডাটা প্যাক, বিদ্যুতের সমস্যা এসব কি কেউ বিবেচনায় নিয়েছে?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, নীতিনির্ধারকরা কি কখনো ভেবে দেখেন, দেশের একটা বড় অংশ মুদ্রাস্ফীতির চাপে এখনো দৈনন্দিন খরচ সামলাতেই হিমশিম খায়? সেখানে এই ধরনের হাইব্রিড সিদ্ধান্ত আসলে শিক্ষার সুযোগ বাড়ায় না বরং বৈষম্য আরও গভীর করে।
যে শিশু ডিভাইসের অভাবে অনলাইন ক্লাস করতে পারবে না সে কি পিছিয়ে পড়বে না? তাহলে এই সিদ্ধান্ত কি শিক্ষাকে সবার জন্য সহজ করছে নাকি কিছু মানুষের জন্যই সীমাবদ্ধ করে দিচ্ছে?
বাস্তবতা বিবর্জিত এমন সিদ্ধান্ত শুধু বিরক্তিই বাড়ায় না মানুষের মধ্যে এক ধরনের হতাশাও তৈরি করে। নীতিনির্ধারণ যদি মানুষের বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয় তাহলে সেটি যতই আধুনিক শোনাক শেষ পর্যন্ত তা হয় অবাস্তব এবং অনেক ক্ষেত্রে অন্যায়ও।
ঢাকা, বুধবার
০১ এপ্রিল, ২০২৬ খৃষ্টাব্দ।
ছবিঃ অন্তর্জাল (আজকের পত্রিকা)
২|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এর জন্য দরকার সঠিক পরিকল্পনা। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে স্কুলে কোনো পড়াশোনা হয়নি। যদি বছরের শুরু থেকেই নিয়মিত ও গুরুত্ব দিয়ে ক্লাস নেওয়া হতো, তাহলে এখন কিছুদিন বন্ধ থাকলেও সমস্যা হতো না।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: অনলাইন ক্লাশ ঠেকায় পড়লে করা যেতে পারে।
এটা নিয়মিত করা ঠিক হবে না।