নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্রিকেটার মুস্তাফিজের উচ্ছসিত প্রসংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৪:৪৫



সংবাদ ভার্সানটুকু দৈনিক জনকন্ঠ( অন লাইন তারিখ : ২৬/০৪/২০১৬ ) থেকে সংগৃহীত । কারো ভাল লাগলে একবার চোখ বুলাতে পারেন ।

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এখন পর্যন্ত কোন ক্রিকেটার যে কাজটি করতে পারেননি, বাংলাদেশ পেসার ‘কাটার মাস্টার’খ্যাত মুস্তাফিজুর রহমান সেই কাজটি করে দেখালেন। কোন ক্রিকেটার তার নিজের ভাষা ভিন্ন ভাষার কোন দলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারেননি। মুস্তাফিজ সেই কাজটি করে দেখালেন। মুস্তাফিজের জন্য আইপিএলের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলটির প্রত্যেক ক্রিকেটার, কর্মকর্তারা তো এখন বাংলা শিখছেন! আর নৈপুণ্যতে এ মুহূর্তে মুস্তাফিজের ধারেকাছে কোন পেসার নেই। তাই পুরো ক্রিকেট বিশ্বের প্রশংসাতেও ভাসছেন এ বাংলাদেশ পেসার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কী আর বাদ যেতে পারেন। নিজের দেশে সন্তান যখন দেশের গর্ব হয়ে ওঠেন, তখন প্রধানমন্ত্রী কী আর প্রশংসা না করে পারেন। মঙ্গলবার মুস্তাফিজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রীও।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইপিএলএ বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানের ‘জাদুকরী’ নৈপুণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একনেক সভার আগে প্রধানমন্ত্রী আইপিএলে মুস্তাফিজের পারদর্শিতার প্রশংসা করেন। পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল একনেক বৈঠক শেষে এ কথা জানান। মুস্তাফিজের পারদর্শিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করে বলেছেন, ‘মুস্তাফিজ জাতীয় বীর। তিনি বাংলাদেশকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সম্মানিত করেছেন। আমাদের প্রশংসিত করেছেন। ক্রিকেটে মুস্তাফিজের অবদানের জন্য জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত।’ পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘মুস্তাফিজ বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর বোলার। এটি অনেক অনেক সম্মানের।’

সাতক্ষীরার ছেলে মুস্তাফিজ। জেলা পর্যায়ে অনুর্ধ-১৬ ক্রিকেট খেলা থেকে তার বেড়ে ওঠা। এরপর ধীরে ধীরে অনুর্ধ-১৯ ক্রিকেট খেলেন। সেখান থেকেই নজরে আসে মুস্তাফিজ। তবে জাতীয় দলের নেটে যখন বোলিং করেন মুস্তাফিজ, একদিন বাংলাদেশ দলের নির্ধারিত ওভারের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা দেখেই মুস্তাফিজের ব্যাপারে কোচ চন্দিকা হাতুরাসিংহেকে বলেন। কোচও তাকে জাতীয় দলে নিতে রাজি হয়ে যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে গত বছর এপ্রিলে মুস্তাফিজকে খেলানোও হয়। প্রথম ম্যাচ থেকেই যে মুস্তাফিজ বোলিং দ্যুতি ছড়াতে থাকেন, তা এখনও বজায় আছে। এখন তো ক্যারিয়ারের ৩৬৮ দিন মাত্র অতিক্রম করতেই বিশ্বের সেরা পেসার ধরা হচ্ছে মুস্তাফিজকেই।

এমনই ঝলক মুস্তাফিজ দেখাচ্ছেন, আইপিএলে এবার তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। আইপিএলের সেরা ‘চমক’ যে এবার মুস্তাফিজ, তা ভারতের পত্রপত্রিকাগুলোও স্বীকার করে নিচ্ছে। কলকাতার সর্বাধিক পঠিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা তো লিখেই দিয়েছে, ‘এখনও পর্যন্ত আইপিএল নাইনের সেরা পেসার যে এক বাংলাদেশী তরুণ, সেটা চমক ছাড়া আর কী! পাঁচ ম্যাচে উইকেট পেয়েছেন সাতটা, আর ব্যাটসম্যানদের কাঁদিয়ে ছেড়েছেন। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে তার

বোলিং স্পেলটাই যার সেরা উদাহরণ ৪-১-৯-২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে নতুন সূর্যোদয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ‘দ্য ফিজ’। টিমে তার গুরুত্ব এতটাই যে, একমাত্র বাংলায় স্বচ্ছন্দ মুস্তাফিজের সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত করতে দোভাষী রাখছে হায়দরাবাদ।’

এমনটি কখনই হয়নি। কোন দল একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে তার নিজের ভাষায় যোগাযোগ রক্ষা করতে দোভাষী রাখেনি। এমনকি দলের সতীর্থরা, কর্মকর্তারা সেই ভাষা রপ্ত করতে উঠে পড়ে লেগেছে, ইতিহাসে এমনও দেখা যায়নি। মুস্তাফিজ তার নিজ গুণে, নৈপুণ্য দেখিয়ে তা করতে পেরেছেন। তাতে করে প্রশংসা তো মুস্তাফিজের প্রাপ্যই।

এক বছর হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন মুস্তাফিজ। এর মধ্যে টেস্ট খেলেছেন ২টি। ৪ উইকেট নিয়েছেন। ওয়ানডে খেলেছেন ৯টি। ২৬ উইকেট নিয়ে নিয়েছেন। টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ১৩টি। শিকার করেছেন ২২ উইকেট। ২০১৫ সালের জুনে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় মুস্তাফিজের। প্রথম সিরিজেই ১৩ উইকেট নিয়ে নেন মুস্তাফিজ। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সিরিজেই সিরিজ সেরা হন। তার ‘কাটারে’ হিমশিম খান রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না, মহেন্দ্র সিং ধোনিদের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা। তিন ম্যাচের কোন সিরিজে সর্বাধিক উইকেট নিয়ে ইতিহাসও গড়েন মুস্তাফিজ। তার ‘কাটারে’ যে ব্যাটসম্যানরা বিদ্ধ হতে থাকেন, এখনও তা চলছে। কোনভাবেই মুস্তাফিজের বোলিং ‘রহস্য’ বের করতে পারছেন না ব্যাটসম্যানরা। কেন এমনটি হচ্ছে? মুস্তাফিজ এমন কথা বলেছেন, তাতে দাঁড়াল তার বোলিং বোঝাই সম্ভব নয়। তাই মুস্তাফিজ বলেছেন, ‘আমার কৌশল রপ্ত করতে গিয়ে নিজেরটা নষ্ট কর না।’

মুস্তাফিজকে নিয়ে সবার ভেতর একটা ভয়ও আছে। যদি ইনজুরিতে পড়ে যান এ পেসার? বিসিবি এ নিয়ে ভালভাবেই মাথা ঘামাচ্ছে। তার সুরক্ষার জন্য যা যা করা দরকার, তাই করবে বিসিবি। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন যেমন মুস্তাফিজের ইনজুরি নিয়ে বলেছেন, ‘কাউন্টি থেকে ওর (মুস্তাফিজের) প্রস্তাব এসেছে। আমরা ওকে যদি পাঠাই তাহলে বোর্ড থেকে নির্দেশনা দেয়া থাকবে। কন্ডিশনগুলো কি ধরনের হতে পারে সেটা জানাচ্ছি।’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘তবে মুস্তাফিজকে দিয়ে লঙ্গার ভার্সন খেলাতে নারাজ নাজমুল হাসান। একই সঙ্গে মুস্তাফিজের সুরক্ষায় যা যা করণীয় সব করতে প্রস্তুত বিসিবি। বিসিবি সভাপতি বলছেন, ‘মুস্তাফিজ লঙ্গার ভার্সন খেলুক, সেটা চাই না। ওয়ানডে ও টি২০ খেলুক। পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে হবে। এগুলো আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। এই সম্পদকে আমরা ইনজুরিতে ফেলে নষ্ট করতে চাই না। বাংলাদেশের জন্য সে অনেক মূল্যবান। সে জন্য আমরা মুস্তাফিজকে সুরক্ষা করব।’

মুস্তাফিজ এখন এক ‘রহস্য’। এ ‘রহস্য’কে যেন হায়দরাবাদও ঠিকঠাকভাবে ব্যবহার করে এ জন্য বিসিবির ফিজিও থেকেও হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। হায়দরাবাদও সেভাবেই মুস্তাফিজকে ব্যবহার করছে। যেন মুস্তাফিজ ইনজুরিতে না পড়ে যায়। এমনই অবস্থা হয়েছে, আইপিএলে সব সময় যেখানে বিরাট কোহলি থাকেন ইন্টারনেটে খোঁজায় শীর্ষে। সেই স্থানটিও মুস্তাফিজ এবার দখল করে নিয়েছেন।

হায়দরাবাদের মেন্টর ভিভিএস লক্ষ্মণ তো মুস্তাফিজের প্রশংসা প্রতি ম্যাচের পরেই করেন। বাংলাও শিখছেন। অনেকটা রপ্তও করে ফেলেছেন। আর দলের অধিনায়ক থেকে শুরু করে ক্রিকেটাররাও বাংলা শেখায় মজেছেন। অধিনায়ক ওয়ার্নার যেমন বলেছেন, ‘মুস্তাফিজের অসাধারণ বোলিং আমায় বাংলা ভাষা শেখায় উৎসাহ দিয়েছে। ওর জন্য আমি ও টম মুডি (কোচ) বাংলা শিখছি। আসলে কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ বড় ব্যাপার; বিশেষ প্রতিভা। তাকে পেয়ে বাংলাদেশ বেশ এগিয়ে রয়েছে। তার বোলিংয়ের সময় গতির পরিবর্তন ও সেগুলোর সার্থক ব্যবহার সত্যিই অসাধারণ। ফিজের বোলিং ভা-ারে শুধু কাটার না, আরও ভয়ঙ্কর অনেক অস্ত্র রয়েছে।’

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:১৪

কালনী নদী বলেছেন: খাটি সোনার মুহুরি সুনা চিনতে ভুল করার কথা না, মাশরাফিভাইয়ের চোখে পড়া এই ব্যক্তিত্ব দেশকে একদিন গর্বে দাড় করাবেন।
ইনশাহআল্লাহ< মাশরাফি ভাইদের চোখের জলের দাম শোধ করে আনবে দেশের দামাল ছেলেরা।
অনেক অজানা তথ্য জানা গেল ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাই, ভারত ১২০ কোটি লোকের দেশ সেখানে গেলে আমাদের দেশের রাজা বাদশাহদেরও নিতান্ত নগন্য মনে হয় , সেখানে এই একটি ২০ বছরের নিভৃত পারাগায়ের ছেলে নীজ যোগ্যতায় ভারতের প্রতিটি মানুয়ের মন জয় করে ভালবাসা ও শ্রদ্ধার আসনে স্থান করে নেয়ার পাশাপশি আন্তর্জাতিক ক্ষত্রেও বাংলাদেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে । তাকে তো হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতেই হয় , সে সাথে মাশরাফি ভাইও প্রসংসার অধিকারী । খবরটি দৈনিক সংবাদ পত্রে প্রকাশিত , ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে সবাই জানবে । কিন্তু দু:খ কি জানেন, যাকে নিয়ে খবরের শীরোনাম সেখানে তার কোন ছবি ছিলনা, ছিল শুধু অনেক বড় করে পিএম এর ছবি , সাংবাদিকতায় ঘুণে ধরেছে কিনা বুঝা যাচ্ছেনা । দিনের অালোতে নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়কে টেলিফোনে ধরব দেখি কি বলে । আমি গুগল সার্চ করে 'পি' টা বাদ দিয়ে 'এম' তথা মোস্তাফিজের ছবিটা জুরে দিয়েছি । যা হোক ভাল থাকুন সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:৪১

কালনী নদী বলেছেন: খুব ভাল করেছেন ভাই তার ছবিটা জুড়ে দিয়েছেন! আরেকটি ব্লগে দেখলাম সুবিধাবন্ঞিত মানুষেরার, রাস্তার বিলবোর্ডে তার ছবি লাগানো হয়েছে মোটামোটি বিত্তিস্থাপন করে কিন্তু সেখানে ইন্ডিয়ার জার্সি পরিহিত।
ইন্ডিয়াতে তারা স্বার্থছাড়া আমাদের সন্তানদের নিয়ে খেলাচ্ছে না কিন্তু বিজ্ঞাপনটাও ভাগিয়ে নিচ্ছে। আমার মনে হয় না সম্পাদক সাহেবকে আর অবগত করে লাভ হবে, যা হবার তাত হয়ে গেছে!
মুস্তাফিজের সুন্দর ছবি দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাইয়া বচন তব শিরোধার্য, বেচে গেল ঘাটের কড়ি ,কি হবে আর সম্পাদক ধরি। ধন্যবাদ অনেক ভাল থাকুন ।

৩| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৩৩

বিজন রয় বলেছেন: ভাল।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এই ভাল কে নিয়ে যাব সেই ভালর কাছে , ভুল যেন না হয় পাছে । অনেক অনেক শূভকামনা থাকল ।

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:০২

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: তিন ম্যাচের কোন সিরিজে সর্বাধিক উইকেট নিয়ে ইতিহাসও গড়েন মুস্তাফিজ। খাঁটি হিরে একটা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান তথ্যের জন্য ।'
শুভেচ্ছা রইল ।

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:২৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: মহোদয় তথ্যটা কিন্তু আপনার পোষ্টে প্রদত্ত।

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৩২

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: দূরন্ত বালক থেকে উড়ু উড়ু চুলের এক পর্যটক ও কবি ডঃ এম এ আলী না জানি আমার নিত্য পাঠ হয়ে পড়ে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ফরিদ ভাই , অআপনার মত এত উচুমানের কবিতা অআমি লিখতে জানিনা , মাঝখানে কবিতার মত দেখায় এমন কিছু লিখেছিলাম । এখন কবিতার মত কিছু লিখতে ভয় পাই । হাতুরে ডাক্তার চিকিৎসা বিদ্যা সম্পর্কে কিছু জানতে পারলে যা ঘটর তাই, সে চিকিৎসার কাজ ভয়ে ছেড়ে দেয় , কবিতা লিখায় আমারো আবস্থাও তাই ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: উচুমানের কবিতা অআমি লিখতে জানিনা কিন্তু মান আসতে কতক্ষণ!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.