নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

শৈশবের স্মৃতি জাগানিয়া কিছু কথামালা................

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৪:৩১


শৈশবের স্মৃতি কেবলি যেন একরাস এলোমেলো কথার ফুল ঝুরি
সেসব কথা মনে করা যতনা সহজ, তার চেয়ে কঠীন মুখে তা বলা,
বয়স বাড়ার কালে মাসি পিশির কাছে গল্প শুনে লজ্জায় ঢাকি মুখখানি
শুনেছিনু যা লজ্জার মোরকে ভরে রেখে দিয়েছিনু তা দাদা মশায়ের থলেয় ।

বয়সকালে দাদা মশায়ের থলে খুলে পাই শুধু রাক্ষস খোক্কস ভুত প্রেত ডাইনিদের কথা,
বয়োজেষ্ঠদের জিজ্ঞাসিলে মিলে যায় অতীত দিনের স্মৃতি জাগানিয়া অনেক গল্প গাথা,
বছর দুয়েক বয়স কালে সকলের অগোচরে বোতলে ভরা পাকা জামের রস ভেবে খেয়েছিনু
দাদুর গ্যটোবাতে মালিসের তরে বোতলে ভরা তারপিন, ফলে ধাবমান ছিলাম অন্তিমের পানে।

ডাক্তার ওজা পীর ফকির ধরে, মুরগী মানত করে, মসজিদে ফিরনী দিয়ে মোনাজাতে বসা
মায়ের ভালবাসা আর সকলের দোয়ার বদৌলতে বিধাতার দয়ায় অন্তিম যাত্রার পথ হয় রুদ্ধ,
বয়োবৃদ্ধির সাথে দাদার গরগড়া হুক্কায় তামাক ঠাসা কলকেতে টিক্কা জ্বালিয়ে আনার পথে
গোপনে চোখ বুজে কষে দিয়ে টান কাশির সাথে বুদ্ধির দরজা একটু একটু করে যায় খুলে।

দুরন্তপনা ক্রমেই যায় যে বেড়ে মানেনা বাঁধন, নদীতে স্নানের কালে গরুর লেজ ধরে করি সন্তরণ
কোন ফাকে মনের ভুলে গরুর লেজ ছেড়ে যাই হারিয়ে গায়ের ছোট নদীর ঘোলা পানির তলে ,

কেমন করে জানি চাউর হয় পাড়াময় জুরে
নদীর জলে ডুবে মরে কিংবা হারিয়ে গেছি আমি,
বন্ধুগন সহ পাড়ার সকল লোক ডুব সাতারের পরে
সম্বিতহীন দেহখানি তুলে আছারী পিছারি করে
বুক চেপে মোর উদর ভর্তী পানি করে নিস্কাসন,
বন্ধুগনে ধরাধরি করে পরে ছেড়ে এলো মোরে
চোখের জলে ভাসা দিশাহারা মায়ের কোলে ।

বর্ষাকালে বিলের স্বচ্ছ জলে ভাসা সাপলা ফুল
কোমরে গুজে ডুব দিই নীচে শালুকের খুঁজে,
ফিরতি পথে দেখা হয়ে যায় পানিতে লুকায়িত
জলজ কন্টকময় পদ্ম ফল মাখনার সাথে

অতি কৌশলে তালুবন্দী করে কতক তার নিয়ে এসে
জুরে দেই পানিতে ভাসা তাদেরি ছোটবোনের সাথে ,

আর চেয়ে চেয়ে দেখি তাদের খিল খিলানী হাসী ।
ডিংগী নৌকার পাটাতনে বসে হিজলের
ফুল ছিড়ে সাথীদের সাথে হৈ-হুল্লুর করি ।

তালপাতার ফালি দিয়ে গড়া খেলার সাথির
পুতুলের বিয়ের বাসর ঘর সাজানোর কথা
যায় না ভুলা, কেমন করেই ভেঙ্গে যে গেল তা
এক নিদারুন কাল বোশেখীর ঝড়ে ,
ভাঙ্গা ঘরের সাথে হারিয়ে গেছে সে,
খরি মাটি দিয়ে দেয়ালের বুকে লিখে গেছে
আবার হবে দেখা পশ্চিমের কোন এক দেশে
বুজেছিনু হয়েছে সে নিরুদ্দেশ, আজো খুঁজি তাকে।

শৈশব কেটে বাল্যের পথ মারিয়ে,
কৈশোর থেকে যৌবন পেরিয়ে
অন্তরজালের পাতায় পাতায় এখন
অগনিত মানব মানবীর সাথে
বিচিত্র সব জীবন কাহিনী করি আবাহন,
বারে বারে শৈশবে ফিরে মধুর স্মৃতিগুলি করি রুমন্থন
কামনা করি সেদিনের দুরন্তপনা দিনের হোক আগমন ।

ছবি সুত্র : অন্তরজাল

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:৩৫

বিজন রয় বলেছেন: শুভসকাল।

শৈশবে ফিরে গেলাম।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: শৈশবে তো ফিরে গেলেন, তবে কবি গুরুর মত অাবার না হয় ; অমি হতাম দাদা আর অার তুমি হতে নাতি । যাহোক, ভাল লাগল শৈশবে ফিরে যাওয়ার কথা শুনে , সামুর পাতায় দেখতে চাই দাদার শৈশবের দিনগুলো । ভাল থাকুন শুভ কামনা থাকল ।

২| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৩৯

কল্লোল পথিক বলেছেন: বাহ!চমৎকার।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কল্লোল ভাই , মনে হোল যেন মহিরুহের একটি পাতা পরেছে ঝড়ে মোর বুকে ছায়া দিতে । অনেক অনেক খুশী হয়েছি তব কন্ঠে বাহ!চমৎকার শুনে । কামনা করি এ আশির্বাদটুকু থাকবে নিরন্তর মোর শিরপরে । অনেক ভাল থাকুন এ কামনা করি ।

৩| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কল্লোল ভাই , মনে হোল যেন মহিরুহের একটি পাতা পরেছে ঝড়ে মোর বুকে ছায়া দিতে । অনেক অনেক খুশী হয়েছি তব কন্ঠে বাহ!চমৎকার শুনে । কামনা করি এ আশির্বাদটুকু থাকবে নিরন্তর মোর শিরপরে । অনেক ভাল থাকুন এ কামনা করি ।

৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পড়লাম আপনার দুরন্ত কাব্য , ভীষণ দস্যি ছেলে ছিলেন তো আপনি মা কে অনেক দুশ্চিন্তা দিয়েছেন ।
মহিষে লেজ এ ধরে ভাসা হয়নি যদিও কিন্তু অতিরক্ত সময় পানিতে থাকার জন্য হামেশাই বকুনি জুটেছে :``>>

শাপলা খোঁজা নিয়ে আমার ও লেখা আছে পড়ে দেখতে পারেন " সরলতার কাব্য " শিরোনামে , তবে মাকনা ফল ছিল না পুকুরে ,আর অত বেশি গভীরে যেতে ও পারতাম না পুরনো ঢাকায় কিনতে পাওয়া যেত ।

আপনি আপনার চমৎকার শৈশব কাব্য সত্যি সুখ পাঠ্য !!!!!

শুভ কামনা :)

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শৈশব কালের কথা কবিতাটি আপনার ভাল লাগার জন্য । এর মধ্যে ঘুরে এলাম 'সরলতার কাব্য' কথায় । কবিতা পাঠের পর গল্পে মনযোগ দিব বিধায় এ ঘল্পটি পড়া হয়ে উঠেনি তখন । এখন দেখলাম এটা কবিতা থেকেও বড় কবিতা । প্রতিটা দাড়ি কমাতে শুধু একটা এন্টার মেরে দিলেই এটা রূপ নিবে অপরূপ কবিতায় । বিলের জলে শালুক খঁজে না পেলেও শালুক মালা হয়ে লুটেছিল পায়ে , চিনেন নি তাকে সে বেলায় , তারপরের ব্য়থাটুকু গল্পে যে ভাবে ঝড়ালেন তা পড়তে খুব ভাল লাগল । হলের কথা এসে যাওয়ায় ( জানিনা কোন হলে ছিল থাকা, মিলে গেলে ক্ষমা করিবেন ) মনে পরে শীতের সকালে তার দেয়া নক্সিকাথা মুরে দাঁড়াতাম গিয়ে রোকেয়া হলের গেটে। কভু হত দেখা কভু হতোনা ।
দেখলাম কেমন মজাকরে ডিংগী নৌকায় চরে শাপলা ফুটা বিলের চারধারে করেছেন নৌবিহরণ । গল্পটি পাঠের সাথে মনে পড়ে চোরাপথে পানি ঢুকে বিলের জলে কোশা নৌকা ঢুবে চিৎ হয়ে গেলে হরিয়ালের বুকে নীজের থেকে নৌকাটিকে বাঁচানোর তরে মরণপন সংগ্রামরত নীজ জীবনের করুন চিত্রখানি । কুমাড়ের হারি পাতিলের গল্প সেতো আরো স্মৃতি জাগানিয়া , মনে করে দেয় বাড়ীর কাছেই হরকৃষ্ণ কুমাড়ের মাটির তলায় গড়া পাতিল পুড়াবার ঘরে কি করে পাতিল পুড়ায় দেখার তরে অনুপ্রবেশ করে কুমারনীর হাতে চেলাকাঠের মধুর ঠেংগানী খাওয়ার কথা । গল্পটির প্রতি ছত্রে বর্ণীত আপনার মায়াবী দুরন্তপনার সাথে যেন নীজের জীবনটাই যায় মিলে । যাহোক, গল্পের কথা বলতে গেলে শুধু লম্বাই হবে ।

ভাল থাকুন, লিখে যান নিরবধি এ কামনা থাকল ।

৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৩৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহা আপনি তাহলে রোকেয়া হল এর স্লিপ হাতে অপেক্ষারতদের একজন ;)

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধরেছেন ঠিকই আমি একজনের লোকাল গারজিয়ান ছিলাম । মাঝে মধ্যে যেতে হত কর্তব্য খাতিরে ।

৬| ০১ লা মে, ২০১৬ বিকাল ৫:২৭

জনতা-২০১৬ বলেছেন:



এ ধরণের বিষয় কি কবিতায় প্রকাশ সম্ভব?

০১ লা মে, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শৈশবে এসে বিচরণ করার জন্য । সত্যিই আমিও ভেবেছিলাম শৈশবের দুরন্ত এলোমেলো কাহিনি কি কবিতায় আনা সম্ভব , সে আসলেই অসম্ভব কারণ শত শত কাহিনি , কোনটা ছেড়ে কোনটি ধরি সে এক বিরম্বনা তার পরেও কবিতার স্বল্প কথার রীতিমালা অনুসরণ করতে গিয়ে সংক্ষেপিত হতেই হলো , শৈশব হারাল ছন্দ না হল কবিতা না হল গদ্য ।

খুবই ভাল লাগল সুন্দর দুটি কথায় এত চমৎকার ভাবে একটি কবিতার মুল্যায়নের জন্য । ভাল থাকুন এ শুভকামনা থাকল

৭| ০২ রা মে, ২০১৬ সকাল ১১:৫৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: স্মৃতি জাগানিয়া লেখা
অনেক ভাল লাগা রইল

০২ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ । লিখে ফেলুন শৈশবের স্মৃতি নিয়ে মহাকাব্য একটি পড়ে সুখ পাব ।

৮| ০২ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:১২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এ নিয়ে অনেক লিখেছি । শুধু এখানেই পোস্ট দেয়া হয়নি :(

০২ রা মে, ২০১৬ বিকাল ৪:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আবার পোষ্ট দেন দেখতে খুব ইচ্ছে করে ।

৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৭

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: তালপাতার ফালি দিয়ে গড়া খেলার সাথির পুতুলের বিয়ের বাসরঘর সাজানোর কথা
যায়না যে ভুলা, কেমন করে ভেঙ্গে যে তা গেল এক নিদারুন কাল বোশেখীর ঝড়ে,


আপনার কবিতার হাতটাও যে পাকা তার একটা নমুনা দেখালেন!:)

লাইক!:)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।আমার এ ধরনের লিখাকে আমি নীজে কখনো কবিতা বলিনা , জানি এগুলো কবিতার ধারে কাছেও না , তাই এগুলিকে ' কবিতার মত লিখা' হিসাবে বলি ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

১০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।আমার এ ধরনের লিখাকে আমি নীজে কখনো কবিতা বলিনা , জানি এগুলো কবিতার ধারে কাছেও না , তাই এগুলিকে ' কবিতার মত লিখা' হিসাবে বলি ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

১১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার শৈশবের দুরন্তপনার স্মৃতি নিয়ে লেখা এ কবিতাটি পড়ে ভীষণ মুগ্ধ হ'লাম।
বিলিয়ার রহমানের একটা লেখায়- কলাপাতার কুড়ে ঘরের খেলার সাথীটি সেই কাল বোশেখে ঝরে উড়ে গিয়ে সেই যে হারিয়ে গেল পশ্চিমের কোন এক দেশে, যাকে অাজো খুঁজে ফিরি দেশ বিদেশে মন্তব্যটা মনে দোলা দিয়ে গেল!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আহসান ভা্‌ই , মন্তব্যে দারুনভাবে অাপ্লুত ও মুগ্ধ । একটি সুত্র ধরে কারো লিখা খুঁজে পাঠ করা সে যে কতবড় গুণীর কাজ তা ভাষায় বুঝানো বড়ই কঠিন তা শুধু্‌ই থাকে হৃদয়ের অনুভবে।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

১২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: বছর দুয়েক বয়স কালে সকলের অগোচরে বোতলে ভরা পাকা জামের রস ভেবে খেয়েছিনু
দাদুর কোমড় ব্যাথা মালিশের জন্য তুলে রাখা তারপিন, দ্রুতই ধাবমান ছিলাম অন্তিমের পানে।
উত্তর মেরু পর্যন্ত ধাবমান হবেন বলেই হয়ত তখন আল্লাহ আপনাকে থামিয়ে দেননি।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মুল্যায়নের জন্য ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০৮

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আজি হতে শত বর্ষপরে কেউ হয়ত পড়বে আপনার পোষ্ট কৌতুহল ভরে। তখনো বেঁচে থাকলে আমার বয়স হবে একশত পঞ্চাশ বছর।

১৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৩০

সোহানী বলেছেন: বলেন কি!!!!!!!! এতো দেখি ভয়াবহ অবস্থা!!!!!!

আরে আপনারতো দেখি স্টিল বডি, বিষ টিষ খেয়ে বা পানিতে ডুবেও সমস্যা হয়নি। তাই ইনশাল্লাহ্ আরো অনেকদিন সুস্থভাবে থাকবেন আমাদের সাথে। আর হুক্কা বা হালের সিগারেট টেনে বুদ্ধির পরিপক্কতা আনে সব বয়সের ছেলেরা......... হাহাহাহা

অনেক ভালো থাকবেন সবসময়ই। তবে আমার মতে মনের শক্তিই অনেক বড় শক্তি। মনের শক্তি থাকলে যেকোন শারিরীক সমস্যাকে পাস কাটানো যায়। যাহোক, আপনার পদচারনা সবসময়ই ভালো লাগে, নতুন উদ্যোমে কিছু লেখার প্রেরণা পাই।

১৫| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

পুলক ঢালী বলেছেন: বাব্বা ! আপনার দুরন্তপনা দেখি প্রান সংহারী মহা দুরন্তপনায় পর্যবেশিত হয়েছে।
ছন্দের তালে দারুন বর্ননায় উঠে এসেছে জীবনের বিভিন্ন রং ও ছন্দ।
ভাগ্যিস মহা প্রয়ানের পথে বিঘ্নকারীরা সফল হয়েছিলেন তা না হলে এমন গুনী মানব ডঃ এম এ আলীকে আমরা কোথায় পেতাম?
ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, দীর্ঘজীবী হন এই কামনা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.