নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঝড় থেমে গেলে পৃথিবী শিখে ধৈর্য

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:১৩


ব্লগের একি হাল , অনলাইনে মাত্র ২ জন ব্লগার
যাহোক শান্তনা এই সামু ব্লগ সাম্রাজ্যে এখনো
সুর্য যায়না অস্তাচলে নিভু নিভু হয়েও জ্বলে
এ অনুভুতিতে লেখা কবিতা খানি দেখুন নীচে।
...............
ঝড় থেমে গেলে যে নীরবতা ঘিরে ধরে চারদিক
সেই নীরবতার মাঝেই যেন পৃথিবী শেখে ধৈর্য
পাতাহীন শাখায়ও থাকে সকুজের সম্ভাবনা
অন্ধকারের গভীরতা যতই গাঢ় হোক
তার ভেতরেই জাগে আলো ফোটার বীজ।

পথ হারিয়ে মানুষ হাটে বারবার
তবুও আকাশ ফুরোয় না
নক্ষত্রগুলো দাঁড়িয়ে থাকে নীরব প্রহরী হয়ে
স্মরণ করিয়ে দেয় হারানো মানেই শেষ নয়
বরং আবার শুরু করার গোপন ইশারা।

সময়ের নদী বয়ে যায় নিরবে নিঃশব্দে
তবে তার বুকে লিখে রাখে ক্ষনিকের ঘটনা
কেউ গড়ে সাময়িক আবার কেউ ভেঙে যায়
তবু জীবনের পথচলায় থেমে থাকে না স্রোত
কারণ জীবন নিয়ে বাঁচা মানেই
পুনরায় সবেগে ঘুরে দাঁড়ানো
নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা।

এ কবিতা লেখা যখন হল শেষ
ব্লগবাগানে দেখায় ব্লগারের হিসাব
যেন এক দু তিন চার পাঁচ ছে সাত
আট ন দশ গার বার তের......
কামনা করি এমন্ই হোক ব্লগার বিকাশ।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৫৩

আরোগ্য বলেছেন: আশাজাগানিয়া কবিতা।

জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে বা কিছু হারানো যায় তখন সব আশা স্বপ্নও ফুরিয়ে যায়। পুরনো স্পৃহা যেন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেন নিজের সাথেই মেকি আচরণ করতে হয়। ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি আর পাওয়া যায় না। হয়তো আবারও ঘন মেঘ ভেদ করে সূর্যের আলো হাসবে।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



কবিতা আশা জাগানিয়া হয়েছে শুনে ভাল লাগল । সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
নিশ্চয়ই জীআনে ঘটা কতক অভিজ্ঞতা মানুষের ভেতরে গভীর অন্ধকার নামাতে পারে। আপনার কথাগুলো সেই
বাস্তবতারই নিখুঁত প্রতিফলন। তবে বলা যায় মানুষ কখনোই সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে না বরং ভেতরের আরেকটি
নীরব শক্তি ধীরে ধীরে তাকে নতুন করে দাঁড়াতে শেখায়। হারিয়ে যাওয়া স্পৃহা হয়তো সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসে না,
কিন্তু সময়,মানুষ,ভালোবাসা আর একটু আলো এগুলোই একদিন আবার হৃদয়ের ভেতর নতুন রোদ জ্বালিয়ে দেয়।
জীবনের পথচলায় এই অন্ধকারও হয়তো এক ধরনের শিক্ষা, যা আমাদের আরও গভীর করে, আরও মানবিক
করে তোলে। তাই আশার দরজাটা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় না শুধু অপেক্ষা থাকে, কখন আলোটা এসে হৃদয়
ছুঁয়ে যাবে।

শুভেচ্ছা রইল

২| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৫৬

আরোগ্য বলেছেন: আমি তো একদিন ভোরে অনলাইনে শূন্য ব্লগার দেখলাম। কেমন জানি ব্লগটাও ক্লান্ত হয়ে গেছে। আশা করি ব্লগে আমাদের যাত্রা আব্যাহত থাকবে আর ব্লগ টাও টিকে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পুণরায় এসে গুরুত্বপুর্ণ তথ্যটি জানানোর জন্য । যাহোক কিছুটা আশ্বস্ত হলাম লগ ইন না করেও অনেক ব্লগার
অফলাইনে সামু ব্লগ বাগানে বিচরণ করেন । তবে ব্লগের এই ক্রান্তিকালে একটু কষ্ট করে সকলেই যদি লগ ইন
করে ব্লগে বিচরণ করেন তাহলে সামু কিছুটা হলেও প্রাণ ফিরে পাবে । আপনার মত আমিউ আশাবাদী ব্লগ
তার প্রাণ ফিরে পাবে ।

শুভেচ্ছা রইল

৩| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



ব্লগ আবারও জমজমাট হবে ইনশাআল্লাহ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আমার মনে হয় ব্লগ যেদিন ক্যাচালযুক্ত রাজনৈতিক পোস্টগুলিয়ে ছাপিয়ে গল্প কবিতা ও নিরপেক্ষ দৃস্টিকোন
হতে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ , ফিচার , ভ্রমন বিবরনী , ছবি ব্লগ প্রভৃতি প্রাধান্য পাবে সে সাথে ব্লগে প্রকাশিত
প্রতিটি লেখা পারস্পরিক মিথক্রিয়া মিশানো আন্তরিকতার ছোয়া পাবে ( সমালোচনা হলেও সেখানে থাকবে
একটি আন্তরিকতার ছোয়া), সেদিনই হয়ত ব্লগ আবার জমজমাট হবে ইনসাল্লাহ ।

আরো একটি বিষয়
প্রায়শই দেখা যায় অনেক ব্লগার নীজ পোষ্টে পরে থাকা পাঠক মন্তব্যের জবার না দিয়ে নতুন একটি পোস্ট
দিয়ে দেন, হতে পারে নতুন পোস্ট লেখায় ব্যস্ত থাকার কারণে পাঠক মন্তব্যের জবাব না দিয়ে নতুন
পোস্ট প্রকাশে বেশী মনযোগ দেয়া হয় । এটা না হয় মেনে নেয়া যায়, কিন্ত লক্ষ্য করা যায় যে তিনি একই
সময়ে অন্যান্য পোস্টে দিব্যি মনের আনন্দে মন্তব্য লিখছেন । অবশ্য এটা নীজ নীজ ব্যক্তিগত অভিরুচী ,
তবে এর প্রভাব
ঘটে অন্য রকম, তথা পাঠক সে রকম ব্লগারের নতুন কোন পোস্টে মন্তব্য লিখতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন
এবং তিনি পারত পক্ষে ঐ লেখকের ব্লগ বাড়িতে বিচরণে অনিচ্ছুক হয়ে পড়েন, আর এ ধরনের ক্রমপুঞ্জিত
প্রভাবই হল এখনকার ব্লগের ঝিমিয়ে পড়ার অন্যতম আরেক দিক । তাই সকলে এরকম বিষয়ে সচেতন
হলে ব্লগ আবার জমজমাট হয়ে উঠবে ইনসাল্লাহ ।

শুভেচ্ছা রইল

৪| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:৩৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সবাই এখন সোশাল মিডিয়ায় লিখে । সামু সময়ের সাথে নিজেকে এগিয়ে নিতে পারে নি ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সত্যিই সোশাল মিডিয়ার চটকদার জোয়ার আমাদের অনেক অভ্যাস বদলে
দিয়েছে। কিন্তু সব প্ল্যাটফর্মের কাজ এক নয়। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত প্রতিক্রিয়া আসে, কিন্তু গভীর পাঠ, চিন্তা
ও আলোচনার জায়গা খুব কম।এই ব্লগ তার জায়গা ধরে রেখেছে, যেখানে তাড়াহুড়া নয়, বরং ভাবনা, যুক্তি আর
মননকে জায়গা দেয়া হয়। সময়ের সাথে তাল মেলানো মানেই কেবল ট্রেন্ডের পেছনে ছোটা নয়; বরং নিজের
শক্তি ও স্বকীয়তা বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়া। সেই দিক থেকে এই ব্লগ এখনো পাঠকের চিন্তা ও আলোচনায়
অবদান রাখছে এটাই তার সবচেয়ে বড় অগ্রগতি।

যাহোক আমার মত অনেকের বিবেচনায় ব্লগটিকে আরও জমজমাট করার জন্য নীচে তুলে ধরা গুটি কয়েক বিষয়
পালন করা যায় যথা-
ব্লগটিকে নিয়মিততা ও বিষয়বৈচিত্র্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।এই ব্লগ আসলেই এক উর্বর ভূমি, যেখানে জ্ঞান, চিন্তা
ও অভিজ্ঞতার চাষ হয়। জমি উর্বর রাখতে যেমন নিয়মিত চাষ প্রয়োজন, তেমনি ব্লগের সুস্থ বিকাশের জন্য নিয়মিত
ও বৈচিত্র্যময় কনটেন্ট প্রকাশ অপরিহার্য। সমসাময়িক প্রসঙ্গ, গবেষণামূলক লেখা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা এবং হালকা
অথচ অর্থবহ বিষয় সবকিছুর সমন্বয় ব্লগকে সুস্থ গতিশীলতা দিবে।

পাঠক আর লেখক সম্পৃক্ততা সুদৃঢ়করণ করতে হবে, এটা অনেকটাই ব্লগ টিমের দায়িত্ব ।একটি জমজমাট হাট
কেবল বিক্রেতার উপস্থিতিতেই জমে না; সেখানে ক্রেতার কথোপকথন, মতবিনিময় ও প্রতিক্রিয়াও সমান জরুরি।
তেমনি ব্লগকেও কেবল লেখা প্রকাশের স্থানে সীমাবদ্ধ না রেখে সক্রিয় সংলাপের প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে হবে ।
এর জন্য প্রয়োজন :-
লেখার শেষে মতামত আহ্বান, গঠনমূলক মন্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া, কোন বিশেষ লেখাকেই শুধু নির্বাচিত পাতায়
নেয়ার পাশাপাশি ভাল পাঠক মন্তব্যকে নির্বাচিত পাতায় নেয়া , অনেক সময় দেখা যায় মুল লেখার চেয়ে পাঠক
মন্তব্য সর্বদিক দিয়ে মুল পোস্টের লেখার চেয়ে ভাষা , তথ্য , উপাত্ত ও বর্ণনা ভঙ্গিতে অনেক বেশী ওজনদার ।
এসব উদ্যোগ পাঠকের সাথে সম্মানজনক ও প্রাণবন্ত সম্পর্ক স্থাপন করবে। তবে এসব বিষয়ে ব্লগ টিমকেই বেশী
সক্রিয় হতে হবে । এখন অবস্থা দৃস্টে মনে হয় ব্লগ টিম বলতে গেলে নিস্ক্রিয় অবস্থানে রয়েছেন । দেখা যাচ্ছে
গত প্রায় ২ মাস পুর্বের একটি পোস্ট নির্বাচিত পাতায় ঝুলে আছে।মনে হচ্চে মাত্র দু-একটি অটোপরিচালনামুলক
কোন বাটন অন রেখে যথা( কোন পোস্ট আলোকিত পাতায় যাওয়া কিংবা কিছু মন্তব্য মুছে দেয়া প্রভৃতি) ব্লগ
টিম অনেকটাই নিস্ক্রিয় হয়ে আছেন । তাই ব্লগ টিমকে এই সময়ে আরো সক্রিয় হতে হবে ।

স্বকীয়তা ও মান অবস্থান সুদৃঢ় রাখার ব্যবস্থা নেয়াও জরুরী। বটগাছ তার পাতার বাহার দিয়ে নয়, বরং তার
প্রশস্ত ছায়া দিয়ে পরিচিত। তেমনই ব্লগের পরিচয় হওয়া উচিত তার গভীরতা, পরিমিত ভাবনা ও উচ্চমান বজায়
রাখার মাধ্যমে। দ্রুত জনপ্রিয়তার আকর্ষণে নয়, বরং গুণগত ভাবনার ধারাবাহিকতায় ব্লগকে এগিয়ে নিতে হবে।
এতে করে এটি কেবল একটি পোস্টিং প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং চিন্তাশীল পাঠক লেখকের নির্ভরযোগ্য ইন্টেলেকচুয়াল
আবাস হয়ে উঠবে।

কনটেন্ট সংগঠন ও পাঠবান্ধব কাঠামোটিকে আরো সুন্দরভাবে সাজাতে হবে ।যেমন একটি সুশৃঙ্খল গ্রন্থাগারে বই
সহজে খুঁজে পাওয়া যায়, তেমনি ব্লগে বিষয়ভিত্তিক বিন্যাস, ট্যাগিং ও সিরিজ আকারে লেখার পদ্ধতি সঠিকভাবে
অনুসরণ করলে পাঠকদের জন্য অনুসন্ধান ও পাঠাভ্যাস সহজতর হবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে এখন ব্লগ অনুসন্ধান
প্রক্রিয়াটি কাজ করছেনা । এটিকে যতাযথভাবে মেরামত করা হলে নতুন ও পুরোনো উভয় কনটেন্টই যথাযথ
মর্যাদায় পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারবে।

ব্লগ কমিউনিটি সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সম্মান বৃদ্ধির কৌশল বাড়াতে হবে। এই সামু ব্লগ প্ল্যাটফর্মটি যেহেতু
ভিন্ন মত ও ভিন্ন পরিচয়ের মানুষের মুক্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, তাই এখানে মতভেদ থাকলেও তা যেন সভ্যতা,
যুক্তি ও পারস্পরিক সম্মানের বৃত্তে আবদ্ধ থাকে। আলোকিত প্রদীপ যেমন অন্য প্রদীপকে প্রজ্বলিত করে, তেমনি
চিন্তার বিনিময় নতুন চিন্তার জন্ম দিক এই সাংস্কৃতিক পরিবেশ বজায় রাখা ব্লগের মর্যাদার অংশ।

সামুর অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে কৌশলগতভাবে ফলপ্রসূ করার উদ্যোগ ব্লগ টিমকেই নিতে হবে ।
এই ব্লগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজকে কেবল ঘোষণা মাধ্যম না বানিয়ে, ব্লগের প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহার করা
যেতে পারে। এটি যেন হয় নদীর তীরে স্থাপিত একটি দৃঢ় ঘাট যেখানে দাঁড়িয়ে অসংখ্য মানুষ নৌকায় উঠে মূল
প্ল্যাটফর্মে পৌঁছাতে পারে।তাই কার্যকরী পদক্ষেপ হিসাবে সামুর ফেসবুককে ট্রাফিক ব্রিজ হিসেবে ব্যবহার করা ।
সেখানে পূর্ণ কনটেন্ট না দিয়ে আকর্ষণীয় অংশ, সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ ও কৌতূহলকেন্দ্রিক লাইন যুক্ত করে
পাঠককে মূল ব্লগে যেতে প্রলুদ্ধ বা নির্দেশিত করা।

একটি নিয়মিত ও পরিকল্পিত পোস্টিং ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা যেতে পারে। ব্লগটিম নীজ উদ্যোগে
ব্লগে প্রকাশিত পুরোনো মানসম্পন্ন লেখা পুনরায় উপস্থাপন করতে পারেন সে সাথে বিশেষ দিবস বা থিমকেন্দ্রিক
লেখা প্রচার ব্লগের উপস্থিতিকে দৃশ্যমান ও গতিশীল রাখবে।

ব্লগে লেখা প্রকাশিতব্য লেখায় উপযুক্ত ব্যানার, উদ্ধৃতি, ছবি , গ্রাফিক্স ও সংক্ষিপ্ত ভিডিও কনটেন্ট সংযুক্ত করার
বিষয়টিকে ব্লগ টিম কতৃক উতসাহিত করা হলে তা পাঠকের আগ্রহ বহুগুণে বাড়াবে।

আরো একটি গুরুত্বপুর্ণ দিক রয়েছে । সেটা হলো ফলোয়ার সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা । দেখা গেছে অনেক ব্লগারের
শত শত ফলোয়ার আছেন , কিন্তু দেখা গেছে নোটিফিকশনে যখন ভেসে আসে অমুক ব্লগার আপনাকে ফলো
করছেন তখন কিংবা অনেকদিন পরেও দেখা যায় যার নাম ফলোয়ার হিসাবে নোটিফিকেশনে উঠে এসেছিল
তিনি অনুসারিতের ব্লগের কোন পোস্টে কোন মন্তব্য লিখে নীজের অনুসরণের কোন চিহ্ন রাখেন নি ।
অনুরূপভাবে যাকে যে ব্লগার অনুসরন করছেন তিনিউ তার লেখায় মোটেও বিচরণ করেন না ।

অপর দিকে মন্তব্যের উত্তর প্রদান, প্রশ্নভিত্তিক পোস্ট, ভোটিং বা মতামত জরিপ এসব উদ্যোগ অন্যান্য সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক ব্যবহারকারীদেরকে ব্লগের সাথে আবেগগত ও ইন্টেলেকচুয়ালভাবে
যুক্ত করবে।

ব্লগে কমিউনিটি বিল্ডিং উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে ।উল্লেখযোগ্য নিয়মিত পাঠক, নিয়মিত অবদানকারী লেখক,
বিশেষ মতামতধারী ব্লগারদের সম্মাননা বা হাইলাইট করা হলে প্ল্যাটফর্মটির প্রতি একটি স্বত্ববোধ ও গর্ববোধ
তৈরি হবে।

এসব প্রতিপালন করা হলে ব্লগটিতে যেমনি থাকবে গভীরতা তেমনি এটা হবে মর্যাদার প্রতীক। সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক পেজ হয়ে উঠতে পারে পাঠক আনার সেতুবন্ধন, পাঠক লেখক
সম্প্রদায় হয়ে উঠবেন সামু প্ল্যাটফর্মের প্রাণশক্তি ।

যাহোক, আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কিছুটা আবেগপ্রবন হয়ে মন্তব্যের প্রতি উত্তর অনেকটাই দৃস্টি কটু হিসাবে
দীর্ঘায়িত করে ফেলেছি ।

শুভেচ্ছা রইল

৫| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর কবিতা।
ভাষা সহজ ও প্রানবন্ত।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার সুললিত মন্তব্যে আপ্লুত হয়েছি ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:১৫

বাকপ্রবাস বলেছেন: ব্লগ ম্লান হবার পেছনে অন্যান্য প্লাটফর্ম যেমন ফেইসবুকে মানুষ আরো বেশী সহজে মতামত প্রকাশ এবং ফিডব্যাক পায়, তবে প্রাজ্ঞ ও বুদ্ধিবৃত্তিক পোষ্ট আসলে ব্লগ আরো সাবলিল হবে। অন্যান্য প্লাট এর সাথে টেক্কা দিয়ে ব্লগ এগিয়ে যাবে সেই আশাবাদ থাকল।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মুল্যবান সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার পরামর্শমুলক মন্তব্যটির প্রেক্ষিতে
বলার মত অনেক কথাই উপরে ব্লগার
জনাব সৈয়ত কুতুবের মন্তব্যের প্রতিউত্তরে
আলোচনা করেছি। এখানে তার পুলরুক্তি
না করে অনুরূধ করছি সেই প্রতিমন্তব্যের উপর
কষ্ট করে একটু দৃস্টিপাত করে আসতে ।

শুভেচ্ছা রইল

৭| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যাবদ আবার এসে দেখার জন্য ।
কি দেখলেন তাতো বললেন না ।
যাদের জন্য বেশী লেখা তারা
এসে দেখেছেন বলে কি
আপনার মনে হয়েছে ।

শুভেচ্ছা রইল

৮| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: এ লেখায় অন্যান্যদের সাথে লেখা আপনার মন্তব্যগুলো পড়ে বরাবরের মত খুব ভাল লাগলো। আমি অন্য কোথাও দেখেছিলাম যেখানে আপনি বলেছিলেন, আপনার লেখা মন্তব্যসমূহ নিয়ে আপনার লিখিত বই আছে। বইটি কিভাবে পেতে পারি?

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন । বিভিন্ন পোস্টে লেখা আমার
বেশ কিছু লম্বা চওরা মন্তব্য নিয়ে একটি বই
আবারে লিখেছি মুলত কষ্ট করে লেখাগুলিকে
সংরক্ষনের জন্য । ঠিকানা পেলে কপি পাঠাব।
তবে এই সামাজিক মাধ্যমে ঠিকানা পাঠানো
সমিচিন হবে বলে মনে হয়না । কেও এখানে
ঠিকানা বা ইমেইল এড্রেস দেয় না । তাই
বিষয়টি আপনার বিবেচনার উপর ছেড়ে
দিলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

৯| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৮

অপু তানভীর বলেছেন: ঝড় এখনও থামে নি। প্রথম ঝড়ের পর কিছুটা বিরতি নিয়ে আবারও নতুন ঝড় শুরু হয়েছে। তবে আশার কথা যে ঝড় থামবেই, তখন সব কিছু শান্ত হয়ে আসবে।

ব্লগে আরোও ব্লগার কমবে!

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মহামুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ঠিকই বলেছেন ঝড় থামে নাই
আবার আসবে ফিরে তারপর…..
একদিন ঝড় থেমে যাবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে
আকাশ আলোয় উঠবে ভরে
জীর্ন মতবাদ সব ইতিহাস হবে।

আজ এ অশান্ত দিন
বেঁচে থাকার আশাক্ষিণ
তবু পথ চলা অবিরাম
ধূসর আকাস আজ
কাল দিবে নব সাজ
এই বিশ্বাসেই সংগ্রাম।

একঘেয়ে একটানা একধাচে
কবিতা লিখে স্বপ্ন বেচি
প্রশ্নেরা তবু সুধায় কবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে?

দূ'চোখ আষাঢ় হায়
খরা আজ চেতনায়!!!
প্রত্যাসা ফানুসে বদলায়
ভাসা আর সেতু নয়
ভাষা আজ অন্তরায়
নিরবে কাঁদে যন্ত্রণায়।

শরশয্যায় বৃথা গর্জন
জ্বালায় হিংসার আগুন
বহু তাজা প্রাণের দামে
যদি দমে যায়- তবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
.................

ব্লগে ব্লগার আরো কমবে
সে কি নীজে নীজেই ?
নাকি বিন্দার আচরা দিয়ে
আগাছা নিরানোর মত করে?
তবে সচেতন থাকতে হবে
আগাছা দুর করতে গিয়ে
যেন গা উজার না হয় ।
যাহোক, ব্লগার যেন না কমে
সেই ব্যবস্থা নিতে হবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১০| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৪:১৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পথ হারিয়ে মানুষ হাটে বারবার
তবুও আকাশ ফুরোয় না

...........................................................
সমুদ্রের ঢেউ কখনো একই রকম গর্জন করেনা,
সময় ও পরিবেশ বিবেচনায়;
কখনো স্হির ,অশান্ত বা সুনামি ডেকে আনে ।...
...............................................................
আমাদের সমাজে চলছে ভাঙ্গা গড়া
কারও মন শান্ত নয়, নেই প্রশান্তির ছায়া
ব্লগে তাই অশরীরির প্রভাব,
কেটে যাবে , অচিরেই কেটে যাবে
এই অপচ্ছায়া ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অতি সুন্দর ভাবনা আপনার , কথা ঠিকই বলেছেন,
সমুদ্রের ঢেউ যেমন কখনো একই সুরে বাজে না
তেমনি মানুষের মনও সময়ের আলোর সাথে বদলায়।
কখনো নরম থেমে থাকা জলে শান্তি
কখনো উত্তাল বুকে বয়ে যায় অস্থিরতার ঝড়
আবার কোনোদিন সেই ঝড়ই তৈরি করে নতুন তীর নতুন পথ।
জীবনের মানে বোধহয় এই ওঠা নামার ভেতরেই লুকোনো
যেখানে প্রতিটি ঢেউ শেখায়
স্থিরতা বিস্ফোরণ কিংবা অভ্যুথান সব জীবনেরই অংশ।

যাহোক আমিউ কামনা করি
অচিরেই যেন কেটে যায় এই অপচ্ছায়া ।

শুভেচ্ছা রইল

১১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৫

হুমায়রা হারুন বলেছেন: বইটি আমাজনে কি পাওয়া যায়?
আপনার মেসেঞ্জার থাকলে আমি আমার ফেসবুকের লিঙ্ক দিতে পারি।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



দুঃখিত , বইটি আমি আমাজনে দিইনি । স্থানীয় ভাবে প্রকাশ করে
পরিচিত আত্মীয় স্বজন ও শুভানুধায়ীদেরকে সৌজন্য কপি হিসাবে
বিতরনের মাঝেই সিমাবদ্ধ আছি ।
বিগত ২০১৬ সাল হতে আমি আমার ফেসবুক একাউন্টে বিচরণ করছিনা ।
তবে, আপনি আমার এখনকার কিংবা পুরাতন কোন পোস্টে বিচরণ
করলে আমার অনেক দীর্ঘায়ীত মন্তব্য দেখতে পাবেন । আপনি
নতুন লেখা লিখে পোস্ট দেন তাহলে দেখতে পাবেন মন্তব্য
কাকে বলে। নীচে মন্তব্যের ঘরে থাকা ছবি আপু‌র
ব্লগ বাড়িতেও ডু মেরে দেখতে পারবেন আমার
মন্তব্যের ধারা । পুণরায় এসে দেখার জন্য
রইল ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা ।

১২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৪৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ব্লগ কয়েক বছর ধরে এমন খুঁড়িয়েই চলছে, মনে হয় না ব্লগ আবার আগের মত প্রানবন্ত হবে
চমৎকার লিখেছেন।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




ব্লগের দীর্ঘদিনের এই খুঁড়িয়ে চলা অবস্থা শুধু হতাশার গল্প নয়, এটা আমাদের কাছে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর,
নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পাওয়ার একটা সুযোগও বটে। ব্লগের ইতিহাসে যেসব সময় ছিল প্রাণচঞ্চল, সেসব সময়ে
পাঠকের অংশগ্রহণ, ব্লগারের উদ্দীপনা এবং বিষয়বস্তুর বৈচিত্র এক সঙ্গে মিলেই যে উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল, সেটাই
ছিল আসল শক্তি। আজ সেই শক্তিটাকেই আবার নতুন আঙ্গিকে ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।

আমরা যদি একটু ভাবি ,এখন মানুষ ভীষণ চাপের মধ্যে থাকে, দ্রুতগতির জীবনে একটু স্বস্তি, একটু হাসি, একটু
হালকা আনন্দের খোঁজেই তাদের ব্লগে আসা। তাই ব্লগকে নিখাদ বিনোদনের প্রাণবন্ত এক সৌধে পরিণত করা
কোনো পশ্চাদপদতা নয়; বরং এটিই হতে পারে ব্লগের নতুন শক্তি, নতুন যুগের গতিময়তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে
টিকে থাকার এক টেকসই দিকনির্দেশনা। সাহিত্য, হাস্যরস, ব্যঙ্গ, হালকা মেজাজের ভাবনা, জীবনের ছোটখাটো
ঘটনা সব মিলিয়ে যদি আমরা পাঠকদের এমন এক জগতে নিয়ে যেতে পারি যেখানে তারা এসে একটু হাসবে,
একটু প্রশান্তি পাবে, একটু ভাববে তাহলেই তো ব্লগ সত্যিকারের প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

যে ব্লগের এত বছরের পথচলা, এত স্মৃতি, এত অবদান তা কখনোই নিছক নিভে যাওয়ার জন্য নয়। বরং এই
সাময়িক স্থবিরতা হলো নতুনভাবে যাত্রা শুরুর প্রস্তুতিকাল মাত্র। আমরা যদি সম্মিলিতভাবে ইতিবাচক থাকি,
অংশগ্রহণ বাড়াই, মন খুলে লিখি এবং আনন্দকে লেখার মূল উপাদান বানাই তাহলে খুব বেশি দূরে নয়,
ব্লগ আবার ফিরে পাবে তার পুরোনো উচ্ছ্বাস, বরং আরও পরিণত, আরও প্রাণবন্ত রূপে।

তাই নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই ,বরং এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্লগকে রূপান্তরিত করি এমন এক
প্রাণচঞ্চল বিনোদন নিকেতনে, যেখানে প্রত্যেক পাঠকের মুখে হাসি ফোটে, মনটা একটু হালকা হয়, আর ব্লগ
আবার হয়ে ওঠে আমাদের প্রিয় মিলনমেলা।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, এমন সচেতন কণ্ঠই ব্লগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি।

শুভেচ্ছা রইল

১৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৩:৫২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ঠিক আছে তাই করবো। মন্তব্যগুলো পড়ে ফেলবো। তবে বই আকারে আরো ও বেশী ভাল হতো।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যবাদ , শুনে ভাল লাগল।
শুভেচ্ছা রইল

১৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৪:০৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলছেনঃ " আমার মনে হয় ব্লগ যেদিন ক্যাচালযুক্ত রাজনৈতিক পোস্টগুলিয়ে ছাপিয়ে গল্প কবিতা ও নিরপেক্ষ দৃস্টিকোন
হতে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ , ফিচার , ভ্রমন বিবরনী , ছবি ব্লগ প্রভৃতি প্রাধান্য পাবে সে সাথে ব্লগে প্রকাশিত
প্রতিটি লেখা পারস্পরিক মিথক্রিয়া মিশানো আন্তরিকতার ছোয়া পাবে ( সমালোচনা হলেও সেখানে থাকবে
একটি আন্তরিকতার ছোয়া), সেদিনই হয়ত ব্লগ আবার জমজমাট হবে ইনসাল্লাহ ।"


লেখালেখি করতে হলে পড়াশোনা করতে হয়। আমরা পড়ুয়া জাত নই ।তাই মনে হয় 'ক্যাচালযুক্ত রাজনৈতিক পোস্টগুলিয়ে ছাপিয়ে গল্প কবিতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন হতে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ , ফিচার , ভ্রমন বিবরনী '' জাতীয় লেখালেখি সম্ভব হবে না। ব্লগের পরিবেশ এমনই থাকবে বা আরো নিম্নমানের হবে।
যদিই বা কেউ একজন খুব পড়েন এবং জানেনও, তার হয়তো বা লেখালেখির অভ্যাস নাই।
আবার যদি লেখালেখি করার ইচ্ছে তার থাকে, একটা দুটো পোস্টের পর প্রথম পাতায় আর লেখাই দেবেন না। পরিবেশ নাই বলে ব্লগে আর আসবেনও না। এভাবে অনেক লেখক হারিয়েছি।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আপনার মন্বতব্যে নিরাশার কথা ঠিকই আছে, কিন্তু এর মধ্যেও আশার আলো আছে এমনটাই বলতে চাই।

যে জাতিকে আপনি পড়ুয়া নয় বলে হতাশ হচ্ছেন, তার মধ্যেই এখনও নীরব অথচ আগ্রহী, ভাবুক অনেক মানুষ
আছেন। সবাই হয়তো বই নিয়ে বসে থাকেন না, কিন্তু অনুভব করেন, ভাবেন, খুঁজে বেড়ান মানসম্মত লেখা। তারা
চোখে পড়ে না বলেই যে নেই তা তো নয়।

লেখালেখির জায়গাটা সব সময়ই একটু কঠিন ছিল। সব যুগেই অনেকেই থেমে গেছে, আবার সেখান থেকেই কেউ
কেউ উঠে দাঁড়িয়ে আলো জ্বালিয়েছে। ব্লগের পরিবেশ নিখুঁত না হলেও, কিছু ভালো লেখা, কিছু আন্তরিক প্রচেষ্টা,
কিছু সাহসী শব্দ এগুলোই ধীরে ধীরে পরিবেশ বদলায়।

হয়তো আমরা একদিনেই বদলাতে পারব না। কিন্তু যদি একজনও মন দিয়ে লেখেন, আর আরেকজন মন দিয়ে
পড়েন তাহলেই যাত্রা থেমে থাকে না। ব্লগে যারা হতাশ হয়ে চলে গেছেন, তারা ফিরবেন তখনই, যখন আমরা
যারা আছি তাদের মধ্যে বিশ্বাস, ধৈর্য আর ইতিবাচকতা টিকে থাকবে।

তাই হারিয়েছি বলার বদলে, বলি এখনও পাওয়া বাকি। লেখালেখির শক্তি এখনও হারায়নি, কেবল একটু যত্ন
আর ভালোবাসার অপেক্ষায় আছে।

শুভেচ্ছা রইল

১৫| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৫৩

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আপনি সঠিক বলেছেন - নীরব, আগ্রহী, ভাবুক পাঠকেরা সবসময়ই ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তারা হয়তো সোচ্চার নন, কিন্তু তাদের নীরব উপস্থিতিই লেখকদের প্রকৃত শক্তি। আপনার মতো পাঠক যখন এভাবে লেখার পাশে দাঁড়ান, তখন বুঝতে পারি - হতাশার কোনো জায়গা নেই।
"হারিয়েছি বলার বদলে, বলি এখনও পাওয়া বাকি" - এই বাক্যটি অসাধারণ। এটাই তো আসল দৃষ্টিভঙ্গি। লেখালেখির জগৎ কখনোই সহজ ছিল না, কিন্তু যারা বিশ্বাস রেখে এগিয়ে গেছেন, তারাই ইতিহাস তৈরি করেছেন।
ব্লগের পরিবেশ নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ একদম যথার্থ। একজন লেখক মন দিয়ে লিখবেন, একজন পাঠক মন দিয়ে পড়বেন - এই চক্রটাই পরিবর্তনের শুরু। আপনার মতো পাঠকদের এই ইতিবাচকতা ও ধৈর্যই আমাদের লিখে যাওয়ার প্রেরণা।
আপনার এই উৎসাহব্যঞ্জক কথাগুলো শুধু আমাকে নয়, অনেক লেখককেই অনুপ্রাণিত করবে।
আপনার মতো পাঠক থাকলে লেখালেখির শক্তি কখনো হারাতে পারে না।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.