| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলস্যের আনন্দে আমি
নিজের সম্বন্ধে বলার মতো তেমন কিছু নেই।আমি খুবই সাধারন একজন মানুষ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করেছি,এখনও চাকরি নামক সোনার হরিণের দেখা পাই নাই।"সততাই উৎকৃষ্ট পন্থা" নীতিতে আমি বিশ্বাসী।প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য আমাকে প্রচন্ডরকম টানে; নদীর ধার,বর্ষায় বিস্তৃত জলরাশি কিংবা ধানক্ষেতে সবুজের ঢেউ আমার চোখে নেশা ধরায়। ভালবাসি আড্ডা দিতে ও গান শুনতে।গীটারে টুং-টাং করার অভ্যাস আছে।সরকারি চাকুরী করে দেশের জন্য কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখি।আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সকলের কাছে দোয়াপ্রত্যাশী।ভালো থাকবেন।
আন্দোলনকারী ও সংগ্রামী সহযোদ্ধাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কয়েকটি ব্যাপার লক্ষ্য করুনঃ
১. ৩৪তম বিসিএস'র রেজাল্ট পুনর্মূল্যায়ন করা ও ৪৬ হাজারেরও অধিক সংখ্যক আবেদনকারীকে লিখিত পরীক্ষার সুযোগ দেয়া।
২. অন্যদিকে "ফকিন্নির পুত" এর উদ্ভাবক ইমরানকে (সরকারের ভাড়াটে দালাল) দিয়ে শাহবাগ দখল করানো হচ্ছে।
৩.আগামী কাল গো-আযমের রায়। যাতে করে মাঠে কিছু শিবির নামিয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী ও শিবিরকে এক করে ফেলা যায়।
এগুলো সবই আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেয়ার হীন পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
কোটার (বিশেষ করে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা) যে আইনগত ও সাংবিধানিক কোন ভিত্তি নেই তার চুলচেরা বিশ্লেষণ, লিখেছেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল স্যার,ঢা.বি.
তাই প্রত্যেক সহযোদ্ধাদের প্রতি আন্দোলনকে আরও বেগবান করে কোটার মত বর্বর, অযৌক্তিক ও অন্যায় ব্যবস্হার কবর রচনা করার দৃঢ় অঙ্গীকার করার আহবান রইল।
২|
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৮
আলস্যের আনন্দে আমি বলেছেন: ধৈর মিয়া ফোটেন। আপনি কচু বোঝেন। বিসিএস ক্যাডারদের কত % দূর্নীতি করে?? এম.পি, মন্ত্রীদের চাপে পরে কিছু ক্যাডার করতে পারে। সেটা ভিন্ন ব্যাপার।
এভাবে ফেরী করে পোস্ট হিট করা যায় না, কন্টেন্ট ভালো হলে এমনিতেই হিট হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১১
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে মুখে ফেনা তোলে আমাদের মধ্যবিত্ত সুশীল সমাজ। অথচ মধ্যবিত্ত এই সুশীলদের মানসিকতা আসলে ফকিরনির পুতদের মতোই। দরিদ্রদের মানসিকতা এদের থেকে হাজার গুণ উত্তম।
মধ্যবিত্তরাই বিসিএস কেরানী হয়ে ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ নিতে মড়িয়া হয়ে উঠে। দরিদ্ররা নয়। মধ্যবিত্ত শিক্ষিতদের উচিত ছিল সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা। কিন্তু সার্টিফিকেট ধারী শিক্ষিত (মূলত অশিক্ষিত) চুদির ভাইরা সমাজ পরিবর্তন তো দূরের কথা, সমাজের সুবিধা নেওয়ার জন্য মড়িয়া হয়ে উঠেছে। আর যেসব মধ্যবিত্ত বিসিএসে আবেদন করেননি তাদের কেও এই আন্দোলনের পক্ষে এবং কেও বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সব শালার মানসিকতা ফকিরনিরপুতদেরই মতো। সে জেনারেল কোটাই হোক আর অন্য কোটাই হোক। আমাদের মনে রাখতে হবে মধ্যবিত্ত এই আচুদা শ্রেণীই বিসিএস কেরানী হয়ে সমাজটাকে লাটে উঠিয়েছে। ফালতু যতসব।
মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ফালতু মানসিকতা এবং তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে আমি একটি গদ্য রচনা করেছি। যারা পড়েননি পড়ার আহবান জানাই
ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড
Click This Link