নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরম করুনাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু

আলোকিত জীবন বাংলা ভাষায় ইসলাম প্রচারের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

আমিনুল১১

আলোকিত জীবন বাংলা ভাষায় ইসলাম প্রচারের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা

আমিনুল১১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রমাদান মাসের প্রস্তুতি (জুমার খুৎবা, শায়খ আব্দুল কাইয়ূম)

১৫ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:১২



ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় স্তম্ভ হচ্ছে রোজা। প্রতি বছর রমজান মাস মুসলিম উম্মার কাছে রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের এ গুরুত্বপূর্ণ আমলটি নিয়ে হাজির হয়। রমজান মাসের আগমনে মুমিনরা আনন্দিত হয়ে থাকেন। বাহ্যত রমজান মুমিন বান্দার জন্য অনাবিল আনন্দ প্রকাশের এক মহা উপলক্ষ। কেননা এ মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে বান্দা তার মাহবুব তথা মহান আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য অর্জন করে থাকে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'বলুন, এটা আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।' (সুরা-ইউনুস, আয়াত-৫৮)। আল্লাহ তায়ালার এ অনুগ্রহ এক মহা নেয়ামত। পার্থিব কোনো সম্পদের সঙ্গে এর কোনো তুলনা চলে না। যখন রমজানের আগমন হতো, তখন রাসুল করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অতিশয় আনন্দিত হতেন। তিনি সাহাবাদের উদ্দেশ করে বলতেন, 'তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান আগমন করেছে।' এরপর তিনি সাহাবাদের কাছে এ মাসের ফজিলত বর্ণনা করে বলতেন, 'আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য সিয়াম পালন ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিশপ্ত শয়তানকে বন্দি করা হয়। এ মাসে রয়েছে একটি রাত যা হাজার রাতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল সে মূলত সব কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল।' (নাসায়ি)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজনের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। তিনি রমজানের দুই মাস আগেই অর্থাৎ রজবের চাঁদ দেখামাত্রই এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিতেন।



সম্মানিত ভিজিটর, আসুন আমরা ইস্ট লন্ডন মসজিদের সম্মানিত খতীব শায়খ আব্দুল কাইয়ূম সাহেবের জুমার খৎবার মাধ্যমে জেনে নিই রমাদান মাসের পূর্ব প্রস্তুতি কিভাবে নেব।



http://alokitojibon.com/?p=1631

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.