নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

himel hawa

himel hawa › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফয়িন্নির পো ফকিন্নি কয় কি???? X(X(

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১২


‘লিখিত পরীক্ষায় ভালো করো, তারপরে আমরা দেখব’
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের চাকরির লিখিত পরীক্ষা ‘ভালো করে’ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘তারপরে আমরা দেখব।’
আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইচ টি ইমাম এ কথা বলেন। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এই সভার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইচ টি ইমাম ছাত্রলীগের ‘শৃঙ্খলার’ ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘তোমাদের জন্য আমি গর্ববোধ করছি। ছাত্রলীগ সহযোগী প্রতিষ্ঠান বলে নয়...এই সংগঠন থেকে যারা উঠে এসেছে তাদের প্রতিষ্ঠিত করা দরকার।’
এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আর তোমাদের মধ্য থেকে যারা প্রতিষ্ঠিত হতে চাও, আমি প্রয়োজনে কোচিং ক্লাস নিতে রাজি আছি, তোমাদের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হবে। তারপরে আমরা দেখব।’

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এইচ টি ইমাম আরও বলেন, ‘তোমরা অত্যন্ত মেধাবী, মেধাবীরাই রাজনীতি করে, রাজনীতিতে আসে। নেতৃত্ব তাঁরাই দেয়। তারপরও লিখিত পরীক্ষায় কিছুটা ভালো করতেই হবে। তোমরা পড়াশোনা করো। ভালোভাবে পরীক্ষা দাও।’

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, যারা চাকরির বাইরে অন্য কিছু করতে করতে চায় বা যাদের চাকরির বয়স নেই, তাদের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংকসহ আরও ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এই সংস্থাপন সচিব বলেন, ‘তোমরা কি মনে কর নেত্রীর (শেখ হাসিনার) চেয়ে তোমাদের জন্য কারও বেশি দরদ আছে? নেত্রীর সঙ্গে কথা হলে তিনি সব সময় বলেন, কীভাবে আমাদের ছেলেদের জন্য ব্যবস্থা করা যায়।’

গত নির্বাচনের সময় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আমি নিজে অনেক উপজেলায় গিয়েছি। সেখানে আমাদের যারা ছিল তাদের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচন করেছি। তারা আমাদের পাশে আছে। তারা বুক পেতে দিয়েছে। জামায়াত-শিবিরের হামলায় পুলিশের ১৯ জন প্রাণ দিয়েছে। কী নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাদের।’
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পা­দক এ বি তাজুল ইসলাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন পাটোয়ারী প্রমুখ।
সুত্র

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৮

আমি আবুলের বাপ বলেছেন: শীতে পাগল চ্যাতে। উনি শীতের আগমনী বার্তা ঘোষনা করছেন।

২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৩

নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: দেশ চালায় এইসব ফকিন্নির পুতেরা। আপনের মত ভদ্দরনোকের তাদের হাতে সেই ক্ষমতা দিছেন। এখন বোঝেন ঠ্যালা!

ওনারা যা খুশী কইব, যা খুশী করব - আপনে কওনের কিডা?

৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, যে কোন প্রকার সমালোচনা এবং আলোচনা হতে পারে। আমরা সবাই আমাদের ক্ষোভ এবং কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ নিজ নিজ অবস্থান থেকে জানাতে এই ব্লগ প্লাটফর্মকে ব্যবহার করতে পারি, এবং এটাই আমাদের মুক্তমত ও বাকস্বাধীনতা প্রকাশের স্থান। এবং পাশাপাশি এটাও মনে রাখতে হবে আমরা কেউই যেন এই বাকস্বাধীণতার অপব্যবহার না করি- আর এটাই আমাদের দায়িত্বশীলতা। তবে যে কোন প্রকার গালি এই মত প্রকাশের সুবিধাকে ব্যাহত করতে পারে। ফলে আপনার পোস্টের শিরোনামটি কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। তাই আশা করি খুব দ্রুত আপনি এই পোস্টের শিরোনামটি পরিবর্তন করে অন্য একটি শিরোনাম দিবেন। অন্যথায় ব্লগ নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।


এবার পোস্ট বিষয়ক মন্তব্য করতে চাই - লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলে বাকিটা দেখার প্রতিশ্রুতি কোনভাবেই দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে কারও বলা উচিত নয়। এই ধরনের বক্তব্য যদি প্রতিষ্ঠা পায় তাহলে তা সাধারন চাকুরী প্রার্থিদের মেধার মুল্যায়নের জন্য হুমকি স্বরুপ। এই ধরনের মন্তব্যে ওই মেধার চাইতে দলীয় লোক এবং মামার জোর এর কালচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এটা দুর্ভাগ্যজনক ও অন্যায়। আমি অবশ্যই এর প্রতিবাদ জানাই।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০১

himel hawa বলেছেন: হুমমম ভালো বুলি নিয়ে আসছেন..। আপনার কথার ভাবে বোঝা যাচ্ছে ব্লগের আপনিও পুরান কেউ। আপনি এখন বুলি নিয়ে আসছেন। এক সময় সামুতে ৩০০/৪০০ ব্লগার থাকতো। এখন সর্বোচ্চ ১০০। আর আজ সামুর এ অবস্থা কেন জানেন?? সামুর একপাক্ষিক মডারেশন। তিক্ত হইয়া সামু ছাড়ছি। পরিচিত আরো ১০/১৫ জন বাঘা বাঘা ব্লগার সামু ছাড়ছে। সামুতে এখন তারা থু ফেলতেও আসেনা। গত ৬/৭ বছর ধরে ব্লগের কত্ত কাহিনী দেখতেছি.... প্রায় ৬মাস পর আজ সামুতে ঢুকলাম। তাও ঢুকেই আপনার বুলি শুনতাছি...... ালের নীতিমালা অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেয় সামু নিক গিয়া। কি আইডি ব্যন করবো??? সেটা চ্রম পুরোনো হয়ে যাওয়া একটা অভিজ্ঞতা.... X((

৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

আজকের বাকের ভাই বলেছেন: এতোদিন ছিল ঘোষণা ছাড়া আর এখন? অথচ আমার চেনা এক ভাই সব স্তরই পার হয়েও বিসিএস এ টিকেননি, কেন জানেন? শুধু ছাত্রাবস্থায় ছাত্রদলে ছিলেন বলে

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০৫

himel hawa বলেছেন: আওয়ামীলীগ ঠিক আছে । ওরা বুঝতে পারছে আমরা তো নাচতেই আছি তাহলে একটু ঘোমটা টা খুলেই দেই । আর কত কাল গেলে আওয়ামীলীগ মানুষ হবো?

৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৮

অ িনর্বাি চত বলেছেন: ফয়িন্নির পো ফকিন্নি

৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৮

খাটাস বলেছেন: একমাত্র দলীয় ঘাড় ত্যাড়া অপদার্থ ছাড়া সাধারণ মানুষ এ ধরনের কথা কখন ই মেনে নেবে না, হয়ত মুখে অনেকে কিছু বলার সাহস পায় না।
দুঃখের বিষয় লীগের বিভিন্ন বাজে দিক গুলো বলার সাহস যারা রাখে, ঘুরে ফিরে দেখা যায় তারাও বি এন পি বা জামাতের কোন ঘাড় ত্যাড়া অপদার্থ সমর্থক।

অপদার্থ বললে অনেকে বলতে পারে, আমি অমুক জায়গার এই সেই, বিরাট ডিগ্রী আছে ঝোলায়। দলের নিম্ন স্তরের অর্থ বা ক্ষমতায় মোহে প্রভাবিত কর্মীদের মত গালিয়া দিয়া যারা রাষ্ট্র বদলাইতে চায়, তাদের সাথে গলা মিলাতে যেয়ে দল হীন সাধারণ মানুষ বড় বিব্রত হই।

তাদের মত গালি দেয়া আমাদের পরিবার শিখায় নি বলে সুশীল ট্যাগ খেতে হয়।


আর আলহামদুলিল্লাহ আপনার মত নানা দলের আরও কিছু প্রাণী ব্লগ থেকে গেছে। শুধু আফসোস আপনাদের গালাগালি তে অসহ্য হয়ে কিছু ভাল ব্লগার চলে গেছেন।

সামু নানা সময়ে নানা মতের পক্ষে থেকেছে। হতে পারে ব্লগ মাতা জানা আপু ব্যক্তিগত অভিমতের কারনে , আবার হয়ত কখন ও সরকারী নীতি থেকে ব্লগ বাঁচাতে।

তিনি যে কারনেই যাই করুক, তার সমালোচনা , মডারেশনের সমালোচনা অবশ্যই যে কেও করতে পারেন। ব্লগার ছাড়া ব্লগ অচল। এটা বলার জায়গা, এখান থেকে বলেই জনমত সৃষ্টি করার সুযোগ আছে।

কিন্তু শুধু নিজ দলের লোক বলছে ভেবে দলীয় লোকের যে কোন কথায় সমর্থন দেয়, তাদের সমর্থন পেয়ে নিজ মত কে নমস্য ভাবতে অনেক কেই দেখেছি। এখন ও চোখে পড়ে।

দশ টা অপদার্থের চেয়ে একটা পদার্থের সমর্থন ভাল। কিন্তু পদার্থদের সংজ্ঞা আবার আপেক্ষিক হয়ে গেছে। কারো চোখে মুজিবের সৈনিক, কারো চোখে জিয়ার সৈনিক, কারো চোখে ইসলামের সৈনিক আবার কাওরো চোখে প্রগতির মুক্ত মনা দের পদার্থ বিবেচনা করা হয়।

মাল খাওয়ার টাকা পাইতে, ট্যাঁরে মেশিন নিয়া ঘুরতে, বা ভবিষ্যতে চাকরীর আশায় রাজনীতি করে ও নিজ দলের বিপক্ষ পাবলিক রে গালি দিতে বহু দেখেছি।

এটা কইলে আবার অনেকে বলে, রাজনীতি করলে টাকা কে দেয়? একটা দেখান। হ্যাঁ আমি ও জানি রাজনীতি করলে হাতে ধইরা কেও টাকা দেয় না।
কিন্তু ওই যে কে কোন আশায় আর কিভাবে কি আদায় করে- তা সবাই বুঝলে রাজনীতি তে কর্মী বইলা কথা থাকত না, সবাই কমিটির সুপার ফাইভে থাকত।

যারা নিজ দলের চাটুকারিতায়, ভিন্ন মতের গালাগালির প্রোপাগান্ডায় তে পাশে না পেয়ে সামু খুব খ্রাপ জাতীয় মহান বানী দিয়ে চলে গেছেন, তাদের মধ্যে লীগ, বি এন পি, জামাত সবাই আছে।

ছোট বেলায় নানা জাতের গালি গুলো ওই পাতলা বই থেকেই শিখেছিলাম, সময়ের সাথে মানুষের সাথে মিশে ভাল কিছু শেখার চেষ্টা করছি।

কিন্তু নানা দলের অভিযোগ কারিদের দেখলেই বোঝা যায়, তারা পাতলা বইয়ের মায়া এখন ও ছাড়তে পারেন নি।

বি এন পি থাক, আর লীগ থাক তাতে সাধারণের ভাগ্য পাল্টায় না। কিন্তু কারো কারো লাভ হয়। বি এন পি ক্ষমতায় আসলে আমার লাভ ও অনেক।
কিন্তু সেটা ব্যক্তিগত ও অনিয়মেই সম্ভব হবে।

তাই বলে নীতির কাছে আর সমালোচনায় দালালি করতে পারি না।
ভাল থাকুন। সুস্থ হোন।

৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৩

 বলেছেন: আমি আবুলের বাপ বলেছেন: শীতে পাগল চ্যাতে। উনি শীতের আগমনী বার্তা ঘোষনা করছেন। :D :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.