| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যাঁরা দেশ ও জাতিকে বুঝেন, জাতির ভালো চান, জাতিকে সঠিক পথে নেয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন, সেই রকম বাংগালীর সংখ্যা একেবারে কমে গেছে এখন। ব্লগের সত্যপথিক ও নতুন নকিবও জাতির ভালো চান, কিন্তু এঁদের মাঝে আজকের বিশ্বমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নেই। এরা ধর্মীয় জ্ঞানে বিশ্বাসী; ধর্মীয় জ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছিলো আদি সামন্তবাদে, যখন "রাষ্ট্র" শব্দটাও ছিলো না, ছিলো "রাজ্য", যেখানে মানুষের জীবনের নিশ্চয়তাও ছিলো না, উন্নয়ন আবার কিসের?
আজকের বিশ্ব ভয়ংকর কমপ্লেক্স, ট্রাম্পের মতো লোকও অর্থনীতির লাগাম ধরতে পারছে না। মানুষ যখন সঠিকভাবে কিছু করতে পারে না, তখন তারা আবোলতাবোল বকবক করে; গতকাল বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সন্মেলনে ট্রাম্প বিশ্বের অর্থনীতির কথা না'বলে নিজের কথা বলে সবাইকে বিরক্ত করেছে।
আমাদের দেশের সমস্যা আপনি কি বুঝতেছেন? ইহাকে আপনি আজকের বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে কি দেখেন? আমাদের জাতি কি কি সমস্যায় ভুগছে, এগুলো আপনি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এগুলোর সমাধান নিয়ে আঅচনা করতে পারবেন?
গত ৫০ বছরের বিশ্বের অনেক জাতি যেই ধরণের বিপুল উন্নয়ন করেছে, তাদের উন্নয়নের প্যাটার্ণের সাথে আমাদের আচরণের কোন মিল নেই। যারা মানবজ্ঞানের উপর আস্হা রাখেন না, তারা এখনো নোমাদ জীবনের অনুসারী, তারা আজকের বিশ্বকে বুঝার মতো জ্ঞানী নন।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আজকের বিশ্বে ডলার আয়ের পথ হচ্ছে বিশ্বের জন্য দরকারী টেকনোলোজী ব্বের করা ও ম্যানুফেকচারিং; আমাদের কোনটাই নেই! কারা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে?
২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: washington post এ আজকে জামাতের সাথে আমেরিকার গুড রিলেশনের কথা বলেছে। নেক্সট ইলেকশনে জামাত খুব ভালো করবে সেটা নিয়ে কথা বলেছে। বাংলাটা শেয়ার করবো । আপনার ওপিনিয়ন দিয়ে নতুন লেখা দিয়েন ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৯
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
washington post এ উঠে থাকলে ব্যাপারটা কিছুটা সিরিয়াস! তবে, ওদেরকে ডলার দিয়ে এসব খবর ছাপাতে হয়।
ইউনুস/পাকিস্তান/জামাত একটা সুযোগ পেয়েছে; দেখা যাক, কতদুর যেতে পারে!
৩|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ব্লগে ধর্ম নিয়ে পোষ্ট করা টাউটগুলো থেকে আপনার মতো বাকশালীরা ভালো এবং দরকারি।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪১
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আমি ব্লগিং'এ বিশ্বাস করি; যারা গত ১০/১২ বছের ব্লগিং করেছেন, তারা আমাকে জানেন। ধর্মীয়রা আজকের বিশ্বের জন্য বোঝা।
৪|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দফাদার@আজকে বাংলাদেশের cricket কে ঘোর সংকটে ফেলেছে আসিফ নজরুল গংরা । ভু্য়া জাতীয়তাবাদীরা সহজ সরল মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা করে দেশের খেলাধুলার বারোটা বাজিয়ে দিতেসে।
ভারত থেকে চাল আমদানি আরাম কিনতু ভারতে গিয়ে খেলা হারাম ।
।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
আসিফ নজরুলের ভুমিকা গোলাম আজম থেকেও নিকৃষ্ট।
৫|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: গতকাল বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সন্মেলনে
ট্রাম্প বিশ্বের অর্থনীতির কথা না'বলে নিজের কথা বলে
..............................................................................
সারাবিশ্বের গড ফাদার হতে হলে যা কিছু করা দরকার
ট্রাম্প তাই করবে ।
শুনেছি সাউথ আমেরিকায় যা কিছু ঘটবে তাতে রাশিয়া চুপ থাকবে
বিনিময়ে ইউক্রেনের সুবিধা সে নিবে ।
অন্যদিকে চীন যেহেতু অর্থনীতিতে জায়ান্ট হয়ে উঠছে তাই তাকে
কোথাও ছাড় দিবেনা , সেজন্য মোদীকে দিয়ে শায়েস্তা করতে চায়,
কিন্ত মোদী নিজ স্বার্থ বেশী বুঝে ,তাই প্রয়োজনে ৫০০% কর ধামাকা
ভোগ করতে হতে পারে ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৬
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
ট্রাম্প আমেরিকার ক্ষতি করে যাচ্ছে; আমেরিকার ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। রাশিয়া ইউক্রেনের কাছে যেভাবে নাজেহাল হয়েছে, তারা আজকের বিশ্বে কোন ফ্যাক্টর নয়।
চীন তার ম্যানুফেকচারিং দিয়ে বিশ্বকে হাতের মুঠোয় রেখেছে; ভারত এই ধরণের ম্যানুফেকচারিং গড়ে তুলতে আরো ৫০ বছর লাগবে।
৬|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সম্পূর্ণ কলের বাংলা অনুবাদ
বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স আবার আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে ফিরে আসার পেছনে একটি বড় আস্থার বিষয় ছিল—ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের লোকেরা ইউনুসকে এমন একজন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল যাকে বিশ্বাস করা যায়। সেই বিশ্বাসের কারণেই মানুষ তাদের টাকা আবার বৈধ পথে পাঠাতে শুরু করে। আর RMG খাত এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যায়নি।
এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর লোকজন আমাকে বলেছে, শ্রীলঙ্কা হলে এমন পরিস্থিতিতে টিকতেই পারত না। তাই অনেক কিছুই ঠিকভাবে হয়েছে—বিশেষ করে অর্থনীতির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ছিল খুব ভালো। আমার মনে হয়, হাসিনার দণ্ডাদেশ দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে একেবারে জিনিয়াস সিদ্ধান্ত। এটা অবাক করার মতো যে, তারা ক্ষমতা ছাড়ার আগেই সেই রায়টা আদায় করে নিতে পেরেছে।
আর ICT কোনো ট্রাইব্যুনালই নয়। আমরা স্বীকার করি, এটা কোনো ফ্রি ও ফেয়ার ট্রায়াল ছিল না—যাই হোক। কিন্তু সে দোষী, এবং এই রায় সেটাই প্রমাণ করেছে। আর তারা তাদের ম্যান্ডেটের ভেতর থেকেই কাজটা করেছে—যেটা সত্যিই চমকপ্রদ।
ছাত্ররা যখন একটি বাস্তব রাজনৈতিক দল গঠন করতে ব্যর্থ হলো, তখন বিএনপিকে ইউনুস যেভাবে ম্যানেজ করলেন, সেটা ছিল অসাধারণ। লন্ডনে গিয়ে তারেকের সঙ্গে আলোচনা—ওটা ছিল এমন এক রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, যেটা আমরা কেউই তখন ভাবিনি তার মধ্যে আছে।
অনেক সময়ই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন মনে হয়েছে সব রাজনৈতিক দলই—তার পরিষ্কার ইমেজ থাকা সত্ত্বেও—হুমকির মুখে পড়ছে। কিন্তু তিনি সেনাবাহিনীর কাছে নতি স্বীকার করেননি। অলিগার্কদের কাছে নতি স্বীকার করেননি। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেও না। যা-ই ঘটে থাকুক না কেন, তিনি পিছু হটেননি।
হ্যাঁ, অনেকেই সমালোচনা করেছে তিনি যেভাবে দলগুলোর সঙ্গে আচরণ করেছেন। কিন্তু তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন—এটা তোমাদের সমস্যা, ওটা তোমাদের সমস্যা। তোমাদের নিজেদের মধ্যে কথা বলতে হবে। এখন দলগুলো একে অপরের সঙ্গে কথা বলছে। জামায়াত আর বিএনপি—সবারই একে অপরের নম্বর স্পিড ডায়ালে আছে, বিশেষ করে অর্থনীতির বিষয়গুলো নিয়ে। শেষ দিকে যে কিছু সংস্কার আনা হচ্ছে, সেগুলোও এর অংশ।
জুলাই চার্টার আর এই রেফারেন্ডাম—সবকিছুর ব্যবস্থাপনাই ছিল উল্লেখযোগ্য। আমরা চাইলে বলতে পারি মানুষ বুঝবে কি না রেফারেন্ডামটা, এসব নিয়ে সমালোচনা করা যায়। কিন্তু যেভাবে এই রেফারেন্ডামটা নির্বাচনের দিনের সঙ্গে ম্যানেজ করা হয়েছে—সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেছিলেন—চুপ করো, বিএনপি এইসব বিষয়ে রাজি হবে যেগুলোতে তুমি রাজি নও; না হলে তোমরা সবাই এখান থেকে সরে দাঁড়াতে পারো। কিন্তু কেউ সরে দাঁড়ায়নি।
আমাদের যে উপলব্ধি হয়েছে, তা হলো—বাংলাদেশে একটা বিশাল অদৃশ্য সামাজিক সংহতির শক্তি আছে। ৫ আগস্ট থেকে শুরু করে যতবারই আমরা ভেবেছি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে, ততবারই তা হয়নি। ৫ আগস্ট আমরা সবাইকে সরিয়ে নিয়েছিলাম।
এক মাস পরেই আমরা ওয়াশিংটনে ফিরে বলছিলাম—না, সবাই আবার ফিরে আসতে পারে। তারা বলেছিল, তোমরা পাগল? এটা অসম্ভব। আর আমাদের তখন বোঝাতে হয়েছিল—বাংলাদেশি সমাজ দ্বিতীয়বার নিজে থেকেই উঠে দাঁড়িয়েছে এবং সরকার ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছে।
আমি মনে করি, তোমরা নিজেরাই বুঝতে পারো না—এই দেশকে কী ধরে রাখছে। এটা দল না, সরকার না—মানুষই। মানুষ আর দলগুলো বারবার সংঘাত থেকে সরে আসছে।
এই কারণেই আমি একেবারেই বিশ্বাস করি না যে জামায়াত শরিয়া চাপিয়ে দিতে পারবে। সম্প্রতি ক্যাথলিক চার্চের একজনের সঙ্গে কথা হচ্ছিল—তিনি বলছিলেন, জামায়াত জিতলে তারা সেক্রেড হার্ট আর সব ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়করণ করবে এবং ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বানাবে। এটা বাস্তবসম্মত নয়। যদি জামায়াত বাংলাদেশের সব ক্যাথলিক স্কুল দখল করে নেয়, তাহলে পরদিনই ১০০% ট্যারিফ বসবে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথলিক সমাজ এটা কোনোভাবেই মেনে নেবে না এবং বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করতে দেবে না।
আর যদিও আমাদের সরকার এ বিষয়ে নেতৃত্ব নাও দিতে পারে, বাস্তবতা হলো—বাংলাদেশের ২০% রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রে যায়, এবং সেগুলো নির্ভর করে এমন সামাজিকভাবে উদার পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর ওপর, যারা বাংলাদেশের কারখানাগুলোকে আজ বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও নিরাপদ করেছে। এই রপ্তানি খাত নারীদের ওপর নির্ভরশীল। যদি বাংলাদেশে নারীদের কাজের সময় সীমিত করা হয় বা শরিয়া আইন চাপানো হয়, তাহলে অর্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। আর অর্ডার না থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিই থাকবে না। জামায়াত এটা করবে না—কারণ এখানে খুব বেশি শিক্ষিত, বুদ্ধিমান মানুষ আছে।
আমরা তাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেব কী হবে। ইউরোপিয়ানরাও জানাবে। সৌদি আরব হওয়া এক জিনিস, আর বাংলাদেশ হওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের অবস্থান হলো—আমরা জামায়াতের সঙ্গে কথা বলব। আমরা হেফাজতের সঙ্গে কথা বলব। আমরা ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা বলব। আমরা চাই তারা আমাদের বন্ধু হোক, যেন আমরা ফোন তুলে বলতে পারি—তুমি এই কথাটা কেন বললে?
এভাবেই এটা চলবে। তারা বোকা নয়, তারা পাগলও নয়। এর মানে এই না যে সবকিছু রক্ষা করা যাবে বা কিছুই বদলাবে না। এটা মূলত তোমাদের লড়াই। তাই নারীদের সঙ্গে যোগাযোগ জরুরি। আলোচনা করা কঠিন—আমি জানি। আমরা করছি। তোমরাও করো।
আমরা এমন উপায় খুঁজছি যাতে সংস্কারপন্থী জামায়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা জিতেছে—এই লোকগুলোর সঙ্গে কথা বলা যায়। তারা কি তোমার শোতে আসবে? আমরা শুধু কথা বলার রাস্তা খুঁজছি।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একটা পরিবর্তন হয়েছে। তারা ইসলামের দিকে ঝুঁকেছে। যদি নির্বাচনে সেটা প্রতিফলিত না হয়—চমৎকার। তখন তোমাদের একমাত্র সমস্যা হবে বিএনপির নিজেদের দুর্নীতিতে নিজেদের ধ্বংস করা।
কিন্তু সম্ভবত জামায়াত আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো করবে। তারা টেবিলে থাকবে। আর সেটা কঠিন হবে।
তবে আমি মনে করি না পুরোপুরি আতঙ্কিত হওয়া সহায়ক। কারণ এখানে গার্ডরেল আছে। তারা একটা সীমার বাইরে যেতে পারবে না। বাংলাদেশের রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতি প্রায় পুরোপুরি পশ্চিমা বিশ্বের ওপর নির্ভরশীল। যদি সবকিছু চীনে বিক্রি করতে, তাহলে বড় সমস্যায় পড়তে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে বিক্রি না হলে টিকে থাকা সম্ভব না।
এমনকি যদি আমাদের সরকার গুরুত্ব না-ও দেয়, আমাদের ভোক্তারা দেয়। আমাদের কোম্পানিগুলো দেয়। তারা তাদের সুনাম নিয়ে ভাবে। তারা এসব বিষয় নিয়ে ভাবে। তাই আমি বুঝতে পারি—উদ্বেগটা কেন আছে।
আমেরিকার এম্বাসীর এলজনের কল রেকর্ড বাংলা টা পেলাম।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
দেশ চলছে ঋণের টাকায়; সবকিছু অরাজকতার মাঝে ডুবে আছে; রেমিট্যান্স ও গার্মেন্টস'এর ডলার এখনো ঠিক আছে; তবে, চাকুরী হচ্ছে না, মানুষের হাতে টাকা থাকবে না, নতুন চাকুরী হবে না; আগামী ৩/৪ বছর ইউনিভার্সীটি থেকে যারা বের হবে, তারা চাকুরীর মুখ দেখবে না।
ভোটের পরপাই দেশের প্কৃত অবস্হা বুঝা যাবে।
৭|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: সামনে নির্বাচন। কম বেশি সবার ইনকাম হবে।
যারা রাস্তার মোড়ে আড্ডা দিতো, এখন তারা ভীষন ব্যস্ত।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
ওমর খাইয়াম বলেছেন:
এই ইলেকশানে কি হতে যাচ্ছে, সেটা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে না।
৮|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সবাই এখন green bond and energy তে invest করছে । এটা আমাদের ও চালু করা দরকার।
। জালানি সংকট বেড়েই চলেছে।
৯|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: Click This Link
ভিডিও টা দেখেন । আর মানুষের কমেনটস দেখেন। এই লোকের নাম নোমান । তিনি মানুষকে বুঝাতে বুঝাতে হাপিয়ে গেছেন । মানুষের মাঝে জনমত গথন করছেন। এরকম লোক আরো দরকার ।
১০|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
@কুতুব: সামনে নির্বাচন! ভারত বিরোধীতার প্রকৃতপক্ষে চাপে রাখার কোন টুলস বর্তমানে সরকারের হাতে নাই, জাশি কিংস, পার্টির ভোট ব্যাংক বৃদ্ধি করার। তাই এখন ক্রিকেট নিয়ে আধিপত্যবাদ বিরোধী নিয়ে তাল-বাহানা করছে। রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রকৃতপক্ষে এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারছে না কারন তাহলে ভারতীয় দালাল ও আধিপত্যবাদের ট্যাগ লাগিয়ে দিবে।
আমার সন্দেহ হচ্ছে বিএনপি কি ইউনুস অধিনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ভুল করছে কিনা? সিলেক্টেড নির্বাচনে ৯১ এর মতো কৌশলে জাশি কিংস পার্টিকে জিতিয়ে দেয়?
১১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দফাদার @বাংলাদেশের cricket নিয়ে আমার আলাদা আবেগ কাজ করে । আমার বড়ো মামী জামাতের রুকন । কিনতু উনার ছোটো মেয়ে (শারমিন আপু) cricket খেলা নিয়ে হিউজ সাফার করেছে । চিটাগাং যে এলাকায় নানার বাড়ি সেখানে একটা মেয়ে cricket খেলছে ২০০৪-২০০৫ সালে ভাবাই যেত না । একা একটা মেয়ে কাঠের bat বানিয়ে ছোটো ভাই (আমাদের) সাথে খেলতো। এসব নিয়ে পারিবারিক ভাবে উনাকে সাফার করতে হয়েছে । নিজে যে পেশা লাইক করেন সেটা হতে পারেন নি। পরিবার থেকে তিনি চলে গেছেন । এখন ঢাকায় মহাখালি থাকে একটা বেসরকারি ইউনিভারসিটির টিচার । সে এলাকায় আর কোনো মেয়ে কোনোদিন এভাবে cricket খেলতে দেখা যায় নি।
এরা মুলত হিংসায় এসব করছে । মামুনুল হুজুরদের খেলাধুলা ভালো লাগে না । আর মেয়েদের খেলাধুলা আরো ভালো লাগে না । ফুটবলে মেয়েরা ভালো করছে সেটা তাদের ভালো লাগে না । এভাবে খেলা যদি বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে ফেলা যায় বুঝেন কি হতে পারে ?
১২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
@কুতুব: আমি বাংলাদেশের ক্রিকেট দেখি না, তাই কোন আবেগ নাই। খেলায় হার জিত থাকবেই কিন্তু ২৫-৩০ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে একটা দলের বোর্ড, টুর্নামেন্ট, খেলোয়াড়দের মধ্যে কোন প্রফেশনালিজম নাই। ভারতে খেলতে না যাওয়ার কারন যদি ও রাজনৈতিক তারপর ও আইসিসি থেকে নিষেধাজ্ঞা দিলে আমি খুশি হবো।
বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস কেড়ে নিয়ে ওডিআই এবং টি টুয়েন্টি খেলার পক্ষে ছিলাম আমি। শুধু শুধু দেশের অর্থ নষ্ট, আদতে টেষ্ট খেলার মতো কোন যোগ্যতা, বাংলাদেশের কখনো ছিলো না। আবেগ দিয়ে সব হয় না.....
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের এখন দরকার ডলার : এলএনজি কিনতে হিউজ ডলার লাগবে । এতে সরকারি/বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে । দেশের টেক্সটাইল/গারমেনটস থকে টিকিয়ে রাখাই আগামীতে মেইন challenge ।