নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ওমর খাইয়াম

ওমর খাইয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগার রাজিব নুরকে ধন্যবাদ। ড: এম এ আলীকে সামান্য ধন্যবাদ।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪



ব্লগার রাজিব নুর গত ৪ বছরে ( আমার চাঁদগাজী নিক ব্যান হওয়ার পর থেকে ) আমার ব্যান তুলে নেয়ার জন্য কয়েক'শ পোষ্ট দিয়েছেন, কয়েক হাজার মন্তব্য করেছেন; অনেকবার সেমিব্যানে পড়েছেন, হাজার নীচুমানের ব্লগারের কটু কথা শুনেছেন। আজকেও পোষ্ট দিয়েছেন; উনাকে ধন্যবাদ।

চাঁদগাজী নিকটি ও আমাদের সবার নিক অপ্রাসংগিক হয়ে যেতে পারে; কারণ, সামু নেই বললেই চলে; সেদিন দেখলাম, সামু ১টা বাচ্চাও দিয়েছে; বাচ্চা দুধ খা্চ্ছে, বাচ্চার মায়ের শরীর ভালো নয়।

সব বাংলা ব্লগগুলো পরলোক গমন করেছে; সামু বেঁচে আছে; কারণ, ইহার ব্যয়/খরচ ১টি পরিবার বহন করে (অনুমান );মনে হয়, সামুকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে! সামুর বিলুপ্তি ঘটতে পারে, কারণ, ইহাকে চলায়েছে অযোগ্য, অদক্ষ লোকজন।

আমাকে ( চাঁগাজী, সোনাগাজী ) শুধু সামু ব্যান করেনি; আরো ২টি ব্লগ ব্যান করেছিলো; এখন সেই ব্লগগুলো নেই; দেশে অদক্ষ লোকজন ব্লগ পরিচালনা করে আসছিলো।

আজকে, রাজিবের পোষ্টে সবচেয়ে লম্বা ও বেকুবী মন্তব্য করেছেন এক সময়ের সুপরিচিত ব্লগার ড: এম এ আলী সাহেব; উনি প্রায় ২ বছর ব্লগিং থেকে অনুপস্হিত ছিলেন; ৬ মাস আগে ব্লগে ফিরে এলেন, আবোল ও ভুল ধারণাসমেত পোষ্ট লেখার শুরু করলেন, গড়ে ৪০/৪৫ লাইনের হাবিজাবি পদ্য দিয়ে গার্বেজ মন্তব্য শুরু করলেন।

আমার সন্দেহ হলো, উনি ধর্মীয় কোন সমস্যায় ভুগছেন! আমি উনাকে এই ব্যাপারে বললাম; তিনি হাবিজাবি পদ্যে উত্তর দিলেন; গত সপ্তাহে উনি প্রকাশ করলেন যে, "তিনি বৃটেনে মসজিদ ভিত্তিক ইসলামিক গ্রুপের সভাপতি হয়েছেন।" ১ জন এগ্রো পিএইচডি হলেন ইসালমিক গ্রুপের সভাপতি?

ইহার জন্য পিএইচডি করার দরকার ছিলো, নাকি মক্তব শেষ করলেই হতো?



মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লাল গোলাপ দেখলে শফিক রেহমান এবং যায় যায়দিনের কথা মনে পড়ে যায় ।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




শেফিক রহমানের ১টি ভালো ব্যবসা ছিলো লন্ডনে, একাউন্টিং ব্যবসা। কিন্তু চুরির আশায় বাংলাদেশে চলে এসেছিলো ও জা্তির অনেক ক্ষতি করেছে।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ড: এম এ আলী সাহেব লন্ডনে "১টি ইসলামিক গ্রুপের সভাপতি হয়েছেন"; অভিনন্দন জানানোর দরকার আছে?

২| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ড: এম এ আলী সাহেব লন্ডনে "১টি ইসলামিক গ্রুপের সভাপতি হয়েছেন"; অভিনন্দন জানানোর দরকার আছে ?

তিনি পিএইচডি করে ইসলামিক গ্রুপের সভাপতি হলে কি ক্ষতি ? ইসলামের আলোকে কৃষি কাজের গুরুত্ব তিনি সকলের সামনে তুলে ধরবেন । যারা হুজুর তারা বেশি বেশি কৃষি কাজে আগ্রহী হবেন । :-B

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



ইউরোপের প্রায় দেশে আরব-আফ্রিকান-পাকি-বাংগালী মৌলবাদী ইসলামিক গ্রুগ কাজ করছে; লন্ডন হলো এদের রাজধানী; এদের কারনে, মুসলমানেরা এসব দেশে দুনিয়ার অকাজ-কুকাজের সাথে যুক্ত; এদের নতুন জেনারেশন সেখাকার সমাজে সমান অধিকার পায় না।

৩| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইরানে আমেরিকান সোলজার যাবে ; কাম সারছে :(

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আমেরিকানদের চাপে ট্রাম্প বিরক্ত হয়ে যুদ্ধ শেষ করার কথা বলছিলো; কিন্তু আইআরজিসি ট্রাম্পকে সাঁজোয়া যুদ্ধে টানার চেষ্টা করছে; ইহা হবে আত্মঘাতী।
এখন আমেরিকা হরমুজ ও খার্গ দ্বীপ দখল করে নিবে।

৪| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রাশিয়ার তেল ক্রমেই রুবল বা ইউয়ানে বিক্রি শুরু হয়েছে। এবার ইরানও সেই পথ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চীনা মুদ্রার প্রভাব বাড়ানোর বেইজিংয়ের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে চাইছে ।


বাংলাদেশ যদি রুবল কিংবা ইউয়ান ইউজ করে রাশিয়ার তেল কিনতে যায় তাহলে আমেরিকা বিএনপিকে এমন টাইট দিবে যে সবাই কে পালাতে হবে ।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



বাংলাদেশ ইউনান ও রুবল পাবে কোথায়, খাম্বামিয়া কি বসে বসে ইউনান ও রুবল ছাপাচ্ছে?

বাংলাদেশ তেল কেনার আগে দুতাবাস থেকে অনুমতি নিতে হবে।

৫| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকারি চাকুরি pay scale দিতে ইনটেরিম ৪০ হাজার কোটি টাকা আলাদা করে রাখছিলো। সেটা খরচ কে বিএনপি ভাতা দিয়ে দিয়েছে । আপনি জানতে চাইসিলেন যে বাজেট করে নাই টাকা পাইলো কই তাই বললাম ।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



খাম্বা মিয়া ও হাম্বামিয়া ( আমীর খসরু ) মিলে পাকী মেশিন এনে ডলার, পাউন্ড ও রুপি ছাপাবে শীঘ্রই।

আমার উল্লাহ আমান ও আমীর খসরু হলো মাফিয়া লেভেলের চাঁদাবাজ; এই ২ জনকে দেশের টাকা পয়সার ভার দিলে খাম্বামিয়ার লন্ডন একাউন্টে বিশ্ব ব্যাংকের টাকা জমা হবে।

৬| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

বিষাদ সময় বলেছেন: আপনার পোস্টে একটা নতুন্ব এসেছে। বলুনতো সেটা কী?

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫০

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




স্যরি, সেটা আমার চোখে পড়েনি!

৭| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আমি নিজের বিবেকের তাড়নায় লিখেছি।
দিনের পর দিন আপনার সাথে অন্যায় হয়েছে। এজন্য একজন মানুষ হিসেবে আমার কিছু বলা প্রয়োজন ছিলো। আমি জানি আপনাকে নিয়ে লেখা, আপনি পছন্দ করেন না। কিন্তু আমার দম বন্ধ লাগছিলো, তাই না লিখে পারিনি।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




জানার খোঁজখবর নেই, সামু সফটওয়ার নিয়ে কেহ কেহ লুকোচুরি খেলছে মনে হয়।

৮| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: এম আলী সাহেব আগের মতো নেই।
প্রায় ২ বছর পর ফিরে এসে উনি বদলে গেছেন। বিষয়টা আপনি লক্ষ্য করেছেন!!
উনি হঠাত খুব বেশি ধার্মিক হয়ে গেছেন। হঠাত করে কেউ ধার্মিক হয়ে গেলে, চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




পিএইচডি'র প্রোগ্রাম উনাকে সাহায্য করেনি, মনে হয়।

৯| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: জনাব, আপনাদের ওখানে ( আমেরিকা) ইদের প্রস্তুতি কেমন চলছে?
ইদের কেনাকাটা শেষ? বাজার সদাই করা শেষ?

কেনাকাটা কি জ্যাকসন হাইটস থেকেই করেন?
শুনেছি, লুঙ্গি পরে, পান চিবাতে চিবাতে বাঙ্গালীরা সেখানে আড্ডা দেন?

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



এখন বাংগালীদের মুল আড্ডা হচ্ছে জামাইকায়। ঈদে কিছু ঘুরাফেরা হয়।

বাজার বলতে খুব একটা করা হয় না; আমি ইদে যাই শার্ট প্যান্ট পরে। জ্যাকসন হাইটের বাংগালীদের মাঝে অনেক ক্রিমিনাল আছে।

১০| ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: আগামীকাল ফারাজাকে নিয়ে বের হবো ইদ শপিং করতে।
আসলে ফারাজার জন্য কেনাকাটা না করলেও চলতো। সে অনেক গিফট পেয়েছে। কিন্তু সুরভি বলল, তুমি কিছু দিবে না!!!! এটা কোনো কথা?

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০১

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



মেয়ে যদি চায়, ওর নামে একটি সেভিংস একাউন্ট করে, আপনার গিফটের টাকাটা ওকে দেন ও ব্যাংকে কিভাবে জনা দিতে হয়, সেটা দেখান।

আপনার পরিবারের জন্য ঈদের শুভেচ্ছা রলো।

১১| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইহার জন্য পিএইচডি করার দরকার ছিলো, নাকি মক্তব শেষ করলেই হতো?
.............................................................................................................
চলমান জীবনে পিএইচডি দরকার ছিলো
এখন বসন্ত পেরিয়ে গেছে,
অনন্ত যাত্রা কালে, ইসলাম চর্চ্চার দরকার মনে করেছে ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



মরতে হয় বৌদ্ধ হয়ে, আবার ফিরে আসা যায় পৃথিবীতে। ইসলামে তো কবর যেতেই পিটাপিটি শুরু করে।

১২| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
উপরের মন্তব্যটি দয়া করে মুছে দিবেন। কপি করে নিয়ে ভুল করে
এখানেই নীচে পেস্ট করে দেয়ায় এমনটি হয়েছে ।


আপনি ভাল করেই জানেন আমার লেখা কিংবা মন্তব্য সেই গোড়া হতেই অনেক বড় শুধু কিছু কিছু কবিতা ছাড়া।
অপনার হয়ত মনে নাই, চাদগাজী নিকে আমি ৩/৪ পৃষ্ঠার মন্তব্যো লিখেছি , তখন তা উপভোগ করেছেন বেশ
তৃপ্তি ভরে । এখন মনে হয় একটু ইসলাম ঘেষা দেখে খারাপ লাগছে , তাই উল্টা পাল্টা কথা বলে যাচ্ছেন মনের
মত করে,কোন কিছু না বুঝেই । আপনার ভুলে যাওয়া বোধ নিয়ে এখনো ধরতেই পারেন নি আমার কিসে
পিএইচ ডি , অথচ অনেক বছর পুর্বেই আমার কিসে পিএইচডি তা আপনার কোন এক পোস্টে মন্তব্যের
ঘরে বলে ছিলাম । যাহোক পদ পদবি শিক্ষা কর্মক্ষেত্র নিয়ে এখনো ভুলের সাগরেই আছেন , থাকুন ভুলে
তাতে আমার কী ।

কারো ছিটে ফোটা ধন্যবাদ , বিরাগ ভাজন বা আস্থা ভাজনের জন্য আমি কখনো কলম ধরিনা । কলম ধরি
সেখানেই যেখানে যেটা প্রয়োজন । ব্লগের এই ক্রান্তিলগ্নে ব্লগীয় নিয়ম মেনে সকলের অবারিত বিচরণে আমি
বিশ্বাস করি, তাই চাই সকলেই এখন ব্লগে বিচরণ করুন যার যার সাধ্য ও বিচক্ষনতার আলোকে । যে করেই
হোক ব্লগটি সচল থাকুক আমাদেরই প্রয়োজনে , ব্লগটি বেচে থাকলে তার পরেই না হয় ক্যাচাল, বেচাল, গল্প
কবিতা হাসি ঠাট্টা মসকরার সুযোগ থাকবে, তা না হলে এক আকাশ সমান খ্যাতি নিয়েও ব্লগ থেকে হারিয়ে
যেতে হবে সময়ের নিরিখে ।

ব্লগে বেহুদা আমার মুল্যবান সময় ব্যয় করিনা। ব্লগে যা লিখি তা আমি তুলে রাখি আমার ভবিষ্যত পুস্তকের জন্য
রসদ হিসাবে। এখানে আমার বেশ কিছু কবিতা ও ফিচার ধর্মী পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে , যা নিয়ে আমি বই মেলায়
যাই না ।তাই ইচ্ছে করেই আমার প্রায় সকল লেখাই বেশ বড় আকারের । আর মন্তব্য সে সকলো ইচ্চা করেই
বেশ বড় বিশ্লেষনাত্মক আকারে গদ্যে পদ্যে মিলিয়ে লিখি আমার নীজ প্রয়োজনে , এগুলিও আমি তুলে রাখি
পরে আমার লেখালেখিতে কাজে লাগবে বলে । এ ব্লগে আমি বিচরণ করিনা কারো লেখায় শুধু ভাল হয়েছে ,
সুন্দর হয়েছে , বা কিছুই হয়নি এসব কথা বলার জন্য । পছন্দের বাইরে কোন পোস্টের লেখা আমি সচরাচর
পাঠই করিনা, তবে পারস্পরিক মিথক্রিয়ার অংশ হিসাবে অনেকের লেখাই পাঠ করে ছোট মন্তব্য লিখে যাই ।

যাহোক আপনার লেখায় দেখা যায় ইউকের একটি মুসলিম সংগঠনে জড়িত থাকার বিষয়ে কটাক্ষতা পুর্ণ কথামালা।
অসুবিধা নাই, বলে যান মনে যা চায় । তবে প্রথমেই বলে নিই সংগঠনটির একটি অন্যতম কম্পোনেন্ট তথা
মসজিদে ইমামতির জন্য আরবী ও ইংরেজীতে বয়ান দান, খুতবা দান এবং ধর্মীয় বিষয়ের কার্যপরিচালনার জন্য
যারা নিয়োজিত আছেন তাদের মধ্যে ধর্মীয় ডিগ্রীর সাথে অন্যান্য ইসলামী বিষয়ে প্রগার জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের
প্রয়োজন হয় । এই মসজিদটি একটি নামি ইউনিভার্সিটির ক্যম্পাসের নকটে হোয়ায় এখান মুসুল্লীদের মাঝে
বিভিন্ন দেশের শিক্ষক বিভিন্ন স্তরের গবেষক ছাত্রস ও নিয়মিত নামাজ আদায় করতে আসেন, াআরো আসেন
বিভিন্ন মুসলিম দেশের ভিভিন্ন ভাষাভাষি উচ্চ শিক্ষিত মুসুল্লিগন । এই সংগঠনটির রয়েছে বিভিন্ন স্থাবর অস্থাবর
সম্পদ ও তাদের ব্যবস্থাপনা । এখন বুঝেন এখানে একজন মক্তব পাশ লোক কতটুকু যোগ্য । আমার সাথে
সংস্লিষ্ট মসজিদের কথাই বলি, প্রথম ইমাম ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ডাক্তার যিনি ইসলামী
বিষয়েও প্রগাধ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন । বর্তমান প্রধান ইমামের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিশাল বিবরণ এখানে
নাইবা দিলাম , যিনি সেকেন্ড ইমাম তিনিও একই সাথে একজন পদার্থ বিজ্ঞানী ডক্টরেট ও ইসলামী চিন্তাবিদ
লেখক, তিনি স্বেচ্ছা সেবা দেন। এই রেজিসটারড ইসলামী সংগঠনঠির ট্রাস্টি বোর্ডের ৫ জনের মধ্যে ৪ জন্‌ই
পিএইডি ডিগ্রিধারী। এর এক্সিকিউটিভ কমিটির অনেকেই পিএইচডি , ডাক্তার , ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার,
মেকানিকেল ইঞ্জিরিয়ার , মেরিন ইঞ্জিনিয়ার , সমাজ বিজ্ঞানী ,চার্টার্ড একাউনটেন্ট, ধর্মীয় আলেম ও নিবেদিত
প্রাণ সমাজকর্মী, সকলেই বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাশ্রম দেন । সকলেই নীজ নীজ যোগ্যতায় অনুযায়ী পেশায়
নিয়োজিত ব্যক্তিত্ব । আমারো রয়েছে ভিন্নতর পেশাজীবী জীবন । সংগঠনটি চ্যরিটি কমিশন ও ইউকে
কোস্পানী হাউজের সাথে নিবন্ধিত , এর কার্যকলাপেরপ্রতিবেদন ও হিসাব নিকাশের বিবরন যথাযথ
চারটারড একাউনটেন্ট কতৃক প্রনয়ন পুর্বক তাদের কাছে নিয়মিত দাখিল করতে হয় , ।এর জন্য
অনুদানের সাথে জড়িত আছে গিফট এইড যেখান হতে এইড হিসাবের অর্থ সরকারের রাজস্ব বিভাগ
হতে ফিরিয়ে আনতে হয় বিবিধ প্রকারের হিসাব দেখিয়ে । মসজিদ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উন্নত মানের
সাউন্ড বকস্ , ডিজিটাল মনিটর, এয়ার কন্ডিশন, গরম পানি ঠান্ডা পানি , ও অন্যান্য যান্ত্রিক বিষয়াদির ব্যবস্থাপনা
, এসব কি পারবে আননার বলা মক্তব পাশ লোক ।

যাহোক, প্রথমেই বলে নিই সংগঠটির আমি প্রেসিডেন্ট নই তবে একজন বেশ দায়িত্বশীল কর্মী । যেখান হতে
বিষয়টি জেনেছেন সেখানে গিয়ে আরো একবার পাঠ করে আসুন, তাহলেই জানতে পারবেন (আর দায়িত্বটি
নীজ থেকে নেয়া নয় সংস্লিষ্ট সকলের সমন্বিত অনুরোধে নিতে হয়েছে) । যাহোক, যেহেতু বিষয়টির অবতারনা
করেছেন সেহেতু বিষয়টি সম্পর্কে শুধু আপনার জন্য নয়, অন্য আরো অনেকের অবগতির জন্যই প্রবাসের
মাটিতে একটি ইসলামী সংগঠনের নিরব মানবিক অভিযাত্রার সাথী হিসাবে কিছু কথামালা বলার প্রয়োজন
বোধ করছি ।

আমরা যারা প্রবাসী তারা সবাই জানি প্রবাস জীবন অনেক সময় শুধু ভৌগোলিক দূরত্বের নাম নয় এটি
বিচ্ছিন্নতার, সংগ্রামের এবং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার এক দীর্ঘ পথচলা। বিশেষ করে ইউকের
মতো একটি অমুসলিম অধ্যুষিত দেশে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য এই পথচলা কখনো কখনো আরও জটিল
হয়ে ওঠে। ধর্মীয় পরিচয়, সামাজিক বন্ধন, পারিবারিক ঐতিহ্য সবকিছু রক্ষা করে নতুন সমাজে নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত করা সহজ কাজ নয়। এই কঠিন বাস্তবতায় একটি ইসলামী চ্যারিটি সংগঠন অনেক সময় হয়ে ওঠে
মানুষের নির্ভরতার এক নীরব বাতিঘর।

তবে দুঃখজনকভাবে, এমন সংগঠনগুলোর প্রকৃত কর্মপরিধি ও অবদান সম্পর্কে না জেনে অনেকেই কখনো
কখনো তাদেরকে একটু বাঁকা দৃষ্টিতে দেখেন। দূর থেকে কিছু অনুমান, কিছু ভুল ধারণা কিংবা আংশিক
তথ্যের ভিত্তিতে একটি সংগঠনকে বিচার করা খুব সহজ। কিন্তু যদি কেউ একটু কাছ থেকে দেখেন, একটু
গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে দেখতে পাবেন এর ভেতরে লুকিয়ে আছে অসংখ্য মানুষের সেবা,
সহমর্মিতা ও ত্যাগের এক নিরবচ্ছিন্ন গল্প।

প্রবাসে একটি ইসলামী সংগঠনের কাজ কেবল মসজিদ পরিচালনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যেই
সীমাবদ্ধ নয়। এগুলি সেখানকার সরকারী নিয়ম রীতি নীতিতে বিশ্বাসী রেজিস্টার্ড চ্যারিটি অর্গানাইজেশন
যা স্থানীয় , জাতীয় ও আন্তর্জাতিকন পর্যায়ে সেবাদান কাজে নিয়োজিত ।

স্থানীয়ন পর্যায়ে মানুষের জীবনের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা নীরবে পাশে থাকে। কোনো পরিবারে
নতুন সন্তানের জন্ম হলে আকীকার আয়োজন থেকে শুরু করে নবদম্পতির বিবাহ অনুষ্ঠান, শিশু-কিশোরদের
ইসলামী শিক্ষা, কিংবা তরুণদের নৈতিক ও সামাজিক দিকনির্দেশনা সব ক্ষেত্রেই তারা একটি সহায়ক শক্তি
হয়ে দাঁড়ায়।

মানুষের জীবনে যেমন আনন্দের দিন আসে, তেমনি আসে দুঃসময়ের কঠিন মুহূর্তও। অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, আর্থিক
সংকট কিংবা শোকের সময় এসব সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা অনেক সময় আত্মীয়ের মতোই পাশে দাঁড়ান। কোনো
মুসলিম ভাই বা বোন মৃত্যুবরণ করলে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, শোকাহত পরিবারের পাশে থাকা, এমনকি
প্রয়োজন হলে মরদেহ নিজ দেশে পাঠানোর মতো ব্যয় বহুল ও কর্মস্তরের ব্যবস্থাও তারা নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
সঙ্গে সম্পন্ন করেন।

প্রবাসে নতুন আসা অনেক মানুষের জন্যও এই সংগঠনগুলো হয়ে ওঠে প্রথম আশ্রয়স্থল। নতুন দেশে কোথায় বাসা
পাওয়া যাবে, কীভাবে কাজের সুযোগ তৈরি করা যায়, কীভাবে এখানকার সামাজিক ও আইনি বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে
নিতে হয় এই সব বাস্তব সমস্যার সমাধানে তারা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করে। অনেকের জন্য এই সহায়তাই হয়ে
ওঠে প্রবাস জীবনের প্রথম সাহস ও আশার আলো।

অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল মানুষের জন্যও তারা নানা ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা করে কখনো জরুরি আর্থিক সহায়তা,
কখনো খাদ্য সহায়তা, আবার কখনো শিক্ষা ও চিকিৎসা সহায়তা। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে থাকে মানবিক
দায়বদ্ধতা এবং ইসলামের সেই চিরন্তন শিক্ষা মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সর্বোত্তম সেবা, আর এরনের সেবার সাথে
ঘনিষ্টভাবে যুক্ত থাকতে পারাটাও কম কথা নয় ।

একই সঙ্গে এই সংগঠনগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনকে শক্তিশালী করার জন্যও কাজ করে। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ , ঈদের জামাত, ইসলামী শিক্ষা কার্যক্রম, শিশু-কিশোরদের ধর্মীয় পাঠ, কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশিদের
সাংস্কৃতিক উৎসব এসব আয়োজন মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগ্রত করে এবং সমাজকে একটি সুসংহত
পরিবারে পরিণত করে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো আজকের ইউরোপীয় সমাজ বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক। যুক্তরাজ্যে
এখন অনেক পুরোনো গির্জা সময়ের পরিবর্তনে মসজিদে রূপান্তরিত হয়েছে। আবার কোথাও একই প্রাঙ্গনে
একদিকে গির্জা এবং অন্যদিকে মসজিদপারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যের পরিবেশে পাশাপাশি পরিচালিত হচ্ছে।
এই বাস্তবতা আমাদের শেখায়, ভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব এবং প্রয়োজনীয়।
আমার এই ব্লগে লিখা এই পোস্টটি একবার দেখে আসতে পানেন ( তাই বলে ভাববেন না আমি এখন সেখানে
বাস করছি ) ।

এই সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও মসজিদভিত্তিক ইসলামী সংগঠনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তারা মুসলিমদের শেখায় নিজের ধর্মীয় পরিচয় অটুট রেখে কীভাবে অন্য ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে সম্মান,
সহনশীলতা ও মানবিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়। এভাবেই প্রবাসী মুসলিম সমাজ বৃহত্তর সমাজের একটি ইতি
বাচক অংশে পরিণত হয়।

যখন বাংলাদেশ বা বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়, তখন এই
সংগঠনগুলো এগিয়ে আসে রিলিফ ফান্ড সংগ্রহে। মানুষের দানকে সংগঠিত করে তা সঠিক স্থানে পৌঁছে দেওয়া
এই দায়িত্বও তারা সততা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে পালন করে।

এই দীর্ঘ পথচলার পেছনে থাকে একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং অসংখ্য
স্বেচ্ছাসেবক। তারা হয়তো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন না, কিন্তু নীরবে কাজ করে যান মানুষের কল্যাণে।
তাদের সময়, শ্রম, আন্তরিকতা ও ত্যাগের কারণেই একটি প্রবাসী সমাজ ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

তাই কোনো সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি দূর থেকে হালকাভাবে দেখে বিচার করার আগে, তার কাজের
গভীরে একটু তাকানো প্রয়োজন। কারণ অনেক সময় যে প্রতিষ্ঠানকে আমরা ভনেকেই ভুল বুঝি, সেই প্রতিষ্ঠানই
অগণিত মানুষের নীরব আশ্রয় হয়ে আছে।

প্রবাসের ব্যস্ত নগরজীবনের ভেতরে এমন সংগঠনগুলো আসলে কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয় এগুলো একটি
সম্প্রদায়ের হৃদস্পন্দন, মানবিকতার এক নীরব আলো, যা মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ায়, আনন্দে অংশ নেয়,
এবং ভিন্ন সংস্কৃতির পৃথিবীতে সহমর্মিতা ও সহাবস্থানের এক সুন্দর উদাহরণ গড়ে তোলে।

সংগঠনটির ইত্যাকার বহাবিধ কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য একজন মক্তব পাশ লোক হয়তবানিয়োজিত হতে
পারেন তবে তবে সংগঠনটির লোকজন উচ্চ শিক্ষিত লোকজনদের স্বেচ্ছাসেবামুলক অংশগ্রহনকে অধিকমাত্রায়
প্রয়োজন প্রাধান্য দিয়ে থাকেন বিবিধ কারনে ।

জানি আপনার দৌড় ঐ মসজিদ পর্যন্তই, তথা এ পোস্টের নীচে অত্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক ভাবে মন্তব্যটি পাঠ না করেই,
শুধু লেখাটির সাইজ দেখে লিখে দিবেন দু এক কথায় গার্বেজ বা তারো নিন্মমানের কোন কটু কথায়!!! তবে
আমার লেখার ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে পুরা মন্তব্যের কথাগুলি কপি করে নিয়ে আমার ডাটা ভান্ডারে রাখব বলে,
পরে এটা ভাল কাজে দিবে।

যেখানে দেখিবে ছাই /উড়াইয়া দেখ তাই /পাইলেও পাইতে পার মানিক রতন; এই নীতিতে আমি বিশ্বাসী ।
তাই যা খুশি তাই লিখতে পারেন , দেখতে পাবেন দু এক কথার সুত্র ধরেই কত বড় বড় কথা হয় গদ্যে না হয়
পদ্যে লিখে দিয়ে যাই এখানে , অবশ্য যদি তা রুচিতে কুলায় ।

ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা সহকারে ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৪৪

ওমর খাইয়াম বলেছেন:



আপনি কি আসলে (কোন বিষয়ে ) পিএইচডি করেছিলেন?

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৪৮

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




আমি ইউরোপের বেশীরভাগ দেশ ভ্রমণ করেছি; দেখেছি, আরব-আফ্রিকান-ভারতীয়-পাকিস্তানী ও বাংগালী মুসলমানরা ইুরোপের সরল মানুষগুলোকে নিজ নিজ দেশে শান্তিতে থাকার পরিবেেশ বিনষ্ট করছে।

১৩| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

অনুরোধক্রমে মুছে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।


পিএইচডি সহ দেশে বিদেশে আমার অর্জিত শিক্ষাগত যোগ্যতার তালিকা দিলে এই মন্তবএর ঘর ভরে যাবে ।
গবেষনা প্রতিবেদন , দেশে বিদেশে, আন্তর্জাতিক সংস্থা কতৃক প্রকাশিত লিখিত পুস্তকের তালিকা লিখতে গেলে
৪/৫ পৃষ্টা ভরে যাবে । এই ব্লগে আমার থেকেও জ্ঞানে গুণে অভিজ্ঞতায়, বিজ্ঞতায় বেশী অনেক মানুষ অছেন,এই
যেমন আপনি মহাবিজ্ঞের মত আমার লেখার দু এক ছত্র দেখেই বলে দিতে পারেন বেকুবি লেখা । বিজ্ঞতার
তারিফ তো করতেই হয় । তবে সামান্য নয় অনেক বেশী করেই তারিফ করলাম।

কথার ওজন দেখেই জ্ঞানী মানুষ বুঝে নেয় কার বিদ্যার দৌড় কতটুকু। তাই ডিগ্রী নয় মানুষের লেখা পাঠ করে
লেখার বিষয়ে কথা বলুন। দুনিয়ার কোন জ্ঞানী মানুষই কারো ডিগ্রি নিয়ে কথা বলেনা। গাছ তোর নাম কী? ফলে
পরিচয় । বিষয় ভিত্তিক তথা ফল নিয়ে কথা বলুন ,গাছ নিয়ে নয়। আজকের এই প্রযুক্তির দিনে এক গাছে
আরেক গাছের উচ্চ ফলনশীল ফল ফলানো যায় । একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ খানিক চেষ্টায় স্বল্প সময়েই
যে কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন । ইসলামী বিষয় নিয়ে লিখলে কেও নবি হয়ে যায়না, আর নিউটনের
দু এক টি সুত্র বলে দিলেই কেও বিজ্ঞানী হয়ে যায় না ।

পি এইচ ডি করলে শিং গজায় না । পিএইচডি কোর্সে মুলত শিখানো হয় গবেষনা পদ্ধতি , যৌক্তিক বিশ্লেষন পদ্ধতি
এবং উপস্থাপন পদ্ধতি । এই বিষয় গুলি কেমন এবং কতটুকু ভাল করে বুজতে ও শিখতে পারছে সেটাই লেখা হয়
গবেষনা থিসিসে । সুপারভাইজার সেটাই মুল্যায়ন করেন বেশী । যে সঠিক গবেষনা পদ্ধতি শিখতে পারে সে তার নীজের
বিষয়সহ অন্য বিষয়েও গবেষনা করতে পারে , শুধু তার সীমাবদ্দতা যেখানে সেটা তাকে পুরণ করে নিতে হয়
যথাযথভাবে ।

আরো একটি কথা আজকের এই যুগে দেশ ভ্রমনের প্রয়োজন হয়না, যে দেশ নিয়ে কথা বলতে চান তার বিষয়ে
এ টু জেট বলে দেয়া যায় ঘরে বসেই । আপনি বলুন নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের কী শুনতে চান ,এখান হতে মহুর্তেই
বলে দেয়া যাবে ঠিক ঠিক করে, কারণ ঐ গবেষনা ও অনুসন্ধান পদ্বতিটি শেখা হয়েছে পিএইচডি গবেষনা পরিচালনা
কালেই । সঠিক প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান প্রক্রিয়া ব্যাবহার করে একজন শিক্ষিত মানুষ ঠিকই বের করে ফেলতে পারে সে
যা জানতে চায় ।

ইউরোপের গুটি কয়েক দেশ ভ্রমন করেই জেনে গেলেন আরব-আফ্রিকান-ভারতীয়-পাকিস্তানী ও বাংগালী মুসলমানরা
ইুরোপের সরল মানুষগুলোকে নিজ নিজ দেশে শান্তিতে থাকার পরিবেেশ বিনষ্ট করছে।
যদি তাই হতো তাহলে
মুসলমানদেরকে সেই কবেই গলা ধাক্কা দিয়ে তারা বের করে দিত । কিন্তু বিষয়টি তার উল্টা । বরং মুসলমানের
সংখ্য এখানে ক্রমাগত বাড়তেই আছে , ইউকের মোট জনসংখ্যার ১০ভাগই এখন আপনার উল্লেখিত দেশের
মুসলমান । আর আল্লাহ এখানে বেশ সন্মানের সাথেই রেখেছেন ।

এইতো আজকেই মসজিদের পিছনে ব্যাকলেইনের পাশে অগাছায় ভরে যাওয়া খালি জায়গা ডেভেলপ
করে সেখানে মসজিদের কমিউনিটি সেন্টারে আগত ছেলেমেয়েদের জন্য একটি ছোট খেলার জায়গা
ও পার্ক করার বিষয়ে এলাকার সিটি কাউনসিলরের সাথে মিটিং করে এলাম । তিনি সন্মত হয়েছেন ।
শান্তিতে সহবস্থান বিষয়ে ( দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া , সেটা ধর্মের জন্য নয় বরং অন্যবিদ কারণে)
বহু উদাহরণ দেয়া যায়। যাহোক ঘরে বাইরে লোকজন যথেষ্ট সম্মান ও শ্রদ্ধা করে । এখানে ছাত্র
হিসাবে , গবেষক হিসাবে , শিক্ষক হিসাবে , সমাজকর্মী হিসাবে, স্কুলের গভর্নিং কমিটির মেম্বার
হিসাবে এমনকি জুরী টিমের মেম্বার হিসাবে হাইকোর্টের বিচারকের আসনের পাশে জুরিদের
সারিতে বসার তৌফিক আল্লাহ দিয়েছেন। বড় কথা হল ব্লগে বিচরণ কারিদেরকে ব্লগার
হিসাবেই ভাবুন , অন্য পরিচয় ব্লগের বাইরে , এখানে নয় । কোয়ালিটি লেখার জন্য অন্য
জায়গা রয়েছে যেমন সংবাদপত্র , সাময়িকি, দেশি বিদেশি জার্নাল, নামকরা দেশী
বিদেশি প্রকাশনী সংস্থা যেখানে লেখা প্রকাশ করলে নাম সাথে সন্মানী পাওয়া যায় ।
তবে কেও যদি দয়া করে উন্নত মানের লেখা লিখেন তবে তা অবশ্যই ব্লগের সম্পদ
হয়ে থাকবে । আপনি হয়তবা জানেন না আমার মত একজন নগন্য ব্লগারের লেখা
সামুর অফিসিয়াল ফেসবুকসহ সামু মেগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে, এছাড়াও গুগল
ওয়েব সাইটে সার্চ করলে আমার অনেক লেখার সন্ধান পাবেন । এ ব্লগেও বিভিন্ন
জনের পোস্টে মন্তব্যের ঘরে গদ্যে পদ্যে থাকা মন্তব্যগুলির মধ্যে প্রায় হাজার
দশেক স্বয়ং সম্পুর্ণ মন্তব্য উঠিয়ে নিয়ে কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি পোস্ট
দেয়া যাবে, যেখানে ২/৪/১০/১২ লাইনের লেখা দিয়ে অনেকেই নতুন
নতুন পোস্ট দিয়ে বাহবা কুড়ান । আমি সেখানে রসদ রেডি থাকা
সত্বেও নীজ পোস্টে নতুন পোস্ট দেয়ার লোভ সামলাতে পারি
অনায়াসে ।

যাহোক, নীজের মন মধ্যে গেড়ে বসা নিগেটিভিটি ঝেড়ে ফেলে দিয়ে মনের মাঝে পজিটিভিটি গ্রো করুন ।
দিন দুনিয়া দু জাহানেই মর্যাদায় থাককেন। ব্লগেও স্বমহিমায় সকল সুযোগ সুবিধা নিয়েই বিচরণ করতে
পারবেন। আবশ্য ব্লগের যে অবস্থা দেখছি তাতে এই ব্লগ টিকে থাকলে হয় ।

শুভেচ্ছা রইল

১৪| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


ইউরোপের প্রায় দেশে আরব-আফ্রিকান-পাকি-বাংগালী মৌলবাদী ইসলামিক গ্রুগ কাজ করছে; লন্ডন হলো এদের রাজধানী; এদের কারনে, মুসলমানেরা এসব দেশে দুনিয়ার অকাজ-কুকাজের সাথে যুক্ত; এদের নতুন জেনারেশন সেখাকার সমাজে সমান অধিকার পায় না।

আমি এখানে আসার পর এটাই দেখতে পারছি।

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:০২

ওমর খাইয়াম বলেছেন:




ড: এম আলী এসব কি বলে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.