| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
“ব্লগ, ফেসবুক, ইন্টারনেট, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তিকারীদেরকে শনাক্ত করতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী মাহবুব উল হক শাকিল আজ রোববার এ তথ্য জানান।”
আসলে আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এখনো “নিউ মিডিয়া” সম্পর্কে স্বচ্ছ কোন ধারনা নেই। থাকলে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া আর নিউ মিডিয়াকে এক কাতারে ফেলত না। পৃথিবীর সব বাঘা বাঘা দেশ এসব চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এটা আসলে সম্ভব না। হ্যা তবে বাংলাদেশে যা হল তা ঠেকানো সম্ভব।
ধরেন, বাংলাদেশে “স্যাটানিক ভাসেস” বইটির প্রকাশনা বা বিপনন নিষিদ্ধ। এখন কেউ যদি এর পিডিএফ ভার্সন যোগাড় করেন ও তা নিজের প্রিন্টারে প্রিন্ট করে অনেক মানুষের মাঝে বিতরন করেন, তাহলে দোষী কে? আপনি কি এজন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে দেবেন? না আমাজন ডটকমকে বলবেন পিডিএফ ভাসন বই বিক্রি করা যাবে না! নাকি ইমেইল বন্ধ করবেন!
অবশ্যই দায়িত্বট বর্তায় যে প্রচার করছে তার উপর। আমাদের দেশের কত পার্সেন্ট মানুষ আসলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে? বা আলেম-ওলামারা কতজন ব্লগিং বা ফেসবুকিং করেন? বা যে মাদ্রাসার ছাত্ররা ব্লগারদের মৃত্যু কামনা করছে সে জানে ব্লগ কি? ফেসবুক কি?
যেসব প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ধর্মীয় উন্মাদনা প্রচার করেছে তাদের বিচার করতে হবে আগে!
প্রতি মুহুরতে হাজার হাজার সাইট/ ব্লগ/ ফেইসবুক একাউন্ট থেকে ইসলাম বিরোধী লেখা হচ্ছে । আপনি কতজনকে মনিটর করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? নাকি শুধু বাংলা ভাষারগুলো করবেন? কিন্তু আপনার একতিয়ারে তো শুধু বাংলাদেশ!
তারচেয়ে খতিয়ে দেখেন যে, আমারদেশ-নয়াদিগন্ত-ইনকিলাব-দিগন্ত যে কাজটি করেছে তা কতটা আইনসিদ্ধ! তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন ঠিক কোন ক্যাটাগরিতে ইসলাম বিরোধী লেখা লিখলে তাদের “ধর্মানুভূতিতে” আঘাত লাগবে? আর কখন লাগবে না? নাকি মাহমুদুর রহমানকে ফরওয়াড করবো সারা পৃথিবীর তাবদ ইসলাম বিরোধী লেখা? ইহুদীদের লেখা ব্লগগুলো নিশ্চয় কালই ছাপবে সে!
২|
১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪৪
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: ইসলামের ইজারাদার বনাম সাধারন জনতা।
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১০
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন: .
ঠেলার নাম বাবাজি!!!
ইন্টারনেটের এই যুগে কোন কিছু নিষিদ্ধ করে লাভ নেই - কথা সত্য। ১০০% নির্ভেজাল সত্য।
............. কিন্তু নীতিগত অবস্থান বলে একটা কথা আছে, তাই না? তাই ঐ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এ-ব্যাপারে শেখ হাসিনা সরকারের "নীতিগত অবস্থান" স্পষ্ট করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে রাজনীতির কূটচাল এবং ভোট ব্যাংকের কথা বাদই দিলাম।
আর এটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, প্রায় সব দেশে কম বেশী, ধর্মীয় ব্যাপারে না-হলেও, অন্যান্য স্পর্শকাতর বিষয় বিবেচনায় আনা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ধর্ম। কোন কোন ক্ষেত্রে ভোট ব্যাংক। কোন কোন ক্ষেত্রে জনকল্যাণ ও আমজনতার আশা আকাঙ্কা।
বোঝা গেছে, বাচ্চু?