নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শান্তির পথে

সবাইকে সাথে নিয়ে এগুতে চাই।

আইয়ুব ০৯

আমি একজন প্রবাসী

আইয়ুব ০৯ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছবি ও মূর্তির ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৯



সমস্ত প্রসংশা আল্লাহ তা’আলার যিনি আমাদেরকে মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করেছেন । আর ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সমস্ত মানুষকে এক আল্লাহর দিকে ডাকার জন্য। সাথে সাথে আউলিয়া কিংবা অন্যান্য নেককারদের অথবা অন্য কোন গাইরুল্লাহর ইবাদত করা থেকে বিরত রাখার জন্য। এদের পূজা করা হয় মূর্তি, ভাস্কর অথবা ছবি বানিয়ে। এই দাওয়াত বহু পূর্ব হতে চালু হয়েছে, যখন থেকে আল্লাহপাক তাঁর রাসূলদেরকে প্রেরণ করা শুরু করেছেন মানুষের হিদায়েতের জন্য।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:

আর অবশ্যই আমি প্রত্যেক জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করেছি এই বলে যে, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর, আর তাগুতের এবাদত করা থেকে বিরত থাক। (সূরা নাহল ১৬: ৩৬)

(তাগুত হচ্ছে ঐ সমস্ত ব্যক্তি বা জিনিস যাদের ইবাদত করা হয় আল্লাহকে ছেড়ে, আর তাতে তারা রাজী খুশী থাকে)

এই সমস্ত মূর্র্তির কথা সুরা নুহতে উল্লেখিত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বড় দলিল হল, ঐ মুর্তিগূলি ছিল ঐ যামানার সর্বোত্তম নেককারগণের। এই হাদীস ইবনে আব্বাস রা. হতে বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে আল্লাহপাকের ঐ কথার ব্যাখ্যায়:

আর তারা বলল. তোমরা কোন অবস্থাতেই তোমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ কর না, আর ওজ্জা, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নাসরাকে কক্ষনই পরিত্যাগ কর না। আর তারা তো অনেককেই গোমরাহ করেছে। (সূরা নূহ, আয়াত : ২৩ ও ২৪

তিনি বলেন: তারা ছিলেন নূহ আ. কওমের নেককার বান্দা। যখন তারা মৃত্যুমুখে পতিত হন তখন শয়তান তাদের গোপনে কুমন্ত্রনা দেয় যে তারা যে সমস্ত স্থানে বসবাস করত সেখানে তাদের মূর্তি বানিয়ে রাখ, আর ঐ মূর্তিদেরকে তাদের নামেই পরিচিত কর। তখন তারা তাই করল, কিন্তু তখনও তাদের ইবাদত শুরু হয়নি। তারপর যখন ঐ যামানার লোকেরাও মারা গেল, তখন তাদের পরের যামানার লোকেরা ভূলে গেল যে, কেন ঐ মূর্তিগুলির সৃষ্টি করা হয়েছিল। তখনই তাদের পুজা শুরু হয়ে গেল। (ফতহুল বারী ৬/৭ পৃষ্ঠা

এই ঘটনা হতে এটা শিক্ষা পাওয়া যায় যে, গাইরুল্লাহর ইবাদতের কারণগুলির একটি হল এই যে, জাতীয় নেতাদের মূর্তি তৈরী করা। অনেকেরই ধারনা এই সময় মূর্তি , বিশেষ করে ছবি হারাম নয়, বরঞ্চ হালাল। কারণ, বর্তমানে কেউ ছবি বা র্মর্তির পূজা করে না। কিন্তু এটা কয়েকটি কারণে গ্রহণযোগ্য নয়:

বর্তমান যামানায়ও মূর্তি ও ছবির পূজা হয়ে থাকে। যেমন গির্জা সমূহে আল্লাহকে ছেড়ে ইসা আ. ও তার মাতা মারইয়ামের আ. ছবির পূজা করা হয়। এমনকি ক্রুশের সামনে তারা রুকুও করে থাকে। এই সমস্ত ভাস্কর যা দুনিয়ার দিক দিয়ে উন্নত ও রুহানী দিক দিয়ে অনগ্রসর জাতি কিংবা জাতীয় নেতারা সম্মান প্রর্দশন করেন তাদের মস্তক হতে টুপি খুলে, অথবা তাদের সম্মুখ দিয়ে যাবার সময় তাদের মাথা ঝুকিয়ে অতিক্রম করে। যেমন আমেরিকায় জর্জ ওয়াশিংটনের ভাস্কার্য, ফ্রান্সে নিপোলিয়ানের মূর্তি, রাশিয়ায় লেলিন ও ষ্টালিনের ভাস্কার্যের সম্মুখে এবং এ জাতীয় ভাস্কার্য বড় বড় রাস্তায় স্থাপন করা হয়েছে। তাদের সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমের সময় পথচারিরা মস্তক ঝুকিয়ে সালাম দেয়। এমনকি এই ধরনের ভাস্কার্যের চিন্তা ভাবনা অনেক মুসলিম দেশে পর্যন্ত ছড়িয়ে পরেছে। এভাবেই তারা কাফেরদের অনুসরন করতে উদ্যোগী হয়েছে, আর রাস্তা ঘাটে এরকম ভাস্কার্যের সৃষ্টি করেছে আস্তে আস্তে এই সমস্ত ভাস্কার্য ও মূর্তি আরবের মুসলিম দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও ওয়াজিব ছিল এই যাতীয় ভাস্কার্য তৈরী না করে ঐ ধন দৌলতদিয়ে মসজিদ মাদ্রাসা, হাসপাতাল, সাহায্য সংস্থা ইত্যাদি তৈরীর জন্য ব্যয় করা, যাতে এই উপকার সকলের নিকট পৌছেঁ, যদিও তারা এটা তাদের নামে নাম করণ করুক না কেন তাতে কোন ক্ষতি নেই।

আর এমন একদিন আসবে, যখন এই ভাস্কার্যগুলির সম্মুখে মস্তক অবনত করে সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং তাদের ইবাদত করা হবে, যেমনভাবে ইউরোপ, তুর্কী এবং অন্যান্য দেশে হচ্ছে। আর তাদের পূর্বে নুহ আ. এর কওম তা করেছিল। তারা তাদের নেতাদের ভাস্কার্য তৈরী করেছিল, অত:পর তাকে সম্মান করত ও ইবাদত করত।

এ প্রসঙ্গে রাসুল সা: আলি রা: বলল্লেন যেখানে যত মুর্তিই দেখ না কেন, তাকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে ফেল। আর যত উচুঁ

কবর দেখবে, তাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিবে। (মুসলিম(

অন্য রেওয়ায়েতে আছে, যত ছবি দেখবে তাকে টুকরা টুকরা করে ফেলবে।

ছবি ও মূর্র্তির ক্ষতিকর দিক সমূহ

১) আকীদা ও দ্বীনের ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই যে, ছবি ও মূর্তি বহু লোকেরই আকীদা নষ্ট করে ফেলেছে। কারণ, খৃষ্টানরা ইসা আ. মারইয়াম আ. এবং ক্রুশের ছবির পূজা করে। ইউরোপ ও আমেরিকায় তাদের নেতাদের মূতির্র পূজা করা হয়।

আর ঐ মূর্তিগুলির সামনে নিজেদের মস্তক সমূহকে অবনত করে সম্মান ও শ্রদ্ধার সাথে। তারপর কোন কোন সূফি পীরদের মধ্যে এর প্রবনতা দেখা দিয়েছে। তারা তাদের পীর মাশায়েখদের ছবি, সালাত আদায় করার সময়, তাদের সম্মুখে স্থাপন করে এই নিয়তে যে, এতে তাদের মধ্যে খুশু খুজ ুবা আল্লাহর ভয় পয়দা হয়। আর তাদের মাশায়েখরা যখন যিকর করতে থাকে তখন তাদের ছবি উত্তোলন করে। ফলে তাদের মুরাকাবা ও মুশাহাদা দেখাতে বিঘ্ন না ঘটে। কোন কোন স্থানে তাদের ছবিকে সম্মান দেখিয়ে লটকিয়ে রাখে এই ধারনা করে যে এতে বরকত হয়।

সেই রকম অনেক গায়ক গায়িকা ও শিল্পীদের ছবি তাদের অনুসারীরা ভালবাসে। তারা ওদের ছবি সংগ্রহ করে সম্মান এবং মর্যাদা দেখানোর জন্য ঘরে অথবা অন্যত্র ঝুলিয়ে রাখে।

(২( ছবি ও মূর্তি যে কিভাবে যুবক, যুবতিদের স্বভাব চরিত্র নষ্ট করছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। রাস্তাঘাট বাড়িঘর পূর্ণ হয়ে আছে এই ধরণের তথকাথিত শিল্পীদের ছবিতে যারা নগ্ন, অর্ধ নগ্ন অবস্থায় ছবি উঠিয়েছে। ফলে, যুবকরা তাদের প্রতি আশেক হয়ে পড়েছে। প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নানা ধরনের ফাহেশা কাজে তারা লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাদের চরিত্র ও অভ্যাস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে, তারা না দ্বীন সম্বন্ধে চিন্তা করছে, আর না বাইতুল মুকাদ্দাসকে মুক্ত করার চিন্তা ভাবনা করছে। আজকের যামানায় ছবির প্রচার খুবই বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিল্পীদের ছবি। এমনকি জুতার বাক্স, পত্রিকা, পাক্ষিক, বই পুস্তক, টেলিভিশন ইত্যাদিতেও। বিশেষ করে যৌন উত্তেজক সিনেমা, ধারাবাহিক নাটক এবং ডিটেকটিভ চলচিত্র সমূহে। অনেক ধরনের কার্টুন ছবিতেও যাতে আল্লাহ পাকের সৃষ্টিকে বিকৃত করা হচ্ছে। কারণ, আল্লাহ তায়ালা লম্বা নাক, বড় কান কিংবা বিরাট বিরাট চোখ সৃষ্টি করেননি, যা তারা এই ছবি সমূহে অংকন করে থাকে। বরঞ্চ আল্লাহ তাআলা মানুষকে অতি উত্তমরূপে সৃষ্টি করেছেন।

(৩) ছবি ও মুর্তির ক্ষেত্রে যে ধন দৌলত নষ্ট হয়, প্রকাশ্যভাবে তা সকলেরই গোচরীভূত হয়। এই জাতীয় ভাস্কর মূর্তি সমূহ সৃষ্টি করার জন্য হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা ব্যয় করা হয় শয়তানের রাস্তায়। বহু লোক এই জাতীয় ঘোড়া, উট, হাতি, মানুষের মূর্তি ইত্যাদি ক্রয় করে তাদের ঘরে নিয়ে কাচেঁর আলমারীতে সাজিয়ে রাখে। আবার অনেকে তাদের মাতা পিতা বা পরিবারের লোকদের ছবি দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখে। এর থেকেও লজ্জাকর ঘটনা হল, কেউ কেউ বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে যে ছবি তোলে তা ড্রইং রুমে ঝুলিয়ে রাখে অন্যদের দেখানোর জন্য। মনে হয় যেন তার স্ত্রী তার একার নয়, বরঞ্চ তা সকলেরই ।

ছবি ও মূর্র্তির কি একই হুকুম

অনেকে এই ধারণা করে যে, জাহিলিয়াতের যামানায় যে সমস্ত মূর্তি তৈরী করা হত একমাত্র ঐ গুলিই হারাম। এতে বর্তমান যামানার অধুনিক ছবি অর্ন্তভূক্ত নয়। এটা বড়ই আবাক হওয়ার কথা। মনে হচ্ছে, তারা যেন ছবিকে হারাম করে যে সমস্ত হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে তা শ্রবনই করেনি। তার মধ্য থেকে কয়েকটি হাদীস নিম্নে উল্লেখিত হল:

আয়েশা রা. একটি ছোট বালিশ ক্রয় করেছিলেন। তাতে ছবি আকা ছিল। ঘরে প্রবেশের সময় রাসূল সা. এর দৃষ্টি এতে পতিত হলে তিনি আর ঘরে প্রবেশ করলেন না। আয়েশা রা. তার মুখ মন্ডল দেখেই তা বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন: আমি আল্লাহ ও তার রাসূলের নিকট তওবা করছি। আমি কি গুনাহ করেছি? রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন: এই ছোট বালিশটি কোথায় পেলে? তিনি বললেন: আমি এটা এ জন্য খরিদ করেছি যাতে আপনি এতে হেলান দিয়ে বিশ্রাম করতে পারেন। তখন রাসূল সা. বললেন: যারা এই সমস্ত ছবি অংকন করেছে কিয়ামতের মাঠে তাদেরকে আযাব দেয়া হবে। তাদের বলা হবে: তোমরা যাদের সৃষ্টি করেছিলে. তাদের জীবিত কর। অত:পর তিনি বললেন: যে ঘরে ছবি আছে সে ঘরে রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করেন না। (বুখারী ও মুসলিম )

তিনি আরো বলেছেন

কিয়ামতের মাঠে ঐ সমস্ত লোকেরা (যারা ছবি আঁকে তারা আল্লাহর সৃষ্টির মতই কিছু করতে উদ্যত হয়।)সবচেয়ে বেশী আযাব ভোগ করবে যারা আল্লাহর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করে। (বুখারী ও মুসলিম )

বুখারী শরীফে বর্ণিত আছে:

রাসূল সা. কোন ঘরে ছবি দেখলে, তা সরিয়ে না ফেলা পর্যন্ত ঐ ঘরে প্রবেশ করতেন না। (বুখারী(

রাসূল সা. বাড়ীতে ছবি ঝুলাতে নিষেধ করেছেন আর অন্যদের উহা আঁকতে কিংবা তোলতে নিষেধ করেছেন। (তিরমিযী(

যে সমস্ত ছবি বা মূর্তি জায়েয,

গাছপালা, চন্দ্র, তারকা, পাহাড় পর্বত, পাথর, সাগর, নদনদী, সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য, পবিত্র স্থানের ছবি যেমন কাবাঘর মদীনা শরীফ, বাইতুল মোকাদ্দাস, বা অন্যান্য মসজিদের ছবি, এ সম্বন্ধে ইবনে আব্বাস রা. বলেন: যদি তোমাকে ছবি বা মূর্তি বানাতেই হয়, তবে কোন বৃক্ষ বা এমন জিনিসের ছবি আঁক যাদের জীবন নেই।

পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা এ জাতীয় কাজে ছবি উঠানো ( অতিশয় প্রয়োজনের খাতিরে ) জায়েয।

হত্যাকারী বা অপরাধীদের ছবি তোলা জায়েয, যাতে করে তাদের ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করা যায়।

এ রকম যদি ছোট মেয়েরা ঘরে বানানো কাপড় দিয়ে পুতুল খেলে তা জায়েয, তবে পোশাক পরিহিত ও পাক পরিস্কার হতে হবে, এর দ্বারা কিভাবে শিশুকে পালন করতে হয় তা বাচ্চারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। ফলে, বড় হয়ে মা হলে তা তাদের উপকারে আসবে।

দলিল: আয়েশা রা. বলেন: আমি রাসূলের সা. নিকট আমার পুতুল মেয়ে নিয়ে খেলা করতাম। (বুখারী(

তবে বাচ্চাদের জন্য বিদেশী কোন পুতুল খরিদ করা জায়েয নেই। বিশেষ করে ঐ সমস্ত পুতুল যা নগ্ন কিংবা বেপর্দা অবস্থায় আছে। যদি এটা দ্বারা বাচ্চারা খেলাধূলা করে তবে তা থেকে তারা অনুকরণ করে সেই মত চলতে তারা উদ্যাগী হবে। আর এভাবেই সমাজকে নষ্ট করে দিবে। অধিকন্ত এই টাকা পয়সা কাফিরদের দেশে ও ইয়াহুদীদের নিকট পৌঁছবে।

ছবির মাথা যদি কেটে দেয়া হয়. তবে তা ব্যবহার করার অনুমতি আছে। কারণ, ছবির মূল হল মাথা। মাথা যদি ছেদ করে দেয়া হয় তবে আর রুহ থাকল না। তখন তা জড় পদার্থের পর্যায়ে পড়ে। সমাপ্ত ।

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৯/-৭

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০২

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ভাইজান, ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ব্লগে লেখালেখির বিষয়ে ইসলামে কোন হুকুম আছি কি?

২| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৪

রাজসোহান বলেছেন: :-< :-< |-) |-)

৩| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৮

মগা নাকি বলেছেন: মানুেরে ছবি তোলা, আকা হারাম এবং এদের কঠিন শাস্তি হবে এ ব্যাপারে হাদিস আছে।

৪| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। পোষ্টে প্লাস।

৫| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৪১

'লেনিন' বলেছেন: ছবির মাথা যদি কেটে দেয়া হয়. তবে তা ব্যবহার করার অনুমতি আছে। কারণ, ছবির মূল হল মাথা। মাথা যদি ছেদ করে দেয়া হয় তবে আর রুহ থাকল না। তখন তা জড় পদার্থের পর্যায়ে পড়ে।

জ্ঞানে সিক্ত হলুম।

৬| ০৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫২

সাফির বলেছেন: দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: চমৎকার বলেছেন পোষ্টে প্লাস।

৭| ০৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

অনাহুত আগন্তুক বলেছেন: বুখারী থেকে নেয়া , "Narrated 'Aisha:
I used to play with the dolls in the presence of the Prophet, and my girl friends also used to play with me. When Allah's Apostle used to enter (my dwelling place) they used to hide themselves, but the Prophet would call them to join and play with me." (Vol. 8, Book 73, No. 151)

যেহেতু আমার কোন ধরণেরই জ্ঞান নেই, আমাকে অনুগ্রহ করে বলুন কে সত্য কথা বলছে আর কে মিথ্যা কথা বলছে, নাকি সবাই একই সাথে "সত্য এবং মিথ্যা" কথা বলছে?

৮| ০৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

অনাহুত আগন্তুক বলেছেন: Never mind! Please ignore my comment.

৯| ০৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

মুঘল সম্রাট বলেছেন: দলিল: আয়েশা রা. বলেন: আমি রাসূলের সা. নিকট আমার পুতুল মেয়ে নিয়ে খেলা করতাম। (বুখারী)

জানতাম না।
আমার মনে হয় মূর্তির ব্যপারে রুট লেভেল থেকেই সচেতন হওয়া দরকার।

১০| ০৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮

মৈত্রী বলেছেন: ১। এই লেখাটা কি মাসিক মদীনা কিংবা আল-বাইয়্যেনাতে কখনো ছাপা হইছিলো? আপনি কি কপি মারছেন নাকি নিজে লেখছেন?

২। আপ্নার লেখা পড়ে শংকিত হচ্ছি। কারন তাহলে
# শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াওতো এক ধরনের মূর্তিপূজা
$ বংগবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করাও তো মানুষপূজা
% শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পন করাও তো অগ্নিপূজা......

৩। ব্যাপকহারে মাইনাস খাবেন আশাকরি।

১১| ০৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: মজাড়ু :)

১২| ০৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৪

সপ্ন পুরন বলেছেন: :-< :-< |-) |-)

১৩| ০৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৭

প্লাস_মাইনাস বলেছেন: :) :D B-) ;) :( :(( X( :| X(( :-/ :P |-) :-< :|| :#> :!> 8-| #:-S :-* :-* /:) :-B B:-) :-P :-& :-0 !:#P =p~

ইমোটিকন দেওয়া কি জায়েজ না হারাম? এইগুলা কিন্তু সুধু মাথা দেহ নাইকা। আমি কনফুউজড। কুরান হাদিস এইনিয়া কিছু কয় না?

১৪| ০৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩১

হায় ঈশ্বর! বলেছেন: সত্য কথা বলার জন্যে প্লাস . আজকালকার মডারেট মোমিন মুসলিম গুলা খালি মিছা কথা কয় !

১৫| ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১৯

পার্থরূপ বলেছেন: পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা এ জাতীয় কাজে ছবি উঠানো ( অতিশয় প্রয়োজনের খাতিরে ) জায়েয????????????????

১৬| ০৮ ই জুন, ২০১০ ভোর ৬:৩৮

এই আমি মীরা বলেছেন: আরেকটা হাদিস শুনুন: "Religion is very easy and whoever overburdens himself in his religion will not be able to continue in that way. So you should not be extremists, but try to be near to perfection and receive the good tidings that you will be rewarded." Sahih Bukhari, Volume 1, Book 2, Number 38

ব্যাপার হচ্ছে, আপনি যদি ক্লাস ফাইভের একটা বাচ্চাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে কম্প্লেক্স নাম্বার বলে আসলেই কিছু আছে, এবং সেই নাম্বার সিস্টেমে নেগেটিভ নাম্বারের স্কয়ার রুট করা যায়, সে ভীষন কনফিউসড হয়ে যাবে। কারন, সে শিখেছে যে নেগেটিভ নাম্বারের স্কয়ার রুট কখনোই হয় না। তাই বলে ব্যাপারটা এটা না যে এখানে একজন সত্য আর একজন মিথ্যা বলছে। পার্থক্য হচ্ছে, এ বিষয়ে প্রথমজনের জ্ঞান দ্বিতীয় জনের চেয়ে এ একটু বেশি, তাই, সে পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পারছে।

আমার মনে হয়, যেটা মনে রাখা উচিৎ, সেটা হচ্ছে, ইসলাম একটা সম্পূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। তাই সেটাতে বিভিন্ন ছোটখাট বিষয়েও কি করতে হবে সেটা বলা আছে। এই নিয়মগুলোকে নিয়ে তখনই মজা করা খুবই সহজ, যখন কেও সেগুলোর পেছনে যুক্তি না বোঝে। দু'একটা হাদিস বা কুরআনের আয়াত টেনে এনেই চোখ বন্ধ করে ফেললে যুক্তি বোঝা খুবই কঠিন, বরং, একটা বিষয়ে সবগুলো হাদিস, কুরআনের আয়াত ও সেগুলো কোন সময়ে বলা হয়েছিলো, সেটা বের করতে পারলে ব্যাপারগুলো অনেক পরিষ্কার হয়ে যায়। আমাদের অনেকেরই হয়তো সেটা করার মত সময় নেই, তাই, এরকম কাওকে জিজ্ঞাসা করলে ভালো, যে ঐ কাজগুলো নিজে করেছে - কুরআন/হাদিস বিশেষজ্ঞ বা ফিকহ (ইসলামিক নিয়ম-কানুন) বিশেষজ্ঞ।

Click This Link এখান থেকে তৃতীয় কমেন্টটা পড়ুন।

আমার কাছে হাদিসগুলো কন্ট্রাডিক্টরি লাগছে না। আমি যতটুকু জানি, ইসলামে মূর্তি বা মূর্তির মতো সবকিছুই অপছন্দনীয় কারন এ ধর্মের মেইন আইডিয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ এক। তিনি ছাড়া আর কোন স্রষ্ঠা বা প্রভু নেই। মুসলিমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে মাথা নত করে না। একটা মানুষ বা অন্য কোন প্রানীকে যখন সম্মান জানানোর জন্য মূর্তি বানিয়ে রাখা হয়, তখন আস্তে আস্তে অন্যদের মনে ঐ মানুষ/প্রানীর প্রতি শ্রদ্ধাটা তার লেভেলের থেকে অনেক বেড়ে যায়। এটা হয় যখন কোন মূর্তিতে জীব্ন্ত প্রানীকে অনুকরন করার চেষ্টা করা হয়। এই জিনিসটা শিরক (আল্লাহর সাথে বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাওকে পূজা করা) - এ রূপান্তরিত হতে পারে। যেহেতু তাওহীদ (আল্লাহর একত্ব) ইসলামে এত্তো বড় একটা ব্যাপার, তাই এরকম কঠিন কঠিন হাদিস এসেছে।

'এ্যাবস্ট্রাক্ট' আর্ট কিন্তু ভিন্ন ব্যাপার। যেহেতু সেটাতে আল্লাহর সৃষ্টিকে অক্ষরে অক্ষরে অনুকরন করা হচ্ছে না, তাই সেটাতে শিরকের পর্যায় পৌঁছানো কঠিন। আর তখনকার পুতুলগুলো 'এ্যাবস্ট্রাক্ট' আর্টই ছিলো - কাপড় দিয়ে বানানো পুতুল।

বিদেশি পুতুলগুলো পুতুলের চেয়ে মূর্তির বেশি কাছাকাছি। তাই হয়তো এই মতামত।

ইসলামে ছোটখাট ব্যাপারের জন্য বিভিন্ন মতামত আছে। এর কারন হচ্ছে মুহাম্মদ (সা:) বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে কাজ করেছেন। তাই, সব হালাল অপশনগুলোর মধ্যে যখন যেটা উপযুক্ত, তখন সেটা করতে হবে। যেমন, নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত পড়তেই হবে। কিন্তু আপনি যদি অসুস্থ থাকেন, তাহলে বসে বসে বা শুয়ে শুয়েও নামাজ পড়তে পারবেন। তার মানে এটা না যে একটু ঠান্ডা লাগলেই শুয়ে নামাজ পড়া যাবে।

পার্থরূপ: ছবি তোলা আর ছবি আঁকা এক না। ছবি তোলা হয় আলো আটকিয়ে, এটাতে 'অনুকরন' করার কিছু নেই। সেটা নাজায়েজ হওয়ার কোন কারন দেখছি না।

আসলে আমরা ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে এতো মাথা ঘামাই যে বড় ব্যাপারগুলো কখন যে বড় ক্ষতি করে ফেলে টেরই পাই না। পৃথিবীতে যুদ্ধের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। বাংলাদেশেই না খেয়ে মানুষ মারা যায়। দুর্নীতির জন্য বাংলাদেশ প্রথম কয়েকজনের জন্য একজন। এগুলোর জন্য কিছু না করে আমরা যদি এসব ব্যাপার নিয়ে পড়ে থাকি, আমরা কিভাবে বড় হবো?

১৭| ০৮ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

মৈত্রী বলেছেন: "এই আমি মীরা"কে প্লাস!

১৮| ১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪১

ইমতি২৪ বলেছেন: প্লাস

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.