| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অন্ধকারের আমি
আমি পাপী তবু পাপেরে নাহি ডরি, আমার মাঝেই পাপ পুণ্যের হিসেব কষে ফিরি!
কোনও বিশেষ অকেশন ছাড়া ভাল খাবারের আয়োজন তেমন একটা হতো না আমাদের ঘরে। বাড়ির আশেপাশে নানা জাতের সবজি গাছ থাকে এর বেশীরভাগই আম্মার হাতের লাগানো। এছাড়া অল্প কিছু হাঁস মুরগীও আছে। হাঁসের ডিম, বাগানের সবজি এটা ছিল কমন খাবার মেন্যু। মধ্যবিত্ত পরিবারের মায়েরা পরিবারের টোটাল আয়ের একটা বড় অংশে এভাবেই জোগান দেয়।
অনেক সময় ভাবী আমাদের দেশে নারীদের রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক অর্থনীতিতে যে বিশাল ভূমিকা সেটা কেন আমাদের জিডিপি তে অন্তর্ভুক্ত হয়না। ইউরোপ কিংবা উন্নত বিশ্বে মহিলারা বিভিন্ন ভাবে রোজগার করে সে ক্ষেত্রে আমাদের মায়েরাও তো পিছিয়ে নেই। পার্থক্য শুধু উন্নত বিশ্বে মায়েরা স্বীকৃতি পায় আর আমাদের দেশে পায়না। নইলে সন্তান লালন পালনের বিষয়টা যদি ‘চাইল্ড কেয়ার হোম’ এর মতো টাকার অংকে বিবেচনা করা হয় তবে মায়েদের আয়ের পরিমান পিতার চেয়ে বেশি বৈ কম হবেনা। আর সেটার সাথে যদি মধ্যবিত্ত পরিবারের মায়েদের হাঁসমুরগি পালন আর সব্জির বাগান যোগ হয় তাহলে তো মহিলারাই এগিয়ে আছে আয়ের দিক থেকে সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।
আম্মা ভর্তা খেতে ভালবাসেন তাই কোনও না কোনও ভর্তা তিনি করতেনই সবসময়। মাছ মাংসে তেমন একটা অভ্যস্থ নন তিনি। আব্বু মারা যাওয়ার পর থেকে হালকা প্রিন্টেড সাদা কাপড় পড়তেন তিনি। অপচয় একদমই অপছন্দ করেন তিনি। আমি ঘরে না থাকলে তিনি একটা লাইট জ্বালিয়ে রাখতেন শুধু। এতো কিছুর মাঝেও আম্মার সবচেয়ে বড় গুণ তিনি ছিলেন দানশীল। কখনো দেখিনি কোনও ফকির মিসকিনকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে। ছোট বেলায় বাড়িতে ফকির আসলে চালের পটটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে “যাও এটা দিয়ে আসো ঐ লোকটারে”। এটা ছিল একটা প্রশিক্ষনের মতো। হয়তো উনার আম্মাও উনাকে এভাবেই শিখিয়েছিলেন কিভাবে দরিদ্র লোকের প্রতি দানশীল আচরণ করতে হয়।
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:১৯
অন্ধকারের আমি বলেছেন: সালাম পৌছিয়ে দেবো। আপনাকেও আমার সালাম।
২|
১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:০৩
সোহাগ সকাল বলেছেন: ভাল্লাগলো।
শুভ কামনা।।
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:২০
অন্ধকারের আমি বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:৪৫
পড়শী বলেছেন: মা কে সালাম।