নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবাক পথিকের কথা

aniruddho007

aniruddho007 › বিস্তারিত পোস্টঃ

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়ায় চিকিৎসককে নির্যাতন

০৬ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় এক শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে নির্যাতন করে দুই দিন তার কক্ষে আটকে রাখে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের শিবিরকর্মীরা।



আহত ইমন-নুর-শামসুদ্দিনকে সোমবার বিকালে নুরন্নবী হোস্টেলের ১১নম্বর কক্ষ থেকে উদ্ধার করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম কিবরিয়া।



অধ্যক্ষ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে শামসুদ্দিনকে ওই কক্ষে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। দুইদিন পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়।



মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ইমন।



হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।



মেডিক্যাল কলেজের ৪৮তম ব্যাচের ছাত্র ইমন তার লিখিত অভিযোগে বলেন, সম্প্রতি তিনি তার ফেইসবুক পেইজের স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে।’



এই স্ট্যাটাস দেখার পর ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় এবং স্ট্যাটাসটি প্র্ত্যাহার করে নিতে চাপ দিতে থাকে।



এতে রাজি না হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক সাহাদৎ হোসেনসহ ১৫ জন ইমনের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে বেদম মারপিট করে।



তাকে দুই দিন কক্ষ থেকে বের না হতে বলা হয় এবং প্রশাসনকে বিষয়টি জানালে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয় শিবির নেতারা।



এই শিক্ষানবিশ চিকিৎসক তার লিখিত অভিযোগে মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও শিবির কর্মী জুয়েল, সাইফুল, মামুন, আফতাব, লিটন, ইব্রাহিম, রশিদ, ইমরুল, সবুজ, নাদিম, মোস্তফা, মিনারুল ও ফারবির নাম উল্লেখ করেছেন।



গত ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার আদেশ দেয়ার পর তার ফাঁসির দাবিতে আন্দালন শুরু হয় শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে।



এর অনুসরণে রাজশাহীতেও সংহতি গণমঞ্চ গড়ে তুলে আন্দোলন শুরু করেন তরুণরা। রাজশাহী মেডিকেলের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। ২২ ফেব্রুয়ারি ওই গণমঞ্চ ভেঙ্গে দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। ওই ঘটনায় পুলিশ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যারয়সহ বেশ কিছু সরকারি স্থাপনাতেও হামলা হয়।



গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃতুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।



এই রায় প্রত্যাখান করে জমায়াত-শিবির চক্র সারাদেশে যে তাণ্ডব চালায়, তাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতেও দুই জন নিহত হন।



সূত্র: bdnews24.com

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.