| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আকবর হোসেন
বিবিসি বাংলা, ঢাকা
---------------------
বাংলাদেশের সদ্য প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্রভাবে সমালোচিত হচ্ছেন লাশ দাফন বিতর্কে তাঁর কথিত ভূমিকার জন্য।
সাত বছর আগে বিয়ে হলেও তাদের প্রেম, বিয়ে এবং এর পরিণামে হুমায়ূন আহমেদের আগের সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখন নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে ফেসবুকে, বিভিন্ন ব্লগে এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে।
কিন্তু যেভাবে মেহের আফরোজ শাওন সোশ্যাল মিডিয়ায় কথিত হুমায়ূন ভক্তদের সমালোচনার টার্গেটে পরিণত হয়েছেন, এবং যে ভাষায় তাঁর এই সমালোচনা করা হচ্ছে—সেটা কতোটা ন্যায্য এবং যৌক্তিক সে প্রশ্ন উঠেছে।
“ভাবতে আশ্চর্য লাগছে, যারা নিজেকে হুমায়ূনের বিশাল ভক্ত হিসেবে দাবি করছে, আজ তারাই হুমায়ূনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে নিয়ে কুৎসিততম মন্তব্য করে যাচ্ছে। শাওন মিথ্যা না সত্য বলছে, সে অভিনেত্রী না ভালোমানুষ, তাকে ব্যক্তিগতভাবে না জেনে, না চিনে মন্তব্য করার অধিকার আমাদের কে দিয়েছে”—ফেসবুকে তাঁর স্ট্যাটাসে মুনমুন শারমিন শামস নামের একজন এভাবেই তাঁর ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
পারিবারিক মূল্যবোধ
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বেশিরভাগ গল্পে মধ্যবিত্তের পারিবারিক মূল্যবোধেরই জয়গান গেয়েছেন
হুমায়ূন আহমেদ মূলত লিখেছেন বাংলাদেশের নাগরিক মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের জীবন নিয়ে। নিজের লেখায় যৌনতার খোলামেলা বর্ণনা তিনি সচেতনভাবে এড়িয়ে গেছেন, এবং তাঁর অনেক গল্পেই শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের পারিবারিক মূল্যবোধেরই জয় দেখানো হয়েছে।
কিন্তু এই জনপ্রিয় লেখক নিজেই যখন প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তিরিশ বছরের সংসার ভেঙ্গে মেয়ের বান্ধবী মেহের আফরোজ শাওনকে বিয়ে করেন, তখন স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর ভক্তরাও।
"মেহের আফরোজ শাওনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই প্রবণতা খুবই হতাশাজনক। এটা খুবই অবমাননাকর"
ফাহমিদুল হক, শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কিন্তু সেই বিতর্কও এক সময় থিতিয়ে এসেছিল। নিজের লেখালেখি, টেলিভিশন নাটক এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদ তার ভক্তদের মাতিয়ে রেখেছেন।
কিন্তু মৃত্যুর পর জনপ্রিয় এই লেখকের সাহিত্য কীর্তির মূল্যায়নের চাইতে তাঁর ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবনই গণমাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি আলোচিত হচ্ছে।
কোথায় হুমায়ূন আহমেদকে দাফন করা হবে তা নিয়ে যেভাবে পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্য মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন, তা যে এই বিতর্ককে নতুন করে উস্কে দিয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
‘নারী সবসময় ভিকটিম’
প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের সংসার ভাঙ্গার জন্য অনেকে দূষছেন মেহের আফরোজ শাওনকে। কোথায় হুমায়ূন আহমেদকে দাফন করা হবে, সেই দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত শাওন যেভাবে জয়ী হন—সেটাকেও লেখকের উত্তরাধিকার কব্জা করার প্রয়াস হিসেবে দেখেছেন অনেকে।
"একটা মেয়ে ঘর বাঁধলেও মুশকিল, না বাঁধলেও মুশকিল। ঘর টেকাতে না পারলে তার দায়ও মেয়েদের ওপরই আসে। আমাদের দেশে নারী সবসময়েই ভিকটিম"
সমাজবিজ্ঞানী মাহবুবা নাসরিন
কিন্তু মেহের আফরোজ শাওনের ওপর এই আক্রমণের মধ্যে সমাজের সনাতনী পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গীরই প্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
“ফেসবুকে এবং ব্লগে যে ভাষায় মেহের আফরোজ শাওনের সমালোচনা করা হচ্ছে তাতে হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে তাকে অবমাননা করার একটা চেষ্টা খুবই স্পষ্ট”, বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক।
“অনেকে আবেগের জায়গা থেকে এমন কিছু কথা বলছেন, লিখছেন যা খুবই অনভিপ্রেত। বিশেষ করে এখানে শাওনকে ডেমোনাইজ করার একটা চেষ্টা চলছে। এমনকি হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর জন্যও তাকে দায়ী করে নানা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা হচ্ছে। মেহের আফরোজ শাওনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই প্রবণতা খুবই হতাশাজনক। এটা খুবই অবমাননাকর।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিন বলেন, এ ধরণের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সমাজে সবসময় নারীকেই দোষারোপ করার একটা প্রবণতা দেখা যায়।
“একজন পুরুষের সম্পৃক্ততা না থাকলে একজন নারী তার জীবনে জড়িয়ে যায় না। কিন্তু বিষয়টাকে আমরা সেভাবে দেখি না। একটা মেয়ে ঘর বাঁধলেও মুশকিল, না বাঁধলেও মুশকিল। ঘর টেকাতে না পারলে তার দায়ও মেয়েদের ওপরই আসে। আমাদের দেশে নারী সবসময়েই ভিকটিম।”
মাহবুবা নাসরীন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে যখন বিয়ে হয়, তখন শাওন তো বয়সে অনেক ছোট ছিলেন। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ তো অনেক ম্যাচিউরড অবস্থা থেকে এই কাজটা করেছেন। কিন্তু কেউ তো হুমায়ূন আহমেদকে ইঙ্গিত করে কিছু বলছেন না। ইঙ্গিত করা হচ্ছে তাঁর স্ত্রী শাওনের প্রতি।”
২|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০১
এ্যাপেলটন বলেছেন: ....আমি খুব ভালো লিখতে পারিনা ! ..কিন্তু এইরকম একটা লেখা খুব মিস করছিলাম !! ......গত ৯-১০ মাস শাওনই পরিবারের একমাএ মানুষ যে কিনা হুমায়ুনের সাথে সবসময় ছিলেন .......তারপরও শাওন যদি কিছু ভুল করে থাকে ....ক্ষমা তার প্রাপ্য ।
৩|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৪
রিফাত হোসেন বলেছেন: শাওন ধোয়া তুলসি পাতা !
৪|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৬
রাহিক বলেছেন: শাওন ভক্তদের প্রতি ফুলেল অভ্যর্থনা ।
৫|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:২৩
ShusthoChinta বলেছেন: এই শালার নারীবাদীরা সবখানেই নারীবৈষম্য খুঁজে পায়! সেই শুরু থেকেই শাওনকে বিয়ে করার জন্য হুমায়ুনকেই দোষ দেওয়া হয়,এমনকি অনেক পাঁড় ভক্তও হুমায়ুনকে লম্পট বলে আসছে,সাধারণের কথা তো বাদই দিলাম। তবে মৃত্যুর কারণে রিসেন্টলি হুমায়ুন ছাড় পাচ্ছে কিছুটা,তীরটা কিছুটা শাওনের দিকে। এছাড়া হুমায়ুনের পূর্বপক্ষের সন্তানেরা বাবার মৃত্যু উপলক্ষে মিডিয়াতে পুরাপুরি আসায় জনগণের সহানুভূতি পাচ্ছে তারা,যার কারণে স্বাভাবিকভাবেই শাওন ভিলেন হয়ে যাচ্ছে! উপরন্তু দাফন নিয়ে শাওন যা করলো তাতেও সে আক্রমণের স্বীকার হবে এটাই স্বাভাবিক,এখানে নারীর প্রতি বৈষম্য কোথায়??? আসলে এদের কথা শুনে মনে হয়,গুলতেকিন বোধহয় কোন নারী নয়,শাওন ই শুধু নারী! সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি টানা যেমন ফালতু,তেমনি সবকিছুতে নারীবাদ টানাটাও ফালতু একটা কাজ!
৬|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৩৯
মিয়াভাই বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে জোর করে বিয়ে করেনি বলেই আমার ধারনা । শাওন জেনে শুনেই বিয়ে করেছেন । বাপের বয়সী ,ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর বাবাকে বিয়ে করার মানসিকতা স্বাভাবিক মানতে পারছি না । সমাজ বলে যদি কিছু থাকে, তার রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে । ভালোবাসা আর ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে যথেচ্চাচার সমাজ গ্রহন করবে না , এটাই স্বাভাবিক । হুমায়ূন আহমেদের মা এখনো বেঁচে আছেন । উনার ইচ্ছার প্রতি সন্মান দেখানো হবে এটাই সমাজ আশা করে । শাওন হুমায়ূন আহমেদের মা এবং সমাজকে সেই সন্মান দেননি । সমস্ত দায় ঘাড়ে নিয়েই উনি গো ধরেছেন । এই দায় উনাকেই বহন করতে হবে ।
৭|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৩৯
মিয়াভাই বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে জোর করে বিয়ে করেনি বলেই আমার ধারনা । শাওন জেনে শুনেই বিয়ে করেছেন । বাপের বয়সী ,ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর বাবাকে বিয়ে করার মানসিকতা স্বাভাবিক মানতে পারছি না । সমাজ বলে যদি কিছু থাকে, তার রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে । ভালোবাসা আর ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে যথেচ্চাচার সমাজ গ্রহন করবে না , এটাই স্বাভাবিক । হুমায়ূন আহমেদের মা এখনো বেঁচে আছেন । উনার ইচ্ছার প্রতি সন্মান দেখানো হবে এটাই সমাজ আশা করে । শাওন হুমায়ূন আহমেদের মা এবং সমাজকে সেই সন্মান দেননি । সমস্ত দায় ঘাড়ে নিয়েই উনি গো ধরেছেন । এই দায় উনাকেই বহন করতে হবে ।
৮|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৫১
চিপাভুত বলেছেন: শাওন ছোট ছিল, সে দুধে ধোওয়া তুলসি পাতা
মোটেই না, শাওন যদি ভাল হত তাহলে কখনই সবাই ওর দিকে আংগুল দেখাত না।
প্রথমত যে তার ডাবল বয়সের কারও সাথে প্রেম/পরিনয়ের সাথে জড়াতে পারে তাকে লোকে ভাল না বলাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া মিডিয়াতে যেসব ভিডিও আসছে তাতে স্পটতই শাওনকে দোষ না দেবার কোন কারন দেখি না, যে হুমায়ুন আহমেদকে দেশে আনার প্রথম দিনই সম্পত্তি নিয়ে কথা বলতে পারে সে লোভি ছাড়া আর কিছুই নয়.......
হুম্ অনেকের হয়ত শাওনের প্রতি অন্যরকম ফিলিংস থাকতে পারে তাদের কথা ভিন্ন আর তাদের চোখে শাওনকে দুধে ধোওয়া তুলসি পাতা মনে হবেনাতো কার চোখে মনে হবে???
এটাতে নারীবাদী ধ্যান ধারনা টেনে আনাটা হাস্যকর আর এই হাস্যকর জিনিসটার মুখমুখি আমরা হচ্ছি প্রতিনিয়ত, কারনে অকারনে..........
যারা প্রচন্ড নারীবাদী ওরা কেন শুধু শাওনের সাফাই গান? কেন গুলতেকিনের উপর অবিচারের জন্য শাওনকে আপনাদের দোষী মনে হয়না একটু বলবেন??????
৯|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৫২
সাবু ছেেল বলেছেন: এ ব্যাপারে এই লিংকটি ফলো করলে সবকিছু পরিস্কার হয়ে যাবেঃ
Click This Link
২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৪৭
চলনবিল বলেছেন: আপনার এইসব ফালতু জিনিস নিয়া আর কত জনের ব্লগ এ লেদাইবেন ? ![]()
১০|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৫৫
দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন: এই ক্যাচালে আমি কখনো জড়াতে চাই নি। তবুও ভিবিন্ন ব্লগারদের আস্ফালন দেখে আপনার মতো এইরকম করে একটি লিখার প্রয়োজন অনুভব করতেছিলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১১|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:১২
অদৃশ্য আলোক বলেছেন: যে যাই বলুক হুমায়ুন মৃত্যুর আগে শাওন, শাওনের মা, প্রকাশক মাজহার এদেরকে নিজের পাশে রেখেছিলেন। এর নিশ্চয়ই সঠিক কারণ ছিল। হুমায়ুন কচি খোকা নন।
যারা এখন শাওনের সমালোচনা করছেন, তারা হুমায়ুনের মৃত্যুর আগে হুমায়ুনের কাছে গিয়ে যদি এসব বলতেন, তাহলে হয়ত কাজ হত।
বিখ্যাত হলে এটা একটা সমস্যা। কেউ বিখ্যাত ব্যক্তির সামনে খুব একটা সমালোচনা করেনা। শেখ হাসিনার সামনে গিয়ে কেউ কখনো বলবেনা, আপনি এটা কাজ ঠিক করছেন না।
নোভা, শীলা, নুহাশ এদের প্রতি মানুষের সহানুভুতি দেখা যাচ্ছে তাদের ইচ্ছানুযায়ী দাফন হয়নি বলে, তারা বাবার সম্পত্তি ঠিকভাবে পাবে কিনা সেটা নিয়েও সন্দেহ তৈরী হয়েছে। শাওন ও তার মা তহুরা আলীর উচিত হুমায়ুনের সম্পত্তি সঠিকভাবে ভাগ করে দেয়া। মৃত্যুর আগে হুমায়ুনের পাশে শাওন ছিল, শাওনের বুঝা উচিত, হুমায়ুন এত সম্পত্তির মালিক হয়েও মৃতূর সময় কিছু নিয়ে যেতে পারে নাই।
১২|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
স্বাধীকার বলেছেন: সদ্য বিধবা শাওনের বিচার মাত্র শুরু হয়েছে, পানি বহুদূর যাবে। শাওনের পরকীয়া কিংবা মাজহারুল কাহিনীর ডালপালা বহুদূর বিস্তৃত হবে।
শাওন একটি পরিবারকে ধ্বংস করেছে,
শাওন কয়েকটি সন্তানকে পিতার কাছ থেকে সরিয়ে দিয়েছে,
শাওন একজন স্নেহশীল পিতার মূত্য ঘটিয়ে তাকে যন্ত্রমানব করেছে,
শাওন নিজের স্বার্থে একজন বিখ্যাত মানুষকে নির্জনে কবরস্থ করেছে,
শাওনকে লোভী, স্বার্থপর ও যৌনবিনিয়োগী বুদ্ধিবৃত্তিক বেশ্যার মর্যাদা দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিশেষন এ মুহূর্তে পাচ্ছিনা।
১৩|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৫১
মহসিন আহমেদ বলেছেন: শাওনকে লোভী, স্বার্থপর ও যৌনবিনিয়োগী বুদ্ধিবৃত্তিক বেশ্যার মর্যাদা দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিশেষন এ মুহূর্তে পাচ্ছিনা।
++++++++++++++
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৪১
নীল ফিউজিটিভ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ আপনার আমার মতন সাধারণ মানুষ নন যে তিনি বা তাঁর পরিবার পর্দার আড়ালে থাকবেন...সো' যা হবার তাই হয়েছে...হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যু পরবর্তী যা ঘটেছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনকও বটে...আর যা ঘটেছে (আলোচনা-সমালচনা) তার জন্য হুমায়ূন পরিবারই (২ পরিবার) দায়ী...