| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিছুদিন পূর্বে জুয়া ও ক্রিকেট নিয়ে লিখেছিলাম; আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম এই জুয়া আর বাজি নিয়ে বড় ধরনের কিছু ঘটতে পারে। তবে সে শঙ্কা ছিল সিলেট শহরে গড়ে ওঠা জুয়ার আড্ডাগুলো নিয়ে। কিন্তু প্রথম আলো আশরাফুল এবং সাবেক তিনজন তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে যে রিপোর্ট করেছে তাতে আরও বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছি বলা যায়; শুধু আমি নই দেশের মানুষের মধ্যে যাদের ক্রিকেট সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা আছে প্রত্যেকেরই আমার মতোই অবস্থা হওয়ার কথা।
আমাদের মতো দুর্নীতিপ্রবণ দেশে এ ধরণের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অমূলক নয়, তবুও কেন যেন মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। আশরাফুল সম্ভবত বাঙলাদেশের সবচে ভাগ্যবান ক্রিকেটার, তার অফুরন্ত প্রতিভা নিয়েও কোন সংশয় নেই। সে ২০০৪ সাল থেকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত এই কথাটি বিশ্বাস করতে আসলেই কষ্ট হচ্ছে। আমার মনের কথার প্রতিধ্বনি শুনতে পাই সবদিকে; চায়ের স্টল থেকে শুর করে সামাজিক যোগাযোরে মাধ্যমগুলোতে। কিন্তু একটি সত্য সবাইকে মেনে নিতে হবে আশরাফুল ও যে তিন ক্রিকেটার এর নাম প্রথম আলো পত্রিকায় ছাপা হয়েছে তারা যদি সত্যিই দোষী হন তাহলে ক্ষমা বা অনুকম্পা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। তাদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তিই পেতে হবে। এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ পথে পা না বাড়ায়।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যদি তার নির্দোষ হয় বা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করা না যায় সেক্ষেত্রে কি হবে? প্রথম আলো পত্রিকা ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছে তারা ব্যবসার স্বার্থে অনেক কিছুই ছাপতে পারে এবং পরদিনই এ জন্য ক্ষমা চাইতে পারে। তারা কখনোই কর্পোরেট দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন রিপোর্ট করেনা; বরং দেশের স্বার্থবিরোধী বিদেশী কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে সাফাই গায়। কানসাট এর ঘটনা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
প্রথম আলোর ক্রোড়পত্র 'আলপিন' নিষিদ্ধ হয়েছিল ধর্মবিরোধী বক্তব্যের জন্য। মতিউর রহমান ক্ষমা চেয়েছিলেন। কিছুদিন আগে শাহবাগ আন্দোলন বিরোধী লেখা ছাপানোর জন্যও মতিউর রহমান এবং বিশিষ্ট (নাম মুখে আনতে চাচ্ছিনা) লেখক ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন; শুধু তাই নয় সাহিত্যপাতা থেকে ওই লেখাটিও বাতিল করা হয়েছে।
তাই দেখা যাচ্ছে স্রেফ ব্যবসায়ী চিন্তা থেকে প্রথম আলো অনেক কিছুই করে এবং ক্ষমা চায়। এখন যদি দেখা যায় যে ক্রিকেটাররা আসলে নির্দোষ তাহলে মতিউর রহমান এবং উৎপল শুভ্র গং কি করবেন? তারা কি ক্ষমা চেয়ে সবকিছু মিটমাট করে নিবেন না নিজেদের কাজের পক্ষে প্রমাণ তুলে ধরবেন? কতটুকু প্রমাণ হাতে পেয়ে বা তথ্যসূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু যাচাই করে এতবড় একটি নিউজ প্রথম আলো ছাপিয়েছে তা একমাত্র সংশ্লিষ্টরাই বলতে পারবে। তবে এতবড় একটা নিউজ লিড করার পূর্বে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই সবকিছু যাচাই করে দেখেছে। আসলে ব্যবসায় কোন নৈতিকতার স্থান নেই এটা আমাদের দেশের পত্রিকাগুলোর কর্পোরেট মালিকপক্ষ ও তাদের তাবেদার সাংবাদিকরা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। তাই একটা আশঙ্কা মনের মধ্যে কাজ করছে সবকিছুই কি তাহলে ব্যবসায়িক ফন্দি, পত্রিকার বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা?
সত্যি বলতে কি আমি কোন ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাস করিনা। কিন্তু আমাদের ক্রিকেটের এই ভয়াবহ দুঃসময়ে কেন যেন ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে। প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি হোক এটা আমিও চাই, তবে সেটা সত্যিকার বিচারের মাধ্যমে। মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে নয়।
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১:৩০
আহমুদুর রশীদ রিপন বলেছেন: বিনুদিত হইলাম
২|
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১২:৫৬
অদ্ভুত স্বপ্ন বলেছেন: ফাউল পত্রিকা।
বোমা ফাটানোর উদ্দেশ্য কাটতি বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোর নিউজ সোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হবার মোক্ষম সুযোগ গ্রহণ ছাড়া আর কিছুই নয়।
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১:৩১
আহমুদুর রশীদ রিপন বলেছেন: সম্ভাবনা একেবারেই কাল্পনিক নয়।
৩|
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১২:৫৮
আহমুদুর রশীদ রিপন বলেছেন: দেখা যাক থলির বেড়াল কি বের হয়।
৪|
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১:২১
নিরব বাংলাদেশী বলেছেন: সব বিড়াল ই মেও মেও করতে জানে...http://somewhereinblog.net/blog/nirobbangladeshi
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুন, ২০১৩ রাত ১২:৫৪
টানিম বলেছেন: পড়ে আসুন । খুব মজা পাবেন ।
আশরাফুলের সমস্যা মানসিক (একটু আপডেট আছে)