নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অশ্রু তোমার আমার মনে ক্ষতের সৃষ্টি করে বন্ধু তোমার হাসি ঘরে আলোর সৃষ্টি করে

আরোগ্য

কোন ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়ার আমার কোন অধিকার নেই আর সকল ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করাও আমার কর্তব্য নয়, আমার কর্তব্য শুধু আমার দায়িত্বগুলো পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা

আরোগ্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাহারি পুরান ঢাকা

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮

পুরান ঢাকা সম্বন্ধে অনেক মতবাদ প্রচলিত আবার এ নিয়ে অনেকের বেশ কৌতুহলও রয়েছে। পুরান ঢাকার এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে বেশ আলাদা। আজকের পোস্টে পুরান ঢাকা ও খাস ঢাকাইয়াদের সাথে আপনাদের পরিচয় করার চেষ্টা করবো।


১.ভাষা:
পুরান ঢাকায় সামুরে সাগতম। আমগো এলাকায় বেরাইবার আইছেন। খুবই বালা কথা আরাম কইরা বহেন। ভদ্র ভাবে বইতে অইব না ঢেলন দিয়া বন। রাস্তায় জামে পরছিলেন কোন সমস্যা না নেট কিনা ব্লগ চালাইবেন সময় কাইটা যাইবো। আরে আপনেরা দেহি ঘাইমা গেছেন। এক গেলাস লাচ্ছি খায়া লন কলিজা ঠান্ডা অয়া যাইবো। আমগো এদিকে খাতিরদারির কোন কমতি অইব না। সুদ্ধ ভাসায় কথা কইতে চাপা বিস করে। আমরা দোসবন্দুরে সয়তানি কইরা গালি দিয়া ডাকি। আমেরিকানগো রহম নামরে ভেংগায়া ডাকি। আমগো ভাসা আপনেগো খরপ লাগা পারে মাগার একটা কথা মনে রাখবেন আমগো মুখে মধু অন্তরে বিস না। এহন চলেন মন ভইরা কিছু খায়া লন তার বাদে বাদবাকি কথা।


২.খাবার :
খাবারের বেলায় পুরান ঢাকাইয়াদের কোন জুড়ি নেই। খাওয়া দাওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। যখন খুশি তখনই ভুড়ি ভোজ। নাস্তায় তেহারী নেহারী থাকলে তো কোন কথা নাই। দুপুরে তিন চার পদের কমে হবেই না। সন্ধ্যায় জাঙ্ক ফুডের বাহার। নৈশভোজেও কম না। নাজিরাবাজারের খাবারের হোটেলগুলো সারারাত খোলা থাকে। মেহমানদারীতেও তাদের রাজকীয় ভাব। টেবিল জুড়ে খাবার না দিলে তো মান সম্মান নিয়ে টানাটানি। মাঝে মাঝে বাবুর্চি দিয়ে রান্না করে গরীবদেরও বিলি করে। সারাদিন ফুটপাতে জুড়ে হরেক রকম খাবারের মেলা। বিভিন্ন স্বাদের মুড়ি ভর্তা, চানাচুর ভর্তা, চানাবুট (ছোলা ভুনা), ঘুমনিপুরি, শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, আলুরচপ, পেয়াজু, বেগুনি, পকোড়া, রোল, চিকেন ফ্রাই, নুডুলস, স্যুপ, হালিম, চাপটি, চিতই পিঠা সাথে শুটকী ভর্তা ও সরিষা ভর্তা ফ্রী, সিজনাল ফলের ভর্তা, ফুসকা চটপটি, আচার ,শরবত, গোলা আইসক্রিম আরও মজাদার খাবার। পুরান ঢাকার একটি বিখ্যাত খাবার হল বাকরখানি। রমজান মাসে সেহরী আর ইফতারে একটু কমতি হলেই মেজাজ গরম হয়ে যায়। ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবে শাহী খাবারে টেবিল সাজানো থাকে। কোরবানী ঈদের সময় চার পাঁচ কেজি ওজন না বাড়লেই নয়। আর বিয়ে বাড়িতে তো মানুষ যায় ওষ্ঠাগত ভুরিভোজ করতে।


৩.রাস্তাঘাট
বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য রাস্তাঘাট পুরান ঢাকায়, এতে কোন সন্দেহ নেই। ফুটপাতে হাটার কোন জায়গা নেই, এমনকি অনেক জায়গায় ফুটপাতই নেই। রাস্তার এখানে সেখানে গাড়ী পার্কিংয়ের অবাধ কুব্যবস্থা আছে। কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা। ময়লার ঝুড়িতে মানুষ দুর থেকে আবর্জনা ছুরে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা করে। কোন কোন রাস্তায় নিশ্বাস বন্ধ করে চলতে হয়। বৃষ্টির দিনে কোন কোন জায়গায় সাঁতার কাটতে পারে। হাটু অবধি পানি উঠে যায়। অলিগলির পরিমাণ অনেক বেশি। একবার জ্যামে পড়লে দশ মিনিটের পথে অনায়াসে এক ঘন্টা কেটে যায়। তবে ছুটির দিনে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া যায়। রাস্তায় দিনের বেলায় রিকশার পরিমাণ বেশি থাকে, আর রাতের বেলায় মালবাহী ট্রাক। রাস্তাঘাটের বেলায়ও পুরান ঢাকার বিশিষ্টতা আছে।


৪.শিক্ষাব্যবস্থা
পুরান ঢাকায় শিক্ষার হার তুলনামূলক অনেক কম। এখানে শিক্ষার চেয়ে অর্থের প্রাধান্য বেশি। প্রচলিত প্রবাদ, "মেয়েদের লেখাপড়া কইরা কি লাভ, বিয়ার পর তো চুলাই গুতানো লাগবো"। একবার এইচ,এস,সি পাশ করলে বাড়িতে প্রস্তাবের সমাহার। ছেলেরা পড়ালেখা করার চেয়ে বাবার ব্যবসায় বসতে অধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। পরিবারের কেউ যদি মেডিকেলে পড়ে তাহলে গর্বের শেষ নাই। আর ভাগ্যগুণে যদি বাড়ির বউ অথবা জামাতা উচ্চ শিক্ষিত হয়, আত্মীয়দের মাঝে তাদের নিয়ে ভালোই দম্ভ করা হয়। অনেক অশিক্ষিত মা বাবা ফুটানি দেখানোর জন্য সন্তানকে নতুন ঢাকার ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করে অথচ পড়ালেখার ঠিকমতো খোঁজও নেয় না । অনেক পরিবারে লেখাপড়ার জন্য এতটা চাপ দেয়া হয় যে খেলার সময়ও পায় না । দিনকে দিন এখানে শিক্ষার হার বাড়ছে তবে নারী শিক্ষার হার অধিক।

৫.পেশা
শতকরা নব্বই ভাগ লোক ব্যবসা করে। তাদের ভাষ্য মতে, "চাকরিতে মাপা পয়সা, এতে পোষাবে না,আর চাকরি চলে গেলে কি উপোস করবে"। ব্যবসা হলেও পুরান ঢাকায় মেধাবীর অভাব নেই। আমাদের ধোলাইখালে ইঞ্জিনিয়ারের সমাবেশ, ডিগ্রী না থাকলেও দক্ষতার কমতি নেই। নাজিরাবাজার হোটেলের খাবার খেলে গুলশান বনানীর শেফদের খাবার ভুলে যাবেন। রমজান মাসে চকবাজারের ইফতারের দোকানগুলোর সাথে দেশের কোন দোকান প্রতিযোগিতা করে পারবে না। পুরান ঢাকায় পিতার অবর্তমানে পুত্রই ব্যবসার হাল ধরে। সব ধরনের পণ্যের বাণিজ্য কেন্দ্র এই এলাকা। চকবাজারে সব শুষ্ক দ্রব্যাদি পাইকারি দরে সস্তায় বিক্রি করা হয়। ঠাটারিবাজারে পাওয়া যায় সব রকম মাছ, শামবাজারে পাল্লা দরে সস্তায় তাজা সবজি। এছাড়াও সব রাস্তা ও গলিতে দেখা যায় হরেক রকমের মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। ইসলামপুরে নানা ধরনের থান কাপড় পাওয়া যায়।


৬.বিয়ে
যেদিন বিয়ের তারিখ ঠিক হবে তার পরদিন হতেই কেনাকাটা শুরু। বিয়ে যদি ছয় মাস পরও হয় তবুও কেনাকাটা শেষ হয় না। একটা বিয়ের জন্য দশটা অনুষ্ঠান - পানচিনি, সন্ধ্যাকোটা, কনের হলুদ, বরের হলুদ, বিয়ে, বৌ ভাত, আড়াই নাইয়র, আট নাইয়র আরও কত কি। একটা অনুষ্ঠানেও পোশাক রিপিট করা যাবে না নইলে ইমেজ খারাপ হবে। প্রতি অনুষ্ঠানে ভিন্নতা। সন্ধ্যাকোটায় ব্যান্ড শো হলে হলুদে ডিজে পার্টি, বিয়েতে খাবারের প্রতিযোগিতা, জামাইয়ের টেবিলে তো অনেকে রান্না করা আস্ত খাসী রাখে, কোয়েল কবুতর কিছুই বাদ যায় না। আরেক জনের সাথে প্রতিযোগিতায় করে বাড়ির সামনে যত বড় করে গেইট বাঁধা যায়। মেকামের কল্যানে কোনটা বউ আর কোনটা তার বোন বোঝা মুশকিল। পূজার দেবীর সাথে পাল্লা দিয়ে যেন সাজসজ্জা করে। বিয়ের দিন বেচারা বরের পকেট কাটে শালীরা, একবার আসার সময় গেইট ধরার নাম করে, আরেকবার খাওয়ার পর হাত ধোয়ার নাম করে। আর বৌ ভাতের দিন নিজের ভাই বোন ও ভাবীরা। শত রং ঢং আর নাটকীয়তা চলতেই থাকে। পাত্রের নিজেদের বাড়ি আর ব্যবসা থাকলেই চলবে। আর পাত্রীকে সুন্দর অথবা পয়সাওয়ালার মেয়ে হতে হবে। উপঢৌকন দুই পক্ষই দেয়। পাত্রপক্ষের দিতে হয় ভরি ভরি গহনা, দামী দামী কাপড় আর পাত্রীপক্ষ দেয় ফার্নিচার, ক্যাশ আবার কোন কোন ক্ষেত্রে গাড়িও।


৭. পরিবার কাঠামো
পুরান ঢাকায় যৌথ পরিবার বেশি দেখা যায়। এক হাড়িতে রান্না না হলেও এক বাড়িতে ভিন্ন ভিন্ন তলায় পরিবারের সবাই বাস করে। তবে অধিকাংশ সময় মা ই পরিবারের সকলের জন্য রান্না করে থাকে। পরিবারের মুরুব্বীর প্রভাব অনেক বেশি। দাদা, দাদী, বড় চাচা, বাবা এরাই মূখ্য। এদের অবর্তমানে মা ও বড় ভাই পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরিবারের কর্তাকে সবাই মান্য করে চলে। মূলত পরিবারের পুরুষরাই আয় রোজগার করে থাকে। নারীরা গৃহস্থালি কাজকর্ম করে। বলা যায়, বাড়ির বাইরে পুরুষের আধিপত্য থাকলেও বাড়িতে নারীর শাসনই চলে। খাস ঢাকাইয়াদের মতে, বাড়ির বউ বাইরে কাজকর্ম করবে এটা খুবই লজ্জার ব্যাপার। লাখ টাকার শাড়ি আবদার করলেও কোন সমস্যা নেই, সারাদিন শপিং করলেও কোন বাধা নেই কিন্তু চাকরি করা যাবে না।

৮.দর্শনীয় স্থান
পুরান ঢাকায় অনেক দর্শনীয় জায়গা আছে। এমনকি কিছু ঐতিহাসিক স্থানও রয়েছে যেমনঃ আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা। আরও আছে বাহাদুর শাহ পার্ক, বলধা গার্ডেন, হোসেনি দালান, ছোট কাটারা, বড় কাটারা, লালকুঠি, টিকাটুলির রোজ গার্ডেন, শাখারীবাজার, তারা মসজিদ, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ঢাকেশ্বরী মন্দির, আর্মেনীয় গীর্জা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও পুরান ঢাকায় বহুবছর পুরনো কিছু বাড়ি আছে যা কোন অংশে দর্শনীয় স্থানের চেয়ে কম নয়। এখানকার সরু গলিগুলোও নতুনদের জন্য ভিন্ন চমক রাখে।


৯.ধর্ম

পুরান ঢাকার নব্বই ভাগ মানুষ মুসলমান। এছাড়াও হিন্দু ও খ্রিস্টান রয়েছে। সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে।পুরান ঢাকার মানুষ অন্য এলাকার চেয়ে অধিক ধার্মিক হয়। ছোটবেলা থেকেই কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। জুম্মার সময় বাবা তার ছোট ছেলেকে নিয়ে একই রকম পাঞ্জাবি পড়ে মসজিদে যায়। প্রত্যেক মহল্লায় দু একটি মসজিদ আছে। রমজান মাসে পুরান ঢাকার এক ভিন্ন চিত্র থাকে, সব জায়গায় ইফতারের আয়োজন করে। সন্ধ্যার পর তারাবীর জন্য প্রস্তুতি। এই মাসে তুলনামূলক অধিক মুসল্লী দেখা যায়। অনেক সময় মসজিদে জায়গা হয় না। নতুন ঢাকার তুলনায় পুরান ঢাকার মানুষ যথেষ্ট ধার্মিক ও শালীনভাবে জীবনযাপন করে। তাদের পোশাক আশাক ও চালচলনে ধর্মীয় প্রভাব লক্ষনীয়।



১০.উৎসব
পুরান ঢাকায় সব উৎসবে এক ভিন্ন আমেজ পরিলক্ষিত হয়। ধর্মীয় উৎসব হল ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা , শবে বরাত, দূর্গাপূজা, বড়দিন। ঈদ ও পূজা উপলক্ষে বেশ কিছু জায়গায় মেলার আয়োজন করা হয়। সার্বজনীন উৎসবের মধ্যে আছে বাংলা নববর্ষ, বিজয় দিবস, থার্টি ফার্স্ট নাইট, জন্মদিন,বিয়ে, বিবাহ বার্ষিকী,। তবে সবচেয়ে লক্ষনীয় উৎসব হল সাকরাইন বা সংক্রান্তি। পৌসের শেষ আকাশ যেন অসংখ্য রঙীন ঘুড়িতে সাজানো থাকে। অবশ্য পুরান ঢাকায় পরিবারের সব সদস্যরা একত্রিত হলেই একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


( সব জায়গাতেই ভালমন্দ আছে। আমি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে পুরান ঢাকা সম্বন্ধে লিখার চেষ্টা করেছি।
আজকের পোস্ট ব্লগে আমার অন্যতম প্রিয় মনিরা আপাকে উৎসর্গ করলাম।)

মন্তব্য ৯৮ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৯৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১২

ইসিয়াক বলেছেন: চেনা রাস্তা চেনা পথ দেখা হলো বহুদিন পর
ছেড়ে গেলে তোমায় ,মনে রাখিব সারা জীবনভর।।
ধন্যবাদ

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫১

আরোগ্য বলেছেন: প্রথম মন্তব্য করার জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই।
আপনার জন্য অনেক শুভ কামনা।

২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

তারেক ফাহিম বলেছেন: পুরান ঢাকা,

জানার আগ্রহ ছিলো, আজকের পোষ্টে একেবারে সব মিঠে গেলে B-)

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৬

আরোগ্য বলেছেন: না না,৷ তা কি হয়। অবশ্যই একবার হলেও পুরান ঢাকায় ভ্রমণ করবেন।

৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
পুরান ঢাহা গেলুম, কাচ্ছি বিরানী খেলুম, লালবাঘ কেল্লা আর আহসান মঞ্জিল ঘুরলুম মাগার কোন দাওয়াত পেলুম না!

কেউ যদি দাওয়াত দিত তবে আবার আসতুম!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

আরোগ্য বলেছেন: আরে সৈয়দ ভাই, এম চৌদ্দ তারিখে সাকরাইন। মিস কইরেন না। জলদি আহেন।

৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৯

হাবিব স্যার বলেছেন: আপাতত ঊপস্থিতি জানান দিলাম

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

আরোগ্য বলেছেন: গুড, দেরি কইরেন না।

৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

বাংলার মেলা বলেছেন: আপনের পুস্টে আয়া তো এক্কেরে ফাইসা গেছিগা। বাতচিত তো ম্যালা করছেন, মাগার পুরান ডাকার যেই রঙ তামাসা - হেডা আপ্নের পুস্টে এক্কেরেই পাইনাইক্কা। এরা ইস্পিশাল কিছু ফল পাক্কড় খায় - হেগুলির কোন কতা নাইক্কা। বালা থাইক্কেন!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

আরোগ্য বলেছেন: আমি তো ঐ সব ফল পাক্কর চিনি না আর খাই ও না তাই লিখতে পারি নাই।
আপনে বি বালা থাইকেন।

৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫০

ইয়াসিনুর রহমান ফাহিম বলেছেন: ভাই সবই মানলাম। কিন্তু দর্শনীয় স্থান হিসেবে বাহাদুর শাহ পার্ককে মেনে নিতে পারলাম না। ঐটা সাধারণ একটা পার্ক, একটা স্মৃতিস্তম্ভ ছাড়া কিছুই ওখানে আহামরি কিছুই নেই।
আর শিক্ষাদীক্ষার ব্যাপারে যা বললেন, সেটা ভুল। পঞ্চাশ বছর আগেও আমাদের এলাকায় মেয়েদের পড়ালেখার ঐ হাল ছিল না।
উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন স্কুলের মধ্যে আছে- ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল(১৮৩৫!), সেন্ট গ্রেগরি স্কুল, সেন্ট ফ্রান্সিস(গার্লস) স্কুল; যার তিনটিই পুরনো ঢাকায়।
বাকি লেখাটা মোটামুটি সঠিক। পড়ে ভালো লাগল।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১০

আরোগ্য বলেছেন: বাহাদুর শাহ পার্কের নামটা উইকিপিডিয়াতেও আছে।
মূলত এই পোস্টে খাস ঢাকাইয়াদের কথা বলা হয়েছে, মিশ্র ঢাকাইয়াদের মাঝে অনেক পরিবর্তন দেখা যায়।
আর যে স্কুল তিনটির নাম উল্লেখ করেছেন সেগুলোতে ঢাকাইয়া অনেক কম আর গ্রামের পোলাপান বেশি।
ধন্যবাদ।

৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫০

একজন অশিক্ষিত মানুষ বলেছেন: পুরান ঢাকা সম্পর্কে সুন্দর সব তথ্য জেনে ভালো লাগল।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক শুভ কামনা।

৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভায়া,

পুরান ঢাহার ভাষা বুঝি না!
ওয়াটস মিন 'এম চৌদ্দ তারিখে সাকরাইন!'

প্রমিত ভাষায় অনুবাদ করেন!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

আরোগ্য বলেছেন: আহারে টাইপো হয়ে গেছে। এই চৌদ্দ তারিখে হবে। মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি বা ঘুড়ি উৎসব। চারপাশের বাড়িতে বেশ উৎসব হয় কিন্তু আমাদের বাড়িতে এটা করা নিষেধ।

৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ওয়াও।

পুরান ঢাকায় আত্মীয় থাকলে মন্দ হতো না।

যেমন ভাষা তেমনি খাবার-দাবার । বেশ বেশ।

তা ভাই আপনিও নিশ্চয় পুরান ঢাকার। তা হলে দাওয়াত নিলাম।

লাল শুক্রবারে হাজির হবো।
++++++++++++++++++

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১০

আরোগ্য বলেছেন: গুণী মাইদুল ভাই,
রক্তের আত্মীয় না থাকলে কী হবে ব্লগের আত্মীয় তো আছেই। পুরান ঢাকায় সবারই একবার আসা উচিত। বেশ বিচিত্র অভিজ্ঞতা হবে।

১০| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার ছোট ও মাঝারীবেলা (স্কুল এবং কলেজ) কেটেছে পুরানো ঢাকার লালবাগে, সে হিসাবে আমার বেড়ে উঠাও পুরানো ঢাকায়। ভাষার অংশটা বেশী চমৎকার হয়েছে।

ঘুড়ি উড়ানো নিয়ে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে ওখানে। স্কুলে পড়ার সময় স্কুল ফাকি দিয়ে লালবাগ কেল্লার কাছে এক দোকান থেকে সাইকেল ভাড়া করতাম কয়েক বন্ধু মিলে। তারপর সারা পুরানো ঢাকা টো টো করে বেড়িয়ে সময়মতো বাসায় ফিরতাম। :)

হাজারো স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন!! :((

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

আরোগ্য বলেছেন: বাহ্ আপনি তো শৈশব ও কৈশোর বেশ উপভোগ করেছেন দেখছি। শুনে খুব ভালো লাগলো। পুরনো স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অনেক দুঃখিত।

১১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কী কইবার লাগছেন!

আপনি একটা মেইল করেন তো!
Syedtajulislam@yahoo.com

আপনারে বাঁধবার ফন্দি কচ্ছি না কিন্তু!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

আরোগ্য বলেছেন: :P

১২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

মোহাম্মদ শাহারিয়া বলেছেন: পুরানো ঢাকা তে বিয়ে করবো :)

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

আরোগ্য বলেছেন: গুড লাক!

১৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনি কি পুরানো ঢাকার?

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

আরোগ্য বলেছেন: জ্বি, কাভা ভাই।
প্রথম বার আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে বেশ ভালো লাগছে। :)

১৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এক্কেবারে ঠিক পুরনো কলকাতার জেরক্স কপি। আসলে পুরানো শহর গুলি বোধ হয় এরকম জনবহুল এলাকা, সরু গলি বাজার জঞ্জাল, ঘুপচি বাড়ি, শিক্ষার অভাব, যৌথ পরিবার বা কাজিনদের সঙ্গে হই হট্টগোল করে বসবাস, বড় বড় দালান এবং পয়সাওয়ালা লোকদের বাস। ভীষণ সুন্দর লাগলো পুরনো ঢাকা সম্পর্কে জেনে। ++

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় ছোট্ট ভাইটিকে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় ভাইটি,
বাঙালি মনে হয় সব জায়গায় একই রকম। তবে যাই হোক পুরনো এলাকার বৈশিষ্ট্যগুলো কিন্তু ভীষণ ঐতিহ্যবাহী। পুরান ঢাকায় দাওয়াত রইলো ভাইটি সপরিবারে।

১৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: সমস্ত পুরান ঢাকার অলিতে গলিতে ঘুরেছি।

পোষ্ট ভালো হয়েছে। গোছানো ছিমছাম।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

১৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

নয়া পাঠক বলেছেন: ভাইজান, কিতা কইবার লাগছেন, কতা কি হাচানি, তয় আরেকটু বিস্তারিত লেকবার পারতেন। পুরান ঢাহারে নিন্দা করবরার লাগচেন, আবার হুনলাম আপনে নাহি পুরান ডাহার বাসিন্দা। মনে হয় নাইক্কা, আফনে অরিজিনাল পুরান ঢাহার পোলা....। বাবুবাজার আমাগো একখান চাইলের আড়ৎভি আচিল, চুডুকালে কত্ত গেছি, ইসলামপুর, বাবুবাজার, বংশাল, লালবাগ... আহ্। অহনও ডাহায়ই থাহি, মাগার সময় পাইনাক্কা. নইলে আপনেরে দেইহা লইতাম। মিয়া ঐতিহ্য বুঝনা...... এইতা অইল ডাহার ঐতিহ্য.... নবাবি খানার দাওয়াত দিলাম... আইয়া খাইয়া যাইও..।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

আরোগ্য বলেছেন: ধোলাইখাল আহেন আপনেরে দেইহা লমু। B-)

১৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এমন ভাবে পুরান ঢাকাকে তুলে ধরলেন যেন একটি রাষ্ট্র।

পোষ্টে রাশি রাশি ভালো লাগা রেখে গেলাম।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

আরোগ্য বলেছেন: পুরান ঢাকা আসলেই একটি বিচিত্র এলাকা। জেইসন বিলামের ট্রাভেল ভ্লগ দেখতে পারেন।

১৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্টে পাঁচ তারা। কার্জন হলে পড়াশোনা করেছি। চাংখার পুলের নিরব হোটেলে ছিল নিত্য আসা যাওয়া। পঞ্চাশ পদের ভর্তা, আর ডাল দিয়ে রান্না করা সেই মুরগির স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। পোস্ট অনেক ভাল লেগেছে আরোগ্য।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

আরোগ্য বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্টে
পাঁচ তারা।
B-))
পুরান ঢাকার খাবারের আসলেই অতুলনীয় স্বাদ। ভর্তা খেতে আমারও খুব ভাল লাগে।
মন্তব্য পড়ে অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ।

১৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

মুফীদ হাসান বলেছেন: আরো কিছু গুন আছিলো যেগুলা আপনে বাদ দিয়া দিছেন! যিমুন ধরেন যে হ্যারা অশুদ্ধ উর্দু ভাষায় কথা কয়,যিমুন "হামরা বাড়িমে তুমরা দাওয়াত" তারপর কথায় কথায় খালি "হালায়" আর "শালায়" কয়। সকালের নাস্তায় দুই পিস পুরি আর এক কাপ চা খায়া টিংকা দিয়া দাঁত খিলাইল করে। :-D

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

আরোগ্য বলেছেন: মুহীদ বাই, ভাসায় উর্দু মাগার শব্দ লাগাইছি। গালিগালাজের কথা কইছি কিন্তু দেই নাইক্কা।সবতে এক রহম নাসতা খায় না।

২০| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সময় নিয়ে ফিরছি এ লেখায়!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

আরোগ্য বলেছেন: অবশেষে প্রিয় মনিরা আপার দেখা পেলাম। পূর্ণাঙ্গ মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।

২১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

মুফীদ হাসান বলেছেন: বাই!আমার মন্তব্য পইড়া আপনের হাসি আইছেনিহি? যুদি আয়া থাকে তাইলে আপনে বুজবার পারছেন যে আমি শয়তানি কইরা কমেন্ট টা করছিলাম। অহনে আমার কথা কওনের ইস্টাইল দেইখা আপনের কিরহম লাগতাছে অইটা কন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

আরোগ্য বলেছেন: কি রহম লাগতাছে? X(

২২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

রাকু হাসান বলেছেন:

চমৎকার অভিজ্ঞালব্ধ পোস্ট ভাই আরোগ্য । শেষের ছবিটি চমৎকার । আরেকটু বড় হলে আরও ভালো হতো । অভিনন্দন আমার পছন্দের একজন - মনিরা আপু উৎসর্গ করায় এবং ধন্যবাদ আপনাকে । :)

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

আরোগ্য বলেছেন: মনে হয় রাকু ভাই ঘুড়ি উড়াতে পছন্দ করেন। তাই তো শেষ ছবিটা এতো ভালো লেগেছে। মনিরা আপাও আমাদের পাশের মহল্লায় ছোটবেলা কাটিয়েছেন তাই উনাকে এই পোস্ট উৎসর্গ করলাম।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

বলেছেন:
পুরান ঢাকা সম্পর্কে সুন্দর ভ্রমণ গাইড লেখা -
হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপনায় পুরান ঢাকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার ও ধারণা পাওয়ার সহ শহরের কিছু দর্শনীয় স্পটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় গোছানো পোষ্ট।

....... তবে এটা ঠিক শহরের ইট কাঠের দেয়ালের মধ্যে থেকে বাংলাদেশের অপরূপ সুন্দর প্রাকৃতিক রূপ উপভোগ করাটা অনেকটাই দুর্লভ কাজ।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২২

আরোগ্য বলেছেন: তবে এটা ঠিক শহরের ইট কাঠের
দেয়ালের মধ্যে থেকে বাংলাদেশের অপরূপ
সুন্দর প্রাকৃতিক রূপ উপভোগ করাটা
অনেকটাই দুর্লভ কাজ।

আসলেই এটা একদম ঠিক কথা এখানে সবুজের অভাব আর সেই সাথে অভাব স্বাস্থ্যকর বায়ুর। চারপাশে কেবল দূষণ।

২৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

নীলপরি বলেছেন: পোষ্ট ভালো লাগলো । ++

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ নীলপরি।

২৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

মুফীদ হাসান বলেছেন: আরে বাই চেতেন কেলা? আপনে আর আমিতো ভাই ভাই। আহেন! বুকে আহেন!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

আরোগ্য বলেছেন: :)

২৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

হাবিব স্যার বলেছেন:





দেরি করবোনা বলে মনে ছিলো পণ,
তাও দেরি হয়ে গেলো আজ কিছুক্ষণ!
ঢাকা থেকে বের হয়ে শহরের বাইরে,
সারাদিন কাজ ছিলো ফুসরত নাইরে!

দিন শেষে ব্লগে দেখি প্রিয়দের ভীড়,
সেই ভীড়ে খুঁজে ফিরি আপনার নীড়!
অল্পেই পেয়ে গেছি আলোচিত পাতাতে,
দেখি তুমি উজ্জ্বল সুখ মাখা কথাতে!

মনে মোরে আছে নাকি, নাকি গেছো ভুলে,
তাই এসে ছড়া দেই নিয়ে রাখো তুলে!

প্রিয় ভাই আরোগ্য পুরান ঢাকা নিয়ে আপনার পোস্ট আমার খুব খুব ভালো লেগেছে......
আপনার সাথে ঘুরতে হবে পুরান ঢাকায়,,,, পুরান ঢাকায় গেলে আমি গলি খুঁজে পাইনা। দিক ভুলে যাই কেন যেন।
আর হ্যাঁ বাকরখানি আসার এখনো খাওয়া হয়নি। খেতে হবে একদিন। আপনি কি পুরান ঢাকাতেই বিবাহ করবেন? :P

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪২

আরোগ্য বলেছেন: মনে মোরে আছে নাকি, নাকি গেছো ভুলে,
তাই এসে ছড়া দেই নিয়ে রাখো তুলে!

হা হা আপনার মন্তব্যের অপেক্ষা করতে করতে মন্তব্যের ভীড় হয়ে গেছে।
আমিও গলি ভুলে যাই। তাই সবসময় বড় রাস্তা ব্যবহার করি।
আর এ কী এখনও বাকরখানি খান নি। আমার কাছে বাকী রইলো। সামনের ব্লগ ডেতে ইনশাআল্লাহ সবার জন্য নিয়ে যাবো।
পুরান ঢাকায় বিয়ে করার ইচ্ছা নেই। বাকীটা আল্লাহর ইচ্ছা।

২৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

হাবিব স্যার বলেছেন:





মনের ব্লগ ডেতে ইনশাআল্লাহ সবার জন্য নিয়ে যাবো।
পুরান ঢাকায় বিয়ে করার ইচ্ছা নেই।

---এতো দেরি???? X(( X((

আগেই দাওয়াত দেন খেয়ে আসি.......

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

আরোগ্য বলেছেন: আমি জানতাম এই কথাটাই বলবেন। :P
দেখি জিন ভাড়া করা পারলে আজকেই আপনারে বাকরখানি পাঠায়া দিমু।
আর নাইলে পুরান ঢাকায় এসে আমার নাম কন বাড়ি চিনায়া দিবো লোকে। ;)

২৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৮

কালীদাস বলেছেন: লেখাটা ভাল লেগেছে :)

পুরান ঢাকার বাসিন্দারা নিজেদের ঐতিহ্য এখনও আগের মতই ধরে রেখেছে; মডার্ণ টেকনোলজি তাদের নিখাদ সামাজিকতায় খুব আহামরি পরিবর্তন এনেছে বলে মনে হয়না: অন্তত আমার জেনারেশন পর্যন্ত। হা হা হা, ভেবে দেখেন; শতশত বছর ধরে এনারাই কিন্তু আসল ঢাকাবাসী, আমরা বাদবাকি নতুন ঢাকার বাসিন্দারা স্বাধীনতার পর মাইগ্রেট করে ঢাকাবাসীর তকমা পেয়েছি। কালের সাথে পুরান ঢাকাবাসীরা অনেকটা আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ানদের মত হয়ে যাচ্ছে কি?! =p~

নাগরিক সুবিধা খুবই নিম্নমানের এত জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। রাস্তাগুলো সংকীর্ণ: ওয়েল এব্যাপারে কথা থাকে। ইউরোপের প্রায় সবশহরেই দেখেছি সেন্টার বা ওল্ড টাউনকে আলাদা মর্যাদার সাথে লালন করা হয়, আমাদের মত ঘিন্জিভাবে না। গত একশ বছরে ঐ এলাকায় লোকসংখ্যা বেড়েছে সারা দেশর মতই, নগর পরিকল্পনাবিদরা আদৌ আমাদের ইতিহাস, কৃষ্টির উৎস নিয়ে ভাবেনি। কোন বাইরের আর্কিওলজিস্ট পুরান ঢাকার কিছু স্হাপনা দেখলে সাথে সাথে স্ট্রোক করতে পারে /:)

পুরান ঢাকার দুইটা জিনিষ সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এক: খাবার আর দুই: পারসোনাল কম্যুনিকেশন/বিহেভ। খাবারের ব্যাপারটা আপনি সামারিতে একটা পয়েন্ট বাদ রেখে বলেছেন। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার এখন অনেক সিজনাল ফটকা ব্যাবসায়ীরা বেঁচে পুরান ঢাকার নাম ভেঙে। আমার মা তাঁর শৈশবের একটা সময় পার করেছেন পুরান ঢাকায়, এখনকার পুরান ঢাকার খাবার বা পথঘাট তাঁকে বিরক্ত করে। পুরান ঢাকার লোকজনের একটা স্বতস্ফূর্ত কম্যুনিকেশন প্যাটার্ণ আছে, বাইরের অপরিচিত যে কারও কাছে সেটাকে এগ্রেসিভ মনে হবে। এই ধরণটা সম্পূর্ণ মৌলিক, নোয়াখাইল্যা বা বরিশাইল্যাদের মত জ্বালাও পোড়াও টাইপের না। পুরান ঢাকার লোকজন ভেতরে যেটা আছে সেটা সরাসরি মুখের উপর বলে ফেলে। অন্য খুব বেশি লোকালিটির লোকজনের মধ্যে এই স্বভাবটা নেই।


লেখাটা আগাগোড়া উপভোগ্য ছিল। এই লেখার প্রত্যেকটা সাবসেকশনের উপর না পারলেও এটলিস্ট সাকরাইনের উপরে আপনার একটা লেখা আশা করব ব্লগে। আমি ব্লগে না থাকলে কাইন্ডলি আমার লাস্ট পোস্টে একটা আওয়াজ দিয়ে আসবেন প্লিজ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২৫

আরোগ্য বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কালীদা, টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য উত্তর দিতে বিলম্ব হল এজন্য আমি লজ্জিত।
এটা ঠিক যে পুরান ঢাকায় এখন যথেষ্ট পরিবর্তন দেখা যায় কিন্তু ভাষা ও খাবার আমার মনে হয় আগের মতই আছে। পেটে খাবার বেশি থাকে তাই কোন কথা জমা রাখতে পারে না। এজন্য সব কথা মুখ দিয়ে বের করে দেয়।
অতি আক্ষেপের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের বাসায় সাকরাইন পালন করা হয় না। অন্যথায় আমি অবশ্যই এই দিবস নিয়ে একটা পোস্ট দিতাম। তাছাড়া আমি ব্যক্তিগতভাবে এসব পছন্দ করি না। খুবই দুঃখিত আমি কালীদা। আশা করি অন্য কেউ সাকরাইন নিয়ে সুন্দর পোস্ট দিবে।

২৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হুনেন ছোব তো আনবার পারলেন না !! আপনে ভী বহুত কিছু ছাইড়া লেক্লেন। শাকরাইন , শবে বরাত এসব তো কিছুই আসলো না :(

আসলে এটাই সত্যি এমন এক দু পেইজে পুরানো ঢাকার আনন্দ ঐতিহ্য তুলে আনা কঠিন। আহা! কি সব মনে করাইলেন। এক দৌড়ে কবি নজরুল কলেজের পিছনের গেট দিয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক !

খাওয়া দাওয়া আমি কি বলবো ! জনে জনে জানে সব। এরপর আবার যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাম সেও সেই কাছা কাছি ই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ চমৎকার পোস্টের জন্য।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৩১

আরোগ্য বলেছেন: লও এলা মনিরা আপায় কয় কি? আমিতো শবেবরাত ও সাকরাইনের নাম লেকছি মাগার ডিটেলে লেখি নাই।
আজকের পোস্টে অনেকেই পুরনো স্মৃতি শেয়ার করলো। এটা আমার পোস্টের সার্থকতা।
ধন্যবাদ প্রিয় মনিরা আপা।

৩০| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: উফফ! জোশ একটা পোস্ট! পুরান ঢাকার ব্যাপারই আলাদা! পুরান ঢাকার মানুষেরা ভীষন সরল, আন্তরিক ও ট্রাডিশনাল।
ধন্যবাদ পোস্টের জন্যে। লাইক দিলাম।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৫৬

আরোগ্য বলেছেন: সামু পাগলাকে আমার ব্লগে স্বাগতম। দীর্ঘ পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগায় আমি অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ।

৩১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:




আর যাই করি পুরান ঢাকায় বিয়া করুম না । তাইলে যা আছে তাও যাইবো ।

আমার তো কিছুই নাই । এত এত অনুষ্ঠান করতারুম না ।

বাই দ্যা রাস্তা আমি কিছুটা পুরান ঢাকাইয়া । হেইডার ল্যাইগা কিছুডা ছাড় পাইবার ও পারি ।

লেখা দারুন হইছে । নান্না খাইবেন নাকি হাজীর বিরিয়ানি । লগে বাখরখানি ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:০৫

আরোগ্য বলেছেন: বিয়ের ব্যাপারে নীল আকাশ ভাই এর মন্তব্য পড়ুন।
বাকরখানি ঘরে আছে আপনি কোন একটা বিরিয়ানীর ব্যবস্থা করেন।

৩২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ রাত্রী,
আরোগ্য ভাই এটা কিভাবে হলো? :`>
আমি যাচ্ছি কালকে পুরানো ঢাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আর আপনি আজকেই ব্লগে দিলেন এই পোষ্ট, কি কাকতলীয় ব্যাপার ;) :P

চমৎকার লিখেছেন। আমার অনেক রিলেটিভ ঐখানকার। আমি যাই জামাই হিসেবে, এবার বুঝুন আমার অবস্থা। :P এখানকার লোকজন অমায়িক আর মনে দুধের মতো শাদা।

আরও অনেক কিছু ছিল লেখার, পর্ব করে দিতে পড়তেন। সবাই মজা করে পড়তে পারত।
ধন্যবাদ আর শুভ কামনা রইল!

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১৩

আরোগ্য বলেছেন: পুরান ঢাকায় বিয়ে খেতে আসছেন। খুবই ভাল কথা তবে জামাই মানুষ সাবধান শালাশালী থাকলে কিন্তু পকেট খালি। আপনি তো তাইলে আমারও বোনাই যেহেতু আমাদের পুরান ঢাকার বোন বিয়ে করেছেন।
আসলেই পর্বাকারে দেয়া যেত তবে ভাবলাম যদি সবাই বিরক্ত হয়। কিন্তু মনে হচ্ছে ভালোই মজা হত।
যাক গে। আপনি বিয়েতে দারুণ ভোজন করেন সেই কামনা ই করি।

৩৩| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: পুরান ঢাকার উপর চমৎকার লেখা। কিছুদিন আগে ওখানকার রাধামাধব মন্দিরের একটি অনুষ্ঠানে ভুরিভোজ করে আসলাম। তবে এখন মনে হয় সেই ঐতিহ্য আর নেই।

শুধু ইফতারের সময় চকবাজারে মনে হয় ট্রেডিশনটা ধরে রেখেছে। তাছাড়া অনেক বাসিন্দা নতুন ঢাকায় চলে আসায় ও পুরান ঢাকায় ভাড়াটিয়া বেড়ে যাওয়ায় সেই জৌলুস আর আছে কি!

সুন্দর একটি পোস্টের জন্য আরোগ্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১৮

আরোগ্য বলেছেন: মন্দিরের কথাতো ঠিক জানি না তবে রমজান মাসের অবস্থা জমজমাট। এটা ঠিক যে ভাড়াটিয়ার পরিমাণ বেড়ে গেছে তবে তারাও ঢাকাইয়া উৎসব বেশ আনন্দ করে।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৩৪| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৪:০২

অন্তরন্তর বলেছেন: আপনার পুরান ঢাকার লিখা পোস্ট ভালই হয়েছে। আমার জন্ম ফরাশগঞ্জ তারপরই বানিয়ানগর থাকা ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। অনেক অনেক স্মৃতি আছে আমার পুরান টাউন সম্পর্কে। আপনার পোস্ট অনেক কিছু মনে করিয়ে দিল। কতদিন যাই না আহা। ভাল থাকুন। শুভ কামনা।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

আরোগ্য বলেছেন: পোস্টটা দেয়াতে ভালোই হল। অনেকেই দেখি পুরান ঢাকায় থেকেছেন। ভালোই স্মৃতিচারণ হল।
শুভ কামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩৫| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৪

সুমন কর বলেছেন: প্রতিটি পয়েন্টের সাথে সহমত।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০৯

আরোগ্য বলেছেন: প্রতি পয়েন্টে ধন্যবাদ।

৩৬| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সাকরাইন ,শবে বরাত , চাঁন রাইত এসব নিয়ে আসলে এক দুই লাইনে কুলাবে না!!

সারা বছর ভাঙা কাঁচের চুড়ি থেকে শুরু করে, বাসার ভাঙা গ্লাস কিছুই বাদ পরত না কুড়িয়ে জমা করার জন্য। শেষ মুহূর্তে মাঝে মাঝে কাঁচ কম পরে গেলে অবলীলায় মায়ের আলমারিতে হানা দিতাম :P তারপর দৌড় দৌড় দৌড় ঘুড্ডির পিছনে ............

কোরবানির সময়ে ই ঝিল্লি নিয়ে আসত ভাইয়াসেগুলি রোদে শুকিয়ে, মরিচা বাতি বানাতেন বড়রা। আমরা কেবল সাহায্যকারী। সেই কাঁঠালপাতায় তেহারি সমস্ত রাতের তারাবাতি!! কী যে সব দিন !!


চাঁন রাইত মানে ঈদের চেয়ে ও আনন্দ, বড়দের সমস্তরাত শপিং , মেহেদী , কাঁচা হলুদ বেটে রাখা। সকালে পানি না আসলে ! সেই ভয়ে পানি জমিয়ে রাখা বালতি। নতুন জামা লুকানো। কিছু কিছু আনন্দ সমস্ত জীবনের সুখ ছবি হয়ে রয়ে যায়।




অতখানি সুলিখিত পোস্ট আমাকে উৎসর্গ করার আমি আনন্দিত অভিভূত এবং অবশ্যই সম্মানিত বোধ করছি।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৯

আরোগ্য বলেছেন: ইশ! আপা কি যে মনে করাইলেন। কি শৈশব ছিল তখন। শবে বরাতে সন্ধ্যার পর নতুন জামা পড়ে তারাবাতি, ঝর্ণা, রকেট ফুলঝুরি কতো জ্বালাতাম তারপর ফজর অবধি নামাজ।
কোরবানির সময় হাট বসলে স্কুল থেকে এসে সারাক্ষণ ছাদে বসে গরু দেখা।
আর চানরাতে কি যে আনন্দ হত! এখনকার পোলাপান তো ডিজিটাল। তাদের জন্য খুব আফসোস হয়।
প্রিয় মনিরা আপা এই পোস্টটি আপনি ছাড়া আর কাউকে উৎসর্গ করা যেত না। আপনার শেষ পোস্ট দেখেই বুঝেছি।

৩৭| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: পুরান ঢাকার উপর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা আছে আমার।
কেমন আছেন ভাই? ব্লগে দীর্ঘদিন পর এসে প্রথমেই আপনাকে মনে করলাম। আমি কৃতজ্ঞ! বলতে পারেন আপনিই ফিরিয়ে এনেছেন আমাকে। ভালবাসা রইল অকৃত্রিম।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৯

আরোগ্য বলেছেন: মেহেদী ভাই আপনাকে ব্লগে দেখে কী যে ভালো লাগছে যেন পুরনো বন্ধু। প্রায় একই সাথে ব্লগিং শুরু করি। আর হুট করে আপনি গায়ব হয়ে যান। আমি আর নজসু ভাই আপনার পোস্টে একাধিকবার খোঁজ নেই ্মন্তব্য রাখি কিন্তু কোন উত্তর পাইনি।
আবারও ব্লগে স্বাগতম। নজসু ভাইও খুব খুশি হবে।

৩৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪২

নজসু বলেছেন:



আস সালামু আলাইকুম।
শুভ সকাল।
আশা করি ভালো আছেন।
পুরান ঢাকা নিয়ে চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্টটা গতরাতেই পাঠ করেছিলাম।
শুধু লাইক দিয়ে দায় সেরেছিলাম। :-B

আজকে আবার হাজির হলাম।

পুরান ঢাকার ভাষা আমার কাছে খুব মজার লাগে।

প্রিয় কবি মনিরা আপাকে অভিনন্দন।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

আরোগ্য বলেছেন: ওয়ালাইকুম সালাম।
মিয়া লাইক মাইরা ই কালকা রাইতে পলাইছেন। আর হাবিব স্যারের পোস্টে মন্তব্যের উপরে মন্তব্য রাখেন। আমার পোস্টে দাওত দেওন লাগে। গোস্সা করলাম। X(

৩৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

নয়া পাঠক বলেছেন: হুম, আমারে ধোলাইখালে যাইবার কয়, আমি কিন্তু রোজ ধোলাইখালেই আহি, সাহস কইরা আপনের ঠিকানাডা কন দেহি, আপনেরে কুন হসপিডালে পাডাইয়া আরোগ্য থেইক্যা এক্কেবারে রোগ্য কইরা দিবার পারি।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

আরোগ্য বলেছেন: আয়হায়, আমগো এলাকায় আয়া আমগো ধমকায়। ডরাইছি =p~

৪০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

নজসু বলেছেন:





রাগ করবেন না আমার সুহৃদ। :) :)
কাল ঘুম পাচ্ছিলো খুব। |-)


১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৮

আরোগ্য বলেছেন: আচ্ছা বুঝবার পারছি। গোস্বা থুইয়া দিলাম। :#)

৪১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

নজসু বলেছেন:



:-B :-B :-B

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৪

আরোগ্য বলেছেন: :) :) :)

৪২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০১

হাবিব স্যার বলেছেন: কেমন আছেন ভাই আরোগ্য?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০৬

আরোগ্য বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। ভালো আছি।
মনে হয় আপনি ভালো নেই তাই আজ পোস্ট দেন নি।
প্রতিদিন আপনার কবিতা পড়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।

৪৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২০

হাবিব স্যার বলেছেন: অফিস থেকে সারাদিন বাহিরে ছিলাম। ঢাকা শহরে যে জ্যাম, একটু আগে ফিরলাম রুমে। গুলিস্তান থেকে নিউ মার্কেট আসতে ২ ঘন্টা লাগছে.......।একটু খোঁজ নিতে ব্লগে উকি দিলাম আর কি। মনটার চেয়ে শরীরটা ক্লান্ত। দোয়া করবেন। সতত আরোগ্য থাকুন প্রিয় ভাই। শুভ রাত্রি

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩৭

আরোগ্য বলেছেন: মাঝে মাঝে মন চায় সবুজের বুকে নীল আকাশের নীচে হারাতে। এই যানজট আমার খুব বিরক্ত লাগে।
শুধু আরোগ্য ডাকলে বেশি খুশি হবো হাবিব স্যার। নোটিফিকেশনের জ্বালা আর ভালো লাগে না। কবে যে ঠিক হবে।

৪৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বিভিন্ন নাটক-সিনেমায় পুরান ঢাকার অনেক বিষয় উঠে এসেছে। এজন্য পুরান ঢাকাকে নিয়ে আমার আগ্রহ সব সময় ছিল। প্রিয় ভাইয়ের লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। একদিন আপনাকে নিয়ে পুরান ঢাকায় ঘুরতে যাব। +++

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

আরোগ্য বলেছেন: অনেক দিন পর কাওসার ভাইয়ের আগমন ঘটলো। আশা করি ভালোই আছেন।
আমাকে নিয়ে পুরান ঢাকা ঘুরা সম্ভব নয় কারন আমিও এতো গলির মধ্যে পেচিয়ে যাই। হা হা হা।
খুব ভাল থাকুন। নতুন পোস্টের অপেক্ষায় আছি।

৪৫| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

প্রামানিক বলেছেন: পুরান ঢাকা নিয়ে চমৎকার পোষ্ট। ধন্যবাদ

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

আরোগ্য বলেছেন: অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৪৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বইমেলায় আসছেন?

মেউল কই মিয়া(!) ;)

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৮

আরোগ্য বলেছেন: গত শুক্রবার গিয়েছিলাম। আরেকদিন যাবো ইনশাআল্লাহ। কাওসার ভাইয়ের বইতে অটোগ্রাফ নেয়া বাকী আছে।

মেউল কি? আপনেগো সিলুইটা ভাষা বুঝিনা। ঢাকাইয়া ভাষায় লেখেন।

৪৭| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মেইল মেউল হয়েগেছেরে ভাই।
উপরে চ্যাক করুন। ;)


ফাজলামো ভুলেন নাই ;)


১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

আরোগ্য বলেছেন: সিলেটি ভাই, ইনশাআল্লাহ একদিন দেখা হবে। সময় করে কথা হবে।

পুরান ঢাকার পোলাপান ফাজলামী একটু বেশিই করে। :P

৪৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে তো মনে হল না আপনি অরিজিনাল "ঢাকাইয়া"...

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

আরোগ্য বলেছেন: ডি এন এ টেষ্ট করতে হবে।

৪৯| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: ভাই আপনার এই লেখাটা কি আমাদের ম্যাগাজিনে প্রকাশের জন্য অনুমতি দিবেন

১০ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৪০

আরোগ্য বলেছেন: আরে কি বলেন মেহেদী ভাই? লজ্জা দিলেন।

যদি কোন মামলা খেতে না হয় তবে যেখানে খুশি যেকোন লেখা নিতে পারেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.