নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অশ্রু তোমার আমার মনে ক্ষতের সৃষ্টি করে বন্ধু তোমার হাসি ঘরে আলোর সৃষ্টি করে

আরোগ্য

কোন ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়ার আমার কোন অধিকার নেই আর সকল ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করাও আমার কর্তব্য নয়, আমার কর্তব্য শুধু আমার দায়িত্বগুলো পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা

আরোগ্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল

১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৯



( আপনাদের  অবগতির জন্য পূর্বেই বলে দিচ্ছি আমি পৃথকভাবে করোনা টেস্ট করিনি কিন্তু করোনার যাবতীয় সব লক্ষণ ও মেডিকেল  টেস্টের রিপোর্ট করোনার দিকে ইশারা করে।  তাই আমার অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।)  

গুরুতর অসুস্থ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পূর্ব থেকেই আমার শুকনো কাশি এবং কাশতে কাশতে হাঁপিয়ে উঠতাম।  মনে হয়তো দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম।  সব সময় গরম পানি খেতাম এবং রাতে শোবার আগে আদা ফুটানো পানি মধু দিয়ে খেতাম।  লক ডাউন শুরু হওয়ার পর আমি আর বাসা থেকে বের হইনি।  নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দারোয়ান এনে দিত।  আমাদের বাসার সবাই মোটামুটি সতর্ক ছিলো।  তাই নিশ্চিত ছিলাম করোনা আমাদের ঘরে ভ্রমণ করবে না।  
এপ্রিলের তের তারিখ রাতে হঠাৎ কাশির সাথে একটু রক্ত দেখলাম। তখন একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলাম,  সন্দেহ করছিলাম হয়তো যক্ষা। পরদিন হতে জ্বরও চালু। তারপর মেডিকেলের এক স্টুডেন্টের সাথে পরামর্শ করে এমব্রক্স সিরাপ,  প্যারাসিটামল ও মন্টালুকাস্ট ট্যাবলেট খাই।  এখানে বলে রাখি ডাক্তারখানা ও ঔষধ সেবনে আমার বড় অনীহা। তাই দীর্ঘদিন কাশিতে ভুগার পরও ডাক্তারের শরণাপন্ন হইনি তার জন্য অবশ্য বাসায় কম বকা খাইনি। প্যারাসিটামল তিন বেলা খেতে বলেছিল কিন্তু আমি দুপুরে বাদ দিতাম।  যেই দেখতাম জ্বর নেমে গেছে তখন আর কিসের ৫০০ মি্গ্রা এর ওষুধ। শরীর এত ক্লান্ত লাগতো যে বিছানায় পড়ে থাকতেই ভালো লাগতো।  জ্বর নামলে একটু ছাদে যেয়ে বসতাম। একদিন রাতে দেখি জ্বর ১০৪ ডিগ্রি। আর দিনে দুবার রক্ত পড়তো। ইতোমধ্যে একদিন কালচে রঙের লুজমোশন হয়।   অবশেষে অবস্থার  পরিবর্তন না দেখে ১৮ এপ্রিল ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। এক্সরে,  ব্লাড টেস্ট ও টিবি পরীক্ষা সহ কিছু ওষুধ লিখে দেন।  শরীরে এতো বেশি অবসাদ ছিলো যে পরীক্ষা করার জন্য সিরিয়ালে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থেকে চোখ অন্ধকার হয়ে মেঝেতে ধপাস করে বসে পরি।  ভয় পেয়েছিলাম অজ্ঞান নাকি হয়ে যাই।  আমার ভাই অবশ্য আমার পাশে ছিলো।  অবশেষে পরীক্ষা সম্পন্ন করে বাসায় আসি। আপনাদের জ্ঞাতার্থে ওষুধের নাম দিয়ে দিচ্ছি।     
Napa rapid 500
Tramic 500
Docopa 200
Provair 10 
Fixal 
Roxim 200
এদিকেও ফাঁকিবাজি করেছি ।  ডাক্তার চার বেলা নাপা খেতে বলেছিল, আমি খেতাম তিন বেলা,  এটা বাসায় এখনও জানে না।  তিনদিন পর ডাক্তার দেখানোর কথা,  দুই দিন পরই রিপোর্ট বের হলে বাসায় নিয়ে আসি।  ইতোমধ্যে কেবল রক্তপড়া বন্ধ হয়,  আর জ্বর ওষুধ খেলে নামে এবং কিছুক্ষণ পরই আবার ওঠে।  শরীরের অবসাদ তো আছেই।  শক্তি আস্তে আস্তে কমতে লাগলো। মুখে রুচিও চলে গেছে।  রিপোর্টগুলো পরিচিত মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের দেয়া হয় তাদের ভাষ্যমতে করোনা কারন করোনা হলে নাকি. নিউমোনিয়া হয়, আর লিমফোসাইট কমে যায় এবং  ই এস আর বেড়ে  যায় ,  আমার ক্ষেত্রেও  তাই ঘটে।  এবং তাদের  পরামর্শে আইসোলেশনে চলে যাই । সবচেয়ে বেশি যে ব্যাপারটা পীড়াদায়ক  তা হল ঘুমের  অভাব।  শরীরে প্রচণ্ড অবসাদ থাকার পরও চোখে ঘুম আসতো না, তখনই আমার সবচেয়ে যন্ত্রণাময় লাগতো। বিছানায় বারবার এপাশ ওপাশ হতাম কিন্তু সেই ভোরবেলা পাঁচ, ছয় ঘণ্টার জন্য ঘুম আসতো। সারাদিন মুমূর্ষু রোগীদের মত বিছানায় পড়ে থাকতাম তাও ঘুম নেই ।  মোবাইলে টাইপ করার শক্তি পর্যন্ত ছিলো না। পরদিন ডাক্তারের কাছে যেয়ে তেমন প্রতিক্রিয়া পাইনি। তেমনভাবে রোগ চিহ্নিত করতে পারেন নি।  আবারও কিছু ওষুধ দেন পনের দিনের  জন্য।  বাসায় এসে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরদিন আরেক ডাক্তারের কাছে যাই।  এই দুই দিনে কেবল জ্বর কমেছে।  এই ডাক্তার  রিপোর্ট ও আমার অবস্থা দেখেই বলে দেন করোনা।  আইসোলেশনে থাকতে বলেন। সাত দিন দুই বেলা ইনজেকশন সহ  কয়েকটা ওষুধ দেন এবং কালোজিরা খেতে বলেন। নতুন করা এক্সরে দেখে বলেন ফুসফুস বহুলাংশে সাদা হয়ে গেছে নিউমোনিয়ায়।  নতুন ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট পাঁচ দিনের ব্যবধানে লিমফোসাইট নরমাল আসে এবং ই এস আর ৮০ থেকে ৭০ হয় যেটাও বেশিই হয়। নতুন ওষুধ গুলো হলো
Exor 20
Docopa 200
Zithrox 500
Ipec plus
Provair 10
Prid star D
ডাক্তারের কাছ থেকে  আসার পরই দুই দিন আবার লুজ মোশন, শ্বাস কষ্ট ও বাড়ে, দুদিন পর আবারও জ্বর ওঠে কিন্তু আমি জ্বরের ওষুধ নেই নি।  ১০১ এর বেশি উঠতো না। আমি মুমূর্ষু রোগীদের মত সারাক্ষণ বিছানায় পড়ে থাকতাম। কেবল তিনটা কাজে উঠতে হতো, ওয়াশরুম ব্যবহার, খাবার গ্রহণ আর বিছানায় বসে ফরজ নামাজ আদায়।  এক সপ্তাহ  পরে শরীরে খানিকটা শক্তি আসতে লাগলো।  ওই প্রথম বিশ দিনের মত মুখে কোন রুচি ছিলো না। তবুও ওষুধ খাওয়ার জন্য খাবার চালিয়ে যেতে হতো।  প্রথম এক সপ্তাহ খাবার মুখেই দিতে ইচ্ছা  হতো না।  আমার খাদ্য তালিকায় যা ছিল -
সকালে সিদ্ধ ডিম,  কলা,  পাউরুটি
দুপুরে ভাত শাক সবজি অথবা আমিষ, অধিকাংশক্ষেত্রে সহজপাচ্য খাবার।
সন্ধ্যায় চা / ডিম / স্যুপ
রাতে দুধ রুটি
এছাড়াও লেবুর শরবত,  জুস,  মধু, কালোজিরা,  আনারস দৈনিক তালিকায় থাকতো। আর পানি সবসময় হালকা গরম খাই।
আলহামদুলিল্লাহ আমি এখন অনেক ভালো আছি। কাশি আছে,  সারতে আরেকটু সময় লাগবে এবং সময় সময়ে হালকা শ্বাসকষ্ট হয়। কিন্তু  এ যেন মৃত্যু মুখ থেকে ফিরে আসা।  যে যন্ত্রণা ভোগ করেছি তা কেবল আল্লাহ পাক জানেন। আল্লাহ পাক সবাইকে আরোগ্য দান করুন - আমিন।  
   
                                             

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৭

মা.হাসান বলেছেন: দেশে করোনা রুগীর সংখ্যা ৭৪,৮৬৫। আপনার নাম ঐ তালিকায় নাই। অহেতুক গুজব ছড়াইবেন না। X((

আর সত্যই যদি করোনা হইয়া থাকে তবে বড় বিপদের কথা । এই পোস্ট থেকেও করোনা ছড়াইতে পারে। :-<

আপনার ভাই আপনার পাশে ছিলো ভালো কথা, কিন্তু পিঁয়াজ ব্যবসায়ীর মেয়েটি কোথায় ছিলো? নাকি পিঁয়াজের দাম কমিয়া যাওয়ায় মাস্ক ব্যবসায়ীর মেয়ের সাথে প্রেম করিতেছেন?

পথ্যের যে তালিকা দিলেন- উহা কি খাবার আগে খান নাকি পরে?
মৃত্যুর মুখ হইতে ফিরিয়া আসিয়াছেন, অভিনন্দন। ব্লগের মুরুব্বিদের দোয়ার বরকতেই ফিরিতে পারিয়াছেন। ওনাদের শুকরিয়া আদায় করিতে ভুলিবেন না। B-))
প্লাজমা বিক্রির পরিকল্পনা থাকিলে জানাইবেন। ভালো দামের ব্যবস্থা করিয়া দেয়ার আশা রাখি।
আপনাকে ফিরিয়া পাওয়ায় আমরা খুশি।

১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০০

আরোগ্য বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মা হাসান ভাইয়ের অগ্নিমূর্তি রূপ ধারণ দেখিয়া আমি ভীত সন্ত্রস্ত হইয়া গতকল্য প্রতিমন্তব্য করিবার সাহস যোগাইতে পারিনি। :((
করোনা ছড়ানোর কথা আর কি বলিবো। কারও সাথে ফোনে কথা বলিলেও বলে ' ওই কাশি দিয়েন না, ভাইরাস আইসা পড়বো '। :(
কি যে লজ্জা দেন ভাই। এই বয়সে কি আর প্রেম করিবার জোশ আছে? করোনা শুনিয়া আত্মীয়রাও আমার সম্মুখে আসিতে ভয় পায়, প্রেম তো উলটো পায়ে দৌড়িয়া পালাইবে। আমার বুঝি একলাই থাকিতে হবে। B:-)
পথ্যর কথা আর কি বলিবো, খাওয়ার আগে পরে উভয় অবস্থতেই শান্তি নাই। এখনও দুইখান চলে। যে ওষুধ হইতে আমি ভাগিয়াছি এতোকাল অবশেষে আমার কাছ হইতে ভালো পয়সা খসাইয়াছে। :((
ব্লগের মুরুব্বি জোয়ান শিশুসহ সকলের তরে ধন্যবাদ জানাই। অনেক সময় দাওয়ার চেয়ে দোয়া অধিক কাজ করিয়া থাকে। কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
প্লাজমা বিক্রি আর কি করিবো। আমার অবস্থা এমনিতেই হাড্ডিসার হইয়া আছে। পারলে আমার জন্য ব্যবস্হা করুন :P

২| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার করোনা হয়েছে? ডাক্তার বলেছেন? টেস্ট করিয়েছেন?

১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

আরোগ্য বলেছেন: পোস্টে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে।

৩| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৩

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: U mrkrting ur products. Typically.......

১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

আরোগ্য বলেছেন:

৪| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: যাক আল্লাহ আপনাকে শেফা দান করেছেন

১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১০

আরোগ্য বলেছেন: যে অবস্থা হয়েছিল ভাই আল্লাহ তায়ালার রহমত আছে বলে আবারও আপনাদের মাঝে আছি। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।

৫| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভাল করেছেন। অনেকেই ঘরোয়া চিকিৎসা বাদ দিয়ে শুধু ঔষধ খেয়ে বিছানায় পড়ে থাকে। হাস্পাতাল্গুলোতে এই কারনেও মনে হয় মৃত্যূর রেট বেশি। চায়নার বহু চাইনিজরা জানিয়েছে যে স্রেফ ঘরোয়া চিকিৎসা করেও অনেকে করোনা থেকে মুক্ত হয়েছে।

১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১৮

আরোগ্য বলেছেন: আমাকেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা বলেছিল ডাক্তার কিন্তু আমি বাসায় থাকার সিদ্ধান্ত নেই । রোগীদের মাঝে এমন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে না থেকে বাসার নিরিবিলি পরিবেশ উপকারী বেশি। পর্যাপ্ত পথ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ ধীরে ধীরে সুস্থ করে দেয়, যদিও ধৈর্য্য ধারনের কোন বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে চরম পর্যায়ের ধৈর্যের প্রয়োজন হয়।

৬| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার পুর্ণ সুস্হতা কামনা করছি; আপনি সতর্ক থাকুন।

১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

আরোগ্য বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনারা দোয়া করবেন এবং নিজেরাও সচেতন থাকবেন।

৭| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অভিনন্দন আপনাকে। সুস্বাগতম এ ক্ষণিকালয়ে । ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সুদীর্ঘ এক জীবন লাভ করুন ।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

আরোগ্য বলেছেন: অভিনন্দন ও স্বাগতম জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ কবি। সুদীর্ঘ জীবনের অনেক ইচ্ছে ছিল কিন্তু এখন ভয় করে। সালমানের জন্য অনেক শুভ কামনা।

৮| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২২

রাকু হাসান বলেছেন:

অবেশেষে আপনার অভিজ্ঞতা জানতে পারলাম । বলার অপেক্ষা রাখে না ,আপনি েএকটি নতুন জীবন পেয়েছেন । এই যাত্রায় আল্লাহ্ আপনাকে নিশ্চয় নেক হায়াত দান করেছেন। করোনা রোগীর এক দুইটি ।ভিডিও দেখেছিলাম । সহ্য কর তে পারিনি । সামান্য অসুখেই আমি কাবু হয়ে যাই ,আলহামদুলিল্লাহ্ সিজনাল জ্বরও হয়নি ,বিগত তিন চার বছরে । প্রায় লাখ জন লোকের মাঝে আমার নাম নাই । সেটাই তো কত বড় শোকরিয়া ।!! আল্লাহ্ তুমি রক্ষা কর আমাদের । সবার জন্য দোয়া রইলো। আপনার পরিবারের তো সমস্যা হয় নি। অনেকেই ভালো হচ্ছেন বাড়িতে থেকেই । সাহস রাখতে হবে। কাশিটা চলে যাবে মনে হচ্ছে ,সময় লাগতে পারে। স্বাস্থ ঠিক থাকুক । শুভকামনা করি আপনার জন্য। :)

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আরোগ্য বলেছেন: অবশেষে আমিও লিখা শেয়ার করতে পারলাম। একমাত্র পরম করুণাময়ের বিশেষ অনুগ্রহেই সুস্থ হয়ে উঠেছি। দোয়া করবেন যাতে তাকে রাজি খুশি রেখে শেষ যাত্রা করতে পারি।
আল্লাহ এই রোগ হতে সবাইকে মুক্ত রাখুক। ভাইরাস জ্বর আগেও হয়েছে কিন্তু এ যেন মৃত্যু দর্শন ছিলো। কি যে অসহ্য যন্ত্রণা তা বলে বুঝানো সম্ভব না। আল্লাহর রহমতে আমার পরিবারের সবাই সুস্থ আছে। আপনার আরোগ্যময় জীবনের কথা শুনে খুশি হলাম। সব সময় আরোগ্য থাকুন। সবাইকে নিয়ে সতর্ক থাকুন। আল্লাহ ভরসা।

৯| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এখন ভালো আছো জেনে অনেক ভালো লাগছে। অনেক ভালো থাকো ভাইয়ামনি!

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

আরোগ্য বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ আপু অনেক ভালো আছি। অনেক ধন্যবাদ জানাই। দোয়া করবেন যেন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠি।

১০| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: একটু দেরি করে ফেললাম। অভিনন্দন নুতন করে ফিরে আসায়। সত্যিই এ এক নতুন জীবন। ভাই-বোন মা নানুকে নিয়ে আবার আগের মতই সুন্দর জীবন কাটাও।
@নেওয়াজ আলি বলেছেন, আল্লাহ আপনাকে শেফা দান করেছেন। সত্যিই তাই, শেফাকে অভিনন্দন।

শুভেচ্ছা প্রিয় আরোগ্যকে।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় ভাইটি,
আশা করি সপরিবারে সুস্থ আছো। অভিনন্দনের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। নতুন জীবন বটে। সর্বদা তোমার শুভ কামনা পাশে চাই বরাবরের মতো।
নেওয়াজ ভাই যথাযথ বলেছেন। আমি তো পুরো হতভম্ব। ভালো থাকো আর দোয়া রেখো। কথা হবে পরো।

১১| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৫১

জগতারন বলেছেন: প্রিয় আরোগ্য,
আপনার প্রবন্ধটি পড়িয়াই লগইন কতিলাম। আপনি কঠিন অসুখ থেকে আরোগ্য লাভ করিয়া আপনার অভিজ্ঞতা এই খানে লিখিয়া সবাইকে জানাইয়া লিখিলেন ইহা আপনার মহানুভবতা। অন্যান্যদের বেলায় জানিনা ব্যাক্তিগতভাবে আমি উপক্রতিত হইলাম। আমি প্রবাসে নামকরা বড় একটি এ্যার লাইনে চাকুরী করি। আমার অনেক সহকর্মি তিন মাসের জন্য স্বেচ্চায় বেতন না নিয়া কর্ম বিরতিতে গিয়াছে কিন্তু আমার সে সুজোগ হয় নাই। প্রতি সপ্তায় চার দিন কর্মদিবস এবং প্রতিদিনই আতংকের মধ্যে থাকি। আল্লাহ না করুন এই অসুখ হইলে কী ভাবে বাঁচিয়া থাকিতে হইবে বুঝিতে পারিলাম।

১২ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১১

আরোগ্য বলেছেন: এটা আপনারও মহানুভবতা যে আপনি নিজের অভিমত প্রকাশ করলেন। আমি মূলত পাঠকদের তথ্য সরবরাহের জন্যই পোস্টটি দিয়েছি। আপনি উপকৃত হয়েছেন জেনে আমার লেখা সার্থক মনে হচ্ছে। মূলত আমার যা মনে হয় যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম অথবা শরীর দুর্বল তাকেই এই রোগ হানা দিতে পারে, অবশ্য ভাগ্য অনেক বড় ব্যাপার। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন এবং আমি যে খাবারগুলো খেয়েছি সেগুলো খাওয়ার অভ্যাস করুন। এবং অবশ্যই রোদে দশ পনের মিনিট বসবেন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এবং নামাজ হচ্ছে সর্বোত্তম ব্যায়াম।

১২| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৫৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আমাদের পরিবার করোনায় এখন দুইজন হসপিটালে।আশা করি ভালো হয়ে যাবে।আক্রান্ত দের মধ্যে বেশির ভাগই সুস্থ হয়ে ফিরেআসছে।আপনি ভালো থাকুন

১২ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১৭

আরোগ্য বলেছেন: আমার মতে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার যে অবস্থা তাতে প্রয়োজনীয় মেডিকেশনের ব্যবস্থা করে বাসায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সচেতনতা অবলম্বন করা শ্রেয় মনে হয়। তারপর যে যেমনটি ভালো মনে করে। আশা করি শীঘ্রই আপনার আত্মীয়রা আরোগ্য লাভ করে বাসায় আসবেন। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

১৩| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৮:২২

ইসিয়াক বলেছেন:




প্রিয় ছোট ভাইয়া ,
নুতন করে ফিরে আসায় অভিনন্দন ।
এখন মোটামুটি ভালো আছো জেনে ভালো লাগলো। তবে এখনও সতর্ক থাকতে হবে। সামনের দিনগুলো সুন্দর হয়ে উঠুক এই কামনা রইলো।
শুভসকাল।

১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০০

আরোগ্য বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইসিয়াক ভাই। আলহামদুলিল্লাহ আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি। সতর্ক থাকি কিন্তু অনেকটা একঘেয়ে এসে পড়েছে।
আপনিও সতর্ক ও আরোগ্য থাকুন। দোয়া করবেন।

১৪| ১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০২

চোখেরপর্দা বলেছেন: তাহারা দেখিয়া ঘুরাইছো পথ, অসুখ বিসুখ থাইকা বাচিয়া থাখ এইটুকুই আমার শখ।মন্তব্য করার সময় নাই পরে করুম
বহুদিন পর দেখে ভালো লাগলো।

১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৩

আরোগ্য বলেছেন: আপনার কাব্যিক মন্তব্যটি সুন্দর হয়েছে। ব্যস্ততার মাঝে এসেও যে মন্তব্য রেখেছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই।
লিখতে থাকুন ও ভালো থাকুন। শুভ কামনা রইলো।

১৫| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ। আপনি সুস্থতার দিকে ফিরেছেন এটাই আনন্দের। +

১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ নতুন নকিব ভাই। আপনাদের ভালোবাসায় আমি আপ্লূত। দোয়া করবেন।

১৬| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০৭

জুন বলেছেন: শোকর আলহামদুলিল্লাহ। আপনি সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো আরোগ্য। ভালো থাকুন।

১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ জুন আপু। আপনারা সতর্ক ও আরোগ্য থাকুন এই কামনা করি। সুস্থতা অনেক বড় নেয়ামত। আমাদের সবার শরীরের কদর করা উচিত।

১৭| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:১১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: পোস্টে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে।

পোষ্ট টা কেমন ধোয়াশা মনে হলো।

১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১০

আরোগ্য বলেছেন: আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

১৮| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: দ্র্রূুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ফিরে আসুন এই কামনা।

তবে ছোট-খাট সমস্যাতেও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো। না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:১০

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ ফারাও। দোয়া করবেন।

আসলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ক্ষতি নাই কিন্তু ওষুধ খেতে আমার বড় অনীহা । তবে এবার শিক্ষা হয়েছে। এখন এই শিক্ষা কতদিন থাকে কে জানে। সিরাপ দিলে কত ভালো হতো :((

১৯| ১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দ্রুত আরোগ্য হয়ে ফিরে আসুন আমাদের মাঝে। ঔষধে অনীহা দেখাবেন না। রোগ হলে ঔষধ খেতেই হবে অন্যথায় জটিলতা বাড়ে।

ভাল থাকুন ভাই।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:১৪

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ মাইদুল ভাই মন্তব্য করার জন্য। সেই আপনিও একই ওষুধের পরামর্শ দিচ্ছেন :( । বড় ট্যাবলেট দেখলেই গলা শুকিয়ে যায়।

২০| ১২ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সহি সালামতে ফিরা আইছেন, এতেই আমরা খুশী। তয়, আপনে কইছেন, মিত্যুর মুখ থেইকা ফির‌্যা আইছেন! নিজের অসুখ আর আরোগ্য লাভের বর্ণনা যেইভাবে দিলেন, সেইভাবে মিত্যুর মুখেরও একটা বর্ণনা যদি হুনাইতেন! মিত্যুর মুখে কি দাত আছে? বিস্তারিত জানলে সেইভাবে ব্যবস্থা নিতে পারতাম। ওয়েলকাম ব্যাক! B-)

আপনে এহনও দুব্বল, হের লাইগা আমার লেটেস্ট পোষ্ট না পড়ার গুরুতর অপরাধ ক্ষমা কইরা দিলাম। :)

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩৪

আরোগ্য বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ সহিহ সালামাত আছি। আর মজা লয়েন না ভুয়া ভাই, একেতো অসুখের সময় ঘুৃম আইতো না তার উপর ভাবতাম ঘুম হুট কইরা ভাঙলে না জানি দরজার সামনে আজরাইল দেহি :(

আপনার সব লেটেস্ট পোস্ট চোখে পরছে মাগার আমার চোখ হোরাসের চোখে আটকায়াা আছে । ওইটা পড়ুম একটু ঠাণ্ডা মাথায় B-)
আপনি ঠিক কইসেন আমি এহনও দুর্বল :((। দোয়া করবেন। এবং সতর্ক থাকবেন।

২১| ১২ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১২

জাফরুল মবীন বলেছেন: অনির্ণিত কেসের ব্যাপারে আমার আগ্রহ প্রবল।

যাক আপনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন এটাই বড় কথা।আলহামদুলিল্লাহ।

আপনার পূর্ণ শিফা কামনা করছি রব্বুল আলামিনের কাছে।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৩৬

আরোগ্য বলেছেন: আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। ধন্যবাদ জানাই পোস্টে মন্তব্য রাখার জন্য।

দোয়া করবেন। আপনি ও আপনারা সচেতন ও আরোগ্য থাকুন।

২২| ১২ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
আরোগ্য ,
অসুস্থ কালীন সময়ে পুরো ঘটনার আদ্যোপান্ত পড়ে
খুব খারাপ লাগছে । মহান আল্লাহতালার কাছে শুকরিয়া
জানাই । পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা কেমন আছেন?
আপনিও সর্বদা ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই দোয়া করি।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৪১

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় মুক্তাআপু,
আশা করি সপরিবারে ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে।

অসুখের সময় এতোটাই কষ্ট হয়েছে যে মানসিক চিন্তাভাবনা করার শক্তিটা পর্যন্ত ছিলো না। অনুধাবন করেছি যে শরীর সুস্থ না থাকলে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে না। আলহামদুলিল্লাহ এখন বহুলাংশে সুস্থ আছি এবং আমার পরিবারও।

আপু নতুন পোস্ট দিন। অনেক দিন হলো।

২৩| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই আরোগ্য,
আপনি শরীরের যত্ন নিন এবং নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করুন। আর ডাক্তারের দেয়া নিয়ম অনুযায় চলুন। আপনার সুস্থতা কামনা করছি।

১৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:০৬

আরোগ্য বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই। আমি সব ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ অনেক সুস্থ কেবল কাশিটাই পীড়া মনে হয়।
আপনিও অবশ্যই সতর্ক থাকবেন পরিবারসমেত।

২৪| ১৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১:৩২

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: মহান আল্লাহর কাছে আপনার পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।
ভাল থাকুন ভাই

২৪ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৯

আরোগ্য বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ধন্যবাদ শুভ কামনার জন্য। অনেক সময় দাওয়াইর চেয়ে দোয়া বেশি কাজে দেয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.