| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডোপিং কথাটার সাধারণ মানে হলো, মূল কোনো কিছু সাথে অন্য কোন কিছু যোগ করা। সাধারণত, খেলাধুলাতে ডোপিং কথাটা বহুল প্রচলিত, আর তা হোলো খেলাধুলাতে উন্নত পারফরমেন্স করার জন্য পারফরমেন্স বাড়ানোর ড্রাগ গ্রহন করা। এখন বেশির ভাগ ক্রীড়া পরিষদ ডোপিং এর ব্যাপারে খুবই কড়া। তাই সকল ক্রিড়াবিদকে সমান সু্যোগ দিতে আর স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে ডোপিংকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ডোপিং মানব সমাজে যেমন হয় তেমন পশুদের ক্ষেত্রেও এটা চলে যা মানুষেরাই করে থাকে। রেসের ঘোড়ার ক্ষেত্রে এই ধরণের ডোপিং দেখা যায়।
ডোপিং এর ইতিহাস বেশ প্রাচীন, বহু পূর্ব থেকেই মানুষ তার কাজ করার ক্ষমতা সব সময়ই বাড়াতে চেয়েছে। স্ক্যান্ডেনেভিয়ার ভাইকিংরা আমানিটা মাসকেরিয়া নামক একধরণের বিষাক্ত মাসরুম থেকে বানানো পানীয় পান করতো তাদের স্ট্যামিনা বাড়ানোর জন্য। যদিও টেকনোলজীক্যাল সাপোর্ট না থাকার কারণে আসলে কত আগে থেকে খেলোয়াররা ডোপিং করে আসছে তার কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। জন জিগলার নামের এক আমেরিকান ফিজিশিয়ান আমেরিকান ওয়েটলিফটারদের জন্য প্রথম এনাবোলিক স্টেরয়েড মেঠেনড্রোস্টেনোলোন ব্যাবহার করেন (১৯৬০)। তিনি প্রথম জানতে পারেন যে রাশিয়ান ওয়েটলিফটাররা এই ধরণের ওষুধ ব্যবহার করতো যা তাদের ভালো পারফরমেন্সের জন্য দায়ী। ঐ বছরই ডেনিস সাইক্লিস্ট ন্যুদ এনেমার্ক জেনসন অলিম্পিক গেমসে মারা যান ১০০ কিমি রেসের সময়, আর তার শরীরে পাওয়া যায় অ্যাম্ফিটামিন আর নিকোটিনাইল টারট্রেট।
ডোপিং এর জন্য কাজেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন রকম ড্রাগ ব্যবহার করা হ্য়। এগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়-
১। এলার্টনেস বাড়ায় এমন স্টিমুলেন্ট।
যেমন- ক্যাফেইন, কোকেইন, অ্যাম্ফিটামিন
২। হার্ট ও ব্লাড ভেসেলকে রিলাক্স করে এমন ড্রাগ।
যেমন- এলকোহল, বিটা ব্লকারস, ক্যানাবিনোয়েডস
৩। অক্সিজেন সাপ্লাই বাড়ায় এমন ড্রাগ।
যেমন- প্রোটিন হরমোন, অক্সিজেন ক্যারিয়ার, ব্লাড ডোপিং ইরাইথ্রোপোয়েটিন।
৪। ম্যাস এন্ড স্ট্রেন্থ বিল্ডার।
যেমন- এনাবোলিক স্টেরোয়েড, ইনসুলিন, ইনসুলিন লাইক গ্রোথ ফ্যাক্টর, হিউম্যান গ্রোথ হরমোন, লুটিনাইজিং হরমোন, হিউম্যান করিওনিক গোনাডোট্রপিন।
৫। পেইন এন্ড ইনজুরি রিলিভা.
যেমন-নারকোটিকস, ওপিয়েটস, লোকাল এনেশথেটিক, প্রোটিন হরমোন।
খেলাধুলায় ডোপিং ধরাটা একটা কঠিন কাজ। যেহেতু পারফরমেন্স বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ড্রাগ ব্যবহার করা হয়, তার বেশির ভাগই আমাদের শরীরে দ্রুত মেটাবোলাইজড হয়ে বের হয়ে যায়। তাই ডোপিং টেস্টের জন্য স্যাম্পল কালেকশন একটা খুবই গুরুত্বপূর্ন কাজ। সাধারণত, ব্লাড,সোয়েট, স্যালাইভা, হেয়ার এবং ইউরিন ডোপিং টেস্টের জন্য সংগ্রহ করা হয়।
এখন দেখুন কোন ধরণের ড্রাগ কতদিনের মধ্যে ডিটেক্ট করা যায় তার একটা ছক-
ইউরিন হেয়ার ব্লাড
এলকোহল-- ৬-২৪ ঘন্টা ২দিন ১২-২৪ ঘন্টা
অ্যাম্ফিটামিন- ১-৭ দিন ৯০ দিন ১২ ঘন্টা
কোকেইন- ২-৫দিন ৯০ দিন ২-১০দিন
মরফিন- ২-৪দিন ৯০ দিন ১-৩ দিন
বেনযোডায়াজিপাইনস
৭ দিন ৯০ দিন ৬-৪৮ ঘন্টা
স্টেরয়েডস ৩-৩০ দিন ----- --------
২|
১৬ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৪৭
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: প্রথম পাতায় একসেস পেতে আরো মাস তিনেকতো লাগবেই!!
১৭ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:২৮
ডঃ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ জীবনানন্দদাশের ছায়া, এত দিন লাগে নাকি এখন?
৩|
১৮ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৫৬
এহসান সাবির বলেছেন: লেখা চালিয়ে যান। আরো কম সময় লাগতে পারে।
১৯ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:০২
ডঃ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, আমার ব্লগে আবার স্বাগতম।
৪|
১৭ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: স্বাগতম আপনাকে ব্লগে
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:১৪
ডঃ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
৫|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:০২
খেয়া ঘাট বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার লিখাটি।
২০ শে মে, ২০১৪ রাত ১০:২৯
ডঃ আলম বলেছেন: জেনে খুশি হলাম, ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৬|
২৬ শে মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:০৭
নুসরাতসুলতানা বলেছেন: প্রয়োজনীয় একটি বিষয় নিয়ে লেখাটা ।
২০ শে মে, ২০১৪ রাত ১০:২৭
ডঃ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:২৫
ডঃ আলম বলেছেন: প্রথম পাতায় একসেস না পেলে কেউ লেখাতো পড়ে না, তবে লোকে লিখবে কেনো?