নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একা আমি

ধূসর সন্ধ্যা

ধূসর সন্ধ্যা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু চক্র। দারিদ্রতা নিয়ে ব্যবসা করে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা!
মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা। ফেসবুকে রিলসে দেখবেন, বেশ কিছু রিলস আমি পাইসি। মানুষের বাসা থেকে প্রতিদিন টিফিন ক্যারিয়ারে করে কী কী খাবার আসে, সেটার ভিডিও আপ্লোড দেয়! ভিডিওতে আবার লিখে দেয়, অমুকের বাড়ির খাবার! খাচ্ছে ভিক্ষে করে, তার আবার প্রদর্শনী! মানুষ কী নির্লজ্জ হয়!
এরা মাদ্রাসায় পড়ে মূলত তিন চারটে লক্ষ্য নিয়ে। ইমাম, মুয়াজ্জিন, মুহতামিম ফলোড বাই নতুন আরেক মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হবে! প্রতিষ্ঠা করেই আজকে টিন নাই, কাল ফ্যান নাই পরশু চাইল নাই! শুরু হয়ে যায় ভিক্ষাবৃত্তি! এরা কোন কাজ করে খাবে না! এই শতাব্দীতে এসে, এত বড় কর্মবিমুখ সমাজ বাংলাদেশে আর নাই!
যারা হাল্কা একটু চালু, তারা মধু বেচে, লিঙ্গ দাঁড়ানোর জন্য হানি নাটস বেচে। আদারোয়াইজ, মোটা দাগে এরা ওই তিন চারটে লক্ষ্যে বাইরে যেতে পারে না।
ইমাম-মুয়াজ্জিন যারা হয়, তাদের অবস্থা শোচনীয়। সেম গোজ ফর মুহতামিম। বেতন স্কেল সিকিউরিটি গার্ডের চেয়ে খারাপ। ভাত কাপড়ের যোগান দিতেই ত্রাহি অবস্থা হয়, সেখানে বাড়ি যাওয়া বিলাসিতা। আবাসিক পরিবেশ। বেতনের টাকায় বছরে এক দুইবার যায় বাড়িতে। বিনোদন হইল সোশ্যাল মিডিয়ার সফট পর্ণ! কিংবা রাতের বেলা বিভিন্ন ওয়েবসাইট! এই পরিবার থেকে দূরে থাকা, দিনের পর দিন অবদমিত কাম, রাতের বেলা এদেরকে পশুতে পরিণত করে ফেলে, যার পরিণাম এই বলাৎকার!
কেউ কেউ হয়ত বাসায় বলে, যাদের অবিভাবক আছে। আপনে ভুলে যায়েন না, এতিম যারা আছে, তাদের কিন্তু বলার জায়গা নাই! দিনের পর দিন, এই পাশবিকতা সহ্য করে যায়! একটা সময় ভেবে নেয়, এটাই স্বাভাবিক!
বিভিন শহরের মোড়ে মোড়ে মাদ্রাসা, আবাসিক মাদ্রাসা, মহিলা মাদ্রাসা! অথচ দিন শেষে কী হচ্ছে খবর নাই! আমি একবার আমার পরিচিত মাদ্রাসা ছাত্রকে জিজ্ঞেস করছিলাম, দুপুরে কী দিয়ে ভাত খাইছ? মাছ না মাংস? উত্তরে বলসিল, মাদ্রাসায় কাকা রান্নার পর আলাদা করা কষ্ট! মাছ নাকি মাংস নাকি সব্জি!
ঢাকা মেডিকেলে গেলে দেখবেন, প্রচুর গ্রোথ রিটার্ডেশানের রোগী। বয়স অনুযায়ী যতখানি লম্বা হবার দরকার ছিল, হয় নাই। কেন হয় নাই? অপুষ্টি! খোজ নিলে দেখবেন শতকরা ৯৯.৯৯ ভাগ ই মাদ্রাসার স্টুডেন্ট।
মাদ্রাসার পোলাপান রে যেমনে পিটায়, দেখলে মনে হয় রিমান্ডে নিসে। এত অভিযোগ, এত কিছু তারপরেও দেখবেন, এই মালাউনদের ঈমানী জযবাতির শেষ নাই! কেন জানেন? এরা চিন্তা করতে জানে না, চিন্তার শক্তি এদের নাই।
কেন নাই? কারণ ওই যে বললাম-এদের জ্ঞান অতটুকুই, যতটুকু হুজুর তাকে ছোট বেলা পেছন দিয়ে দিছে...।

.....লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করা।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: ঢাকা মেডিক্যালের উপাত্তের উৎস? আপনি সেখানে কখনো কাজ করেছেন?
দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে আপনি আপনার যুক্তি দাঁর করিয়েছেন-
এক কাজ করুর না-একজন পরিসংখ্যানবিদের সাহায্য নিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নমুনা উপাত্ত সংগ্রহ করে একটি গবেষণা প্রবন্ধ রচনা করুন- আর শুধু কমপ্লেইন না করে সমাধানের পথও বাতলে দিন- ল্যাঠা চুকে যাক।

মাদ্রাসা’র শিক্ষার উপযোগিতা আছে। অর্থনৈতিক মূল্য না থাকলে মাদ্রাসার শিক্ষক বেতন কোথা থেবে পায়?

আর উপযোগিতা বন্ধ করতে পারলে চেষ্টা করতে থাকুন
"তারা তাদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর আলো (নূর বা ইসলাম) নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর আলো পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন— যদিও অবিশ্বাসীরা তা অপছন্দ করে।"

তবে, মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশা-পাশি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া দরকার। ধর্মীয় জ্ঞান বিক্রয় করার বিষয়ে ইসলামে বিধি-নিষেধ আছে। তাদেরকে কেউ ভিক্ষুক ডাকুক এটা আমরা কেউই চাই না। সরকারকে বলুন কারিকুলামে ট্রেড কোর্স অন্তর্ভূক্ত করতে।

২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৯

দানবিক রাক্ষস বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্তাটা বন্ধ করে দেয়া উচিৎ ।

৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

অপলক বলেছেন: সরল অসুন্দর বাস্তব ঘটনা লেখাটায়। আমি একমত।

একটি সত্য ঘটনা বলি। আ্মার খালার নিয়্যাত ছিল, ছেলে বাচ্চা হলে মাদ্রাসা লাইনে পড়াবে। সে মোতাবেক ৫ বছরের মাথায় মাদ্রায় ভর্তি করালো। ক্লাস শুরুর ৪র্থ দিনে হুজুর সেই খালাত ভাইয়ের প্যান্ট খুলে সামনে পেছনে হাত দিয়ে নাড়ানাড়ি করছে। সে লাজুক হওয়ায় কেঁদে একাকার। ছেড়ে দিছে হুজর। পরের দিন সে আর ক্লাসে যাবে না। জিঞ্জাসার এক পর্যায়ে বলে হুজুর কি করেছে। সেদিন থেকে আর মাদ্রাসায় দেয়া হয়নি। অল্পের উপর দিয়ে বেঁচে গেছে।

সেই ভাই এখন অনার্স পড়ছে।

মাদ্রাসা রিলেটেড বেশিরভাগ মানুষের চলাফেরা পোশাক আশাক ইসলামিক, লেবাসধারী। কিন্তু অন্তর কলুসিত। এরা ভাবে আল্লাহ সব মাফ করবেন, শুধু শিরক করা গুনাহ ছাড়া।

কিছুদিন আগে ফরিদপুরের এক ঘটনায় জানলাম, এক ইমাম অন্য ইমামকে মরন বান মেরেছে, সেই মসজিদের ইমামতির পদে আসীন হবার জন্য। তাবিজ-বান-কালযাদু এসব ইসলামে হারাম। তাহলে সেই ২য় ইমাম কোন শ্রেণীর বোঝা দরকার।

আবু ত্বহা বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা + ইমাম। তার স্ত্রীর জবান বন্দী অনুযায়ী ত্বহা হুজুর ফরজ গোসল না করেই জুম্মার নামাজ পড়িয়েছে বহুবার। ওযু না করে মসজিদে গেছে বহুবার। এদেকি সেই ত্বহা হুজুর স্ত্রী কে ডিভোর্স দেয়ার পর হিল্লা বিয়ে না দিয়ে, ২০ দিনের মধ্যে সেই স্ত্রীকে আবারও বিয়ে করেছে। তিনি নিজেই নিজের ওয়াজের শিক্ষা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করনেনি।

এটা একটা হুজুরের উদাহরন দিলাম। হয়ত বেশির ভাগ হুজুর/ইমামরাই এমন। বাংলাদেশের সাধারন মানুষ আসলে নানা শ্রেণীর কাছে নানা ভাবে জিম্মায়।

৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাদরাসা শিক্ষা আমাদের এডুকেশন সিস্টেমের উইকনেসের কারণে গড়ে উঠেছে । ইহা বন্ধ করা যাবে না যদি না সরকার শক্তিশালী আইন এবং বিকল্প বের করে । মাদরাসা এবং মসজিদে বাংলাদেশে রাজনীতি হয় ।

৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

নতুন বলেছেন: মাদ্রাসায় যারা ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত তাদের স্কিল কি? তারা কিভাবে জীবিকা নিবাহ করবে?

আরব দেশে এমন মাদ্রাসা ব্যবসা নাই। বেশির ভাগ ছাত্ররাই সাধারন শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়াশুনা করে। সবারই ইসলামিক, আরাবিক সাবজেক্ট আছে।

অল্প কিছু বিশেষায়ীত ধর্মীয় স্কুল আছে, সেখানে কোরান, হদিস, ফিকহ ধর্মীয় আইনের ভিক্তিকে কারিকুলাম অনুসরন করে।

আমিরাতের কারিকুলাম, ইন্ডিয়ান, ব্রিটিস, আমেরিকান - প্রায় ৩.৮৭ লাখ
ধর্মীয় কোরান শিক্ষার স্কুলে ৬৭৮৭ জন।

আমাদের দেশেও মাদ্রসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করতে হবে।

৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০২

শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা কোন শিক্ষা নয়, এর পুরোটাই কুশিক্ষা। যে কুশিক্ষা আমপাড়া ডিমপাড়া পড়িয়ে কতগুলো মানবশিশুকে শিম্পাঞ্জিতে পরিনত করে। এগুলো বন্ধ করা সহ এগুলো নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ছোটবেলায় কোরআন শিক্ষার জন্য মসজিদে যেতাম
সেখানে একটু স্হান করে ছাত্ররা পড়ত খুব সকালে ।
অতপর বাসায় ফিরে নাস্তা করে স্কুলের বই নিয়ে যেতাম বিদ্যালয়ে ।

............................................................................................
কি করে এই ব্যবস্হাটাকে পাল্টে ফেলা হলো কেউ জানেনা ।
কারন মক্তবে শুধুমাত্র আরবী শিক্ষার জ্ঞান দিতো, সেখানে কোন
রাজনীতি বা উদ্দেশ্যমূলক সিলেবাস ছিলোনা ।
তাই মনে করি , মসজিদে কোরআন শিক্ষা থাকবে,
তবে মাদ্রাসা করে নয়, সেই ব্যবস্হা নেয়া হোক ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.