| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অর্থহীন দাঁড়কাক
বাইরে কী জোছনা পড়ছে? পড়লে কী হতো? পাতার ফাঁকে জোছনা লুকোচুরি খেলতো। হালকা বাতাস হলে আরো ভালো লাগতো। চুকচুক করে ফোঁটায় ফোঁটায় জোছনা কুড়িয়ে নেওয়া যেত।
কিন্তু সে তখন কী করতো? সে কী কাঁদতো? হ্যা, কাঁদতো। জোছনাতে তার কাঁদার অভিজ্ঞতা আছে। জোছনাতে কাঁদা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একদিন হয়তো স্বভাবে পরিণত হবে। স্বভাব কী অভ্যাস থেকে কঠিন? নাকি দুটোয় একই?
তখন বাতাসে তার চুলগুলো পাখির পালকের মতো উড়তে চায়বে। সে উড়তে বাঁধা দেবেনা। সে কেন? কেউ বাধা দিবে না। বাধা দিব না আমি।
বাইরে কী বৃষ্টি পড়ছে? হয়তো পড়ছে। গাছের নিচে কেউ থাকলে প্রথম বৃষ্টি স্পর্শ পাবেনা। কিছুক্ষণ পাতার জন্য বৃষ্টির ফোঁটা মাটিতে পড়বে না। এরপর ফোঁটায় ফোঁটায় পড়তে থাকবে। খোলা আকাশের থাকলে এইসব চিন্তা করতে হয় না। আমি দু হাত বাড়ালেও ঐ বৃষ্টির ফোঁটা আর ছুঁয়ে দেখতে পারবো না।
আমি জানি বৃষ্টি হলে সে ভিজবেই। উঠোনে না, ছাদে ভিজবে। ঠিক বাম পাশের কর্ণারে দাঁড়িয়ে। বৃষ্টিতে ভেজা তার স্বভাব ছিল। এখন অবশ্য একটু বেশি আবেগী হয়েই বৃষ্টিতে ভিজবে। বোঝা যাবেনা কোনটা চোখের পানি আর কোনটা বৃষ্টির পানি! দ্রবীভূত হয়ে একাকার হয়ে যাবে এই রসায়নের দুইপ্রান্তের দুই তরলজুটি। কিন্তু সুখ আর দুঃখের অনুভূতি কখনোই মিশে যাবেনা। সবসময় একই চুম্বকের দুই মেরুর মতো আচরণ করবে। এক মেরু কখনো অন্য মেরুর খবর নেই না।
---এক অচেনা প্রেমিকের চিন্তাভাবনা,
কবর থেকে!
©somewhere in net ltd.