| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বেশিদিন আগের কথা নয়। ১৯৮০ সালের ৪ জানুয়ারী। সারা পৃথিবীর লোক চমকে উঠলো। শিহরিত হল। আফ্রিকায় কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি। তার কিছু উত্তরে একটা জাতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত জঙ্গল । নাম সাবা। সিঙ্ঘদের আবাস। সেই জঙ্গলে পাওয়া গেল জয় এডামসনের মৃতদেহ।ক্ষতবিক্ষত । বিকৃত। জ্য এডামসনকে খুন করেছে সিঙ্ঘে।
জয় এডামসনের নাম কে না জাএন@ মহিলা হলেও তার সাহস ছিল অসীম। তার প্রাণের টান ছিল আফ্রিকার আফ্রিকার সিঙ্ঘ ,চিতা ও লেপার্ডদের উপর। তিনি চাইতেন ,এরা যেন বেঁচে থাকে প্রকৃতিতে তাদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নিয়ে। সিঙ্ঘ ও অন্যান্য জন্তুদের নিয়ে লেখা তার বই এর সংখ্যা অনেক। যেমন- Born Free, Living Free, Forever Free, Queen of Saba ইত্যাদি। তার পালিতা সিংহী ছিল এলসা, তার ছেলেমেয়ে জেসপা,গোপা ও ছোট এলসা। এলসা তো কতদিন জয় এডামসনের বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়েছে... । এছাড়া সিংহ দের আচার আচরণ সম্পর্কে নিখুতভাবে জানা ছিল জয় এডামসনের।
সিহরা কি এতো নিষ্ঠুর হবে? এতোটাই হিংস্র হবে??? বনের সিংহ ই যদি মারে খেয়ে ফেলবে না দেহটা? এবং কেনই বা শুধুশুধু মারতে যাবে জয় এডামসনকে- এক নিরীহ মহিলাকে - যিনি তাদের শুধু ভালোবাআই দিয়েছেন্ন?
শুরু হলো তদন্ত। সাক্ষ্য-প্রমান যা মিললো তা সাংঘাতিক। সিং হরা হত্যা করেনি তাকে। তিনি খুন হয়েছেন মানুষের হাতে। তার শরীরকে বিশ্রীভাবে ক্ষতবিক্ষতও করা হয় যাতে সবাই ভাবে তাকে সিংহ রাই হত্যা করেছে। পরে জানা যায় তার হত্যাকারী আফ্রিকার টুরকানা উপজাতির একটি ভাড়াটে খুনি। কিন্তু এটাই বহুল প্রচলিত যে তাকে সিংহ রা মেরেছে।
এবার আসা যাক তার হত্যার কারণে। জয় এডামসন জীবণের শেষদিকে বন্যপ্রাণিদের বাচাতে প্রায় বিদ্রোহিনী হয়ে উঠেছিলেন। তার লেখার ভিতর দিয়ে তিনি এ ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন। তাকা বাচিয়ে রাখা বিপজ্জনক মনে করে শত্রুরা। তাই তাকে খুন হতে হয় ওদের হাতে।
আফ্রিকাইয় প্রতিবছর আইনানুযায়ী ৫০০ চিতা শিকার করার লাইসেন্স পাওয়া যায়। কিন্তু বেআইনীভাবে প্রতি বছর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রায় ৫০,০০০ চিতার চামড়া পাচার হতো। এবং এদের মারাও হতো নৃশংসভাবে । গুলি করা হলে চামড়ায় গুলির ফুটো থাকবে , ফলে তা বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না। তাই নিখুত চামড়া পাবার জন্য চিতাকে বন্দি করে মারা হতো।
©somewhere in net ltd.