নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দুনিয়া

নাজিল আযামীর ব্লগ সাইট

নাজিল আযামী

আমার ভাবনা, চিন্তা, স্রষ্টা, সাধনাকে নিয়ে আমার দুনিয়া।

নাজিল আযামী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলাম নামকরন কেন - আবুল আ'লা মওদুদীর লেখা থেকে

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২২

দুনিয়ায় যত রকম ধর্ম রয়েছে তার প্রত্যেকটির নামকরণ হয়েছে কোন বিশেষ ব্যক্তির নামে৷ অথবা যে জাতির মধ্যে তার জন্ম হয়েছে তার নামে৷ যেমন, ঈসায়ী ধর্মের নাম রাখা হয়েছে তার প্রচারক হযরত ঈসা (আ)- এর নামে৷ বৌদ্ধ ধর্ম মতের নাম রাখা হয়েছে তার প্রতিষ্ঠাতা মহাত্মা বুদ্ধের নামে৷ জেরদশতি ধর্মের নামও হয়েছে তেমনি তার প্রতিষ্ঠাতা জরদশতের নামে৷ আবার ইয়াহুদী ধর্ম জম্ম নিয়েছিল ইয়াহুদা নামে বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যে৷ দুনিয়ায় আরো যেসব ধর্ম রয়েছে, তাদেরর নামকরণ হয়েছে এমনিভাবে৷ অবশ্য নামের দিক দিয়ে ইসলামের রয়েছে একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য৷ কোন বিশেষ ব্যক্তি অথবা জাতির সাথে তার নামের সংযোগ নেই৷ বরং ‘ইসলাম’ শব্দটির অর্থের মধ্যের আমরা একটি বিশেষ গুণের পরিচয় পাই, সেই গুণই প্রকাশ পাচ্ছে এ নামে৷ নাম থেকেই বুঝা যায় যে, ইসলাম কোন এক ব্যক্তির আবিষ্কার নয়, কোন এক জাতির মধ্যে এ ধর্ম সীমাবদ্ধ নয়৷ ইসলাম কোন বিশেষ ব্যক্তি, দেশ অথবা জাতির সম্পত্তি নয়৷ তার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইসলামের গুণরাজি সৃষ্টি করা৷ প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন৷



আরবী ভাষায় ‘ইসলাম’ বলতে বুঝায় আনুগত্য ও বাধ্যতা৷ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তার বাধ্যতা স্বীকার করে নেয়া এ ধর্মের লক্ষ্য বলেই এর নাম হয়েছে ‘ইসলাম’৷

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৮/-৯

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

ফজলে এলাহি বলেছেন: জাযাকাল্লাহু খাইর । অসাধারণ কিছু কথা উঠে এসেছে এই লেখায়; যাতে চিন্তাশীলদের জন্য চিন্তার খোরাক বিদ্যমান।

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

মৌদুদী সাহেব কি গাজায় আসক্ত ছিলেন না কী ? ইসলামের নামের স্বাতন্ত্র ইসলামের কোন গুনকে প্রকাশ করছে না ।

প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন৷

মাদার তেরেসা, স্বামী বিবেকানন্দ, নোয়াম চমস্কি -- এরা ভেজাল ও অসত লোক ? ফাজলামির জায়গা পান না ? গাঞ্জাখোরের দল ।

৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৮

হমপগ্র বলেছেন: সিহাব চৌধুরী

তাল গাছের সাথে কথা বলে লাভ আছে? শান্ত থাকেন।

৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮

ফজলে এলাহি বলেছেন: সিহাব চৌধুরী-

"ইসলাম কোন বিশেষ ব্যক্তি, দেশ অথবা জাতির সম্পত্তি নয়৷ তার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইসলামের গুণরাজি সৃষ্টি করা৷ প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন"

পোষ্ট থেকে আপনার কোট করা অংশের পূর্বের দু'লাইন সহ এবার আমি কোট করলাম। পড়ুন। এখানে বলা আছে- ইসলামের বিশেষ গুণরাজির কথা।

এবার আপনি নিশ্চিত করুন-
আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তো অবশ্যই ইসলামের বিশেষ গুণরাজি সম্পর্কে জানা থাকার কথা। পাঠকদেরকে বলুন জবাবী মন্তব্যে যে, ইসলামের বিশেষ গুণরাজী কি, যা তার অনুসারীদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা করে থাকে।

আর আপনি যদি ইসলাম ধর্মের কেউ না হয়ে থাকেন তো সেটাও নিশ্চিত করুন।

কিংবা এ মুহূর্তে গাঁজায় আসক্ত থাকলে, তার ব্যাপারেও জানাতে পারেন। তখন আমরা আপনার নেশা কেটে যাওয়া পর্যন্ত বিতর্কে বিরতি টানবো।

৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৬

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
সিহাব শান্ত থাকো, এরা প্রভোক করার মতো কাউকে পাচ্ছে না তাই মউদুদি-মার্কা খিস্তি করছে।

৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

ফজলে এলাহি বলেছেন: প্রশ্নোত্তর-
সিহাব শান্ত থাকবে কেন? জবাব দেবে।

নাকি শান্ত থাকতে বলছেন বাক রুদ্ধ হয়ে যাওয়াতে? না কি নেশার ঘোর কাটেনি বলে? তাহলে বলুন, আমরাও অপেক্ষা করি।

৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৮

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@ ফজলে এলাহি,
নিশ্চিত করছি, আমি মুসলিম । ধর্মের আচার অনুষ্টান কম পালন করি না । সিগারেট জীবনে একবারই পান করেছি -- গাজা, মদ , দুরের বস্তু । যাই হোক আপনার কাছে কারেক্টার সার্টিফাই করতে বিব্রত লাগছে ।

এখন আসি আপনার কমেন্টে । লাইন দুটো এড করায় কোন মৌদুদীবাদে কোন ইতিবাচকতার আমদানী হলো কি?

ইসলাম কোন বিশেষ ব্যক্তি, দেশ অথবা জাতির সম্পত্তি নয়৷ তার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইসলামের গুণরাজি সৃষ্টি করা৷
-----> এটি সম্পূর্ণ ইসলামের ই গুন ।

ভাল কথা , বেশ ভালো কথা ।

পরের লাইন্টি ? মুসলিম ছাড়া কোন সত মানুষ পৃথবীতে কখনো আসেনি , এখন নেই , আসবে না ?

আপনি কি গাজা খেয়েছেন নাকি - প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন" এটার মত যুক্তিহীন কথাকে সমর্থন দিচ্ছেন ? ফালতু কথাবার্তা সব ।

ভারত বর্ষের আলেম গন এমনি এমনি মৌদুদী বাদকে বাতিল করেন নি । যারা এই মতবাদ মানে তারাও ফালতু ।

৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
নেশার ঘোর? নেশা এটা কি আমাকে নেশাগ্রশ বলা?

শুয়োরের সাথে বসবাস এবং বাক্যালাপের ফতোয়া - আমি দুই-ই অস্বীকার করি।

৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০০

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@প্রশ্নোত্তর, এ জন্যই আপ্নারা গালিবাজ, সাধারন ব্লগারদের কাছে ঘৃণিত, সুশীল ব্লগারদের কোন সাপোর্ট পাচ্ছেন না ।

শুয়োরের সাথে বসবাস এবং বাক্যালাপ করে ওদের বুঝিয়ে দিতে হবে তারা মানুষের সাথে বসবাসের যোগ্য না , মানুষের সাথে কথোপকথনের যোগ্যতাও তাদের নাই । তখন এম্নিতেই বাপ বাপ করে পালাবে ।

১০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৪

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
মানুষের কথা শুয়োর কিভাবে নেবে বা বুঝবে - জাস্ট এইটা আমাকে ৩ মাস পরে বোলো। কিছু মনে কোর না, আসলেই বয়স একটা ফ্যাক্টর।

১১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৩

মদনবাবু বলেছেন:
বেচারা মউদুদির ভাগ্য খারাপ । এই যুগে জন্মাইলে তো ব্যাটায় এই সামহোয়ারের পৃশ্ঠপোষকতায় নতুন ধর্মই নাযেল কইরা ফেলতো ।

আহালললে .... চু চু ......

১২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৯

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

হা হা হা...মদনবাবু...মারহাবা!

ধর্মের নাম কি দিতো বলে মনে করেন?

১৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪১

মদনবাবু বলেছেন:
মনয় নিজের নামেই করতেন । রাসুল এর পরে যারাই এই কর্মটা করার চেশ্টা করছেন সবাই তো নিজ নাম ই ব্যবহার করছেন ।

১৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪৮

ফজলে এলাহি বলেছেন: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
"- প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন" এটার মত যুক্তিহীন কথাকে সমর্থন দিচ্ছেন ? ফালতু কথাবার্তা সব ।"

=সিহাব চৌধুরী-
মুসলিম জেনে কৃতার্থ হলাম। আপনার কি ধারণা, সততা কি শুধুমাত্র জগতের মানুষের সাথে কৃত আচরণের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য? ব্যক্তি ও এ জগতের স্রষ্টার সাথে প্রযোজ্য নয়? স্রষ্টা প্রেরিত নবী-রাসূলগণের সাথে প্রযোজ্য নয়? স্রষ্টার প্রেরিত বাণী/বিধি-বিধানের সাথে প্রযোজ্য নয়?

এতটা সংকীর্ণ রূপ দেবেন "সততা" নামক বিস্তৃত অর্থবোধক এই শব্দটিকে; আমি কখনো আশা করিনি।

মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় যুলুম হচ্ছে মানুস তার স্রষ্টাকে না চেনা, স্রষ্টার সাথে অংশীদার স্থাপন করা, স্রষ্টার প্রেরিত নবী ও কিতাবকে প্রত্যাখ্যান করা। তারপর আসবে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও দুনিয়ার মানুষের কাছে সততার পরিচয় দেয়া।

জানেন তো যে, বিচারের দিনে কিসের ভিত্তিতে "বিচার হবে" কিংবা "বিনা বিচারে জাহান্নাম নির্ধারিত হবে" কিংবা "বিনা হিসাবে জান্নাত নির্ধারিত হবে"?

যদি এসবে আপনার সমর্থন না পাই তাহলে ধরে নিতে বাধ্য হবো যে, আপনি মুসলিম ঠিক কিন্তু বস্তুবাদ আপনাকে গ্রাস করে নিয়েছে।

প্রভূত্বে বিশ্বাস থেকে বিভ্রান্ত হবার ধরনগুলো আজ পোষ্ট করেছিলাম, দেখতে পারেন:
Click This Link

১৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২৬

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ভাই, আপনি সততাকে আল্লাহ বিশ্বাসে আবদ্ধ করে ফেলে উদারতার নামে সেটাকে খুব বেশী সংকীর্ণ করে ফেললেন । একজন হিন্দু সত মানুষ ততটাই আমার কাছে গ্রহনযোগ্য, যতটা একজন মুসলমান সতলোক । আমি ধার্মিক হতে রাজী আছি , ধর্মান্ধ হতে রাজী নই । কোন অন্ধকূপে পরে আছেন ভাইসাহেব এইটা হয়তো অনুধাবন করতে পারছেন না । এটা ২০০৮, ১৯০০ না । এখানে এইসব ধর্মান্ধতা শুধু অচলই না, প্রচার করতে গেলে গণপিটুনিও খেতে পারেন । আপনার সাথে আমার কখনোই যায় না ।

ধন্যবাদ ।

১৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৪

জাগারণ বলেছেন: ফজলে এলাহীর লেখা খুবই চমতকার । তবে সিহাব চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে দুটি কথা বলতে হয়। আর তাহল সিহাব সাহেব ঐ পোষ্টে উল্লেখিত অংশ থেকে যে ধারণাটা পোষণ করেছেন তা আরো অনেকেরই হওয়ার কথা কেননা, মুসলমান শব্দের দু'টি অর্থ আছে একটি হল আভিধানিক আর অপরটি হল পরিভাষাগত অর্থ।
পরিভাষাগত অর্থে হযরত ইবরাহীম (আ.) আল্লাহর কাছে মুসিলম উম্মতের জন্য প্রর্থনা করেন-সুরা বাকারা ১`২৮ আয়াত। অর্থ হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের উভয়কে তোমার অনুগত (মুসলমান) করে নাও এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল (মুসলিম উম্মাহ্) সৃষ্টি কর...... তাই মুসলিমা উম্মাহর পরিভাষাগত অর্থে আদি পিতা হলেন ইবরাহীম। আর আভিধানিক অর্থে এর পরিধি অনেক ব্যাপাক হতে পারে । কেননা, অনেকে আছেন মৌন মুসলমান , কেউ রাজনৈতিক। যাহোক এখানে পরিভষাগত অর্থে সিহাব ভাইয়ের কথা ঠিক আছে । আর আভিধানিক অর্থে ফাজলে এলাহীর কথায় সর্মথন করা যায়।
এখন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।

১৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৭

রুম্মান বলেছেন: @ লেখক, বর্তমান বিশ্বর মুসলমানদের বিরুদ্ধে কনসপিরেসি চলছে এবং বিশ্বে ইসরাঈলীদের আগ্রাসন- সম্পর্কে আপনার কি মত?

১৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০১

জাগারণ বলেছেন: তবে অবশ্যই ঐ দুই শ্রেনী মুসলমানদের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে কেননা, পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে 'إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الإِسْلاَمُ সুরা আলে ইমরান ১৯ আয়াত। একমাত্র ইসলাম ধর্মকেই আল্লাহ গ্রহণ করবেন। এই সুরার ৮৬ আয়াতে বলা হচ্ছে
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الإِسْلاَمِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الآخِرَةِ مِنْ الْخَاسِرِينَ

য়ারা ইসলাম ধর্ম ব্যতীত অন্য ধর্মের অনুসরণ করবেন তাদের থেকে আল্লাহ গ্রহণ করবেন না।
প্রকৃত অর্থে ইসলাম এমন এক ধর্ম কেউ এর ছায়াতলে আসলে তার মানবিকগুন গুলো প্রতিপালিত ও সুশোভিত হয়ে ওঠে।

এমন অনেকে থাকতে পারেন যারা উত্তম চরিত্রের অধিকারী মহান আল্লাহ তাদেরও প্রতিদান অবশ্যই দিবেন। তবে ইসলামের পরিভাষাগত অর্থে প্রকৃত অনুসারীদের সাথে পার্থক্য। এটা পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে।

১৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৭

একেমন দেখা বলেছেন: সিহাব সাহেব এখন কোথায় গেলেন জবাব দিন জাগারণের।

২০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৪

দ্বীপবালক বলেছেন: সিহাব চৌধুরী বলিয়াছেনঃ "নিশ্চিত করছি, আমি মুসলিম"

দেখিয়া খটকা লাগিল। অথচ একই ব্যক্তি অন্যত্র বলিয়াছিলেন তিনি "এগনস্টিক"। মুসলিম আর এগনস্টিক এক বস্তু, তাহা জানা ছিলনা।

২১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৩

নেই মানুষ বলেছেন: মদনবাবু, কি সব বোকার মত কতা বল। সামহয়ারের আরেকটু হেল্প পেলে মওদুদী না, নাযিল আযামীই েকটা নতুন ধর্ম নাযিল করে ফেলতেন। দেখতেছ না উনার নামের মাঝেই নাযিল আছে

২২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: মওদুদীর প্রচারিত মতবাদ কবে থাইকা ইসলাম হইলো?

২৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৫

নু রা পা গ লা বলেছেন: ফারহান দাউদ বলেছেন:

মওদুদীর প্রচারিত মতবাদ কবে থাইকা ইসলাম হইলো?


আস্তমেয়ে/সন্ধ্যাবাত্তি কিন্তু মওদুদীর সমর্থক...:)

২৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৫

নাবিক বলেছেন:
@সিহাব চৌধুরী
ভাই,
আমারা মনে হয় "প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা ছিলেন ‘মুসলিম’৷ " এই উক্তি ঠিক আছে।

ইসলাম শব্দের দুটো মানে আছে একটি হলো শান্তি, অন্যটি হলো আত্নসমর্পণ বা ভ হওয়া ।

পবিত্র কুরআনে এ অর্থেই আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সব কিছুকে মুসলিম বা সমর্পিত, অনুগত বলা হয়েছে।


أَفَغَيْرَ دِينِ اللّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُون


"তারা কি আল্লাহ্‌র দ্বীনের পরিবর্তে অন্য দ্বীন তালাশ করছে? আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তাঁরই অনুগত হবে এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাবে।" (৩ : ৮৩ )

কুরআনের অন্য আয়াতে ইবরাহীম (আ) কে, আর প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও সৎলোকের মধ্যে ইবরাহীমের (আ) গুণসমূহ পাওয়া গেছে তাদের বলা হয়েছে মুসলিম। এদের মাঝে মুহাম্মদ (স) ও যারা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছে তাদের ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম মুসলিম বলে ঘোষণা করা হয়েছে।


مَا كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَهُودِيًّا وَلاَ نَصْرَانِيًّا وَلَكِن كَانَ حَنِيفًا مُّسْلِمًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ

ইবরাহীম ইহুদী ছিলেন না এবং নাসারাও ছিলেন না, কিক্তু তিনি ছিলেন ‘হানীফ’ অর্থাৎ, সব মিথ্যা ধর্মের প্রতি বিমুখ এবং আত্নসমর্পণকারী মুসলিম, এবং তিনি মুশরিক ছিলেন না। (৩ : ৬৭)

إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَـذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُواْ

মানুষদের মধ্যে যারা ইবরাহীমের অনুসরণ করেছিল, তারা, আর এই নবী এবং যারা এ নবীর প্রতি ঈমান এনেছে তারা ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম-। (৩ : ৬৮)

মাওলানা মওদূদী (র) নিজের কোন মনগড়া কথা বলেছেন বলেতো মনে হলোনা।

পোষ্টটির জন্য আযামীকে ধন্যবাদ। সূত্র দিলে ভাল হতো।

২৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪

নাবিক বলেছেন: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আমি ধার্মিক হতে রাজী আছি , ধর্মান্ধ হতে রাজী নই । কোন অন্ধকূপে পরে আছেন ভাইসাহেব এইটা হয়তো অনুধাবন করতে পারছেন না । এটা ২০০৮, ১৯০০ না । এখানে এইসব ধর্মান্ধতা শুধু অচলই না, প্রচার করতে গেলে গণপিটুনিও খেতে পারেন ।

ভাই,
আমি অন্তত ধর্মান্ধ হতে রাজী নই । শিক্ষা আরেক নাম আলো। ইসলামের পড়ে, শিখে তারপর মানতে বলে।

কুরআনের প্রথম বাণী, পড় তোমার প্রভূর নামে।------ যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।

দেখুন, ইসলাম পড়তে বলছে, শিক্ষার কথা বলছে।, গবেষণা করতে বলেছে। কারণ আপনার গেয়ান আপনাকে সত্য পথ দেখাবে।

দেখুন কি বলে কুরআন,
নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে।যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! তুমি কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করনি। (৩ :১৯০-১৯১)

ইসলাম বুঝে সুঝে মানুষকে ইসলামের দিকে আহবান করে, ধর্মান্ধ হতে বলেনা।

"হে নবী, বলে দিনঃ এই আমার পথ। আমি আল্লাহ্‌র দিকে বুঝে সুঝে দাওয়াত দেই আমি এবং আমার অনুসারীরা। আল্লাহ্‌ পবিত্র। আমি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নই।" (১২: ১০৮)

"অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে;" (১৬ :৪৪)

"আপনি লোকদের সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।"(১৬ :৪৫)

"আল্লাহ্‌ তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের গর্ভ থেকে বের করেছেন। তোমরা কিছুই জানতে না। তিনি তোমাদেরকে কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর দিয়েছেন, যাতে তোমরা অনুগ্রহ স্বীকার কর।(১৬ :৭৮)

অতএব ধর্মান্ধ হতে না চাইলে ইসলামই একমাত্র বিকল্প । পড়ুন, জানুন, মানুন।

২৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১২

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ধন্যবাদ নাবিক, আমি ভেবেছিলাম রেফারেন্সগুলো দিব। আমি কুরআন পড়তে গিয়ে ইবরাহিম (আ) এর আয়াতটা পড়ে খুব চমকে গিয়েছিলাম। আর এটা মওদূদীর থিওরী না। যে কোন ক্লাসিকেল স্কলারকে জিজ্ঞাসা করেন, দেওবন্দী আলেমদের জিজ্ঞাসা করেন, যারা মওদূদীর সবচেয়ে বড় সমালোচক, তারাও কিন্তু এই থিওরী দিবে। সাদিক আলম কিন্তু এই কথাই বলতো, সে সূফী ছিল। সূফীদের মওদূদীবাদের সমর্থক বললে তো সূফীরা অপমানিত হবে। এটা ইসলামের থিওরী, কুরআন থেকে পাওয়া থিওরী।

২৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৮

নু রা পা গ লা বলেছেন: ফারহান দাউদ বলেছেন: মওদুদীর প্রচারিত মতবাদ কবে থাইকা ইসলাম হইলো?

২৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩২

নাজিল আযামী বলেছেন:
আমার অনুপস্থিতিতে নাস্তিকদের সাথে অসাধারণ ভাবে লড়ে যাবার জন্যে ফজলে এলাহী বড় ভাই ও সন্ধ্যাবাতি বোনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাদের এ আন্দোলন অব্যাহত থাকুক।
আমীন।

২৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: সুব্দর পোস্ট অনেক কিছু জানলাম +

৩০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৪ জাগারণ বলেছেন: ফজলে এলাহীর লেখা খুবই চমতকার । তবে সিহাব চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে দুটি কথা বলতে হয়। আর তাহল সিহাব সাহেব ঐ পোষ্টে উল্লেখিত অংশ থেকে যে ধারণাটা পোষণ করেছেন তা আরো অনেকেরই হওয়ার কথা কেননা, মুসলমান শব্দের দু'টি অর্থ আছে একটি হল আভিধানিক আর অপরটি হল পরিভাষাগত অর্থ।
পরিভাষাগত অর্থে হযরত ইবরাহীম (আ.) আল্লাহর কাছে মুসিলম উম্মতের জন্য প্রর্থনা করেন-সুরা বাকারা ১`২৮ আয়াত। অর্থ হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের উভয়কে তোমার অনুগত (মুসলমান) করে নাও এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল (মুসলিম উম্মাহ্) সৃষ্টি কর...... তাই মুসলিমা উম্মাহর পরিভাষাগত অর্থে আদি পিতা হলেন ইবরাহীম। আর আভিধানিক অর্থে এর পরিধি অনেক ব্যাপাক হতে পারে । কেননা, অনেকে আছেন মৌন মুসলমান , কেউ রাজনৈতিক। যাহোক এখানে পরিভষাগত অর্থে সিহাব ভাইয়ের কথা ঠিক আছে । আর আভিধানিক অর্থে ফাজলে এলাহীর কথায় সর্মথন করা যায়।
এখন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।




জাগরন ভাই, আমি যে মত দিয়েছি, আর আপনি আমার মতটিকে পারিভাষিক বলে যে রায় দিয়েছেন, সেই পারিভাষিক মতটি আপনার উল্লেখিত কোরানের আয়াত ও তার ইংগিতকৃত ব্যখ্যায় পুরোপুরি পারভাষিক মতটি বাতিল হয়ে যায় ।


য়ারা ইসলাম ধর্ম ব্যতীত অন্য ধর্মের অনুসরণ করবেন তাদের থেকে আল্লাহ গ্রহণ করবেন না।
প্রকৃত অর্থে ইসলাম এমন এক ধর্ম কেউ এর ছায়াতলে আসলে তার মানবিকগুন গুলো প্রতিপালিত ও সুশোভিত হয়ে ওঠে।



এখন আসি এই আয়াতদুটির ব্যাখ্যা নিয়ে, মুওদুদী বাদীরা এর যে ব্যাখ্যা দিবেন তাতে মানবিক ধর্ম হিসাবে ইসলামকে প্রচন্ড সংকীর্ণ করে ফেলে ।

আপনাদের মতে এই আয়াত বলছে একমাত্র মুসলমান হওয়াটাই আল্লাহ লাভের পথ । পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান একজন মুসলমান ছিলেন । আপনাদের মতে, একমাত্র মুসলিম হবার কারনে ৭১ এ অগুনতি বাংগালীর হত্যাকান্ডের মূল হোতা ব্যক্তিটিও আল্লার কাছে গ্রহন যোগ্য হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে । অপর দিকে, মাদার তেরেসা, যিনি সারা জীবন ই সেবা ধর্মে কাটিয়েছেন, তাকে আল্লাহ গ্রহন করার কোন সম্ভাবনা নেই ।

এবার আয়াতটিকে মানবিক দৃষ্টিভংগী(মৌদুদী ভুলে যান) থেকে ব্যাখ্যা করুন -
যার মানবতাবাদী অমুসলিম(লাইক মাদার তেরেসা) - যাদের কাছে ইসলাম প্রকৃত অর্থেই পৌছেছে(কোন মানবাতাবাদী আমুস্লিমের[যারা এখনো অমুস্লিম] কাছে এটি কখনোই পৌছে নি) , তাদের কে শুধুমাত্র ইসলামের আচার অনুষ্টান পালন করছে না বলে আল্লাহ থেকে দূরে রাখা

এবং কোন জালেমের (লাইক ইয়াহিয়া খানকে) আল্লার নৈকট্য প্রাপ্তির সম্ভাবনাকে জিইয়ে রাখা -- it is really terrible discomfiture of maududi's islam .

মওদুদী বাদ এটা ভুলে গেছে-- ইসলাম মানুষের জন্য, মানুষ ইসলামের জন্য নয় ।

আমাকে আবার মুরতাদ উপাধী দিয়ে দেবেন না যেন ! :)


একটা কথা, যখন তখন যেখানে সেখানে আরবীর টেনে আনবেন না ।



@ জাগরন ।

৩১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৭ একেমন দেখা বলেছেন: সিহাব সাহেব এখন কোথায় গেলেন জবাব দিন জাগারণের।
------>

জ্বী ভাইসাহেব -- একমনে একটু ঘমোতে গিয়েছিলাম । ব্লগিং করি বলে কি ঘুমোতেও পারবো না ? ৪ টা পর্যন্ত জেগে ছিলাম গতকাল আপনাদের অন্ধকূপের শোচনীয় শব্দগুলো শুনতে ।

৩২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
দ্বীপবালক বলেছেন: সিহাব চৌধুরী বলিয়াছেনঃ "নিশ্চিত করছি, আমি মুসলিম"

দেখিয়া খটকা লাগিল। অথচ একই ব্যক্তি অন্যত্র বলিয়াছিলেন তিনি "এগনস্টিক"। মুসলিম আর এগনস্টিক এক বস্তু, তাহা জানা ছিলনা।

------>

জ্বী ভাই আমি অন্তকরনে এগোনিষ্টিক, কিন্তু আচার ব্যবহারে পুরোদস্তুর মুসলিম । এটাকে ambivalence বলতে পারেন । অন্ধ মুসলিম আর এগনস্টিক এক বস্তু না, এটা কিন্তু জেনে নেবেন । অনেক চিন্তাশীল মুসলিমই আছেন এগোনিষ্টিক । @ দ্বীপবালক ।

৩৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
নাবিক, সন্ধ্যাবাতি আপনাদের কমেন্টটি এখনো পড়িনি । একটু ব্যাস্ত আছি । পরে এসে পড়বো । আমার অপ্রতুল জ্ঞান নিয়ে দেখি, আপনাদের সাথে একমত হতে পারি কি না । @ নাবিক, সন্ধ্যাবাতি ।

৩৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২

পরাশক্তি বলেছেন: @ সিহাব চৌধুরী,
আপনি ভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মনের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলেন । যাহোক আমি আপনার কথা থেকে যে বিষয়টি বুঝতে পেরেছি তাহল এই যে, পরকালে সফল হওয়ার একমাত্র পথ কি ইসলাম ও মুসলমান হওয়া না, অন্য পথেও সম্ভব ?
যদি আমি ঠিক ধরে থাকি তাহলে সংক্ষেপে কথাটি বলি ; মুসলমান হলেই যে তিনি জান্নাতে যাবে এর কোন নিশ্চয়তা কেউ প্রদান করেননি। বরং ইসলাম একটি মাধ্যম যে মাধ্যমকে মহান পছন্দ করেছেন বা তিনিই আমাদের জন্য মনোনীত করেছেন। এপথে প্রতিটি মানুষের কর্ম ও নিয়ত তার চালিকাশক্তি প্রদান করে থাকে।
তাই এর উপর নির্ভর করে তার সফলতা ও ব্যর্থতা।
পক্ষান্তরে যারা পারিভাষিক মুসলমান নয় তাদের অবস্থা এক্ষেত্রে কী দাঁড়াবে ? এক্ষেত্রে তারাও তাদের কর্ম ও নিয়তির উপর ভিত্তি করে প্রতিদান প্রাপ্ত হবেন।
নীচের কথাটির কুরআন ভিত্তিক যুক্তি আছে।
আর কিছু ?

৩৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

ধন্যবাদ , পরাশক্তি -- আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। আপনাদের সো কল্ড পারিভাষিক মুসলিমরা যদি apprantly অন্য ধর্মাবলম্বীও হয়ে থাকেন এবং তার কর্মফলের উপর যদি তাকে মূল্যায়ন করা হয় that will be a super judgement. i have my eulogy for the way moududi has explained this conversant problem.
hats off.

কিন্তু প্রবলেম হচ্ছে আপনার আর জাগরন ভাইয়ের কথার মধ্যে contradiction লক্ষ্য করলাম । জাগরন ভাই বলেছেন --

তবে অবশ্যই ঐ দুই শ্রেনী মুসলমানদের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে

আর আপনি বলছেন --

মুসলমান হলেই যে তিনি জান্নাতে যাবে এর কোন নিশ্চয়তা কেউ প্রদান করেননি। বরং ইসলাম একটি মাধ্যম যে মাধ্যমকে মহান পছন্দ করেছেন বা তিনিই আমাদের জন্য মনোনীত করেছেন। এপথে প্রতিটি মানুষের কর্ম ও নিয়ত তার চালিকাশক্তি প্রদান করে থাকে।
তাই এর উপর নির্ভর করে তার সফলতা ও ব্যর্থতা।
পক্ষান্তরে যারা পারিভাষিক মুসলমান নয় তাদের অবস্থা এক্ষেত্রে কী দাঁড়াবে ? এক্ষেত্রে তারাও তাদের কর্ম ও নিয়তির উপর ভিত্তি করে প্রতিদান প্রাপ্ত হবেন।


শীত খুব বেশী পড়ে নি, এত বেশী কুয়াশা কেন ?
আমি দাদা নই । সদ্য যুবক । দাদাকে আদা পড়ানো অনেক কঠিন । কিন্তু সদ্য যুবক কে আদা পড়ানো খুব সোজাও না । :)


@ পরাশক্তি ।

৩৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এ বিষয়ে দুটি কথা -

১) আপনাদের দুজনের contradiction এর কারনে আমার মনে হচ্চে, আপনাদের কার্যধারাটি মুটোমুটি এই রকমঃ

যেভাবে ব্যাখ্যা করলে আমি আপনাদের সাথে সহমতে আসতে পারবো, সেভাবেই ব্যাখ্যা করছেন । ধর্মকে নিজেদের সুবিধামত ব্যাখ্যা করছেন যা জামাতের সহজাত বৈশিষ্ট্য ।

২) যদি "পারিভাষিক মুসলমান" শব্দদুটি আসলেই অর্থময় হয়, তাহলে পৃথিবীতে আমরা সবাই মুসলমান । কারোর ই নতুন করে ইসলামে কনভার্সনের প্রয়োজন নেই ।

@ পরাশক্তি ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.