নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

LET'S START...........

যে জানেনা এবং জানে যে সে জানেনা সে সরল, তাকে শেখাও। যে জানেনা এবং জানেনা যে সে জানে না, সে বোকা-তাকে পরিত্যাগ কর।

আজমান আন্দালিব

নিজের সম্পর্কে আর কি লিখবো, অন্যেরা যা ভাবছে তা-ই শেয়ার করবো...

আজমান আন্দালিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজপ্রাসাদের গল্প

২৩ শে মার্চ, ২০১২ রাত ২:৪৮

(একটি রাজপ্রাসাদ। রাজ্যপ্রধান সিংহাসনে উপবিষ্ট আছেন। প্রধান অনুচর রাজ্যপ্রধানের সিংহাসনের পাশে দণ্ডায়মান। রাজ্যের সার্বিক বিষয় নিয়ে রাজ্যপ্রধান এবং প্রধান অনুচরের মধ্যে কথোপকথন হচ্ছে।)



-মহামান্য, শত্রু সৈন্য রাজপ্রাসাদের চারিদিক ঘিরে ফেলার আয়োজন সব সম্পন্ন করছে।

-হে আমার বিশ্বস্ত অনুচর, আর কি দুঃসংবাদ তুমি বহন করে এনেছ?

-মহামান্য, শত্রুপক্ষের সাথে সাধারণ প্রজারাও রাজপ্রাসাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে। যে কোনো সময় তারা প্রাসাদের দিকে ধেয়ে আসতে পারে।

-আর কোনো দুঃসংবাদ!

-মহামান্য, আমাদের প্রধান প্রধান অনুগতরা গোপনে শত্রুপক্ষের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

-না, না, এ হতে পারে না আমার বিশ্বস্ত অনুচর। প্রধান প্রধান অনুগতরা আমার একান্ত বাধ্যগত।

-গোস্তাকি মাফ করবেন মহামান্য। ক্ষমতার লোভে অনুগত হলেও বিশ্বস্ততার দিক দিয়ে তারা মীরজাফরের সমতুল্য।

-হে আমার বিশ্বস্ত অনুচর, আর কি দুঃসংবাদ দিবে তুমি আমায়?

-মহামান্য, কতিপয় রাজকর্মচারী আপনার বিরুদ্ধে 'উত্তরা ষড়যন্ত্রের ন্যয় ষড়যন্ত্রে' মেতে উঠছে। আপনার অনুগত রাজকর্মচারীরা প্রকাশ্যে আপনাকে সমর্থন করলেও আপনার প্রতিপক্ষ রাজকর্মচারীরা সংখ্যায় অনেক। আপনাকে সমর্থন করতে গিয়ে আপনার অনুগত রাজকর্মচারীরা প্রতিপক্ষের কাছে চিহ্নিত হয়ে পড়েছে।

-তাতে আমার শক্তি প্রদর্শিত হয়েছে। রাজকর্মচারীরা আমার পক্ষে অংশ নিয়ে আমার স্নেহভাজন হয়েছে। তাদেরকে রাজকোষ থেকে পুরস্কৃত করা হোক।

-রাজকর্মচারীদের বিভক্তিতে রাজকার্য পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ার আশংকা জন্মেছে। এ ঠেলে ওর গায়ে, ও ঠেলে এর গায়ে। কেউ ঝুঁকি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। কী জানি! পরবর্তী রাজ্যপ্রধানের রোষাণলে যদি পড়তে হয়!

তদুপরি রাজকোষের প্রধান রক্ষক দেশ রক্ষার হিসাব-নিকাশ গুলিয়ে ফেলেছেন। আলুর বাজার, মাছের বাজার আর শেয়ার বাজারের মধ্যে তিনি নাকি কোনো পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেন না। ঋণ বাজারের দ্বারস্থ হয়ে তিনি ক্রমশঃ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।

-আমার রাজকোষের রক্ষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন? তাকে বল এই ঋণ মেটানোর জন্য প্রয়োজনে আমার রাজ্যের সব সম্পদ যেন ব্যবহার করে।

-বেয়াদবি মাফ করবেন মাননীয়। দেশের সব সম্পদই একে একে বিদেশী প্রভুদের হাতে আমরা তুলে দিয়েছি। আমাদের সম্পদের সিংহভাগই বিদেশী প্রভুদের হাতে।

-তাতে কি হয়েছে! বিদেশী প্রভুরাই তো আমাদের ক্ষমতার মূল নিয়ামক। তাদের আশীর্বাদের প্রয়োজন আছে। জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে তাদের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা হোক।

-তাই হয়েছে মহামান্য। আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য নদীতে বাঁধ দিয়ে জলে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। স্থলে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য আমাদের রাজ্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। আমরা ক্রমশঃ অবরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।

-অবরুদ্ধ!!! অবরুদ্ধ কেনো হবো। আমরা বড় বড় ব্রীজ, উড়ালসেতু করে রেখেছি। প্রয়োজনে উড়াল দেবার জন্য রাজ্যপিতার সম্মানে উড়ালপোর্ট ও রেডি রাখছি।

-মাননীয়. আমাদের মন্ত্রকের প্রধানরা অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছেন ঋণ ব্যবহারে। অনেক প্রকল্পের টাকা ফেরত যাচ্ছে। মন্ত্রক প্রধানদের বিরুদ্ধে কাজে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ উঠছে। আমাদের সাম্রাজ্যবাদ মুরুব্বীরা ঋণ আটকে দিচ্ছে। লাগামহীন দুর্নীতির অভিযোগ আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রক প্রধানের বিরুদ্ধে। এজন্য রাজ্যের সবচেয়ে বড় সেতু নির্মাণে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।

-হে প্রধান অনুচর! তুমি লাগামহীন কথা বলছ। আমার রাজ্য পরিচালনায় মন্ত্রক সভায় ক্লিন ইমেজের সব মন্ত্রী, যারা আমার কথায় উঠে এবং আমার কথায় বসে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আমি কখনোই বরদাশত করবো না। তুমি আমার প্রতিপক্ষ শত্রুদের সুরে কথা বলছ।

-গোস্তাকি মাফ করবেন মহামান্য। আপনার রাজ্যে প্রজারা এখন সুখে নেই। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে হুহু করে। বাণিজ্য মন্ত্রকপ্রধান বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কিছুতেই। বণিকদের ক্রমাগত শোষণে সাধারণ প্রজাদের দিশাহীন অবস্থা।

-বাহ! এই না হলে তুমি আমার যোগ্য প্রধান অনুচর। কোথায় তুমি আমার রাজকার্য পরিচালনার প্রশংসা করবে, তুমি কিনা আমাকে একটার পর একটা দুঃসংবাদ দিয়েই চলেছ। তুমি আমার মনটাকে বিভক্ত করতে চাইছ।

-মাননীয়, রাজ্যের প্রধান নগরকে উত্তর দক্ষিণে বিভক্ত করার মতো ইতিমধ্যে পুরো রাজ্য দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে রয়েছে। একপক্ষে আপনার অনুগত কতিপয় প্রজা। তাদের পার্টির নাম 'আমি'। অপরপক্ষে আপনার প্রতিপক্ষের অনুগত কতিপয় প্রজা। তাদের পার্টির নাম 'তুমি'। 'তুমি' পার্টির প্রজারা আপনার নেতৃত্বাধীন 'আমি' পার্টির প্রতিপক্ষ। প্রতিপক্ষের অনুগতরা ক্রমেই সংগঠিত হচ্ছে।

-উফ! খালি দুঃসংবাদের বাহক হয়েই তুমি এসেছ হে অনুচর!! তুমি কি মনে কর তারা রাজপ্রাসাদ আক্রমণ করে দখলে নিতে পারবে?

-এখনই তা সম্ভব বলে আমি মনে করি না মহামান্য। তারা সরাসরি রাজপ্রাসাদ আক্রমণের চিন্তা না করে রাজ্যে নিরীহ প্রজাদের ক্ষেপিয়ে তোলার কৌশল হাতে নিয়েছে। তারা প্রথমেই রাজপ্রাসাদ নয় রাজপথ দখলে নেওয়ার কৌশল নিয়ে এগুচ্ছে।

-কোথায় আমার সেনাপতি? কোথায় আমার সান্ত্রী-সিপাই? তাদেরকে রাজপথে নামিয়ে দাও ঐ সব ষড়যন্ত্রকারীদের রাজপথ থেকে হটিয়ে দিতে। আমি এখন রাজপথ বিহারে বেরুবো।

-মহামান্য রাজপথ বিহারে বেরুবেন ভালো কথা কিন্তু একটু সাবধানে বেরুতে হবে। গুপ্তঘাতকরা লুকিয়ে থাকতে পারে আশেপাশে। যুদ্ধাপরাধীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গুপ্ত ঘাতক হয়ে। রাজ্য জয়ের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তারা ক্ষেপে আছে রাজ্যপিতার উপর। বর্তমান রাজ্যপ্রধান হিসেবে আপনার উপরও তাদের ক্রোধ নিপতিত হতে পারে।

-অনুচর, তুমি দেখি আমায় একদণ্ড শান্তিতে থাকতে দিবে না। চারিদিকে এত ষড়যন্ত্রের কথা বলছ। রাজ্যপিতাকে ষড়যন্ত্রকারীরা হত্যা করেছিল। সেই রাজ্যপিতার রক্তের উত্তরাধিকার হয়েই আমি রাজ্যপ্রধান হয়েছি। আমার প্রতিপক্ষ শত্রুদের কোনোই অধিকার নেই এই রাজ্য দখলে নেওয়ার।

-কিন্তু মহামান্য, আমাদের রাজ্যের নিয়মতো হচ্ছে অমাত্যবর্গ বেষ্টিত থাকা। রাজ্যের অনুগত অমাত্যবর্গরা নিজের জমিদারী পরগণাতে খুনোখুনি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে। পরগণাভিত্তিক রাজকর্মচারী নিয়োগে কেউ নিয়োগ বাণিজ্যেও জড়িয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ শতকরা হিসেবে কাজের আগেই মুনাফা বাটোয়ারায় জড়িয়ে পড়েছেন।

-অর্থই হচ্ছে সমস্ত ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। অমাত্যবর্গরা অর্থ কামিয়ে প্রজাদের উপর আর্থিক প্রভাব রাখছে। অমাত্য নির্বাচনে এই অর্থ ঢেলেই আবার প্রজাদের সমর্থন নিয়ে নেবে। তাতে অমাত্যবর্গ বেষ্টিত হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিংহাসনে আরাম করে বসে থাকা যাবে। এতে দোষের কি?

-কিন্তু মহামান্য, দেশব্যাপী একটা অস্থিরতা শুরু হয়েছে। রাজকর্মচারী, উজির-নাযির-অমাত্যবর্গ সবাই অর্থেরর পিছনে ছুটছে। যে কোনোভাবে অর্থ উপার্জনই এখন মূল্য লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বঞ্চিত প্রজারা ক্রমেই নিঃস্ব হচ্ছে। খুন, ডাকাতি, ছিনতাই ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। খুনীরা ধরা পড়ছে না। পড়লেও ক্ষমতার দাপটে পার পেয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ প্রজারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।



-আমার রাজ্যে এরকম অনাচার আমি কখনোই সইবো না। আমি অমাত্যবর্গের সভায় তা জানতে চাইব। সারা রাজ্য জুড়ে যে সব অনুগত অমাত্যবর্গ আছে তাদের রাজ সংসদে আহ্বান কর। আমার বিরোধী অমাত্যবর্গকেও আহ্বান কর।

-মাননীয়, রাজ সংসদে এখন শুঁড়িখানা আর বাঈজীদের আধিপত্য। মদ্যপরা বাঈজীদের নাচ দেখে যেমন খিস্তি ঝাড়ে, রাজসংসদে এখন তেমন খিস্তি-খেউরের ঝাড়াঝাড়ি হচ্ছে। আপনার অনুগত অমাত্যবর্গ এবং প্রতিপক্ষ অমাত্যবর্গ সবাই মিলে রাজসংসদকে নরকগুলজার করে তুলছে মাঝে মাঝে। আইন প্রণয়নের কাজ কিছুতেই হচ্ছে না।

-হে প্রধান অনুচর, তুমি জান রাজ্যপিতার কিছু স্বপ্ন বাস্তবায়ন অতীব জরুরী। এত দুঃসংবাদের ভিড়েও আমি ক্ষমতা হারাতে চাই না। রাজ্যের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতা দরকার। ক্ষমতা নিষ্কন্টক করার ব্যবস্থাও আমি করে ফেলেছি। আমার এ রাজ্যে আমি প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ দিতে চাই না। প্রতিপক্ষের যোদ্ধাদের আমি কৌশলে হারিয়ে দেবো। আমার রাজ্যে রাজ্যপ্রধান নির্বাচন আমার কৌশল মোতাবেকই হবে।

-মহামান্য ভুল বুঝবেন না। রাজ্যে সাধারণ প্রজাদের এক বিশাল অংশ মনে করে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কই রাজ্যপ্রধান নির্বাচনে উপযুক্ত। এক্ষেত্রে আপনার কৌশল হিতে বিপরীত হতে পারে। রাজ্যের অনুগত কাজীরাও কমপক্ষে দুইবার এরকমভাবে রাজ্যপ্রধান নির্বাচন চায়।

-ওহে অনুচর, তুমি সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছ। আমার কৌশলই চুড়ান্ত। যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শায়েস্তা করার জন্য আমাকেই এ রাজ্য পরিচালনা করে যেতে হবে। সবাইকে আমার অনুগত হয়ে থাকতে হবে। একথা রাজ্যময় এলান করে দিতে আদেশ দিচ্ছি।

-এই ঘোষণা রাজ্যময় দেওয়া হয়েছে মহামান্য। তারপরই বেধেছে বিপত্তি। প্রতিপক্ষ রাজ্য অচল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা রাজ্যের ছয় কোনায় ছয়টি প্রজা সম্মেলনে শক্তির মহড়া দেখিয়েছে। তারা প্রধান নগরেও তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। এখন তারা চুড়ান্তভাবে রাজপ্রাসাদ দখলের কৌশল আঁটছে।

-নাহ্! আমি কোনোভাবেই প্রতিপক্ষের কৌশল বাস্তবায়ন হতে দেবো না। আমার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র হচ্ছে। প্রয়োজনে প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ দিয়ে দাও সব ক'টাকে গারদবন্দী করতে।

-সেনাপতিরা রাজ্যে বিশৃঙ্খলার আশংকায় আপনার আদেশ নাও মানতে পারে।

-তুমি নিরেট মূর্খ একজন অনুচর। আমার এই রাজ্য চলছে আমার আজ্ঞাবহ কতিপয় মূর্খ দ্বারা। তুমিও তাদের মধ্যে একজন। দূর হও আমার সম্মুখ থেকে...



প্রধান অনুচরের নীরব প্রস্থান। রাজপ্রাসাদের গল্পের এখানেই সমাপ্তি।





মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৪

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: আমাদের রাজনৈতিকরা যে কবে এসব কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে দেশের জন্য কাজ করবে আল্লাই জানেন :(
পোস্টে প্লাস।

২৩ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪১

আজমান আন্দালিব বলেছেন: রাজনীতিতে শিক্ষিত এবং সজ্জন ব্যক্তির আগমন ঘটলেই কেবল রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নত হবে।
শুভকামনা আপনার জন্য।

২| ২৩ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৫

হিবিজিবি বলেছেন: -হে প্রধান অনুচর! তুমি লাগামহীন কথা বলছ। আমার রাজ্য পরিচালনায় মন্ত্রক সভায় ক্লিন ইমেজের সব মন্ত্রী, যারা আমার কথায় উঠে এবং আমার কথায় বসে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আমি কখনোই বরদাশত করবো না। তুমি আমার প্রতিপক্ষ শত্রুদের সুরে কথা বলছ।
......................পরিস্থিতি এমনই!! তানাহলে চারদিকে এত সমালোচনার পরও কেউ কেউ উল্টা পুরস্কৃত হয় কেমনে!!

২৩ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:১৫

আজমান আন্দালিব বলেছেন: ধন্যবাদ হিবিজিবি।

৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১০:০৬

ডেভিড বলেছেন: তুমি নিরেট মূর্খ একজন অনুচর। আমার এই রাজ্য চলছে আমার আজ্ঞাবহ কতিপয় মূর্খ দ্বারা। তুমিও তাদের মধ্যে একজন। দূর হও আমার সম্মুখ থেকে...... এর চেয়ে সরল বাক্যে বাংলাদেশের রাজনীতি প্রকাশ সম্ভব নয়

ভালো লাগলো গল্প

০৮ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯

আজমান আন্দালিব বলেছেন: ধন্যবাদ ডেভিড। রাজপ্রাসাদের গল্পের মূর্খ অনুচর হয়েই আমরা দিন যাপন করছি।
শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.