| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্
যখনি এ পথে যাবে, বারেক দাঁড়ায়ো ফুলবনে, শুধু দু হাত ভরিয়া দেব ফুল।
বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতি এবং তথ্যের সহজলভ্যতা মানুষের চিন্তাভাবনা, বিশ্বাস এবং জীবনদর্শনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। তবে এই পরিবর্তনের পেছনে বয়স্ক এবং তরুণ প্রজন্মের নিজস্ব মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত কারণ রয়েছে।
বয়স্কদের ধর্মভীরু বা আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণজীবনসায়াহ্নে এসে পরম আশ্রয়ের খোঁজ: বয়সের সাথে সাথে মানুষ যখন জীবনের শেষ অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে যায়, তখন মৃত্যুচিন্তা এবং পরবর্তী জীবনের ধারণা তাদের ভাবিয়ে তোলে। বিজ্ঞান বস্তুগত ব্যাখ্যা দিলেও মৃত্যুর পরের জগৎ বা মানসিক শান্তির চূড়ান্ত আশ্বাস ধর্মের মাধ্যমেই মানুষ বেশি খুঁজে পায়।অতীতের মূল্যবোধ ও অভ্যাস: বয়স্ক ব্যক্তিরা এমন একটি সময়ে বড় হয়েছেন যখন সমাজ ও পরিবারে ধর্মীয় অনুশাসন অনেক বেশি দৃঢ় ছিল। বিজ্ঞানের আজকের অগ্রগতি তাদের জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেও, ছোটবেলার বিশ্বাস ও দীর্ঘদিনের অভ্যাস তাদের মনের গভীরে রয়ে গেছে।
মানসিক শান্তি ও নিঃসঙ্গতা দূরীকরণ: বয়স বাড়ার সাথে সাথে সামাজিক ব্যস্ততা কমে যায় এবং নিঃসঙ্গতা বাড়ে। এই সময়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, প্রার্থনা বা উপাসনা তাদের একাকীত্ব দূর করতে এবং এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তা দিতে বড় ভূমিকা রাখে।
তরুণ প্রজন্মের নাস্তিকতা বা সংশয়বাদের দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের প্রাধান্য: বর্তমান তরুণ প্রজন্ম তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বড় হচ্ছে। তারা যেকোনো বিষয়কে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে তার পেছনে যুক্তি, কার্যকারণ এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খোঁজে। বিজ্ঞান যখন মহাবিশ্ব বা জীবনের উৎপত্তির বস্তুনিষ্ঠ ব্যাখ্যা দেয়, তখন প্রচলিত অনেক ধর্মীয় অলৌকিক কাহিনীর প্রতি তাদের আস্থা কমতে শুরু করে।তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও সংশয়বাদ: ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে তরুণরা আজ বিভিন্ন সংস্কৃতি, দর্শন এবং মুক্তচিন্তার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বিভিন্ন ধর্মের তুলনামূলক আলোচনা এবং সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ তাদের প্রচলিত বিশ্বাসের বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: অনেক সময় ধর্মের নামে উগ্রবাদ, কুসংস্কার বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার প্রবণতা দেখে তরুণদের একাংশ ধর্মের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। তারা ধর্মকে শান্তির চেয়ে বিভেদের কারণ হিসেবে দেখতে শুরু করে, যা তাদের নাস্তিকতা বা ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে ঠেলে দেয়।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৭
সামছুল আলম কচি বলেছেন: সমস্ত আইন-কানুন, মূল্যবোধ, ন্যায়নীতি, শৃঙ্খলা, শিষ্টাচার; সবই ধর্ম থেকে উৎসরিত !! বোকারা-ই কেবল বিজ্ঞানের যুক্তি দেখে ভিমড়ি খায়। অথচ বিজ্ঞান প্রতিদিন পাল্টায় !! এ জন্যই মানুষের প্রয়োজন - প্রচূর জ্ঞানার্জন !!
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: ধন্যবাদ
৩|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:০৭
কামাল১৮ বলেছেন: আমি বুঝ হওয়ার পরেই সেকুলার।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: শুভকামনা রইল।
৪|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: এতে ধর্মের পন্ডিতদের দায়বদ্ধতা আছে।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: সহমত! পারিবারিক পরিবেশও ভূমিকা রাখতে পারে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৬
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: ঠিক বলেছেন